হানজালা আল আজাদী

হানজালা আল আজাদী Informations de contact, plan et itinéraire, formulaire de contact, heures d'ouverture, services, évaluations, photos, vidéos et annonces de হানজালা আল আজাদী, ধুনট, বগুড়া, Democratic Republic of the.

🕋 শেষ নবীর উম্মত | 🤝 স্বেচ্ছাসেবী।
🪷 আদর্শিক কর্মী: জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)।
🚫 পরাজয় নেই—হয় জিতি, না হয় শিখি।
✊ অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক সৈনিক।

কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য --ন্যাশোনাল ওলামা অ্যালায়েন্স
☎️01811771428

রাজনীতিতে কাকতালীয় ঘটনার চেয়ে সাজানো রাজনৈতিক ছকই বেশি দেখা যায়—এই সত্যটা  বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে।​আগে তানভীর ইসলাম ভ...
02/09/2026

রাজনীতিতে কাকতালীয় ঘটনার চেয়ে সাজানো রাজনৈতিক ছকই বেশি দেখা যায়—এই সত্যটা বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে।

​আগে তানভীর ইসলাম ভাইয়ের ঘটনাটাই ধরা যাক। বগুড়ায় যখন উনি দলের হয়ে মাঠ গুছাচ্ছেন এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই একটি মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করা হলো। উদ্দেশ্য ছিল খুব স্পষ্ট—উনাকে মাঠ থেকে সরিয়ে রাখা এবং নির্বাচনী ভূমিকা থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া। পরবর্তীতে উনি ঠিকই আইনি প্রক্রিয়ায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে গেলেন।
কিন্তু ততক্ষণে তো রাজনীতির যে প্রাথমিক ক্ষতিটা করার দরকার ছিল, তা প্রতিপক্ষ নিশ্চিত করে ফেলল!

​ঠিক একই রাজনৈতিক স্ক্রিপ্ট আবার লেখা হচ্ছে সামনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। এনসিবি'র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভাই যখন মেয়র নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন এবং প্রতিপক্ষের জন্য বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছেন, ঠিক তখনই দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সামনে এনে এক সাজানো খেলার পাঁতারা শুরু হলো।
​হঠাৎ করে প্রচার চালানো হচ্ছে যে দুদক নাকি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন পদায়ন ও নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে দুর্নীতির 'প্রাথমিক সত্যতা' বা রাস্তা খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু এই পুরো টাইমিংটাই বলে দেয় মূল উদ্দেশ্যটা কী:
​নির্বাচনী লড়াই থেকে দূরে রাখা: আইনি জটিলতা ও অনুসন্ধানের বাহানা তৈরি করে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া।
​জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি: নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত আসিফ মাহমুদ ভাইয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং সাধারণ মানুষের মনে একটি সাময়িক নেতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া।
​আজকের সচেতন জনগণ অন্ধ বিশ্বাস করে না। তারা খুব ভালো করেই জানে, নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে আবারও হয়তো প্রমাণিত হবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিন্তু ততক্ষণে তো নির্বাচনের ক্ষণটি পার হয়ে যাবে এবং রাজনৈতিক ফায়দা লোটা হয়ে যাবে!
​সংস্থাকে ব্যবহার করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার এই পুরোনো প্রেসক্রিপশন জনগণ এবার ধরে ফেলেছে। সস্তা নাটক বানিয়ে আর জনগণের রায়কে প্রভাবিত করা সম্ভব নয়।

25/08/2026

তারা বললে প্রতিবাদ আমরা বললে বিরোধ এর নাম বিএনপি

ধুনট থেকে পাগল নিখোঁজ: কেউ যদি দেখে থাকেন, ,?  তাহলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করবেন  01717381157পোস্ট কপি করে পোস্ট বা শেয়ার ...
15/08/2026

ধুনট থেকে পাগল নিখোঁজ: কেউ যদি দেখে থাকেন, ,? তাহলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করবেন 01717381157
পোস্ট কপি করে পোস্ট বা শেয়ার করে খুঁজতে সহজগিতা করুন প্লিজ

৭১-এর আগে ও পরে শেখ মুজিব: রাজনীতির এক আকাশ-পাতাল তফাত। ​বাংলাদেশের ইতিহাসকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে কোনো অন্ধ আবেগ নয়, বরং ব...
14/08/2026

৭১-এর আগে ও পরে শেখ মুজিব: রাজনীতির এক আকাশ-পাতাল তফাত।

​বাংলাদেশের ইতিহাসকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে কোনো অন্ধ আবেগ নয়, বরং বাস্তব সত্য ও ইতিহাসের নিষ্ঠুর দলিলগুলোকে সামনে আনা প্রয়োজন।
১৯৭১ সালের পূর্ববর্তী শেখ মুজিব এবং স্বাধীনতার পরবর্তী শেখ মুজিবের মধ্যে যে রাত-দিন তফাত ছিল, তা আজকের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
​সম্প্রতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের একটি বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের এক ঐতিহাসিক সত্য ফুটে উঠেছে।
১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে যখন তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষণার খসড়া স্বাক্ষর করতে বলেছিলেন, তখন শেখ মুজিব স্পষ্টই অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তান কাঠামোর ভেতরেই রাজনীতি বজায় রাখতে এবং পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার কোনো দায় নিজের ওপর নিতে চাননি। অর্থাৎ, একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য সরাসরি সশস্ত্র সংগ্রামে যাওয়া বা একদফা স্বাধীনতার দিকে যাওয়া তাঁর মূল লক্ষ্যই ছিল না।
​৭১-এর আগে স্বাধীনতার বিষয়ে এই অনীহা ও রাজনৈতিক দ্বিধাদ্বন্দ্বের সাথে যদি আমরা স্বাধীনতার পর ১৯৭২-১৯৭৫ সালের তাঁর শাসনকালের কর্মকাণ্ড মেলাই, তবেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে! স্বাধীনতার পর দেশকে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে, তা থেকেই পরিষ্কার হয় যে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গঠন করার কোনো সদিচ্ছা বা দূরদর্শিতা তাঁর ছিল না:
​১. একদলীয় বাকশাল প্রবর্তন (১৯৭৫): দেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে রাতারাতি হত্যা করা হয় এবং জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে 'বাকশাল' নামক একদলীয় স্বৈরাচার চাপিয়ে দেওয়া হয়।
​২. সংবাদপত্রের বাকস্বাধীনতা হত্যা: মাত্র ৪টি সরকারি পত্রিকা রেখে দেশের সমস্ত স্বাধীন সংবাদপত্র এক কলমের খাঁচায় বন্ধ করে দেওয়া হয়, যেন কেউ সরকারের কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে না পারে।
​৩. জাতীয় রক্ষীবাহিনীর খুন-গুমের রাজনীতি: আধা-সামরিক 'রক্ষীবাহিনী' বানিয়ে জাসদসহ সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলকে দমনে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও নির্বিচারে গ্রেপ্তার চালিয়ে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়।
​৪. ৭৪-এর কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ ও লুটপাট: চরম প্রশাসনিক দুর্নীতি, চোরাচালান, মজুদদারি এবং অদূরদর্শী জাতীয়করণ নীতির কারণে ১৯৭৪ সালে দেশে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ তৈরি হয়, যাতে লাখ লাখ মানুষ অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে প্রাণ হারায়।
​৫. বিচার বিভাগকে পঙ্গু করা: সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ-অপসারণ সম্পূর্ণ রাষ্ট্রপতির একক অধীনে আনা হয়।
​৭১-এর মার্চে একদফা স্বাধীনতার ব্যাপারে শেখ মুজিবের সেই দ্বিধাদ্বন্দ্ব এবং স্বাধীনতার পর গণতন্ত্র ধ্বংস করে চরম অপশাসন ও দুর্ভিক্ষ উপহার দেওয়া—এই দুটি বিষয় একই সুতোয় গাথা। মেজর হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রমের দেওয়া তথ্য এবং স্বাধীনতার পর ১৯৭২-৭৫ সালের বাস্তব বিপর্যয় প্রমাণ করে দেয়—স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তিনি আসলে কতটা ক্ষতিকর ভূমিকা পালন করেছিলেন!
​ #বাংলাদেশ #রাজনীতি #ইতিহাস #৭১এরপর #বাকশাল #সত্যইতিহাস

১. রূপের মায়াজালে অন্ধ দৃষ্টিভঙ্গি​একজন মেয়ে তার স্বপ্নের রাজকুমারকে খুঁজে ফেরে। তার একটাই চাওয়া—ছেলে দেখতে অনেক সুন্দর ...
13/08/2026

১. রূপের মায়াজালে অন্ধ দৃষ্টিভঙ্গি
​একজন মেয়ে তার স্বপ্নের রাজকুমারকে খুঁজে ফেরে। তার একটাই চাওয়া—ছেলে দেখতে অনেক সুন্দর হতে হবে, সুপুরুষ হতে হবে। কিন্তু বাহ্যিক সৌন্দর্যের আড়ালে ছেলেটি কেমন মানুষ, সে কোনো কাজ করে কি না, তার উপার্জনের উৎস হালাল কি না কিংবা সে পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল কি না—এসব ‘কর্ম’ দেখতে সে নারাজ। তার ধারণা, রূপ থাকলেই বুঝি জীবন আলোকিত হয়ে যায়। কিন্তু সে বোঝে না, সুশ্রী চেহারার মানুষটির ভেতরে যদি অহংকার, কুচরিত্র কিংবা অলসতা লুকিয়ে থাকে, তবে সেই সৌন্দর্য জীবনকে এক তিল সুখও দিতে পারে না।
​২. মরীচিকার মতো সুন্দর চেহারার হাহাকার
​একটু চোখ মেললেই চারপাশে এমন অজস্র নির্মম সত্য দেখা যায়। শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে বিয়ে করে আজ বহু নারী অঝোরে চোখের জল ফেলছে। যে সুন্দর চেহারা দেখে একদিন সে মুগ্ধ হয়েছিল, আজ সেই চেহারার মানুষটির রুক্ষ ব্যবহার, বেকারত্ব, কিংবা অসৎ চরিত্র তার জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে ছেড়েছে। বিশাল অট্টালিকায় থেকেও বা সুপুরুষ স্বামীর পাশে হাঁটার পরও তাদের দিন কাটে বিষাদে ও কষ্টে। কারণ, বাহ্যিক রূপ কখনো অভাব মেটাতে পারে না, শান্তিময় ভালোবাসা দিতে পারে না। রূপ দেখে প্রেমে পড়া যায়, কিন্তু চরিত্র ও কর্ম ছাড়া সংসার টেকানো যায় না।
​"বাহ্যিক রূপ কেবল চোখকে আনন্দ দেয়, কিন্তু সৎ চরিত্র ও হালাল কর্ম আত্মাকে শান্তি দেয়।"
​৩. সাধারণ রূপ কিন্তু শুভ্র হৃদয়ের সুখি নীড়
​অন্যদিকে, অন্য এক নারী হয়তো এমন এক পুরুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছে, যে দেখতে অত্যন্ত সাধারণ, হয়তো বা কালো কিংবা শ্যামলা। কিন্তু সেই পুরুষের রয়েছে সুমহান কর্ম ও চারিত্রিক মাধুর্য। সে প্রতিদিন পরিশ্রম করে হালাল রিজিক ঘরে আনে, স্ত্রীকে সম্মান করে এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত অনুযায়ী নরম ভাষায় কথা বলে। সেই পরিবারে হয়তো বিলাসবহুল আয়োজন নেই, কিন্তু সেখানে আছে অসীম শান্তি, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। স্ত্রীর মুখে ফুটে ওঠে আত্মতৃপ্তির হাসি। রূপের ঘাটতি তাদের সুখে কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, বরং স্বামীর ভালো কর্ম তাদের সংসারকে জান্নাতের টুকরো বানিয়ে দিয়েছে।
​৪. সৌন্দর্য আল্লাহর সৃষ্টি, মানুষের কোনো কৃতিত্ব নেই
​কাউকে সুন্দর বা ফর্সা বানানো মানুষের নিজের কোনো কৃতিত্ব নয়, এটা সম্পূর্ণরূপে মহান আল্লাহর দান। আর আল্লাহ তাআলা কোনো মানুষকে অসম্পূর্ণ বা অহেতুক সৃষ্টি করেননি।
​কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন:
​"আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম অবয়বে।"
(সূরা আত-তীন, আয়াত: ৪)
​সুতরাং, বাহ্যিক রূপের পেছনে ছোটা মানে আল্লাহর কুদরতের চেয়ে মানুষের বাহ্যিক প্রলেপকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। যে রূপ একদিন বার্ধক্যে চামড়া কুঁচকে নষ্ট হয়ে যাবে, যে সৌন্দর্য মৃত্যুর পর মাটিতে মিশে যাবে, সেই ক্ষণস্থায়ী বস্তুর ওপর ভিত্তি করে কি জীবনের এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়?
​৫. কোরআন ও হাদিসের আলোকে চূড়ান্ত বার্তা
​ইসলাম আমাদের বাহ্যিক রূপের চেয়ে মানুষের অন্তরের বিশ্বাস, কাজ এবং ভালো আচরণকে প্রধান মাপকাঠি করতে বলেছে।
​মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন:
​"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের চেহারা এবং ধন-সম্পদের দিকে তাকান না; বরং তিনি তাকান তোমাদের অন্তর এবং কাজের (কর্মের) দিকে।"
(সহিহ মুসলিম)
​তিনি জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ব্যাপারেও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন:
​"সাধারণত চারটি বিষয় দেখে নারীকে (বা পুরুষকে) বিয়ে করা হয়—তার সম্পদ, বংশমর্যাদা, রূপ-সৌন্দর্য এবং দীনদারিত্ব (সৎ কর্ম ও চরিত্র)। তবে তুমি দীনদার ও সৎ চরিত্রবানকেই প্রাধান্য দাও, অন্যথায় তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"
(সহিহ বুখারি)
​শেষ কথা: মোহের পর্দা উন্মোচন
​রূপ চিরস্থায়ী নয়, কিন্তু মানুষের সততা, ভালো ব্যবহার ও দায়িত্ববোধ আজীবন থেকে যায়। যৌবনের রূপ একদিন ঝরে যাবে, কিন্তু স্বামীর ভালো আচরণ আর কষ্টের উপার্জনে কেনা সামান্য খাবারও আজীবন মনে শান্তি জোগাবে। তাই রূপের মায়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে মানুষের ‘কর্ম’ ও ‘চরিত্র’ দেখুন। কারণ, সুশ্রী চেহারা কয়েকদিনের জন্য চোখ জুড়াতে পারে, কিন্তু একজন চরিত্রবান ও কর্মঠ মানুষ সারা জীবনের জন্য আত্মাকে শান্তিতে রাখতে পারে।

আরাফাত রহমান কোকো 🖤আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক...
12/08/2026

আরাফাত রহমান কোকো 🖤আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো-র মৃত্যুবার্ষিকী।রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি লাইমলাইট থেকে দূরে থেকে একজন নিভৃতচারী ও সাধারণ মানুষ হিসেবে জীবনযাপন করতে ভালোবাসতেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন, বিশেষ করে দেশের ক্রিকেটের আধুনিক রূপরেখা তৈরি ও উন্নয়নে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তার অবদান আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ওয়ান-ইলেভেনের পরবর্তী সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে যে নির্মম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার তিনি হয়েছিলেন, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। অবশেষে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি পরবাসে থাকাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।এই শোকাবহ দিনে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন। 🤲

12/08/2026

নেতারা যেখানে থাকেন, সবাই সেখানে চলে আসেন। তাদের এলাকায় ঠিকই ২৪ ঘণ্টা কারেন্ট থাকে!"

সম্মান দেওয়ার মালিক এক মাত্র আমার রব মহান আল্লাহ
11/08/2026

সম্মান দেওয়ার মালিক এক মাত্র আমার রব মহান আল্লাহ

চা আড্ডা টা দারুণ ছিলো সাবেক মেয়র আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডল দাদার সাথে
11/08/2026

চা আড্ডা টা দারুণ ছিলো
সাবেক মেয়র আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডল দাদার সাথে

09/08/2026

জনাব Tarique Rahman সাহেব যোগ্য মানুষের কাছে গিয়েছেন
যা পরামর্শ নিয়েছেন সেই অনুযায়ী চললে সফল হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ

Adresse

ধুনট, বগুড়া
Democratic Republic Of The

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque হানজালা আল আজাদী publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager