01/06/2024
'ঔই তোরে না বলছি বাহিরের খাবার খাবি না তাও কেন ফুটপাতের ফুচকা খাচ্ছিস।"
হটাৎ কারো রাম ধমক খেয়ে পদ্মানদী পিছন ঘুরে তাকায় আর অর পুরো শরীর অবশ হয়ে আসে। নদী এতোক্ষণ যেই ভয়টা পাচ্ছিলো সেটাই হলো সামনে দাঁড়িয়ে আছে রাফিজ ইমতিয়াজ নদী অবশ্য রাফিজকে রাফিজ ভাই বলে।
"কিরে কথা বলছ না কেন। "
রাফিজ ভাইয়ের ধমক খেয়ে পদ্মানদী বরফের নেয় জমে যায়। আর তখনি রাফিজ ফুচকা ওয়ালার সামনে এসে বলে,,, ' ভাই বেশি করে ও যতো ফুচকা খেতে পারে দেন অবশ্য জ্বাল যেন বেশি হয়।
নদী প্রথম ফুচকার কথা শুনে অবাক হইছে সাথে খুশিও কিন্তু পরের কথাটা শুনে মনে হয় না নদী খুশি হইছে। নদী অনেক জ্বাল খেতে পারে কিন্তু এখন যা জ্বাল খাওয়াবে তাতে মনে হয় নদীর কান্না ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।
এগুলো ভাবার মাঝেই ফুচকা ওয়ালা নদীর সামনে ফুচকার প্লেট ধরলো আর তখনি রাফিজ ভাই প্লেটটা হাতে নিয়ে আরো কিছু মরিচ এড করলো তারপর নদীর দিকে প্লেটটা বাড়িয়ে দিয়ে বল্লো ' নে পাঁচ মিনিটের মধ্যে এগুলো ফিনিশ কর।"
এটা শুনে নদী ফুচকার প্লেট হাতে নিয়ে রাফিজের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করতে লাগলো।তারপর আবার ও রাফিজ ভাই ধমকে বললো।' কিরে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবো আমার কাজ আছে তারাতাড়ি খাবার শেষ কর না হলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না। রাফিজের এমন কাঠ কাঠ ধমকে নদীর খুব রাগ হলো ওর সাথেই কেন সব সময় এমন করতে হবে নদী এটাই বুঝতে পারে না। তাই এক প্রকারের জেদ করেই পর পর পাঁচ ছয়টা ফুচকা মুখে পুরে দেয়।
আর তার একটু পড়েই নদী জ্বালে হা হু করতে থাকে এমন সময় রাফিজ নদীর হাত থেকে প্লেটটা নিয়ে নেয় আর পানি খাইয়ে দোকান থেকে কিছু চকলেট কিনে নদীর হাতে দিয়ে কারের কাছে এসে নদীকে কারে বসিয়ে তারপর রাফিজ নিজেও সিট বসে পরে আর সিট বেল্ট বেধে আবার ধমকে বলে,, ' সিট বেল্ট কি তোর নানি বেধে দিয়ে যাবে।"
রাফিজের ধমক শুনে নদী তারাতাড়ি নিজের সিট বেল্ট বেধে নেয়।
_____________ __________ _____
'বাড়ির বড়ো ছেলে বলে কি যা ইচ্ছে তাই করবে নাকি। আমি ফুচকা খাবো নাকি কি খাবো তাতে কার কি আমি যা ইচ্ছে তাই করবো তোমাদের এতো জ্বলে কেন। "
নদীর এমন চেচামেচিতে বাড়ির সবাই নিচে নেমে আসে। তখন রাফিজ নদীকে বাড়ির গেট পর্যন্ত দিয়ে দরকারি কাজ ছিল সেখানে চলে গেছে।আর নদী বাসায় এসে চিৎকার চেচামেচি শুরু করে দিছে। আবশ্য রাফিজ ইমতিয়াজ বাসায় থাকলে এমন চেঁচামেচি করতে সাহস পেতো না নদী। নদীর ছোট চাচী জিজ্ঞেস করে ' কি হইছে।"
নদী