Jamijuri Sarbajanin Goutam Bihar

Jamijuri Sarbajanin Goutam Bihar এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নামীয় পেইজ, এখানে ধর্মীয় ফটো, ভিডিও ও অনুষ্টানের লাইভ প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।

With Jiku Barua – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
15/06/2026

With Jiku Barua – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

With Muna Chowdhury Barua – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
15/06/2026

With Muna Chowdhury Barua – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

With Sujon Barua – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
15/06/2026

With Sujon Barua – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

With Bodhi Chakra – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
15/06/2026

With Bodhi Chakra – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

🪷🪷 অবহিতপত্র 🪷🪷 #জামিজুরী সার্বজনীন গৌতম বিহারের সকল দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সকলের আ...
13/06/2026

🪷🪷 অবহিতপত্র 🪷🪷

#জামিজুরী সার্বজনীন গৌতম বিহারের সকল দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সকলের আন্তরিক ইচ্ছা ও অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিহারের প্রতিদিনের সন্ধ্যাকালীন সমবেত উপাসনা পুনরায় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকায় যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

⏰ #উপস্থিতির সময়:
উপাসনা শুরু হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট পূর্বে বিহারে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

🤍 #বিশেষ অনুরোধ:
প্রতিটি পরিবারের ছোট ছেলেমেয়ে ও বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের সাদা পোশাক পরিধান করে উপাসনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানানো হচ্ছে।

📢 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
🔹 #উপাসনা চলাকালীন সময়ে কোনো প্রকার কোলাহল, বিশৃঙ্খলা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকুন।
🔹 অন্যথায় প্রয়োজনে উপাসনা কার্যক্রম পুনরায় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে।

🌐 #অনলাইন অংশগ্রহণ:
দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ভক্তবৃন্দ যাতে অনলাইনের মাধ্যমে সমবেত উপাসনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেজন্য সকলকে জামিজুরী সার্বজনীন গৌতম বিহার ফেসবুক গ্রুপ/পেইজে যুক্ত হয়ে নির্ধারিত সময়ে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

🪷 #সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও ধর্মীয় অনুশীলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্তভাবে কাম্য। 🪷

আহ্বানে
বিহারাধ্যক্ষ
জামিজুরী সার্বজনীন গৌতম বিহার

26/05/2026

সুন্দর রূপ লাভ করতে চাইলে ভগবান বুদ্ধের এই উপদেশ শুনুন।

🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

সিদ্ধার্থ কুমার সংসারে অসংখ্য অগণিত কাল ধরে পরম পরিশ্রমে পরিপূর্ণতা অর্জন করে সম্যকসম্বুদ্ধত্ব লাভ করেছিলেন শুধুমাত্র নিজের নির্বাণসুখ ভোগের জন্য নয়। আপনাকে, আমাকে—সকল জীবকে সংসারের দুঃখ থেকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষাই ছিল তাঁর মূল অভিপ্রায়। সেইরূপ অপরিসীম ত্যাগ ও সাধনার অধিকারী আমাদের তথাগত বুদ্ধের প্রদত্ত ধর্ম শুনে আমাদেরও চেষ্টা করা উচিত দ্রুত সেই ধর্ম অনুধাবন করতে।

বুদ্ধের ধর্মে “মল্লিকা সুত্র” নামে এক অপূর্ব দেশনা রয়েছে। এই সুত্রটি অঙ্গুত্তর নিকায়ের চতুক্ক নিপাতে অন্তর্ভুক্ত।

মল্লিকা দেবীকে কেন্দ্র করে বুদ্ধ ভগবান শ্রাবস্তীর জেতবন আরামে এই দেশনা প্রদান করেন। মল্লিকা দেবী একজন নারী হওয়ায় তিনি এ ধরনের একটি প্রশ্ন করেছিলেন—এমনটি ভাবা যায়। তিনি বুদ্ধের কাছে এসে প্রণাম করে একপাশে বসে নিজের মনে উদ্ভূত একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করলেন।

“ভগবান, এই জগতে কিছু নারী আছেন যারা কুৎসিত, দেহবর্ণ অনাকর্ষণীয়, দেখতেও অপ্রিয়, এবং অত্যন্ত দরিদ্র—সম্পদহীন, অল্প সামর্থ্যের অধিকারী।

আবার কিছু নারী আছেন যারা দেখতে কুৎসিত হলেও ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ, প্রভাবশালী ও সমৃদ্ধ জীবনযাপন করেন।

এছাড়াও কিছু নারী আছেন যারা অত্যন্ত সুন্দর, মনোহর, দর্শনীয় যাদের দেখে মানুষ আনন্দ পায়, কিন্তু তারা দারিদ্র্যে ভোগেন, অন্যের উপর নির্ভর করে জীবনযাপন করেন।

আরো কিছু নারী আছেন যারা সুন্দর, আকর্ষণীয়, উজ্জ্বল বর্ণসম্পন্ন এবং একই সঙ্গে ধনী, প্রভাবশালী ও সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ জীবনযাপন করেন।

এইভাবে নারীদের চারটি শ্রেণি দেখা যায়—

(১) কুৎসিত ও দরিদ্র,
(২) কুৎসিত কিন্তু ধনী,
(৩) সুন্দর কিন্তু দরিদ্র,
(৪) সুন্দর ও ধনী।
পৃথিবীর সব নারী এই চার শ্রেণির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত। একই মানবসমাজের অন্তর্ভুক্ত হয়েও কেন এভাবে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে, এই ছিল তাঁর প্রশ্ন।”

তখন বুদ্ধ মল্লিকা দেবীকে স্মরণ করিয়ে দিলেন—“মল্লিকা, এই সমাজে কিছু নারী আছেন যারা সহজেই ক্রুদ্ধ হন, রাগান্বিত হন, সামান্য বিষয়েও বিরক্ত হন, এবং সেই ক্রোধ মনে পুষে রাখেন। তারা কলুষিত মনোভাবের অধিকারী। তদুপরি তারা দানশীলও নন শ্রমণ, ব্রাহ্মণ, দরিদ্র কাউকেই কিছু দান করেন না। লোভ, ঈর্ষা ও অসন্তোষে ভোগেন। অন্যের সম্মান-সত্কারও সহ্য করতে পারেন না। এই ধরনের ব্যক্তি মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম নিলে কুৎসিত ও দরিদ্র রূপে জন্মগ্রহণ করে।

দ্বিতীয় শ্রেণির নারীরা রাগী ও ঝগড়াটে হলেও দানশীল। তারা ক্রোধপ্রবণ হলেও নিয়মিত দান করে, ফলে পরজন্মে ধনী হলেও রূপে কুৎসিত হয়।

তৃতীয় শ্রেণির নারীরা শান্ত স্বভাবের তারা রাগ পোষণ করেন না, অপমান সহজে ভুলে যান, কিন্তু দান করেন না। ফলে তারা সুন্দর রূপ লাভ করলেও দরিদ্র হয়ে জন্মায়।

চতুর্থ শ্রেণির নারীরা রাগহীন, সহনশীল, উদার, দানশীল এবং অন্যের পুণ্যে আনন্দিত হন। এই গুণাবলির কারণে তারা পরজন্মে সুন্দর ও ধনী উভয়ই হয়ে জন্মগ্রহণ করেন।”

এভাবে বুদ্ধ মল্লিকা দেবীকে কর্মফলের ভিত্তিতে এই পার্থক্য ব্যাখ্যা করেন।

মল্লিকা দেবী তখন স্মরণ করলেন—“সম্ভবত পূর্বজন্মে আমি ক্রোধপ্রবণ ছিলাম, তাই এই জীবনে সৌন্দর্যের অভাব হয়েছে। কিন্তু দানশীলতার ফলে আমি ধনী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি।”

এই আলোচনার মাধ্যমে বোঝা যায় কর্মই জীবনের ভিন্নতা সৃষ্টি করে।

এই পবিত্র বৈশাখ মাস সময়ে আমরা সংকল্প গ্রহণ করি—ক্রোধ, বিদ্বেষ, অহংকার ত্যাগ করে বুদ্ধের নির্দেশিত পথে চলব, মনকে প্রশান্ত করব, এবং জীবনের প্রকৃত সত্য অনুধাবনের জন্য সচেষ্ট হব।

সাধু সাধু সাধু।

বুদ্ধ শাসনের ৫০০০ বছর পরবর্তী ১৮টি ভবিষ্যৎবাণী:-​১. ধাতু চৈত্র: ৫০০০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর সারা বিশ্বের বুদ্ধের পবিত্র ধাতু...
29/04/2026

বুদ্ধ শাসনের ৫০০০ বছর পরবর্তী ১৮টি ভবিষ্যৎবাণী:-

​১. ধাতু চৈত্র: ৫০০০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর সারা বিশ্বের বুদ্ধের পবিত্র ধাতুসমূহ (অস্থি অবশেষ) বোধিবৃক্ষের মূলে এসে মিলিত হবে এবং বুদ্ধের একটি প্রতিচ্ছবি (নিম্মিত বুদ্ধ) তৈরি হবে। সেখানে বুদ্ধ শেষবারের মতো ধর্মদেশনা করবেন।

​২. নির্বাণ লাভ: সেই ধর্মদেশনা শুনে দেব-ব্রহ্মা, জ্ঞানসাধক (উইজ্জা), আর্য-শ্রোতাপন্ন এবং ঋষিরা মুক্তি বা নির্বাণ লাভ করবেন।

​৩. ধাতু পরিনির্বাণ: ধর্মদেশনা শেষ হওয়ার পর, বুদ্ধের সেই প্রতিচ্ছবি পুনরায় ধাতুতে পরিণত হবে এবং তেজোধাতু (অগ্নিতত্ত্ব) দ্বারা প্রজ্বলিত হয়ে চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে। একেই বলা হয় 'ধাতু পরিনির্বাণ'।

​৪. মানুষের আয়ু হ্রাস: সেই সময় মানুষের পরমায়ু কমে মাত্র ১০ বছর হবে। মানুষ ৫ বছর বয়সেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে।

​৫. মানবিক বিপর্যয়: মানুষের মধ্যে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে না। লোভ, দ্বেষ (রাগ) এবং মোহ চরম সীমায় পৌঁছে যাবে।

​৬. অরাজকতা: সমাজে কেবল অকুশল বা পাপ কাজ বৃদ্ধি পাবে। চুরি, ডাকাতি এবং হত্যা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে, কোনো আইন-কানুন থাকবে না।

​৭. যুদ্ধ ও মহামারি: সারা বিশ্বে যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়বে এবং অসংখ্য মানুষ মারা যাবে। যেখানে যুদ্ধ নেই, সেখানে দুর্ভিক্ষ ও মহামারিতে মানুষের মৃত্যু হবে।

​৮. সাধুদের আত্মগোপন: যুদ্ধ ও দুর্যোগ থেকে বাঁচতে অল্প কিছু ধার্মিক ও সৎ মানুষ গভীর জঙ্গলে গিয়ে আশ্রয় নেবেন।

​৯. মানবশূন্য পৃথিবী: যুদ্ধ ও মহামারিতে প্রায় সব মানুষ মারা যাওয়ার পর কেবল সেই জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা ভালো মানুষগুলোই পৃথিবীতে টিকে থাকবে।

​১০. প্রকৃতির পুনরুদ্ধার: শহর-নগর জনশূন্য হয়ে শ্মশানে পরিণত হবে। দীর্ঘ সময় পর সেই জনপদগুলো আবার ঘন জঙ্গলে ঢেকে যাবে।

​১১. নতুন জনপদ: জঙ্গলে আশ্রয় নেওয়া সৎ মানুষদের মাধ্যমেই আবার নতুন ও পবিত্র শহর ও লোকালয় গড়ে উঠবে।

​১২. শান্তির যুগ: পৃথিবীতে কেবল সৎ মানুষ থাকায় আবার শান্তি ফিরে আসবে এবং মানুষের আয়ু ও গুণাবলী পুনরায় বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে (একে 'বিবর্ত' বা তেক-কাক বলা হয়)।

​১৩. আয়ু বৃদ্ধি: মানুষের আয়ু ১০ বছর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে বাড়তে 'অসংখ্য' (অসংখ্যেয়) বছর পর্যন্ত পৌঁছাবে।

​১৪. মৈত্রেয় বুদ্ধের আগমন: আয়ু আবার কমতে শুরু করে যখন ১ লক্ষ বছর হবে, তখন 'আর্য মৈত্রেয়' বুদ্ধের আবির্ভাব ঘটবে। তাঁর আয়ু হবে ৮০ হাজার বছর।

​১৫. মৈত্রেয় বুদ্ধের শাসন: মৈত্রেয় বুদ্ধের শাসনের আয়ুষ্কাল হবে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার বছর।

​১৬. কল্প বিনাশ: মৈত্রেয় বুদ্ধের শাসনের পর এই 'ভদ্রকল্প' (যাতে ৫ জন বুদ্ধ জন্মানোর কথা) শেষ হবে এবং এই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।

​১৭. শূন্য কল্প: পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার পর দীর্ঘ ১ লক্ষ কল্প পর্যন্ত কোনো বুদ্ধের জন্ম হবে না (একে শূন্য কল্প বলা হয়)। এরপর 'মণ্ড' নামক নতুন এক কল্পের সৃষ্টি হবে।

​১৮. ভবিষ্যৎ বুদ্ধ: সেই নতুন 'মণ্ড' কল্পে 'রাম সম্বুদ্ধ' এবং 'ধর্মরাজ সম্বুদ্ধ' নামে দুইজন বুদ্ধের আবির্ভাব ঘটবে।

(No Copy)

#সব্বদানং_ধম্মদানং_জিনাতি

🪷 গৌতম বুদ্ধের মহাভ্রমণ ও চতুর্নিমিত্ত দর্শন 🪷                                                                        মহ...
03/01/2026

🪷 গৌতম বুদ্ধের মহাভ্রমণ ও চতুর্নিমিত্ত দর্শন 🪷
মহাকারুণিক তথাগত গৌতম বুদ্ধ—যিনি মানবজাতিকে দুঃখমুক্তির পথ দেখিয়েছেন—তাঁর বুদ্ধত্ব লাভের পেছনে এক গভীর জীবনবোধ ও অনন্য অভিজ্ঞতা নিহিত। রাজপুত্র সিদ্ধার্থ যখন রাজপ্রাসাদের চার দেওয়ালের বাইরে ভ্রমণে বের হন, তখন তিনি এমন কিছু দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন, যা তাঁর সমগ্র জীবনদর্শনকে আমূল পরিবর্তন করে দেয়। বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে এই ঘটনাগুলো “চতুর্নিমিত্ত” নামে পরিচিত।
🌿 ১. জীর্ণ বা বৃদ্ধ মানুষ দর্শন
ভ্রমণকালে সিদ্ধার্থ এক অতি বৃদ্ধ মানুষকে দেখতে পান—দেহ শীর্ণ, দৃষ্টি ক্ষীণ, চলাফেরা কষ্টকর।
এই দৃশ্য তাঁর মনে গভীর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তিনি উপলব্ধি করেন—
যৌবন চিরস্থায়ী নয়, শক্তি ও সৌন্দর্য ক্ষণস্থায়ী।
রাজা হোক কিংবা প্রজা—বার্ধক্য সকলের জন্য অবশ্যম্ভাবী।
🌿 ২. রোগাক্রান্ত মানুষের দর্শন
এরপর তিনি দেখলেন এক রোগে জর্জরিত মানুষ, যন্ত্রণায় কাতর, অসহায়।
এই দৃশ্য তাঁকে শিখিয়ে দিল—
দেহ নশ্বর, রোগ-ব্যাধি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কেউ সম্পদ, ক্ষমতা বা প্রার্থনার জোরে রোগকে চিরতরে এড়াতে পারে না।
🌿 ৩. মৃত মানুষের দর্শন
পরবর্তী ভ্রমণে তিনি দেখলেন একটি মৃতদেহ—নির্বাক শরীর, আর চারদিকে শোকাহত স্বজনদের কান্না।
তখন তাঁর হৃদয়ে গভীর উপলব্ধি জাগ্রত হলো—
জীবন অনিত্য, মৃত্যু অবধারিত।
জন্ম মানেই মৃত্যুর দিকে অগ্রসর হওয়া।
🌿 ৪. সন্ন্যাসী বা শ্রামণের দর্শন
সবশেষে তিনি দেখলেন এক শান্ত, সংযমী ও দীপ্তিময় সন্ন্যাসী—যিনি সংসারের মোহ ত্যাগ করে সত্যের পথে চলেছেন।
এই দৃশ্য তাঁকে আশার আলো দেখাল—
দুঃখের মাঝেও মুক্তির পথ আছে।
সংযম, প্রজ্ঞা ও করুণার মধ্য দিয়েই শান্তি অর্জন সম্ভব।
🌼 চতুর্নিমিত্তের তাৎপর্য
এই চারটি নিদর্শন গৌতম বুদ্ধকে গভীরভাবে উপলব্ধি করায় যে—
সংসার অনিত্য, দুঃখময় ও অনিশ্চিত।
এই উপলব্ধির ফলেই তিনি রাজ্য, ভোগ-বিলাস, প্রাসাদ ও পারিবারিক বন্ধন ত্যাগ করে বেরিয়ে পড়েন দুঃখনিরোধের পথ অনুসন্ধানে।
এই মহান ত্যাগের পথেই তিনি বোধিলাভ করেন এবং মানবজাতিকে প্রদান করেন
👉 চতুরার্য সত্য,
👉 অষ্টাঙ্গিক মার্গ,
👉 ও নির্বাণের অমৃতবাণী।
🙏 উপসংহার
গৌতম বুদ্ধের এই ভ্রমণ আমাদের শেখায়—
জীবনের সত্যকে অস্বীকার নয়, উপলব্ধি করাই প্রজ্ঞা।
ত্যাগ, করুণা ও সম্যকদৃষ্টিই শান্তির একমাত্র পথ।
🪷 বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি 🪷
🪷 ধর্মং শরণং গচ্ছামি 🪷
🪷 সংঘং শরণং গচ্ছামি 🪷

Address

Chittagong

Telephone

+8801814985607

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamijuri Sarbajanin Goutam Bihar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jamijuri Sarbajanin Goutam Bihar:

Share

Category