My One Crop Care

My One Crop Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from My One Crop Care, Grocers, Rangpur.

 #আপনারা_পেয়ারা_কিভাবে_আবাদ_করবেন  #জলবায়ুঃপেয়ারা উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর ফল। বাংলাদেশে পেয়ারা চাষের জন্য উপ #মাটিঃপ্রায় স...
29/10/2024

#আপনারা_পেয়ারা_কিভাবে_আবাদ_করবেন

#জলবায়ুঃ
পেয়ারা উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর ফল। বাংলাদেশে পেয়ারা চাষের জন্য উপ

#মাটিঃ
প্রায় সবরকম মাটিতেই চাষ করা যায় তবে জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি থেকে ভারী এঁটেল মাটি যেখানে পানি নিষ্কাশনের বিশেষ সুবিধা আছে সেখানে ভাল জন্মে । ৪.৫ – ৮.২ অম্লক্ষারত্বের মাটিতে এটা সহজে জন্মে ।

#পেয়ারার_জাতঃ
বারি পেয়ারা-১/২/৩
বাউ পেয়ারা-১/২/৩/৪/৫
থাই পেয়ারা সহ অন্যান্য জনপ্রিয় জাত

#বংশ_বিস্তারঃ
বীজ দ্বারা বংশবিস্তার সবচেয়ে সহজ, এবং মাতৃগুণাগুণ প্রায় হুবহু বজায় থাকে। বীজ উৎপাদনের জন্য অঙ্গজ পদ্ধতিতে বংশবিস্তারই উত্তম । অঙ্গজ পদ্ধতির মধ্যে গুটি কলমই বহুল পরিচিত।

#গর্তের_আকারঃ
ফিতা দ্বারা গর্তের দৈর্ঘ্য ২ ফুট × প্রস্থ ২ ফুট × গভীরতা ১.৫ ফুট আকারের জায়গা মেপে নিয়ে গর্ত তৈরী করতে হবে।

#রোপন_দুরত্বঃ
চারা থেকে চারা ৪ মিটার বা ১৩ ফিট
সারি থেকে সারি ৪ মিটার বা ১৩ ফিট

#সারের_পরিমাণঃ
প্রতি গর্তে পচা গোবর ১০-১৫ কেজি
টিএসপি ২৫০ গ্রাম
পটাশ ২৫০ গ্রাম
জিপসাম ২০০ গ্রাম
জিংক ২০ গ্রাম (আলাদাভাবে)
বোরন ২০ গ্রাম
দানাদার ২০ গ্রাম

#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ
সমস্ত সার প্রয়োগের পর গর্ত ভরাট করে ১০-১৫ দিন রেখে দিতে হবে।

#চারা_রোপণের_সময়ঃ
মে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) থেকে সেপ্টেম্বর (ভাদ্র-আশ্বিন) মাস উপযুক্ত সময়। তবে পানি সেচের ব্যবস্থা থাকলে সারাবছরই লাগানো যায়। গর্ত ভরাটের ১০-১৫ দিন পর চারা/কলম রোপণের পূর্বে মাটি উলটপালট করে গর্তে চারাটি সোজাভাবে স্থাপন করতে হবে। তারপর চারার গোড়ার মাটি হালকাভাবে চাপ দিয়ে শক্ত করে দিতে হবে।

#খুঁটি_দেয়াঃ
চারা লাগানোর পর একটি খুটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। যাতে গাছ হেলে না পরে।

#সার_ব্যবস্থাপনাঃ
প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি (ফাল্গুন) , মে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) ও সেপ্টেম্বর (ভাদ্র-আশ্বিন) মাসে তিন কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। সার একবারে গোঁড়ায় না দিয়ে যতদূর পর্যন্ত ডালপালা বিস্তার করেছে সে পর্যন্ত মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। নিচের ছকে বিভিন্ন বয়সের গাছ প্রতি সারের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো-

গাছের বয়স (১-২ বছর)
পচা গোবর ১০-১৫ কেজি
ইউরিয়া ১৫০-২০০ গ্রাম
টিএসপি ১৫০-২০০ গ্রাম
পটাশ ১৫০-২০০ গ্রাম

গাছের বয়স (৩-৫ বছর)
পচা গোবর ২০-৩০ কেজি
ইউরিয়া ২৫০-৪০০ গ্রাম
টিএসপি ২৫০-৪০০ গ্রাম
পটাশ ২৫০-৪০০ গ্রাম

গাছের বয়স (৬ বছরের উর্ধে)
পচা গোবর ৪০ কেজি
ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম
টিএসপি ৫০০ গ্রাম
পটাশ ৫০০ গ্রাম

#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ
গাছে সার প্রয়োগের পর এবং খরার সময় বিশেষ করে ফলের গুটি আসার সময় পানি সেচ দিতে হবে। তাছাড়া গোড়ার আগাছা পরিষ্কার ও মাটি ঢেলা ভেঙ্গে দিতে হবে ।

#সেচ_ব্যবস্থাপনাঃ
চারা রোপণের সময় মাটি শুকনো থাকলে মাঝে মাঝে কিছু পানি দিতে হবে। বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে বছরে ৮-১০ বার পানি সেচের প্রয়োজন হয়। ফলন্ত গাছে শুষ্ক মৌসুমে (ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) ১০-১৫ দিন পর পর পানি সেচের ব্যবস্থা করলে ফল ঝরা হ্রাস পাবে। ফল বড় হবে ও ফলন বাড়বে। তবে গোড়ায় পানি জমলে গাছ মারা যেতে পারে। তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশন জরুরী।

#অঙ্গ_ছাঁটাইঃ
মরা, রোগাক্রান্ত ও অপ্রয়োজনীয় ডালপাল ছাঁটাই করতে হবে। রোপণকৃত চারা বা কলমের সুন্দর কাঠামো দেওয়ার নিমিত্তে মাটি থেকে ১-১.৫ মিটার উপরে বিভিন্ন দিকে ছড়ানো ৪-৫ টি ডাল রেখে নিচের দিকের বাকী সকল ডালপালা কেটে দিতে হবে। বয়স্ক গাছে ফল সংগ্রহের পর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে অঙ্গ ছাঁটাই করতে হবে। এতে করে নতুন ডালপালা গজাবে ও বেশী ফল ধরবে ।

#ডাল_নুয়ে_দেয়াঃ
পেয়ারার খাড়া ডালে নতুন শাখা ও ফল কম হয়। এজন্য পেয়ারা গাছে ডালপালা সুতলী দ্বারা বেঁধে নুয়ে দিলে প্রচুর নতুন শাখা গজায়। এতে ফলন ও গুনগতমান বৃদ্ধি পায়।

াঁটাইকরণঃ
কাজী পেয়ারা ও বারি পেয়ারা-২ এর গাছে প্রচুর পরিমাণে ফল আসে। ফল আকারে বড় হওয়ায় গাছের পক্ষে ভার বহন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। তখন ফলের ভারে ডালপালা ভেঙ্গে যায়, ফল ছোট হয় ও গুনগত মান কমে যায়। এজন্য গাছকে দীর্ঘদিন ফলবান রাখতে ও গুনগতমাণ বজায় রাখতে ফলের মার্বেল অবস্থায় ৫০-৬০% ফল ছাঁটাইকরণ দরকার । কলমের গাছে প্রথম বছর থেকে ফল আসতে থাকে । কিন্তু ১ম বছরে ফল না রাখাই ভাল । দ্বিতীয় বছরে অল্প সংখ্যক ফল রাখা যেতে পারে। এভাবে পর্যায়ক্রমে গাছের অবস্থা বিবেচনা করে ফল রাখা যেতে পারে। পরিকল্পিতভাবে ফুল-ফল ছাঁটাই করে কাজী পেয়ারা ও বারি পেয়ারা ২ হতে সারাবছর ফল পাওয়া যেতে পারে।

্যাগিং
পেয়ারা ছোট অবস্থায় ব্যাগিং করলে রোগ, পোকা, পাখি, বাদুর ও কাঠবিড়ালী থেকে রেহাই পাওয়া যায় । ব্যাগিং করা ফলে সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি লাগে না বিধায় কোষ বিভাজন বেশী হয়, অপেক্ষাকৃত বড় ও আকর্ষণীয় হয়। ছোট ছিদ্রযুক্ত পলিথিন অথবা বাদামী কাগজ দিয়ে ব্যাগিং করা যেতে পারে। ব্যাগিং করার পূর্বে প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে টিল্ট ২৫০ ইসি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#পেয়ারা_সংগ্রহঃ

গ্রীষ্মের শেষ থেকে বর্ষার শেষ পর্যন্ত এবং শীতকালে পেয়ারা পাওয়া যায়। পুষ্ট বা ডাসা ফল সাবধানে পাড়তে হবে। পাকা পেয়ারার রং হালকা সবুজ বা হালকা হলুদ হয়। পেয়ারা কোন অবস্থাতেই বেশী পাকতে দেয়া উচিৎ নয়, এতে স্বাদ কমে যায়। উঁচু ডাল থেকে বাশেঁর মাথায় ও তলে আকশি লাগিয়ে পেয়ারা পাড়তে হয়। পরিপক্ব পেয়ারা বোঁটা বা দু-একটি পাতাসহ কাটলে বেশীদিন সতেজ থাকে এবং বাজারে দাম বেশী পাওয়া যায়। প্রখর রোদ ও বৃষ্টির সময় পেয়ারা পাড়া উচিৎ নয়। প্রতিটি পেয়ারা গাছ প্রথম দিকে ৪০০ থেকে ৫০০ টি ফল উৎপন্ন করে। তারপর ৮-১০ বছর পর ৯০০-১০০০ টি ফল উৎপন্ন করে । পেয়ারা ফল ৮-১৪ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় ।

 #আলু_গাছের_গোড়ায়_মাটি_দেওয়ার_সময়_কি_দিবেন #আলু গাছের বয়স ৩০-৩৫ দিন হলে গোড়াতে মাটি তুলে দিতে হয়,এই সময় আপনারা যেটা করবে...
29/10/2024

#আলু_গাছের_গোড়ায়_মাটি_দেওয়ার_সময়_কি_দিবেন

#আলু গাছের বয়স ৩০-৩৫ দিন হলে গোড়াতে মাটি তুলে দিতে হয়,এই সময় আপনারা যেটা করবেন,,,,,

প্রথমে আলুর নালার মাটি ভালো করে কুপিয়ে নিবেন সব আগাছাও যেন ধ্বংস হয়,তারপর সার ছিটিয়ে দিবেন,এরপর গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দিবেন।

১ বিঘার (৩৩শতক) জন্য
#ইউরিয়া- ২০ কেজি।
#এমওপি -১০ কেজি।
#ডিএপি -১০ কেজি।
#সালফার -২ কেজি।
#ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথিন গ্রুপের কীটনাশক ২০০ মিলি।
এগুলো সবগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে আলুক্ষেতে ছিটিয়ে দিবেন তারপর আলু গাছের গোড়াতে মাটি তুলে দিবেন।

#আলু

ছত্রাকনাশক_পরিচিতি-  #ম্যানকোজেব গ্রুপ #ম্যানকোজেব (Mancozeb) কি?ম্যানকোজেব হলো ছত্রাকনাশকের সক্রিয় উপাদান৷ এটি বহুমুখী ...
29/10/2024

ছত্রাকনাশক_পরিচিতি- #ম্যানকোজেব গ্রুপ

#ম্যানকোজেব (Mancozeb) কি?
ম্যানকোজেব হলো ছত্রাকনাশকের সক্রিয় উপাদান৷ এটি বহুমুখী , স্পর্শক ও প্রতিরোধক ক্রিয়াসম্পন্ন ডাইথায়োকার্বামেট জাতীয় ছত্রাকনাশক৷ এটি ম্যানেব ও জিনেব নামক দুইটি ডাইথায়োকার্বামেটের সমন্বয়ে তৈরি।
এটি ছত্রাক দমন করে, গাছ বা ফসলের তেমন ক্ষতি করে না।

#কীভাবে_কাজ করে?
√বাতাসের সাহায্যে ইহা আইসোথায়োসায়ানেটে রুপান্তরিত হয়ে ছত্রাক এনজাইমের সালফাহাইড্রাল গ্রুপকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়৷
√√কখনো ম্যানকোজেব, ছত্রাক এনজাইমের উপাদানের বিনিময় ঘটিয়ে ছত্রাক এনজাইমের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে৷
√√√ এটি ছত্রাকের স্পোর অংকুরোদগম রোধক হিসেবে কাজ করে।
√√√√এটি গাছের উপরিভাগে হালকা প্রলেপ সৃষ্টি করে৷ ফলে রোগজীবাণু গাছের সংস্পর্শে আসা মাত্র মারা যায় এবং বাহির থেকে রোগজীবাণু গাছের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না৷

#কোন_রোগ দমন করে?
এটি ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট রোগ যেমন মিলডিউ, ব্লাইট, এনথ্রাকনোজ, লিফ স্পট দমনে ভালো কাজ করে৷ এটি ফল, শাকসবজি, মাঠ ফসলে ব্যবহার করা যায়। বীজ শোধনেও ব্যবহার করা হয়।

>>টমেটোর ঢলে পড়া, অালু ও টমেটোর ধ্বসা রোগ, কলার সিগাটোকা, পেঁয়াজের পার্পল ব্লচ, অামের এনথ্রাকনোজ, মিলডিউ দমনে ভালো কাজ করে।

>>এটি জিঙ্ক ও ম্যাংগানিজ আয়ন সমৃদ্ধ হওয়ায় ব্যবহারের পরপরই গাছ দ্রুত সবুজ ও সতেজ হয়৷

#প্রয়োগমাত্রা
সাধারণত ০.২% হারে (প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম হারে) পাতায় প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়।

#বাজারে_ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশকের বাণিজ্যিক নাম-
ইন্ডোফিল এম ৪৫ (অটো ক্রপ কেয়ার), ডায়থেন এম ৪৫ (বায়ার), জাজ ৮০ ডব্লিউপি (সিনজেন্টা), নেকজেব (ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার), এমকোজেব ৮০ ডব্লিউপি, কোজেব ৮০ ডব্লিউপি, গ্যালভেন এম, ম্যানজেট ২০০, পেনকোজেব ৮০ ডব্লিউপি, সানকোজেব, ভন্ডজেব, ভিটামিল ৭২ এমজেড, ম্যানকোজেব ৮০ ডব্লিউপি, এডকোজেব ৮০ ডব্লিউপি, নেমিসপোর ৮০ ডব্লিউপি, সিনাজেব ৮০ ডব্লিউপি প্রভৃতি৷
এদের কার্যকারিতা সবারই প্রায় এক।

#সতর্কতা - এই গ্রুপের ছত্রাকনাশক মানুষের জন্য কম বিষাক্ত হলেও বিষক্রিয়ায় প্রাণীর থাইরয়েড গ্রন্থি প্রসারিত এবং পরীক্ষামূলক প্রাণীদের মধ্যে জন্মগত ত্রুটি এবং ক্যান্সার তৈরি করেছে।
তাই প্রয়োগের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে

©ই-কৃষি ক্লিনিক||e-Krishi Clinic
(সংগ্রহ)

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My One Crop Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category