প্রান্তিক - Prantik

প্রান্তিক - Prantik উৎপাদক আর ভোক্তার সরাসরি মেলবন্ধন

21/05/2026

আদিম কাঠের ঘানিতে দেশী সরিষা থেকে তেল উৎপাদন চলছে।
গ্রাহকের শতভাগ সন্তুষ্টি নিয়ে প্রায় ৩বছর ধরে আমরা কাঠের ঘানিতে তেল উৎপাদন করে আসছি।

18/05/2026

প্রাকৃতিক চাকের মধু সংগ্রহ চলছে।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনি বনাম হাতে বানানো আখের গুড়ের পার্থক্য-গুড়-  ★প্রাকৃতিক ও অপরিশোধিত: কোনো রাসায়নিক ব্যবহার না করেই তৈ...
19/02/2026

ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনি বনাম হাতে বানানো আখের গুড়ের পার্থক্য-

গুড়-
★প্রাকৃতিক ও অপরিশোধিত: কোনো রাসায়নিক ব্যবহার না করেই তৈরি
★পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ: আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম ও খনিজ উপাদানে ভরপুর।
★অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: শরীরের ক্লান্তি কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিদ্যমান।

অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনি-
★পরিশোধিত: উৎপাদনের সময় সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
★ রাসায়নিক: প্রক্রিয়াজাতকরণে সালফারসহ বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহৃত হয়।

আমরা দিচ্ছি হাতে বানানো ১০০% কেমিক্যাল মুক্ত দেশী আখের গুড়৷

কোনটা খাবেন সিদ্ধান্ত আপনার৷

কাস্টমার রিভিউ ❤️রিভিউদাতা জীবন নজরুল ভাই নিজে একজন কৃষি উদ্যোক্তা। একজন কৃষি উদ্যোক্তার কাছে যখন কোনো প্রোডাক্ট লেটার ম...
15/02/2026

কাস্টমার রিভিউ ❤️

রিভিউদাতা জীবন নজরুল ভাই নিজে একজন কৃষি উদ্যোক্তা।

একজন কৃষি উদ্যোক্তার কাছে যখন কোনো প্রোডাক্ট লেটার মার্ক পায়, তখন প্রোডাক্টের কোয়ালিটি নিয়ে আর সন্দেহ থাকে না।

স্বাদ নিতে পারেন আমাদের খেজুর গুড়ের৷
আসন্ন রমজানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনির সেরা বিকল্প হোক দেশী আখের গুড়।

কাস্টমার রিভিউ ❤️প্রোডাক্ট- আখের গুড়, আখের জাত- দেশী।
14/02/2026

কাস্টমার রিভিউ ❤️

প্রোডাক্ট- আখের গুড়,
আখের জাত- দেশী।

আখের গুড়ের রিভিউ।আর অল্পই আছে। রমজান মাসের জন্য সংগ্রহ করতে পারেন৷ ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনির বিকল্প হিসেবে হাতে বানানো ক্যামি...
04/02/2026

আখের গুড়ের রিভিউ।

আর অল্পই আছে। রমজান মাসের জন্য সংগ্রহ করতে পারেন৷ ইন্ডাস্ট্রিয়াল চিনির বিকল্প হিসেবে হাতে বানানো ক্যামিকেল মুক্ত আখের গুড় বেটার অপশন হতে পারে।

অর্ডার করতে হোয়াটসএপ করুন- 01774304154

এই টি শার্ট সব দোকানেই পাওয়া যায়। নেপালের এক রকম জাতীয় খাবার হল ডাল ভাত আর শাক।সেখানে বিশাল সংখ্যক মানুষই দুধ ডিমের বাইর...
15/11/2025

এই টি শার্ট সব দোকানেই পাওয়া যায়। নেপালের এক রকম জাতীয় খাবার হল ডাল ভাত আর শাক।

সেখানে বিশাল সংখ্যক মানুষই দুধ ডিমের বাইরে আর কোন প্রোটিন নেন না।
এখন নেপাল তো পাহাড়ী এলাকা, প্রচুর এনার্জি দরকার হয় সেখানে। শুধু ভেজ খেয়ে কিভাবে এই পাহাড়ী এলাকায় টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তাপ ও মাংসপেশী তৈরি করা সম্ভব??

এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে ডাল-ভাতে।

নেপালীরা ২৪ ঘন্টাই ওঠানামার মধ্যে থাকে। ফলে তাদের জন্য ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট হওয়া আমাদের চেয়ে অনেক কঠিন।

আমরা জানি যে যারা ধারাবাহিকভাবে বেশি কার্ব খায় আর শুয়ে বসে থাকে, তাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকেই ধীরে ধীরে ডায়বেটিস, হাই কোলেস্টেরল, হাইপারটেনশন, ফ্যাটি লিভার, এগুলো ঘটে থামে।

তাহলে, নেপালের পাহাড়ী মানুষরা তো এই ডাল-ভাতের ওপরেই বেচে থাকে, পাহাড়ী অঞ্চলে একটা ডিমের দাম অনেক জায়গায় কয়েকশো টাকা করে। তাদের কিভাবে মাসল তৈরি হয়?? আর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সই বা হয় না কেন??

আবার, আমাদের দেশের শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ, তারা তো অত প্রোটিন খেতে পারে না। তারাই বা মাসল তৈরি করেন কিভাবে??

এই প্রশ্নের জবাব আসলে লুকানো আছে ডাল আর ভাতের এমাইনো এসিড প্রোফাইলের ভেতরে।

ডালে নয়টা ইসেনশিয়াল এমাইনো এসিডের মধ্যে প্রায় সবগুলাই আছে, শুধু সালফার কনটেইনিং এমাইনো এসিডগুলা কম আছে।
আবার ভাতের প্রোটিনে মাসল বিল্ডিং এমাইনো এসিডস, লাইসিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, এগুলো একটু কম আছে, কিন্তু সালফার কন্টেইনিং এমাইনো এসিড সিস্টেইন, মিথিওনিন আছে বেশ ভাল পরিমানে।

ফলে আপনি যখন ডাল আর ভাত একসাথে মেখে খান, তখন আপনি কিন্তু সবগুলো ইসেনশিয়াল এমাইনো এসিডই পেয়ে যাচ্ছেন। মূলত এই কারনেই এইসব পাহাড়ী অঞ্চলের মানুষ, বা খুব গরীব শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ, যারা সামান্য প্রোটিন কেনার টাকা যোগাড় করতে হিমশিম খান, তাদের এই ডাল-ভাত খেয়েই মোটামুটি শরীর টিকে থাকে।

ডাল-ভাত খেয়ে প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা যায়, এটা প্রমানিত সত্য। প্রায় কাছাকাছি কথা খাটে ডাল-রুটির জন্যেও।

ফলে পৃথিবীর যেসব অঞ্চলের মানুষ নিম্ন আয়ের, ডাল তাদের জন্য হয়ে দাড়িয়েছে একটা লাইফ লাইনের মত। যেসব অঞ্চলের মানুষ ধর্মীয়কারনে নন ভেজ প্রোটিন থেকে দূরে থাকেন, তাদের জন্যেও প্রকৃতির আশীর্বাদ হয়ে দাড়িয়েছে এই মসুরের ডাল।

নেপালীরা বেশ ঘন ডাল খায়।
আমরা ততটা ঘন ডাল খাই না। এর প্রধান কারনও আমি মনে করি নিউট্রিশনাল রিকোয়ারমেন্টের সঙ্গে জড়িত।

আমাদের স্টেপল হচ্ছে ভাত, ভাতের সাথে আমাদের প্রোটিন স্টেপল হচ্ছে চিকেন বা পাঙ্গাস অথবা ডিম। যাদের সামর্থ্য ভাল তাদের ক্ষেত্রে বীফ, মাটন, নানা রকমের মাছ।
ফলে ডালের কাছ থেকে আমাদের এক্সপেক্টেশান হচ্ছে একটা ভিন্ন স্বাদ আর রুচি।

কিন্তু নেপালীদের ক্ষেত্রে ডাল হচ্ছে স্টেপল প্রোটিন এবং সেকেন্ড মেইন সোর্স অফ এনার্জি।

যারা নেপালে বা ভারতে হাই অল্টিটিউড মাউন্টেইনিয়ারিং করেন, তাদের ক্ষেত্রে দেঝা যায় তিন হাজার মিটার ওঠার পর আর কোন নিন ভেজ খাবার নেপালে এভেইলেবল থাকে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই।

তখন ঐ ডাল ভাত পাওয়ার-টোয়েন্টি ফোর আওয়ারই সম্বল।

অল্প খরচ, সহজলভ্যতা, সবগুলো ইসেনশিয়াল এমাইনো এসিডের পুষ্টি দিতে পারার ক্ষমতা মিলে ডাল ভাত দক্ষিন এশিয়ার প্রধান খাবার হয়ে উঠতে পেরেছে, বিশেষভাবে ভেজিটেরিয়ানদের জন্য এটা হয়ে উঠেছে লাইফ লাইন!!

©

ফ্যাক্টরিতে সয়াবিন তেল নিষ্কাশনে হেক্সেন ব্যবহৃত হয়। হেক্সেন এক্সট্রাকশন প্রক্রিয়ায় সয়াবিন বীজ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ তে...
10/11/2025

ফ্যাক্টরিতে সয়াবিন তেল নিষ্কাশনে হেক্সেন ব্যবহৃত হয়। হেক্সেন এক্সট্রাকশন প্রক্রিয়ায় সয়াবিন বীজ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ তেল নিষ্কাশন হয়। এখানে সয়াবিন গুঁড়ো করে হেক্সেনে ভেজানো হয় যাতে ৯৯% পর্যন্ত তেল নিষ্কাশন করা যায়। এই হেক্সেন হলো অক্টেনের মতো পেট্রোলিয়ামজাত যৌগ, যা সরাসরি বি.ষা.ক্ত.ত।

এই তেল মানুষের পাকস্থলীর জন্য উপযুক্ত না। যার কারণে দীর্ঘদিন খেলে গাট লাইনিং/পাকস্হলীর প্রাচীর নষ্ট হয়ে যায়। যেখান থেকে শুরু হয় পেটের যত সমস্যা। একবার এই প্রাচীর নষ্ট হলেই শুরু হবে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, আইবিএস, এসিড রিফ্ল্যাক্স, জার্ড ইত্যাদি। এরপর আরো আছে মাত্রাতিরিক্ত ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ট্রান্স ফ্যাট থেকে প্রদাহ, হৃদরোগ ও লিভারের যত সমস্যা!
এজন্যই ত বর্তমানে গ্যাস্ট্রো-লিভারের ডাক্তারদের সিরিয়াল পাওয়া কঠিন।
আর বাকী সব বাদ, এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ঔষধের বাজারই প্রতিবছর ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ কোটি টাকার!

বাঙালির জন্য নিত্যদিনের রান্নাবান্নায় বর্তমানে সবচেয়ে উত্তম তেল হলো দেশি সরিষার তেল। কথা শেষ!
স্বাস্থ্যকর ও সহজলভ্য এই সরিষার তেল পরিমিতভাবে নিয়মিত খেলে কোনো সমস্যা নাই।

আর যাদের আরো ভালো অপশন দরকার তাদের জন্য রয়েছে:
- অলিভ অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও হালকা আঁচে রান্নার জন্য)
- কোকোনাট অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও মাঝারি তাপে রান্নার জন্য)
- তিলের তেল (রান্নার জন্য)
- ঘি (উচ্চ তাপে ভাজাপোড়ার জন্য)
- পশুচর্বি

লেখা- ক্যাপ্টেন গ্রিন
ছবি- প্রান্তিকের ভোক্তার পাঠানো ❤️

08/11/2025

ভিডিওতে যে গরু দেখছেন এই দেশী জাতের গরুর দুধ থেকেই উৎপাদিত হয় প্রান্তিকের ঘি। এই গরু ঘাস আর সামান্য ভূষি ছাড়া আর কিছু খায় না৷

অনেকেই জানতে চান প্রান্তিকের ঘি তে আমরা এমন কি দেই যে ঘিয়ের স্বাদ বাজারে ঘি-র থেকে আলাদা হয়!

উত্তর হচ্ছে আমরা আসলে কিছুই দেইনা৷ অতিরিক্ত যে কাজটা করি সেটা হচ্ছে আমরা আদিমে ফেরার চেষ্টা করি৷ হারানো স্বাদ ফিরিয়ে আনতে হারানো পদ্ধতিতে ফিরেছি আমরা৷

সামনের দিনগুলোতে এমনও হতে যাচ্ছে যে আমরা ঘি তৈরীর পুরো প্রসেসে কোথাও স্টিল বা লোহার পাত্রের ব্যবহার করব না৷
হাঁড়ি থেকে শুরু করে কড়াই, সব মাটির পাত্র হবে।

এবং সেটা শুরু হবে শীঘ্রই। অলরেডী কুমারকে মাটির স্পেশাল জিনিসপত্র বানানোর বায়না করা হয়েছে।

Address

Ulipur
Ulipur
5620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রান্তিক - Prantik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share