আল-মাহদি ফুডস

  • Home
  • আল-মাহদি ফুডস

আল-মাহদি ফুডস Al-Mahdi Foods (আল-মাহদি ফুডস) is a renowned platform offers organic, pure & authentic grocery items collected from farmers across the country.
(1)

Our aim to supply you pure food items at your doorstep across the country. Reliable for organic grocery items. সম্পূর্ণ দেশি ও খাঁটি।

02/06/2026



28/05/2026

পবিত্র ঈদের এই আনন্দঘন ক্ষণে আপনাদের সকলকে জানাই অন্তরের অন্তস্তল থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
​আজকের এই দিনটি আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ আর শান্তি। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে আমরা যেন সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে পারি।
​সবার জীবন ভরে উঠুক অনাবিল সাফল্যে, আর আগামী দিনগুলো কাটুক সুস্থতায় ও নিরাপদ। পৃথিবীর সকল মানুষের মঙ্গল হোক, সবার প্রতি রইল এই শুভকামনা।
​সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং পরিবারের সাথে আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করুন।
- ঈদ মোবারক! ❤️🌙

27/05/2026

৯ই জিলহজ অর্থাৎ আরাফার দিন ইসলামে বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বরকতময় দিনগুলোর একটি। এই দিনের বিশেষ আমলগুলো পবিত্র কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসের (দলিলসহ) আলোকে নিচে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরা হলো:
​১. আরাফার দিনের প্রধান আমল: রোজা রাখা (হাজি ছাড়া অন্যদের জন্য)
​যারা হজে যাননি, তাদের জন্য এই দিনের সবচেয়ে বড় আমল হলো রোজা রাখা। এটি বিগত এবং আগামী বছরের গুনাহের কাফফারা হিসেবে গণ্য হয়।
​দলিল: রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন:
​"আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, এটি তার পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবে।"
— সহীহ মুসলিম: ১১৬২; সুনানে আবু দাউদ: ২৪২৫
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: যারা আরাফার ময়দানে হজে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য এই দিনে রোজা না রাখা সুন্নাত, যাতে তারা দোয়ায় পূর্ণ শক্তি পান। (সহীহ বুখারী: ১৯৮৮)
​২. তাকবীরে তাশরীক আদায় করা
​৯ই জিলহজ ফজর নামাজ থেকে শুরু করে ১৩ই জিলহজ আসর নামাজ পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরয নামাজের পর পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিচু স্বরে একবার এই তাকবীর বলা ওয়াজিব:
​"আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।"
​দলিল: আলী (রাঃ) এবং ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তাঁরা ৯ই জিলহজ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ই জিলহজ আসর পর্যন্ত তাকবীর বলতেন।
​— ইবনু আবী শায়বাহ: ২/১৬৫; বায়হাকী: ৩/৩১৪ (ইমাম নববী ও ইবনে হাজার একে সহীহ বলেছেন)
​৩. বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার করা
​আরাফার দিন দোয়া কবুলের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনে আল্লাহর কাছে নিজের জীবনের সমস্ত গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং কল্যাণ কামনা করা উচিত।
​দলিল: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
​"সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফা দিবসের দোয়া।"
— সুনানে তিরমিজি: ৩৫৮৫ (হাদিসটি হাসান)
​৪. বিশেষ জিকির ও তাওহীদের ঘোষণা
​আরাফার দিনে নবী করিম (সাঃ) নিজে এবং পূর্ববর্তী নবীগণ একটি বিশেষ জিকির বেশি বেশি পাঠ করতেন।
​জিকির:
​"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।"
(অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব একমাত্র তাঁরই এবং সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই। তিনি সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।)
​দলিল: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
​"সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফা দিবসের দোয়া। আর আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ যা বলেছি তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো: [উপরোক্ত জিকিরটি]।"
— সুনানে তিরমিজি: ৩৫৮৫; মুসনাদে আহমাদ: ৬৯৬১
​৫. জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার আমল
​এই দিন আল্লাহ তাআলা অসংখ্য বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। তাই সারাদিন, বিশেষ করে জোহর থেকে মাগরিব পর্যন্ত ইবাদতে মগ্ন থাকা উচিত।
​দলিল: উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেছেন:
​"আরাফার দিনের চেয়ে অন্য কোনো দিন আল্লাহ তাআলা এত বেশিসংখ্যক বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না। তিনি (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন এবং ফেরেশতাদের সামনে তাদের নিয়ে গর্ব করে বলেন— এরা কী চায়?"
— সহীহ মুসলিম: ১৩৪৮
​৬. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও নফসের হেফাজত করা
​এই পবিত্র দিনে যেকোনো ধরনের গুনাহ (যেমন: গীবত, মিথ্যা, পরনিন্দা, বা হারাম কিছু দেখা/শোনা) থেকে চোখ, কান ও জিহ্বাকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি।
​দলিল: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আরাফার দিনে বলেছিলেন:
​"হে আমার ভাতিজা! এটি এমন একটি দিন, যে ব্যক্তি এই দিনে নিজের কান, চোখ এবং জিহ্বাকে (গুনাহ থেকে) নিয়ন্ত্রণ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
— মুসনাদে আহমাদ: ১/৩২৯; শুআবুল ঈমান: ৩৭৪৪
​সংক্ষেপে আপনার করণীয় সূচি:
​১. সেহরি খাওয়া: ৮ই জিলহজ দিবাগত রাতে সেহরি খেয়ে ৯ই জিলহজের রোজার নিয়ত করা।
২. ফরজ নামাজ ও তাকবীর: প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর 'তাকবীরে তাশরীক' ভুল না করা।
৩. আসরের পর বিশেষ সময়: আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টুকু ইবাদতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় দুনিয়াবি ব্যস্ততা কমিয়ে জায়নামাজে বসে তওবা, ইস্তিগফার, দুরুদ শরীফ এবং তাওহীদের জিকিরে মশগুল থাকা উত্তম।
​আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে আরাফার দিনের এই মহান আমলগুলো সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

good evening everyone
18/05/2026

good evening everyone

15/05/2026

কাঠাল

🌽 ভুট্টার পুষ্টিগুণ ও অবিশ্বাস্য উপকারিতা 🌽​আমাদের অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে গরম গরম পোড়া ভুট্টা কিংবা কাপ-কর্ন। কিন...
15/05/2026

🌽 ভুট্টার পুষ্টিগুণ ও অবিশ্বাস্য উপকারিতা 🌽
​আমাদের অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে গরম গরম পোড়া ভুট্টা কিংবা কাপ-কর্ন। কিন্তু জানেন কি, এই সুস্বাদু শস্যটি পুষ্টির এক বিশাল ভাণ্ডার? শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যের যত্নেও ভুট্টার জুড়ি মেলা ভার।
​কেন ভুট্টা খাবেন?
​পুষ্টিতে ভরপুর: ভুট্টায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, ই এবং প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান।
​হজম শক্তি বাড়ায়: এতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।
​চোখের সুরক্ষায়: ভুট্টায় থাকা 'লুটেইন' এবং 'জ্যাক্সানথিন' নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
​শক্তি জোগাতে: যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, তাদের জন্য ভুট্টা শক্তির একটি দারুণ উৎস। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট দীর্ঘক্ষণ শরীরে শক্তি ধরে রাখে।
​রক্তশূন্যতা দূর করে: এতে প্রচুর আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
​ত্বক ও চুলের যত্নে: ভুট্টার তেল এবং এতে থাকা পুষ্টি উপাদান ত্বককে কোমল রাখে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে।
​টিপস: সরাসরি পুড়িয়ে খাওয়ার পাশাপাশি সালাদ, স্যুপ কিংবা রান্নায় ব্যবহার করে ভুট্টার পূর্ণ স্বাদ ও পুষ্টি নিতে পারেন। তবে প্যাকেটজাত পপকর্ন বা অতিরিক্ত মাখন দেওয়া কর্ন এড়িয়ে চলাই ভালো।
​সুস্থ থাকতে আজই আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ করুন পুষ্টিকর ভুট্টা! 🌽✨
​ #ভুট্টা #পুষ্টিগুণ #স্বাস্থ্যকরখাবার #সুস্থজীবন #দেশিফল #ভুট্টারউপকারিতা

হাঁসের ডিম এবং মুরগির ডিমের মধ্যে বাহ্যিক আকার থেকে শুরু করে পুষ্টিগুণে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। নিচে বিস্তা...
14/05/2026

হাঁসের ডিম এবং মুরগির ডিমের মধ্যে বাহ্যিক আকার থেকে শুরু করে পুষ্টিগুণে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
​১. বাহ্যিক গঠন ও আকার
​আকার: হাঁসের ডিম সাধারণত মুরগির ডিমের চেয়ে আকারে প্রায় ৩০% থেকে ৫০% পর্যন্ত বড় হয়।
​খোসা: হাঁসের ডিমের খোসা মুরগির ডিমের তুলনায় অনেক বেশি শক্ত এবং পুরু হয়। এর রঙ সাধারণত সাদা বা ধূসর সাদা হয়ে থাকে। অন্যদিকে মুরগির ডিমের খোসা পাতলা এবং সাদা বা বাদামী রঙের হয়।
​ভেতরের অংশ: হাঁসের ডিমের কুসুম মুরগির ডিমের চেয়ে বড় এবং এর কুসুমের রঙ সাধারণত বেশি গাঢ় (কমলাটে) হয়। এর সাদা অংশটিও তুলনামূলক বেশি ঘন এবং স্বচ্ছ।
​২. পুষ্টিগুণের পার্থক্য
​পুষ্টির দিক থেকে হাঁসের ডিম মুরগির ডিমের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকে:

উপাদান হাঁসের ডিম মুরগির ডিম
ক্যালরি বেশি (প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১৮৫ ক্যালরি) মাঝারি (প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১৪৩ ক্যালরি)
প্রোটিন কিছুটা বেশি থাকে আদর্শ পরিমাণ প্রোটিন থাকে
ফ্যাট বেশি থাকে (কুসুম বড় হওয়ায়) তুলনামূলক কম
কোলেস্টেরল বেশ উচ্চমাত্রার মাঝারি মাত্রার
ভিটামিন ও মিনারেল ভিটামিন B12, আয়রন ও পটাশিয়াম বেশি থাকে ভিটামিন ও মিনারেল পর্যাপ্ত থাকে
৩. স্বাদ ও রান্নার বৈশিষ্ট্য
​স্বাদ: হাঁসের ডিমের স্বাদ অনেক বেশি রিচ বা গাঢ়। এর কুসুমে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি খেতে বেশি ক্রিমি লাগে। অনেকের কাছে হাঁসের ডিমের স্বাদ কিছুটা কড়া মনে হতে পারে।
​বেকিং: বেকিংয়ের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম বেশ জনপ্রিয়। কারণ এতে অ্যালবুমিন (সাদা অংশ) বেশি থাকে, যা কেক বা পাউরুটিকে বেশি নরম ও ফোলা করতে সাহায্য করে।
​৪. সংরক্ষণ ক্ষমতা
​যেহেতু হাঁসের ডিমের খোসা অনেক পুরু, তাই এটি মুরগির ডিমের চেয়ে বেশি দিন তাজা থাকে। সহজে ভেঙে যায় না বা ভেতরের আদ্রতা হারায় না।
​৫. সতর্কতা
​অ্যালার্জি: অনেক সময় যাদের মুরগির ডিমে অ্যালার্জি থাকে, তারা হাঁসের ডিম খেতে পারেন (বা এর উল্টোটাও হতে পারে)। তাই পরিবর্তনের আগে সচেতন থাকা জরুরি।
​হজম: হাঁসের ডিমে ফ্যাট এবং প্রোটিন বেশি থাকায় অনেকের এটি হজম করতে মুরগির ডিমের চেয়ে একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
​উপসংহার:
আপনি যদি বেশি শক্তি বা ক্যালরি এবং ঘন স্বাদ পছন্দ করেন, তবে হাঁসের ডিম ভালো। আর যদি আপনি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান বা কোলেস্টেরল নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তবে মুরগির ডিম বেছে নেওয়া নিরাপদ।

08/05/2026
🥭 শীঘ্রই আসছে প্রকৃতির সেরা উপহার—আল-মাহাদি ফুডস-এর খাঁটি আম! 🥭​বছরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ চলে এসেছে! ফলের রাজা আমের মিষ্টি...
08/05/2026

🥭 শীঘ্রই আসছে প্রকৃতির সেরা উপহার—আল-মাহাদি ফুডস-এর খাঁটি আম! 🥭
​বছরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ চলে এসেছে! ফলের রাজা আমের মিষ্টি গন্ধে মাতোয়ারা হতে প্রস্তুত তো? 😋
​আমরা জানি, আপনি সবসময় সেরাটাই খোঁজেন। আর আপনার সেই আস্থার প্রতিদান দিতে আল-মাহাদি ফুডস সরাসরি বাগান থেকে বাছাই করা, কেমিক্যালমুক্ত এবং সম্পূর্ণ ফরমালিনহীন আম নিয়ে আসছে খুব শীঘ্রই।
​✅ কেন আমাদের আম আলাদা?
​সরাসরি বাগান থেকে: আমরা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি বাগান থেকে সংগ্রহ করি।
​১০০% খাঁটি ও নিরাপদ: কোনো প্রকার ক্ষতিকারক কেমিক্যাল বা কার্বাইড ব্যবহার করা হয় না।
​অতুলনীয় স্বাদ: একদম গাছের পাকা ফলের সেই আসল স্বাদ পাবেন প্রতিটি কামড়ে।
​নিশ্চিত মান: স্বাস্থ্যকর প্যাকিং এবং দ্রুত ডেলিভারি।
​প্রকৃতির শুদ্ধতা আর খাঁটি স্বাদের অভিজ্ঞতায় হারিয়ে যেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আমের সিজন শুরুর সাথে সাথেই অর্ডার নেওয়া শুরু হবে!
​📢 অগ্রিম বুকিং বা যেকোনো তথ্যের জন্য আমাদের ইনবক্স করুন।
সেরা আমের স্বাদ নিতে পেজে লাইক দিয়ে পাশেই থাকুন!
​ #খাঁটিআম #আলমাহাদিফুডস #বিষমুক্তফল #আমেরউৎসব

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল-মাহদি ফুডস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আল-মাহদি ফুডস:

  • Want your business to be the top-listed Grocery Store?

Share