পি এফ বহুমুখী যৌথ ব্যবসা

পি এফ বহুমুখী যৌথ ব্যবসা আপডেট খবর পেতে আমাদের সাথেই থাকুন

শিক্ষণীয় গল্প: হাতুড়ি ও সুচএকদিন এক কারখানার কোণে দেখা হলো হাতুড়ি আর সুচ-এর।হাতুড়ি ছিল শক্তপোক্ত, ভারী ও গর্জনধারী। গর্ব...
02/06/2025

শিক্ষণীয় গল্প: হাতুড়ি ও সুচ

একদিন এক কারখানার কোণে দেখা হলো হাতুড়ি আর সুচ-এর।

হাতুড়ি ছিল শক্তপোক্ত, ভারী ও গর্জনধারী। গর্ব ভরে সে বলল—
“আমি পেরেক ঠুকি, কাঠ ভাঙি, ধাতু গুঁড়িয়ে ফেলি!
আমার মতো শক্তিশালী আর কেউ আছে নাকি?”

সুচ হালকা হেসে বলল—
“তোমার শক্তির কথা অস্বীকার করছি না।
কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে, যেখানে তোমার আঘাত নয়, আমার কোমল স্পর্শ দরকার হয়।”

হাতুড়ি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল—
“তুমি আবার কী এমন করো, যেটা আমি পারি না?”

সুচ তখন তাকে নিয়ে গেল এক দর্জির দোকানে।
সেখানে একজন দর্জি সুচ ও সুতার সাহায্যে কাপড়ের ছেঁড়া জায়গা সুন্দরভাবে জোড়া লাগাচ্ছেন।
একটুও কষ্ট বা ক্ষতি হচ্ছে না, বরং কাপড় নতুনের মতো দেখাচ্ছে।

এই দৃশ্য দেখে হাতুড়ি চুপ করে গেল।
সে বুঝতে পারল, শুধু জোরে আঘাত করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না।
অনেক সময় ধৈর্য, সূক্ষ্মতা আর যত্ন বেশি দরকার হয়।

তখন সুচ বলল—
“দেখো বন্ধু, আমরা কেউ কারো চেয়ে বড় নই।
তুমি কাঠে পেরেক ঠুকে ঘর তৈরি করো, আর আমি জামা জুড়ে মানুষকে পরার উপযোগী করি।
আমরা আলাদা কাজে দক্ষ, তাই উভয়েরই গুরুত্ব আছে।”

---

গল্পের শিক্ষা:

জীবনে কেউ বড়, কেউ ছোট মনে হলেও, প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজে গুরুত্বপূর্ণ।
শক্তি দিয়ে যেমন বিশাল কাজ হয়, তেমনি সূক্ষ্মতায়ও আসে নিখুঁত সমাধান।
তাই সবাইকে সম্মান করা উচিত—কারণ সবারই নিজস্ব মূল্য আছে।

---

লেখক: Learnwith Rasel
ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও পেজটি ফলো করুন আরও সুন্দর গল্পের জন্য!

একটা ট্রাক রাতের বেলায় লাশ নিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা  যাচ্ছে।  পথের  মধ্যে  ড্রাইভার এবং হেলপারের চায়ের  নেশা  ধরলো। তাই...
02/06/2025

একটা ট্রাক রাতের বেলায় লাশ নিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছে। পথের মধ্যে ড্রাইভার এবং হেলপারের চায়ের নেশা ধরলো। তাই তারা রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভার & হেলপার দোকানে চা খেতে নামলো।
তারা দোকানে বসে চা খাচ্ছে। এইদিকে এক লোক ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়ে গাড়ীর অপেক্ষায় রাস্তার পাশে থাকতে থাকতে অনেক রাত হয়ে গেলে গাড়ি না পেয়ে রাস্তায় বসেছিলো।

হঠাৎ লোকটা ট্রাকটি দেখে ভাবলো এই ট্রাকটি খালি ড্রাইভার এবং হেলপারকে না দেখিয়ে উঠে পড়ি। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ উঠে পড়ল ট্রাকে। ট্রাকে উঠে অন্ধকারে লাশের ওপর বসে পড়ল।

কারন, অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। অতঃপর ( ড্রাইভার & হেলপার) চা খাওয়া শেষ করে যথারীতি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর ট্রাকে বসা লোকটা একটা সিগারেট ধরে মনের সুখে টানতে লাগলো। হঠাৎ হেলপারের চোখ পিছনে পড়তেই দেখলো পিছনে লাশটা বসে সিগারেট টানছে।
হেলপার ভয়ে ভয়ে ড্রাইভারকে বললঃ

হেলপারঃ-- ওস্তাদ গাড়ি থামান!
ওস্তাদঃ-- কেন?
হেলপারঃ-- পিছনে তাকিয়ে দেখেন লাশ বসে সিগারেট টানছে!
ওস্তাদঃ-- দূর বেটা এইটা কেমনে হয়?

হেলপারঃ-- দেখেন না আপনি?
এবার দুইজনে ( ড্রাইভার & হেলপার) গাড়ি থেকে নামল দেখার জন্য যে ব্যাপারটা কি?
লাশের ওপর বসে থাকা লোকটা সিগারেট টানতে টানতে বললঃ-- কিরে গাড়ি থামালি কেন?

এই শুনে ওস্তাদ বলল কাম সারছে অতঃপর দূইজনে মিলে দিল খিচ্ছা দৌড়!
দৌড়ের দৃশ্য দেখে লোকটা ভাবলো মনে হয় কোনো সমস্যা হইছে!
নইলে ওরা দৌড় দিল কেন!

বসে থাকলে সে বিপদে পড়বে ভেবে সেও ওদের পিছনে পিছনে দিল দৌড়।
হেলপার পিছনে তাকাইয়া দেখে লাশটা ওদের পিছনে পিছনে দৌড়াইতাছে!

হেলপার বললঃ ওস্তাদ আজ আর রক্ষা নেই ঐ লাশটাও আমাদের পিছনে দৌড়াচ্ছে তাড়াতাড়ি জান বাঁচাইয়া ভাগেন!
সত্যি করে বলেন মন খুলে কত দিন পর হাসলেন? পড়া শেষে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না কিন্তু।

যে দেশের সেনাবাহিনী পুলিশের কোন নিরাপত্তা নেই সেখানে জনগণের নিরাপত্তা কোথায়? গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় এক সেনাসদস্য...
02/06/2025

যে দেশের সেনাবাহিনী পুলিশের কোন নিরাপত্তা নেই সেখানে জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?
গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় এক সেনাসদস্যকে এভাবে ঝু'লিয়ে রাখা হয়েছে।

24/05/2025

"যতই হোক আঁধার, ঝড়, কিংবা নিঃসীম ক্লান্তি—পথচলার দুঃখই তো গড়ে তোলে সাহসের ভোর। জীবনের গন্তব্য কখনও সহজের নাম নয়, বরং তা লুকিয়ে থাকে সেইসব কণ্টকময় পথে, যেখানে পদে পদে বেদনা, আর হৃদয়ে প্রশ্নের ঝড়। কিন্তু জেনে রেখো—যে পথ সবচেয়ে বেশি কাঁদায়, সে-ই পথ একদিন সবচেয়ে বেশি হাসায়। অতএব, যদি পথ হয় কঠিন, জানবে—প্রতিটি ধূলিকণাই ভবিষ্যতের রৌদ্রোজ্জ্বল সোনালি প্রহর গড়ে দিচ্ছে। হাল ছেড়ো না, থেমো না—কারণ তোমার স্বপ্নও তোমার মতোই অপেক্ষায় আছে শেষে এসে বুকে জড়িয়ে ধরার।"

টেক্সটাইল মাদ্রাসার দিনগুলোটেক্সটাইল মাদ্রাসা—নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে এক পুরোনো ভবন, লোহার খাটে বিছানো পাতলা তোশ...
24/05/2025

টেক্সটাইল মাদ্রাসার দিনগুলো

টেক্সটাইল মাদ্রাসা—নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে এক পুরোনো ভবন, লোহার খাটে বিছানো পাতলা তোশক, আর বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা কিশোর ছাত্রদের সারি। সেখানে আমিনুল্লাহ সাহেব ছিলেন মোহতামিম। গাম্ভীর্যপূর্ণ চেহারা, কিন্তু হৃদয় ছিল যেন দয়ার সাগর।

ছাত্রসংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশ’। কিন্তু এর মধ্যে দুই শত পঞ্চাশ জনই খেত বিনা খরচে। কাউকে বলেননি—‘তুমি টাকা দাও, নইলে খেতে পাবে না।’ বরং মুখে শুধু একটি বাক্য—‘পড়, মনোযোগ দিয়ে পড়। আলেম হইলে, দুনিয়া তোমার দরজায় কড়া নাড়বে।’

ভর্তি ফি-ও ছিল একরকম প্রতীকী। কেউ কেউ মাত্র পাঁচশ টাকাতেই ভর্তি হয়ে যেত। যেন জ্ঞানের দরজা সবার জন্য খোলা। কেউ দরিদ্র বলে এখানে আটকে থাকার সুযোগ ছিল না।

খানার খরচ? মাদ্রাসা বর্ষপূর্তি না হতেই খরচের খাতা ফাঁকা হয়ে যেত। চাল, ডাল, তেল—সবকিছুই শেষ হয়ে যেত, কিন্তু ছাত্রদের পাতে ভাত কখনো কমে না। আমিনুল্লাহ সাহেব হয়তো নিজের সম্মান বিকিয়ে চাল এনে দিতেন, কিন্তু ছাত্ররা কিছু বুঝত না। তারা ভাবত—খাবার তো আছেই।

আরও করুণ ছিল আরেকটি দিক। এমনও শোনা যেত, অনেক ছাত্র বাড়ি থেকে খাবারের টাকা আনত, কিন্তু সেই টাকায় কিনত স্মার্টফোন, কানে দিত দামি হেডফোন, চলত ‘নাইট প্যাক’। পরিশোধের কথা জিজ্ঞাসা করলে বলত—‘আব্বু এখনও পাঠায়নি।’ অথচ মোবাইলের বিল ঠিকমতো যায়।

এইসব দেখেও আমিনুল্লাহ সাহেব কিছু বলতেন না। শুধু ফজরের পর নীরবে তাকিয়ে থাকতেন ছাত্রদের মুখের দিকে। হয়তো ভাবতেন—‘আজকে যে আমার ঘাড়ে উঠেছে, একদিন সে-ই হয়তো লাখো মানুষের হিদায়তের আলো হবে।’

এই ছিল সেই মাদ্রাসা, যেখানে দারিদ্র্য ছিল বটে, কিন্তু ছিল না শিক্ষার কোনো সংকোচ। যেখানে অভাবের মধ্যেও আলোর খোঁজে ছুটে যাওয়া কিছু তরুণ প্রতিদিন ভাত খেত একবেলার, আর জ্ঞান খেত শত বেলার।

"আর আজ, যখন এই বিশাল মাদ্রাসার শাহী মার্কেট প্রকল্পটি কোটি টাকার সীমা ছুঁয়ে সফল সমাপ্তির পথে, তখনই কিছু স্বার্থান্বেষী ও মুখস্থচাটুকার স্বভাবের ব্যক্তি—যারা নিজেদের আলেম পরিচয়ে আড়াল করে রেখেছে—মাওলানা আমিনুল্লাহ সাহেবের বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়ে।"

বিভ্রান্তির মুখোশ খুলে গেলে…"মিথ্যার মুখোশ যতই রঙিন হোক, আমি জানি চেপে রাখা সত্য একদিন ফুঁড়ে উঠবেই। আমি কেবল তারই দূত — ...
24/05/2025

বিভ্রান্তির মুখোশ খুলে গেলে…

"মিথ্যার মুখোশ যতই রঙিন হোক, আমি জানি চেপে রাখা সত্য একদিন ফুঁড়ে উঠবেই। আমি কেবল তারই দূত — সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলাই আমার কাজ।

তাই মুল ঘটনা শুনুন✍️

টেক্সটাইল মাদ্রাসার সম্মানিত তিন শিক্ষক—মাওলানা মোহাম্মদ আলি, মাওলানা লোকমান ও মাওলানা সিরাজুল ইসলাম—গেল রমজানে চট্টগ্রামের পথে পা বাড়িয়েছিলেন। উদ্দেশ্য—মাদ্রাসার জন্য অনুদান সংগ্রহ। জানা ছিল, সেখানে এক উদার হৃদয়ের মানুষ, কাজী সাহেব, প্রতি বছর তিন থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে থাকেন এই দ্বীনী প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু এ বছর চিত্রপট ভিন্ন। কাজী সাহেব স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, যতদিন বড় হুজুর মাওলানা আমিনুল্লাহ সাহেব মাদ্রাসায় ফিরবেন না, ততদিন তার পক্ষ থেকে কোনো অনুদান আশা করা বৃথা।

চোখে মুখে লজ্জার ছায়া নিয়ে ফিরে আসলেন তিন শিক্ষক। কিন্তু লজ্জা যাঁদের শিক্ষায় নেই, তাঁরা আবার সেই একই দরজায় গিয়ে দাঁড়ালেন, যেন আত্মসম্মান নামক বস্তুটি তাঁদের অভিধানে নেই।এবার মোহাম্মদ আলি সাহেব নিজে একাই চট্টগ্রাম গেলেন, কাজী সাহেব এ যাত্রায় আরও কঠোর হলেন—"আমি আপনাদের চিনি না, আপনারা কারা?"—এই বাক্যটি যেন তাদের হৃদয়ে স্থায়ী এক দাগ কেটে দিল।

তবে লজ্জার চেয়েও ভয়ঙ্কর জিনিস আছে—তা হলো বিভ্রান্তি ছড়ানো। দাওরায়ে হাদীসের এক অতি উৎসাহী ছাত্র, যিনি নিজেকে 'সত্যপ্রচারক' ভাবতে ভালোবাসেন, লোকমুখে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন, “বড় হুজুর মানুষকে মাদ্রাসায় দান করতে নিষেধ করেন।” আহা! মিথ্যার এমন জ্বলন্ত প্রদীপ কে জ্বালালো তার হাতে?

যিনি নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন দ্বীনের খেদমতে, যিনি কখনো কারো দান বন্ধ করেননি, বরং উৎসাহিত করেছেন—তাঁর নামে এই অপবাদ সত্যিই দুঃখজনক। প্রমাণ? দিনাজপুরের সেই দানশীল ব্যক্তি প্রতি বছর মাদ্রাসায় এক ট্রাক চাল দান করেন। বড় হুজুর মাদ্রাসায় না থাকার কারণে প্রথমে তিনি দ্বিধায় পড়েন। কিন্তু যখন তিনি সরাসরি বড় হুজুরের কাছ থেকে অনুমতি চান, তখন হুজুর বলেন, “দান কখনো থামা উচিত নয়।” এরপরই তিনি চাল দান করেন। যদি বড় হুজুর নিষেধ করতেন, তাহলে হুজুরদের আবার গত বছরের মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল সংগ্রহ করতে হতো।

আলহামদুলিল্লাহ! বড় হুজুর এমন হিংসুক নন, যিনি মানুষের দানের পথ রুদ্ধ করতে উঠেপড়ে লাগবেন। বরং যারা ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসে নিজের গ্লানিকে চাপা দিতে অন্যের মর্যাদায় আঘাত হানেন, তাদের মুখোশ আজ খুলে গেছে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাইনি। কিন্তু যখন দেখি, সত্যকে আড়াল করে মিথ্যার বিষ ছড়ানো হচ্ছে, তখন কলম থামিয়ে রাখা পাপ মনে হয়।
মিথ্যার প্রচার যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তখন সত্যের আলো জ্বালিয়ে রাখা এক মহৎ দায়িত্ব। কুরআন মজীদে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:

"وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ۚ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا"
(সূরা আল-ইসরা: ৮১)
অর্থ: “বলুন, সত্য এসেছে এবং মিথ্যা নিশ্চিহ্ন হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা তো বিনাশযোগ্য।”

তাই অন্যরা যদি কুৎসা ও অপপ্রচারে লিপ্তও হয়, আমাদের কাজ হচ্ছে সত্য ও হকের পথে অবিচল থাকা — সংযম, প্রজ্ঞা ও সদ্ব্যবহারে সত্য প্রচার করা।

হে বিভ্রান্তির ফেরিওয়ালারা! তোমরা যতই চেষ্টা করো, সত্য একদিন ঠিকই জেগে ওঠে। আর তখন মিথ্যার মুখে তালা পড়ে যায়।

#

24/05/2025

مربک
তোমার রব কে

23/05/2025

الوضیع اذارتفع تکبر واذا حکم

আজ বড় হুজুর মাওলানা আমিনুল্লাহ সাহেবের বৈধ জমি ও বাসভবনে, স্থানিয়ভাবে পরিচিত গিবতকার নিতাইয়ের নাটা বুকামির উস্তাদ মাও...
23/05/2025

আজ বড় হুজুর মাওলানা আমিনুল্লাহ সাহেবের বৈধ জমি ও
বাসভবনে, স্থানিয়ভাবে পরিচিত গিবতকার নিতাইয়ের নাটা বুকামির উস্তাদ
মাওলানা সাঈদার সাব ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন শিক্ষক গোপনে প্রবেশ
করেন। তাঁরা কোনো অনুমতি ছাড়াই হুজুরের বাসায় ঢুকে পরে জমি ও বাসা
দখলের চেষ্টা চালান

ওই সময়ে বাসায় অবস্থানরত এক ভাড়াটিয়া মহিলা গোছল অবস্থায় ছিলেন
এবং হঠাৎ আগন্তুকদের উপস্থিতি দেখে তিনি প্রচন্ড বিভ্রান্ত ও ক্ষুদ্র হন।
পরিস্থিতি এতটাই উওপ্ত হয়ে ওঠে যে। তিনি নিজেকে রক্ষার জন্য সাইদার
সাব কে ঝাড়ু দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন

এ ঘটনার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী জড়ো হয়ে যায়
এবং ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে । তাঁরা দখলদারদের শাস্তি দিতে উদ্যত হলে।
হযরত আমিনুল্লাহ সাহেব এলাকা বাসটিকে ফোন দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন
এবং কারো প্রতি শারীরিক সহিংসতা না দেখাতে সবাই কে অনুরোধ করেন
তার হস্তক্ষেপে উওেজনা প্রশমিত হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে

Address

Nilphamari
Rangpur
1234

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পি এফ বহুমুখী যৌথ ব্যবসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category