Samia Rashid Jim

Samia Rashid Jim Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Samia Rashid Jim, Grocers, Madhupur, Tangail.

অসুস্থ মানুষকে দেখতে যাওয়া শুধু সামাজিকতা নয়কেউ অসুস্থ হলে তাকে একবার দেখতে যাওয়া তার মনকে শক্তি দিতে পারে। ইসলামে অসুস্...
22/08/2026

অসুস্থ মানুষকে দেখতে যাওয়া শুধু সামাজিকতা নয়

কেউ অসুস্থ হলে তাকে একবার দেখতে যাওয়া তার মনকে শক্তি দিতে পারে। ইসলামে অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজ নেওয়াকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“যখন কোনো মুসলিম তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, সে ফিরে না আসা পর্যন্ত জান্নাতের ফল সংগ্রহ করতে থাকে।”

সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! জান্নাতের ফল সংগ্রহ করা কী?” তিনি বললেন, “তার ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে।”

— সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৫৬৮

তাই অসুস্থ আত্মীয়, বন্ধু কিংবা পরিচিত কারও কথা মনে পড়লে শুধু বার্তা পাঠিয়ে থেমে না থেকে সম্ভব হলে তার পাশে দাঁড়ান।

অসুস্থ মানুষের পাশে আপনার কয়েক মিনিটের উপস্থিতিও তার জন্য বড় সান্ত্বনা হতে পারে।

(পোস্টটি ভালো লাগলে ♻️ ফলো ও শেয়ার ♻️ করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন!)

নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও তা পৌঁছে দাও। - সহীহ বুখারী: ৩৪৬১

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ভাল কাজের পথ দেখাবে, সে তার প্রতি আমলকারীর সমান নেকী পাবে। - সহীহ মুসলিম ৪৭৯৩, তিরমিযী ২৬৭১, আবু দাউদ ৫১২৯

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। - সহীহ মুসলিম ৬৬৯৭, তিরমিযী ২৬৭৪, আবু দাউদ ৪৬০৯, দারিমী ৫১৩, ইবনে মাজাহ-২০৬

#অসুস্থের_খোঁজ #রোগীর_সেবা #সহিহ_হাদিস @

31/07/2026

কথিত আছে, একদিন ইবলিস তার সঙ্গীদের নিয়ে একটি স্থান ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় তার চোখে পড়ল একটি তাঁবু।

ইবলিস বলল, "এদের মধ্যে ফিতনা সৃষ্টি না করে আমি এখান থেকে যাব না।"

সে তাঁবুর কাছে গিয়ে দেখল, একটি গাভী খুঁটির সঙ্গে বাঁধা। এক নারী বসে গাভীটির দুধ দোহন করছেন। পাশে তার ছোট্ট সন্তান বসে আছে।

ইবলিস নিঃশব্দে গিয়ে শুধু খুঁটিটা একটু নাড়িয়ে দিল।

হঠাৎ গাভীটি ভয় পেয়ে লাফিয়ে উঠল। দুধের পাত্র উল্টে গেল। আর ছটফট করতে গিয়ে সে শিশুটিকে পায়ের নিচে পিষে ফেলল।

ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু দেখে মা শোকে-ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে গাভীটিকে আঘাত করলেন এবং ছুরি দিয়ে আঘাত করতে করতে মেরে ফেললেন।

এমন সময় স্বামী এসে একদিকে মৃত সন্তান, অন্যদিকে মৃত গাভী দেখে ক্ষোভে স্ত্রীকে দোষারোপ করলেন, এমনকি তাকে তালাক দিলেন এবং মারধরও করলেন।

স্ত্রীর স্বজনরা এসে স্বামীকে আক্রমণ করল। এরপর স্বামীর স্বজনরাও এগিয়ে এল। শুরু হলো সংঘর্ষ, বিবাদ, মারামারি — একটি পরিবার ভেঙে পড়ল, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন হলো।

ইবলিসের সঙ্গীরা বিস্মিত হয়ে বলল, "আপনি এমন কী করলেন?"

ইবলিস হাসল এবং বলল, "আমি তো কিছুই করিনি... শুধু খুঁটিটা একটু নেড়েছিলাম!"

শয়তান সব সময় বড় গুনাহ দিয়েই মানুষকে ধ্বংস করে না। অনেক সময় সে শুরু করে একটি ছোট্ট কথা, অপবাদ, কানকথা, সন্দেহ কিংবা একটি উসকানি দিয়ে।

তারপর সেই একটি কথাই ভেঙে দেয় পরিবার, নষ্ট করে বন্ধুত্ব, ছিন্ন করে আত্মীয়তার সম্পর্ক, কেড়ে নেয় ভালোবাসা আর মানুষ ভাবে, "আমি তো শুধু একটা কথাই বলেছিলাম!"

আগুন লাগাতে অনেক কাঠ লাগে না; একটি ছোট্ট স্ফুলিঙ্গই যথেষ্ট। তেমনি একটি অসতর্ক বাক্য কখনো কখনো বহু বছরের সম্পর্ক ধ্বংস করে দিতে পারে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"বলুন, আমার বান্দাদেরকে যেন তারা উত্তম কথাই বলে। নিশ্চয়ই শয়তান তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে।নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের স্পষ্ট শত্রু।"
— সূরা আল-ইসরা,৫৩

তাই কথা বলার আগে একবার ভেবে নিন। কারণ অনেক সময় মানুষ হাত দিয়ে নয়, জিহ্বা দিয়েই সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে ফেলে।

- আরবি থেকে অনূদিত

গুনাহ মানেই যে সবসময় ভয়ংকর কোনো দৃশ্য, বড় কোনো অপরাধ বা প্রকাশ্য অবাধ্যতা—এমন নয়।কিছু গুনাহ খুব নীরবে জীবনে ঢোকে। প্রথমে...
24/07/2026

গুনাহ মানেই যে সবসময় ভয়ংকর কোনো দৃশ্য, বড় কোনো অপরাধ বা প্রকাশ্য অবাধ্যতা—এমন নয়।

কিছু গুনাহ খুব নীরবে জীবনে ঢোকে। প্রথমে একটু অস্বস্তি হয়, পরে অভ্যাস হয়ে যায়, এরপর আমরা তার নতুন নাম দিয়ে নিই। গীবতকে বলি “মন হালকা করছি”, অপচয়কে বলি “নিজেকে খুশি রাখছি”, নামাজ দেরি করাকে বলি “কাজের চাপ”, মিথ্যাকে বলি “পরিস্থিতি সামলানো”, আর কাউকে অপমান করাকে বলি “শুধু মজা করেছি”।

সমস্যা শুধু গুনাহ করা নয়। সবচেয়ে ভয়ংকর অবস্থা হলো—গুনাহ করেও অন্তরে আর অপরাধবোধ না থাকা।

নিচের তালিকাটি সব গুনাহের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নয়। বরং এমন আটটি আচরণের কথা, যেগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সহজেই স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।

১. “মন হালকা করছি” বলে গীবত করা

কারো আচরণে কষ্ট পেয়েছেন। একজন বন্ধুকে বললেন। তারপর আরেকজনকে। এরপর সেই ব্যক্তির স্বভাব, সংসার, অতীত, দুর্বলতা—সব বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেল।

রাসূলুল্লাহ ﷺ গীবতের সংজ্ঞা দিয়েছেন—কোনো ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে শুনলে অপছন্দ করবে। কথাটি সত্য হলে গীবত; সত্য না হলে অপবাদ। —সহিহ মুসলিম: ২৫৮৯।

অবশ্যই জুলুমের সমাধান, বিশ্বস্ত ব্যক্তির পরামর্শ বা নিজের অধিকার আদায়ের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় কথা বলা ভিন্ন বিষয়। তবে “সমাধান” শেষ হয়ে যেখানে চরিত্র বিশ্লেষণ ও গল্প ছড়ানো শুরু হয়, সেখানেই সতর্ক হতে হবে। আল্লাহ মজলুম ব্যক্তিকে অভিযোগ জানানোর সুযোগ দিয়েছেন; কিন্তু অপ্রয়োজনে মানুষের দোষ প্রচার পছন্দ করেননি।

২. প্রয়োজনের অতিরিক্ত খরচ করে সম্পদ নষ্ট করা

হালাল উপার্জন নিজের প্রয়োজন ও আনন্দে ব্যয় করা নিষিদ্ধ নয়। সমস্যা হয় যখন কেনাকাটা প্রয়োজনের জন্য নয়, মানুষের সঙ্গে তুলনা, বাহবা, আবেগ বা দেখানোর জন্য হয়।

আল্লাহ তাআলা অপচয় করতে নিষেধ করেছেন এবং অপচয়কারীদের শয়তানের ভাই বলে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন। —সূরা আল-ইসরা: ২৬–২৭।

একটি জিনিস কেনার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—“এটা আমার প্রয়োজন, নাকি কয়েক মুহূর্তের আবেগ?”

৩. নামাজকে অবহেলা করা বা অকারণে বিলম্বিত করা

“এই কাজটা শেষ করি, তারপর নামাজ পড়ব।”

এভাবেই পাঁচ মিনিট আধঘণ্টা হয়, আধঘণ্টা দুই ঘণ্টা হয়; কখনো নামাজের সময়ই চলে যায়। অথচ আল্লাহ বলেছেন, নামাজ মুমিনদের ওপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে। —সূরা আন-নিসা: ১০৩।

সূরা আল-মাউনেও এমন সালাত আদায়কারীদের সতর্ক করা হয়েছে, যারা নিজেদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন।

জরুরি কারণ আর নিয়মিত অবহেলা এক নয়। সমস্যা হলো—যখন দুনিয়ার প্রতিটি কাজের নির্দিষ্ট সময় থাকে, কিন্তু আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার সময়টি সবসময় “পরে” রাখা হয়।

৪. ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য মিথ্যা বলা

ব্যবসায় পণ্য ভালো দেখাতে মিথ্যা, চাকরিতে ভুল ঢাকতে মিথ্যা, সম্পর্ক বাঁচাতে মিথ্যা, নিজের সম্মান রক্ষা করতে মিথ্যা—একসময় মানুষ ভাবতে শুরু করে, “এইটুকু না বললে চলবে না।”

কিন্তু রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সত্য মানুষকে নেকির দিকে এবং নেকি জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। মিথ্যা পাপের দিকে এবং পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়; মানুষ মিথ্যা বলতে বলতে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী হিসেবে লেখা হয়। —সহিহ বুখারি: ৬০৯৪; সহিহ মুসলিম: ২৬০৭।

মিথ্যা হয়তো সাময়িকভাবে পরিস্থিতি বাঁচায়, কিন্তু ধীরে ধীরে ব্যক্তিত্বের ভিত নষ্ট করে দেয়।

৫. মতবিরোধের সময় কঠোর ও অপমানজনক কথা বলা

আমরা অনেক সময় মনে করি, “আমি সত্য বলেছি, তাই যেভাবে বলেছি তাতে সমস্যা নেই।”

কিন্তু সত্য কথাও অন্যায় পদ্ধতিতে বলা যায়। তর্কে জেতার জন্য কণ্ঠ উঁচু করা, পুরোনো ভুল টেনে আনা, দুর্বল জায়গায় আঘাত করা, অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করা—এসব সত্য প্রতিষ্ঠা নয়; এগুলো নফসের বিজয় হতে পারে।

আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সর্বোত্তম কথা বলতে বলেছেন, কারণ শয়তান কথার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে। —সূরা আল-ইসরা: ৫৩। রাসূলুল্লাহ ﷺ উত্তম মুসলিমের পরিচয় দিয়েছেন—যার হাত ও জিহ্বা থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।

৬. মা-বাবাকে কষ্ট দেওয়া বা অসম্মান করা

মা-বাবার প্রয়োজনকে বিরক্তি মনে করা, তাদের ফোন উপেক্ষা করা, কথার মাঝখানে থামিয়ে দেওয়া, উচ্চস্বরে উত্তর দেওয়া কিংবা তাদের অনুভূতিকে তুচ্ছ করা—এসব খুব ছোট বিষয় মনে হতে পারে।

কিন্তু আল্লাহ মা-বাবাকে “উফ” পর্যন্ত বলতে নিষেধ করেছেন এবং সম্মানজনক ভাষায় কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন। —সূরা আল-ইসরা: ২৩–২৪।

রাসূলুল্লাহ ﷺ মা-বাবার অবাধ্যতাকে সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহগুলোর মধ্যে উল্লেখ করেছেন। —জামে আত-তিরমিযি: ১৯০১।

মনে রাখবেন, তাদের সব সিদ্ধান্ত মানতেই হবে—এমন নয়; কিন্তু মতভিন্নতার মধ্যেও সম্মান বজায় রাখতে হবে।

৭. গুনাহকে হালকা মনে করা বা তা নিয়ে হাসি-তামাশা করা

“সবাই তো করে।”
“এত সিরিয়াস হওয়ার কী আছে?”
“ছোট একটা গুনাহ মাত্র।”

এভাবেই অন্তরের সংবেদনশীলতা কমে যায়। গুনাহের পর অনুতাপ না হয়ে যখন হাসি আসে, তখন গুনাহটির পাশাপাশি অন্তরের অবস্থাও চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

সূরা আন-নূরের একটি ঘটনায় আল্লাহ এমন কথার ব্যাপারে বলেছেন—মানুষ সেটিকে তুচ্ছ মনে করেছিল, অথচ আল্লাহর কাছে তা ছিল গুরুতর। আয়াতটি অপবাদের বিশেষ ঘটনার প্রসঙ্গে হলেও শিক্ষা পরিষ্কার: আমরা কোনো বিষয়কে ছোট ভাবলেই তা আল্লাহর কাছে ছোট হয়ে যায় না। —সূরা আন-নূর: ১৫।

৮. মানুষকে নিয়ে উপহাস ও বিদ্রূপ করা

কারো উচ্চারণ, চেহারা, গায়ের রং, অর্থনৈতিক অবস্থা, শিক্ষা, পেশা, শরীর কিংবা কোনো দুর্বলতা নিয়ে মজা করা—হাসির মুহূর্ত তৈরি করতে পারে, কিন্তু অন্যের হৃদয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষত রেখে যেতে পারে।

আল্লাহ বলেছেন, একদল যেন অন্য দলকে উপহাস না করে; হতে পারে যাকে নিয়ে হাসা হচ্ছে, সে আল্লাহর কাছে হাস্যকারীর চেয়ে উত্তম। অপমানজনক নামে ডাকতেও নিষেধ করা হয়েছে। —সূরা আল-হুজুরাত: ১১।

আজ রাতে নিজের কাছে একটি প্রশ্ন রাখুন—

এই আটটির মধ্যে কোনটিকে আমি গুনাহ হিসেবে দেখা বন্ধ করে দিয়েছি?

একসাথে সব বদলাতে না পারলেও একটি দিয়ে শুরু করুন। কারো গীবত করলে কথা থামান। মিথ্যা বললে সংশোধন করুন। নামাজের সময় হলে উঠে পড়ুন। মা-বাবাকে ফোন দিন। কাউকে কষ্ট দিলে ক্ষমা চান। অপ্রয়োজনীয় খরচ বাতিল করুন।

আল্লাহ নিখুঁত মানুষ চান না; তিনি চান—ভুল বুঝে তাঁর দিকে ফিরে আসা বান্দা।

আল্লাহ আমাদের গুনাহকে গুনাহ হিসেবে দেখার মতো জীবন্ত অন্তর দিন, ছোট-বড় সব অবাধ্যতা থেকে তাওবার তাওফিক দিন এবং মানুষের হক নষ্ট করা থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

১. গুনাহের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্তর—যখন সেটাকে আর গুনাহ মনে হয় না।
২. “মন হালকা করছি”—এই নামে যেন গীবত হালকা না হয়ে যায়।
৩. নামাজকে সময় দিন; অবশিষ্ট সময় নামাজকে দেবেন না।
৪. সত্য বলুন, তবে এমনভাবে নয়—যাতে সত্যের নামে মানুষ আহত হয়।
৫. আজ অন্তত একটি ভুল অভ্যাস থেকে তাওবা করে ফিরে আসুন।

🌿 আজই করুন ৫ মিনিটের আত্মসমালোচনা

১. আজ কারো অনুপস্থিতিতে তার দোষ বলেছি কি?
২. কোনো নামাজ অকারণে বিলম্ব করেছি কি?
৩. সুবিধার জন্য ছোট বা বড় কোনো মিথ্যা বলেছি কি?
৪. কথার মাধ্যমে মা-বাবা বা অন্য কাউকে কষ্ট দিয়েছি কি?
৫. কোনো গুনাহকে “সবাই করে” বলে হালকা করেছি কি?

💬 Comment question :
এই আটটির মধ্যে কোন অভ্যাসটি সমাজে সবচেয়ে বেশি স্বাভাবিক হয়ে গেছে বলে মনে হয়?

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

18/07/2026

لا إله إلا الله محمد رسول الله ﷺ
উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ।
অর্থ:
আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, এবং মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর রাসূল।

06/07/2026

ধীরে ধীরে তুমি সময়মতো নামাজ পড়া শুরু করলে, ধীরে ধীরে সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখা শুরু করলে, ধীরে ধীরে তাহাজ্জুদ ও দুহা নামাজ পড়া শুরু করলে, ধীরে ধীরে নিজের কথাবার্তা সংযত করলে, ধীরে ধীরে আল্লাহও তোমার জীবনকে উন্নত করে দিলেন। কুন ফা ইয়া কুন..!

16/06/2026

ফজর ছেড়ে মেসির গোল দেখলে আপনার ২৪ ঘণ্টার ইবাদতের খাতা শূন্য। এই লোকসান কোনো ট্রফি দিয়ে পূরণ হবে?

16/06/2026

জার্সি ৫ হাজার, পতাকা ২ হাজার, প্রজেক্টর ভাড়া ১০ হাজার। অথচ পাশের গলিতে মা-বোন চালের জন্য হাহাকার করে। আল্লাহর লা'নত শুনুন:

إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ

"নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই" - সূরা ইসরা ১৭:২৭

ভাই, শয়তানের ভাই হয়ে জান্নাত চান? এই টাকা দিয়ে একটা এতিমের মুখে হাসি ফোটালে আল্লাহ খুশি হতেন। এখন খুশি হচ্ছে এডিডাস আর নাইকি (মানুষের বানানো নাম ও মূর্তিপূজার দেবির নামের পিছনে)।

13/05/2026

সামনেই আরফাহর দিন!
আপনার দোয়ায় ‘Confused’ হওয়ার সময় এসেছে! আল-ওয়াহহাবের কাছে অসম্ভব কিছু চেয়ে নিন! হযরত সুলাইমান (আঃ) আল্লাহর কাছে এমন এক রাজত্ব চেয়েছিলেন, যা আর কেউ কখনো পাবে না!

রব যদি সুলাইমান (আঃ)-কে সেই নজিরবিহীন রাজ্য দিতে পারেন, তবে তিনি আপনারও পুরো Destiny বা ভাগ্যও বদলে দিতে পারেন! আপনার যা যা প্রয়োজন, ছোট-বড় সব কিছু তাঁর কাছে চেয়ে নিন! কোনো কিছু চাইতেই ইতস্তত করবেন না, কারণ তাঁর ভাণ্ডার অসীম!
Trust Him and ask for everything!🤲

03/05/2026

এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহার আমল-

এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহা (পাঠ করে ফুঁ দেওয়া) সেই ব্যক্তির জন্য অভিনন্দন, যে এটিকে তার দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করেছে। এটি আপনার জীবনে আপনার আত্মার মাঝে এক মহান ও অভাবনীয় প্রশান্তি যোগ করবে।

সূরা আল-ফাতিহা সকল কঠিন কাজকে সহজ করে দেয়। আল্লাহর ইচ্ছায় এটি প্রতিটি সমস্যার সমাধান; হোক সেটি স্বামীর সাথে কোনো সমস্যা কিংবা সন্তানদের নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা। এমনকি স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

এই আমলটি কীভাবে করবেন?
এক গ্লাস পরিষ্কার পানযোগ্য পানি নিন। পূর্ণ মনোযোগ ও বিশ্বাসের সাথে সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করুন (আপনি ১, ৩ বা ৭ বার পাঠ করতে পারেন)।

পানিতে হালকা ফুঁ দিন এবং সেটি পান করুন। আপনি চাইলে আপনার পরিবারের সদস্যদেরও এই পানি পান করাতে পারেন।
এমন সব কিছু পড়তে ফলো করে রাখুন।

Address

Madhupur
Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Samia Rashid Jim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category