দেইফ এগ্রো Deif Agro

  • Home
  • দেইফ এগ্রো Deif Agro

দেইফ এগ্রো Deif Agro trying to ensure good food for good health

10/03/2026
♦️গাভী বীজ না রাখার(কনসিভ না করার) কারনঃ  ♦️আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারি ভাইদের গাভীর ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারণা না থাকার ক...
07/11/2025

♦️গাভী বীজ না রাখার(কনসিভ না করার) কারনঃ

♦️আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারি ভাইদের গাভীর ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারণা না থাকার কারণে তারা সময়মতো গাভিকে বিজ দিতে ব্যর্থ হয় ফলে গাভী কনসিভ করে না। যদি খামারী ভাইয়েরা গাভির ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারনা নিতে পারে তাহলে অনেকাংশে সফল হবে।

♦️ ঋতু চক্রের চারটি ধাপ রয়েছে
প্রথম টি Pro_ Estrous বা প্রস্তুতি পর্ব
দ্বিতীয় টি Estrous বা উত্তেজনা পর্ব
তৃতীয়টি - Meta_ Estrous কাম উত্তেজনা পর্ব
৪র্থ টি Di-Estrus নিষ্ক্রিয় পর্ব.

১.প্রস্তুতিপর্ব( pro-Estrous)ঃ

♦️গাভী হিটে আসার তিন দিন পূর্ব থেকে খাওয়া-দাওয়া কম খাবে ঝিমানি ভাব থাকবে।গাভীর যোনি মুখ দিয়ে স্বচ্ছ পাতলা ঝিল্লি বের হবে।

২.যৌন উত্তেজনা পর্ব ( Estrous):

♦️এই পর্ব ১ দিন স্থায়ী থাকে। আর আমাদের খামারি ভাইয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই পর্বেই বিজ দিয়ে থাকেন যার ফলে সমস্যাটার জন্ম নেয় এখান থেকেই। এই পর্বে বিজ দিলে কন্সেপ্ট না করার হার ৯৮%.

♦️লক্ষনঃ
* গাভি ঘন ঘন প্রসাব করবে
* অন্য গাভির উপর লাফিয়ে উঠবে
*অন্য গাভীর যৌনাঙ্গ শুকতে থাকবে।
* দুধ উৎপাদন কমে যাবে

৩. কামত্তোর পর্ব( Meta _ Estrous)ঃ
♦️এটি খামারি ভাইদের জন্য স্বর্ন যুগ বা সঠিক সময়। এই পর্বের স্থায়িত্ব কাল ১থেকে ২দিন।এই পর্বেই বিজ দেয়ার সঠিক সময়। এই সময় বিজ দিলে কন্সেপ্ট করার হার ৯৯%. এই পর্বের প্রধান লক্ষন গাভীর যোনি পথ দিয়ে অনেক সময় রক্ত মিশ্রিত ঝিল্লি বের হয়। আপনি মনে রাখবেন আপনার গাভীর Estrous পর্ব দেখা দেয়ার ১২ ঘন্টা পর বিজ দিবেন।অর্থাৎ সকালে হিট আসলে বিকালে( ৫/৬) টায় বিজ দিবেন। যদি গাভিটি পুর্বে হিট মিছ করে থাকে তাহলে সেই গাভিকে অবশ্যই পরের দিন সকালে আবার বিজ দিবেন।

♦️শেষ পর্ব( Diestrous) ঃ
এটি থাকে ১৫ দিন। যদি আপনার গাভিকে বিজ না দেন তাহলে গাভির জরায়ু থেকে বের হওয়া ডিম্বানু মারা যাবে এবং গাভির সমস্ত জনন অঙ্গ স্বাভাবিক হবে। এর পর কয়েক দিনের মধ্যে আবার সাইকেল বা চক্র শুরু হবে।
আপনার খামার সফল হোক, বিনিয়োগ নিরাপদ হোক।
❤️ Collected

মানুষ খালি মানুষের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করে নি , পশু পাখির বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করে সর্বনাশ করেছে!!Emu War (১৯৩২): মানুষ বনাম পাখি...
22/10/2025

মানুষ খালি মানুষের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করে নি , পশু পাখির বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করে সর্বনাশ করেছে!!

Emu War (১৯৩২): মানুষ বনাম পাখির এক অদ্ভুত যুদ্ধ
ঘটনাটি ঘটে ১৯৩২ সালে, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ক্যাম্পিয়ন নামের এলাকায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে অনেক সৈন্য ফিরে এসে কৃষিকাজ শুরু করেছিল। কিন্তু তখন এক নতুন বিপদ দেখা দেয় — ইমু পাখি।
ইমু হলো উড়তে না-পারা, কিন্তু দ্রুত দৌড়াতে সক্ষম বড় আকারের পাখি, যা অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় প্রজাতি। সে বছর প্রায় ২০,০০০ এর বেশি ইমু ওই অঞ্চলের কৃষিক্ষেত্রে ঢুকে গম ও অন্যান্য ফসল খেয়ে ফেলতে শুরু করে। কৃষকরা বিপাকে পড়ে সরকারের কাছে সাহায্য চায়।
অস্ট্রেলিয়ান সরকার কৃষকদের অনুরোধে সেনা পাঠায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দুইজন সৈন্য পাঠানো হয়, সাথে ছিল দুটি Lewis মেশিনগান এবং প্রায় ১০,০০০ রাউন্ড গুলি। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জি. পি. ডব্লিউ. মেরিডিথ।
অভিযান শুরু হয় ১৯৩২ সালের নভেম্বর মাসে। প্রথম দিনে সৈন্যরা শত শত রাউন্ড গুলি চালিয়েও খুব অল্প সংখ্যক ইমু মারতে পারে। ইমুরা দল বেঁধে ছড়িয়ে পড়ছিল, এবং দৌড়ে গুলি এড়িয়ে যাচ্ছিল। তাদের গতি এত বেশি ছিল (ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার) যে সৈন্যদের পক্ষে নিশানা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
পরের দফায় সৈন্যরা ট্রাকে করে মেশিনগান বসিয়ে চলন্ত অবস্থায় গুলি চালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ট্রাক কাঁপতে থাকায় তা আরও ব্যর্থ হয়। অনেক সময় ট্রাক কাদায় আটকে যেত বা উল্টে যেত। ফলে অভিযানের ফলাফল একেবারেই হতাশাজনক হয়।
একজন সাংবাদিক মজা করে লিখেছিল, “ইমুরা যেন কৌশল শিখে এসেছে। তারা ছোট ছোট দলে ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রমণ এড়িয়ে চলে।”
কয়েক সপ্তাহের ব্যর্থতার পর সরকার অবশেষে অভিযান বন্ধ ঘোষণা করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সৈন্যরা হাজার হাজার রাউন্ড গুলি চালালেও মাত্র প্রায় এক হাজার ইমু মারা গিয়েছিল, বাকিরা পালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সরকার স্বীকার করে যে, ইমু পাখিরা এই যুদ্ধে জিতেছে।
পরবর্তীতে সরকার কৃষকদের সাহায্যের জন্য বেড়া তৈরির ব্যবস্থা করে, যাতে ইমু পাখিরা ফসলের ক্ষতি করতে না পারে। তবে আর কখনও ইমুর বিরুদ্ধে এমন যুদ্ধ চালানো হয়নি।

সংক্ষেপে:
সময়: ১৯৩২, নভেম্বর–ডিসেম্বর
স্থান: পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া
পক্ষ: অস্ট্রেলীয় সেনা বনাম ইমু পাখি
ফলাফল: ইমুদের জয়
নিহত ইমু: আনুমানিক ৯৮৬
ব্যবহৃত অস্ত্র: Lewis Machine Gun

১ বিঘা ২০ কাঠা জমিতে শাহী পেঁপে চাষ!🚜 অল্প খরচে বছরে আয় ১-২ লক্ষ টাকা!✅ ফেসবুকে রেখে দিন, দরকারের সময় কাজে লাগবে!---১. জ...
17/10/2025

১ বিঘা ২০ কাঠা জমিতে শাহী পেঁপে চাষ!
🚜 অল্প খরচে বছরে আয় ১-২ লক্ষ টাকা!
✅ ফেসবুকে রেখে দিন, দরকারের সময় কাজে লাগবে!

---

১. জমি প্রস্তুতি (চারা রোপণের ১৫ দিন আগে)
✔️ দোআঁশ মাটি, পানি নিষ্কাশন ভালো
✔️ ৩-৪ বার চাষ করে মাটি ঝুরঝুরে করুন
✔️ প্রতি শতকে ১০ কেজি গোবর + ১ কেজি টিএসপি

---

২. চারা রোপণ (৪০০ গাছ)
✔️ দূরত্ব: সারি ২ মিটার, গাছ ১.৫ মিটার
✔️ গর্ত: ৫০x৫০x৫০ সেমি
✔️ প্রতি গর্তে ১০ কেজি গোবর + ২০০ গ্রাম টিএসপি
✔️ জাত: শাহী পেঁপে (সবজির জন্য পারফেক্ট)

---

৩. সেচ ও যত্ন
💧 প্রথম সপ্তাহ: প্রতিদিন হালকা পানি
💧 গ্রীষ্মে: সপ্তাহে ২-৩ বার
💧 বর্ষায়: নালা কেটে জলাবদ্ধতা দূর করুন

---

৪. সার প্রয়োগ
🌿 ১৫ দিন পর: ইউরিয়া ৫০ গ্রাম + এমওপি ৫০ গ্রাম
🌿 ৪৫ দিন পর: ইউরিয়া ১০০ গ্রাম + টিএসপি + এমওপি
🌿 ফল ধরার পর: প্রতি মাসে পটাশ ১৫০ গ্রাম

---

৫. রোগ-পোকা দমন
🐛 এফিড/মাইট: ইমিডাক্লোপ্রিড ২০% SL – ১ মিলি/৩ লিটার
🐛 ফল মাছি: সাইপারমেথ্রিন ১০% EC – ২ মিলি/১ লিটার
🐛 পাউডারি মিলডিউ: হেক্সাকোনাজোল ৫% SC – ২ মিলি/১ লিটার

---

লাভের হিসাব (প্রায়):
✅ ৪০০ গাছ × ২৫ কেজি = ১০,০০০ কেজি
✅ বিক্রি: ১০ টাকা/কেজি = ১,০০,০০০ টাকা
✅ খরচ: ৩০-৪০ হাজার টাকা
✅ নিট লাভ: ৬০,০০০+ টাকা/বছরে!

---

আপনার এলাকায়ও এমন চাষ শুরু করতে পারেন!
যদি পোস্টটা ভালো লাগে, শেয়ার করুন বা রেখে দিন। অন্যরাও উপকার পাবে!

#দেইফএগ্রো # Deif Agro #

গরুর বিকল্প গয়াল : বেশি স্বাদ, বেশি মাংস,বেশি লাভফেনী জেলার মহিপাল থেকে শামসুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী সাতকানিয়া উপজেলার...
11/10/2025

গরুর বিকল্প গয়াল : বেশি স্বাদ, বেশি মাংস,বেশি লাভ

ফেনী জেলার মহিপাল থেকে শামসুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী সাতকানিয়া উপজেলার কেঁউচিয়া বাইতুল ইজ্জত এসেছেন মেজবানির জন্য গয়াল কিনতে। ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় কিনেছেনও একটি। গত বছরও তিনি আরেকটি অনুষ্ঠানের জন্য ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় একটি গয়াল কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। শুধু অনুষ্ঠানের জন্য নয়, ব্যবসার জন্যও তিনি গয়াল কেনেন। শামসুল ইসলাম বলেন, গরু-মহিষের চেয়ে গয়ালে মাংস পাওয়া যায় অনেক বেশি, স্বাদও চমৎকার। তাছাড়া গয়াল ভিম্নধর্মী প্রাণী, এটি এলাকায় নিয়ে গেলে দেখতে লোকজনের ভিড় জমে যায়। তাই বিক্রিও হয় ভালো দামে। তিনি সাতকানিয়া থেকে নিয়মিত গয়াল কিনে ফেনী নিয়ে যান। শামসুল ইসলাম শুধু নয়, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, নোয়াখালীর চৌমুহনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে গয়াল কিনতে আসা আরও অনেকে একই কথা বললেন। চট্টগ্রামে গরু-মহিষের মাংসের দাম বেশি হওয়ায় গয়ালের মাংসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ বাণিজ্যিকভাবে গয়াল পালনে ঝুঁকছে।

মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য পাহাড়ি গয়ালের ব্যবহার সম্পর্কে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিয়াজুল হক জসীম বলেন, দেশে এখন গরু-মহিষের দাম বেড়ে গেছে, পশুর দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এই সময়ে মাংসের চাহিদা পূরণে গয়ালের ব্যবহার একটি ভালো লক্ষণ। তিনি বলেন, গয়ালের ব্যবহার জনপ্রিয় হলে দেশি-বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরতা যেমন কমে আসবে, তেমনি গয়ালের বাণিজ্যিক লালন পালনে মানুষ আকৃষ্ট হবে। গয়ালের মাংসে কোলেস্টেরল কম হওয়ায় এটি মানবদেহের জন্য সবসময় কম ঝুঁকিপূর্ণ। গয়াল শুধু দুর্বল খাবারেই লালন পালন করা হয়ে থাকে এবং এদের দেহে কোনো ধরনের কৃত্রিম ওষুধ প্রয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে না। গয়ালের মাংস সবার জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত বলেও জানান প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

গয়াল ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায় শুধু সাতকানিয়ার কেঁউচিয়ায় নয়, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও পটিয়ার আরও কয়েকটি স্থানে গয়াল বিক্রি হয়ে থাকে। তবে পটিয়ার চক্রশালা ও সাতকানিয়ার কেঁউচিয়ায় সারা বছরই গয়ালের কেনাবেচা চলে। শীত মৌসুম এলে বিভিন্ন স্থানে ওরস, মিলাদ মাহফিল, মেজবান উপলক্ষে গয়ালের বেচাকেনা বাড়ে।

গৃহস্থ ও ব্যবসায়ীরা জানান, একসময় গয়াল ছিল বণ্যপ্রাণী তালিকাভুক্ত। অবৈধ শিকারিরা পাহাড়ে ফাঁদ পেতে গয়াল ধরে সেগুলো গোপনে জবাই করে মাংস বিক্রি করত। পরে বনবিভাগ গয়ালকে গবাদি বা গৃহপালিত পশু হিসেবে ঘোষণা করে। তখন থেকেই অনেক উপজাতি বাড়িতে গয়াল লালন পালন শুরু করে। বর্তমানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, রুমা, থানছি, আলীকদম, বলিপাড়াসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে এ পাহাড়ি পশুর লালন পালন করা হচ্ছে। উপজাতিদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা গয়াল কিনে সেগুলো সমতলের গ্রামে নিয়ে আসেন। চট্টগ্রামসহ দেশের অন্য জেলা থেকে লোকজন এসে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গয়াল কিনে নিয়ে যান। সাতকানিয়ার কেঁউচিয়া বাইতুল ইজ্জত, আমতল, বন গবেষণাকেন্দ্র ও সত্যপীর মাজারপাড়া এলাকায় বিক্রির জন্য গয়াল রাখেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক বছর আগেও হাতেগোনা কয়েকজন লোক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য গয়াল কিনতে আসত। এখন সে সংখ্যা কয়েকশ পেরিয়ে গেছে। গয়ালে গরু-মহিষের তুলনায় বেশি মাংস পাওয়া যাওয়ায় এটির ব্যবহার বেড়ে চলেছে সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে। সাম্প্রতিক সময়ে মাংসের প্রয়োজন হয় এমন অনুষ্ঠানগুলোতে গয়ালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় গয়াল পালন লাভজনক হিসেবে দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে গয়াল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত জনার কেঁউচিয়া গ্রামের মোহাম্মদ ইদ্রিচ ও বাজালিয়ার নুর মোহাম্মদ বলেন, গয়াল দিয়ে মেজবান দিতে আগ্রহীদের মধ্যে বিত্তশালী লোকজনই বেশি উৎসাহী। তিনি জানান, একটা সময় ছিল বান্দরবানের বিভিম্ন এলাকার বনজঙ্গলে প্রচুর গয়াল পাওয়া যেত। তখন এগুলো বন্যগ্রাণী হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু এখন বান্দরবানের বিভিম্ন উপজেলায় উপজাতি পরিবারগুলো বাণিজ্যিকভিত্তিতে গয়াল পালন করে আসছে। প্রায় প্রতিটি পরিবারে ২০-৩০টি গয়াল পালন করা হয়।

বর্তমানে সহস্রাধিক উপজাতি পরিবার সারা বছরই গয়াল পালন করে থাকে। কোনো কোনো স্থানে ইতিমধ্যে গয়ালের বাণিজ্যিক খামারও গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানান ইদ্রিচ। এসব পরিবার ও খামার থেকে ব্যবসায়ীরা গয়াল কিনে লোকালয়ে নিয়ে আসেন। গয়াল ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ বলেন, বাজারে বিক্রি হওয়া গরু-মহিষের তুলনায় গয়ালের দাম একটু বেশি হয়। কারণ গয়াল সবসময় মোটাতাজা হওয়ায় এ পশুতে মাংস বেশি পাওয়া যায়। একেকটি গয়াল ওজন ভেদে এক থেকে দেড়-দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। লোকজনের চাহিদা মোতাবেক দেশের বিভিন্ন এলাকায় গয়াল পাঠিয়ে থাকেন বলেও জানান গয়াল বেপারি নুর মোহাম্মদ।

সাম্প্রতিক সময়ে পাশের দেশ ভারত থেকে গরু আসা কমে যাওয়ায় বাংলাদেশে মাংসের চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাজারে গরুর মাংসের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গরু-মহিষের বিকল্প হয়ে উঠছে গয়াল।

11/10/2025

আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া আল্লাহর দরবারে। খামার এ নতুন মেহমান। এই প্রথম বাচ্চা দিলো, এর সাথে খামার এর পথচলা শুরু হলো।

29/09/2025

আধুনিক পদ্ধতিতে গরুর খামারের সেড তৈরি

আধুনিক পদ্ধতিতে গরুর খামারের সেড (Cow Shed / Cattle Housing) তৈরি করলে খরচ বাঁচে, গরুর উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং রোগবালাই অনেক কম হয়। নিচে ধাপে ধাপে ধারণা দিচ্ছি:

🟢 আধুনিক গরুর সেড তৈরির মূল বিষয়

1. অবস্থান নির্বাচন

উঁচু জায়গায় হতে হবে, যাতে পানি না জমে।

বাতাস চলাচল ভালো হয় এমন জায়গা বেছে নিতে হবে।

রাস্তা ও বিদ্যুতের সুবিধা থাকলে খামার পরিচালনা সহজ হয়।

2. সেডের কাঠামো

লম্বালম্বি দিক পূর্ব–পশ্চিমে রাখা ভালো, যাতে রোদ-বৃষ্টি সরাসরি না লাগে।

ছাদ – টিন/টালি/ঢেউটিন হতে পারে, তবে গরম কমানোর জন্য উঁচু ছাদ ও ভেন্টিলেশন দরকার।

মেঝে – কংক্রিট বা ইট–সিমেন্টের, খসখসে হতে হবে যেন পা না পিছলায়। হালকা ঢাল (১:৫০) রাখতে হবে যাতে প্রস্রাব ও পানি সহজে বের হয়।

উচ্চতা – সেডের উচ্চতা ১২–১৪ ফুট হলে বাতাস চলাচল ভালো হয়।

3. জায়গার মাপ

একটি পূর্ণবয়স্ক গাভীর জন্য জায়গা: ৮–১০ ফুট লম্বা × ৪–৫ ফুট চওড়া।

দুধাল গাভীর ক্ষেত্রে মাথা বেঁধে রাখা (Tie Stall) বা খোলা রাখার (Loose Housing) ব্যবস্থা করা যায়।

প্রতিটি গরুর জন্য খাওয়ার জায়গা ২.৫–৩ ফুট রাখতে হবে।

4. ড্রেনেজ ব্যবস্থা

প্রস্রাব ও মলমূত্র দ্রুত বের করার জন্য ড্রেন থাকতে হবে।

ড্রেনের সাথে গোবর গ্যাস প্ল্যান্ট বা গোবরের গর্ত করা যায়।

5. খাবার ও পানির ব্যবস্থা

কংক্রিট বা ইটের খাওয়ানোর নালা (Manger) তৈরি করা ভালো।

প্রতিদিন সহজে পরিষ্কার করা যায় এমন পানির ট্যাংক বা অটো ড্রিঙ্কার ব্যবহার করা উত্তম।

6. আলো ও বাতাস

পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো আসতে হবে।

সেডের দু’পাশ খোলা রাখা বা জাল বসানো যায়, যাতে বাতাস চলাচল করে কিন্তু শীতকালে ঠান্ডা ঢুকতে না পারে।

7. স্বাস্থ্য ও আরামদায়কতা

গরুর শোয়ার জন্য শুকনা বিছানা (খড়, করাতের গুড়া, রাবার ম্যাট ইত্যাদি) ব্যবহার করলে গরু আরাম পায় এবং দুধ বেশি দেয়।

স্যানিটেশন ও জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

🟢 আধুনিক সেড ডিজাইনের ধরন

1. Tie Stall Shed – প্রতিটি গরু আলাদা স্টলে বাঁধা থাকে।

2. Loose Housing System – গরু খোলা জায়গায় চলাফেরা করে, শুধু দুধ দোহনের সময় আলাদা করা হয়। উৎপাদনশীল খামারে বেশি ব্যবহৃত।

3. Free Stall Shed – বিদেশি উন্নত খামারে প্রচলিত, যেখানে গরু চলাফেরা করতে পারে, শোয়ার জন্য আলাদা স্টল থাকে।

নিজেকে মূল্যায়ন করুন, সময়কে কাজে লাগান  আজকের সময় আপনার আগামী ভবিষ্যৎকে তৈরি করবে। সারাদিন যে জায়গায় সময় দিচ্ছেন, সেটা ক...
29/09/2025

নিজেকে মূল্যায়ন করুন, সময়কে কাজে লাগান

আজকের সময় আপনার আগামী ভবিষ্যৎকে তৈরি করবে।
সারাদিন যে জায়গায় সময় দিচ্ছেন, সেটা কি আপনার ভবিষ্যতের সাথে মিলছে?
আপনার চারপাশের আলোচনা কি আপনার স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করছে?
যাদের সাথে চলছেন, তাদের প্লান কি আপনার প্লানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ?

আজ শক্তির সময়, আড্ডার টেবিলে শুধু কথা নয়,
কৃষি ও খামারের বাস্তব অভিজ্ঞতায় পরিশ্রম করুন।
সঠিক জায়গায় শ্রম দিন, অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।
নিজের মূল্যায়ন তৈরি করুন, তবেই নিশ্চিত আপনার ভবিষ্যৎ হবে আলোকিত।

কৃষি ও খামার—এখানেই লুকিয়ে আছে আগামী দিনের সম্ভাবনা।

দেইফ এগ্রো – অভিজ্ঞতার সাথে এগিয়ে চলার অঙ্গীকার।

Address

Dharampur, Nachol, Chapainawabganj

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেইফ এগ্রো Deif Agro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Grocery Store?

Share