Love King

Love King সুখের ঠিকানা...

★ বাইরের দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখতে পাওয়া যায় তারা টোটালি ক্যামি কেল/মেডি সিন এর উপর তারা ডিপেন্ডেবল হয় না।তারা রেগুলার ...
09/20/2022

★ বাইরের দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখতে পাওয়া যায় তারা টোটালি ক্যামি কেল/মেডি সিন এর উপর তারা ডিপেন্ডেবল হয় না।
তারা রেগুলার শারি রীক বেয়াম ও বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট নিয়ে থাকে।
তাই তাদের শরী র স্বাস্থ্য তুলনামূলক ঠিক থাকে।এবং সাইড এফেক্ট এর কোন ঝুঁকিতে থাকে না।

প্রতি রা তে স ঙ্গিনীর সা মনে প্রশ্নবি দ্ধ হওয়া মানু ষগুলো জানে,বিবা হিত জী বন কতটা বিষন্নময়..আমে রিকা,সৌ দি আরব সহ দেশ ব...
09/18/2022

প্রতি রা তে স ঙ্গিনীর সা মনে প্রশ্নবি দ্ধ হওয়া মানু ষগুলো জানে,বিবা হিত জী বন কতটা বিষন্নময়..
আমে রিকা,সৌ দি আরব সহ দেশ বিদেশের সকল জায়গায় সকল দূর্বল পুরুষদের প্রথম পছন্দ এরা বিয়ান মিক্সড কফি..তাই আপনাদের কথা চিন্তা করেই আমরা আপনাদের জন্য আমদানি করেছি এরা বিয়ান মিক্সড কফির প্রিমিয়াম ভার্সন টি..প্রোডাক্টের সাথে গ্যারেন্টি থাকবে...আর দেরী কেন?? আজই অর্ডার করতে মেসেজ করুন আমাদের.. আপনার বিবা হিত জী বনকে সুখী করার আসল চাবিকাঠি..
মনে রাখবেন,যে বুঝে তার জন্য ইশারায় যথেষ্ট...

কফি বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় পানীয়। প্রতিদিনের ব্যস্ততায় নিজেকে একটুখানি চাঙ্গা করে নিতে কফির জুড়ি মেলা ভার। সারাদিনের...
09/17/2022

কফি বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় পানীয়। প্রতিদিনের ব্যস্ততায় নিজেকে একটুখানি চাঙ্গা করে নিতে কফির জুড়ি মেলা ভার। সারাদিনের ক্লান্তি এবং বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে এক কাপ কফিই যথেষ্ট।

কফি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কফিয়া অ্যারাবিকা। চিরসবুজ এবং বহুবর্ষজীবী গাছ। কফিগাছ লাগানোর দুই থেকে চার বছরের মধ্যে ছোট্ট সাদা তীব্র ঘ্রাণযুক্ত ফুল হয়। এদের মিষ্টি ঘ্রাণ অনেকটা বেলি ফুলের ঘ্রাণের মত।

পৃথিবীতে প্রায় ৬০টি দেশে কফি উৎপাদিত হয়। বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী দেশগুলো ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া এবং ভারত। বাংলাদেশের বান্দরবন, কক্সবাজার এমনকি নীলফামারীতেও কফি চাষ হচ্ছে যার মান অত্যন্ত ভালো।

কফিগাছ পুরোপুরি ম্যাচিউর হতে সাত বছর সময় লাগে। এই গাছ ভালো বৃদ্ধি পেতে পারে ৪০ থেকে ৫৯ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হলে, যা সারা বছর একইভাবে হয়। কফিগাছ সাধারণত চাষ করা হয় ১,৩০০ এবং ১,৫০০ মিটার উচ্চতায়।

কফি উদ্ভিদে সাদা ফুল হয়ে এক ধরনের চেরি ফল হয়। কফির ফলটি ছোট এবং সবুজ রঙের হয় এবং এটি পাকা হয়ে গেলে এটি গভীর লাল বা বেগুনি বর্ণের হয়ে যায়। প্রায় ৭০টি দেশে এই ফলের গাছ জন্মে। সবুজ কফি বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রীত কৃষিপণ্যের মধ্যে একটি। সারা বিশ্বে রয়েছে মোট ৪০ রকমের কফি৷

৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ কফি পান করে আসছে। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কফি পানের প্রমাণ পাওয়া যায় পঞ্চদশ শতাব্দীতে ইয়েমেনে।

পানির সাথে ফুটিয়ে রান্না করা "কফি বীজ" নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়ো মিশিয়ে কফি তৈরি করা হয়। এই বীজ কফি চেরি নামক এক ধরনের ফলের বীজ। কফির ভেতরের মূল চেরি ফলটিতে কামড় দিলে অনেকটা ডিম্বাকার দুই ভাগ হয়ে যায় বীজটি। আমরা যে কফি পান করি, তা কফি বীজ বা বিন; এই বিন গুঁড়া করেই তৈরি হয় কফি। এটিই তার আসল উপাদান।

কফি গাছ সাধারণত উচ্চতায় ২০ থেকে ৩০ ফুট হয়। উজ্জ্বল সবুজ রঙের পাতার আকার হয় ডিম্বাকৃতি, ফুলের রং সাদা আর বেশ সুগন্ধী। থোকা – থোকা ফল ধরে, প্রথমে রং হয় হালকা সবুজ, পরে লাল এবং শেষে ঘন ক্রিমসন রং। ফলের ভিতরে মিষ্টি শাঁসে মুড়নো দুটি বিন (বীজ )থাকে। অনেক ধরনের কফি গাছ হতে পারে এর মধ্যে পূর্ব আফ্রিকার ইথিওপিয়ায় জন্ম নেয়া গাছ থেকে পাওয়া 'এ্যারাবিকা' কফি স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয়।

কফি বিনকে বলা হয় পলিফেনল ক্রিয়াকলাপের একটি শক্তিঘর। পলিফেনলগুলো এমন উদ্ভিদে পাওয়া যায় যেগুলিতে উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ভিতরে থেকে ক্ষতিকারক মুক্ত র‍্যাডিকেলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। ফ্রি র‍্যাডিক্যালস বা অস্থির অণু ডিএনএ এবং প্রোটিনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, কিন্তু কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো তাদের থেকে আমাদের রক্ষা করে।

এক কাপ ব্ল্যাক কফিতে প্রতিদিনের পুষ্টি চাহিদার প্রায় ১১ শতাংশ রিবোফ্লাভিন (ভিটামিন বি১২), ৬ শতাংশ প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি-৫), ৩ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়াম, ২ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম ও নিয়াসিন (ভিটামিন বি-৩) থাকে।

কফিতে ক্যাফেইন নামক এক প্রকার উত্তেজক পদার্থ রয়েছে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। কফির উপাদান ক্যাফেইনের জন্যে কফি মানুষের উপর উত্তেজক প্রভাব ফেলে ও উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

অস্ট্রেলিয়ার স্নায়ু বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন কফি পান মানুষের লিভারের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ক্যানসার রোধ করে। ডায়াবেটিস ও ওজন কমাতে সাহায্য করে পাশাপাশি কর্মে ও খেলাধূলায় উদ্যমী করে।

একটি গবেষণায় দেখা যায় কফি পানের ফলে দেহের ক্যাপিলারি ব্লাড ফ্লো বেড়ে যায়। এতে করে দেহের রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়, যার ফলে দেহের প্রতিটি কোষেই অক্সিজেন পৌছায় সঠিকভাবে। এতে করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তবে সব ধরনের কফিই আপনার জন্য কিছু না কিছু উপকার বয়ে আনবে। পুষ্টিবিদরা এমনটাই জানিয়েছেন। এটি আরও নানাভাবে শরীরের জন্য উপকারী হিসেবে প্রমাণিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক কফি খেলে কী হয়-

হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়

প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কাপ কফি পান করলে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো হতে পারে। আধুনিক গবেষণা বলছে, ক্যাফেইন হৃৎপিণ্ডের উপকারই করে বেশি। প্রতিদিন তিন কাপ কফি পানে রক্তনালীতে ক্যালসিয়াম তৈরি বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে হৃৎপিণ্ডের রোগাক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়

টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সম্ভাবনাও কমায় কফি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত কফি খায় তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম হয়। এই ঝুঁকি কমানোর পরিমাণটা ২৩ থেকে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। জটিল এই রোগের ঝুঁকির হাত থেকে বাঁচতে যদি কফি কাজ করে তাহলে কফি খেতে সমস্যা কোথায়?

শক্তি বৃদ্ধি করে

আপনি যদি কফি পান করেন তবে তা আপনার অ্যাড্রেনালিন লেভেল বাড়াতে কাজ করে এবং ফ্যাটি অ্যাসিডের ক্ষরণ করে। এর ফলে যেসব চর্বি কোষের জন্য ক্ষতিকারক সেগুলো দূর করে। তাই শরীরচর্চার আগে কফি পান করলে তা অনেক বেশি উপকার করে। এর কারণেই শরীরচর্চার পরও আপনি নিজেকে দুর্বল অনুভব করবেন না।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ক্যানসার। লিভার ও কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় কফি। স্তন ও প্রস্টেট ক্যানসার ঠেকাতে কফি কার্যকর ভূমিকা রাখে। এমনকি ডিম্বাশয় ও পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে।

চোখের সমস্যায় কার্যকর

সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে কফি শুষ্ক চোখের সমস্যা সমাধানেও বেশ কার্যকর। ক্যাফেইন চোখের অশ্রুগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে সেই সঙ্গে সেটা সালিভা এবং পাচকরস তৈরি বাড়ায়।

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট

গবেষণায় দেখা গেছে কফিতে ফল ও শাকসবজির তুলনায় বেশি অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট রয়েছে। মানুষের শরীরের কোষের ক্ষতি করে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস। কফির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ধ্বংস করে। শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে কিংবা স্থিতিশীল রাখতেও ভূমিকা রাখে কফি।

বিষণ্নতা কমায়

২ লাখ ৮ হাজার ৪২৪ জনের ওপর একবার একটি গবেষণায় হয়েছিল। দেখা গেছে যারা দিনে ৪ কাপ বা এর বেশি কফি পান করেছে তাদের মধ্যে বিষণ্ণতায় ভুগে আত্মহত্যার প্রবণতা ৫৩ শতাংশ কম দেখা গেছে।

দূর করে পারকিনসন্স ও আলঝেইমারস রোগ

কফি স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত কফি পানে মস্তিষ্কের রোগ পারকিনসন্স ও আলঝেইমারসের ঝুঁকি কমে। এ রোগে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ নষ্ট হতে থাকে। ক্রমে অসাড় হতে থাকে শরীর। গবেষণা বলছে, পারকিনসন্সের প্রাথমিক উপসর্গ দূর করতে বিশেষ কার্যকর ক্যাফেইন।

কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়

ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধে কফির ভূমিকা রয়েছে। নিয়মিত কফি পান করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়। উদাহরণস্বরূপ, দিনে এক থেকে দেড় কাপ কফি পান করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে যায়। এছাড়াও ক্যাফেইন কিডনি সেলের সাথে ক্যালসিয়াম অক্সালেটের সংশ্লেষ কমাতে সাহায্য করে। কফি গাছে প্রচুর পরিমাণ সাইট্রিক এসিড থাকে এবং ইউরিনারি সাইট্রেট মূত্রাশয়ে পাথর তৈরিতে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

কফি পান করা যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনই কফি পান করার কিছু নিয়মও রয়েছে৷ যেমন কফির সাথে দুধ এবং চিনি মেশালে কফির উপকারিতা কমে যায়৷ ঠিক যেমনটা হয়ে থাকে চায়ের ক্ষেত্রে৷ তাই কালো কফি পান করাই সকলের জন্য উত্তম৷ প্রতিদিন দুই কাপ পর্যন্ত কফি পান করতে পারেন। এর বেশি পান না করাই ভালো।

Address

Chicago, IL

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Love King posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share