Md : Tanbir Hasan Tipu

Md : Tanbir Hasan Tipu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md : Tanbir Hasan Tipu, Grocers, Chittagong, Rangamati.

একজন বাবা তার আদরের সন্তানকে শেষ বিদায় দিয়ে দিচ্ছে। এই পৃথিবী ছেড়ে  একদিন চলে যেতে হবে ছোট বড় সবাইকে।শুভ রাত্রি
24/12/2025

একজন বাবা তার আদরের সন্তানকে শেষ বিদায় দিয়ে দিচ্ছে। এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে ছোট বড় সবাইকে।
শুভ রাত্রি

নিষ্পাপ শিশুটি তার বাবাকে হারিয়ে ফেলল। সে এখনো বুঝতেই পারলো না তার বাবা পৃথিবীটা আর নাই। শুভ দুপুর
19/12/2025

নিষ্পাপ শিশুটি তার বাবাকে হারিয়ে ফেলল। সে এখনো বুঝতেই পারলো না তার বাবা পৃথিবীটা আর নাই।
শুভ দুপুর

06/12/2025

"আসসালামু আলাইকুম" আল এহশান ফাউন্ডেশন লালখান বাজার ১৪ নং ওয়ার্ড কবর খনন কমিটি, এই কমিটির উদ্যোগে গরিবউললাসাহ মাজারে কবরস্থানে কবরে লাইটিং এর কাজ চলছে। আপনাদের গার্ডিয়ান যাদের দাফন দিয়েছেন তাদের কবরে একটি একটি লাইট লাগিয়ে দিবেন। আল এহসান ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ



01/12/2025

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
​গভীর দুঃখ ও শোকের সাথে জানাচ্ছি যে, আল এহসান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অলক মামার বড় সম্বন্ধী ইন্তেকাল করেছেন।
​আল এহসান ফাউন্ডেশন পরিবার তার এই দুঃসময়ে গভীরভাবে শোকাহত। আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
​আল এহসান ফাউন্ডেশন"

💖 আল এহসান ফাউন্ডেশন: ভালোবাসার ছায়ায় একটি শেষ বিদায় 🤲​চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডটি যেমন ক...
30/11/2025

💖 আল এহসান ফাউন্ডেশন: ভালোবাসার ছায়ায় একটি শেষ বিদায় 🤲
​চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডটি যেমন কর্মব্যস্ত, তেমনই এর অলিগলিতে মিশে আছে শত শত মানুষের জীবন-সংগ্রামের গল্প। এমনই এক সংগ্রামে জর্জরিত ছিল ছোট্ট ফারুকের পরিবার। সবেমাত্র সাত বছরের ফুটফুটে শিশু, কিন্তু দারিদ্র্য আর মারণব্যাধি তাকে জীবন থেকে ছিনিয়ে নিল খুব দ্রুত।
​ফারুকের বাবা রিকশাচালক, দিনে এনে দিনে খান। ছেলের এমন অকাল মৃত্যুতে আকাশ ভেঙে পড়ল তাদের মাথায়। শোকের মাতম ছাপিয়ে বড় হয়ে দেখা দিল এক নির্মম বাস্তবতা—কোথা থেকে আসবে দাফন-কাফনের খরচ? কোথায় মিলবে কবরের জন্য মাটি খোঁড়ার লোক? অসহায় মা-বাবা কাঁদতে কাঁদতে প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
​ঠিক সেই কঠিন সময়ে, যেন এক শীতল ছায়া নিয়ে এগিয়ে এলো আল এহসান ফাউন্ডেশন। এলাকার সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে পরিচিত এই সংগঠনটির খবর পৌঁছাল তাদের কাছে। দ্রুত সাড়া দিলেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক, মানবিক যুবক তানভীর হাসান টিপু।
​তাঁর নির্দেশনায়, ফাউন্ডেশনের কর্মীরা মুহূর্তেই ফারুকের বাড়িতে পৌঁছালেন। কোনো রকম দ্বিধা বা প্রশ্ন ছাড়াই তারা ঘোষণা করলেন, "চিন্তা করবেন না, আপনার সন্তানের শেষ বিদায়ের সকল ব্যবস্থা আল এহসান ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বহন করবে।"
​সেই দিন, লালখান বাজার কবরস্থানে এক ভিন্ন চিত্র দেখা গেল।
​ফাউন্ডেশনের সেচ্ছাসেবকরা কোদাল হাতে নেমে পড়লেন কবর খননের কাজে, নিখুঁতভাবে তৈরি হলো ছোট্ট ফারুকের শেষ ঠিকানা।
​বাজার থেকে কেনা হলো উন্নতমানের দাফনের কাপড় (কাফন)।
​শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে এলেন ফাউন্ডেশনের সদস্যরা, জানাজার নামাজের ব্যবস্থা হলো।
​জানাজার পর কাঁধে করে ফারুকের নিথর দেহ বহন করে নিয়ে যাওয়া হলো কবরের দিকে।
​আল এহসান ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র কাফন-দাফন নয়, সম্পূর্ণ খোঁজ (খরচ) বহন করে নিল, যাতে শোকের মধ্যে পরিবারটিকে সামান্যতম আর্থিক চিন্তা করতে না হয়।
​যখন ফারুককে কবরে শায়িত করা হলো, তার বাবা-মায়ের চোখে ছিল অশ্রু, কিন্তু সেই অশ্রুতে অসহায়ত্বের যন্ত্রণা ছিল না। ছিল এক গভীর কৃতজ্ঞতা ও শান্তি। তারা দেখতে পাচ্ছিল, তাদের প্রিয় সন্তানকে ভালোবাসার চাদরে মুড়িয়ে সমাজের কিছু মানুষের হাত পরম যত্নে বিদায় জানাচ্ছে।
​তানভীর হাসান টিপুর নেতৃত্বে আল এহসান ফাউন্ডেশন সেইদিন শুধু একটি দাফন সম্পন্ন করেনি, তারা প্রমাণ করেছে—

"আল এহসান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এবং সদস্যদের নাম উল্লেখ করে একটি কবরের গল্প।নামগুলো হলো:​উপদেষ্টা: অলক মামা, শাহজাহান লিট...
30/11/2025

"আল এহসান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এবং সদস্যদের নাম উল্লেখ করে একটি কবরের গল্প।নামগুলো হলো:
​উপদেষ্টা: অলক মামা, শাহজাহান লিটন
​সাধারণ সম্পাদক: তানভীর হাসান টিপু
​সদস্য: সোহেল, জাকির, মুক্তার, রাসেল, হামি, মান্নান, রবিউল, জসিম, সোয়ান
​এখানে সেই প্রেক্ষাপটে একটি আবেগময় গল্প দেওয়া হলো:
​🖤 আল এহসান ফাউন্ডেশন: একটি কবরের গল্প ⚰️
​চট্টগ্রামের লালখান বাজারের ঘিঞ্জি গলির ভেতরে, যেখানে জীবন আর জীবিকার কোলাহল অবিরাম, সেখানেই নীরবে কাজ করে চলে আল এহসান ফাউন্ডেশন। রাতের আঁধারে যখন সবাই ঘুমিয়ে, তখনও এদের ফোন বেজে ওঠে। কারণ, তাদের কাজ হলো—শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি নেওয়া।
​সেদিন ছিল গভীর রাত, মুষলধারে বৃষ্টি। সবার প্রিয় সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান টিপু-র ফোন বেজে উঠলো। ওপাশ থেকে একটি কাঁপা কণ্ঠ জানালো, "টিপু ভাই, জয়নাল কাকা চলে গেলেন। পরিবারে কেউ নেই, দাফনের ব্যবস্থা করার মতো সামর্থ্যও নেই।"
​টিপু ভাই এক মুহূর্ত দেরি না করে ঘুম থেকে উঠলেন। তিনি জানতেন, এই ডাক আর দশটা ডাকের মতো নয়। এটা হলো মানবতার শেষ আর্তনাদ। দ্রুত তিনি উপদেষ্টা অলক মামা এবং শাহজাহান লিটন-কে খবর দিলেন। অভিজ্ঞ অলক মামা বললেন, "টিপু, ভয় পেও না। আল এহসান আছে, আমরা আছি। তুমি সোহেল, জাকিরদের নিয়ে দ্রুত চলে যাও।"
​টিপু ভাই সাথে সাথেই ফোন দিলেন দলের মেরুদণ্ড সদস্য সোহেল, জাকির, মুক্তার, রাসেল, হামি, মান্নান, রবিউল, জসিম এবং সবার ছোট সোয়ান-কে। "দ্রুত, জয়নাল কাকার দাফনের কাজ," শুধু এইটুকু বলেই ফোন রেখে দিলেন। জানতেন, বাকিটা আর বলতে হবে না।
​বৃষ্টিভেজা রাতে, কবরস্থানে পৌঁছানো ছিল এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। কবরের মাটি নরম হয়ে গেছে। কিন্তু দলটা যখন নামে, তখন যেন প্রকৃতির সব বাধা তাদের সামনে হার মানে।
​মুক্তার আর রাসেল দ্রুত দাফনের কাপড় গুছিয়ে আনলো। জাকির আর হামি মিলে কাঁদার মধ্যে কোদাল চাল�

🌙 আল এহসান ফাউন্ডেশন: কবরের নীরব বার্তা​চট্টগ্রাম শহরের এক প্রান্তে, লালখান বাজার এলাকার অদূরে, যেখানে ইট-কাঠের ভিড়েও মা...
30/11/2025

🌙 আল এহসান ফাউন্ডেশন: কবরের নীরব বার্তা
​চট্টগ্রাম শহরের এক প্রান্তে, লালখান বাজার এলাকার অদূরে, যেখানে ইট-কাঠের ভিড়েও মাটির টান অনুভব করা যায়—সেখানেই আল এহসান ফাউন্ডেশন তাদের কাজের মাধ্যমে এক নীরব মানবিকতার ইতিহাস লিখে চলেছে। এই ইতিহাস কোনো বিশাল অট্টালিকার নয়, বরং এটি সেই শেষ ঠিকানার, যাকে আমরা কবর বলি।
​তানভীর হাসান টিপু, আল এহসান ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক, তার ফোন নম্বর ০১৮৮২০৫০৮২০ এর মতো করে সবসময় সচল থাকেন। শুধু একটি ফোন কলই যথেষ্ট। রাত-বিরেতে, ঝড়-বৃষ্টিতে, যখন কোনো পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারানোর শোকে পাথর, আর তাদের মনে প্রশ্ন জাগে: "এখন কে করবে কবরের ব্যবস্থা?"—ঠিক তখনই টিপু ভাই এবং তাঁর কমিটি দেবদূতের মতো হাজির হন।
​তাদের গল্প একটি রাতের ঘটনা দিয়ে শুরু করা যাক।
​শীতের এক গভীর রাত। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। রাত তখন প্রায় দুটো। টিপু ভাইয়ের ফোনটা বেজে উঠল। ওপাশ থেকে কাঁপানো গলায় এক লোক বললেন, "ভাই, আমার বাবা হঠাৎ...। কবর খোঁড়ার জন্য কাউকে পাচ্ছি না। কী করব?"
​শোকার্ত পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে একটুও দেরি করলেন না টিপু ভাই। দ্রুত কবর খনন কমিটির সদস্যদের ডেকে নিলেন। হাতে শাবল, বেলচা আর টর্চলাইট নিয়ে তাঁরা ছুটে গেলেন গন্তব্যে। লালখান বাজারের কবরস্থানের এক কোণে শুরু হলো কাজ।
​সেখানে মাটি খোঁড়া হচ্ছিল না, বরং যত্ন আর সম্মানের সঙ্গে তৈরি হচ্ছিল একজন মানুষের চির শান্তির শয্যা। খনন কমিটির সদস্যদের হাতে শুধু পেশাদারিত্ব ছিল না, ছিল নিখাদ সহানুভূতি। তাঁরা জানতেন, কবরের গভীরতা শুধু মাটির পরিমাপ নয়—এটি পরিবারের অন্তরের শূন্যতার প্রতিচ্ছবি।
​ভোর হওয়ার আগেই কবর খোঁড়ার কাজ শেষ হলো। নিয়ম-নিষ্ঠার সাথে, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। যখন সদ্য খোঁড়া কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সবাই শেষ শ্রদ্ধার জন্য প্রস্তুত, তখন সদ্য-প্রয়াত মানুষটির ছেলে টিপু ভাইয়ের হাত ধরে ফিসফিস ক

আমাদের সকলের সর্বশেষ ঠিকানা হবে এই অন্ধকার কবর। সঙ্গে সাদা কাপড় আর ঈমান আমল ছাড়া কিছুই যাবেনা। শুভ দুপুর
26/11/2025

আমাদের সকলের সর্বশেষ ঠিকানা হবে এই অন্ধকার কবর। সঙ্গে সাদা কাপড় আর ঈমান আমল ছাড়া কিছুই যাবেনা।
শুভ দুপুর

25/11/2025

১৪ বছরের ছেলেটি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেল আমিন #কবর

এই অবুঝ সন্তানটি বুঝতে পারলো না, তার পিতা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরতরে বিদায় নিয়ে চলে গেল‌।
24/11/2025

এই অবুঝ সন্তানটি বুঝতে পারলো না, তার পিতা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরতরে বিদায় নিয়ে চলে গেল‌।

মৃ/ত্যু মানুষকে নিঃশব্দ করে দেয়, তাইতো আমরা মৃ/ত্যু নামক শব্দ থেকে পালিয়ে বেড়াই।শুভ বিকেল
24/11/2025

মৃ/ত্যু মানুষকে নিঃশব্দ করে দেয়, তাইতো আমরা মৃ/ত্যু নামক শব্দ থেকে পালিয়ে বেড়াই।
শুভ বিকেল

Address

Chittagong
Rangamati
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md : Tanbir Hasan Tipu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category