তান সূতিকাগার

তান সূতিকাগার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from তান সূতিকাগার, Grocers, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, Rajshahi.

ও গোসাই লেজ নড়ায় আর খেজুর খায়, গোসাই গেল খেজুর খেতে দেখনা গাছ তলায়।।মোল্লা চাচার হুকতা কুত্তাজী ,দেখা হলে গোসাইর সনে...
03/06/2026

ও গোসাই লেজ নড়ায় আর খেজুর খায়, গোসাই গেল খেজুর খেতে দেখনা গাছ তলায়।।
মোল্লা চাচার হুকতা কুত্তাজী ,দেখা হলে গোসাইর সনে থয় না ফরমাজি, তখন ছিলামালেকম নমস্কারে, ও গোসাই ধীরে ধীরে লেজ গুটায়।।
ভাদর মাসে তাল পাকার সময়,বাড়িতে থাকে না গোসাই, থাকে গাছ তলায়, আবার আষাঢ় শ্রাবণ মাসে গোসাইর মনে বড় কষ্ট হয়।।
গোসাই আমার শিক্ষিত ভালো, সর্বশাস্ত্র পাশ করে সে পন্ডিতি পেলো, উদাস বাউল ভেবে মরলো, গোসাইর লীলার মর্ম বোঝা দায়।।

25/03/2026

জয়গুরু 🙏
সুফি সদর উদ্দিন আহমেদ চিশতী আঃ এর শুভ পদার্পণ স্বরণে ৩২তম মানব ধর্ম মেলা ও ফকির হাফিজ শাহ্ এর খেলাফত প্রাপ্তি উপলক্ষে সাধু সঙ্গে ভাব সঙ্গীত পরিবেশন করেন অনেক গুরুজন শিল্পীবৃন্দ। তার ধারাবাহিকতায় লালন সঙ্গীত পরিবেশন করছেন আশরাফুল আলম মন্টু ভাই, তবলায় সহযোগিতা করেছেন উদীয়মান তারকা ছোট ভাই জিনিয়াস কেডি জয়, মন্দিরায় শ্রী বাদল কর্মকার।
সর্বোপরি গানটির ভিডিও ধারণ করেছেন প্রিয় হাসিবুল ইসলাম স্যার।

04/03/2026

#তান_সুতিকাগার
#প্রথম_ক্লাস
∆সাত স্বরের পরিচিতি, পারস্পারিক সম্পর্ক ,লিখিত রূপ এবং সহজে মনে রাখার জন্য একটি গল্প।
[সর্ব মোট বারোটি স্বর]
∆স্বর সাতটি : ষড়জ (স), ঋষভ(র), গান্ধার (গ), মধ্যমা(ম), পঞ্চম (প), ধৈবত (ধ), নিষাদ(ন)।
∆অচল স্বর (অপরিবর্তিত স্বর) দুইটি: ষড়জ(স), পঞ্চম (প)
∆বিকৃত স্বর বা পরিবর্তিত পাঁচটি: ঋষভ(ঋ), গান্ধার(জ্ঞ), মধ্যম(ক্ষ), ধৈবত(দ), নিষাদ(ণ)।
∆কোমল স্বর চারটি: ঋষভ(ঋ), গান্ধার(জ্ঞ), ধৈবত(দ), নিষাদ (ণ)
∆ কড়ি বা তীব্র স্বর: মধ্যম (ক্ষ)।

∆∆∆গল্পটি: ষড়জ,ঋষভ,গান্ধার,মধ্যমা, পঞ্চম,ধৈবত আর নিষাদ সম্পর্কে ছয় ভাই এক বোন। এদের মধ্যে মধ্যমা বোন আর বাকি ছয়টি ভাই। ষড়জ এবং পঞ্চম এই দুই ভাইয়ের এর কোন সন্তান নেই। ঋষভ,গান্ধার, ধৈবত ,নিষাদ এই চার ভাইয়ের একটি করে মেয়ে আছে। আর একমাত্র বোন মধ্যমার একটি ছেলে সন্তান আছে।
গল্পটি মনে থাকলে স্বর বিন্যাস বুঝতে কষ্ট হবার কথা নয়।
~সবুজ বিন হাফিজ~

19/07/2025

🎸একজন শিশুর জন্য সংগীত শিক্ষা
কেন ভীষন জরুরি !!

হাতে একটু সময় থাকলে পড়ুন !!📖

মানুষ তার জীবনের মূল ভিত গঠন করে ছোটবেলা থেকেই। একজন শিশুর শৈশব কেমন কাটছে এবং তার শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ কেমন, আসলে এটাই ঠিক করে দেয় যে, একজন শিশুর ভাবিভবিষ্যত কী ? আর একারণেই বলা হয় "আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যৎ।" শিশুর সঠিক বিকাশ ও সফল ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য যেমন একাডেমিক ও পারিবারিক সুশিক্ষা স্বরুপ নৈতিকতা, শিষ্টাচার, মানবিকতা শেখা জরুরি, তেমনি সাংগীতিক শিক্ষাও শিশুর জীবনে অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সাংগীতিক শিক্ষা বলতে শুধু গান শেখাকে বোঝায় না। এর মধ্যে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, তাল-লয়, সুর, রাগ, রিয়াজ, শ্রবণশক্তি, অনুভূতি এবং সাংস্কৃতিক বোধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি শিশুর হৃদয় ও মস্তিষ্ককে একযোগে জাগ্রত করে। সংগীত শেখার মাধ্যমে শিশুরা শুধুমাত্র গান গাওয়া শিখে না, বরং জীবনের সৌন্দর্য, রুচি, সংবেদনশীলতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের পাঠও শিখে যায়। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ছোটবেলা থেকে সংগীত শিক্ষা পায়, তাদের স্মরণশক্তি, মনোযোগ এবং শেখার ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি হয়। আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, সংগীত শিক্ষা শিশুর মস্তিষ্কের ডান ও বাম অংশের সক্রিয়তাকে বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে শিশুদের স্মরণশক্তি, বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ে। সংগীত শেখার সময় তাল, লয় ও সুরের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়, যা শিশুদের একাগ্রতা বাড়ায়।

সঙ্গীত শিশুদের মনকে প্রশান্ত করে এবং আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। একজন শিশু যখন সংগীতের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার মনে এক ধরনের স্থিরতা ও আনন্দ অনুভব হয়। এটি তার দুঃখ অবসাদ দূর করে এবং মনোবলকে দৃঢ় করে।

সাংগীতিক বিষয়াদি মুখস্থ করা, সুর ও লয় মেনে চলা শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা সংগীত চর্চা করে, তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্সও অনেক ভালো হয়।

সংগীত শিশুদের সৃজনশীল করে তোলে। তারা নতুন নতুন সুর ভাবতে শেখে, নিজের মত করে গান গাইতে শেখে, যা তাদের কল্পনা শক্তিকে আরও প্রসারিত করে। এর ফলে ভবিষ্যতে তারা উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি নিয়ে কাজ করতে সক্ষম হয়।

সংগীত শিশুদের সঠিক উচ্চারণ ও বাক্য গঠনের দক্ষতা বাড়ায়। বিশেষ করে যারা ছোটবেলা থেকেই কবিতা আবৃত্তি ও গান গায়। তারা দ্রুত নিজ ভাষাসহ অন্য ভাষা রপ্ত করতে পারে।

সংগীত শিক্ষা একটি ধৈর্যের কাজ। প্রতিদিন রিয়াজ করতে হয়, নিয়ম মেনে চলতে হয়। এটি শিশুর মধ্যে শৃঙ্খলা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্থায়িত্ব গড়ে তোলে। শিশুরা এই অভ্যাস থেকে জীবনের অন্যান্য দিকেও নিয়ম মেনে চলতে শেখে।

সংগীত চর্চার মাধ্যমে যখন একজন শিশু স্টেজে গান গায় বা অন্যদের সামনে পারফর্ম করে, তখন তার সাহস, আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। সে নিজের প্রতিভাকে প্রকাশ করতে শেখে। এটা ভবিষ্যতে কথা বলা, উপস্থাপনা করা, কিংবা কোনো জনসম্মুখে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় কাজে আসে।

যখন কোনো শিশু সংগীত দলের সঙ্গে অনুশীলন করে, তখন সে অন্যদের সঙ্গে মিলেমিশে চলতে শেখে। এতে তার সামাজিকতা, সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা তৈরি হয়।

সংগীত একটি জাতির সংস্কৃতির পরিচায়ক। শিশু যখন সংগীত শেখে বা করে, তখন সে তার মাতৃভাষা, ঐতিহ্য, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন হয়। সে গানের মাধ্যমে সমাজের সমস্যা, প্রকৃতির সৌন্দর্য সম্পর্কেও শিক্ষা পায়।

মানসিক চাপ দূর করতে সংগীত অত্যন্ত কার্যকরি ভূমিকা রাখে। তাছাড়া শিশুরা ভবিষ্যতে সংগীতের মতো সৃষ্টিশীলতায় দক্ষ হয়ে জীবন গড়তে পারে। তাই সংগীতকে পেশা হিসেবেও নেওয়া যায়। যেমন: গায়ক, সুরকার, সংগীত শিক্ষক, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি।

তাই শিশুদের মধ্যে সুস্থ মন, সুন্দর চিন্তা, সৃজনশীলতা ও মানবিক গুণাবলি গড়ে তোলার জন্য সাংগীতিক শিক্ষা অপরিহার্য বিষয়। তাই আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুগোপযোগী মানুষ, ভালো নাগরিক ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, তাহলে একাডেমিক ও পারিবারিক সুশিক্ষার পাশাপাশি সাংগীতিক শিক্ষাকেও গুরুত্ব দিতে পারি। শিশুদের সংগীত চর্চার জন্য অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ তৈরি করতে পারি। কারণ, আজকের এই শিশু-ই একদিন হবে আমাদের সমাজের নেতা, শিক্ষক, শিল্পী কিংবা সেবক। আর তাদের হাত ধরেই নির্মিত হবে এক সুন্দর ভবিষ্যৎ।

মানুষের মস্তিষ্কে কিছু বিশেষ রাসায়নিক (chemical) তৈরি হয়, যেগুলো আমাদের মনের উপর প্রভাব ফেলে। ডোপামিন (Dopamine) আর সেরোটোনিন (Serotonin) হলো সেই রকম দুটি রাসায়নিক, যাদের বলা হয় "হ্যাপি হরমোন"। মানে এগুলো মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। যখন আমরা প্রিয় গান শুনি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে একটা সুখের অনুভূতি তৈরি হয়। ঠিক তখনই ডোপামিন বের হয় এবং এটি আমাদের উত্তেজনা, আনন্দ ও তৃপ্তি দেয়। যেমন: নতুন কিছু শিখে খুশি হওয়া, ভালো লাগা, অথবা পছন্দের গান শুনে হাসি আসা।

সেরোটোনিন বের হওয়া মানে আমাদের মাথা ঠান্ডা করে, দুশ্চিন্তা কমায় আর মুড ভালো করে। যেমন: মন খারাপ থাকলে গান শুনে ধীরে ধীরে মন ভালো হয়ে যাওয়া। যে কারণে গান বাজনা করা মানুষ অন্য শ্রেণি পেশার মানুষ থেকে প্রাণচঞ্চল, হাসিখুশি, সদালাপী, মিষ্টিভাষী ও সহজসরল প্রকৃতির হয়।

লেখক :- মাসুদ রহমান স্যারকে অসংখ্য ধন্যবাদ 🙏

#সংগৃহীত
https://www.facebook.com/Ichchekore1

Address

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তান সূতিকাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category