সাধারণ জ্ঞান GK MCQ

সাধারণ জ্ঞান GK  MCQ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সাধারণ জ্ঞান GK MCQ, Grocers, Rajshahi.

22/05/2026

📌 #এগুলো_বার_বার MCQ যে আসে ✅
☞ পাট গবেষণা বোর্ড→ মানিকগঞ্জ
☞ নদী গবেষণা কেন্দ্র→ ফরিদপুর
☞ রাবার গবেষণা বোর্ড→ কক্সবাজার
☞ তাঁত গবেষণা বোর্ড→ নরসিংদী
☞ চা গবেষণা কেন্দ্র→ শ্রীমঙ্গল, সিলেট
☞ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ ডাল গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ গম গবেষণা কেন্দ্র→ দিনাজপুর
☞ আম গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
☞ মসলা গবেষণা কেন্দ্র→ বগুড়া
☞ রেশম গবেষণা কেন্দ্র→ রাজশাহী
☞ বন গবেষণা কেন্দ্র→ চট্টগ্রাম
☞ পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র→ খাগড়াছড়ি
☞ ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁদপুর
☞ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট→ জয়দেবপুর, গাজীপুর
☞ তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ যশোর
☞ আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রামপাল, বাগেরহাট
☞ চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট→ হাজারীবাগ, ঢাকা
☞ তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ গরু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সাভার
☞ মহিষ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ বাগেরহাট
☞ ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সিলেট
☞ হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট→ নারায়ণগঞ্জ
☞ হরিণ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ শরণখোলা, বাগেরহাট
☞ কুমির (মিঠা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ভালুকা, ময়মনসিংহ
☞ কুমির (লোনা পানি) গবেষণা ইনছস্টিটিউট→ দুলহাজারা, কক্সবাজার
☞ মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র→ বাকৃবি, ময়মনসিংহ
☞ পুষ্টি গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

22/05/2026

🔖শব্দ🔖 গুরুত্বপূর্ণ সকল পরীক্ষার জন্য |
খাতায় লিখে নোট করে রাখুন ✅ অথবা টাইমলাইনে রেখে দেন ✅

★ মৌলিক শব্দ --- গোলাপ,ফুল,কালো,তিন।
★যোগরূঢ় শব্দ --- পঙ্কজ, জলদ,জলধি,তুরঙ্গম।
★তৎসম/ সংস্কৃত শব্দ ---- হস্ত,জীবন, চর্মকার,নক্ষত্র, বঙ্কিম,ভবন,গৃহিণী, ধর্ম,চন্দ্র,চন্দন,ব্যাকরণ, সূর্য, ছেমরা,নারিকেল।
★তদ্ভব শব্দ ---- চাঁদ,হাত,দাঁত,আকাশ, বাতাস,পাখি,পুস্তক, জোছনা, বাছা,মা,চামার,ঘি,পা।
★অর্ধ-তৎসম শব্দ --- খিদে,গিন্নী, কিচ্ছিত,জ্যোছনা, বোষ্টম,ছেরাদ্দ,গেরাম।
★দেশি শব্দ --- কুলা,খোকা,চাঁদা,টোপর, ডাব,ঢেঁকি,কুঁড়ি,চিড়া,মই,চাল,চুলা,ঢোল,গঞ্জ,লাউ, ডোবা।

★ জাপানি শব্দ--- ক্যারাটে,জুতো রিক্সা,সুনামি,
★ লুঙ্গি --- ফারসি শব্দ।
★ ফুঙ্গি --- বর্মি শব্দ।
★আরবি শব্দ --- মহকুমা, রায়,উকিল,আদালত, শরিফ,মশগুল, কলম,কবুল,তুফান,দাওয়াত,লেবু,আল্লাহ, ঈমান, হালাল।
★চীনা শব্দ ---চা,চিনি,লিচু,লুচি,এলাচি।
★হিন্দি শব্দ -- পানি,গাং,চানাচুর।
★মেক্সিকো --- চকলেট।
★ওলন্দাজ --- রুইতন, হরতন।

15/05/2026

💥 কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকেঃ বিগত ৪মাসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলিঃ (মে - ২০২৬)👇

​১) কৃষক কার্ড চালু হয় — ১৪ এপ্রিল ২০২৬।
২) BSEC সম্প্রতি প্রথমবারের মতো যে বন্ড চালু করে — "অরেঞ্জ বন্ড"।
৩) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস — ৭ নভেম্বর।
৪) ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন যে মন্ত্রণালয়ের অধীন — সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
৫) দ্বাদশ জাতীয় সংসদে মোট নারী সদস্য — ৫৭ জন।
৬) দেশের ১৩ তম সিটি কর্পোরেশন — বগুড়া (উদ্বোধন - ২০ এপ্রিল ২০২৬)।
৭) বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে যে জ্বালানী — ডিজেল।
৮) USA - Iran যুদ্ধবিরতি শুরু হয় — ৪ এপ্রিল ২০২৬ (মধ্যস্থতা - পাকিস্তান)।
৯) নাসার আর্টেমিস-II যাত্রা শুরু করে — ১ এপ্রিল ২০২৬, (মূল মহাকাশযান - Orion)।
১০) ৫২ তম G7 শীর্ষ সম্মেলন — ফ্রান্স (১৫-১৭ জুন ২০২৬)।
১১) ২০ তম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে — Japan।
১২) বিশ্ব ধরিত্রি দিবস — ২২ এপ্রিল।
১৩) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস — ২৮ এপ্রিল।
১৪) শীর্ষ অর্থনীতির দেশ — USA, China, Germany, Japan, UK (সূত্র: IMF)।
১৫) বৈশ্বিক তৈরী পোশাক রপ্তানি — ১ম - চীন, ২য় - ভিয়েতনাম, ৩য় - বাংলাদেশ।
১৬) GDP হিসাবায়নে নতুন ভিত্তি বছর — ২০২৫-২৬ অর্থবছর (বর্তমানে ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬, মোট খাত ১৯টি)।
১৭) অধ্যাদেশ জারি করেন — সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি।
১৮) মিয়ানমারের বর্তমান প্রেসিডেন্ট — জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং।
১৯) হরমুজ প্রণালী যুক্ত করেছে — পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে। পৃথক করেছে ইরান ও ওমানকে/UAE। দৈর্ঘ্য - ১৬৭ কিমি।
২০) জেড ফোর্সের অধিনায়ক — জিয়াউর রহমান।
২১) ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয় — ৩০ মার্চ ২০২৬।

✅ এপ্রিল ২০২৬ মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স:
​(১) দেশের ১৪ তম অ্যাটর্নি জেনারেল — ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
​(২) খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন হয় — ১৬ মার্চ ২০২৬।
​দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া গ্রাম থেকে।
​(৩) ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করা হয় — ১০ মার্চ ২০২৬ (পারভীন বেগম)।
​(৪) 'ক্রীড়া কার্ডের' স্লোগান — "ক্রীড়া হলে পেশা পরিবার পাবে ভরসা"।
​উদ্বোধন হয় — ৩০ মার্চ ২০২৬।
​(৫) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ — মো: নূরুল ইসলাম।
​(৬) বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার — মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম।
​(৭) বর্তমান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার — কায়সার কামাল।
​(৮) নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী — বালেন্দ্র শাহ।
​(৯) সার্কের বর্তমান চেয়ারপারসন — বালেন্দ্র শাহ।
​(১০) 'ইউএসএস ত্রিপলি' কী — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত যুদ্ধ জাহাজ।
​(১১) ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা — মোয়তবা খামেনি।
​(১২) Operation Epic Fury কত তারিখে শুরু হয় — ২৪ February ২০২৬।
​(১৩) USA-Israel এর বিরুদ্ধে ইরানের অপারেশন — Operation True Promise-4।
​(১৪) আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে স্বাক্ষরকারী সর্বশেষ দেশ — কাজাখস্তান।
​(১৫) টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৮ অনুষ্ঠিত হবে — অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
​(১৬) বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচক ২০২৬ এ শীর্ষ দেশ — পাকিস্তান।
​(১৭) IQ Air এর রিপোর্ট অনুসারে বায়ু দূষণে শীর্ষ দেশ — পাকিস্তান।
​২য় অবস্থানে — বাংলাদেশ।
​শীর্ষ দূষিত রাজধানী — নয়াদিল্লি, ভারত।
​(১৮) বিশ্ব সুখ প্রতিবেদন ২০২৬ এ শীর্ষ দেশ — ফিনল্যান্ড।
​(১৯) বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ — USA।
​আমদানিতে শীর্ষ দেশ — ইউক্রেন।
​(২০) বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪ তম গভর্নর — মো: মোস্তাকুর রহমান।
(২১) বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি LNG আমদানি করে — কাতার থেকে।
​(২২) GDP এর চূড়ান্ত হিসাব ২০২৪-২০২৫ :—
​মাথাপিছু GDP — $২৬২৫
​মাথাপিছু আয় — $২৭৬৯
​GDP প্রবৃদ্ধির হার — ৫.৪৯%
​জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
​কৃষি — ১১.০৩%
​শিল্প — ৩৭.৩০%
​সেবা — ৫১.৬৭%
​(২৩) ইরানের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র — সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্র।
​(২৪) T-20 বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দেশ — ভারত (রানার আপ - নিউজিল্যান্ড)।
​(২৫) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে — ১২ মার্চ ২০২৬।
​(২৬) বাংলাদেশ ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য — ১৩০ km।
​(২৭) ইরানের সরকারি গণমাধ্যমের নাম — IRNA (Islamic Republic News Agency)।

🔷 ​ (মার্চ - ২০২৬)
​(১) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে Agreement on Reciprocal Trade (ART) স্বাক্ষরিত হয় — ৭ February ২০২৬।
​(২) চতুর্থ গণভোটে প্রদত্ত ভোটের হার — ৬০.৮৭%।
​(৩) জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ ২০২৬ জারি করা হয় — ২৫ January ২০২৬।
​(৪) বাংলাদেশ প্রথম EPA চুক্তি স্বাক্ষর করে — জাপানের সাথে (০৬/০২/২৬)।
​(৫) বর্তমানে ভাসানচর যে উপজেলার অধীন — সন্দীপ।
​(৬) LDC থেকে উত্তরণ সুপারিশ করে — Committee for Development Policy (CDP)।
​(৭) 'Board of Peace' স্বাক্ষরিত হয় — ২২ January ২০২৬।
​BOP চেয়ারম্যান — ডোনাল্ড ট্রাম্প, সদস্য — ২২।
​(৮) দুর্নীতি ধারণা সূচক ২০২৫ —
​শীর্ষ — দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়া।
​সর্বনিম্ন — ডেনমার্ক।
​বাংলাদেশ — ১৩ তম।
​(৯) 'Defence Economic Zone' হবে — মিরসরাইয়ে।
​(১০) হেনলি পাসপোর্ট সূচক ২০২৬ এ বাংলাদেশের অবস্থান — ৭৩ তম।
​(১১) বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৫ তম গভর্নর — মো: মুশতাকুর রহমান।
​(১২) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ভোটের হার — ৫৯.৪৪%।
​(১৩) খেজুর উৎপাদনে শীর্ষ দেশ — মিশর।
​(১৪) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী — নুক।
​(১৫) ১৬ তম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন — ভারত।
​(১৬) বিশ্বের শীর্ষ ব্যবহৃত ভাষা — ইংরেজি।
​(১৭) মাতৃভাষার সংখ্যা অনুসারে শীর্ষ ভাষা — মান্দারিন।
​(১৮) ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলা ভাষার অবস্থান — 7th (৭ম)।

🔷 জানুয়ারি ২০২৬ মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স:
​(১) 'গণভোট আদেশ ২০২৫' জারি করা হয় — ২৫ নভেম্বর ২০২৫।
​(২) 'সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫' জারি হয় — ৩০ নভেম্বর ২০২৫।
​(৩) 'ফেলানি অ্যাভিনিউ' অবস্থিত — গুলশান, ঢাকা।
​(৪) দেশের ৬ষ্ঠ অধরা সংস্কৃতি ঐতিহ্য — টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিক্ষা।

সাধারণ জ্ঞান GK MCQ

11/05/2026

পর্ব -০১
ভুমি রের্কড ও জরিপ অধিদপ্তর
রের্কড কিপার এর লিখিত পরীক্ষার প্রস্ততি
টপিক: ভুমি সংক্রান্ত
১. খাজনা ও দাখিলা কাকে বলে?
উত্তর: সাধারণ অর্থে খাজনা বলতে জমি, গাড়ি, বাড়ির প্রভৃতি ব্যবহারের জন্য মালিককে যে অর্থ প্রদান করা হয়, তাকে খাজনা বলে। অর্থনীতিতে খাজনা বলতে ভুমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের জন্য তার মালিককে যে অর্থ দেওয়া হয় তাকে খাজনা বলে।
ভুমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে (ফর্ম নং ১০৭৭) ভুমি করা বা খাজনা আদায়ের প্রমাণপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
২. বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২ টি জরিপ এর নাম বল?
উত্তর: SA জরিপ, RA জরিপ।
৩. বাটা দাগ কি?
উত্তর: বাংলাদেশে ভূমি জরিপ বা রেকর্ড তৈরির সময় একটি বড় বা মূল দাগের (Plot) জমি বিভিন্ন মালিকের মধ্যে ভাগ হয়ে গেলে, মূল দাগ নম্বরকে বিভক্ত করে যে নতুন উপ-দাগ নম্বর দেওয়া হয়, তাকে বাটা দাগ বলে।
৪. মৌজমিলি কি?
উত্তর: এটি মূলত সেটেলমেন্ট বা ভূমি জরিপ কাজের অগ্রগতি, যেমন—খতিয়ান তৈরির ধাপ, মৌজা ম্যাপ তৈরি, এবং মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।
৫. ডিজিটাল ভূমি ব্যবহৃত ৫ টি যন্ত্রপাতির নাম লিখুন?
উত্তর: ডিজিটাল ভূমি ব্যবহৃত ৫ টি যন্ত্রপাতির নাম হলো:
১. টোটাল স্টেশন (Total Station):
২. জিপিএস (GPS - Global Positioning System):
৩. লেজার ডিস্টেন্স মিটার (Laser Distance Meter)
৪. ডিজিটাল থিওডোলাইট (Digital Theodolite):
৫. ড্রোন (Drone) বা UAV:

৬. সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত আইনের নাম কি?
উত্তর: পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন।
৭. উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে রের্কড কিপারের কাজ কি কি লিখ?
উত্তর: রেকর্ড কিপারের বিস্তারিত কাজের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
ক. নথিপত্র সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা: জরিপের সময় মাঠ পর্যায় থেকে আসা মৌজা ম্যাপ, খসড়া খতিয়ান ও অন্যান্য রেকর্ডসমূহ সুবিন্যস্তভাবে সাজিয়ে রাখা ।
খ. জাবেদা নকল (Certified Copy) সরবরাহ: নাগরিকরা তাদের প্রয়োজনীয় জমির খতিয়ান বা ম্যাপের নকল চাইলে রেকর্ড যাচাই করে তা সরবরাহ করা ।
গ. রেকর্ড এন্ট্রি ও হালনাগাদ: নতুন তৈরি হওয়া খতিয়ানগুলো কম্পিউটার বা রেজিস্টার খাতায় এন্ট্রি করা ।
ঘ. ইনডেক্সিং বা সূচিপত্র তৈরি: দ্রুত রেকর্ড খোঁজার সুবিধার্থে প্রতিটি মৌজার জন্য ইনডেক্স বা সূচিপত্র তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
ঙ. মামলার রেকর্ড সংরক্ষণ: ভূমি জরিপ চলাকালীন কোনো আপত্তি বা মামলা (যেমন- ৩৯ বা ৪১ ধারা) হলে তার রেকর্ড সংরক্ষণ করা ।
চ. রেকর্ড হস্তান্তর: জরিপ কাজ শেষ হলে চূড়ান্ত রেকর্ড বা খতিয়ানগুলো সংশ্লিষ্ট জেলা বা ভূমি অফিসে হস্তান্তরের কাজ করা ।
ছ. অফিসিয়াল নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণ: রেকর্ড রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে অন্যান্য প্রশাসনিক কাজ করা
৮. ভূমি জরিপ: ভূমি জরিপ হচ্ছে এমন এক কৌশল, পেশা, বিজ্ঞান যা নির্দিষ্টভাবে স্থানসমূহের ভূগোলক বা ত্রিমাত্রিক অবস্থানের পারস্পারিক দূরত্ব এবং কোণ নির্ণয় করতে পারে। সাধারণত মৌজা ভিত্তিক ভূমির নকশা ও ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান বা ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলা হয়।
৯.ভূমি জরিপের ইতিহাস: প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় নীল নদের অতি প্লাবনের কারণে জমির সীমানা মুছে যাবার পর দড়ি দিয়ে সীমানা নির্ধারণের নথি পাওয়া গেছে। পাঠান সম্রাট শেরশাহ সর্ব প্রথম এ উপমহাদেশে জরিপ প্রথা চালু করেন। পরবর্তীতে মোঘল সম্রাট আকবরের একজন অন্যতম সভাসদ টোডরমল সার্ভে ও সেটেলমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কিন্তু উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ এবং plot-to-plot সার্ভে কার্যক্রম ছিলনা বরং একটি সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম ছিল।
১০.রনাল জরিপ: ১৭৭৪ সালে প্রখ্যাত ভূগোলবিদ জেমস রনাল উপমহাদেশের সার্ভেয়ার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ১৭৮০ সালে Plan of the environs of the city of Dhaka প্রণয়ন করেন। অতঃপর বাংলা ও বিহারের ৮টি বিভাগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের Index Map তৈরি করেন।
১১. ত্রিগনোমেট্রিক্যাল জরিপ: ১৮০২ সনে মিঃ উইলিয়াম ল্যাম্বটন এর নেতৃত্বে সমগ্র ভারতে ত্রিগনোমেট্রিক্যাল জরিপ শুরু হয়। ভবিষ্যতে সমগ্র ভারতে যাতে সঠিক ও নির্ভুল নক্সা প্রস্তুত করা যায় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় জি,টি পিলার স্থাপনই এ জরিপের উদ্দেশ্য ছিল। সরেজমিনে সঠিক ত্রিভুজ অংকন করে ত্রিভুজের বাহু ব্যবহার দ্বারা একাধিক ত্রিভুজ অংকন ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এই পিলার স্থাপিত হয়েছিল।
১২. থাকবাস্ত জরিপ: জমিদারী সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য জমিদাররা ১৮৪৬ সাল পর্যন্ত থাকবাস্ত জরিপ কার্য পরিচালনার মাধ্যমে জমিদারী এলাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়। এ জরিপে ভূ-সম্পত্তি ও গ্রামগুলোর সীমানা পৃথককরণের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।
১৩.রাজস্ব জরিপ: থাকবাস্ত জরিপে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে জমিদারী এলাকার আয় নির্ণয়ের জন্য ১৮৪৭ সাল থেকে ১৮৭৮ সাল পর্যন্ত রাজস্ব জরিপ পরিচালনা করা হয়। এ জরিপ দক্ষ আমিনগণ দ্বারা পরিচালিত হয় বিধায় প্রথম বৈজ্ঞানিক জরিপ বলা হয়।। এ জরিপের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ জমিদারী এলাকার বাইরের ভূমিকে খাস ভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে কালেক্টরের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। এ জরিপে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত করা হয়। কর্ণেল মিঃ স্মিত এর অধীনে এ জরিপ পরিচালিত হয়।
১৪. খসড়া জরিপ: থাকবাস্ত জরিপ ও রাজস্ব জরিপ পরিচালনাকালে যেসব ভূমি অস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত প্রদান করা হত ও যেসব এলাকায় স্থায়ীভাবে বন্দোবস্তকৃত ভূমিতে স্বত্ব নিয়ে বিরোধ বিদ্যমান ছিল এবং থাকবাস্ত জরিপের নক্সা যেখানে ছিলনা সেসব এলাকায় খসড়া জরিপ পরিচালিত হত। এতে ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল স্কেলে জরিপ কর্মীগণ ফিল্ডবুকে বিভিন্ন তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করতেন। যেমন তৌজি নম্বর, মালিকের নাম, দখলকারী রায়তের নাম, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ক্ষেত্রফল, মাটির বর্ণনা, উৎপাদিত ফসলের বর্ণনা ইত্যাদি।
১৫. দিয়ারা জরিপ: বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশে প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গনের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা নদী বা সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আবার কোথাও কোথাও নতুন চর জেগে ওঠে। এসব নদী ভাঙ্গন এলাকা জরিপ করার জন্য ১৯৬৩ সালে একটি স্থায়ী দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিস স্থাপন করা হয়। দরিয়া শব্দটি হতে দিয়ারা শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে।
১৬. সি.এস. জরিপ: দেশের সাধারণ জনগণকে প্রজাসত্ত্বের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন পাশ করা হয়। ১৮৮৮ সনে ভূমি রেকর্ড দপ্তর সৃষ্টি করা হয় এবং সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সহায়তায় কক্সবাজার জেলার রামু থানায় কিস্তোয়ার জরিপ ও খতিয়ান প্রণয়নের কাজ আরম্ভ হয়। ১৮৯০ সালে অত্যন্ত সফলভাবে সমাপ্ত হলে চট্টগ্রাম জেলায় ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে শুরু হয় এবং ১৮৯৮ সালে সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত হয়। এর পর সমগ্র পূর্ববাংলায় সিএস জরিপ পরিচালিত হয় এবং ১৯৪০ সনে দিনাজপুর জেলায় জরিপের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। উল্লেখ্য যে বৃহত্তর সিলেট জেলা তখন আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত থাকায় সিএস জরিপ পরিচালিত হয়নি।
১৭. এস. এ. পূর্ববর্তী সংশোধনী জরিপ: দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সিএস জরিপ চলায় যে সকল এলাকায় প্রথম জরিপ হয়েছে; সে সকল ভূমির প্রকৃতি ও মালিকানার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। ফলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও বাকেরগঞ্জ জেলায় নতুন করে সংশোধনী জরিপ শুরু হয়। ১৯৫২ সালে সর্বশেষ বাকেরগঞ্জ জেলার সংশোধনী জরিপ শেষ করে খতিয়ান চুড়ান্ত প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে জমিদারী হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ায় আর কোন জেলায় সংশোধনী জরিপ পরিচালিত হয়নি।
১৮. এস.এ. জরিপ: দেশ বিভাগের পর জমিদারী হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ সনের ১৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বাংলার পার্লামেন্টে পাশ হয় এবং গভর্নর জেনারেলের সম্মতি লাভের পর ১৯৫১ সনের ১৬ মে তারিখ ঢাকা গেজেটে প্রকাশিত হয়। এ আইনের মাধ্যমে জমিদারদের অধিভুক্ত সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে জমিদারী এস্টটগুলো অধিগ্রহণ করা হয় এবং প্রজার নামে খতিয়ান প্রণয়ন করে মালিকানা প্রদান করা হয়। এস,এ জরিপ ১৯৫৬ সনের ১৪ এপ্রিল শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সনে শেষ হয়। এস এ জরিপের খতিয়ান ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত হয়নি এবং ইহা কোন মাঠ পর্যায়ের সরেজমিন জরিপ ছিল না। জেলা প্রশাসনের কর্মচারীগণ জমিদারদের কাচারিতে বসে পত্তন রেজিস্টার দেখে এস, এ খতিয়ান প্রণয়ন করেন।
১৯. আরএস জরিপ: এস,এ জরিপ মাঠ পর্যায়ের সরেজমিন জরিপ ছিল না। এ জরিপের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল জমিদারী এস্টেটগুলোকে অধিগ্রহণ করা এবং দখলদার ভূমি মালিকদের সরাসরি সরকারের অধীনে নিয়ে আসা। জমিদারদের কাছারিতে বসে পত্তন রেজিস্টার দেখে জেলা প্রশাসনের কর্মচারীগণ প্রজার নামে খতিয়ান খোলে। কাজেই এর বিশুদ্ধতা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এস এ জরিপের পরপরই আর একটি সংশোধনী জরিপ শুরু করা হয়। ১৯৬৫-৬৬ সালে রাজশাহী জেলায় সংশোধনী জরিপ শুরু হয়। দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, সিলেট, খুলনা ও বরিশাল জোনে এ জরিপ এখনও চলমান।
২০. মহানগর জরিপ: সিএস, এসএ এবং আরএস এই তিন প্রকার জরিপ ছাড়াও ঢাকা মহানগরী এলাকাভুক্ত মৌজাসমূহে অতি সম্প্রতি একটি বিশেষ জরিপের মাধ্যমে মৌজা নক্সা ও স্বত্বলিপি প্রস্তুত হয়েছে। ইহা মহানগরী জরিপ নামে পরিচিত্ এই জরিপটিও একটি সংশোধনী জরিপ। তবে অধিক্ষেত্রভুক্ত সকল মৌজায় ক্যাডাষ্ট্রাল জরিপের মাধ্যমে বিভিন্ন স্কেলে নতুন মৌজা ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে বিধায় একে ক্যাডাস্ট্রাল জরিপও বলা যায়। মহানগরী জরিপ শুধু ঢাকা মহানগর এলাকায় পরিচালিত হয়েছে।
২১. বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে: ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে নির্ধারিত জিওডেটিক কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ETS এর সহায়তায় প্রতিটি দাগের প্রতিটি বাঁকের স্থানাংক নির্ণয়ের মাধ্যমে মৌজাভিত্তিক ভূমির নক্সা ও প্লট ভিত্তিক মালিকানা রেকর্ড প্রণয়নে যে ভূমি জরিপ সম্পাদন করা হয় তাহা ডিজিটাল জরিপ নামে পরিচিত। সরকারের ডিজিটালাইজেশনের অংশ হিসাবে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৩ হতে GNSS/ ETS/ Drone মেশিনের সাহায্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
২২. খতিয়ান কী?
উত্তর: মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
২৩. সি,এস রেকর্ড কী?
উত্তর: সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ড বলা হয়।
২৪.এস, এ খতিয়ান কী?
উত্তর: সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ান বলা হয়।
২৫. নামজারী কী?
উত্তর: উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলে।
প্রতিদিন ধারাবাহিক পর্ব প্রকাশ করা হবে!
প্রতিদিন চাকরির আপডেট পেতে সাধারণ জ্ঞান GK MCQ পেইজ ফলো করুন।

09/05/2026

১. এক কথায় প্রকাশ:
ক) অবশ্যই হবে যা: অবশ্যম্ভাবী
গ) যা ভাল জ্ঞান নেই: অজ্ঞ বা অভিজ্ঞতাহীন
খ) যা পূর্বে শোনা যেত: পূর্বশ্রুত
ঘ) যে বাস থেকে উৎখাত যে হয়েছে: উদ্বাস্তু
২. সমুদ্র এর চারটি সমার্থক শব্দ:
সাগর, সিন্ধু, জলধি, রত্নাকর।
৩. বিপরীত শব্দ:
ঐচ্ছিক: আবশ্যিক
কঠিন: সহজ/কোমল
আগমন: প্রস্থান
৪. শুদ্ধ বানান:
ত্বরান্বিত: ত্বরান্বিত / ত্বরিত
দারিদ্রতা: দারিদ্র্য বা দরিদ্রতা
আভ্যন্তরিন: অভ্যন্তরীণ
দূরহ: দুরূহ

৫. 'কাঁচা' শব্দটি দিয়ে ৪ টি ভিন্নার্থক বাক্য:
পাকা নয় (অপরিণত): গাছ থেকে কাঁচা আম পেড়ে আনো।
অভিজ্ঞতাহীন (অদক্ষ): এই কাজটি একজন কাঁচা লোকের দ্বারা হবে না।
অস্থায়ী বা দুর্বল (ভিত্তি): তাদের সম্পর্কের ভিত্তিটা খুব কাঁচা।
তাপ দেওয়া হয়নি এমন (অসিদ্ধ): বাটি ধুয়ে কাঁচা লঙ্কাগুলো রাখো।

আজকে অনুষ্ঠিত  #ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের  #রেকর্ড কিপার পদের পরীক্ষায় আসা   প্রশ্নের সমাধান।
02/05/2026

আজকে অনুষ্ঠিত #ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের #রেকর্ড কিপার পদের পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের সমাধান।

15/01/2026

★জেলা-৬৪
★উপজেলা -৪৯৫
★সিটি কর্পোরেশন -১২
★পৌরসভা -৩২৭ (বর্তমানে ৩৩০)
★থানা-৬৫৪ ( বিতর্ক আছে)
★ইউনিয়ন -৪৫৮৪( বর্তমানে ৪৫৯৬)
★গ্রাম- ৯০০৪৯

খাদ্য অধিদপ্তরের আজকের প্রশ্ন সমাধান তারিখ : ২৯. ১১.২০২৫ Follow সাধারণ জ্ঞান GK  MCQ
29/11/2025

খাদ্য অধিদপ্তরের আজকের প্রশ্ন সমাধান
তারিখ : ২৯. ১১.২০২৫

Follow সাধারণ জ্ঞান GK MCQ

আজকে অনুষ্ঠিত ভূমি অধিদপ্তরের পেশকার পদের পরীক্ষায় আসা Full প্রশ্নের সমাধান।Follow this Page.সাধারণ জ্ঞান GK  MCQ
28/11/2025

আজকে অনুষ্ঠিত ভূমি অধিদপ্তরের পেশকার পদের পরীক্ষায় আসা Full প্রশ্নের সমাধান।
Follow this Page.
সাধারণ জ্ঞান GK MCQ

15/11/2025

ইঞ্জিনিয়ারিং)

→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।

→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে

১০ টি ইট লাগে।

→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)

গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।

→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।

→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।

→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।

→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট

লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।

→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে

সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।

→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে

সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,

খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।

* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট

দিতে হয়।

বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব

আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক

ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)

অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি
বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।

→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =

০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।



ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে

————++-———++—-—

→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)

→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)

কনভার্ট এর জন্য:-

——–++—–——-

10 mm =1 cm

100 cm = 1 m

1″ = 25.4 mm

1″ = 2.54 cm

39.37″ = 1 m

12″ = 1′ Fit

3′ = 1 Yard (গজ)

1 Yard = 36″

72 Fit = 1 bandil.

# রডের হিসাব

———————————————

1″ = 8 suta

1/2″ = 4 suta

1/4″= 2 suta

1/8″ = 1 suta

বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।

# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg

——————————————————–

৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।

১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।

১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।

১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।

২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।

২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

Address

Rajshahi
6203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাধারণ জ্ঞান GK MCQ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category