Quranic Cure

Quranic Cure Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quranic Cure, Health Food Shop, Barishal.

Quranic Cure: রাসূল সা: এর নির্দেশিত চিকিৎসা পদ্ধতির আলোকে জ্বিন-জাদু ও বদ-নজর ইত্যাদি সমস্যার জন্য তাবিজ-কুফরি-শিরিকমুক্ত চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। অ্যাপয়েন্টমেন্ট/শিডিউল নিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।01991663988 (হোয়াটসঅ্যাপ )

বছরের পর বছর মেডিকেল চিকিৎসা নিচ্ছেন, কিন্তু রিপোর্ট নরমাল—তাহলে আসল সমস্যা কোথায়?দীর্ঘদিন মেডিকেল চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হ...
19/04/2026

বছরের পর বছর মেডিকেল চিকিৎসা নিচ্ছেন, কিন্তু রিপোর্ট নরমাল—তাহলে আসল সমস্যা কোথায়?

দীর্ঘদিন মেডিকেল চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হচ্ছেন না— কারণ আপনার শরীরে ভেতর জমে আছে শয়তানের অদৃশ্য শক্তিশালী গিঁট (عقد الأقدام)

বর্তমান সময়ে আমরা এমন একটি বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছি, যা অনেকেই বুঝতে পারছেন কিন্তু স্পষ্টভাবে বলতে পারছেন না। বিশেষ করে এই ধরনের সমস্যায় যারা ভুক্তভোগী—তারা বছরের পর বছর মেডিকেল চিকিৎসা নিচ্ছেন, সময় দিচ্ছেন, অর্থ ব্যয় করছেন—কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সুস্থতা পাচ্ছেন না। একের পর এক ডাক্তার, হাসপাতাল, টেস্ট—সব কিছু করার পরও যখন রিপোর্ট নরমাল আসে, তখন রোগী আরও বেশি হতাশ হয়ে পড়ে।

আমরা এখানে একটি বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—আমরা কখনোই বলি না যে মেডিকেল চিকিৎসা নিবেন না। বরং আমরা সব সময়ই বলি, মেডিকেল চিকিৎসকের যেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তেমনি ভাবে জ্বীন, জাদু, বদনজর ও হাসাদ কেন্দ্রিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ বাস্তবতা হলো—সব রোগ শুধুমাত্র মেডিকেল দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

আমাদের কাছে আসা অসংখ্য রোগীর মধ্যে একটি বড় অংশ এমন—যারা দীর্ঘদিন ধরে জয়েন্ট পেইন, মাসেল পেইন, মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন ইত্যাদি সমস্যায় ভুগছেন। তারা বহুবার টেস্ট করিয়েছেন—কিন্তু রিপোর্টে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তখন ডাক্তারদের পক্ষ থেকেও সীমাবদ্ধতা থাকে—কারণ রিপোর্টে কিছু না থাকলে চিকিৎসাও সাধারণত উপসর্গভিত্তিক হয়ে যায়।

ফলে রোগীকে দেওয়া হয় ব্যথার ঔষধ, ঘুমের ঔষধ, এবং বিভিন্ন নার্ভের ঔষধ—যা সাময়িকভাবে কিছুটা আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। এই ঔষধগুলোর সাইড ইফেক্টের কারণে অনেক সময় নতুন নতুন রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে—যেমন লিভার সমস্যা, থাইরয়েড সমস্যা, পিরিয়ড সমস্যা, কিডনির সমস্যা, এলার্জি, চুলকানি, শারীরিক দুর্বলতা, অলসতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, চেহারার পরিবর্তন, চুল পড়ে যাওয়া—এমনকি ধীরে ধীরে শরীরের স্বাভাবিক শক্তি কমে যেতে থাকে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে—এই ধরনের ব্যথাজনিত সমস্যা আসলে কেন হয়? আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং অসংখ্য কেস স্টাডির আলোকে দেখা যায়—অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই সমস্যাগুলোর পেছনে জ্বীন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব থাকে। শয়তানরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গিঁট বা বাঁধন তৈরি করে রাখে—যার কারণে শরীরে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা, চাপ, অস্বাভাবিক অনুভূতি এবং দুর্বলতা তৈরি হয়।

এই গিঁট বা বাঁধন থাকার কারণে অনেক সময় মেডিকেল চিকিৎসায় তেমন ফল পাওয়া যায় না। কারণ সমস্যার মূল উৎসটি শারীরিক নয়—বরং জ্বীন,জাদু বদনজর হাসাদ থেকে তৈরি। এজন্য প্রয়োজন এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা মূল সমস্যাকে টার্গেট করবে।

অনেকেই মনে করেন এই সমস্যাগুলোর চিকিৎসা খুব জটিল—কিন্তু বাস্তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে চিকিৎসা সহজ। বিশেষ করে মাইগ্রেন, মাথা ব্যথা, জয়েন্ট পেইন, মাসেল পেইন ইত্যাদি সমস্যার ক্ষেত্রে হিজামা চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকরী। এছাড়াও আকুপাংচার, আকুপ্রেশার, মাসাজ থেরাপি, ফায়ার কাপিং—এই ধরনের চিকিৎসাগুলোও অনেক উপকারী এবং এগুলোর কোনো ক্ষতিকর সাইড ইফেক্ট নেই, আলহামদুলিল্লাহ।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সঠিক রোগ নির্ণয়। এজন্য প্রথমে রুকইয়াহ করে ডায়াগনোসিস করতে হবে। এরপর রোগ অনুযায়ী রুকইয়াহ ট্রিটমেন্ট সেশন গ্রহণ করতে হবে। শরীরে জমে থাকা গিঁট ধ্বংসের জন্য তাদমির সেশন করা প্রয়োজন হতে পারে। এর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী হিজামা, ফায়ার কাপিং, মাসাজ কাপিং, মাসাজ থেরাপি, আকুপাংচার বা আকুপ্রেশার যুক্ত করলে চিকিৎসা আরও কার্যকর হয়।

তাই প্রত্যেক ভুক্তভোগীর উচিত—অন্তত একবার হলেও রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস সেশন করা। এতে নিশ্চিতভাবে বোঝা যাবে—তার মূল সমস্যা কী, এবং কোন পথে এগোলে সে সুস্থ হতে পারবে।

এখন আসি আমাদের পেইজে আসা কিছু বাস্তব কমেন্টের দিকে—

কমেন্ট নং ১:
“আমার হাতে এবং পায়ে শক্তি পাচ্ছি না, হাঁটতে কষ্ট হয়। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি, অনেক ঔষধ খেয়েছি, কোনো পরিবর্তন নেই। বিভিন্ন টেস্ট করেছি—বলেছে কোনো সমস্যা নেই। আমার করণীয় কী?”

কমেন্ট নং ২:
“আমার পায়ের হাঁটুর জয়েন্টসহ পুরো শরীরের সব জয়েন্ট খুলে আসার মতো হয়ে যাচ্ছে। কোনো ঔষধে কাজ করছে না। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি, অনেক টেস্ট করেছি—কিন্তু রিপোর্টে তেমন কিছু ধরা পড়েনি। দেশ ও দেশের বাইরে বড় বড় মেডিকেলে দেখিয়েছি। এটা থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারি?”

কমেন্ট নং ৩:
আমার হাতে এবং পায়ে শক্তি পাচ্ছি না হাটতে কষ্ট হয়।

কমেন্ট নং ৪:
পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ব্যাথা নিয়ে অনেক কষ্টে আছি আমার জন্য দোয়া করবেন।

কমেন্ট নং ৫:
আমার পুরা শরীর বেথা রাতে ঘুম হয়না, মাইগ্রেনের ব্যথা অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে ওষুধ খেয়েছি এবং মাথার সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে কোন সমস্যা নাই, কিন্তু কোন ভাবেই সুস্থ হচ্ছি না হুজর আমি কি সুস্থ হবো না? মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে আত্মহত করে মনে যাই কিন্তু এটা তো পাপ তাই করিনা, আমাকে পরামর্শ দিন প্লিজ

এগুলো শুধুমাত্র কয়েকটি উদাহরণ। বাস্তবে আমরা প্রতিনিয়ত এমন শত শত মেসেজ ও কমেন্ট পাচ্ছি। তাই সময় থাকতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি—শুধু উপসর্গ নয়, সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

✍️লেখা ওস্তাদ: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
Managing Director Senior Raqi Consultant and HijamaTherapist: Quranic Cure Ruqyah center
📿শরঈ রুকইয়াহ্ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে সরাসরি কল করুন 01991663988 (Call / Imo / WhatsApp)

ুকইয়াহ #মেডিকেল_বাস্তবতা #জয়েন্ট_পেইন #মাইগ্রেন #হিজামা_চিকিৎসা

🔥হিংসা, বিদ্বেষ ও গোপন শত্রুতার _____________বাস্তবচিত্র তুলে ধরা হলো।হিংসা একটি নীরব ঘাতক কিন্তু অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ব্যাধি...
04/03/2026

🔥হিংসা, বিদ্বেষ ও গোপন শত্রুতার
_____________বাস্তবচিত্র তুলে ধরা হলো।

হিংসা একটি নীরব ঘাতক কিন্তু অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ব্যাধি! যখন কোনো সম্প্রদায় বা কিছু মানুষ তোমার প্রতি হিংসা পোষণ করে, তখন তারা ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবেই তোমাকে অপছন্দ করতে শুরু করে। আর যখন তারা তোমাকে অপছন্দ করে, তখন তাদের অন্তরে ক্রোধ জমে ওঠে, হিংসা ও প্রতিহিংসা জন্ম নেয়, এবং তারা তোমার বিরুদ্ধে শত্রুতা পোষণ করতে থাকে। এরপর তারা তোমাকে ক্ষতি করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের পন্থা ব্যবহার করতে শুরু করে। তারা একের পর এক কৌশল অবলম্বন করে—কথায়, আচরণে, সম্পর্কে

যখন তাদের সব কৌশল ব্যর্থ হয়ে যায়, এবং তারা আর কোনোভাবে তোমার সরাসরি ক্ষতি করতে সক্ষম হয় না, তখন তারা আশ্রয় নেয় সবচেয়ে নিচু অস্ত্রের: মিথ্যা অপবাদ রটনোর আশ্রয় নেয়। তারা তোমার ওপর এমন সব দোষ চাপিয়ে দেয়, যেগুলোর সাথে তোমার কোনো সম্পর্কই নেই। কখনো তোমাকে কুৎসিত গুণে ভূষিত করে, কখনো এমন চরিত্রের সাথে যুক্ত করে দেয়—যা থেকে তুমি সম্পূর্ণ পবিত্র ও নির্দোষ। যেন সমাজের চোখে তোমাকে হেও করা যায়।

এই প্রসঙ্গে বিখ্যাত আলেম ইবনে আরাবী আল-মালিকী (রহ.) বলেছেন—“মানুষ যখন কারো মধ্যে প্রকৃত কোনো দোষ খুঁজে পায় না, অথচ হিংসা ও শত্রুতা তাদেরকে পরাস্ত করে ফেলে, তখন তারা নিজেরাই তার জন্য দোষ বানিয়ে নেয়।”
(গ্রন্থ: আল-আওয়াসিম মিনাল কাওয়াসিম, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৪৬৯)

দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা সত্য হলো—এই হিংসুকদের বড় একটি অধিকাংশ হচ্ছে নিকট আত্মীয়-স্বজনদের মধ্য থেকেই, অথবা এমন লোকদের মধ্য থেকে, যাদে`কে তুমি উপকার করেছে, কিংবা যারা তোমার সমপর্যায়ের সহকর্মী বা পরিচিতজন।

এই হিংসুকদের মধ্যে আবার পার্থক্য রয়েছে...

১। কিছু মানুষ প্রকাশ্যে শত্রুতা পোষণ করে যেমন-সবচেয়ে “সহজ” হিংসুক হলো সেই ব্যক্তি—যে প্রকাশ্যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, স্পষ্টভাবে নিজের শত্রুতা ও ঘৃণা ঘোষণা করে। সে তার অন্তরের রোগ গোপন করে না, বরং প্রকাশ করেই স্বস্তি পায়। এ ধরনের হিংসুক মানুষ তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর, কারণ তাদের অবস্থান স্পষ্ট।

২। কিছু মানুষ যে অন্তরে হিংসা ঘৃণা বিদ্বেষ গোপন করে রাখে যেমন- সবচেয়ে ভয়ংকর হিংসুক হলো সে—যে নিজের অন্তরের হিংসা, ঘৃণা ও বিদ্বেষ গোপন করে রাখে।
তুমি সামনে এলে সে হাসে, তোমাকে দেখে খুশির ভান করে, কুশল জিজ্ঞেস, করে ভালবাসার অভিনয় করে, তোমার সাথে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করে।

কিন্তু সে তোমার অনুপস্থিতিতে তোমার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে, তোমার সম্মান নষ্ট করে, তোমার নিয়ামত ধ্বংস হোক তারা— সে এই কামনা করে।

তোমার বিপদে সে আনন্দ পায়, তোমার কষ্টে সে তৃপ্তি খোঁজে, তোমার ছোটখাটো ব্যর্থতায় সে উল্লসিত হয়, আর তোমার পতনে সে সীমাহীন আনন্দ অনুভব করে।
এমন অবস্থায় যে ব্যক্তি হিংসার শিকার, তার উচিত মহানুভব হওয়া।

তার উচিত অপমানের জবাবে অপমান না করা।
হিংসুকদের কু-চিন্তা, নীচ মানসিকতা ও কদর্য চরিত্র নিয়ে তাদের সাথে তর্ক-বিতর্কে না জড়ানো, হিসাব চাইতে না যাওয়া।

কারণ মুখোমুখি সংঘর্ষ তাদের হিংসা আরও বেড়ে যায়, তারা আরও দূরে সরে যায়, তাদের অন্তরের আগুন আরও জ্বলে ওঠে। উল্টো তারা দাবি করবে—তাদের সম্মানহানি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে, এবং তারা তোমার কাছে ক্ষমা চাইবে। অর্থাৎ তারা নিজেদের অপরাধ থাকতে উল্টো তোমাকেই অভিযুক্ত করবে। পাশাপাশি শত্রুতা আরও গভীরভাবে করবে।

এ জন্য একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত—তাদের উপেক্ষা করা, তাদের দিকে তাকিয়েও না দেখা, তাদের নৈতিকতার স্তরে নেমে না যাওয়া, বরং নিজেকে তাদের ঊর্ধ্বে রাখা।

সে চেষ্টা করবে তাদের সাথে নম্র আচরণ করতে, সম্পর্ক বজায় রাখতে, বিশেষ করে যদি তারা আত্মীয়-স্বজন হয়। তবে সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো—তাদের সাথে নম্রতা ও ভদ্রতা, বজায় রেখে সম্পর্ক সীমিত করা শ্রেয়। অপ্রয়োজনীয় মেলামেশা কমিয়ে দেওয়া, সীমিত যোগাযোগ রাখা, এবং নিজের নিয়ামতগুলো যতটা সম্ভব গোপন রাখা—যাতে তাদের অন্তরের অশুভ প্রবৃত্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়।

আর যদি বিষয়টি আরও ভয়ংকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়—যদি তা ষড়যন্ত্র, ফাঁদ পাতা, গুপ্ত আক্রমণ, উসকানি, অপবাদ ছড়ানো পর্যন্ত গড়ায়,বরং এর চেয়েও ভয়াবহভাবে যদি তারা জাদুকর ও শয়তানদের সাহায্য নেওয়া শুরু করে,
তোমার জীবন, স্বাস্থ্য, সম্পদ ধ্বংস করার জন্য, পরিবার ভাঙার জন্য—তাহলে চুপচাপ তাদের জীবন থেকে সরে যাও, নীরবে দূরে চলে যাও।

নিজের সব বিষয় আল্লাহর হাতে সোপর্দ করো।
তাদের ছেড়ে দাও—তারা তাদের হিংসা, অন্তরের রোগ ও অপরাধে নিজেরাই পুড়ে মরুক। আল্লাহ তা`আলা সর্বোত্তম সাহায্যকারী আমাদের জন্য।

তুমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও—প্রত্যেক অশুভ আত্মা, প্রত্যেক হিংসা, জাদু, বিদ্বেষ ও শত্রুতা থেকে।

✍️লেখা ওস্তাদ: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
Managing Director Senior Raqi Consultant and HijamaTherapist: Quranic Cure

📿চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে সরাসরি কল করুন 01991663988 Call imo WhatsApp

তারাবির নামাজ আদায়ের পরে ওস্তাদ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان ওস্তাদ হাসান আজমী হাফি—দু’জন একটি বিশেষ প্রয়োজনীয় কাজে...
22/02/2026

তারাবির নামাজ আদায়ের পরে ওস্তাদ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان ওস্তাদ হাসান আজমী হাফি—দু’জন একটি বিশেষ প্রয়োজনীয় কাজের উদ্দেশ্যে সাইনবোর্ড এলাকায় যান। সেখান থেকে আমাদের কাজলা, যাত্রাবাড়ী চেম্বারে ফেরার সময় তারা অটোরিকশা (টেসলা) যোগে রওনা দেন। পথিমধ্যে রাস্তায় থাকা একটি ম্যানহোলের স্ল্যাবের সঙ্গে অটোরিকশার ধাক্কা লাগে। গাড়িটির গতি তুলনামূলক বেশি থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই ওস্তাদ রাকী রায়হান হাফির এক পা অটোর নিচে আটকে যায় এবং তার উরুর মাংসপেশিতে (থাই মাসল) প্রচণ্ড চাপ লাগে। আল্লাহ তাআলাই উত্তম হেফাজতকারী।

অপরদিকে, ওস্তাদ রাকি হাসান আজমী হাফির বাম চোখের ভ্রুর শুরুর অংশ থেকে কপালের মাঝামাঝি পর্যন্ত গভীরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, সেখানে সাত-আটটি সেলাই প্রয়োজন। এছাড়াও পায়ের কিছু অংশ কেটে গেছে।

🤲 আপনারা সকলে ওস্তাদের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করবেন—আল্লাহ তা`আলা যেন দ্রুত ও পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন। আমীন।

✍️ #এডমিন: Quranic Cure Ruqyah center (M.1)

⭕ মুসলিম কি অমুসলিমকে রুকইয়াহ করতে পারে?এবং কুরআন অস্বীকার করেও কি সে রুকইয়াহ থেকে উপকার পায়?মূলনীতি হিসেবে শরীয়তে ক...
19/02/2026

⭕ মুসলিম কি অমুসলিমকে রুকইয়াহ করতে পারে?
এবং কুরআন অস্বীকার করেও কি সে রুকইয়াহ থেকে উপকার পায়?

মূলনীতি হিসেবে শরীয়তে কোনো বাধা নেই যে একজন মুসলিম কুরআন ও শরয়ি রুকইয়াহ দ্বারা একজন অমুসলিমকে চিকিৎসা করতে পারবে না। বরং কুরআনের মাধ্যমে রুকইয়াহ করা অনেক সময় অমুসলিমদের জন্য একটি মহান দাওয়াহি সুযোগ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ বহু অমুসলিম প্রকৃত অর্থে ইসলামের সত্য রূপ সম্পর্কে জানেই না।

অনেক মানুষ জন্মসূত্রে কাফের। তাদের বাবা-মা ইহুদি, খ্রিস্টান বা অন্য ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে তারাও সেই ধর্মেই বেড়ে উঠেছে। তাদের কাছে ইসলাম পৌঁছেছে বিকৃতভাবে, শত্রুদের প্রচারিত ভুল ধারণার মাধ্যমে। অথচ তাদের হৃদয় নরম, বিবেক জীবিত এবং বুদ্ধি যথেষ্ট পরিপক্ব—যদি তারা ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য জানতে পারে, তবে তারা সত্য গ্রহণ করতে সক্ষম।

অনেক সময় আল্লাহ তা‘আলা এই ধরনের মানুষদেরকে শয়তানি রোগ, মানসিক অস্থিরতা বা অদৃশ্য সমস্যার মাধ্যমে কুরআনের দিকে নিয়ে আসেন। কুরআনের মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণই তাদের জন্য ইসলামের দরজায় পৌঁছানোর কারণ হয়ে যায়। এভাবে রুকইয়াহ শুধু চিকিৎসা নয়, বরং হিদায়াতের মাধ্যমও হতে পারে।

আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন—যদি কোনো মুশরিক আশ্রয় চায়, তবে তাকে আশ্রয় দিতে হবে, যাতে সে আল্লাহর বাণী শুনতে পারে। এরপর তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিতে হবে। কারণ তারা সত্য জানে না।

এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, কাফেরকে কুরআনের কথা শোনানোর সুযোগ তৈরি করাও এক ধরনের ইবাদত।

একজন অভিজ্ঞ ও আল্লাহভীরু রাকির উচিত এমন রোগীর প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হওয়া। তার রোগের ধরন, মানসিক অবস্থা ও বিশ্বাস অনুযায়ী উপযুক্ত আয়াত নির্বাচন করে দীর্ঘ সময় ধরে রুকইয়াহ করা উচিত, যাতে তার উপর থাকা শয়তানি প্রভাব দুর্বল হয় এবং তার অন্তরে ঈমানের বীজ রোপিত হয়।

অনেক সময় এমন ব্যক্তি সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করে না। কিন্তু তার ভেতরে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। নিজের শয়তানের সঙ্গে লড়াই, নিজের মনকে প্রশ্ন করা, সত্যের অনুসন্ধান—এসব ধীরে ধীরে তাকে ইসলামের দিকে নিয়ে আসে। বুক প্রশস্ত হয়, অন্তর নরম হয়, এবং একসময় সে হিদায়াতের পথে অগ্রসর হয়।

এজন্য রাকির উচিত তাকে কুরআনের অনুবাদ, ইসলামের মৌলিক পরিচয়মূলক বই উপহার দেওয়া। তার সঙ্গে সদাচরণ করা, সম্মান দেখানো এবং সম্ভব হলে বিনামূল্যে রুকইয়াহ করা—সবই আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তার হিদায়াতের আশায়।

ফিকহি দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি সুস্পষ্ট। ইসলামী ফিকহের বিশ্বকোষে উল্লেখ আছে—মুসলিম কর্তৃক কাফেরকে রুকইয়াহ করা জায়েয, এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। সাহাবায়ে কেরামের আমল থেকেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়, যা রাসূল ﷺ অনুমোদন করেছেন।

বিশিষ্ট আলেমগণও বলেছেন—ইহুদি বা খ্রিস্টান যদি যুদ্ধরত না হয়, তবে তাকে শরয়ি রুকইয়াহ করা বৈধ এবং এতে কোনো গুনাহ নেই।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকে যায়—কুরআনকে অস্বীকার করা সত্ত্বেও কি কাফের ব্যক্তি কুরআনের রুকইয়াহ থেকে উপকার পায়?

অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা বলে—হ্যাঁ, উপকার পায়। বহু কাফের ব্যক্তি কুরআনের রুকইয়াহর মাধ্যমে শয়তানি ও মানসিক রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে এই চিকিৎসাই তাদের ইসলামের পথে নিয়ে এসেছে। মুসলিম ও অমুসলিম উভয় দেশেই বহু রাকি এই অভিজ্ঞতার সাক্ষী।

যারা এই সুযোগকে দাওয়াহর কাজে ব্যবহার করেছেন, আল্লাহ তাদের মাধ্যমে কল্যাণ সৃষ্টি করেছেন। কুরআন অস্বীকার করলেও কুরআনের প্রভাব অস্বীকার করা যায় না—কারণ এটি আল্লাহর কালাম, যার শিফা ও নূর সর্বজনীন।

🔁ইলম ছড়িয়ে দেওয়ার নিয়তে এবং সাদাকায়ে জারিয়ার উদ্দেশ্যে এই পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন

✍️ লেখা: ১৯/০২/২৬
ওস্তাদ: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️প্রধান রাকি: Quranic Cure

রমাদান মাসে সব শয়তান কি শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, নাকি কিছু শয়তান? রমাদানে রোগীদের উপসর্গ কেন বেড়ে যায়?রমাদান মুবারক এমন এ...
19/02/2026

রমাদান মাসে সব শয়তান কি শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, নাকি কিছু শয়তান? রমাদানে রোগীদের উপসর্গ কেন বেড়ে যায়?

রমাদান মুবারক এমন এক বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ মাস, যার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কুরআন ও সহীহ সুন্নাহতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। এই মাসে আল্লাহ তা`আলা বান্দাদের জন্য রহমতের দরজা খুলে দেন, গুনাহ মাফের সুযোগ বৃদ্ধি করেন এবং শয়তানদের প্রভাব সীমিত করে দেন। রমজানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—এই মাসে শয়তানদের শিকলাবদ্ধ বা বন্দী করা হয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ সহীহ হাদীসে ইরশাদ করেছেন—“যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।”
এই হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, যা প্রমাণ করে রমজান মাসে শয়তানের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা আগের মতো থাকে না।

অন্য একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন—“তোমাদের কাছে রমজান মাস এসেছে, এটি এক বরকতময় মাস। আল্লাহ তোমাদের ওপর এ মাসের রোজা ফরজ করেছেন। এতে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অবাধ্য ও শক্তিশালী শয়তানদের বন্দী করা হয়। এই মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।”

এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো—সব শয়তান নয়, বরং বিশেষভাবে অবাধ্য ও শক্তিশালী শয়তানদের বন্দী করা হয়। এ বিষয়ে আহলে ইলমগণ বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। অনেক আলেমের মতে, ‘মারিদ’ শ্রেণির শয়তানদের ক্ষমতা রমজানে সীমিত করে দেওয়া হয়, যাতে তারা মুমিনদের ওপর আগের মতো প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

ইমাম মুহাম্মদ ইবনু মুফলিহ (রহ.) বলেন—``হাদীসের বাহ্যিক অর্থ অনুযায়ী শয়তানদের শিকল পরানো হয়। অথবা এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো বিশেষ শ্রেণির অবাধ্য শয়তানরা। এর অর্থ এই নয় যে, রমজানে সব ধরনের গুনাহ ও অশুভ কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়; বরং শয়তানের শক্তি দুর্বল হয়ে যায় এবং তার প্রভাব কমে আসে।

ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল (রহ.) এই হাদীসকে তার বাহ্যিক অর্থেই গ্রহণ করতেন। তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ (রহ.) বলেন— তিনি তাঁর পিতাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “রমজান মাসেও তো মানুষ জ্বিনের আছর বা খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয়।” উত্তরে ইমাম আহমদ বলেন— “হাদীস যেমন এসেছে, তেমনভাবেই তা গ্রহণ করতে হবে।”

হাফেয ইবনু হাজর আসকালানী (রহ.) বলেন``শয়তানদের বন্দী করা হওয়া রমজানের একটি বাস্তব আলামত। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা এই মাসের সম্মান রক্ষা করেন এবং মুমিন বান্দাদের জন্য শয়তানের ক্ষতি সীমিত করে দেন, যাতে তারা সহজে ইবাদতের দিকে অগ্রসর হতে পারে।
বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়—রমজান মাসে যাদুকররা সাধারণত নতুন করে যাদু করতে পারে না এবং আগের যাদু নবায়ন করার শক্তিও তাদের অনেকাংশে লোপ পায়। কারণ, শয়তানদের সহায়তা ছাড়া যাদুর কার্যকারিতা টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব।

এই কারণেই যাদুকররা রমজান মাসকে অপছন্দ করে এবং এই মাস তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাদের শয়তানি কার্যক্রম দুর্বল হয়ে যায় এবং তারা নিজেদের স্বাভাবিক প্রভাব হারিয়ে ফেলে।

সমাজে রমজানের প্রভাব লক্ষ্য করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। যারা সারা বছর নামাজে অনীহা প্রকাশ করে, রমজানে তারাও মসজিদমুখী হয়ে যায়। ফজর থেকে এশা পর্যন্ত জামাতে মুসল্লিদের উপস্থিতি বেড়ে যায়, মানুষের অন্তরে আল্লাহভীতি ও নরমভাব সৃষ্টি হয়।

এগুলোই প্রমাণ করে—রমজানে শয়তানের প্রভাব বাস্তবেই সীমিত হয়ে যায়। এমনকি মানুষের সঙ্গে থাকা ক্বারীন শয়তানও দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে মানুষ সহজে নেক আমলের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

তবে এটি মনে রাখতে হবে—রমজান মাসেও আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বিনের আছর, বদনজর ও হিংসা হতে পারে। কারণ, সব জ্বিন বা সব শয়তান বন্দী করা হয় না। বিশেষত যারা আগেই যাদু বা শয়তানি প্রভাবের শিকার হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে উপসর্গ রমজানে কখনো কখনো বেড়ে যেতে পারে।

এর কারণ হচ্ছে রমজানে ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত ও যিকির বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শয়তানরা মারাত্মক চাপের মুখে পড়ে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা রোগীর ওপর শেষ শক্তি প্রয়োগের চেষ্টা করে, ফলে অস্বস্তি, অস্থিরতা ও কষ্ট সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে।

এই জন্য রোগীদের প্রতি আন্তরিক নসীহত হলো—রমজান মাসে রুকইয়াহ, কুরআন তিলাওয়াত ও যিকিরে অবহেলা করা যাবে না। বরং এই মাসকে আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া শিফার বিশেষ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আল্লাহ তা`আলা চাইলে এই বরকতময় মাসেই সম্পূর্ণ শিফা দান করতে সক্ষম। শিফা কোনো রাকির হাতে নয়, কোনো আমলের মধ্যেও নয়—বরং শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।

✍️ লেখা:১৯/০২/২৬
ওস্তাদ:Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
প্রধান রাকি: Quranic Cure

রামাদান অনলাইন রুকইয়াহ প্রজেক্ট ২০২৬দীর্ঘদিন ধরে যারা জ্বিন-শয়তানের আছর, যাদু (সিহর), বদনজর (আইন), হাসাদ, অতিরিক্ত ওয়াসও...
19/01/2026

রামাদান অনলাইন রুকইয়াহ প্রজেক্ট ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে যারা জ্বিন-শয়তানের আছর, যাদু (সিহর), বদনজর (আইন), হাসাদ, অতিরিক্ত ওয়াসওয়াসা, বিয়েতে বাধা, সন্তানহীনতা, পারিবারিক অশান্তি কিংবা ব্যবসা ও ক্যারিয়ারে অদৃশ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন—তাদের জন্য এই রামাদান হতে পারে মুক্তি ও সুস্থতার একটি বাস্তব সুযোগ।

আর্থিক সীমাবদ্ধতা, দূরত্ব কিংবা সময়ের অভাবে যারা নিয়মিত রুকইয়াহ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না—তাদের কথা বিবেচনা করেই কুরআনিক কিউর রুকইয়াহ্ ও হিজামা সেন্টার আয়োজন করেছে এই বিশেষ অনলাইন রামাদান রুকইয়াহ প্ল্যান।

সাধারণভাবে একটি ব্যক্তিগত রুকইয়াহ সেশনের খরচ ৩,০০০–৬,০০০ টাকা। সে হিসেবে ২০টি সেশনের স্বাভাবিক খরচ হতো প্রায় ৬০,০০০ থেকে ১,২০,০০০ টাকা। কিন্তু রামাদানের বরকতে আমরা মাত্র ১,৫৩০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফিতে দিচ্ছি ২০টি লাইভ অনলাইন রুকইয়াহ সেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ।

☑️এই প্ল্যানে কি থাকছে⁉️

প্রতিদিন ১টি করে মোট ২০টি লাইভ রুকইয়াহ সেশন, অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে। জ্বিন, যাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসা ও মানসিক অস্থিরতা—প্রতিটি সমস্যার জন্য আলাদা ফোকাস থাকবে। পাশাপাশি থাকবে রুকইয়াহ দুআ ও কুরআন মাশক্ব সেশন, প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর, সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ প্রেসক্রিপশন, ব্যক্তিগত কাউন্সিলিং এবং পুরো রামাদান জুড়ে সাপোর্ট।

☑️এই প্রোগ্রামটি যাদের জন্য উপযোগী⁉️

যারা ঢাকার বাইরে বা প্রবাসে থাকেন, যারা দীর্ঘদিন সেল্ফ রুকইয়াহ করেও উপকার পাচ্ছেন না, যারা সারা বছর সময় পান না কিন্তু রামাদানে টানা ২০ দিন নিয়মিত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা রুকইয়াহ করতে চান, এবং প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও মহিলা যারা দীর্ঘদিন ধরে জ্বিন, যাদু, বদনজর ও ওয়াসওয়াসার সমস্যায় ভুগছেন।

☑️অংশগ্রহণের জন্য কি প্রয়োজন⁉️

একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল বা কম্পিউটার, তাতে Zoom App ইনস্টল করা এবং একটি ইয়ারফোন বা স্পিকার থাকলেই যথেষ্ট।

☑️কেন এই প্রোগ্রামটি কার্যকর⁉️

ঘরে বসেই সহজে অংশগ্রহণ করা যাবে, অল্প খরচে ধারাবাহিক রুকইয়াহ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। আলাদা আলাদা শর্ট রুকইয়াহর চেয়ে টানা ২০ দিন নিয়মিত রুকইয়াহ ইনশাআল্লাহ গভীর ও স্থায়ী উপকার এনে দেয়।

🚨রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া⁉️

এক হাজারা পাঁচশত ১,৫৩০ টাকা (Send Money) পাঠিয়ে পেমেন্টের স্ক্রিনশট অথবা ট্রানজেকশনের শেষ ৪টি ডিজিট আমাদের ইনবক্স বা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠালে আপনার আসন নিশ্চিত হবে। 👉কনফার্ম অংশগ্রহণকারীদের জন্য 🔗নতুন একটি প্রাইভেট টেলিগ্রাম গ্রুপের লিংক প্রদান করা হবে
💰পেমেন্ট নাম্বার: 01743230645 (বিকাশ,নগদ(পার্সোনাল)

আসন সংখ্যা সীমিত। তাই দেরি না করে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার অনুরোধ রইল।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ
শর্তাবলী (অবশ্যই পড়ুন)
🔸 একজনের রেজিস্ট্রেশন দিয়ে একাধিক ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে পারবেন না
🔸 রেজিস্ট্রেশন ফি আমানত হিসেবে গণ্য হবে
🔸 ফি (অফেরতযোগ্য)
🔸 রেজিস্ট্রেশন ছাড়া লাইভ সেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই
📢 আপাতত আপডেট পেতে এখনই জয়েন করুন:https://t.me/+_pShNu7lQwg5YmNl
👉১ম কমেন্ট দেখুন

✍️প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক:
Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
Quranic Cure
🩺আরো বিস্তারিত জানতে সরাসরি কল করুন:
📞 01991-663988 (Call / IMO / WhatsApp)

আল্লাহ তা'আলা আমাদের এই উদ্যোগ কবুল করুন এবং এই রামাদানকে আমাদের সবার জন্য শিফা ও কল্যাণের মাস হিসেবে কবুল করুন। আমীন।

আপনার সংসার, _____সন্তান ও রিজিক ধ্বংসের গোপন কারণ হয়তো আপনি কল্পনাও করছেন না…!অসংখ্য সুখী পরিবার আজ ধীরে ধীরে অশান্তির ...
06/10/2025

আপনার সংসার,
_____সন্তান ও রিজিক ধ্বংসের গোপন কারণ হয়তো আপনি কল্পনাও করছেন না…!

অসংখ্য সুখী পরিবার আজ ধীরে ধীরে অশান্তির দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে। সব কিছু যেন ঠিক আছে —কিন্তু ঘরে নেই শান্তি, নেই বারাকা। চেষ্টা করেও কেউ বুঝতে পারছে না, আসলে কোথায় সমস্যা!

প্রতিদিনের ব্যস্ততা, অর্থনৈতিক চিন্তা আর জীবনের দৌঁড়ে মানুষ এতটাই ডুবে গেছে যে, সে নিজের পরিবারে শয়তান ও যাদুর চক্রান্তগুলো টেরই পাচ্ছে না। আর এভাবেই শয়তান সফল হচ্ছে — ধীরে ধীরে সে পরিবারের চিন্তা, সিদ্ধান্ত ও মানসিক ভারসাম্য দখল করে নিচ্ছে

🔥 বাস্তবতা খুব ভয়ঙ্কর!
কত বুদ্ধিমান, যোগ্য মানুষ — ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী— জীবনের এক পর্যায়ে এসে হঠাৎ থমকে যায়।
যার হাতে ছিল সফলতার চাবি, সে হঠাৎ সব হারিয়ে ফেলে।
কেউ বুঝতে পারে না— এত কিছু কিভাবে শেষ হয়ে গেল, সবকিছু কোথায় হারিয়ে গেল!

🎓 সন্তানদের ক্ষেত্রেও এক'ই চিত্র
বাড়ির সেই মেধাবী সন্তান — যে একসময় সবার প্রিয় ছিল, যার ভবিষ্যৎ নিয়ে সবাই স্বপ্ন দেখত —হঠাৎ সে পড়াশোনায় অমনোযোগী, একা একা থাকে, সারাদিন মোবাইল বা ইন্টারনেটে ডুবে থাকে।

আপনি ভাবছেন— “ও হয়তো একটু মানসিক চাপে আছে।”
কিন্তু আপনি জানেন না, হয়তো তার উপর বদনজর বা জাদু প্রয়োগ করা হয়েছে, যাতে তার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঢেকে যায়!

💔 বিয়েতে অদৃশ্য বাধা
সব ঠিক আছে—ছেলে-মেয়ে সুন্দর, চরিত্রবান, শিক্ষিত–কিন্তু বিয়েতে একের পর এক ব্যর্থতা।
সব ঠিক থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভেঙে যায় সম্পর্ক!

আপনি ভাবছেন— “এটা হয়তো কপাল বা তাকদির।”
কিন্তু না, অনেক সময় এটাই ‘সিহরুত তা’তীল আলান নিকাহ’ (বিয়েতে বাধার যাদু)।
এমন যাদু মানুষকে অজান্তেই জড়িয়ে ধরে এবং জীবনের পথ বন্ধ করে দেয়।

🤰 বন্ধ্যাত্ব বা সন্তানহীনতার গোপন কারণ
স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসা নিয়েছেন, রিপোর্ট নরমাল—তবুও বছর যায়, সন্তান আসে না। আবার আসে গর্ভপাত বা মিসক্যারেজ হয়ে যায়।

আপনি ভাবছেন— “এটা হয়তো পরীক্ষা বা ভাগ্য।”
কিন্তু বাস্তবে হতে পারে ‘সিহরুল আরহাম’ — অর্থাৎ গর্ভ নষ্ট বা সন্তান জন্মে বাধা দেয়ার যাদু।

💢 আচরণগত পরিবর্তন
যে মানুষ সবসময় নম্র, শান্ত ও দয়ালু —
হঠাৎ সে বদলে গেছে! কারণ ছাড়াই রেগে যায়, ঝগড়া করে, কথা বললেই অপমান করে।

আপনি ভাবছেন— “হয়তো মানসিক টেনশন।”
কিন্তু না, এটা হতে পারে ‘সিহরুত তাফরীক’ — অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঘৃণা ও বিবাদ সৃষ্টির যাদু।

📖 বাস্তব সত্য:
জ্বীন, যাদু, বদনজরের প্রভাব শুধু শরীরেই নয়, প্রভাব ফেলে পরিবার, রিজিক, সম্পর্ক ও চিন্তায়।
এগুলো মানুষকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায় — অথচ মানুষ ভাবে, “এটা তো সাধারণ সমস্যা!”

🩺 রুকইয়াহ’র প্রয়োজন
যখন চিকিৎসা করেও আরাম পাওয়া যায় না,
যখন পরিবারে বারবার অশান্তি বা ব্যর্থতা ফিরে আসে —
তখন বুঝে নিন, সময় এসেছে রুকইয়াহ শরইয়াহ’র মাধ্যমে মূল কারণটি জানার।

দেরি না করে অভিজ্ঞ রাকির নিকট রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস সেশন-এর মাধ্যমে জেনে নিন —আপনার সমস্যা আধ্যাত্মিক নাকি শারীরিক।

⏳ যত দেরি করবেন, তত শয়তান তার অবস্থান আরও শক্ত করবে।
আজই সিদ্ধান্ত নিন — সত্য জানুন, আল্লাহর কিতাব ও সুন্নাহর মাধ্যমে আরোগ্য খুঁজুন।

⚠️ সতর্কতা:
কোনোভাবেই জ্বীন হুজুর, ফকির, কবিরাজ বা তাবিজ–কবজের আশ্রয় নেবেন না।
যে ব্যক্তি বলে —

> “তোমার নাম, মায়ের নাম, জন্মতারিখ, ছবি দাও — আমি দেখে বলে দেব কী হয়েছে!”

জেনে রাখুন — সে আল্লাহভীরু রাকী নয়, বরং যাদুকর বা শয়তানের দাস।
তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি শিরক, কুফরি ও হারাম, যা আপনার ঈমান ও জীবনের জন্য ভয়ংকর ধ্বংস ডেকে আনবে।

প্রকৃত রুকইয়াহ হলো আল্লাহর কালামের মাধ্যমে চিকিৎসা,
যেখানে কোনো জ্বীনের সাহায্য নয়, বরং আল্লাহর সাহায্যই একমাত্র নির্ভরতা।

তাই সমস্যার সমাধান খুঁজুন কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে
এবং অভিজ্ঞ শরিয়তসম্মত রাকির পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করুন।
হয়তো এটিই হবে আপনার জীবনের নতুন মোড়, ইনশাআল্লাহ।

📞 সিরিয়াল নিতে সরাসরি কল করুনঃ ✆ 01991-663988 কল ইমু হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে।

👉 Quranic Cure (M.1)
👉 নববী চিকিৎসা রুকইয়াহ্ সাপোর্ট বিডি,Nawabi treatment Rukiyah support bd

#রুকইয়াহচিকিৎসা #জিনযাদু #বদনজর
#বিয়েতেবাধা #রিজিকেবাধা

11/09/2025

حسبنا الله ونعم الوكيل.

12/04/2025

আজকে 'মার্চ ফর গাজা' তে আমরা আসছি। আপনিও আসুন!

20/03/2025

রুকইয়াহ্ চিকিৎসা সেবা এবারের যাত্রা ওয়াসা দামপাড়া চট্টগ্রাম

13/12/2024

صَــــــــــــــــلَّی اللهُ عَلَيْـــــــــهِ وَ سَـــــــــــلَّمَ
সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

রবের সাথে নিজের দুঃখগুলো প্রকাশ করতে শিখুন........
09/11/2024

রবের সাথে নিজের দুঃখগুলো প্রকাশ করতে শিখুন........

Address

Barishal
RAYHAN30645

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Cure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Quranic Cure:

Share