16/05/2025
আজ বৃহস্পতিবার বোয়েসেলের মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের বিপরীতে স্পস্টকরন বিবৃতি প্রসংঘে পাল্টা ডিলিটদের প্রতিক্রিয়া :
১।বোয়েসেল বার বার সমস্যা সম্পর্কিত বিবৃতি প্রদান করে কিন্তু দৃশ্যমান কোনো উন্নতি নাই
২।বিগত সময়ে বোয়েসেলের সুনাম এবং গৌরব অটুট থাকলেও বর্তমানে এখন আর নেই।বিগত সময়ে রোস্টার ডিলিটের পরিমাণ অল্প হলেও বর্তমানে তা আকাশ ছুই ছুই অবস্থা।
৩।কর্মী প্রেরনের ক্ষেত্রে সেন্ডিং এজেন্সির(বোয়েসেলের) সম্বনয়,নিজ দেশের কর্মীদের পক্ষে প্রচারণা, কর্মী এবং কোম্পানির মালিকদের মধ্যে বিভিন্ন ভুল বুঝাবুঝির সমাধান, কোম্পানির মালিকদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মী প্রেরন সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পায় এবং ডিলিটের পরিমাণ শূন্যের কোটায় নেমে আসে
৪।জব রোস্টারের দুই বছর মেয়াদের মধ্যে সেন্ডিং এজেন্সি(বোয়েসেল) যদি নিজ দেশের কর্মীদের পক্ষে প্রচারণা না করা, কোম্পানির মালিকদের সাথে সম্পর্ক এবং মালিক কর্মী সম্পর্কে সমস্যা সমাধান করে বন্ধু সুলভ পরিবেশ আনতে না পারে,তখন ঐ দেশের(বাংলাদেশের) কর্মী নিয়োগের প্রতি কোরিয়ান কোম্পানির মালিকদের অনিহা তৈরি হয়।যার ফলশ্রুতিতে দুই বছরে যেখানে ৭-৮ বার বা এর বেশি বার সিভি কোম্পানিতে যাওয়ার কথা,সেখানে দুই বছরে অনেকের একবার ও যায় না।
৫।জব রোস্টার থেকে যখন বোয়েসেল এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনার কারনে দুই বছরে কোম্পানিতে ৭-৮ বারের বিপরীতে ১ বারও সিভি কোম্পানিতে যায় না,তখন এত মেধা,শ্রম,অর্থ এবং সময় খরচ করার পর ভাষা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়ায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ডিলিট হলে এর দায় বোয়েসেল এবং সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের।
৬।বোয়েসেল এবং সংশ্লিস্ট দপ্তর ভাষা পরিক্ষায় উর্ত্তীন রোস্টারদের পক্ষে প্রচারণা, কোম্পানির মালিকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা,মালিক শ্রমিক মধ্যকার সমস্যা নিরুপন করে তাদের মধ্যে বন্ধু সুলভ সম্পর্ক বজায় রাখা,এবং বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগে উৎসাহিত করার নিশ্চয়তা বহন করেন।
৭।প্রত্যেক দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি,খাদ্য,ভাষা গত ভিন্নতার কারনে প্রত্যেক বিদেশি কর্মীর ক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে সময় লাগে। দক্ষিণ কোরিয়ায়ও বাংলাদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রে এর ভিন্ন নয়। কোম্পানিতে সুযোগ সুবিধা জনিত সমস্যা, ব্যক্তি ভিত্তিক কাজের চাপ বৃদ্ধি করা,বা কারো প্রতি বৈষম্ম্যের সৃষ্টি করলে সকল দেশের কর্মী ই কোম্পানি পরিবর্তন করে,বাংলাদেশি কর্মীরা এর বাইরে নয়।
৮।বোয়েসেল কেবল মাত্র সার্কুলার দাতা বা পরীক্ষা নিয়ে কর্মীর রোস্টারের জন্য কাগজপত্র প্রেরনই কাজ নয়,দেশের পক্ষে, দেশের কর্মীদের পক্ষে প্রচারণার মাধ্যমে ইসু বৃদ্ধি করে কর্মীর রোস্টার ডিলিট হওয়া থেকে বাঁচানোও গুরুত্বপূর্ণ কাজের অন্তর্ভুক্ত।
৯।ইসুর অবস্থা অনুযায়ী ১৬ হাজার বা২১ হাজার রোস্টার থেকে যদি ১০ হাজার জন ডিলিট হয়,আর তাদের ভাষা শিক্ষা, পরীক্ষা এবং অন্যন্য খরচ সহ মোট খরচ ১ লক্ষ টাকা হলে ১০ হাজার জনের ক্ষতির পরিমান হবে ১০০ কোটি টাকা,আর যদি ২ লক্ষ টাকা করে খরচ হয় তাহলে ২০০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে।
১০।আমরা অনেকেই এইসএসসি,ডিপ্লোমা বা অনার্স শেষ করে দারিদ্র্য পরিবার থেকে স্বচ্ছল জীবনের উদ্দেশ্যে ডার্টি,ডিফিকাল্ট, ডেঞ্জারাস কাজ জেনে ও পরিবারের ভালোর জন্য দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার আশা ছাড়ি না।আমাদের পরীক্ষা, রোস্টার সহ অতিবাহিত হওয়া গত তিন বছর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়,জীবনের টার্নিং পয়েন্ট,আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই তিনটি বছর ভালো জীবিকার আশায় আমরা ইনভেস্ট করেছি ।এমন অবস্থায় বোয়েসেলের অদক্ষ ব্যবস্থাপনা,দায় সারা ভাব নিয়ে বার বার বিবৃতি,কর্মীর ফাইল কোম্পানিতে ৭-৮ বার প্রেরনের পক্ষে প্রচারণা না করে হাত গুটিয়ে থেকে নিশ্চয়তা বহন করে না বিবৃতির ফলে আজ আমরা ডিলিট। যার ফাইল দুই বছরে কোম্পানিতে একবার ও যায়নি,তাকে কিভাবে বুঝ দিবেন তুমি ডিলিট?
আমাদের ডিলিট হওয়ার দায় সম্পূর্ণ ভাবে বোয়েসেল এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের।