প্রান্তিক - Prantik

প্রান্তিক - Prantik উৎপাদক আর ভোক্তার সরাসরি মেলবন্ধন

ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনি বনাম হাতে বানানো আখের গুড়ের পার্থক্য-গুড়-  ★প্রাকৃতিক ও অপরিশোধিত: কোনো রাসায়নিক ব্যবহার না করেই তৈ...
19/02/2026

ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনি বনাম হাতে বানানো আখের গুড়ের পার্থক্য-

গুড়-
★প্রাকৃতিক ও অপরিশোধিত: কোনো রাসায়নিক ব্যবহার না করেই তৈরি
★পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ: আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম ও খনিজ উপাদানে ভরপুর।
★অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: শরীরের ক্লান্তি কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিদ্যমান।

অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনি-
★পরিশোধিত: উৎপাদনের সময় সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
★ রাসায়নিক: প্রক্রিয়াজাতকরণে সালফারসহ বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহৃত হয়।

আমরা দিচ্ছি হাতে বানানো ১০০% কেমিক্যাল মুক্ত দেশী আখের গুড়৷

কোনটা খাবেন সিদ্ধান্ত আপনার৷

কাস্টমার রিভিউ ❤️রিভিউদাতা জীবন নজরুল ভাই নিজে একজন কৃষি উদ্যোক্তা। একজন কৃষি উদ্যোক্তার কাছে যখন কোনো প্রোডাক্ট লেটার ম...
15/02/2026

কাস্টমার রিভিউ ❤️

রিভিউদাতা জীবন নজরুল ভাই নিজে একজন কৃষি উদ্যোক্তা।

একজন কৃষি উদ্যোক্তার কাছে যখন কোনো প্রোডাক্ট লেটার মার্ক পায়, তখন প্রোডাক্টের কোয়ালিটি নিয়ে আর সন্দেহ থাকে না।

স্বাদ নিতে পারেন আমাদের খেজুর গুড়ের৷
আসন্ন রমজানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনির সেরা বিকল্প হোক দেশী আখের গুড়।

কাস্টমার রিভিউ ❤️প্রোডাক্ট- আখের গুড়, আখের জাত- দেশী।
14/02/2026

কাস্টমার রিভিউ ❤️

প্রোডাক্ট- আখের গুড়,
আখের জাত- দেশী।

আখের গুড়ের রিভিউ।আর অল্পই আছে। রমজান মাসের জন্য সংগ্রহ করতে পারেন৷ ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনির বিকল্প হিসেবে হাতে বানানো ক্যামি...
04/02/2026

আখের গুড়ের রিভিউ।

আর অল্পই আছে। রমজান মাসের জন্য সংগ্রহ করতে পারেন৷ ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনির বিকল্প হিসেবে হাতে বানানো ক্যামিকেল মুক্ত আখের গুড় বেটার অপশন হতে পারে।

অর্ডার করতে হোয়াটসএপ করুন- 01774304154

এই টি শার্ট সব দোকানেই পাওয়া যায়। নেপালের এক রকম জাতীয় খাবার হল ডাল ভাত আর শাক।সেখানে বিশাল সংখ্যক মানুষই দুধ ডিমের বাইর...
15/11/2025

এই টি শার্ট সব দোকানেই পাওয়া যায়। নেপালের এক রকম জাতীয় খাবার হল ডাল ভাত আর শাক।

সেখানে বিশাল সংখ্যক মানুষই দুধ ডিমের বাইরে আর কোন প্রোটিন নেন না।
এখন নেপাল তো পাহাড়ী এলাকা, প্রচুর এনার্জি দরকার হয় সেখানে। শুধু ভেজ খেয়ে কিভাবে এই পাহাড়ী এলাকায় টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তাপ ও মাংসপেশী তৈরি করা সম্ভব??

এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে ডাল-ভাতে।

নেপালীরা ২৪ ঘন্টাই ওঠানামার মধ্যে থাকে। ফলে তাদের জন্য ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট হওয়া আমাদের চেয়ে অনেক কঠিন।

আমরা জানি যে যারা ধারাবাহিকভাবে বেশি কার্ব খায় আর শুয়ে বসে থাকে, তাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকেই ধীরে ধীরে ডায়বেটিস, হাই কোলেস্টেরল, হাইপারটেনশন, ফ্যাটি লিভার, এগুলো ঘটে থামে।

তাহলে, নেপালের পাহাড়ী মানুষরা তো এই ডাল-ভাতের ওপরেই বেচে থাকে, পাহাড়ী অঞ্চলে একটা ডিমের দাম অনেক জায়গায় কয়েকশো টাকা করে। তাদের কিভাবে মাসল তৈরি হয়?? আর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সই বা হয় না কেন??

আবার, আমাদের দেশের শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ, তারা তো অত প্রোটিন খেতে পারে না। তারাই বা মাসল তৈরি করেন কিভাবে??

এই প্রশ্নের জবাব আসলে লুকানো আছে ডাল আর ভাতের এমাইনো এসিড প্রোফাইলের ভেতরে।

ডালে নয়টা ইসেনশিয়াল এমাইনো এসিডের মধ্যে প্রায় সবগুলাই আছে, শুধু সালফার কনটেইনিং এমাইনো এসিডগুলা কম আছে।
আবার ভাতের প্রোটিনে মাসল বিল্ডিং এমাইনো এসিডস, লাইসিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, এগুলো একটু কম আছে, কিন্তু সালফার কন্টেইনিং এমাইনো এসিড সিস্টেইন, মিথিওনিন আছে বেশ ভাল পরিমানে।

ফলে আপনি যখন ডাল আর ভাত একসাথে মেখে খান, তখন আপনি কিন্তু সবগুলো ইসেনশিয়াল এমাইনো এসিডই পেয়ে যাচ্ছেন। মূলত এই কারনেই এইসব পাহাড়ী অঞ্চলের মানুষ, বা খুব গরীব শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ, যারা সামান্য প্রোটিন কেনার টাকা যোগাড় করতে হিমশিম খান, তাদের এই ডাল-ভাত খেয়েই মোটামুটি শরীর টিকে থাকে।

ডাল-ভাত খেয়ে প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা যায়, এটা প্রমানিত সত্য। প্রায় কাছাকাছি কথা খাটে ডাল-রুটির জন্যেও।

ফলে পৃথিবীর যেসব অঞ্চলের মানুষ নিম্ন আয়ের, ডাল তাদের জন্য হয়ে দাড়িয়েছে একটা লাইফ লাইনের মত। যেসব অঞ্চলের মানুষ ধর্মীয়কারনে নন ভেজ প্রোটিন থেকে দূরে থাকেন, তাদের জন্যেও প্রকৃতির আশীর্বাদ হয়ে দাড়িয়েছে এই মসুরের ডাল।

নেপালীরা বেশ ঘন ডাল খায়।
আমরা ততটা ঘন ডাল খাই না। এর প্রধান কারনও আমি মনে করি নিউট্রিশনাল রিকোয়ারমেন্টের সঙ্গে জড়িত।

আমাদের স্টেপল হচ্ছে ভাত, ভাতের সাথে আমাদের প্রোটিন স্টেপল হচ্ছে চিকেন বা পাঙ্গাস অথবা ডিম। যাদের সামর্থ্য ভাল তাদের ক্ষেত্রে বীফ, মাটন, নানা রকমের মাছ।
ফলে ডালের কাছ থেকে আমাদের এক্সপেক্টেশান হচ্ছে একটা ভিন্ন স্বাদ আর রুচি।

কিন্তু নেপালীদের ক্ষেত্রে ডাল হচ্ছে স্টেপল প্রোটিন এবং সেকেন্ড মেইন সোর্স অফ এনার্জি।

যারা নেপালে বা ভারতে হাই অল্টিটিউড মাউন্টেইনিয়ারিং করেন, তাদের ক্ষেত্রে দেঝা যায় তিন হাজার মিটার ওঠার পর আর কোন নিন ভেজ খাবার নেপালে এভেইলেবল থাকে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই।

তখন ঐ ডাল ভাত পাওয়ার-টোয়েন্টি ফোর আওয়ারই সম্বল।

অল্প খরচ, সহজলভ্যতা, সবগুলো ইসেনশিয়াল এমাইনো এসিডের পুষ্টি দিতে পারার ক্ষমতা মিলে ডাল ভাত দক্ষিন এশিয়ার প্রধান খাবার হয়ে উঠতে পেরেছে, বিশেষভাবে ভেজিটেরিয়ানদের জন্য এটা হয়ে উঠেছে লাইফ লাইন!!

©

ফ্যাক্টরিতে সয়াবিন তেল নিষ্কাশনে হেক্সেন ব্যবহৃত হয়। হেক্সেন এক্সট্রাকশন প্রক্রিয়ায় সয়াবিন বীজ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ তে...
10/11/2025

ফ্যাক্টরিতে সয়াবিন তেল নিষ্কাশনে হেক্সেন ব্যবহৃত হয়। হেক্সেন এক্সট্রাকশন প্রক্রিয়ায় সয়াবিন বীজ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ তেল নিষ্কাশন হয়। এখানে সয়াবিন গুঁড়ো করে হেক্সেনে ভেজানো হয় যাতে ৯৯% পর্যন্ত তেল নিষ্কাশন করা যায়। এই হেক্সেন হলো অক্টেনের মতো পেট্রোলিয়ামজাত যৌগ, যা সরাসরি বি.ষা.ক্ত.ত।

এই তেল মানুষের পাকস্থলীর জন্য উপযুক্ত না। যার কারণে দীর্ঘদিন খেলে গাট লাইনিং/পাকস্হলীর প্রাচীর নষ্ট হয়ে যায়। যেখান থেকে শুরু হয় পেটের যত সমস্যা। একবার এই প্রাচীর নষ্ট হলেই শুরু হবে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, আইবিএস, এসিড রিফ্ল্যাক্স, জার্ড ইত্যাদি। এরপর আরো আছে মাত্রাতিরিক্ত ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ট্রান্স ফ্যাট থেকে প্রদাহ, হৃদরোগ ও লিভারের যত সমস্যা!
এজন্যই ত বর্তমানে গ্যাস্ট্রো-লিভারের ডাক্তারদের সিরিয়াল পাওয়া কঠিন।
আর বাকী সব বাদ, এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ঔষধের বাজারই প্রতিবছর ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ কোটি টাকার!

বাঙালির জন্য নিত্যদিনের রান্নাবান্নায় বর্তমানে সবচেয়ে উত্তম তেল হলো দেশি সরিষার তেল। কথা শেষ!
স্বাস্থ্যকর ও সহজলভ্য এই সরিষার তেল পরিমিতভাবে নিয়মিত খেলে কোনো সমস্যা নাই।

আর যাদের আরো ভালো অপশন দরকার তাদের জন্য রয়েছে:
- অলিভ অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও হালকা আঁচে রান্নার জন্য)
- কোকোনাট অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও মাঝারি তাপে রান্নার জন্য)
- তিলের তেল (রান্নার জন্য)
- ঘি (উচ্চ তাপে ভাজাপোড়ার জন্য)
- পশুচর্বি

লেখা- ক্যাপ্টেন গ্রিন
ছবি- প্রান্তিকের ভোক্তার পাঠানো ❤️

08/11/2025

ভিডিওতে যে গরু দেখছেন এই দেশী জাতের গরুর দুধ থেকেই উৎপাদিত হয় প্রান্তিকের ঘি। এই গরু ঘাস আর সামান্য ভূষি ছাড়া আর কিছু খায় না৷

অনেকেই জানতে চান প্রান্তিকের ঘি তে আমরা এমন কি দেই যে ঘিয়ের স্বাদ বাজারে ঘি-র থেকে আলাদা হয়!

উত্তর হচ্ছে আমরা আসলে কিছুই দেইনা৷ অতিরিক্ত যে কাজটা করি সেটা হচ্ছে আমরা আদিমে ফেরার চেষ্টা করি৷ হারানো স্বাদ ফিরিয়ে আনতে হারানো পদ্ধতিতে ফিরেছি আমরা৷

সামনের দিনগুলোতে এমনও হতে যাচ্ছে যে আমরা ঘি তৈরীর পুরো প্রসেসে কোথাও স্টিল বা লোহার পাত্রের ব্যবহার করব না৷
হাঁড়ি থেকে শুরু করে কড়াই, সব মাটির পাত্র হবে।

এবং সেটা শুরু হবে শীঘ্রই। অলরেডী কুমারকে মাটির স্পেশাল জিনিসপত্র বানানোর বায়না করা হয়েছে।

কাস্টমার রিভিউ ❤️
06/10/2025

কাস্টমার রিভিউ ❤️

এক সময় প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ফক্সটেইল মিলেট বা কাউনের চাষ হতো। কাউন ছিলো গরীবের খাবার। কাউন চালের ভাত এবং জাউ বেশ জনপ্র...
16/08/2025

এক সময় প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ফক্সটেইল মিলেট বা কাউনের চাষ হতো। কাউন ছিলো গরীবের খাবার। কাউন চালের ভাত এবং জাউ বেশ জনপ্রিয় ছিল। চৈত্র বৈশাখ মাসে ক্ষেতে ক্ষেতে কাউনের ছড়া দুলতো। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে ইরি,বোরো ধানের আবাদ শুরু হয়। এরপর থেকে ক্রমেই কমতে থাকে কাউন চাষ। ইরি বোরো চাষ যত বিস্তার লাভ করে কাউনের চালের চাহিদাও পড়তে থাকে। কৃষকেরা ততই কাউন চাষ কমিয়ে দেয়। গরিবদের খাবার কাউন এখন উচ্চ দামে বিক্রি হয়।

আশার কথা হলো কাউন চাষে আবার কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কারণ এখানে খরচ কম লাভ বেশি। প্রায় সব ধরণের মাটিতেই কাউনের চাষ করা যায়। কাউন চাষে সার,বি*ষ প্রয়োগ করা লাগে না। বাজারে কাউন সহজলভ্য হলে অগণিত মানুষ অপুষ্টি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অবেসিটি, অভারওয়েট, ক্যান্সার ইত্যাদি ভয়াবহ সমস্যা থেকে প্রতিকার পাবে।

জোয়ার, বাজরা, রাগি, শ্যামাচাল, কাউন, চিনা, ঢেমসি ইত্যাদি দানাশস্যকে মিলেট বলা হয়। প্রতিকূল ও শুষ্ক পরিবেশে এই ফসল আবাদ হতে পারে! অল্প বৃষ্টিপাতে অনুর্বর মাটিতেও মিলেটের ফলন ভাল হয়! তাই একে বলা হয় 'অলৌকিক শস্য' বা 'মিরাকল মিলেট'। অতএব সঙ্গত কারণেই এই ফসলের উৎপাদন রাসায়নিক সার, কীটনাশকের উপর নির্ভরশীল নয়।

গম ও ধানের চেয়ে মিলেট প্রায় ৩-৫ গুণ বেশি পুষ্টিকর। অনুমান করা হয় প্রাগৈতিহাসিক যুগে ধানের চেয়ে মিলেট চাষই বেশি হতো। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ১৬ রকমের মিলেট চাষ হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- সরগাম (জোয়ার), পার্ল মিলেট (বাজরা), ফিংগার মিলেট (রাগি), বার্নইয়ার্ড মিলেট (শ্যামা চাল), ফক্সটেল মিলেট (কাউন), লিটল মিলেট (কুটকি), প্রোসো মিলেট (চীনা), কোডো মিলেট (কোড়ো), অ্যামারান্থাস (চৌলাই), ব্রাউনটপ মিলেট ইত্যাদি। গুজরাট, রাজস্থান সহ ভারতের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বিভিন্ন মিলেট থেকে তৈরি নানারকম খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এদেশে অতিথি আপ্যায়নে, উৎসব-পার্বণে কাউনের পায়েশের বেশ প্রচলন আছে। ধানের চালের মতই কাউনের চাল দিয়ে পোলাও, বিরিয়ানী, ভাত, জাউ, খিচুরি, পায়েস ইত্যাদি করা যায়। আর গমের আটার মতই কাউনের আটা দিয়ে রুটি, পরোটা, বেকারিজ, বিস্কুট ইত্যাদি সবই হয়। এই খাবারগুলো খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। কাউন চালের ভাত খেতে খুব সুস্বাদু। এই ভাত সবজি সিদ্ধ দিয়ে খেলে খুব তৃপ্তি পাওয়া যায়।

ফক্সটেইল মিলেট বা কাউন সহজে হজমযোগ্য সুপারফুড। কাউনের চালে পর্যাপ্ত পরিমাণ মিনারেলস থাকায় নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষভাবে উপকারি খাদ্য। কাউনে ক্যালসিয়াম, জিংক, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ রয়েছে। গর্ভবর্তী মহিলাদের শরীরে আয়রনের অভাব দেখা যায়। কাউন এই আয়রনের অভাব দূর করতে পারে। শারীরিক সৌন্দর্য ও ওজন ঠিক রাখার জন্য ফক্সটেইল মিলেট বা কাউন রোজকার ডায়েটে রাখা উচিত।

কাউনের উপকারিতা—
* কাউন হলো নিরামিষ প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস। প্রতি 100 গ্রাম কাউনে APEDA-এর মান অনুযায়ী 12.3 গ্রাম প্রোটিন থাকে!
* ধানের তুলনায় কাউনে আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকে, যা আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। (nutritionvalue.org)
* কাউনের চাল ও আটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উৎকৃষ্ট খাদ্য। কাউন একটি লো জিআই শস্য। এতে থাকে প্রোটিন, ফাইবার ও মিনারেলস।
* কাউন কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। যাদের সকালটা অনেক কষ্টের হয় তাদের জন্য কাউনের খাবার ভীষণ উপকারী।
* কাউনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে, ইনফেকশন, হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়।

© Muhammad Rahat Khan

(প্রান্তিকে পাবেন ফক্সটেইল মিলেট না কাউনের চাল)

পাশে দাঁড়াই সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের এবারের ঈদ শুভেচ্ছা প্যাকেজে প্রান্তিকের আখের গুড় অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এই অঞ্চলে স...
30/03/2025

পাশে দাঁড়াই সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের এবারের ঈদ শুভেচ্ছা প্যাকেজে প্রান্তিকের আখের গুড় অন্তর্ভুক্ত ছিলো।

এই অঞ্চলে সেমাই রান্নায় চিনির আগে গুড়ের প্রচলন ছিলো। সেটা সম্ভবত আগেকার দিনে চিনির তুলনায় গুড়ের সহজপ্রাপ্যতার কারণে।
দিনে দিনে আখ ও গুড় দুটোরই উৎপাদন কমে এসেছে।

আমরা হারানো স্বাদ ফিরিয়ে দেয়ার একটা তুচ্ছ চেষ্টা করলাম৷

ওহ হ্যা বলে রাখা ভাল, প্রান্তিক থেকে আমরা বিনা লাভে গুড় সরবারহ করেছি৷ ভর্তুকি দেয়ার সামর্থ্য একদিন প্রান্তিকের হবে, তখন এবারের মত উৎপাদন খরচটাও আর রাখবো না৷

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ❤️

Address

Ulipur
Ulipur
5620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রান্তিক - Prantik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share