23/04/2026
প্রশ্ন: ১। আওয়ামীলীগকে কি এনসিপি এবং জামাতরাই ক্ষমতাচ্যুত করেছে? (যদিও তখন এনসিপির জন্মই হয়নি)
২। বিএনপির নেতা, কর্মী, সমর্থকরা আন্দোলনে কোথায় ছিলো?
৩। ধরে নিলাম; বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলো। ক্ষমতায় কে বসবে?
৪। যারা ক্ষমতায় বসবে; ধরে নিলাম এনসিপি এবং জামাত বসবে। ক্ষমতায় বসার ২ মাস পর ওদের বিরুদ্ধে যদি বিএনপি, আওয়ামিলীগ জোটবদ্ধ হয়ে মাঠে নামে তখন এনসিপি বা জামাতের ভূমিকা কি হবে?
কারণ দেশের ৯৫% মানুষ দুর্নীতিগ্রস্থ। সেখানে ৩০০ জন সংসদ সদস্য কখনোই দূর্নীতি বা অপরাধমুক্তভাবে দেশ চালাতে পারবেনা। তাছাড়া জামাত, এনসিপির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশগ্রহণে ১৮ মাস তো দেশ চালিয়েছে? কি উন্নতি বা ভালো করেছে? খুন, সন্ত্রাস, ধর্ষন দুর্নীতি কি কম হয়েছে?? তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি যেকোনো সময় মাঠে নেমে ওদের পতন ঘটাতে পারতো। কিন্তু বিএনপি দাঁতে দাঁত কামড়িয়ে নির্বাচনটা পাড়ি দিতে চেয়েছে। ৩০০ জন সংসদ সদস্য হাজার হাজার তেলের পাম্প পাহারা দেবে, নাকি বাজারের সিন্ডিকেট পাহারা দেবে, নাকি বাড়ী বাড়ী ধর্ষন পাহারা দেবে, নাকি কার মেয়ে কার সাথে পালালো সেগুলো পাহারা দেবে? এনসিপি এবং জামাতের তো ১০০% জনসমর্থন নাই? সেক্ষেত্রে বিএনপি, আওয়ামীলীগ একজোট হয়ে চাইলেই ওদের সরকারকে টেনে নামাতে পারবে। একটা গরীব দেশে সরকারের দোষ ধরা কোন ব্যাপারই না। চুন থেকে পান খসলেই অন্দোলনের ইস্যু তৈরি করা সম্ভব। আর এভাবেই যদি প্রতি ২ মাস পর পর সরকার বদল হয়; তাহলে দেশের উন্নয়ন হবে কবে?
যারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক তারা সরকারকে ৫ বছর সময় দিয়ে দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে। কিন্তু যেদেশের ৯৫% মানুষ দুর্নীতিগ্রস্থ সে দেশে বুলি আউরানো মানে ক্ষমতার লোভ। কারণ যারা সরকারের বিরোধিতা করে বড় বড় বুলি আউরায় তারাও জানে ক্ষমতায় গেলে অনেককেই অবৈধ সুবিধা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে! ১৮ মাস যার প্রত্যক্ষ উদাহরণ। আর সুবিধা দিলে বিরোধী দল আন্দোলনের ইস্যু পাবে। আর না দিলে সুশিল সমাজ, সাংবাদিক, প্রশাসন এবং আমলারা ক্ষমতাচ্যুত করার ইস্যু তৈরী করবে!
অতএব সাধু সাবধান!