23/09/2025
প্রফেসর Tejatat
কোরআনে বলা হয়েছে মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন “এক ফোঁটা তরল থেকে, যা গর্ভাশয়ে স্থিত হয়, তারপর জমাট রক্তের মতো পদার্থ, তারপর মাংসপিণ্ড, তারপর হাড়, তারপর হাড়ে মাংস পরানো হয়” (সূরা মু’মিনূন 12-14)।
“গত তিন বছর ধরে আমি কোরআনে আগ্রহী হয়েছি… আমি বিশ্বাস করি, কোরআনে ১৪০০ বছর আগে যা কিছু লেখা হয়েছে, তা বিজ্ঞানের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়। মুহাম্মদ ﷺ নিজে থেকে এগুলো জানতেন না, তাই তিনি অবশ্যই আল্লাহর প্রেরিত একজন রাসূল, যিনি সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে প্রকাশিত সত্য পৌঁছে দিয়েছেন।”
📝ধর্মীয় বিষয়ে তিনি সংশয়বাদী ও অনুসন্ধানী মনোভাবের ছিলেন; অন্ধভাবে কোনো ধর্ম মেনে চলতেন না।
✨ “আগে ছিলেন বৌদ্ধ ও সংশয়বাদী গবেষক, পরে কোরআনের বৈজ্ঞানিক সত্য তাঁকে বানাল মুসলিম।
” 📖 “ধর্ম পরিবর্তন অন্ধ বিশ্বাসের জন্য নয়—প্রফেসর তেজাতাত প্রমাণ করলেন, যুক্তি আর গবেষণাই মানুষকে পৌঁছে দেয় সত্যের দ্বারে।
🌙 “বিজ্ঞান তাঁকে প্রশ্ন শিখিয়েছে, কোরআন তাঁকে দিয়েছে উত্তর—এভাবেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন ইসলাম।
কেন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন?
তিনি একজন অ্যানাটমি বিশেষজ্ঞ (Anatomist) ছিলেন। কোরআনের অনেক আয়াতের সাথে আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার তুলনা করে তিনি প্রমাণ পান। বিশেষ করে:
1. ভ্রূণ (Embryo) বিকাশের ধাপ
কোরআনে বলা হয়েছে মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন “এক ফোঁটা তরল থেকে, যা গর্ভাশয়ে স্থিত হয়, তারপর জমাট রক্তের মতো পদার্থ, তারপর মাংসপিণ্ড, তারপর হাড়, তারপর হাড়ে মাংস পরানো হয়” (সূরা মু’মিনূন 12-14)।
আধুনিক এমব্রায়োলজি (Ultrasound, Microscopy) ঠিক এভাবেই ভ্রূণের বিকাশকে বর্ণনা করে।
2. কোরআনের যুগ–প্রেক্ষাপট
তিনি বলেন: ১৫০০ বছর আগে একজন মানুষ (মুহাম্মদ ﷺ) চিকিৎসাবিদ্যার এত নিখুঁত জ্ঞান রাখতে পারেন না।
সুতরাং এটি অবশ্যই আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ জ্ঞান।
3. নিজের বক্তব্য
কনফারেন্সে তিনি বলেন:
> “গত তিন বছর ধরে আমি কুরআন অধ্যয়ন করছি… আমি বিশ্বাস করি, কুরআনের প্রতিটি বিষয় আজকের বিজ্ঞান দিয়ে প্রমাণ করা যায়। মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল ছাড়া আর কিছু হতে পারেন না।”
“এই সম্মেলন থেকে আমি যে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটি পেয়েছি, তা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই) এবং মুসলিম হয়ে যাওয়া।”
---
অর্থাৎ, তিনি বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের মিল দেখে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে ইসলামই সত্য, আর সেখানেই তিনি প্রকাশ্যে শাহাদাহ পাঠ করে মুসলিম হন।