03/03/2023
Deshi Foods দেশি ফুডস
Deshi Foods দেশি ফুডস
আজকে আপনাদেরকে জানাবো খাঁটি গাওয়া ঘি সম্পর্কেI
গাওয়া ঘি আসলে কী?
গাওয়া ঘি আসলে গব্য ঘৃত। অর্থাৎ গরুর দুধ থেকে যে খাঁটি ঘি প্রস্তুত হয় তাকেই গাওয়া ঘি বলে। সাধারণত গরুর দুধ বেশ অনেকক্ষণ ধরে জ্বাল দিয়ে তারপর এই ঘি তৈরি হয়। বাড়িতে তৈরি ঘিয়ে কোনও কিছু মেশানো হয়না তাই এর রং একটু স্বচ্ছ এবং সাদাটে হয়।
স্বাস্থ্যরক্ষায় ঘিয়ের উপকারিতা
ঘিয়ের সঙ্গে স্বাস্থ্যরক্ষার বিশেষ যোগ আছে । ঘি খেলে শরীর ভাল থাকে এটা অনেকেই বিশ্বাস করেন। আর কথাটা নেহাত ভুলও নয়। হিন্দি ভাষায় “পাঁচ উংলিয়া ঘি মে” বা পাঁচ আঙুল ঘিয়ে এই প্রবাদ তো এটাই প্রমাণ করে যে কবজি ডুবিয়ে ঘি যে খায় সে অত্যন্ত স্বাস্থ্যবান ও ধনী। তাই প্রথমেই আমরা দেখে নেব স্বাস্থ্যরক্ষায় গাওয়া ঘি এর উপকারিতা ঠিক কী কী।
১| খাঁটি এবং উপকারি
মাখন এবং চিজের মতো গাওয়া ঘিয়ে ট্রান্স ফ্যাট নেই। খাঁটি ঘিয়ে আর্দ্রতা কম থাকে বলে এটি দীর্ঘদিন রেখে দেওয়া যায়। অনেক বাড়িতেই পুরনো ঘি রেখে দেওয়ার চল আছে। বলা হয় ঘি যত পুরনো হয় তত তার গুণ বাড়ে। প্রতিদিন গরম ভাতে একটু করে ঘি খেলে শরীর ভাল থাকে।
২| ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করে।
বেশি তাপমাত্রায় বেশরভাগ তেল ভেঙে যায় এবং তার থেকে কিছু অস্থির উপাদান বেরোয় যাকে ফ্রি বা মুক্ত র্যাডিক্যাল বলে। অতিরিক্ত মাত্রায় এই ফ্রি র্যাডিকাল যদি শরীরে প্রবেশ করে তাহলে সেটা খুব ক্ষতিকর। কারণ এই র্যাডিকাল শরীরের কোষ ভেঙে দিয়ে ক্যানসারের সংক্রমণ ত্বরান্বিত করে।তবে ঘিয়ে এই সমস্যা নেই। ৫০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটেও ঘি ভেঙে যায়না।
৩| ঘিয়ে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।
আমাদের শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কাজ হল শরীরের সব বিষাক্ত ফ্রি র্যাডিক্যালগুলো শোষণ করে নিয়ে কোষ ও টিস্যু মজবুত করা। ঘিয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। বিশেষ করে এর মধ্যে ভিটামিন ই উপস্থিত থাকায় এটি শরীর সুস্থ রাখতে কাজ দেয়।
৪| ঘিয়ে আছে সিএলএ’র সুরক্ষা কবচ
গাওয়া ঘি তৈরি হয় গরুর দুধ দিয়ে। গরু খায় সবুজ ঘাস। এই সবুজ ঘাসে রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড বা সিএলএ। প্রমাণিত হয়েছে ঘি এর উপকারিতা এত যে এই বস্তুটি ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। তাই ঘি খেলে এই মারণ রোগ থেকে আপনি অনেকটাই সুরক্ষিত থাকবেন।
৫| হার্টের জন্য ঘি একদম সুরক্ষিত
আমরা অনেকেই মনে করি যে ঘি খেলে হার্টের ক্ষতি হয়। যারা হার্টের রোগী তাঁরা সেই ভয়েতেই ঘি খান না। এই ধারণা একদমই ভুল। কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড বা সিএলএ শুধু হার্টের জন্য ভাল তাই নয়, এটি বিভিন্ন রকমের কারডিও ভাস্কুলার রোগ থেকে হার্টকে রক্ষা করে।
৬| পুষ্টিগুণে ভরপুর
ঘিয়ে আছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। এই সব কটি ভিটামিনই ফ্যাট সলিউবল অর্থাৎ এটি চট করে ফ্যাতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। এই প্রত্যেকটি ভিটামিন শরীর সুস্থ রাখায়, মস্তিষ্ক সচল ও সক্রিয় রাখায় এবং শরীরের রোগ সংক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করায় সহায়তা করে। তাছাড়া ঘি শরীরে প্রবেশ করলে অন্যান্য খাদ্যবস্তুর ফ্যাতে দ্রবীভূত ভিটামিন খুব তাড়াতাড়ি শোষণ করে নেয়।
৭| যাঁদের দুগ্ধজাত বস্তুতে অ্যালার্জি আছে তাঁরাও খেতে পারেন।
অনেকেই আছেন যাঁদের ডেয়ারি প্রোডাক্ট বা দুগ্ধজাত বস্তু খেলে অ্যালার্জি হয়। কিন্তু ঘি তৈরি হয় দুধের উপরিভাগ জ্বাল দিয়ে। বারবার জ্বাল দেওয়ার ফলে এর মধ্যে খুব সামান্যই ল্যাকটোজ থাকে। তাই ঘি খেলে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা নেই। বরং এতে শরীরে প্রোটিন সরবরাহ হবে।
৮| গাওয়া ঘিয়ে আছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট।
সব সময় ফ্যাট ক্ষতিকর হয় না। কিছু ফ্যাট আছে যার প্রয়োজন আমাদের শরীরের আছে। এগুলোকে বলা হয় ফ্রেন্ডলি ফ্যাট। আর গাওয়া ঘিয়ে এই জাতীয় ফ্যাট আছে। মাছের মধ্যে যেমন ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায় ঠিক তেমনই ঘিয়েও প্রচুর পরিমাণে এটি মজুত থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত ঘি খান তাঁদের হার্টের অসুখ কম হয় এবং তাঁদের কোলেস্টরল বৃদ্ধিও কম হয়।
৯| পেটের অসুখ কমায়
পেটের নানা অসুখ যেমন পেটে জ্বালা ইত্যাদি কম করে ঘি। কারণ এটি শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং পাচনতন্ত্র মজবুত করে। তাছাড়া এটি ব্যাকটিরিয়া বা জীবাণুও প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ফলে যারা পেটের সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা ঘি খেলে অসুখ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
১০| ক্ষত সারিয়ে তোলে
কোথাও কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে সেখানে গাওয়া ঘি , বিশেষ করে পুরনো ঘি লাগিয়ে দিলে সেই ক্ষত খুব তাড়াতাড়ি সেরে যায়। অনেকেই বাড়িতে দীর্ঘদিন পুরনো ঘি জমিয়ে রাখেন। এই পুরনো ঘি বাতের ব্যথা আর হাঁপানিও সারিয়ে তুলতে সক্ষম।
এর পরে নিয়ে আসবো
ত্বকের যত্নে ঘিয়ের ব্যবহার।।
Deshi Foods Bd
দেশি ফুডস বিডি
"দেশি স্বাদ"
সরাসরি অর্ডার করতে কল করুন
+8801710468202
+8801619808080