Das Enterprise & Coing

Das Enterprise & Coing Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Das Enterprise & Coing, Grocers, Bagerhat.

নারী দেহে আছে দুটি পর্বত শৃঙ্গতার কারণে সুন্দর লাগে নারী অঙ্গশৃঙ্গ বাড়ায় দেহের শোভাদেহকে করে মনোলোভাসেই দেহের টানে ছুটে ...
28/06/2025

নারী দেহে আছে দুটি পর্বত শৃঙ্গ
তার কারণে সুন্দর লাগে নারী অঙ্গ
শৃঙ্গ বাড়ায় দেহের শোভা
দেহকে করে মনোলোভা
সেই দেহের টানে ছুটে আসে নর পতঙ্গ

নারী শরীর প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ কাব্য,
যার প্রতিটি বাঁক, প্রতিটি রেখায় লুকিয়ে থাকে সৃষ্টির রহস্য।
দুটি স্তন্যের মতো দুটি পাহাড় শুধু দেহের সৌন্দর্যই বাড়ায় না,
তা যেন মাতৃত্বের প্রতীক, জীবনের আশ্রয়, প্রেমের প্রথম স্পর্শ।

নারীর শরীরে আছে এমন এক রহস্যময় পথ,
যার গভীরে বয়ে চলে আবেগের স্রোত, জীবনের বীজ।
এই পথ শুধু শরীরের নয়, অনুভবের, সৃষ্টি ও বিস্ময়ের—
এখানেই শুরু হয় এক প্রাণের যাত্রা,
এখানেই গড়ে ওঠে ভালোবাসার গল্প।

এই রহস্য মানুষকে করেছে দিশেহারা,
কেউ প্রেমে পড়ে নির্মাণ করেছে সংসার,
আবার কেউ সেই মোহে সব হারিয়ে হয়েছে একা, ভাঙা।
কারো কাছে এই শরীর হয়েছে আরাধনার প্রতিমা,
আবার কেউ এটিকে দেখেছে কেবল চাহনির চোখে,
নিঃশেষ করে দিয়েছে একেকটা সম্পর্ক, একেকটা ভবিষ্যৎ।

নারী শরীরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বলে দেয় আমরা কতটা মানুষ।
তাকে কেবল কামনার বস্তু নয়,
বুঝতে শিখি—সে এক জীবনের উৎস,
ভালোবাসা, দায়িত্ব আর শ্রদ্ধার প্রতীক।

এ এক অদ্ভুত টান—যেখানে শরীরের আকর্ষণ মিশে যায় আত্মিক চেতনায়।
এমন অনেক মানুষ আছে, যারা এই মোহে হয়ে গেছে বিভ্রান্ত,
আবার কেউ এই রহস্যকে ধারণ করেছে শ্রদ্ধায়, মমতায়।
🌿🥀🙏♥️🥀🌿

 #বিনম্র_শ্রদ্ধা_জানাই_মির্জা_গালিবের_প্রতি 🥀🙏🌿"হাতের তালুর রেখায় ভাগ্য দেখতে যেও না গালিব, ভাগ্য তাদেরও আছে যাদের হাত ন...
05/05/2025

#বিনম্র_শ্রদ্ধা_জানাই_মির্জা_গালিবের_প্রতি 🥀🙏🌿
"হাতের তালুর রেখায় ভাগ্য দেখতে যেও না গালিব, ভাগ্য তাদেরও আছে যাদের হাত নেই।"
- মির্জা গালিব
পুরো নাম মির্জা আসাদুল্লাহ বেগ। ডাক নাম গালিব। তাকে মোঘল সম্রাজ্যের সর্বশেষ কবি হিসেবে ও দক্ষিণ এশিয়ায় তাকে উর্দু ভাষার সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলে মনে করা হয়।
তিনি তার নিজের সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি বেঁচে থাকতে তার গুণকে কেউ স্বীকৃতি না দিলেও, পরবর্তী প্রজন্ম তাকে স্বীকৃতি দিবে। ইতিহাস এর সত্যতা প্রমাণ করেছে। উর্দূ কবিদের মধ্যে তাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি লেখা হয়েছে।
খুব সম্ভবত ভারতের ইতিহাসে মির্জা গালিবের মতো প্রভাবশালী কবি দ্বিতীয়টি নেই। তার লেখা অজস্র গজল, শায়েরি, রুবাইয়াতে বিহ্বল হয়েছে সদ্য প্রেমে পড়া তরুণ থেকে পরিণত পণ্ডিত পর্যন্ত। উর্দু সাহিত্যের বিশ্বখ্যাত গবেষক ও গালিব বিশেষজ্ঞ প্রফেসর রশিদ আহম্মদ সিদ্দিকী বলেছেন,
'মোগলরা হিন্দুস্থানকে তিনটে জিনিস দিয়েছেন-
উর্দু, তাজমহল এবং গালিব।' এমনকি, উর্দু সাহিত্যের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই কবিকে নিয়ে Ralf Rasel বলেছেন,
'গালিব যদি ইংরেজিতে কবিতা লিখতেন
তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য হতেন।'

শেষ মুঘল সম্রাট আবদুল জাফর সিরাজুদ্দিন বাহাদুর শাহের মৃত্যু হলে গালিব আরও নিঃসঙ্গ ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কারণ এই সম্রাট শুধু তার শাসকই ছিলেন না, ছিলেন বন্ধু ও সহযাত্রী-কবি।
আজ গালিবের চলে যাবার দিন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৯ সালে মির্জা গালিব যখন মারা যান তখন তিনি নিঃস্ব, সহায়-সম্বলহীন ও প্রায়-বিচ্ছিন্ন একজন গুটিয়ে যাওয়া মানুষ। সম্ভবত জীবন থেকে চলে যাওয়ার অপেক্ষাই তার একমাত্র অবলম্বন আর স্রষ্টার প্রযত্নেই তার একমাত্র আশ্রয় ছিল।
১৮৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরবেলা তাঁকে সুলতানজী’তে কবরস্থ করা হয়। এটি ছিল সেই পবিত্র তীর্থস্থান যা ফকির নিজামুদ্দিন আউলিয়ার কবরের কাছে, লোহারু বংশের পারিবারিক কবরখানা। তার অন্তিমযাত্রার খরচটুকু বহন করে নবাব জিয়াউদ্দিন খান।
গোল বাঁধল, শেষকৃত্যের নিয়মগুলি নিয়ে। অর্থাৎ, শিয়া না সুন্নি কোন মতে মির্জা আসাদুল্লাহ খাঁ গালিবকে গৌর করা হবে! শেষে নবাব জিয়াউদ্দিনের কথামতো উর্দু সাহিত্যের এই দেবদূতকে সুন্নি মতেই কবর দেওয়া হয়। যতকাল পৃথিবীতে প্রেম থাকবে, মির্জা গালিবও মিশে থাকবে প্রতিটি মানবিক স্নায়ুতে!
নিজের মৃত্যুশয্যায় গালিব লিখেছিলেন,
"বিপদ বিধ্বস্ত গালিবের অভাবে কোনো কাজই কি থেমে থেকেছে? এত কান্নাকাটির প্রয়োজন নেই
প্রয়োজন নেই উচ্চস্বরে বিলাপ করবার।"

14/04/2025

#রবীন্দ্রনাথ_ও_হিন্দুত্ব
---------------------
"আমি হিন্দু , এ-কথা বলিলে যদি নিতান্তই কোনো লজ্জার কারণ থাকে, তাতে সে লজ্জা আমাকে নিঃশব্দে হজম করিতেই হইবে। কারণ, বিধাতার বিরুদ্ধে নালিশ করিতে হইলে সেই আপিল - আদালতের জজ পাইব কোথায়?"

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (আত্মপরিচয়)

"আজকের বাংলা ভাষা যদি বাঙালী মুস লমানদের ভাব সুস্পষ্টরূপে ও সহজভাবে প্রকাশ করতে অক্ষম হয়, তবে তাঁরা বাংলা পরিত্যাগ করে উর্দ্দু গ্রহণ করতে পারেন। সেটা বাঙালী জাতির পক্ষে যতই দুঃখকর হোক না কেন, বাংলা ভাষার মূল স্বরূপকে দুর্ব্যবহারের দ্বারা নিপীড়িত করলে সেটা আরও বেশি শোচনীয় হবে। ...

বাংলা ভাষার মধ্যে সহজেই হাজার হাজার পার্সি আরবি শব্দ চলে গেছে। তারমধ্যে আড়াআড়ি বা কৃত্রিম জেদের কোনো লক্ষণ নেই। যে সব পার্সি আরবি শব্দ সাধারণ্যে অপ্রচলিত, অথবা হয়ত কোনো এক শ্রেণীর মধ্যে বদ্ধ, তাকে বাংলা ভাষার মধ্যে প্রক্ষেপ করাকে জবরদস্তি বলতেই হবে।"

~রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, 'মক্তব-মাদ্রাসার বাংলা', প্রবাসী, বৈশাখ ১৩৪১, পৃষ্ঠা ১০৩

“ হিন্দুরা যেভাবে ধর্মবিরোধ মীমাংসা করবার চেষ্টা করেছে, তাই বর্তমান যুগে ধ্রুব বলে মনে হয়। গণতান্ত্রিক মনোভাব, লক্ষ্য স্থির করার ও লক্ষ্যে পৌঁছবার চেষ্টা করার স্বাধীনতায় যে বিশ্বাস, তাই হিন্দুত্ব। ”

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (আত্মশক্তি)

“ রামকে পেলুম, সে তো একটি মাত্র মানুষের রূপে নয়। অনেক কাল থেকে, অনেক মানুষের মধ্যে যে সকল বিশেষ গুণের ক্ষণে ক্ষণে কিছু কিছু স্বাদ পাওয়া গেছে কবির মনে; সে সমস্ত দানা বেঁধে উঠল রামচন্দ্রের মূর্তিতে। রামচন্দ্র হয়ে উঠলেন আমাদের মনের মানুষ। ”

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সাহিত্যের পথে)

“ বাংলাদেশের মাটিতে সেই রামায়ণ কথা হরগৌরী ও রাধাকৃষ্ণের কথার উপরে যে মাথা তুলিয়া উঠিতে পারে না, তাহা আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য। রামকে যাহারা যুদ্ধক্ষেত্র ও কর্মক্ষেত্রে নরদেবতার আদর্শ বলিয়া গ্রহণ করিয়াছে, তাহাদের পৌরুষ , কর্তব্যনিষ্ঠা ও ধর্মপরতার আদর্শ আমাদের অপেক্ষা উচ্চতর। ”

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (লোকসাহিত্য, পৃষ্ঠা ১২০)

“ রামের জীবনের সকল কার্যেই উদার বীর্যবান সহিষ্ণুতার পরিচয় পাওয়া যায়। একথা ভারতবর্ষ ভুলিতে পারে নাই যে তিনি চন্ডালের মিতা, বানরের দেবতা ও বিভীষণের বন্ধু ছিলেন। তিনি শত্রুকে ক্ষয় করিয়াছিলেন, এ তাহার গৌরব নহে। তিনি শত্রুকে আপন করিয়াছিলেন। তিনি আচারের নিষেধকে , সামাজিক বিদ্বেষের বাধাকে অতিক্রম করিয়াছিলেন। তিনি আর্য-অনার্যের মধ্যে প্রীতির সেতু বন্ধন করিয়া দিয়াছিলেন। ”

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ভারতবর্ষে ইতিহাসের ধারা)

“ হিন্দুসভ্যতা যে এক অত্যাশ্চর্য প্রকান্ড সমাজ বাঁধিয়াছে, তাহার মধ্যে স্থান পায় নাই এমন জাতি নাই। প্রাচীন শকজাতীয় জাঠ ও রাজপুত; মিশ্রজাতীয় নেপালি, আসামী, রাজবংশী, দ্রাবিড়, তৈলঙ্গী , নায়ার - সকলে আপন আপন ভাষা, বৃহৎ সামঞ্জস্য রক্ষা করিয়া একত্রে বাস করিতেছে।

হিন্দুসভ্যতা এত বিচিত্র লোককে পরিত্যাগ করে নাই। উচ্চ-নীচ, সবর্ণ-অসবর্ণ সকলকে ঘনিষ্ঠ করিয়া বাঁধিয়াছে। সকলকে ধর্মের আশ্রয় দিয়াছে। সকলকে কর্তব্যপথে সংযত করিয়া শৈথিল্য ও অধঃপতন হইতে টানিয়া রাখিয়াছে। ”

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (হিন্দুত্ব)

"ভাষার ঐক্যে ন্যাশনাল ঐক্যবন্ধনের সহায়তা করে, সন্দেহ নাই; কিন্তু তাহাতে এক করিবেই, এমন কোনো জবরদস্তি নাই। য়ুনাইটেড স্টেটস ও ইংলণ্ডের ভাষা এক, স্পেন ও ম্পানীয় আমেরিকার ভাষা এক, কিন্তু তাহারা এক নেশন নহে। ...

তাহা ছাড়া, ভাষায় জাতির পরিচয় পাওয়া যায়, এ-কথাও ঠিক নয়। প্রুসিয়া আজ জর্মান বলে, কয়েক শতাব্দী পূর্বে স্লাভোনিক বলিত, ওয়েল্‌স্‌ ইংরেজি ব্যবহার করে, ইজিপ্ট আরবি ভাষায় কথা কহিয়া থাকে।"

~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, 'নেশন কী', রবীন্দ্র-রচনাবলী, ৩য় খণ্ড, বিশ্বভারতী, ১৯৫০, পৃ. ৫১৭

"...শতাব্দীর পর শতাব্দী যাইতেছে কিন্তু রামায়ণ-মহাভারতের স্রোত ভারতবর্ষে আর লেশমাত্র শুষ্ক হইতেছে না। প্রতিদিন গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে তাহা পঠিত হইতেছে, মুদির দোকান হইতে রাজার প্রাসাদ পর্যন্ত সর্বত্রই তাহার সমান সমাদর।
ধন্য সেই কবিযুগলকে, কালের মহাপ্রান্তরের মধ্যে যাঁহাদের নাম হারাইয়া গেছে, কিন্তু যাঁহাদের বাণী বহুকোটি নরনারীরর দ্বারে দ্বারে আজিও অজস্রধারায় শক্তি ও শান্তি বহন করিতেছে, শত শত প্রাচীন শতাব্দীর পলিমৃত্তিকা অহরহ আনয়ন করিয়া ভারতবর্ষের চিত্তভূমিকে আজিও উর্বরা করিয়া রাখিতেছে।

এমন অবস্থায় রামায়ণ-মহাভারতকে কেবলমাত্র মহাকাব্য বলিলে চলিবে না, তাহা ইতিহাসও বটে; ঘটনাবলীর ইতিহাস নহে, কারণ সেরূপ ইতিহাস সময়বিশেষকে অবলম্বন করিয়া থাকে—রামায়ণ-মহাভারত ভারতবর্ষের চিরকালের ইতিহাস।

অন্য ইতিহাস কালে কালে কতই পরিবর্তিত হইল, কিন্তু এ ইতিহাসের পরিবর্তন হয় নাই। ভারতবর্ষের যাহা সাধনা, যাহা আরাধনা, যাহা সংকল্প, তাহারই ইতিহাস এই দুই বিপুল কাব্যহর্ম্যের মধ্যে চিরকালের সিংহাসনে বিরাজমান।

এই কারণে, রামায়ণ-মহাভারতের যে সমালোচনা তাহা অন্য কাব্যসমালোচনার আদর্শ হইতে স্বতন্ত্র। রামের চরিত্র উচ্চ কি নীচ, লক্ষ্মণের চরিত্র আমার ভালো লাগে কি মন্দ লাগে, এই আলোচনাই যথেষ্ট নহে। স্তব্ধ হইয়া শ্রদ্ধার সহিত বিচার করিতে হইবে, সমস্ত ভারতবর্ষ অনেক সহস্র বৎসর ইহাদিগকে কিরূপভাবে গ্রহণ করিয়াছে।

আমি যতবড়ো সমালোচকই হই-না কেন, একটি সমগ্র প্রাচীন দেশের ইতিহাস-প্রবাহিত সমস্ত কালের বিচারের নিকট যদি আমার শির নত না হয় তবে সেই ঔদ্ধত্য লজ্জারই বিষয়।

রামায়ণে ভারতবর্ষ কী বলিতেছে, রামায়ণে ভারতবর্ষ কোন্‌ আদর্শকে মহৎ বলিয়া স্বীকার করিয়াছে, ইহাই বর্তমান ক্ষেত্রে আমাদের সবিনয়ে বিচার করিবার বিষয়।
...ভারতবাসীর ঘরের লোক এত সত্য নহে, রাম লক্ষ্মণ সীতা তাহার পক্ষে যত সত্য..."

~ রামায়ণ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ।

🥀🌹🙏🙏🙏🌹🥀

‘ #না_শব্দটি_জীবনের_পরিশুদ্ধ_সুর 🥀🌹🌿জীবন এক অনন্ত সিম্ফনি, যেখানে প্রতিটি সুর একেকটি সিদ্ধান্ত। কিছু সুর আমাদের অন্তরে ব...
05/03/2025

‘ #না_শব্দটি_জীবনের_পরিশুদ্ধ_সুর 🥀🌹🌿

জীবন এক অনন্ত সিম্ফনি, যেখানে প্রতিটি সুর একেকটি সিদ্ধান্ত। কিছু সুর আমাদের অন্তরে বেজে ওঠে, কিছু হারিয়ে যায় সময়ের স্রোতে। আমরা শিখি, ‘হ্যাঁ’ বললে নতুন পথ খুলে যায়, কিন্তু ক’জন জানে, ‘না’ বলার মধ্যেও লুকিয়ে আছে মুক্তির চাবিকাঠি?

‘না’ মানে শুধু প্রত্যাখ্যান নয়, বরং আত্মপরিচয়ের দৃঢ় উচ্চারণ, আত্মরক্ষার ঢাল, সুখী জীবনের নিগূঢ় মন্ত্র।

প্রকৃতি কখনো সবকিছু গ্রহণ করে না। গাছ পাতাকে ঝরিয়ে ফেলে, নদী বাড়তি কাদা গড়িয়ে দেয়, আকাশ মেঘমুক্ত হয়। আমরা যদি জীবনের সমস্ত আহ্বানে ‘হ্যাঁ’ বলতে থাকি, তাহলে আমাদের নিজস্ব পথ বলে কিছু থাকবে না। সত্যিকারের বিনয় মানে নিজেকে হারিয়ে দেওয়া নয়, বরং নিজের প্রয়োজন বোঝা। যা তোমাকে ভারাক্রান্ত করে, তা থেকে মুক্তি পাওয়াই আসল বুদ্ধিমত্তা।

সফল মানুষরা জানেন, কোথায় ‘না’ বলতে হবে। বিল গেটস বলেছিলেন, "সফলতা নির্ভর করে আপনি কতগুলো ‘না’ বলার সাহস করেছেন তার ওপর।" স্টিভ জবসও বিশ্বাস করতেন, সত্যিকারের মনোযোগী হতে চাইলে শত শত সম্ভাবনার দরজায় তালা লাগাতে হবে। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিল্পী, বিজ্ঞানী, দার্শনিকেরা সবাই অপ্রয়োজনীয় কিছু বর্জন করেছেন, তবেই তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব গড়ে তুলতে পেরেছেন।

‘না’ বলতে না পারলে মানসিক প্রশান্তি নষ্ট হয়। আমরা যদি সবকিছুর ভার কাঁধে নিতে থাকি, তাহলে ক্লান্ত হয়ে পড়ব। অবাঞ্ছিত চাহিদার বোঝা আমাদের স্বস্তি কেড়ে নেয়।
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, অপ্রয়োজনীয় কাজের প্রস্তাবে ‘না’ বলতে শেখার মধ্যেই লুকিয়ে আছে মানসিক শান্তির রহস্য।

জীবনে ভারসাম্য আনতে হলে জানতে হবে, কোথায় ‘না’ বলতে হবে। এতে সময় অপচয় কমে, সম্পর্কের জট খুলতে শুরু করে, স্বপ্নগুলো বাস্তব হতে থাকে। সুখী মানুষরা কেবল যা প্রয়োজন, সেটাই আঁকড়ে ধরেন—বাকি সবকিছুকে মুক্ত করে দেন।

জীবন সাগরে যদি মুক্তি খুঁজতে চাও, তবে নুড়িপাথর সরিয়ে ফেলতে হবে। যদি প্রতিটি ঢেউকে আঁকড়ে ধরো, তবে তীরে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই সময় থাকতে ভাবো—কী তোমার সত্যিকারের উদ্দেশ্য? কী তোমাকে শান্তি দেয়? কী তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে? আর কী কেবলই বোঝা হয়ে আছে?

জীবনকে সহজ, সুন্দর, সার্থক, এবং পরিপূর্ণ করতে শিখো—
যেখানে প্রয়োজন, সেখানে নির্দ্বিধায় বলো— ‘না’!

কিন্তু সত্যিই কি আমরা ‘না’ বলতে জানি? না বলার পর অপরাধবোধে ভুগি কি না? সব ‘না’ কি ভালো? কখন ‘না’ বলা উচিত, আর কখন ‘হ্যাঁ’ বলাটাই শ্রেয়? জীবন কি শুধুই বাছাইয়ের খেলা, নাকি তার চেয়েও গভীর কিছু? তোমার অভিজ্ঞতা কী বলে?

( সংগৃহীত)

 #১৯৭১ 🥀🪔🌿 মেয়েদের কারও লাশের স্তন পাইনি, যোনিপথ ক্ষত-বিক্ষত এবং পিছনের মাংস কাটা দেখেছি। মেয়েদের লাশ দেখে মনে হয়েছে ...
17/02/2025

#১৯৭১ 🥀🪔🌿
মেয়েদের কারও লাশের স্তন পাইনি, যোনিপথ ক্ষত-বিক্ষত এবং পিছনের মাংস কাটা দেখেছি। মেয়েদের লাশ দেখে মনে হয়েছে - তাদের হত্যা করার পূর্বে স্তন জোরপূর্বক টেনে ছিঁড়ে নেয়া হয়েছে, যোনিপথে বন্দুকের নল বা লোহার রড ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে"/- ঢাকা পৌরসভার ছন্নুডোম, ২৯ মার্চের অভিজ্ঞতা বর্ননার অংশবিশেষ! /"
★ " আমাদের সংস্থায় আসা ধর্ষণের শিকার নারীদের প্রায় সবারই ছিল ক্ষত - বিক্ষত যৌনাঙ্গ।
বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ছিরে ফেলা রক্তাক্ত যোনিপথ, দাঁত দিয়ে ছিরে ফেলা স্তন, বেয়োনেট দিয়ে কেটে ফেলা স্তন-উরু এবং পশ্চাৎদেশে ছরির আঘাত নিয়ে নারীরা পুনর্বাসন কেন্দ্রে আসতো।"
- মালেকা খান, যুদ্ধের পর পুনর্বাসন সংস্থায় ধর্ষণের শিকার নারীদের নিবন্ধীকরণে যুক্ত সমাজকমী'।
★ "যুদ্ধ শেষে ক্যাম্প থেকে কয়েকটি কাঁচের জার উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে ফরমালিনে সংরক্ষিত ছিল মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন অংশ। অংশগুলো কাটা হয়েছিলো খুব নিখুঁতভাবে। "
-ডা: বিকাশ চত্রুবতী', খুলনা।
★ "কোনো কোনো মেয়েকে পাকসেনারা এক রাতে ৮০ বারও ধর্ষণ করেছে।"
-সুসান ব্রাউনি মিলার (এগেইনেস্ট আওয়ার উইল: ম্যান, উইম্যান এন্ড রেপঃ ৮৩)
★ "এক একটি গণধর্ষণে ৮/১০ থেকে শুরু করে ১০০ জন পাকসেনাও অংশ নিয়েছে।"
-ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির গ্রন্থ “যুদ্ধ ও নারী”
★ " মার্চে' মিরপুরের একটি বাড়ী থেকে পরিবারের সবাইকে ধরে আনা হয় এবং কাপড় খুলতে বলা হয়। তারা এতে রাজি না হলে বাবা ও ছেলেকে আদেশ করা হয় যথাক্রমে মেয়ে ও মাকে ধর্ষণ করতে। এতেও তারা রাজি না হলে প্রথমে বাবা ও ছেলেকে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয় এবং মা মেয়ে দুজনকে দুজনের চুলের সাথে বেধেঁ উলঙ্গ অবস্থায় টানতে টানতে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।"
- মো: নরুল ইসলাম, বাটিয়ামারা কুমারখালি।
★ উলঙ্গ মেয়েদেরকে গরুর মত লাথি মারতে মারতে, পশুর মত পিটাতে পিটাতে উপরে হেডকোয়ার্টারে দোতলা, তেতলা ও চারতলায় উলঙ্গ অবস্থায় দাঁড় করিয়ে রাখা হতো।
পাঞ্জাবী সেনারা চলে যাওয়ার সময় লাথি মারতে মারতে আবারো কামরার ভেতর ঢুকিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখতো। বহু যুবতীকে হেডকোয়ার্টারের ওপরের তলার বারান্দায় মোটা লোহার তারের ওপর চুলবেধেঁ ঝুলিয়ে রাখা হতো। পাঞ্জাবীরা সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতো।
এসে ঝুলন্ত উলঙ্গ যুবতীদের কোমরের মাংস বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করতো; কেউ তাদের বক্ষের স্তন কেটে নিয়ে যেত; কেউ হাসতে হাসতে তাদের যোনিপথে লাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে বিকৃত আনন্দ উপভোগ করতো; কেউ ধারালো চাকু দিয়ে কোন যুবতীর পাছার মাংস আস্তে আস্তে কাঁটতো; কেউ চেয়ারে দাঁড়িয়ে উন্নত বক্ষ নারীদের স্তনে মুখ লাগিয়ে ধারালো দাঁত দিয়ে স্তনের মাংস কামড়ে তুলে নিয়ে আনন্দে অট্টহাসি করতো !!! কোনো মেয়ে এসব অত্যাচারে চিৎকার করলে তার যোনিপথে লোহার রড ঢুকিয়ে দিয়ে তৎক্ষণাৎ হত্যা করা হতো। প্রতিটি মেয়ের হাত পিছনের দিকে বাধা থাকতো। মাঝে মাঝে পাকিস্তানি সৈন্যরা সেখানে এসে উলঙ্গ ঝুলন্ত মেয়েদেরকে এলোপাতাড়ি বেদম প্রহার করতো। প্রতিদিনের এমন বিরামহীন অত্যাচারে মেয়েদের মাংস ফেটে রক্ত ঝরছিল; কারও মুখেই সামনের দিকে দাঁত ছিল না; ঠোঁটের দুদিকের মাংস কামড়ে এবং টেনে ছিড়ে ফেলা হয়েছিল; লাঠি ও লোহার রডের বেদম পিটুনিতে মেয়েদের আঙুল, হাতের তালু ভেঙে থেঁতলে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল ! এসব অত্যাচারিত ও লাঞ্ছিত মেয়েদেরকে প্রস্রাব পায়খানা করার জন্যেও হাত ও চুলের বাঁধন খুলে দেয়া হতো না। এমন ঝুলন্ত আর উলঙ্গ অবস্থাতেই তাদের প্রস্রাব পায়খানা করতো হতো। আমি প্রতিদিন সেখানে গিয়ে এসব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতাম "/ - সুইপার রাবেয়া, ৭১ এর অভিজ্ঞতা বর্ননায় ! /"
★ একদিন রাজাকারদের হাতে ধরা পড়ল এক বিধবা পল্লীবালা ভাগীরথী। তাকে নিয়ে এল পিরোজপুর সামরিক ক্যাম্পে। খান সেনারা এবার ভাগীরথীর উপর তাদের হিংস্রতার আয়োজন করল।
এক হাট বারে তাকে শহরের রাস্তায় এনে দাড় করানো হল জনবহুল চৌমাথায়। সেখানে প্রকাশ্যেতার অংগাবরন খুলে ফেলল কয়েকজন খান সেনা। তারপরদু'গাছি দড়ি ওর দু'পায়ে বেধে একটি জীপে বেধে জ্যান্ত শহরের রাস্তায় টেনে বেড়াল ওরা মহাউৎসবে। ঘন্টাখানেক রাজপথ পরিক্রমার পর আবার যখন ফিরে এল সেই চৌমাথায় তখনও তার দেহে প্রাণের স্পন্দন রয়েছে। এবার তারা দুটি পা দু'টি জীপের সাথে বেধে নিল এবং জীপ দুটিকে চালিয়ে দিল বিপরীত দিকে। ভাগীরথী দু'ভাগ হয়ে গেল। সেই দু'ভাগ দু'জীপে আবার শহর পরিক্রমা শেষ করে জল্লাদ খানরা আবার ফিরে এল সেই চৌমাথায় এবং এখানেই ফেলে রেখে গেল সেই বিকৃত মাংসগুলো।
একদিন-দুদিন করে মাংসগুলো ঐ রাস্তার সাথেই একাকার হয়ে গেল একসময়। বাংলা মায়ের ভাগীরথী আবার এমনিভাবে মিশে গেল বাংলার ধুলিকণার সাথে। কেবল ভাগীরথী নয়, আরো দু' জন মুক্তিযোদ্ধাকে ওরা এভাবেই হত্যা করেছে পিরোজপুর শহরে।“
—দৈনিক আজাদ, ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২।
★ পাঞ্জাবী, বিহারী ও পশ্চিম পাকিস্থানী পুলিশ জিভ চাটতে চাটতে ট্রাকের সামনে এসে মেয়েদের টেঁনে হিঁচড়ে নামিয়ে নিয়ে তৎক্ষণাৎ কাপড় চোপড় খুলে নিয়ে উলঙ্গ করে আমাদের চোখের সামনেই মাটিতে ফেলে কুকুরের মত ধর্ষণ করতো।
সারাদিন নির্বিচারে ধর্ষণ করার পর বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার বিল্ডিং এর ওপর উলঙ্গ করে লম্বা লোহার রডের সাথে চুল বেধে রাখা হতো। রাতে এসব নিরীহ বাঙালী নারীর ওপর অবিরাম ধর্ষণ চালানো হতো। গভীর রাতে মেয়েদের ভয়াল চিৎকারে ঘুম ভেঙে যেত। ভয়ংকর, আতঙ্কিত আর্তনাদ ভেসে আসতো- ‘বাঁচাও, আমাদের বাঁচাও, পানি দাও, একফোঁটা পানি দাও, পানি...
পানি....’!!!"/ - রাজারবাগ পুলিশ লাইনের আর্মস্ এসআই, বিআরপি সুবেদার খলিলুর রহমান।
★ বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে লাখের বেশি শহীদের রক্তের বিনিময়ে, বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে লাখের বেশি মা বোন বীরাঙ্গনার ইজ্জতের বিনিময়ে। বাংলাদেশের জন্মের সাথেই পাকিস্তান ও পাকিস্তানের দালাল বিহারী, জামায়াত - শিবির - রাজাকারদের প্রতি ঘৃনা ছিলো, আছে এবং থাকবে।
বিহারী ও জামায়াত - শিবির, রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা হলো বাংলাদেশী হওয়ার একটি মৌলিক উপাদান।
বিহারী ও জামায়াত - শিবির, রাজাকারদের প্রতি যার ঘৃণা নেই সে নিশ্চিত ১৯৭১ এর জঘন্য অপরাধ গুলোকে সমর্থন করে।
বিহারী ও জামায়াত - শিবির, রাজাকারদের প্রতি যার ঘৃনা নেই সে নিশ্চিত ১৯৭১ থেকে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ বিরোধী জঘন্য অপরাধ গুলোকে সমর্থন করে।
সুতরাং পাকিস্তান ও পাকিস্তানের দালালদের জন্য যার ঘৃণা নেই সে বাংলাদেশী নয় এবং সে বাংলাদেশী হতেও পারবেনা কোনোদিন।
_____________
লিখেছেনঃ
★ সাইন্সার এক্সক্লুভাস রুমেল,
( গবেষক, উদ্ভাবক ও বিজ্ঞানী। )
______________
তথ্যসূত্রঃ
★ [উৎস: বই:: ১) মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র
২) বীরাঙ্গনা ১৯৭১ -মুনতাসীর মামুন]

 #মহানায়িকা_সুচিত্রা_সেনের_প্রয়াণ_দিবসে_বিনম্র_শ্রদ্ধাঞ্জলি!!! সুচিত্রা সেন (৬ এপ্রিল ১৯৩১- ১৭ জানুয়ারি ২০১৪) একজন ভারত...
17/01/2025

#মহানায়িকা_সুচিত্রা_সেনের_প্রয়াণ_দিবসে_বিনম্র_শ্রদ্ধাঞ্জলি!!!

সুচিত্রা সেন (৬ এপ্রিল ১৯৩১- ১৭ জানুয়ারি ২০১৪) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ছিলেন। তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে সাত পাকে বাঁধা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সুচিত্রা সেন "সেরা অভিনেত্রীর জন্য রোপ্য পুরস্কার" জয় করেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন।

১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে। শোনা যায়, ২০০৫ সালে তাকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল; কিন্তু সুচিত্রা সেন জনসমক্ষে আসতে চান না বলে এই পুরস্কার গ্রহণ করেননি। ২০১২ সালে তাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়।

সুচিত্রা সেন 1952 সালে শেষ কথায় চলচ্চিত্রে তার আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু এটি কখনই মুক্তি পায়নি। পরের বছর নির্মল দে-র চলচ্চিত্র সারে চুয়াত্তরে উত্তম কুমারের বিপরীতে অভিনয় করেন। এটি একটি বক্স-অফিস হিট ছিল এবং একটি প্রধান জুটি হিসাবে উত্তম-সুচিত্রাকে লঞ্চ করার জন্য স্মরণ করা হয়। তারা 20 বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সিনেমার আইকন হয়ে উঠেছে, তাদের কাছে প্রায় একটি ধারায় পরিণত হয়েছে।
সুচিত্রা সেন উত্তম কুমারের সাথে তার ৬০টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ৩০টিতে অভিনয় করেছেন। রাজনৈতিক কারণে দিলীপ কুমার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন।
এবং বৈজয়ন্তীমালা দেবদাস (1955) এর জন্য সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন কিন্তু সেন এই চলচ্চিত্রের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হননি। এটি ছিল

তার প্রথম হিন্দি সিনেমা। তার বাংলা মেলোড্রামা এবং রোম্যান্স, বিশেষ করে উত্তম কুমারের সাথে, তাকে সর্বকালের সবচেয়ে বিখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী করে তুলেছে।
🌿🥀🙏❤️🪔❤️🙏🥀🌿

17/01/2025

#অনাকাঙ্ক্ষিত_জীবনের_গল্প 🥀🌿

আমার ছাত্রী অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম তাঁর আম্মু একটা ছেলের সাথে খুব অন্ত*রঙ্গ হয়ে বসে আছে। আমি তাদের দুজনকে দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। আমাকে দেখে তারা নিজেরাও নিজেদেরকে গুছিয়ে নিলো। আসলে মানুষের আসল চেহারাটা বুঝা যায় না। অবনির মা যে এরকম একটা খারাপ কাজ করতে পারে এটা কখনো আমার ভাবনায় আসেনি। তবে চাহিদার প্রয়োজনে মানুষ অনেক জ*ঘন্য কাজও করে থাকে। নিজের থেকে বয়সে অনেক ছোট ছেলের সাথেও মানুষ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে সেটা আমি আজ বুঝলাম। আমি কিছু বলার আগেই অবনির মা আমাকে বলল,অবনি তো এখনো স্কুল থেকে ফেরেনি। আর আজ তুমি এতো আগেই পড়াতে আসবে সেটা বলবে না?

তখন আমি বললাম আজ মাসের শেষ তারিখ। তাই একটু আগেই পড়াতে এসেছি,টাকাটাও দরকার ছিলো।"

তখন অবনিরা মা বলল,
আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি বসো আমি টাকা নিয়ে আসছি।"

কিছুক্ষণ পর অবনির মা এসে আমার হাতে দশ হাজার টাকা দিয়ে বলল,

"ও হচ্ছে আমার খালাতো ভাই সুজন। অবনিকে ওর কথা বলার দরকার নেই। তোমাকে অগ্রিম মাসের টাকাটাও দিয়ে দিলাম। তোমার নাকি টাকার সমস্যা বলেছিলে। আজকে পড়াতে হবে না তুমি বরং কালকে এসো।"

টাকাটা নিয়ে আমি চলে আসি। অবনিকে পড়াই আজ ছয়মাস হতে চলল। সত্যি বলতে অবনিকে আমি টাকার জন্যই পড়াই। অবনির বাবার টাকা পয়সার কোনো অভাব নেই। তাঁর বাবা বিদেশ থাকেন তাই আমাকে মাস শেষে পাঁচ হাজার টাকা দিতে কোনো সমস্যা হয় না। দশ হাজার টাকা পেয়ে সেখান থেকে মাকে চার হাজার টাকা দিলাম। আর বোনকে এক হাজার টাকা। বাকিগুলো আমার প্রয়োজনে কাজে লাগাবো রেখে দিলাম। মাকে দেওয়া এটা আমার প্রথম কোনো উপহার। আমি এর আগে কখনো মাকে টাকা দেইনি। টাকা দেওয়ার পর মায়ের চোখে যে আনন্দটা দেখেছিলাম সেটার কাছে পৃথিবীর সব আনন্দ তুচ্ছ। এক হাজার টাকা পেয়ে আমার বোন এতোটা খুশি হবে ভাবিনি। কিন্তু যখন টাকা পেয়ে সে আমাকে খুশিতে জড়িয়ে ধরে ভাইয়া বলল। তখন মনে হলো এমন বোনের জন্য জীবনে কিছু করতে না পারলে জীবনের কাছে ঋণী থেকে যাবো।

পরের দিন অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম অবনি খুব সুন্দর করে সেজেছে। আকাশী রঙের শাড়িতে মেয়েটাকে অন্য দিনের চেয়ে আজ একটু বেশিই সুন্দর লাগছে। তাই পড়ানোর সময় তাঁর দিক থেকে কেনো জানি চোখ সরাতে পারছিলাম না। আমার এমন অবস্থা দেখে অবনি বলল,

"স্যার আপনার কি কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে?"

নিজের ছাত্রীর মুখে এমন প্রশ্ন শুনে কিছুটা আনইজি ফিল করলাম। তারপরেও ধমকের শুরু বললাম।

"এসব কি প্রশ্ন? আমার গার্লফ্রেন্ড দিয়ে তুমি কি করবে? বাচ্চাদের এসব জানতে হয় না। তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ দাও।"

তখন অবনি বলল,

"কে পিচ্চি? দেখেন আমি কতো বড় হয়ে গিয়েছি। আর ক্লাস নাইনে পড়া একটা মেয়েকে বাচ্চা বলা মোটেও উচিত না। আমার এক বান্ধবির বিয়ে হয়েছে,বাচ্চার মাও হয়ে গেছে। আর আপনি আমাকে বাচ্চা বলছেন।"

অবনির কথায় ঠিক। অবনিকে আজ মোটেও বাচ্চা বাচ্চা লাগছে না। বড়ই মনে হচ্ছে। শাড়ি পড়লে ছোট মেয়েদেরকেও অনেক বড় মনে হয়। অবনিকেও আজ বড়দের মতোই মনে হচ্ছে। আমি অবনির কথা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পারলাম না। অবনি আবার জিগ্যেস করলো।

"স্যার আপনি কিন্তু বললেন না,আপনার কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে নাকি?"

তখন বাঁধ্য হয়ে বললাম।

"ছিলো একসময় তবে এখন নেই। এবার খুশি তুমি? তোমার প্রশ্নের উত্তর খুুঁজে পেয়েছো।"

তখন অবনির চোখেমুখে অনেক আনন্দ দেখতে পেলাম। আমার গার্লফ্রেন্ড নেই শুনে অবনি এতোটা খুশি হলো কেনো বুঝতে পারলাম না।

প্রায় ছয় মাস পর হঠাৎ করেই জানতে পারলাম অবনির মা প্রেগন্যান্ট। এমন অবস্থায় সব জায়গায় জানাজানি হয়ে গেলো। যেহেতু অবনিদের বাসায় আমি বাদে আর কোনো ছেলে যাওয়া আসা করতো না তাই সবাই আমার দিকে আঙুল তুলতে লাগলো,আমাকে সন্দেহ করতে লাগলো। অবনির মা যখন আমাকেই দোষ দিলো তখন আমার মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো। অবনির মা নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমার নামে যে এতো বড় একটা মিথ্যা কথা বলবে আমি কখনো কল্পনা করিনি। অবনির সামনে সেদিন কি লজ্জাটাই না পেয়েছিলাম। কোনো অপরাধ না করেও আমি অবনির চোখের দিকে তাকাতে পারিনি। অবনি অনেক ঘৃণা নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। সে কাঁদতে কাঁদতে যখন বলল।

"স্যার আপনি চাইলে তো আমিই আপনাকে এই সুখটা দিতাম। আপনাকে আমি ভালোবাসতাম। আর আপনি কিনা আমার মায়ের সাথেই এটা করলেন? আপনার প্রতি যে রেসপেক্ট ছিলো সেটা আপনি রাখেননি। আপনি কখনোই একজন শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।"

কথা গুলোই বলেই অবনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমিও চলে আসি। এলাকার সবাই জেনে গিয়েছে বিষয়টা। তাই লজ্জায় কারো সামনে যেতে পারতাম না। বাসায়ও চুপচাপ থাকতাম,মা বাবা বোন কেউ আমার সাথে আগের মতো কথা বলে না। আমার জীবনটা যেনো একাকিত্বের এক নরকে পরিণত হলো। ঠিক এমন সময় আমার নরকীয় জীবনটাকে আরও বিষাক্ত করে তুলতে ফোন দিলো আমার প্রাক্তন।

মিলির সাথে আমার দুই বছরের সম্পর্ক ছিলো। হঠাৎ করেই একদিন প্রচণ্ড রাগারাগি হলো দুজনের মাঝে। সেদিনই ব্রেকআপ করলাম আমরা। তারপরে আমি আর তাকে কোনোদিন ফোন দেইনি। কারণ আমি আমার ইগোর সাথে কখনো আপোষ করতে চাইনি। সেও কখনো ফোন দেয়নি। আজ এতোদিন পর কেনো ফোন দিলো সেটার কারণ খুঁজতে গেলাম না। ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসলো চির পরিচিত সেই কণ্ঠস্বর।

"তোমার সাথে বিচ্ছেদ হয়ে ভালোই হয়েছে। এমন একটা কাজ করবে কখনো ভাবিনি।"

"আমি ভেবেছিলাম এতোদিন পর ফোন দিয়ে তুমি জানতে চাইবে আমি কেমন আছি? কিন্তু তা না করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছো? এটা বলার জন্যই কি ফোন দিয়েছো?"

"সেটা বলার প্রয়োজন মনে হয়নি কারণ তুমি ভালোই আছো। সেজন্যই হয়তো নিজের থেকে বয়সে অনেক বড় একটা মেয়ের সাথেও অবৈধ সম্পর্কে জড়াতে পেরেছো। ভালো না থাকলে মানুষ এমন কাজ করতে পারে? বল।"

"আর সবাই না হয় আমার সম্পর্কে জানে না তাই এমনটা বলছে। কিন্তু তুমি তো আমার সম্পর্কে সব জানো,আমাকে চেনো আমি কেমন মানুষ। তারপরেও এমনটা বললে? তোমার সাথে তো দুইটা বছর রিলেশন করেছি কখনো তো একটা চুমুও খেতে চাইনি তোমাকে। তুমিই বল,তোমার সাথে যদি আমি ফিজিক্যাল রিলেশন করতে চাইতাম তাহলে কি তুমি না করতে? আমার তো মনে হয় না তুমি না করতে। যেখানে তোমার মতো মেয়ের সাথে এমনটা করিনি সেখানে আমার থেকে বয়সে বড় একটা মহিলার সাথে এটা করবো কি করে ভাবলে তুমি?"

ঠিক এমন সময় বাবা আমার রুমে এসে পড়ায় আমি ফোনটা কেটে দিলাম। দীর্ঘ দুইমাস পর আমার রুমে কেউ আসলো,আমার সাথে কেউ কথা বলল। আমার তো ভালো লাগার কথা,খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু আমি খুশি হতে পারলাম না বরং বাবার কথাগুলো শুনে চোখের পানিটাকে অনেক চেষ্টা করেও ধরে রাখতে পারলাম না।

বাবা যখন বললেন,

"কয়েকদিন পর তোর বোনকে দেখতে আসবে। আমি চাই না তোর কারণে আমার মেয়ের বিয়েটা ভেঙে যাক। তুই এক বছরের জন্য এই বাড়ি থেকে চলে যা। সবাই জানবে তোকে আমরা ত্যা'জ্যপুত্র করেছি। তোর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। একবছরে যদি কিছু করতে না পারিস,নিজের বেঁচে থাকার মতো অবস্থা তৈরি করতে না পারিস তাহলে চলে আসিস। তখন তোর বোনের বিয়ে হয়ে যাবে। তাই আর কোনো সমস্যা হবে না। তবে আমি চাইবো না তুই আর কখনো এই বাড়িতে ফিরে আস। তোর কারণে আমি আমার মান সম্মান সব হারিয়েছি। কাজটা করার আগে তোর ভাবা উচিত ছিলো তোর সাথে তোর পরিবারের মানসম্মানটাও মিশে আসে। যাইহোক তোর মাকে আমি এখনো কথাটা বলিনি। তুই চলে যাওয়ার পরেই বলবো। আজ রাতেই চলে যাবি। তোর মা কিংবা বোনের সাথে দেখার করার দরকার নেই। টাকা লাগলে বল,দিয়ে দিবো।"

আমি কিছু বলতে পারলাম না। আমি জীবনে কোনোদিনও চিন্তা করিনি আমার বাবা আমার প্রতি এতো কঠোর হবেন কখনো। কাঁদতে কাঁদতে শুধু বললাম।

"না কোনো টাকা লাগবে না।"

আমি লক্ষ্য করলাম আমার কান্না ভেজা কণ্ঠটাও বাবার ভিতরটাকে নাড়া দিতে পারলো না। বাবা আমার রুম থেকে চলে গেলেন।

ফোনের দিকে তাকাতেই দেখলাম একুশবার ফোন দিয়েছে মিলি। এখনো দিয়েই যাচ্ছে। তাঁর ফোনটা ধরতে ইচ্ছে করছিলো না। কারণ সবকিছু গোছগাছ করতে হবে,আজকেই বাবা আমাকে চলে যেতে বলেছেন। জানি না কোথায় যাবো,যাওয়ার মতো তেমন কোনো জায়গাও নেই। তবে যেতো তো হবে। পৃথিবীটা তো অনেক বড়,কোথাও না কোথাও তো জায়গা হবে?

চলবে..........

 #জীবন_ছোট_ব্যাপ্তি_অসীম 🥀❤️🙏🌹ভাবুন তো, সবকিছু ছেড়ে এমন এক জীবনের পথে হাঁটছেন যেখানে কোনও পরিচয়ের শৃঙ্খল নেই, কোনও চাহ...
17/01/2025

#জীবন_ছোট_ব্যাপ্তি_অসীম 🥀❤️🙏🌹

ভাবুন তো, সবকিছু ছেড়ে এমন এক জীবনের পথে হাঁটছেন যেখানে কোনও পরিচয়ের শৃঙ্খল নেই, কোনও চাহিদার শিকল নেই! এমনই একজন হলেন অভয় সিং, হরিয়ানার ছেলে। তিনি একসময় আইআইটি মুম্বাইয়ে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন। তারপর ডিজাইন নিয়ে মাস্টার্স, ফিজিক্স পড়ানো, বই লেখা, ট্রাভেল ফটোগ্রাফি... আর শেষে সন্ন্যাস! তার জীবন যেন এক রঙিন মলাটে মোড়ানো বই, প্রতিটি অধ্যায়ই নতুন চমক।

👉 প্রথম ছবিতে তার হ্যান্ডসাম, কম বয়সের ছবি।
👉 দ্বিতীয় ছবিতে দেখা যায় কুম্ভ মেলার ভিড়ে সন্ন্যাসীর বেশে!
এখন তিনি পরিচিত ‘আইআইটি বাবা’ নামে।

তিনি বলেন, “থ্রি ইডিয়টসের মতো প্যাশন ফলো করে আমি ট্রাভেল ফটোগ্রাফার হয়েছিলাম। মানালি থেকে ২০০০ কিমি হেঁটে চারধাম দর্শন করেছি।” তার কথায় স্পষ্ট, জীবনের অর্থ বোঝা সম্ভব কেবল অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।

অভয়ের আরেকটি সহজ কথা আমাদের গভীরভাবে ভাবায়—“ছোট ছোট বিষয় জানা দরকার। রান্না করতে না পারাটা গর্বের বিষয় নয়, এটা ব্যর্থতা।” তার জীবনশৈলী আমাদের শেখায় জীবনে ছোট বিষয়গুলিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অভয় স্পষ্ট করে বলেছেন, “লোক তো বলবেই। তাতে আমার কিছু যায় আসে না।” একবার ধ্যান করতেন বলে তার পরিবারের লোকজন পুলিশ ডাকেন! পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।
অভয় মজা করে বলেন, “ভালোই হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে পালানোর পাপবোধ আর নেই। ওরাই আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছে।”

ধর্ম, রাজনীতি, বর্ণ ইত্যাদি বিষয়ে তার বক্তব্য আরও গভীর। তিনি বলেন, “প্রত্যেকটি বিষয় আলাদা, কিন্তু তাদের তুলনা করা উচিত নয়। সবাই একসঙ্গে থাকলে তবেই জীবনে সত্যিকারের আনন্দ।”

তিনি একটি সমস্যার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন—“বড়রা ভাবে তারাই সব জানেন। বাবা যদি ক্লাস ১০ পাশ হন, তবু মনে করেন তিনি সন্তানের থেকে বেশি জানেন। এটা ঠিক নয়। বরং বলা উচিত, ‘আমি সব জানি না, এতটুকুই জানি।’”

কেউ কেউ হয়তো বলবেন, অভয় আইআইটি-র একটি সিট নষ্ট করেছেন। কিন্তু তার সোজাসাপ্টা উত্তর, “জীবন উপভোগ করতে পারাটাই আসল। কাউকে ঠকাইনি, কারও ক্ষতি করিনি। নিজের মতো জীবন কাটিয়েছি।” তার হাসি, গভীর চিন্তা, আর সরল জীবনযাত্রা শেখায় যে জীবনের প্রতিটি বাঁকেই আনন্দ খুঁজে নেওয়া যায়।

✨ অভয় সিং-এর বার্তা আমাদের জন্য

তিনি আমাদের বলেন, “মন খুলে হাসুন। জীবন ছোট। এটাকে হেলায় কাটিয়ে দিন।”
🥀🌹🙏🌹🌿

 #প্লান্ট_বেস্ট_মিট’    সিঙ্গাপুরের একাধিক রেস্তুরাঁর মেনুতে যুক্ত করে দেয়া হোলো কৃত্রিম মাংস।  ভবিষ্যতে বিশ্ব জুড়ে এই ...
09/01/2025

#প্লান্ট_বেস্ট_মিট’

সিঙ্গাপুরের একাধিক রেস্তুরাঁর মেনুতে যুক্ত করে দেয়া হোলো কৃত্রিম মাংস। ভবিষ্যতে বিশ্ব জুড়ে এই কৃত্রিম
মাংসের চাহিদা বাড়বে বলে মনে করছেন গবেষকরা,
দামও নাগালের মধ্যে।

আমেরিকার স্টার্ট আপ সংস্থা ‘ইট জাস্ট’এর উদ্যোগেই কৃত্রিম মাংস তৈরি হচ্ছে। তারা মুরগির শরীর থেকে কোষ সংগ্রহ করে আপাতত কৃত্রিম মুরগির মাংসই তৈরি করেছে। প্রথমে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই তাদের এই পদক্ষেপ নিয়ে। তবে সিঙ্গাপুরের খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সম্প্রতি পরীক্ষা করে দেখে সেই কৃত্রিম মাংসে ছাড়পত্র দিয়েছে। এই সংস্থার সিইও জশ টেট্রিকের মতে, এই কৃত্রিম মাংস বিশ্ব খাদ্য বাজারে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। অন্যদিকে প্রাণী হত্যাও হবে বন্ধ। আগামী দিনে বিশ্বের সর্বত্র এই প্রক্রিয়ায় তৈরি মাংস সমাদর পাবে বলে আশা তার

বিশেষজ্ঞরা বহু দিন ধরেই সতর্ক করছেন মাংসের জোগান বাড়াতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। তাদের দাবি, মাংসের চাহিদা মেটাতে আলাদা করে পশু পালনও হচ্ছে। তাদের বর্জ্য থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস মিথেন আরও বাড়ছে। গাছ কেটে পশুচারণের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বন উজার করা হচ্ছে। ‘ইট জাস্ট’ নামক সংস্থাটি মনে করছে, তাদের তৈরি মাংস গোটা বিশ্বকে পথ দেখাবে। আপাতত কৃত্রিম উপায়ে শুধু মুরগির মাংস তৈরি করলেও আগামী দিনে কৃত্রিম উপায়ে গোমাংস থেকে অন্য সব ধরনের মাংস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

জানা গেছে, বাজারে মুরগির মাংসের যে দাম তার চেয়ে কম মূল্যেই পাওয়া যাবে কৃত্রিম মাংস। কৃত্রিম মাংস তৈরি করতে ১২০০ লিটার বায়োরিয়্যাক্টরসে প্রায় ২০ দফার পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়। মানবশরীরের পক্ষে তা কতটা নিরাপদ, মাংসের গুণমানই বা কেমন, তাও পরীক্ষা করে দেখা হয়। ২০৫০ সালের মধ্যে পুরো বিশ্বে মাংসের ভক্ষণ প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে বলে অনুমান করছে গবেষকরা। সেক্ষেত্রে এই কৃত্রিম মাংস সহায়ক হয়ে দাঁড়াবে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

অনেক জায়গায় বার্গার, প্যাটিসে এই ‘প্লান্ট বেস্ট মিট’ ব্যবহার করা হয়। তবে বলিউড দম্পতি রিতেশ দেশমুখ এবং জেনেলিয়া সম্প্রতি ভারতে ‘প্লান্ট বেস্ট মিট’ তৈরির সংস্থা স্থাপনের ঘোষণা করেছে। কৃত্রিম উপায়ে তৈরি এই মাংসে কোনোরকম মেলেনি বিপদের ইঙ্গিত। সব পরীক্ষা করে দেখেই অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘সিঙ্গাপুর ফুট এজেন্সি’।

তবে মাংসের বিকল্প হিসেবে বাজারে এরইমধ্যেই ‘প্লান্ট বেসড মিট’ এসে গিয়েছে, যা মূলত সয়া গাছের শিকড় থেকে তৈরি হয়। তাতে রং আনতে ব্যবহার করা হয় বিট। এছাড়াও নানা ধরনের প্রোটিন উপাদান ব্যবহার করা হয়।

সূত্র.. এশিয়া নেট (& bjn Wall)

 #আইনস্টাইনের_সঙ্গে_রবীন্দ্রনাথের_ডায়ালগ 🙏🌿আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) এবং রবীন্দ্রনাথ (১৮৬১-১৯৪১) সমকালীন বিশ্বে বিস্ময়কর দুই...
04/01/2025

#আইনস্টাইনের_সঙ্গে_রবীন্দ্রনাথের_ডায়ালগ 🙏🌿

আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) এবং রবীন্দ্রনাথ (১৮৬১-১৯৪১) সমকালীন বিশ্বে বিস্ময়কর দুই প্রতিভা। একজন বিজ্ঞানী, অন্যজন কবি। তাঁরা একাধিকবার সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেই সাক্ষাৎ জ্ঞানচর্চার পরম্পরায় উত্তরপ্রজন্মের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। কবিতা ও বিজ্ঞান পরস্পর বিপরীতধর্মী হলেও তাঁদের দুজনের মধ্যে ছিল নিবিড় সখ্যতা।

আইনস্টাইন বয়সে রবীন্দ্রনাথের ছোট। কিন্তু হলে কি হবে, জ্ঞানের গভীরতায় তাঁদের বয়সের দুরত্ব ঘুছে গিয়েছিল। আমরা আর্কাইভে রবীন্দ্রনাথ এবং আইনস্টাইনের বেশকিছু ছবি দেখে থাকব। যেখানে তাঁরা কখনো হেঁটে, কখনওবা মুখোমুখি বসে আলাপ করছিলেন। মূলত কৌতূহল থেকে এই দুই মনীষী সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছিলাম। তাঁদের মধ্যে কেমন সম্পর্ক ছিল। সাক্ষাতে তারা কি নিয়ে আলাপ করেছিলেন। মূলত সমসময়ে সৃজনশীল মানুষের মধ্যে যে পারস্পরিক আন্তঃসংযোগ জরুরি। সেটা অনুভব করতে গিয়ে এই লেখার অবতারণা।

রবীন্দ্রনাথ এবং আইনস্টাইনের মধ্যে মোট চারবার দেখা হয়েছিল। প্রথম দেখা হয় ১৯২৬ সালে। এসময় তাঁরা কি নিয়ে আলাপ করেছিলেন সে-সম্পর্কে বেশি কিছু জানা যায় না। তবে প্রথম দেখা হওয়ার পর তাদের মধ্যে পত্র-যোগাযোগ ছিল। চিঠির মাধ্যমে পরস্পরের জ্ঞানচর্চার খোঁজখবর নিতেন। চিঠিতে বিভিন্ন দর্শন ও মতবাদ নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা স্থান পেতো। রবীন্দ্রনাথকে উদ্দেশ্য করে আইনস্টাইনের সহস্তে লেখা দুটি পত্র এখনও শান্তি-নিকেতনের সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত আছে। যেগুলো জার্মান ভাষায় লেখা হয়েছিল।

তবে এরকম একটি কথা শোনা যায় যে, আইনস্টাইনের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ শেষে রবীন্দ্রনাথ যখন ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। তখন সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন,
'এইমাত্র আপনি একজন বিশ্ব-বিখ্যাত বিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বললেন, আপনার প্রতিক্রিয়া কী?'
রবীন্দ্রনাথ উত্তর দিলেন,
'আমি তো একজন বিশ্ববিখ্যাত কবির সঙ্গে কথা বললাম।'
এরপর সাংবাদিকরা আইনস্টাইনের সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন,
'আপনি একজন বিশ্বকবির সঙ্গে আলাপ করলেন, আপনার প্রতিক্রিয়া কী?'
আইনস্টাইন জবাব দিলেন, 'আমি কবির সঙ্গে কথা বলিনি, আমি একজন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বলেছি।'

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আইনস্টাইনের দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ হয়। সেসময় কবি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা শেষে বার্লিনে গিয়েছেন। তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি অমিয় চক্রবর্তী। বার্লিনের ক্যাপুথ (Caputh) নামক স্থানে আইনস্টাইন তাঁর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথকে আমন্ত্রণ করেন। সেখানে মুখোমুখি বসে তাঁরা শিল্প-সাহিত্য, সমকালীন বিশ্বপরিস্থিতি, সমাজ-সংস্কৃতি-সহ নানাবিষয়ে কথা বলেন। একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তৃতীয়বার এবং ডিসেম্বর মাসে চতুর্থবার তাঁরা নিউইয়র্ক এ দেখা করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘রেলিজ্যন অব ম্যান’ বা ‘মানবধর্ম’ বইয়ে আলাপচারিতাটি স্থান পেয়েছে। যেখানে তাঁরা দুজন বিজ্ঞান, বাস্তবতা, সৃষ্টি, সত্য, সৌন্দর্যবোধ, মানুষ ও মানবতা নিয়ে অন্তরঙ্গ আলাপ করেছেন।

(সংগৃহীত)

Address

Bagerhat

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Das Enterprise & Coing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category