18/05/2026
শুভ্র ভালোবাসার পরশ
________________//___//
আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে আমার সম্পর্কের গভীরতা খুব অল্প সংখ্যক মানুষই উপলব্ধি করতে পারে। আর তিনি যে আমার কত বড় শক্তি, সেটা অনুমান করা অনেকের পক্ষেই সম্ভবনা। গল্পটা তাহলে একটু পিছন থেকেই বলি-
২০২১সালের ৩রা এপ্রিলের ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের তাণ্ডবে গোটা হেফাজত যখন লন্ডভন্ড হওয়ার উপক্রম। হিংস্র হাসিনার হায়েনাদল যখন আমাকে খুবলে খাওয়ার সকল আয়োজন সম্পন্ন করেছিল। রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল টুলস নিয়ে হামলে পড়েছিল আমার উপর। আমাকে ধরাসায়ী করার মধ্য দিয়ে ভড়কে দিতে চেয়েছিল হেফাজতকে। এ লক্ষ্যে ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ,সিভিল প্রশাসন, সেই সাথে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, হুজুরলীগ, ঘাদানিক আর হলুদ সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম নাটকের স্ক্রীপ্ট বাস্তবায়ন চলছিল।
এক দিকে চলছিল রাষ্ট্রের কাছে সংরক্ষিত একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত আমানতে খিয়ানত করার নির্লজ্জ কদাকার। আরেক দিকে চলছিল হেফাজতে ইসলামের ভিতর ও বাহিরের ইসলামী নেতৃত্বের উপর গোয়েন্দা সংস্থার অব্যাহত চাপ, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে যে করেই হোক পদক্ষেপ নিতে হবে। আকারে ইঙ্গিতে হলেও স্টেটমেন্ট দিতে হবে। মুহুর্মুহ চাপে হেফাজত নেতৃবৃন্দকে বিপর্যস্ত করে তোলা হয়েছিল। যে কোন মূল্যে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতের জরুরী মিটিং ডাকা হয়। এমন কি সেই মিটিংয়ে যেন মাহফুজুল হক সাহেব উপস্থিত হতে না পারেন, গোয়ন্দা সংস্থা সেটাও নিশ্চিত করে। সব কিছু গুছিয়ে আনা হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের পক্ষ থেকে ধেয়ে আসা প্রবল এই ঝড়ের মুখে পাহাড়সম দৃঢ়তায় অটল দাঁড়িয়েছিলেন একজন আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। যার বলিষ্ঠতায় সকল ষড়যন্ত্র তাসের ঘরের মতো লুটিয়ে পড়েছিল। ব্যর্থ হয়েছিল হেফাজতে ভাঙ্গণ তৈরির রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র।
কারাগারে যাপিত ঘোর অমানিশায় ঢাকা সময়ে যে বিষয়গুলো আমার মনে ধিকিধিকি আশার আলো জ্বালিয়ে রাখত, তার মধ্যে অন্যতম ছিলো, আমার প্রতি আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর প্রাণখোলাদোয়া ও গভীর ভালোবাসা।
আমার কারামুক্তির পর ফ্যাসিবাদী আমলের চাপ উপেক্ষা করেই বাবুনগর মাদ্রাসায় আমাকেসহ কারামুক্ত অন্যান্য নেতাকর্মীদেরকে ঘটা করে সংবর্ধনা দিয়েছিলেন। আমার মুক্তির জন্যেই তিনি অপেক্ষমান ছিলেন। আমি মুক্ত হওয়ার পরপরই নিজে আমাকে দাওয