23/10/2025
গরু মোটাতাজাকরণ করতে হলে সুষম ও পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করতে হবে, যেখানে শক্তি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি থাকবে। খড়, তাজা ঘাস, ভুসি, খৈল, চিটাগুড়, ও ইউরিয়া মিশিয়ে খাবার তৈরি করা যায়। এছাড়াও, সঠিক যত্ন এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উপযুক্ত পরিচর্যার মাধ্যমে গরুর ওজন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
খাদ্য
খড়: প্রতিদিন প্রতি ১০০ কেজি ওজনের জন্য প্রায় ২.৫-৩ কেজি খড় দিতে হবে।
তাজা ঘাস: প্রতিদিন ৩ কেজি তাজা ঘাস দেওয়া উচিত।
শক্তি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য: গরুর ওজন বৃদ্ধির জন্য ভুসি, খৈল, চিটাগুড়, এবং ইউরিয়া একটি মিশ্রণ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে।
অন্যান্য: কিছু পদ্ধতিতে চীনাবাদামের খোসা, গমের ভুসি এবং গুড় মিশিয়েও খাওয়ানো হয়।
পরিচর্যা
খাবার ভাগ করা: খাবারকে সকাল ও সন্ধ্যায় ভাগ করে খাওয়ানো যেতে পারে।
পুষ্টির ভারসাম্য: প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এবং ভিটামিন নিশ্চিত করার জন্য কাঁচা ঘাস খুব গুরুত্বপূর্ণ, যা সহজে হজম হয়।
হাড়ের গুঁড়া ও লবণ: গাভী লালন-পালনের ক্ষেত্রে ৪০-৫০ গ্রাম হাড়ের গুঁড়া এবং ১০০-১২০ গ্রাম খাদ্য লবণ সরবরাহ করা উচিত।
অন্যান্য বিষয়
সঠিক পরিচর্যা: সঠিক পদ্ধতিতে পরিচর্যা করলে ৩ মাসে একটি ১০০-১২০ কেজি ওজনের বাছুরের ওজন প্রায় ৫০-৮০ কেজি পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।
আবাসন: প্রতিটি গরুর জন্য ৩ ফিট চওড়া ও ৫ ফিট লম্বা একটি নির্দিষ্ট স্থান রাখতে হবে। গরুর সংখ্যা বেশি হলে দুই সারির গোয়ালঘর তৈরি করা ভালো।
আধুনিক পদ্ধতি: গ্রোথ হরমোন ব্যবহার না করে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ অধিক লাভজনক, যা কোরবানির সময় মাংস আমদানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।