Salman’s Space

Salman’s Space Welcome to tha official page of (S H Rafi) Salman Husain .Stay connect to get my all update. Thank you 🌍

03/05/2026

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া ৮জন এর ভয়ংকর সিসিটিভি ফুটেজ 😑

এমন ডাক্তারের রোগী হতে কোনো অসুবিধা নেই🙃
12/04/2026

এমন ডাক্তারের রোগী হতে কোনো অসুবিধা নেই🙃

06/04/2026

Feels like a piece of Kashmir, but it’s our own paradise 🌿”

⚠️ TWS বা In-ear ইয়ারফোন ব্যবহারকারী হলে এড়িয়ে যাবেন না! আপনার কান নষ্ট হচ্ছে ধীরে ধীরে! 😳 এগুলো নিয়ে কেউ কথা বলছে ন...
28/03/2026

⚠️ TWS বা In-ear ইয়ারফোন ব্যবহারকারী হলে এড়িয়ে যাবেন না! আপনার কান নষ্ট হচ্ছে ধীরে ধীরে! 😳 এগুলো নিয়ে কেউ কথা বলছে না‼️

Earbuds = Silent Killer? সত্যিটা ভয়ংকর! প্রতিদিন TWS ব্যবহার করছেন? আপনার শ্রবণ শক্তি ঝুঁকিতে ভাই! ভয়ানক ব্যাপার হচ্ছে শ্রবণ শক্তি কমতেই থাকে এইটা কখনও রিকোভার হয় না। আর আপনি বুঝতেও পারেন না আপনার কতটুকু শোনার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, একেবারে ঠসা না হওয়া পর্যন্ত 😐

একটা কেস স্ট্যাডি পড়ছিলাম, বিশেষজ্ঞদের মতে যারা ইয়ারফোন নিয়মিত এবং লাগাতার ব্যবহার করেন প্রত্যেক ৫ জনের মধ্যে ১ জনের হেয়ারিং লস হবার চান্স অনেক হাই। আর হেয়ারিং লসের পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ঠসা হওয়ার সাথে ইয়ারফোনের সম্পর্ক সরাসরি। যেকোনো TWS ~৮০ থেকে ~১০০ dBA সাউন্ড তৈরি করে। আপনি ফুল ভলিউমে মিউজিক শুনলে 95–110 dBA+ শব্দ উৎপন্ন হয়। যেখানে 100 dBA সাউন্ড মাত্র ১৫ মিনিট ধরে শুনলেই মানুষ ঠসা হওয়া শুরু করে। এখন ভেবে দেখুন আপনি জীবনে ফুল ভলিউমে কতবার গান শুনেছেন, কত ঘন্টা ধরে শুনেছেন 😔

ইয়ারফোন টা খুলে দেখবেন টিপ টা কানের ওয়াক্স দিয়ে নোংরা হয়ে রয়েছে। এগুলা কান থেকে বের হতে না পেরে কানে ইনফেকশন হওয়ার চান্স ও অনেক বেড়ে যায়।

আমাদের চারপাশে বায়ুদূষণের ন্যায় এতবেশি শব্দ দূষণ হচ্ছে ইয়ারফোন বাদেই কান ধ্বংস হবার জন্য যথেষ্ট। গাড়ির হর্ন, কনস্ট্রাকশনের শব্দ, লাউড স্পিকারের শব্দ, এই শব্দ সেই শব্দ — কোলাহল পূর্ণ শহরে মানুষের ঘুম এমনি হারাম। শব্দ দূষণে শুধু হেয়ারিং লস হয় না, বরং দৈনন্দিন জীবনে এর প্রভাব প্রচণ্ড! মেজাজ খিটখিটে হওয়া থেকে শুরু করে অনেক মানুষিক রোগ দেখা যায়।

একটা লিমিট চার্ট দিচ্ছি:

🔴 80 dB 👉 লাউড এলার্ম ক্লক, নয়েজি রেস্টুরেন্ট 👉 সেফ লিমিট: ৮ ঘণ্টা

🔴 85 dB 👉 সিটি ট্রাফিক 👉 এইটাই ক্রিটিকাল থ্রেশহোল্ড!

🔴 90 dB 👉 হেয়ার ড্রায়ার, মোটর সাইকেল ইঞ্জিন 👉 সেফ লিমিট: ২ ঘণ্টা

🔴 95 dB 👉 জ্যাক হ্যামার, MRI মেশিন, সাবওয়ে ট্রেন 👉 সেফ লিমিট ৪৫-৫০ মিনিট!

🔴 100 dB 👉 হ্যান্ড ড্রিল, চেন শ্য, ফুল ভলিউমে ইয়ারফোন 👉 ~ ১৫ মিনিট

⚠️⚠️ এখন ইয়ারফোনে ফেরত আসি। কিছু মানুষের ইয়ারফোন ব্যবহার করতেই হবে। যেমন ডেলিভারি ম্যান, কল সেন্টারে চাকরি করলে, বা ভিডিও এডিট করলে, ইত্যাদি।

সেক্ষেত্রে অবশ্যই

✅ ৬০/৬০ রুলস ফলো করুন। সর্বোচ্চ ৬০% ভলিউমে সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট কানে ইয়ারফোন/TWS রাখুন। ভলিউম যত বাড়াবেন কানে ততো কম রাখবেন, ওই নিয়মে চলতে হবে।

✅ ANC টানা সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট ব্যবহার করুন।

✅ In-Ear Earphones বা TWS খুব সিলড টাইট করে কানের সাথে পুঁতে দেবেন না। একটু ফাঁকা রাখবেন।

✅ একজনের কানের ইয়ারফোন আরেকজন কানে পড়বেন না, এতে ইনফেকশন ছড়ায়।

✅ কখনোই ফুল ভলিউম বেশিক্ষণ ব্যবহার করবেন না। আমি রেকমেন্ড করবো ৪০/৫০% ই ভলিউম ব্যবহার করুন।

‼️ এই টাইপের পোস্ট যতবেশি শেয়ার করবেন ততো সচেতনতা বাড়বে! ভালো লাগলে অবশ্যই ফলো করুন! ইয়ারফোন ব্যবহারের অভ্যাস বদলান। নিচে আমাদের কমেন্ট করে আপনার বর্তমান অভ্যাস সম্পর্কে জানান।


Information collected

25/03/2026

বাংলাদেশ ! যেখানে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকাটাই বিস্ময়কর!

Anatomy of
25/03/2026

Anatomy of

20/03/2026

Eid festival in Sylhet with rain hits different ✨🌙

18/03/2026

Vসদরঘাটের দু 'র্ঘ 'ট 'ন |র ভিডিওটা দেখার পর, জীবন নিয়ে আমার আর কোন অভিযোগ নেই।💔

18/03/2026

লা'*শ হয়ে বাড়ি ফেরার চেয়ে একটু দেরিতে হলেও

জীবিত ফেরা ভালো ভাই।

03/03/2026

কিছুদিন আগে কুরআন পড়তেছিলাম অর্থ সহ। অনেক্ক্ষণ ফ্লো তে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় সুরা আদিয়াতে এসে। প্রথম আয়াত পড়েই ভ্যাবাচেকা খাইছি। আল্লাহ একটা ঘোড়ার শপথ নিয়ে একটা সূরা শুরু করলো!! আমি আবার পড়লাম আয়াতটা, "শপথ সেই ঘোড়াগুলোর, যারা উর্ধশ্বাসে শব্দ করতে করতে দৌড়ায়"। আমি তখন বসে ভাবা শুরু করলাম, দুনিয়ায় এত কিছু থাকতে ঘোড়া কেন!? কোরআনে অনেক সূরাই এরকম বিভিন্ন জিনিসের শপথ নিয়ে শুরু হইছে। যেমন, 'শপথ সূর্যের ও তার রৌদ্রচ্ছটার', 'শপথ আসমানের ও শপথ তারার', 'সময়ের শপথ', 'শপথ রাতের যখন তা আধারে ঢেকে যায়', 'শপথ আলোকোজ্জ্বল মধ্য দিনের', 'শপথ ভোরের', 'শপথ ফেরেশতাদের যারা ডুব দিয়ে আত্মা ছিনিয়ে আনে'। বিশেষ করে ত্রিশ নাম্বার পারার বেশিরভাগ সূরাই এরকম বিভিন্ন জিনিসের শপথ নিয়েই শুরু হইছে। কিন্তু ঘোড়া কেন!?

আমি তারপর আদিয়াতের পরের আয়াত গুলা পড়া শুরু করলাম,
"শপথ সে সব সাহসী ঘোড়ার যাদের ক্ষুরাঘাতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বের হয়। শপথ এমন সব ঘোড়ার যারা প্রভাতে অভিযানে বের হয়। এবং সেই সময়ে ধূলি উৎক্ষিপ্ত করে। অতঃপর নির্দ্বিধায় শত্রুদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে তাদের ছিন্নভিন্ন করে দেয়।"

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এর পরের আয়াতটা পড়েই! "মানুষ সত্যিই তার মালিকের ব্যাপারে অকৃতজ্ঞ"

আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো। আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম। বলতে চাইতেছে কি?! একেবারে হঠাৎ করেই ঘোড়ার কাহিনি থেকে মানুষের অকৃতজ্ঞতার কথায় কেন চলে গেছে আল্লাহ?! তাও আবার এরকম নাটকীয় ভাবে!

আমি তাফসির খুললাম। পুরা সূরার তাফসির পড়লাম। কয়েকটা ভিন্ন ভিন্ন গ্রন্থ থেকে পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসছে, তা হলো:

এই সূরা ঈমান, ইসলাম, জান্নাত, জাহান্নাম কিচ্ছু দিয়ে শুরু হয় নাই। শুরু হইছে ঘোড়া দিয়ে। আল্লাহ এমন একটা জন্তুর উদাহরণ দিয়ে সূরা শুরু করলেন, যার লয়ালটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই। আবার যেমন তেমন ঘোড়া না, যুদ্ধঘোড়া। যার পায়ের থেকে আগুনের ঝল্কা বের হয়! যে ধুলা উড়াইতে উড়াইতে শত্রুদের মাঝখানে ঢুকে শত্রুদের ছিন্নভিন্ন করে ফেলে।। যুদ্ধঘোড়া ভয় পায়, ক্লান্ত হয়, আহত হয়, কিন্তু কখনো পিছনে দৌড়ায় না। সে জানেও না যুদ্ধ কেন, তবুও সে তার মালিকের প্রতি বিশ্বস্ত। রিপিট, সে জানেও না যুদ্ধ কেন।

তারপর হঠাৎ আল্লাহর রায়: ইন্নাল ইংসানা লি রব্বিহি লাকানুদ, 'মানুষ সত্যিই তার মালিকের ব্যাপারে অকৃতজ্ঞ'। আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা প্রাণী তার মালিকের জন্য এত বিশ্বস্ত। আর তুমি?

এইটা insult না, এইটা moral comparison।
তাফসিরে “কানূদ” মানে বলা হইছে, যে ব্যক্তি নিয়ামত গুনে না বা আল্লাহর দেয়া নেয়ামত গুলাকে উপলব্ধি করে না, অভিযোগ গুনে, রবকে ভুলে যায়, নিজের অর্জন নিজের বলে মনে করে। যে বিপদ স্মরণ রাখে এবং নেয়ামত ভুলে যায়। অর্থাৎ: মানুষ নেয় অনেক, স্বীকার করে কম। নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে না। নেয়ামত কে অস্বীকার করে।

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত: ওয়া ইন্নাহু আলা যালিকা লাশাহিদ, এবং সে নিজেই নিজের অকৃতজ্ঞতার সাক্ষী। এখানে আল্লাহ মানুষকে অভিযুক্ত করতেছে না। বরং বলতেছে, তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী আমি না, তুমি নিজেই। অর্থাৎ মানুষ অবহিত, সে জানে কে তারে রিজিক দেয়, সে জানে সে কার কাছে ফিরে যাবে, সে জানে কোন কাজটা ভুল। মানুষ নিজেই জানে যে সে অকৃতজ্ঞ। এখানে বড় রিয়েলাইজেশন হইতেছে মানুষ ইগ্নোরেন্সের কারণে হারায় যায় বিষয়টা এমন না। মানুষ তার সেল্ফ এর সাথে বিট্রে করে।

কুরআন এখানে মানুষের ভেতরের বিভাজন দেখায়।
একই মানুষের মধ্যে থাকে: ১. কর্মকারী সত্তা। যে ভুল করে, দৌড়ায়, লোভ করে। ২. সাক্ষী সত্তা। যে নীরবে দেখে। কোনো ভুল করার পর, ভিতরে একটা কণ্ঠ বলে “এটা ঠিক হয়নাই ” এই কণ্ঠটাই আয়াতের "শাহিদ" (সাক্ষী)।

আমরা ভাবি বিচার দিবস ভবিষ্যতে। কিন্তু এই আয়াত বলতেছে, বিচার প্রক্রিয়া অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। মানুষ প্রতিদিন নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ জমা করতেছে। তাফসিরে বলা হয়: মানুষ যখন একা থাকে, তার আসল বিচারক সক্রিয় হয়। কারণ তখন সমাজ নাই, image নাই, audience নাই। শুধু নিজে আর নিজের সত্য।

কেন এই আয়াত এত ভয়ংকর?
কারণ মানুষ আল্লাহকে অস্বীকার করতে পারে। সমাজকে প্রতারণা করতে পারে। ইতিহাস বদলাইতে পারে। কিন্তু মানুষ কখনো নিজের ভিতরের জ্ঞান/স্মৃতি মুছতে পারে না। এই জন্যই অন্য জায়গায় কুরআন বলে: মানুষ নিজের বিরুদ্ধে নিজেই স্পষ্ট সাক্ষী। মানে, শেষ বিচারে নতুন কিছু জানানো হবে না। শুধু প্রকাশ করা হবে যা মানুষ অলরেডিই জানে।

সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা পাপ না। তোমার সমস্যা তুমি জানো। যদি মানুষ সত্যিই না জানতো, তাহলে অপরাধ হতো ignorance। কিন্তু এখানে অপরাধ, conscious neglect। জেনেও ভুল পথে থাকা। কিয়ামতের দিন আল্লাহ নতুন অভিযোগ আনবে না। তিনি বলবেন: “তুমি নিজেই বলো।” কারণ সাক্ষী: তোমার স্মৃতি, তোমার নিয়ত, তোমার অন্তর। সব তোমারই অংশ।

সূরা আদিয়াতের এই আয়াতে মানুষের সবচেয়ে লুকানো সত্য প্রকাশ করে। মানুষ পথ হারায় না কারণ সে অন্ধ। মানুষ পথ হারায় কারণ হইতেছে সে চোখ বন্ধ রাখে।

Root Disease: ওয়া ইন্নাহু লিহুব্বিল খইরি লাশাদিদ, নিশ্চয়ই মানুষ সম্পদের ভালোবাসায় প্রবলভাবে আসক্ত। এখানে খাইর (خير)” কেন বলা হলো? আরবরা সম্পদকে খাইর বলত। আল্লাহ এইটা বলে নাই যে মানুষ সম্পদ ভালোবাসে। বলছে: লাশাদীদ, violent intensity। মানে: অন্ধ আসক্তি, যুক্তিহীন আকর্ষণ, আত্মপরিচয় নির্ভরতা। মানুষ সম্পদকে নিরাপত্তার হাতিয়ার ভাবা শুরু করছে। এখানে সূরা একটা terrifying সত্য বলে। মানুষ আল্লাহকে অস্বীকার করে না। সে শুধু replace করে। Replace করে ambition দিয়ে, success দিয়ে, recognition দিয়ে, influence দিয়ে। তাফসিরকাররা বলেন, হৃদয়ে দুই ভালোবাসা পূর্ণ শক্তিতে একসাথে থাকতে পারে না। যেটা intense হবে, সেটাই মানুষকে চালাবে। মানুষ ভাবে টাকা, সম্পদ, মালিকানা, এসব থাকলে মানুষ নিরাপদ। অর্থাৎ মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার বস্তুর রিপ্লেসমেন্ট ঘটে যায়। আল্লাহকে নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট মনে হওয়া কমে আসে।

ফ্লো টা দেখেন:
১. ঘোড়া দৌড়াচ্ছে মালিকের জন্য
২. মানুষ অকৃতজ্ঞ
৩. মানুষ জানে সে অকৃতজ্ঞ
৪. কারণ, সে দুনিয়ার প্রেমে বন্দী

মানুষ কেন রবকে ভুলে যায়? কারণ তার হৃদয় already occupied। মানুষ আল্লাহকে ছাড়ি দেয় না কারণ সে যুক্তি হারায়। মানুষ আল্লাহকে ছাড়ি দেয় কারণ সে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবেসে ফেলতাছে।

এর পরের দুই আয়াত: আফালা ইয়া‘লামু ইযা বু‘ছিরা মা ফিল কুবূর, যখন কবরের ভিতরের সবকিছু উল্টে দেওয়া হবে। ওয়া হুসসিলা মা ফিসসুদূর, এবং বুকে যা ছিল তা বের করে আনা হবে।

এখানে দুইটা স্তর আছে। একটা দৃশ্যমান, একটা অদৃশ্য। একটা শরীরের, একটা অন্তরের। একটা ইতিহাসের, একটা নিয়তের।

এখানে “বু'ছিরা” — শুধু উঠানো না, উল্টেপাল্টে দেওয়া। এখানে “بُعْثِرَ” শব্দটা সাধারণ “পুনরুত্থান” না। এর অর্থ: ওলটপালট করা, উল্টে দেওয়া, লুকানো জিনিস বের করে দেওয়া। অর্থাৎ কবর শুধু খোলা হবে না, ভেতরের গোপন ইতিহাস সব উন্মোচিত হবে। কবর হইতেছে মানুষের শেষ ব্যক্তিগত জায়গা। আল্লাহ বলতেছেন সেই শেষ আশ্রয়ও ভেঙে দেওয়া হবে।

"হুসসিলা” মানে শুধু বের করা না। এর অর্থ: ছেঁকে নেওয়া, বিশুদ্ধ করে আলাদা করা, ফিল্টার করা, যেটা আসল সেটা তুলে ধরা। মানে, তুমি যে ভালো কাজ করছিলা, কিন্তু ভেতরে ছিল রিয়া (লোক দেখানো),ওইটা ছেঁকে আলাদা হবে। তুমি যে হাসছিলা, কিন্তু ভেতরে আছিল হিংসা, ওইটা প্রকাশ পাবে। তুমি যে ইবাদত করছিলা, কিন্তু ভেতরে ছিল অহংকার, ওইটা সামনে আসবে।

হৃদয় আসলে আর্কাইভ। মানুষ ভাবে যে সে ভুলে গেছে। কিন্তু নফস ভুলে না। তুমি হয়তো কোনো পাপের স্মৃতি মুছে ফেলছো। কিন্তু তোমার অন্তর জানে কেন তুমি ওই কাজ করছিলা। এই আয়াত বলতেছে, বিচার দিবসে নতুন কিছু তৈরি হবে না, নতুন কোনো ইনফো এড হবে না। শুধু তোমার ভিতরের লুকানো আর্কাইভ খুলে দেওয়া হবে।

শেষ আয়াত: ইন্না রাব্বাহুম বিহিম ইয়াওমা-ইযিল্লাখাবীর, নিশ্চয়ই তাদের রব সেই দিনে তাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত থাকবেন। অর্থাৎ আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের অন্তর, নিয়ত, এবং কাজের প্রতি সম্পূর্ণ সচেতন। এখানে “خبير” মানে শুধু জানা' বোঝায় নাই। এখানে বুঝাইছে যে আল্লাহর হৃদয় বোঝার ক্ষমতা আছে। আল্লাহ জানেন তোমার মন কোথায়, তোমার অনাস্থা কোথায়, তোমার ভালবাসা কোথায়। কেউ মুখে সত্য বলে, অন্তরে অন্য কিছু ভাবতে পারে। কিন্তু আল্লাহ সেই অন্তরের আবেগ, আকাঙ্ক্ষা, লোভ, ভয়, আশা, সব কিছুই জানেন।

একটা ঘোড়া তার মালিকের কাছ থেকে যতসামান্য খাবার পায়। অল্প চনা, বা ছোলা, বা ঘাস। যা তার জন্য অনেক সমহ পর্যাপ্তও হয় না। তারপরেও সে তার মালিকের অন্ধ আনুগত্য করে। সে জানে না তার মালিক তারে কোথায় নিতেছে, তবুও সে দৌড়ায়। কিন্তু মানুষরে আল্লাহ এত এত নেয়ামত দিছে, এত সম্পদের মালিক বানাইছে, উপলব্ধি করার মত, বিচার বুদ্ধি করার জন্য একটা মগজ দিছে, অন্ধ্য আনুগত্য করতেও বলে নাই।তারপরেও সে অকৃতজ্ঞ। আল্লাহ কে বাদ দিয়া দুনিয়ার সব কিছুর পিছনে দৌড়ায়।

সমস্যা এই না যে মানুষ দৌড়ায়। সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল জিনিসের জন্য দৌড়ায়। ঘোড়া জানে না, তবু সঠিক মালিকের জন্য প্রাণ দেয়। মানুষ জানে, তবুও ভুল মালিক বেছে নেয় (আসল মালিকরে রিপ্লেস করে, ওইখানে যা ইচ্ছা তা বসায়)। সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, মানুষের জীবনের “দৌড়” যদি ভুল উদ্দেশ্যের জন্য হয়, তইলে জীবনের সমস্ত পরিশ্রমই তো অর্থহীন। সমস্ত পরিশ্রমই অর্থহীন।
©️

19/02/2026

Ya Allah, keep us on the straight path.

Address

Sylhet

Telephone

+8801786469059

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salman’s Space posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share