31/01/2024
গল্প : #হাসব্যান্ড 😇
পার্ট :......২৯.......
কারো স্পর্শ পেতেই স্নেহা কেপে উঠলো,
- ভয় পেয়োনা জান, ( স্নেহার কানে ফিসফিসিয়ে বললো রুদ্র)
স্নেহাকে ধরে রুদ্র বেডে বসিয়ে দিলো, স্নেহা চোখের থেকে হাত সরাতেই স্নেহা দেখলো পুরো রুম মোম আর ফুল দিয়ে সাজানো। বিছানার ওপরে লাল গোলাপের পাপড়ি,
স্নেহা বিছানার থেকে লাফ দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো,
- এসব কি? আর আমাকে এখানে ডাকার কারন কি???( চিৎকার করে বললো স্নেহা।
- উফ জান দাঁড়িয়ে পরলে কেন?.তোমাকে কতোদিন ভালো করে দেখিনা, একটু ভালো করে দেখছিলাম দেখতেও দিলানা।
- এসব কথা ছাড়ুন! আমাকে এখানে এভাবে ডাকার কারন কি। আর এসব কি? আপনি কি ভেবেছেন এসব করে আমার গলাতে পারবেন? আপনি ভুল ভাবছেন আমি এখানে এসেছি শুধু আমার মেয়ের জন্য। আমাকে বলুন আমাকে কেন ডেকেছে?
- বললাম তো তোমাকে ভালো করে দেখার জন্য ডেকেছি, আর তুমি আমার ওয়াইফ তোমার ওপরে আমার সব ধরনের অধিকার আছে,
- ওহ আচ্ছা এই কারনে?? পরিস্কার করে বললেই তো হয় মন ভরানোর জন্য আমাকে ডেকেছেন। ওকে আপনি যা চান করতে পারেন
তবে একটা সর্তে আজকের পর আপনি আমার আর আমার মেয়ের জীবনন থেকে চলে যাবেন। আর কখনো আপনার মুখ আমাদের দেখাবেন না,
-রুদ্র স্নেহা ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলে দিলো, স্নেহাকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে চুমু দিতে লাগলো, স্নেহা নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে,
হঠাৎ রুদ্র স্থির হয়ে স্নেহাকে বললো,
-তোমাকে আমি সারা জীবনের জন্য চাই একদিন দুইদিনে আমার মন ভরবে না। আর শোনো আমার মেয়ে আমি তুমি একসাথে থাকবো। কেও কাউকে ছেড়ে যাবো না।
- এমন কখনো হবেনা, আমি আপনার সাথে কখনো থাকবোনা, আর আমার মেয়ে তো নায়ই।
ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছে তানহা, সন্ধ্যায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে তাই চারপাশটা ঠান্ডা।
আশিসের ফোন আসতেই তানহার মেজাজটা গরম হয়ে গেলো!!
- হ্যালো, কেন ফোন করেছেন? আমি বলেছিলাম না আমাকে ফোন করবেন না কেন করেছেন(রেগে একবারে কথাগুলো বললো তানহা)
-আরে আস্তে, একবারে সব বলে ফেলবে নাকি। আসলে তোমার কথা অনেক মনে পরছিলো তাই ফোন দিলাম আর তোমার আজকের সব কিছু খুব মনে পড়ছিলো,
- মানে কি বলছেন এসব? ( রেগে বললো তানহা)
- উফ তানহা তুমি এতো বোকা কেন?? বোঝোনা কি বলতে চাচ্ছি শুধু মানে মানে করো।
- আমি রাখছি আপনার সাথে কথা বলে মেজাজ গরম করতে চাইনা,
- এই একদম রাখবেনা তাইলে আমি তোমার আপুকে বলে দিবো যে আমি তোমার কি কি দেখেছি
- ছি এসব কি বলছেন আপনি?
- আমার লজ্জা শরম কম তাও বল