দানা daana

দানা daana তারুণ্য ও যৌবনের শক্তি- দানা।

বহেড়া ভিজানো পানি খেলে দীর্ঘজীবী হওয়া যায়!!!আয়ুর্বেদশাস্ত্রে একটি কথা আছে ত্রিফলা। এই ত্রিফলার অন্যতম একটি ফল হল বহেড়া...
04/04/2021

বহেড়া ভিজানো পানি খেলে দীর্ঘজীবী হওয়া যায়!!!

আয়ুর্বেদশাস্ত্রে একটি কথা আছে ত্রিফলা। এই ত্রিফলার অন্যতম একটি ফল হল বহেড়া। এর গুণ অপরিসীম। বিশেষ ভাবে পরিশোধিত করে বহেড়ার ফল, বীজ এবং ছাল ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও চিকিত্‍সায়।
প্রতিদিন বহেড়া ফল ভিজানো এক কাপ পানি খেলে দীর্ঘজীবী হওয়া যায়। বহেড়া বিশেষভাবে পরিশোধিত হয়ে এর ফল, বীজ ও বাকল মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক বহেড়া ফলের ঔষধিগুণগুলো-

১। দীর্ঘায়ু
প্রতি দিন বহেড়া ভেজানো জল এক কাপ করে খেলে দীর্ঘায়ু পাওয়া যায়।

২। হৃদপিণ্ড ও যকৃৎ
বহেড়া হৃদপিণ্ড এবং যকৃতে রোগের সংক্রমণ কমায়।

৩। নানান রোগে
বহেড়া সর্দি-কাশি কম করে। কৃমি কমায়, জ্বর এবং অনিদ্রা দূর করে। তা ছাড়াও পাইলস, শ্বাসকষ্ট ও কুষ্ঠরোগের চিকিৎসায় বহেড়া বেশ উপকার করে।

৪। আমাশয়
সাদা বা রক্ত আমাশয়ে প্রতি দিন সকালে জলের সঙ্গে বহেড়া চূর্ণ খেলে উপকার হয়।

৫। শ্বেতী রোগে
বহেড়া বীজের শাঁসের তেল বের করে শ্বেতীর ওপর লাগালে গায়ের রং আসতে আসতে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৬। সর্দিতে
বহেড়া চূর্ণ আধা চা-চামচ, সামান্য গরম ঘি মিশিয়ে তা আবার গরম করে মধু দিয়ে চেটে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। অকালে টাক
শাঁস অল্প জলে মিহি করে বেঁটে টাকে প্রলেপ লাগালে, নতুন করে চুল গজায়।

৮। অকালে চুল পাকলে
বহেড়ার বীজ ফেলে ১০ গ্রাম পরিমাণ ছাল নিয়ে জল দিয়ে বেঁটে এক কাপ জলে গুলে ছেঁকে নিন। সেই জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে উপকার হবে।

৯। ফোলা কমানোয়
বহেড়ার ছাল বেটে একটু গরম করে ফোলা জায়গায় প্রলেপ দিলে কমে যায়।

১০। ইন্দ্রিয়-দৌর্বল্যে
এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে রোজ দু’টি বহেড়া বীজের শাঁস খান।

১১। হজমশক্তি বাড়াতে
বহেড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক। এ ফলের খোসা ভালো করে গুঁড়া করে নিন। পানির সঙ্গে এ গুঁড়া দিনে দু’বার খেয়ে যান। ক্ষুধামান্দা তাড়াতেও একই প্রণালী অনুসরণ করতে পারেন।

১২। শ্লেষ্মা নিরাময়ে
প্রথমে বহেড়া পিঁষে নিন। এর সঙ্গে গরম ঘি মিশিয়ে আবার গরম করে নিন। শেষে মধু দিয়ে খেয়ে ফেলুন। পাশাপাশি সর্দি-কাশি তাড়াতেও বহেড়া বেশ উপকারে আসে।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

ওষুধের রাজা হরতকি!!!হরিতকির নানা গুন। এটি চুল পড়া রোধ করে এবং খুশকি সরিয়ে দেয়, কোষ্ঠকাঠিন্যে সহায়ক, কাশি ও সর্দি প্র...
03/04/2021

ওষুধের রাজা হরতকি!!!

হরিতকির নানা গুন। এটি চুল পড়া রোধ করে এবং খুশকি সরিয়ে দেয়, কোষ্ঠকাঠিন্যে সহায়ক, কাশি ও সর্দি প্রতিরোধ করে, ব্রণ এবং আলসার দূর করে, অনাক্রম্যতা বাড়ায়, ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে, ওজন হ্রাসে সহায়তা করে, ত্বকের অ্যালার্জির সাথে লড়াই করে, হার্টের অবস্থার উন্নতি করে। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরতকি দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমায়। হৃদপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। এটি পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। হরতকি কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

হরতকির আরো কিছু উপকারিতা-

১. হরতকিতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হরিতকি। অ্যালার্জি দূর করতে হরতকি বিশেষ উপকারী।

২. হরতকি ফুটিয়ে সেই পানি খেলে অ্যালার্জি কমে যাবে।

৩. হরতকি গুঁড়া নারিকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে মাথায় লাগালে চুল ভালো থাকবে।

৪. হরতকির গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৫. গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন।

৬. দাঁতে ব্যথা হলে হরতকি গুঁড়া লাগান, ব্যথা দূর হবে।

৭. রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকির গুঁড়া মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

আমলকির ২০টি বিস্ময়কর উপকার!!!আমলকি শুকনো, গুড়া বা কাঁচা যেভাবেই খান উপকার পাবেন। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এ্যান্টিঅক্সিডেন...
02/04/2021

আমলকির ২০টি বিস্ময়কর উপকার!!!

আমলকি শুকনো, গুড়া বা কাঁচা যেভাবেই খান উপকার পাবেন। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, যা বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করা ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া আমলকির ভিটামিন সি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকির জুড়ি নেই। এছাড়া লিভার, জন্ডিস, পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী। চুলের জেল্লা বৃদ্ধি, রুক্ষতা কমানো, ত্বকের উজ্জ্বলতা, পেটের গোলযোগ দূর, শরীর চাঙ্গা এমন হাজারও সমস্যার সমাধান করে আমলকি। আমলকীর আচার কিংবা মোরোব্বা, অথবা সকালে কাঁচা আমলকি, ভাতে সেদ্ধ -খেতেই পারেন। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। এই পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ দিনে দুটো আমলকি খেলেই এসে যায়।

আমলকির ২০টি উপকারিতা:

১. আমলকি চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২. এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এ ছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির সঙ্গে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারলে অ্যাসিডিটির সমস্যা কমবে।

৫. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৬. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ, চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৮. আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৯. এ ছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

১০. আমলকির টক ও তেঁতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকির গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

১২. কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী।

১৩. ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।

১৪. আমলকি শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশি মজবুত করে।

১৫. এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

১৬. শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি।

১৭. লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

১৮. এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

১৯. সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে খুব ভালো কাজ করে।

২০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

তারুণ্য ও যৌবনের শক্তি- দানা! প্রতিদিন কিছু হলেও দানা ও ভেষজ জাতীয় খাবার খান, আর প্রাণচঞ্চল ও শক্তিশালী থাকুন!
01/04/2021

তারুণ্য ও যৌবনের শক্তি- দানা! প্রতিদিন কিছু হলেও দানা ও ভেষজ জাতীয় খাবার খান, আর প্রাণচঞ্চল ও শক্তিশালী থাকুন!

'ঘৃতকুমারী’র ৪০টি অসাধারণ গুণাগুণ!!!অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী মানুষ ব্যবহার করে আসছেন বহুকাল আগে থেকে। অনেকে এর জেল সৌন্দর...
01/04/2021

'ঘৃতকুমারী’র ৪০টি অসাধারণ গুণাগুণ!!!

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী মানুষ ব্যবহার করে আসছেন বহুকাল আগে থেকে। অনেকে এর জেল সৌন্দর্যের জন্যে ব্যবহার করেন। প্রাচীন গ্রীক’রা এটাকে ব্যবহার করছেন অনিদ্রা ও টাক থেকে নিরাময়ের জন্য, নেটিভ আমেরিকান’রা ঘৃতকুমারীকে বলে “ওয়ান্ড অভ দ্যা হ্যাভেন”। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অন্তত ছয়টি প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে থাকে, যা ছাঁচ,ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, এবং ভাইরাস হত্যা করতে সক্ষম। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন এই উদ্ভিদ এইডস এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে খুব শক্তিশালী কাজ করে থাকে। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত পান করলে দেহের ভেতর থেকে ত্বকের নানা সমস্যা যেমন ব্রন, ইনফেকশন এমনকী ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে ব্রন এবং ব্রনের দাগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। ত্বকের পাশাপাশি অ্যালোভেরা চুলের জন্যও বেশ ভালো একটি উপকারী উপাদান।
ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা’র পাতার মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বি অংশটুকু সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়ে থাকে।

ঘৃতকুমারী’র ৪০টি ব্যবহার ও অসাধারণ গুণাগুণ:

১। ছোটখাট দুর্ঘটনা যেমন রান্নাঘরে
পোড়া বা গরম পাত্রে হঠাত হাত দেওয়া
চিকিৎসায়।
২। ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা গোসল করার
আগে শরীর ঘষে গোসল করে পেলতে
পারেন, এতে শরীরের জীবাণু ধ্বংস হবে।
৩। ঘৃতকুমারী জেল এবং ভিটামিন ই তেল
মিশ্রিত করে একটি বয়ামে রাখতে পারেন
যা রান্নাঘর দুর্ঘটনায় সাহায্য করবে।
৪।কালো দাগ ও কাটায় ক্ষত ধূর করতে ভাল
উপকার করে।
৫। সূর্য- পোড়া ত্বকে ঘৃতকুমারী শীতল
অনুভূইতি উপস্থিত মনে হবে যেমন মেন্থল
অনুরূপ।
৬। পোকা/মাকড়ের কামড় বা দংশনে।
৭। ঠান্ডা উপসর্গে টিস্যু ক্ষতি কমাতে
ঘৃতকুমারী ভাল উপকারী।
৮। লাল লাল র্যাশ/ফুসকুড়ি উপশমে।
৯। পায়ের শিশুর নরম করতে, ওটমিল আধা
কাপ, ভূট্টা আধা কাপ, চার টেবিল চামচ
ঘৃতকুমারী জেল এবং সুবাসহীন বডি লোশন
আধা কাপ একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্ক করে
লাগাতে পারেন।
১০। খুজলি প্রাদুর্ভাব আরোগ্য সাহায্য
করে।
১১। পায়ের পাতা মজবুত করতে।
১২। ফোসকা থেকে দ্রুত ত্রাণ পেতে।
১৩। এলার্জি চামড়া প্রতিক্রিয়া থেকে
রক্ষা পেতে প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার
করুন।
১৪। শরীরে ক্রিম এবং লোশন হিসেবে
ব্যবহার করতে পারেন, এটি শুষ্ক ত্বকে
ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ঘৃতকুমারী দ্রুত
কার্যকর।
১৫। বিরক্তিকর ফুস্কুড়ি দুর এবং ব্রণ
চিকিত্সায় ভাল উপকারী।
১৬। সোরিয়াসিস প্রশমে কাজ করে।
১৭। দাগ এবং চিহ্ন দুর করতে।
১৮। Rosacea পরিত্রাণে সাহায্য করে।
১৯। সঙ্কুচিত warts/আঁচিল পরিত্রাণে
সাহায্য করে।
২০। মৃত ত্বক এবং কুঁচিত ত্বকে,
ক্লিওপেট্রা করতে।
২১। চর্মরোগ নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
২২। উজ্জ্বল ত্বক, ঘৃতকুমারী চর্মাদির
স্বাভাবিক রং এবং গাঢ় দাগ হ্রাস করতে
সাহায্য করে।
২৩। নতুন ত্বক আবার উঠবে, অর্গানিক চিনি
দুই টেবিল চামচ, ঘৃতকুমারী ২ টেবিল চামচ,
বাদামী চিনি ১ চা চামচ, অর্গানিক লেবুর
রস একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
২৪। অমসৃণ প্যাচ ত্বকের জন্য, অর্গানিক
লবণ স্কার্ব দুই কাপ সামুদ্রিক লবণের
সাথে, ঘৃতকুমারী এক কাপ, অর্গানিক
নারকেল তেল এক কাপ এবং দুই টেবিল
চামচ অর্গানিক মধু একসঙ্গে মিশ্রিত করে
ব্যবহার করতে
পারেন।
২৫। দ্রুত চুল বৃদ্ধির বাড়াতে মাথার খুলি
মধ্যে ঘৃতকুমারী মেখে ৩০ মিনিট রেখে
ধুয়ে ফেলুন।
২৬। চুল খুশকি কমাতে ঘৃতকুমারী রস
নারকেলের দুধ এবং গম জার্ম তেল সাথে
মিশিয়ে, মাথার খুলিতেম্যাসেজ ধুয়ে
ফেলুন।
২৭। ঘৃতকুমারী কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার
করতে পারেন চুল সিল্ক এবং স্মুথ করতে।
২৮। চোখের নিচে কালো দাগ অপসারণ
করতে।
২৯। ছোটখাট যোনির চুলকানি সারাতে
সাহায্য করে।
৩০। ঘৃতকুমারী’র রস গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল
ও বদহজম উপশমে পান করতে পারেন।
৩১। সুস্থ দাঁত ও মাড়ি জোরদার এবং
শক্তিশালী করতে মুখে গ্রহণ করতে পারেন
বা টুথপেস্ট হিসেবে ঘৃতকুমারী ব্যবহার
করতে পারেন।
৩২। কোলেস্টেরল কমাতে এবং
ট্রাইগ্লিসারাইড ও সুস্থ হৃদয় জন্য মুখে তা
গ্রহণ করতে পারেন।
৩৩। বুকজ্বালা ও বাত এবং বাত ব্যথা
উপশমে পান করতে পারেন।
৩৪। ফোঁড়া জল এবং শ্বাস বা হাঁপানি
উপশমে।
৩৫। রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলে
বিশেষ করে ডায়াবেটিকসের জন্য।
৩৬। অল্প অল্প পান করতে পারেন চোখ
এবং কানের ইনফেকশন থেকে রক্ষা পেতে।
৩৭। অল্প অল্প পান করতে পারেন, পেটের
উষ্ণস্বভাব সহ অন্ত্র সিন্ড্রোম এবং
অস্বস্তি উপসর্গ কমাতে।
৩৮। অল্প অল্প পান করতে পারেন, কোষ্ঠ
কাঠিন্য’র জন্যে।
৩৯। পাকস্থলীর ঘা, কোলাইটিস, অর্শ্বরোগ,
মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং প্রস্টেট সমস্যায়
পান করতে পারেন।
৪০। পান করতে পারেন detoxifierএবং
স্বাস্থ্য গুণাবলী উন্নতির জন্যে।
তাজা ঘৃতকুমারীর ডাটা অথবা শুকনো গুড়া কিনতে পাওযা যায়। আপনার পছন্দ মতো ব্যবহার করতে পারেন।।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে তরমুজের বীচি!!!আমরা তরমুজ খুব মজা করেই খেয়ে থাকি কিন্তু মুখে তরমুজের বীচি গেলেই মুখটা কা...
31/03/2021

পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে তরমুজের বীচি!!!

আমরা তরমুজ খুব মজা করেই খেয়ে থাকি কিন্তু মুখে তরমুজের বীচি গেলেই মুখটা কালো করে ফেলি। অনেকেই বীচি ফেলে দিয়ে তারপর তরমুজ খান। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই সামান্য তরমুজের বীচি আমাদের দেহের জন্য কতোটা উপকারী? পরবর্তী সময়ে তরমুজের বীচিগুলো ফেলে না দিয়ে সংরক্ষণ করুন। শুকিয়ে ভেজে খেতে পারেন। অথবা রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন। প্রচুর ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রনে ভরপুর এই তরমুজের বীচি আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে। ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে, হার্ট সুস্থ রাখতে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে তরমুজের বীচি সহায়তা করে।

হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষায়:
ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর তরমুজের বীচি হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখতে বেশ কার্যকরী। এটি উচ্চ রক্ত চাপ কমায় এবং কার্ডিও ভাস্কুলার রোগ প্রতিরোধ করে। এটি হাইপারটেনশন দূর করতেও বেশ কার্যকর।

পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে:
জিংক পুরুষ প্রজনন সিস্টেমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি চীনা গবেষণার মতে, জিংক পুরুষদের শুক্রাণুর মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে। তরমুজ ফল, বীজ ম্যাঙ্গানিজের ভালো উৎস। মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের মতে, ম্যাগানিজ পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করতে অবদান রাখে।

ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে:
তরমুজের বিচির, বিশেষ করে ফোলেট, লৌহ এবং খনিজ অংশ ইমিউন ফাংশন বাড়ায়। তরমুজের বিচির ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এই ব্যাপারে সাহায্য করে।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে:
এক মুঠো তরমুজের বীচি পানিতে ফুটিয়ে নিন। এই পানি প্রতিদিন চায়ের মতো পান করুন। এতে ডায়বেটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে। কারণ এই পানীয় রক্তের সুগারের মাত্রা কমিয়ে দেয় ।

ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায়:
প্রতিদিন তরমুজের বীচি বেটে ত্বকে লাগালে ত্বকের আদ্রর্তা বজায় থাকে এবং ত্বককে বুরিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে। এছাড়া তরমুজের বীচির তেল ত্বকে সরাসরি লাগালে ত্বকের ব্রনের সমস্যা একেবারে দূর হয়ে যায়।

স্বাস্থ্য উজ্জ্বল চুলের জন্য:
তরমুজের বীচিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা চুলের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী। এছাড়াও তরমুজের বীচিতে রয়েছে অ্যামিনো এসিড যা চুলকে করে তোলে মজবুত। তরমুজের বীচি ভাজা প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাস করলে চুল হবে উজ্জ্বল এবং চুল সাদা হওয়ার সমস্যাও দূর হবে। কারণ তরমুজের বীচি মেলানিন তৈরি করে যা চুলের রঙ কালো রাখতে সাহায্য করে।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

যৌন জীবনের মহৌষধ আলকুশি:আলকুশি শিম জাতীয় ওষুধি লতা গাছ। এর রয়েছে অনেক গুণ। এ গাছ ব্যবহার করে নানাবিধ অসুখ থেকে আরোগ্য ল...
30/03/2021

যৌন জীবনের মহৌষধ আলকুশি:

আলকুশি শিম জাতীয় ওষুধি লতা গাছ। এর রয়েছে অনেক গুণ। এ গাছ ব্যবহার করে নানাবিধ অসুখ থেকে আরোগ্য লাভ করার সুয়োগ রয়েছে। এটি অত্যন্ত বল বর্ধক এবং যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে ও যৌন শক্তি অটুট রাখে। যাদের যৌন সমস্যা রয়েছে আলকুশি খেলে পুরুষের অদম্য মর্দামি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

দেখে নিন কি কি উপকার করে আলকুশি-

১) কোন পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেক যন্ত্রণা কমে যায়।

২) এর শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ সারে।

৩) আলকুশির পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে অচিরেই সেটি ফেটে যায়।

৪) এর বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি ও গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।

৫) এর শিকড়ের রসে জ্বর, সর্দি-কাশি ভালো করে।

৬) আলকুশির শিকড়ের মণ্ডু মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ উপকার।

৭) এর কাণ্ডের রস চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ফলপ্রসূ।

৮) শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সরে যায়।

মধ্য আমেরিকায় আলকুশির বীচি আগুনে ভেজে চূর্ণ করা হয় কফির বিকল্প হিসেবে। এ কারণে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে এর প্রচলিত নাম হচ্ছে নেস ক্যাফে।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
সূত্র: ইন্টারনেট।

শত কাজে শতমূল!!!শতমূল একটি অতি দরকারী ঔষধি উদ্ভিদ। অতি প্রাচীন কাল থেকে গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ মানুষেরা ভেষজ ঔষধ হিসেবে এই ...
29/03/2021

শত কাজে শতমূল!!!

শতমূল একটি অতি দরকারী ঔষধি উদ্ভিদ। অতি প্রাচীন কাল থেকে গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ মানুষেরা ভেষজ ঔষধ হিসেবে এই পরিচিত উদ্ভিদকে ব্যবহার করে চলেছে। পুঁথির মালার মত অনেকগুলো মূল একত্রে গাটযুক্ত থাকে এর গুচ্ছমুল।
শতমুলের মূলটাই হল আসল। এই মূলের রস ঔষধ হিসেবে নানা রোগে ব্যবহৃত হয়। লিউকোরিয়া, বদহজম, গনোরিয়া, ধাতুরোগ, গ্যাসটিক, আমাশয়, ডায়রিয়া, ব্যাথা উপশমসহ নার্ভের দূর্বলতায় শতমূল অধিক কার্যকরী।

গুনাগুন:
বলকারক, স্তন্যদুগ্ধবর্ধক, শুক্রগাঢ়কারক। স্বপ্নদোষ, মূত্রকৃচ্ছতা, শারীরিক দুর্বলতা, গনোরিয়া ও শুক্রমেহে উপকারী।

বিশেষ কার্যকারিতা:
বলকারক, স্তন্যদুগ্ধবর্ধক, শুক্রগাঢ়কারক।

শতমূল সম্পর্কে ভেষজ চিকিৎসক অল্পনা রানী বলেন, “শতমুল গাছের মুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে শরীরের দূর্বলতা দূর করে এবং ব্রেইন ভালো হয়। ধাতুরোগের জন্য অনেক উপকারী এই শতমূল।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

লিভারজনিত সমস্যা ও ডায়াবেটিসের অব্যর্থ ওষুধ কালোমেঘ!!!প্রাচীনকাল থেকেই চিকিৎসাশাস্ত্রে বহুল ব্যবহার হয়ে আসছে কালোমেঘ। মহ...
28/03/2021

লিভারজনিত সমস্যা ও ডায়াবেটিসের অব্যর্থ ওষুধ কালোমেঘ!!!

প্রাচীনকাল থেকেই চিকিৎসাশাস্ত্রে বহুল ব্যবহার হয়ে আসছে কালোমেঘ। মহাতিক্তা, শ্বেততিক্তা, যাবী, তিক্তফলা, শঙ্খিনী নামেও এটি প্রচলিত। ঔষধিগুণের জন্য একে ‘সর্ব রোগ নিবারণী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। স্বাদ অত্যন্ত তেতো, তাই একে ‘কিং অব বিটারনেস’ বলা হয়। কালোমেঘের পাতার রস লিভারজনিত সমস্যা ও ডায়াবেটিসের অব্যর্থ ওষুধ। এটি শরীরের ব্লাড সুগারের পরিমাণকে কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে। জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক, রক্ত পরিষ্কারক, রক্ত আমাশয়, কৃমিনাশক, গলা বসে যাওয়া, টন্সিলাইটিসে খুবই ফলপ্রসূ। পাতায় প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। পাতার রস নিয়মিত সেবনে শারীরিক শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। গাছের নির্যাস ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী হিসেবেও কাজ করে।

ডায়াবেটিস:
কালমেঘ পাতা ডায়াবেটিস এর অব্যর্থ ওষুধ। এটি আমাদের শরীরে ব্লাড সুগার এর পরিমানকে কম রাখতে সাহায্য করে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ মতোই এক্ষত্রে এর সেবন করা উচিত।

ক্যান্সার:
কালমেঘ ক্যান্সার নিরাময় এর ক্ষেত্রেও অত্যন্ত্য উপকারী। এর ঔষধি গুন আমাদের শরীরে ক্যান্সার এর কোষগুলিকে সক্রিয় হতে দেয় না বা ক্যান্সারের কোষগুলিকে বাড়তে দেয় না। এটি ক্যান্সার রোগীদের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

লিভার:
লিভার জনিত যে কোনো রকম সমস্যার অব্যর্থ ওষুধ এই কালমেঘ পাতা। এটি লিভার টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত মদ্য পান, বা অতিরিক্ত কড়া ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন করলে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কালোমেঘ পাতা এর নিরাময়ক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া আজকাল আমাদের খাদ্যাভাস বা ফল ও সবজিতে ব্যবহৃত পেস্টিসাইড আমাদের লিভারকে খারাপ করে দেয়। কালোমেঘের নিয়মিত সেবন এই সমস্যার সবথেকে ভালো সমাধান।

আর্থারাইটিস ও গাউট:
কালমেঘ পাতা আর্থারাইটিস ও গাউট এর ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ১৫ থেকে ২০টি কালমেঘ পাতার রস করে প্রতিদিন খেলে আর্থারাইটিস বা গাউট এর সমস্যা থেকে দূরে থাকা যেতে পারে।

জ্বর, সর্দি, কাশি:
কালমেঘ পাতা জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যাথা, গলা বসে যাওয়া, টন্সিলাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কালমেঘ পাতা ভালো করে ধুয়ে হালকা গরম জল মিশিয়ে ছাঁকনিতে চেকে নিতে হবে। এই কালমেঘ পাতার রস যেকোনো রকম ঠান্ডা লাগা জনিত রোগ খুব তাড়াতাড়ি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। তবে এর স্বাদ অতন্ত্য তিৎকুতে, তাই রস খাওয়ার সাথে সাথে এক চামচ মধু খেয়ে নিলে ভালো।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

পাঁচ রকমের দানা, অসুখ-বিসুখ মানা!!!মাত্র ৫টি শস্যদানা আপনার প্রতিদিনকার খাবারে রাখুন আর সুস্থ  থাকুন। চিয়া, তিল, তিসি, ক...
27/03/2021

পাঁচ রকমের দানা, অসুখ-বিসুখ মানা!!!

মাত্র ৫টি শস্যদানা আপনার প্রতিদিনকার খাবারে রাখুন আর সুস্থ থাকুন। চিয়া, তিল, তিসি, কুমড়ো ও সূর্যমুখীর দানা গুণে অসাধারণ। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এগুলো ওজন কমাতেও দারুণ কাজে লাগে। শুধু গোটা সবজি বা মাছ-মাংসই নয়, বিভিন্ন বীজ ও দানাতেও রয়েছে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি। বাজার চলতি বিভিন্ন দানা কিন্তু পুষ্টির পাওয়ারহাউজ। শরীরকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে এই বীজগুলির জুড়ি মেলা ভার। এগুলি ওজন কমাতেও দারুণ কাজে লাগে।

চিয়া:
চিয়া দানাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ওমেগা ৩ ফ্যাট, উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে বহু পুষ্টিগুণ, যেমন- ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, থিয়ামিন থাকে। এটি রক্তের শর্করা কমাতে ও হার্টের রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী।এই দানাতেও প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা ৩ ফ্যাট ও বহু পুষ্টিকর পদার্থ থাকে। এটি কোলেস্টেরল কমে, রক্তের শর্করা কমে ও ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

তিল:
সারা পৃথিবীর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা তিলকে সেরা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করেন। তিলে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে , যা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন দরকারি ভিটামিন ও খনিজের চাহিদা পূরণ করে। তিলে থাকা বিভিন্ন উপাদান আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া তিলে প্রচুর পরিমানে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম থাকায় আমাদের হাড় মজবুত করে। তিলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার পাওয়া যায় , যা মানব শরীরের পাঁচন ক্রিয়াকে মজবুত করতে সাহায্য করে।

তিসি:
তিসির বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩
আপনি যদি মাছ খেতে অপছন্দ করেন তাহ’লে তিসির বীজ হতে পারে আপনার জন্য ওমেগা-৩ আহরণের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সূত্র। এতে আছে প্রচুর আলফা লিনোলিক এসিড alpha-linolenic acid (ALA) নামে এক ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। ALA আপনার শরীরের জন্য খুবই দরকারি একটি ওমেগা-৩ এবং এটা আপনাকে খাদ্য থেকে নিতে হবে কারণ আপনার দেহ প্রাকৃতিকভাবে ALA উৎপাদন করে না।

কুমড়ো দানা:
অত্যন্ত সহজলভ্য। এতে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ওমেগা ৬ ফ্যাট ও ফসফরাস থাকে। সঙ্গে প্রচুর পুষ্টি। হার্টের স্বাস্থ্য ও ইউরিনারি প্রস্টেটের সমস্যায় দারুণ কাজে লাগে। এতে প্রচুর পরিমাণে লিগন্যান্স থাকে। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ ও সেক্স হরমোন বৃদ্ধি করে। শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমাতেও দারুণ কাজে লাগে এই সাদা তিল।

সূর্যমুখীর দানা:
দারুণ সুস্বাদু এই দানায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ফাইবার, ভিটামিন ই, প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম ও কপার থাকে। শরীরের স্বাস্থ্যকর ডায়েটে এটি দারুণ কাজে লাগে। কোলেস্টেরল কমাতে সিদ্ধহস্ত সূর্যমুখীর দানা।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ দিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে ইসবগুল!!!ইসবগুল বা psyllium husk শরীরের আভ্যন্তরীণ পাচন তন্ত্রের সমস্যার ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারে...
26/03/2021

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে ইসবগুল!!!

ইসবগুল বা psyllium husk শরীরের আভ্যন্তরীণ পাচন তন্ত্রের সমস্যার ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য খুব উপকারী। তবে এই সাদা ভুষিটির উপকারিতা শুধুমাত্র হজমতন্ত্রের মাঝেই সীমিত নয়। এর অনেক ধরনের উপকারীতা রয়েছে-

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে:
ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে। এটি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে জলগ্রাহী হওয়ার কারনে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন।

ডায়রিয়া প্রতিরোধে:
অবাক ব্যাপার, ইসবগুল একই সাথে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দুটিই প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ইসবগুল দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে খুব কম সময়ের মাঝে ডায়রিয়া ভালো করতে পারে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ২ চামচ ইসবগুল ৩ চামচ টাটকা দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবার পর খেতে হবে। এভাবে দিনে ২ বার খেলে বেশ কার্যকরী ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে:
অ্যাসিডিটির সমস্যায় ইসবগুল হতে পারে ঘরোয়া চিকিৎসা। ইসবগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে। ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।

ওজন কমাতে:
ওজন কমাতে ইসবগুল হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার। এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়। এছাড়াও ইসবগুল কোলন পরিষ্কারক হিসেবেও পরিচিত। এটি পাকস্থলী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, হজম প্রক্রিয়াকে আরো বেশি কার্যকর করে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য করে। ভেষজ শাস্ত্র অনুযায়ী এটি পাকস্থলীর দেয়ালে যেসব বর্জ্য পদার্থ থাকে তা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে যা অন্যান্য হজমজনিত সমস্যাও দূর করে। কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুল ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে ভাত খাবার ঠিক আগে খেতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলেও তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

হজমক্রিয়ার উন্নতিতে:
দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুল হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে।এটি শুধু পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতেই সাহায্য করে না এটি পাকস্থলীর ভেতরের খাবারের চলাচলেও এবং পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনেও সাহায্য করে।তাই হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে নিয়মিতভাবে ইসবগুল খেতে পারেন। এছাড়া মাঠা বা ঘোলের সাথে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন ভাত খাওয়ার পরপরই। তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে তা হল ইসবগুল মিশিয়ে রেখে না দিয়ে সাথে সাথেই খেয়ে ফেলতে হবে।

হৃদস্বাস্থ্যের সুস্থতায়:
ইসবগুলে থাকা খাদ্যআঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা আমাদেরকে হৃদরোগের থেকে সুরক্ষিত করে।হৃদরোগের সুস্থতায় ইসবগুল সাহায্য করে কারন এটি উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত। ডাক্তাররা সব সময় হৃদরোগ প্রতিরোধে এমন খাবারের কথাই বলে থাকেন।এটি পাকস্থলীর দেয়ালে একটা পাতলা স্তরের সৃষ্টি করে যার ফলে তা খাদ্য হতে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয় বিশেষ করে রক্তের সিরাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়াও এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয় যা থাকলে ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে তা হৃদরোগ এবং কোরোনারী হার্ট ডিজিজ থেকে। আমাদের রক্ষা করে। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ভাবে খাবারের ঠিক পরে বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ইসবগুল খান।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে:
ইসবগুল যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য খুবই ভালো। এটি পাকস্থলীতে যখন জেলির মত একটি পদার্থে রূপ নেয় তখন তা গ্লুকোজের ভাঙ্গন ও শোষণের গতিকে ধীর করে। যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। খাবার পর নিয়মিত ভাবে দুধ বা পানির সাথে ইসবগুল মিশিয়ে পান করুন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে।তবে দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন না এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।

পাইলস প্রতিরোধে:
প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুল যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।

ইসবগুর কেনার আগে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন-
- প্যাকেটজাত ইসবগুল কিনুন।
- কখনোই খোলা ইসবগুল কিনবেন না সেগুলো নষ্ট ও ভেজাল থাকতে পারে যার ফলে এটি খেয়ে হয়তো ভালো ফলাফল নাও পেতে পারেন।
- আজকাল প্যাকেটজাত বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুল পাওয়া যায়। তবে ভালো ফলাফল পেতে গেলে এসব কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুল না খেয়ে সাধারণ ইসবগুল খান।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

শক্তিবর্ধক অশ্বগন্ধা!!!অশ্বগন্ধা স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারী একটা ঔষধী গাছ। গাছের গন্ধ ঘোড়া বা অশ্ব এর মতো বলেই সংস্কৃতে...
25/03/2021

শক্তিবর্ধক অশ্বগন্ধা!!!

অশ্বগন্ধা স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারী একটা ঔষধী গাছ। গাছের গন্ধ ঘোড়া বা অশ্ব এর মতো বলেই সংস্কৃতে একে অশ্বগন্ধা বলে। বাংলায় ও আমরা অশ্বগন্ধা-ই বলে থাকি। শক্তিবর্ধক হিসেবে এবং এ্যাফ্রোডেসিয়াক হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলেই ইংরেজিতে একে Indian Ginseng বলে।
নিদ্রা আনয়নকারী ঔষধ হিসেবে প্রচীন মেসোপটেমিয়া এবং মিশরে এর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। অশ্বগন্ধাকে এডাপ্টোজেন বলা হয়, এর অর্থ হল অশ্বগন্ধা আমাদের মানষিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও অশ্বগন্ধা আমাদের মস্তিষ্ক এবং শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অশ্বগন্ধা রক্তে সুগারের পরিমান কমায়, কর্টিসোল কমায়, মস্তিস্কের কার্যকলাপে উন্নতি সাধন করে, দুঃচিন্তা এবং হতাশা কমাতে সাহায্য করে। এটা প্রায় ৩ হাজার বছর ধরে মানষিক চাপ কমাতে, শক্তি বাড়াতে আর মনযোগ বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রক্তের সুগার কমাতে অশ্বগন্ধা:
বেশকিছু গবেষণাতে দেখা গেছে অশ্বগন্ধা রক্তে সুগার কমাতে সাহায্য করে। অশ্বগন্ধা ইনসুলিন লেভেল এবং পেশীর কোষে ইনসুলিন এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। গবেষণাতে এ ও দেখা গেছে অশ্বগন্ধা স্বাস্থ্যকর এবং ডায়াবেটিস আক্রান্ত উভয় মানুষের শরীরে, রক্তের সুগার লেভেল কমায়।

ক্যান্সার রোধে অশ্বগন্ধা:
বেশকিছু টেস্টটিউব আর পশুপাখীর উপর গবেষণাতে দেখা গেছে অশ্বগন্ধা টিউমার সেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে, যা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের উপর কার্যকরী হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মানুষের উপর কোন গবেষনা সম্পন্ন হয়নি, নিকট ভবিষ্যতে হয়তো জানা যাবে।

হতাশা ও দুঃচিন্তা কমাতে:
অশ্বগন্ধা আপনার হতাশা, দুঃচিন্তা আর মানষিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এসব কম থাকলে মনযোগ বৃদ্ধি পাবে স্বাভাবিক। ঠিক এ কারণেই মনোযোগ বাড়ানোর জন্য অশ্বগন্ধা ব্যবহার হয়ে থাকে।

অশ্বগন্ধা কোলেস্টেরল আর ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। অশ্বগন্ধা টেস্টোস্টেরন বাড়াতে এবং ছেলেদের ফার্টিলিটি বাড়াতে সাহায্য করে। মাসল বিল্ড করতে টেস্টোস্টেরন খুবই জরুরী একটা হরমোন। তাই যারা মাসল বিল্ড করতে চায় তাদের জন্য অশ্বগন্ধা যথেষ্ট উপকারী বলা চলে।

অশ্বগন্ধা মনোবল, সহনশীলতা, শক্তি এবং পেশী বাড়াতে সাহায্য করে।

অশ্বগন্ধা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা তীক্ষ্ণ করে এবং শরীরের ব্যাথা কমিয়ে ফিজিক্যাল এক্টিভিটির সময় সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটা আমার নিজের উপর টেস্ট করে দেখেছি। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে অশ্বগন্ধা খাই। সকালে জিম করতে গিয়ে আগের দিনের ব্যাথা কম থাকে, এনার্জিও পাই, বিশেষ করে হেভি লিফটের ক্ষেত্রে।
অশ্বগন্ধা আপনার ইমিউন সিস্টেম বুষ্ট করতে সাহায্য করে।

ঘুমের সমস্যা সমাধানে অশ্বগন্ধা:
রাতজাগা অভ্যাস অনেকের আছে, কেউ চাইলেও ঘুমাতে পারেনা। অশ্বগন্ধা ম্যাজিকের মত কাজ করে এক্ষেত্রে। আমার ঘুমের সমস্যা নাই। তবে সাউন্ড ঘুম কম হয়। যেমন বলেনা এক ঘুমে রাত শেষ। তেমন, আমি নিজে দুই সপ্তাহ ধরে রেগুলার খাচ্ছি। ঘুম তো হচ্ছেই, সাথে ফ্রেশ ঘুম। সারাদিন এক্টিভ ভাবে কাজ করার জন্য কোয়ালিটি ঘুম খুবই জরুরী। ঘুমের সমস্যা থাকলে অশ্বগন্ধা খেয়ে দেখতে পারেন।

থাইরয়েড এবং পিসিওএসে অশ্বগন্ধা:
হরমোন ব্যালান্সে অশ্বগন্ধার জুড়ি নেই। তাই বোঝাই যাচ্ছে থাইরয়েডে অশ্বগন্ধা প্রচন্ড উপকারী। বিশেষ করে হাইপোথায়রডিজমে খুবই উপকারী। থাইরয়েড যাদের আছে তাদের মুড সুইং, ডিপ্রেশন এসবের সমস্যা সমাধানে অশ্বগন্ধার জুড়ি নেই। তবে যাদের হাসিমোটো থাইরডিটিস আছে তাদের ডাক্তারের পরামর্শে অশ্বগন্ধা ব্যবহার করতে হবে। আরেকটা জিনিষ হল, থাইরয়েডে অনেকের ক্ষেত্রে অশ্বগন্ধা উপকারী আবার অনেকের সমস্যা হয়। সেটা আপনি কিছুদিন খেয়ে দেখতে পারেন। যদি মনে হয় উপকার হচ্ছে কিছু কনটিনিউ করবেন আর সমস্যা মনে হলে বাদ।

পিসিওএস ও হরমোনাল সমস্যা, তাই বোঝা ই যাচ্ছে অশ্বগন্ধা উপকারী । অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা যাদের আছে তারা অশ্বগন্ধা খেয়ে দেখতে পারেন।

তবে সবার জন্য অশ্বগন্ধা নয়:

🚫 গর্ভবতী কেউ অশ্বগন্ধা নিতে পারবেনা। অশ্বগন্ধা গর্ভপাতের ঝুকি বাড়ায়।

🚫যারা ব্রেস্টফিডিং করায় তারাও অশ্বগন্ধা নিতে পারবেনা।

🚫অশ্বগন্ধা যেহেতু ব্লাড সুগার লেভেল আর রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই এসবের মেডিকেশন চললে তা এডজাষ্ট করতে হতে পারে। অর্থ্যাত্‍ মেডিকেশনের ডোজ কমাতে হবে।
ভালো ফলাফল পেতে দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। অথবা পানিতে ঘুলেও খেতে পারেন।
আপনার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Address

Dhaka

Telephone

+8801821465002

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দানা daana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to দানা daana:

Share