Eqra Moni

Eqra Moni Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Eqra Moni, Grocers, Mongla Port Bangladesh, .

29/03/2023

লিটনের রেকর্ড ফিফটিতে টাইগারদের আবারও দুইশো পেরোনো স্কোর

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্কোরকার্ডে এরকম মাধুর্য্য হয়তো এর আগে দেখা যায়নি। মাঠে নামা পাঁচ ব্যাটারের সবার স্ট্রাইক রেটই দেড়শোর বেশি। ২০২ স্ট্রাইক রেট সবার উপরে আছেন লিটন দাস। বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড এই ম্যাচে নতুন করে লেখা এই উইকেটকিপার ব্যাটারের দেখানো পথেই হেঁটেছে বাকিরা। রনি তালুকদার, সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটও তলোয়ার হয়ে আঘাত হেনেছে আইরিশ বোলারদের উপর। বৃষ্টির পর নির্ধারিত ১৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের দাঁড় করিয়েছে ৩ উইকেটে ২০২ রানের বিশাল সংগ্রহ।

আইরিশদের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও দুইশো পেরোনো স্কোর করেছিল বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ সংগ্রহ সেদিন হয়নি বলে বৃষ্টির প্রতি অভিমান হতে পারে টাইগার সমর্থকদের। দ্বিতীয় ম্যাচেও খেলা হয়েছে ৩ ওভার কম। তবুও বলা যায়, সেই রেকর্ড আজও হতে পারতো। পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও হয়নি কার্টেল ওভারের কারণে। আফসোসের কথা ভাবলে লিটন দাসও আসবেন তালিকায়। এই স্টাইলিশ ব্যাটারের ৪১ বলে ৮৩ রানের ইনিংসটি সেঞ্চুরিতে রূপান্তরিত হয়নি বলে আক্ষেপ কাজ করতেই পারে। টানা দুই ম্যাচে অর্ধশতক হাঁকাতে পারেননি রনি তালুকদার।

তবে, আইরিশদের সামনে টপকানোর জন্য একটি বিশাল পাহাড় রেখেও এসব আফসোস জানান দেয়, সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বাংলাদেশের ক্রিকেট হয়তো প্রবেশ করেছে প্রত্যাশিত চেহারায়। যেখানে শেষ হয়েছিল প্রথম ম্যাচ, দ্বিটিয়টি শুরু হয়েছে যেন সেখান থেকেই। কয়েক দফা বৃষ্টির পর শুরু হয় খেলা, শুরু হয় লিটন দাসের ঝড়। আয়ারল্যান্ড বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশ ক্রিকেটের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন লিটন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন রনি তালুকদার। দু’জনের আক্রমণাত্মক ব্যাটে পাওয়ার প্লের ৫ ওভারেই ৭৩ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। সেই সাথে এসেছে একগাদা রেকর্ড। লিটন-রনির মারমুখী ব্যাটিংয়ে কেবল বোলিং অ্যাটাকই দিশেহারা হয়নি আইরিশদের, সাথে দেখা গেছে মিস ফিল্ডিংয়ের ফুলঝুরি।

বুধবার (২৯ মার্চ) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজে টিকে থাকতে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আইরিশ অধিনায়ক পল স্টার্লিং। মাত্র ৩.৩ ওভারে দলীয় পঞ্চাশ পূরণ করেছে স্বাগতিকরা। এটিই দ্রুততম দলীয় পঞ্চাশ। এর আগে ২০১৬ সালের বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৫০ করেছিল বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের বোলারদের ওপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দিয়ে লিটন গড়েন বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। লিটন হাঁকিয়েছেন ১৮ বলে অর্ধশতক, যা বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। এর আগে ২০ বলে অর্ধশতক হাঁকিয়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

ছবি: সংগৃহীত
বল ফেলার যেন জায়গা পাচ্ছেন না আইরিশ বোলাররা। লিটন দাস ও রনি তালুকদারের ব্যাট থেকে আসছে একের পর এক বাউন্ডারি। লিটন ও রনির ঝড়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ পেয়েছে নিজেদের সেরা জুটি। ৮ ওভার শেষে রান ১০৭। এই সংস্করণে আগের সেরা জুটি ছিল ১০২ রানের। ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গড়েছিলেন মোহাম্মদ নাইম শেখ ও সৌম্য সরকার। বেন হোয়াইটের বলে আউট হওয়ার আগে গত ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় রনি তালুকদার করেন ২৩ বলে ৪৪ রান। তার ইনিংসে ছিল ৩টি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারি।

এরপর, অফস্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল তারা করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। ৪১ বলে ৮৩ রানের ইনিংসে তিনি হাঁকিয়েছেন ১০টি চার ও ৩টি ছয়। তবে, রানের জোয়াড়ে বাধ দিতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয় মাত্র ২৯ বলে যোগ করেন ৬১ রান। সাকিব ২৪ বলে অপরাজিত ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে তাওহীদ হৃদয়ের আউটে শেষ হয় তার ১৩ বলে ২৪ রানের ক্যামিও।

শেষ বল খেলতে নেমে নাজমুল শান্ত নিয়েছেন একটি ডাবল। স্ট্রাইক রেটের হিসেব করলে তিনি দাঁড়িয়ে গেছেন আগের ব্যাটারদের সাথে। শান্তর স্ট্রাইক রেটও যে ২০০! আর এমন দিনে ১৭ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় পাহাড়সম, ২০২।

পেজটি ফলো করে দিন

26/03/2023

তারাবিতে চার রাকাতের পর যে দোয়া পড়া লাগে, বিধান কী?

আমাদের পেজটি ফলো করে দিন

তারাবিহ নামাজে প্রতি ৪ রাকাত পর পর মুসল্লিরা একটি দোয়া পড়ে থাকেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না পঠিত দোয়ার বিধান কী। অনেকে মনে করেন প্রতি ৪ রাকাত পর হামদ ও ছানা সংবলিত ওই দোয়াটি পড়া জরুরি। আবার কেউ কেউ বলেন, একেবারেই ভিত্তিহীন এর কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। এ নিয়ে অনেক সময় মুসুল্লিদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কও হয়ে থাকে। চলুন জেনে নেই এর সমাধান কী।
তারাবিহ নামাযের প্রতি চার রাকাত পর নির্দিষ্ট কোন দোয়া দরূদ পড়ার কথা বিশুদ্ধ সূত্রে হাদীসে বর্ণিত হয়নি। কিন্তু চার রাকাত পর এতটুকু সময় বসা মুস্তাহাব, যতক্ষণ সময় চার রাকাত নামায পড়তে সময় লেগেছে।

সেই সময় নফল নামায পড়া, তাসবীহ পড়া, দরূদ পড়া, জিকির করা, কুরআন তিলাওয়ত করা, কিংবা চুপ করে বসে থাকা, মক্কায় হলে তওয়াফ করা সবই জায়েজ।

তবে হ্যাঁ, নির্দিষ্ট কোন একটি কাজকে আবশ্যকীয় মনে করার কোন সুযোগ নেই। সুযোগ নেই নির্দিষ্ট কোন দোয়াকে জরুরী মনে করা।

যেহেতু যেকোন দুআ ও দরূদ এ সময়ে পড়া যায়। সেই হিসেবে কিছু কিছু ফুক্বাহায়ে কেরাম এ সময়

سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظَمَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوتِ، سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ، سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ، لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ نَسْتَغْفِرُ اللَّهَ، نَسْأَلُك الْجَنَّةَ وَنَعُوذُ بِك مِنْ النَّارِ

উচ্চারণ: সুবহানা জিল মুলকিল মালাকুতি, সাবহানা জিল ইজ্জাতি ওয়াল আজমাতি ওয়াল কিবরিয়াই ওয়াল জাবারুতি, সুবহানাল মালিকিল হাইল্লাজি লা ইয়ামুতু সুব্বুহুন, কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রুহু. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু নাসতাগফিরুল্লাহ, নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনাননার

হামদ ও ছানার এই দোয়াটি পড়তে বলেছেন।

এটা জরুরী, বা সুন্নত-মুস্তাহাব হিসেবে পড়তে বলেননি। বরং এসময় চুপ করে থাকার চেয়ে দোয়া দরূদ, জিকির আজকার করা উচিত। সেই হিসেবে তারা একটি চমৎকার আল্লাহর হামদ এবং দোয়ার শব্দময় উক্ত বাক্যগুলো পড়তে বলেছেন।

এটি পড়া যায়। কিন্তু সুন্নত-মুস্তাহাব বা জরুরী মনে করা যাবে না। পড়লেও অসুবিধা নেই, না পড়লেও কোনো সমস্যা নেই। সূত্র: আওয়ার ইসলাম

আমাদের পেজটি ফলো করে দিন

25/03/2023

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত ও ফজিলত
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণ :-
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের বাংলা অর্থ :-
এ সম্পর্কে হাদীসে যা বলা হয়েছে (ফজিলত):
প্রচলিত একটি ভুল পদ্ধতি;
পরিশেষে একটি আরজগুজার !
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ (22) هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ (23) هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ [الحشر:22-24]

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণ :-
উচ্চারণ : হুআল্লা হুল্লাজি লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলিমুল গাইবী ওয়াশ শাহাদাতি, হুয়ার রহমানুর রহিম। হুআল্লা হুল্লাজি লা-ইলাহা ইল্লা হুয়াল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। ছুবহানাল্লোহি আম্মা ইয়ূশরিকুন। হুআল্লাহুল খলিকুল বা-রিউল মুছাওওয়িরু লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব; ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।



সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের বাংলা অর্থ :-
অর্থ : ‘তিনিই আল্লাহ্ তা’আলা, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন, তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।’ (২২) ‘তিনিই আল্লাহ্ তিনি ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্মশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ্ তা’আলা তা থেকে পবিত্র।’ (২৩) ‘তিনিই আল্লাহ্ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নামগুলো তাঁরই। নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তার পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়। (সুরা হাশর, আয়াত : ২৪)


{[সূরা আল-হাশর }]


এ সম্পর্কে হাদীসে যা বলা হয়েছে (ফজিলত):
عن معقل ابن يسار عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : ” من قال حين يصبح ثلاث مرات : أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم . وقرأ ثلاث آيات من آخر سورة الحشر وكل الله به سبعين ألف ملك يصلون عليه حتى مسى ، وإن مات في ذلك اليوم مات شهيدا ، ومن قالها حين يمسى كان بتلك المنزلة “

হযরত মা’কাল বিন ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন : যে ব্যক্তি সকাল বেলা তিন বার পড়বে “আউজুবিল্লাহিস সামীয়িল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম”। তারপর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত [ হুয়াল্লাহুল্লাজী লা-ইলাহা শেষ পর্যন্ত] তিলাওয়াত করবে। তাহলে আল্লাহ্ তা’আলা উক্ত ব্যক্তির জন্য ৭০ হাজার ফেরেস্তা নিযুক্ত করেন। যারা উক্ত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাতের দু’আ করতে থাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। আর এ সময়ের মাঝে যদি লোকটি মারা যায়, তাহলে সে শহীদের মৃত্যু লাভ করে। আর যে ব্যক্তি এটি সন্ধ্যার সময় পড়বে, তাহলে তার একই মর্যাদা রয়েছে। [তথা মাগরিব থেকে সকাল পর্যন্তের জন্য ৭০ হাজার ফেরেস্তা গুনাহ মাফীর জন্য দু’আ করে, আর সে সময়ে মারা গেলে শহীদের সওয়াব পাবে]।

রেফারেন্স নিম্নে দ্রষ্টব্য :-

————————————–

সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-৩০৯০।

কানযুল উম্মাল, হাদীস নং-৩৫৯৭।

আত তারগীব ওয়াত তারহীব, হাদীস নং-৩৭৯

সুনানে দারেমী, হাদীস নং-৩৪২৫।

শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-২৫০২।

মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২০৩০৬।

মুসনাদুশ সাহাবাহ, হাদীস নং-২৯৭৯৫।

মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং-২১৫৭।

এ হাদীসটি হাসান পর্যায়ের হাদীস।

প্রচলিত একটি ভুল পদ্ধতি;
গ্রাম বাংলায় এমনকি শহরেও এই প্রচলন’টি খুবই পরিলক্ষিত হয় যে, ফজরের নামাজ আদায়ান্তে ইমাম সাহেব মুসল্লিদের নিয়ে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত তেলাওয়াত করেন, এভাবে ইমাম পড়িয়ে দেয়া এ আমলের পদ্ধতি নয়। বরং একাকী পড়ার বিধান। কিন্তু যেহেতু মুসল্লিদের অনেকেই এটি জানে না, তাই ইমাম সাহেবগণ এটি পড়িয়ে থাকেন। যা হোক, প্রত্যেক মুসল্লীগণের উচিত এটি বিশুদ্ধভাবে শেখা এবং ইমামের অনুসরণে নয় বরং নিজে নিজে পড়ার চেষ্টা করা। আল্লাহ্ তা’আলা আমাদের তৌফিক দান করুন। আ-মি-ন। ইয়া-রাব্বাল আলামীন।



পরিশেষে একটি আরজগুজার !
আমাদের প্রবন্ধটিতে যদি কোনো ধরনের ভুল কোনো সহৃদয়বান ভাইয়ের/বোনের চোখে দৃষ্টিগোচর হয়, তা আমাদের নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন। আমরা অত্যন্ত উপকৃত ও আনন্দিত হবো। আল্লাহ্ তা’আলা তৌফিক দান করুন। আমিন। ইয়া-রাব্বাল আলামীন।

দয়া করে প্রজটি ফলো করে দিবেন

24/03/2023

ফরজ নামাজ পরবর্তী জিকির ও দোয়াসমূহ

ফরজ নামাজ পরবর্তী জিকির ও দোয়াসমূহ
ফরজ নামাজের পরে বিভিন্ন জিকির ও দোয়া-দরুদ পাঠ করা মোস্তাহাব। আলেমদের অভিমত হলো, দোয়া কবুলের গুরুত্বপূর্ণ সময় এটা।

তাই ফরজ নামাজের সালাম ফিরানো মাত্রই জিকির ও দোয়া না করে উঠে পড়া, দাঁড়িয়ে নামাজ পরবর্তী সুন্নত শুরু করা কিংবা চলে যাওয়া অনুচিৎ।

আবার অনেককে দেখা যায়, ফরজ নামাজের পর অমনোযোগিতা ও অবহেলার সঙ্গে দোয়া করে থাকে।

এমন আচরণ চরম ধৃষ্ঠতা ও বেয়াদবি। বরং ফরজ নামাজের পর মনোযোগের সঙ্গে জিকির ও দোয়া করে নিজের দুনিয়া ও আখেরাতকে সুন্দর করা উচিৎ।

অনেক হাদিসে এ সময় জিকির ও দোয়া করার গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে। আবার অনেক হাদিসে শিখানো হয়েছে ফরজ নামাজের পর কোন কোন জিকির ও দোয়া করতে হবে।

একদা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, কোন দোয়া কবুলের অধিক সম্ভাবনা রাখে? তিনি ইরশাদ করলেন, গভীর রাতের দোয়া আর ফরজ নামাজ পরবর্তী দোয়া। -সহিহ তিরমিজি: ৩৪৯৯

বর্ণিত হাদিসের প্রেক্ষিতে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর নিম্নবর্ণিত দোয়াসমূহ পাঠ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ইসলামি স্কলাররা।

এক.
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ

অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।

এ বাক্যটি তিন বার পাঠ করতে হয়। -সহিহ মুসলিম: ১৩৬২

দুই.
اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম, ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারকতা ইয়াজাল জালালি ওয়াল ইকরাম।

অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার গুণবাচক নাম সালাম। তুমি শান্তিদাতা। তুমি কল্যাণময়। তুমি সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী।

‍উল্লেখিত দোয়াটি এক বার পাঠ করতে হয়। -মুসলিম শরিফ: ১৩৬২

তিন.
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ اَللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু। লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু। ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। আল্লাহুম্মা লা-মানিয়া লিমা আতাইতা। ওয়া-লা মুতিয়া লিমা মানা’তা ওয়ালা ইয়ানফাউ জাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি একক। তার কোনো শরিক নেই। সার্বভৌমত্বের মালিক তিনি। সকল প্রশংসা তার। তিনি সব কিছুর ওপর সামর্থ্যবান। আপনি দিলে কেউ বাঁধা দিতে পারে না। আপনি না দিলে কেউ দিতে পারে না, কেউ উপকার করতে পারে না।

এ দোয়াটি একবার পাঠ করতে হয়। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

চার.
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ
الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু। লাহুল মুলকু। ওয়া লাহুল হামদু। ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। লা হাউলা ওয়া লা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহি। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু। ওয়া লা না’বুদু ইল্লা ইয়্যাহু। লাহুন নি’মাতু ওয়া লাহুল ফাজলু। ওয়া লাহুস সানাউল হাসানু। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসিনা লাহুদ দ্বীনা। ওয়া লাউ কারিহাল কাফিরূন।

অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনি একক। তার কোনো শরিক নেই। সার্বভৌমত্বের মালিক তিনি। সকল প্রশংসা তার। তিনি সবকিছুর ওপর সামর্থ্যবান। নেক কাজের তওফিক দান করার ক্ষমতা আল্লাহ ব্যতীত আর কারো নেই। গুনাহ থেকে বিরত রাখার ক্ষমতা আল্লাহ ব্যতীত আর কারো নেই। আল্লাহ ব্যতীত আর কারো ইবাদত আমি করি না। প্রাচুর্য দেওয়ার ও অনুগ্রহ করার ক্ষমতা তার। সকল প্রশংসা ও সৌন্দর্য তার। আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা একনিষ্ঠ ভাবে তার দ্বীন মেনে চলি। যদিও অবিশ্বাসীরা তাতে অসন্তুষ্ট হয়।

এই দোয়াটিও এক বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে। -সহিহ মুসলিম: ১৩৭১

পাঁচ.
প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের পর সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার ও আল্লাহু আকবার ৩৪ বার পাঠ করা। -সহিহ মুসলিম: ১৩৭৭

অথবা সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার, আল্লাহু আকবার ৩৩ বার। এর পর ১ বার
لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু। লাহুল মুলকু। ওয়ালাহুল হামদু। ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনি একক। তার কোনো শরিক নেই। সার্বভৌমত্বের মালিক তিনি। সকল প্রশংসা তার। তিনি সবকিছুর ওপর সামর্থ্যবান। -সহিহ মুসলিম: ১৩৮০

ছয়.

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ الْجُبْنِ وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا
وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল জুবনি। ওয়া আউযু বিকা আন আরুদ্দা ইলা আরজালিল উমুরি। আউজুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনিয়া। আউজু বিকা মিন আজাবিল কাবরি।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ভীরুতা থেকে আশ্রয় চাই। বার্ধক্যজনিত অক্ষমতা থেকে আশ্রয় চাই। দুনিয়ার ফেতনা থেকে আশ্রয় চাই। কবরের আজাব থেকে আশ্রয় চাই।

বর্ণিত দোয়াটিও এক বার পাঠ করতে হয়। -সহিহ বোখারি: ২৮২২

সাত.
সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস এক বার করে তেলাওয়াত করা। -সুনানে আবু দাউদ: ১২২৫

আট.
اَللَّهُمَّ أَعِنِّى عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শোকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জিকির করার সুযোগ দাও। তোমার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের সুযোগ দাও। সুন্দরভাবে তোমার ইবাদতের সুযোগ দাও।

এই দোয়াটিও এক বার করে পাঠ করতে হয়। -সুনানে আবু দাউদ: ১৫২৪

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন

পেজটি ফলো করে দিন

23/03/2023

সেহরির সময় হয়েছে সবাই উঠুন
❤️❤️❤️

23/03/2023

রমজান এলো রমজান এলো, এলো মাহে রমজান

বাংলা ওয়াশ এখন সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে 😆
14/03/2023

বাংলা ওয়াশ

এখন সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে 😆

Sorry 🙏🙏🙏
11/03/2023

Sorry 🙏🙏🙏

বি এস এস ২য় বর্ষ পরিক্ষা শেষে খান জাহান আলী মাজারে
08/03/2023

বি এস এস ২য় বর্ষ পরিক্ষা শেষে খান জাহান আলী মাজারে

Address

Mongla Port Bangladesh

9351

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eqra Moni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Eqra Moni:

  • Want your business to be the top-listed Grocery Store?

Share