sanku2026

আমার জীবন চুরি গেছে যদিও জীবনেও সিন্দুক ছিল না ঘরে। আরে চোখের জলে বালিশ ভিজেছে, সমুদ্রটাকে কি আর ভরে। জবা গাছে যদি আমি স...
31/05/2026

আমার জীবন চুরি গেছে যদিও জীবনেও সিন্দুক ছিল না ঘরে।
আরে চোখের জলে বালিশ ভিজেছে, সমুদ্রটাকে কি আর ভরে।
জবা গাছে যদি আমি স্বপ্নের মাঝে গোলাপ খুঁজি
প্রকৃতি ঘুম ভাঙ্গায় যে এক চড়ে।
তাইতো দিনের পর দিন মগজে মাছিরা করে ভিনভিন
তোর কালো ঠোঁটের রঙিন প্রার্থী জুটবে না কোনদিন ওরে
আরে এর পরে তার পরে ।
যতসব স্বপ্ন ভাঙ্গা ভাঁড়ে যতসব স্বপ্ন ভাঙ্গা ভাঁড়ে যতসব স্বপ্ন ভাঙ্গা ভাঁড়ে।
😁😁😁😁🌏🥰🐼🙋🏻

Good afternoon everyone 🌎 Radhe Radhe ❤️🥰
30/05/2026

Good afternoon everyone 🌎 Radhe Radhe ❤️🥰

30/05/2026

পান পাতা
চতুর্থ এবং অন্তিম পরিচ্ছেদ
হর হর মহাদেব 🌎🙏🏻
গ্রামের সবাই মোটামুটি সম্পর্কটাকে মেনে নিচ্ছিল কিন্তু ওদের বাপ মা কাকা যে কাকারা আগে দেখতো না ওদের। তারা যেন বেশি বড় বড় কথা বল ছিলো সেই সময়টাতে। আমার পিসততো দাদাও জানিনা কেনো ধীরে ধীরে সীমা দি রাজুদার সম্পর্কটা নিয়ে ওদের পক্ষেই জবাব দিচ্ছোল। আমি তখন সেভেন এইটে পড়ি দাদা তখন পড়াশোনা ছেড়ে চাষের কাজকর্ম ধরে নিয়েছে। ও পাশের গ্রামের স্কুলের এক বান্ধবীকে মনে মনে ভালোবাসে আমি জানতাম। ওর আব ভাবে। আমরা কোনদিনও ভালোবাসার বিপক্ষে নয় থাকবোও না। আমরা সারদা রামকৃষ্ণের লাল মাটি জংলি জায়গার লোক টাকা মাটি মাটি টাকা করে দিই এখনো। পিসেমশাইও মনতান্ত্রিক দিক দিয়ে এদের এত অত্যাচারিত অবমানিত ভালবাসার গল্পের আগে না দাঁড়াতে পারলেও পিছনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। এদের বিয়ে ঠিক হবার চার দিনের পর আমার দাদাও আমাকে সাথ দিতে আরম্ভ করলো
আমার পিসির একটা দুটো ওর মায়ের একটা দুটো, আরে আগেকার বড় বড় বাস্কে তোলা শাড়ি ব্লাউজ জোগাড় হল এমনকি ওর বান্ধবী দর্জি তার কাছেও পৌঁছে দেওয়া হলো। জামা কাপড় লুকিয়ে লুকিয়ে সে ফিটিংস করে ফেললো। এদিকে রাজুদা কে দিনক্ষণ ঠিক করে ঠিক ভোরের বিষ্ণুপুর যাবার পান পাতার অমর দার গাড়িতে উঠে বসার দিন দেওয়া হলো। রাজু দাও তার নতুন বিবাহিত জীবনের জন্য যথেষ্ট সামগ্রী কিনে ব্যাগে মজুত করে ওর আপন না পরশি বৌদির কাছে মজুত করতে আরম্ভ করলো। আমরা একদম ফাইনাল ওই পান পাতার গাড়িতেই বিষ্ণুপুর যাওয়ার আগে ওর খুঁড়তেতো দিদির বাড়িতে নেমে ওদের ভোরের কালীপুজোর পরেই ওই পুরোহিত মশাইকে দিয়ে আমরা কাজ ওদের বৈবাহিক জীবন শুরু করিয়ে দেবো। একদম প্ল্যান মত কাজ সব দিক দিয়ে আরম্ভ হলো। এরা এইদিকে খাট আলমারি বিছানা কিনতে ব্যস্ত। আমরা একদিকে আমাদের শুভ বিবাহ সম্পন্ন করার ব্যাপারে আগ্রহী চোখে যে যার কর্ম চুপচাপ মনের অন্তরালে করতে করতে এগিয়ে যাচ্ছি। সেই দিনটাই এলো পিসেমশাইকে আমরা জানালাম আমরা আজকে পানের বানকি নিতে বিষ্ণুপুর যাবো দাদা যাবে তোমাকে যেতে হবে না। মাঝে মাঝেই হয় পিসেমশাই ভোরবেলা উঠে যেতে ইচ্ছে করে না সেদিনও করল না আমরা দুই ভায়ে বেড়ালাম।
ভোর বেলায় দর্জি বান্ধবী আমাদের ব্যাগ নিয়ে বাড়ির সামনেই অপেক্ষারত। হাত থেকে নেয়া হলো আমার দাদা টাকা দিতে গেলে মানতে হবে বান্ধবীকে। ও বলে ওর ছেলের মুখে ভাতের আগে থেকে এটা গিফট একটা ওর ছেলে মেয়ের জন্য আমি কাপড় তৈরি করে রাখছি এবার।।কথা না বাড়িয়ে আমরা চলে গেলাম সেই ছোট নদীর ওপারে পানের বরুজে। সিমা দিকে আগে থেকেই বলেছিলাম গাড়ি ওয়েট করবে? তুই তোর মায়ের সাথে কাকিমার সাথে বড় বাইরে যাবি যখন। অ্যাডভান্স সবকিছু করে নিয়ে ছোট নদীর এই পাড়ে তোকে কোনমতে আসতেই হবে । তারপর আমরা বুঝে নেবো সব একদম ঠিকঠাক ।
একদম সেই মতো সেই চুড়িদার পরা মেয়েটি আমাদের কাছে এসে উপস্থিত হল। অমরদার পাশে টু শীটে বসিয়ে আমরা রওনা দিয়ে দিলাম বিষ্ণুপুরের পথে। পথের উপরেই ওর আত্মীয় বাড়ি
বিষ্ণুপুর যাওয়ার আগে আমরা পথে নেমে পড়লাম। সীমাদি কে ওর দিদির বাড়িতে নব বধুর সাজ দিয়ে ওই ভোর ভোর সকাল সকাল কালী মন্দিরের সামনে উপস্থিত করা হলো। বরকেও ওর দিদির এক বছর আগে বিয়ে হয়েছিলো ওর বরের জামাকাপড় পরিয়ে প্যান্ট জামা ছাড়িয়ে নিয়ে এসে হাজির করা হলো। ওর ব্যাগে আলতা সিঁদুর বিয়ের ফর্দ হিসাবে সমস্ত সামগ্রী থাকলেও একটা জিনিস ছিল না। কি বলুন তো। শুভদৃষ্টির সময় কি লাগে। আমরা যে কাজ করি, সবাই মিলে পান বরুজ পানের গাড়ি করে ওর দিদির গ্রামেতে নামলাম । একটা গ্রাম আমাদের সামনে এক গাড়ি পান আমাদের সামনে থেকে এগিয়ে গেলো। মাঝে মাঝে আমি হাফপ্যান্ট পড়ে থাকলে তিন-চারটে পান পাতা পকেটে গুঁজে রাখি। মাঝে মাঝে পিসেমশাইয়ের মসলার প্যাকেট থেকে দু'চারটে সুপারি মৌরি ভাজা দকতা পাতা ভাজা কাগছে মোরে লুকিয়ে রাখি কেউ টের পায় না বনে বাদারে খেয়ে বেড়ায় মাথাটা একটু টনটন করে কিন্তু হেভি লাগে, বুদ্ধি খুলে। সেদিন যেন কিচ্ছু ছিল না পকেটে কুড়ি পঁচিশ টাকা মাত্র পকেটে পড়েছিল যদিও দাদার কাছে বানকির টাকা হিসেবে ১০০০ বারোশ টাকা ছিলো। যাইহোক আসল কোথায় আসি বিয়ে শুরু হল ঠাকুর মশাই বয়স্ক ভদ্রলোক আগে নিজের জিনিসপত্র সব বুঝে পেতে আরম্ভ করেছে। আমরা বললাম সব দেবো দুটি গামছা একটা ধুতি সঙ্গে ৫০১ টাকা আপনাকে সব দেবো বিয়েটা আপনি করিয়ে দিন। বিয়েতে সব কিছু হল ঘন্টা দুয়েকের ভিতরে কিন্তু পান পাতা আমাদেরকে যেনো হাতছানি দিয়ে দূরে সরে গেলো। অত সকাল কোন দোকানই খুলেনি এভাবে বিয়ে হচ্ছে জানলে ওদের গ্রামের লোকেরাই প্রতিবাদ করে উঠবে দুই একজন ছাড়া
অযথাই আমরা ওই মন্দিরের উপরে থাকা, দুটো জংলি পান পাতার মতো দেখতে ঝরা আলু গাছের পাতা দিয়ে কাজ সমাপ্ত করলাম। ওদেরকেও দিদির বাড়িতে দু চার দিন থেকে বাড়িতে ফেরার কোথা জানিয়ে এলাম। আমরা ঐ রুটের টেকারে চেপে বাড়ি ফিরলাম। আমাদের কাছে প্রচন্ডভাবে জানতে আগ্রহরের বাবা-মাকে আমরা জানি না বলে না নাকোচ করে দিলাম আমরা বিষ্ণুপুর গিয়েছিলাম। পিসেমশাই বানকির টাকা চাইলে আমরা ৫০০ টাকা দিই ৭০০ টাকা কিযে খরচা হয়েছে হিসাব না দিতে পারায় পিসেমশাই সেদিন আমাদের ছেড়ে দিয়েছিল।
আমার হাসি লাগে অবাক লাগে সব সময় যে লোকগুলো পান পাতা নিয়ে কাজ করছিলো। তারা তাদেরই একজনের বিবাহ ক্ষেত্রে। অত বড় পান বরুজের দুটো পাতা জোগাড় করতে পারেনি।
হায়রে পান পাতা যাদের হাতে তৈরি তাদের ছেড়া কাঁথা।
এর পরের অংশগুলো আমার বন্ধুদের জন্য অন্য কোন সময়।
রাধে রাধে, সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন
আজকে চড়ক কালকে পহেলা বৈশা🙋🏻খের আগাম শুভ শুভেচ্ছা 🌏

30/05/2026

পান পাতা
তৃতীয় পরিচ্ছদ
হর হর মহাদেব
ও একা এলে তো ঠিক ছিলো সঙ্গে নিয়ে এলো এক প্লাস্টিক কসমেটিক্স আর মনোহারী গিফট ওই মেলা থেকেই কেনা। সীমাদি বাড়ি কি বলে নিয়ে যাবে সেই ভাবনায় গিফট গুলো নিতে অসম্মতি জানিয়েছিলো সেদিন অবশেষে আমার হাতে গিফট ধরিয়ে দাদা আসার আগে কিছুটা আলাপচারিতা সেরে মেলাতেই গা ঢাকা দেই রাজুদা। আমার মাথায় একটা ফন্দি আসে পিসিরা মেলা থেকে কেনা বিভিন্ন সামগ্রী ব্যাগগুলি গ্রামের লোকটির দোকানে রেখে গিয়েছিল। আমি সোজা চলে গেলাম ব্যাগের কাছে। তার ভিতর কয়েকটি এলমনিয়ামের হাড়ি, বাসন ছিল ওই বাসনের ভেতরে আমি লুকিয়ে ফেলি ওই গিফটের প্যাকেট।
আমি জানতাম ওই ব্যাগ আমাকে দাদাকে বইতে হবে। দোকানি জিজ্ঞেস করলে জানাই ওগুলো আমার পাশের বাড়ির ভাইয়ের খেলনা রয়েছে। কলকাতায় গিয়ে আমি ওকে দেবো। সীমাদি মুখে না হলেও মন থেকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়েছিল সেদিন আমায়। যাই হোক সবাই মিলে জিলাপি মিষ্টি কিনে হাসিতে খুশিতে বাড়ি ফেরা হলো। বাড়ি ফিরে আমি ব্যাগ থেকে কোনমতে গিফটের প্যাকেটটা বার করে লুকিয়ে ফেললাম বারান্দার কোণে রাখা ধানের বস্তার আড়ালে। ফন্দি করা হলো একটা দুটো একটা দুটো করে সব গিফট ধীরে ধীরে সীমা দি ওর বাড়িতে নিয়ে যাবে ওর বাড়িতে লুকিয়ে রাখবে। দু চার দিন ধরে বেশ কয়েকটা গিফট নিয়ে চলে গেলেও কিছু গিফট ধানের বস্তা সরাতে গিয়ে পিসেমশাইয়ের হাতে গিয়ে পড়ল। এগুলি কার খোঁজ খোঁজ শুরু হলো আমরা সবাই মিথ্যা কথা বলে এড়িয়ে গেলাম পিসেমশাই সেগুলি নিয়ে গিয়ে পুকুরের জলে ফেলে দিয়ে এলো। আমাদিকে সন্দেহ চোখে দেখতে আরম্ভ করলো আমাকে আর দাদাকে কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না ওই গ্রামের দোকানদার মেলা সেরে আসার সময় পিসেমশাইয়ের সাথে রাস্তায় দেখা হয়। ও গিফটের প্যাকেটটা পরে খুলে দেখেছিল সমস্ত কথাটা পিসেমশাই কে জানায় পিসেমশাই বাড়িতে ফিরে এসে আমাকে ধরে আমি চুপ করে থাকায় কলকাতায় মাকে জানানো হবে ভয় দেখানো শুরু হয়। পিসিমাও বাড়াবাড়ি শুরু করে। এক টাইম সীমাদি সত্যি কথাটা সবার সামনে বলে ফেলে। এখন আমাদের বাড়িও প্রত্যেকেই জেনে গেল রাজু দার সাথে ওর সম্পর্ক। সাবধান করে দিলো পিশেমশাই রাজুদা কে দ্বিতীয়বার এসব ভুল যেন না হয় আমাদের সামনে পান বুরুজের কাজ করা অবস্থায়। এদিকে আসানসোলের সেলুনের মালিক তার ছেলে দেখতে এলো সীমা দিকে। তাদের পছন্দ হলো। টাকা পয়সা খাট আলমারি হিসাব কিসাবো হলো।
পাত্রপক্ষ পাত্রী পক্ষের বাবা-মা রাজি হলো দিনক্ষণ ঠিক হলো কিন্তু পাত্রী রাজি হলো না এই বিয়েতে সে ঠিক করেছিল সে তার জীবন রাখবে না। একদিন গরুর দড়ি নিয়ে মাঠের ভেতর সোজা চলে গেল সেই পুকুরের পাড়ে একটা বড় বেল গাছ আছে ওই পুকুরের পাড়ে তাতে উঠে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে গিয়েছিল। কিন্তু ভাগ্য যাকে রাখে তাকে কে মারে বলুন। ঠিক সেই সময় পাশেই গরু চরাতে যাওয়া ওর গ্রামের এক কাকা দূর থেকে ব্যাপারটা ফলো করে দৌড়ে আসে ওকে সে যাত্রা প্রাণে বাঁচিয়ে নেয়। পাড়াই হু হু পড়ে যায় কথাটা রাজুদারও কানে যায়। গলাতে তেমন চোট না হওয়ায় বাড়িতে এনে সীমাদির সেবা সুশ্রূষা আরম্ভ হয়। রাজুদা পরের দিন নিজেকে আটকে রাখতে না পেরে সকালবেলা এসে উপস্থিত হয় শ্রীমাদির ঘরের সামনে। সীমাদির বাবা কাকারা সব একটা হয়ে রাজুদাকে ধরে বেঁধে ফেলে কারেন্টের খুটির সাথে চলে অদম্য গালাগাল চর থাপ্পর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাঁধা থাকে ওই খুঠিতে পিসেমশাই বিষ্ণুপুর দিয়ে ফিরলে যথেষ্ট অত্যাচারিত হওয়া ওকে ওই অবস্থায় দেখে ছেড়ে দেওয়ার আর্জি করে সীমাদির বাবা-মার কাছে যদিও ছেড়ে দে ওয়া হয়েছিল কিন্তু পরের দিনই ওরা নামে থানায় কেস করে দিয়ে আসে। পুলিশ আসে রাজুদাকে ধরতে খবর পেয়ে রাজুদা লুকিয়ে পড়ে জঙ্গলের মাঝে। পুলিশ ফিরে যায় কিন্তু খোঁজ চলতে থাকে। কিভাবে দু চার দিন চলে যায় এদিকে সীমাদিও খাওয়া-দাওয়ার টোটাল বন্ধ করে দেয়। সীমাদির শরীরের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এদিকে কোন এক রাতে রাজুদা বাড়ি ফিরলে রাজুদার বাড়ির লোক দাদা ভাইদের সাথে ব্যাপারটা নিয়ে অশান্তির চরমে ওঠে রাজুদা ধানে দেওয়া বিষ খেয়ে ফেলে। ওকে সঙ্গে সঙ্গে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওয়াস করে বার করে ফেলা হয় সমস্ত বিষ কোন কমে এই যাত্রা বেঁচে ফেরে। দুজনই দুজনার বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকে। ব্যাপারটা সারা গ্রামের ভেতর জানাজানি হয়ে যায়। আমাদের পরিবারটি এই ঘটনার এমন পরিস্থিতিতে ছিলো যে দুটি পরিবারেই আমাদের কাছে কর্মের দিক দিয়ে মূল্যবান ছিলো। পিসেমশাই দুটি পরিবারের সাথে কথা বলে মীমাংসা করার চেষ্টা করেও ছিলো বাউরীদের পরিবার মেনে নিলেও সীমাদির বাবা কিছুতেই যেনো রাজি হচ্ছিল না ব্যাপারটাই।
এরপর

30/05/2026

জানি তুমি এই মরুভূমির বুকে সারাটি জীবন সফর সঙ্গী নও
আমার সৌন্দর্য অকালে ঝরে যাওয়া জ্বলে পুড়ে রয়ে যাওয়া
তুমি মোর মরুদ্দ্যান এর বীথি কয়েকটা দিন দিলে ছাওয়া
শূন্য থাকতে হবে যখন কারো অতীত হয়ে কি দরকার করা আসা-যাওয়া
যখন বলতে পারিনা সংকোচে ভালোবাসো আমার জীবনের অধিকার হয়ে আসো
বৃথা এতসব গান গাওয়া
মনে হয় কারো জীবনে দার্শনিক হওয়ার থেকে আরো ভালো হওয়া তার ভোরের হাওয়া হওয়া তার ভোরের হাওয়া।

রাধে রাধে, শুভ সকাল

30/05/2026
29/05/2026

পাগলামো 🌎🙋🏻

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when sanku2026 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Grocery Store?

Share