13/06/2020
শুকনো ফলের রাজা #কিসমিসের নানা উপকারিতা
#কিসমিস রান্নার কাজে অর্থাৎ সেমাই, পায়েশ, মিষ্টি জাতীয় খাবারে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া অনেকে এই #কিসমিস এমনি খেতেই পছন্দ করেন। কিন্তু আমাদের কি জানা আছে দেহের কি কি উপকারে আসে এই কিসমিস? একে কিন্তু শুকনো ফলের রাজাও বলা হয়।
#আঙুর ফলের শুকনা রূপ হলো কিসমিস। সোনালী-বাদামী রংয়ের চুপসানো ভাঁজ হওয়া ফলটি খুবই শক্তিদায়ক। এটি তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। তাপে #ফ্রুক্টোজগুলো জমাট বেঁধে পরিণত হয় কিসমিসে।
প্রতি ১০০ গ্রাম কিসমিসে রয়েছে- ২৯৯ কিলোক্যালরি শক্তি, কার্বোহাইড্রেট ৭৯.১৮ গ্রাম, প্রোটিন ৩.০৭ গ্রাম, ফ্যাট ০.৪৬ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ৩.০৭ গ্রাম, ফোলেট ৫ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন ০.৭৬৬ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৪৯ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১.৮৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ২৯৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১০১ মিলিগ্রাম।
#কিসমিস রক্তে শর্করার মাত্রায় ঝামেলা তৈরি করে না। এটি খেলে শরীরে রক্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায়, পিত্ত ও বায়ুর সমস্যা দূর হয়। এটি হৃদপিণ্ডের জন্যও অনেক উপকারি। এবার বিস্তারিতভাবে জেনে নেই কিসমিসের উপকারিতা সম্পর্কে-
#দ্রুত দেহে শক্তি যোগায়
দেহে শক্তি সরবরাহ করতে কিসমিসের অবদান অনেক বেশি। কিসমিসে রয়েছে চিনি, #গ্লুকোজ এবং #ফ্রুক্টোজ, যা তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহ করে থাকে। তাই দুর্বলতা দূরীকরণে কিসমিসের কোন জুড়ি নেই।
#রক্তশূন্যতা_দূর করে
কিসমিসে আছে প্রচুর পরিমাণে লৌহ উপাদান। যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। #রক্তশূন্যতার কারণে অবসাদ, #শারীরিক দুর্বলতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যতে পারে এমনকি, #বিষণ্ণতাও দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে কিসমিস যথেষ্ট উপকারী।
#হজমে_সাহায্য করে
কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে #ফাইবার রয়েছে, যা দেহের পরিপাকক্রিয়া দ্রুত হতে সাহায্য করে এবং #কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।
#হাড়ের_সুরক্ষা দেয়
এই শুকনো ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে #ক্যালসিয়াম। যা হাড় মজবুত করতে বেশ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের ক্ষয় এবং বাতের ব্যথা থেকে দূরে রাখবে। তাছাড়া কিসমিসে আছে প্রচুর পরিমাণ বোরন, যা #অস্টিওপরোসিস_রোগের প্রতিরোধক।
#রক্তচাপ_নিয়ন্ত্রণে রাখে
কিসমিসে থাকা #পটাশিয়াম রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে থাকা উচ্চমাত্রার সোডিয়াম, রক্তচাপ বাড়ার প্রধান কারণ। কিসমিস শরীরের সোডিয়াম মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
#চোখের_জন্য উপকারি
কিসমিস চোখের জন্য যথেষ্ট উপকারি। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ #এন্টি_অক্সিডেন্ট, যা অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে। তাছাড়া কিসমিস খেলে সহজে শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে না। দৃষ্টি শক্তি হ্রাস ও চোখে ছানি পড়া থেকে দূরে রাখে।
ক্যান্সার প্রতিরোধে করে
খাবারে প্রচুর পরিমাণ আঁশ থাকলে #কোলোরেক্টারাল ক্যান্সার ঝুঁকি কমে যায়। এক টেবিল চামচ কিসমিসে ১ গ্রাম পরিমাণ আঁশ থাকে। কিসমিসের #অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের কোষগুলোকে #ফ্রি_র্যাডিক্যাল ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করে এবং #ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন হওয়ায় বাধা প্রদান করে।
#এসিডিটি_কমাতে সহায়তা করে
রক্তে অধিক মাত্রায় #এসিডিটি (অম্লতা) বা #টক্সিসিটি (বিষ উপাদান) থাকলে তাকে বলা হয় #এসিডোসিস। #এসিডোসিসের (রক্তে অম্লাধিক্য) কারণে বাত, চর্মরোগ, হৃদরোগ ও ক্যান্সার হতে পারে। কিসমিস রক্তের এসিডিটি কমায়।
#কোলেস্ট্রোরেল_হ্রাস করে
কিসমিসে কোন কোলেস্ট্রোরেল থাকে না এমনকি এতে আছে #এন্টি_কোলোস্ট্রোরেল উপাদান। যা রক্তের খারাপ কোলোস্ট্রোরেলকে হ্রাস করতে সাহায্য করে। এছাড়া কিসমিসের দ্রবণীয় #ফাইবার, যা লিভার থেকে কোলোস্ট্রোরেল দূর করতে সাহায্য করে।
#ইনফেকশনের_ঝুঁকি কমায়
কিসমিসের মধ্যে রয়েছে পলিফেনলস এবং #অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও #অ্যান্টিইনফেমেটরি উপাদান। যা কাঁটা-ছেড়া বা ক্ষত হতে #ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি অধিকাংশে কমিয়ে দেয়।
াড়াতে সাহায্য করে
কিসমিসে প্রচুর #ফ্রুক্টোজ ও #গ্লুকোজ থাকে। তাই এটি ওজন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যদি সঠিক নিয়মে ওজন বাড়াতে চান তবে আজই কিসমিস খেতে পারেন।
এছাড়া #কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যা #দাঁত_মজবুত করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন যা মানুষের অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে সহায়ক। কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারি, এই শুকনো ফলটি খেলে কাজে #মনোযোগ বাড়ে। তাই খাদ্য তালিকায় আজই কিসমিস যোগ করুন।
#রোগ_প্রতিরোধ_ক্ষমতা_বৃদ্ধি , #করোনা_ভাইরাস, #কিসমিস