24/06/2026
আশুরার রোজা রাখার নিয়ত করেছেন তো?
আশুরা অর্থ ‘দশম’। মুহাররম মাসের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। মুহাররম হলো চারটি পবিত্র মাসের একটি, যাকে আল্লাহ নিজে সম্মানিত করেছেন।
এ মাসকে হাদিসে “শাহরুল্লাহ” অর্থাৎ আল্লাহর মাস বলা হয়েছে।
🔰আশুরার রোজার ফজিলত:
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,
“রমাদানের ফরজ রোজা ছাড়া আশুরার রোজার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে নবীজিকে আমি দেখি নাই।”
(বুখারি, হাদিস ২০০৬)
যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ আশুরার রোজা রাখলেন, সাহাবিরা বললেন, ইহুদি-নাসারারা এই দিনকে মর্যাদা দেয়। তখন তিনি বললেন:
“আগামী বছর ইন শা আল্লাহ আমরা ৯ তারিখেও রোজা রাখব।”
কিন্তু সে বছরের আগেই তাঁর ইন্তেকাল হয়।
(মুসলিম, হাদিস ২৫৫৬)
তিনি আরও বলেন:
“তোমরা ইহুদিদের বিরোধিতা করো— আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখো।”
(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ২১৫৪)
তাই, উত্তম হলো দুইদিন রোজা রাখা। আশুরা আগের বা পরের দিন মিলিয়ে। একান্তই সম্ভব না হলে শুধু আশুরার দিন রোজা রাখা।
📆 রোজা রাখার তারিখ:
🔹 সর্বোত্তম: সর্বোত্তম হলো আশুরার আগের দিন এবং আশুরার দিন রোজা রাখা। অর্থাৎ ৯ ও ১০ মুহাররম (২৫ জুন, বৃহস্পতিবার এবং ২৬ জুন, শুক্রবার)
🔹 বিকল্প: ১০ ও ১১ মুহাররম (২৬ জুন, শুক্রবার এবং ২৭ জুন, শনিবার) রোজা রাখা অর্থাৎ আশুরার দিন এবং আশুরার পরের দিন মিলিয়ে।
🔹 একদিন রাখতে চাইলে: কেউ শুধু আশুরার দিন রোজা রাখতে চাইলে ১০ মুহাররম (২৬জুন) রোজা রাখতে হবে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে আশুরার রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🟩 সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করতে পারি ইন শা আল্লাহ।©️