Dine With Nur

Dine With Nur Healthy & Delicious food seasoning with Love
(2)

27/04/2026

এক লোক রাতে বাড়িতে এসে দেখেন,তার সন্তানরা সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'ওরা নামায পড়েছে'?

স্ত্রী বললেন, 'বাড়িতে কোনো খাবার ছিলোনা। সবাই ক্ষুধায় কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছে। নামায পড়েনি'।

'ওদেরকে জাগিয়ে দাও। ওরা নামায পড়ুক'।

'ওদেরকে জাগিয়ে উঠালে খাবার না পেয়ে ওরাতো ক্ষুধায় আবার কান্না-কাটি করবে'।

'ওদেরকে জাগিয়ে দিতে বলেছি জাগিয়ে দাও। আমার আদেশ পালন করো। তাদের রিজিকের দায়িত্ব আমার না। রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহ তাআ’লার উপর'।

আল্লাহ তাআ’লা কোরআনে বলেছেন,

"তোমার পরিবারবর্গকে নামাযের আদেশ দাও এবং তার উপর অবিচল থাকো। আমি তোমার কাছে কোন রিযিক চাইনা আমিই তোমাদেরকে রিযক দান করি। শুভ পরিণাম তো শুধুমাত্র মুত্তাকীদের জন্য"।
(১৩২ - সূরা ত্বহা)

একথা শুনে স্ত্রী তৎক্ষণাৎ সন্তানদের জাগিয়ে নামায়ে দাঁড় করিয়ে দিলেন।

নামায শেষ করে যখন তারা উঠলো। এমন সময় দরজার বাইরে থেকে সালামের আওয়াজ ভেসে আসলো। দরজা খুলে দেখা গেলো, এক লোক তার কাধে অনেক খাবার। লোকটি বললো, 'এগুলো আপনার পরিবারের জন্য। গ্রহণ করুন'।

লোকটি কৈফিয়তের সুরে আরো বললো, 'শহর থেকে একজন নেতা আমার বাসায় মেহমান হয়ে এসেছিলেন। তার সামনে আমি খাবারগুলো পরিবেশন করলাম। কিন্তু খাবার শুরু করার পূর্বেই আমাদের মাঝে প্রচন্ড কথা কাটাকাটি হয়ে গেলো। মেহমান রাগান্বিত হয়ে কিছু না খেয়েই চলে গেলেন।

অতঃপর আমি খাবারগুলো নিয়ে বের হলাম। ভাবলাম, আল্লাহ যেদিকেই নেন, যেখানে নেন সেখানে খাবারগুলো দিয়ে আসবো। আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, হাঁটতে হাঁটতে আমি আপনার দরজায় এসে দাড়িয়ে গেলাম। আমি বুঝতে পারছিনা, কে আমাকে আপনার দরজার সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিলো'।

সুবহানাল্লাহ....

#ইসলামিক

কল্পনা করুন…যদি আপনি আপনার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর ঘর (বাইতুল্লাহ) যিয়ারতের জন্য ব্যয় করেন, তারপর বুঝতে পারেন যে আপনি আসলে ক...
26/04/2026

কল্পনা করুন…
যদি আপনি আপনার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর ঘর (বাইতুল্লাহ) যিয়ারতের জন্য ব্যয় করেন, তারপর বুঝতে পারেন যে আপনি আসলে কিছুই হারাননি…ববরং আপনিই একমাত্র প্রকৃত লাভবান ব্যক্তি হয়েছেন! 🕋🤍

আমরা অনেকেই মনে করি, হজ্জ বা উমরাহ একটি “বড় খরচ” এবং এতে ব্যয় করা অর্থ “ক্ষতি” বা “অন্যান্য প্রয়োজন পিছিয়ে দেওয়া”।

কিন্তু অনেক মানুষ যে সত্যটি ভুলে যায় তা হলো:
আল্লাহর আনুগত্যে যা ব্যয় করা হয়, তা কমে না… বরং তাতে বরকত দেওয়া হয় এবং তা বহু গুণে ফিরে আসে।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
“আর তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার প্রতিদান দেন এবং তিনি উত্তম রিজিকদাতা।”
— সূরা সাবা: ৩৯

তিনি আরও বলেছেন:
“আর তোমরা আল্লাহর জন্য হজ্জ ও উমরাহ পূর্ণ করো।”
— সূরা আল-বাকারা: ১৯৬

অর্থাৎ আল্লাহ আপনাকে তা পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রতিদান ও বরকতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন…তাহলে আপনি কেন আল্লাহর দেওয়া রিজিক নিয়ে ভয় করবেন?

নবী ﷺ বলেছেন:
“তোমরা হজ্জ ও উমরাহ একের পর এক করো, কারণ এ দুটি দারিদ্র্য ও পাপ দূর করে—যেমন আগুন লোহা, সোনা ও রূপার ময়লা দূর করে।”
— (তিরমিজি, নাসায়ি; সহিহ আলবানি)

ভালোভাবে চিন্তা করুন…
নবী ﷺ শুধু বলেননি উমরাহ গুনাহ মাফ করে,
বরং বলেছেন: “দারিদ্র্যও দূর করে” 🤍

অর্থাৎ হজ্জ বা উমরাহ শুধু অর্থ কমায় না…
বরং কষ্ট দূর করে, দরজা খুলে দেয়, রিজিক সহজ করে,,,, আল্লাহর নেয়ামত বলে শেষ করা যায় না।

কত মানুষ ভেবেছে, আমার হজ্জ বা উমরাহ করার সামর্থ্য নেই… কিন্তু যখন সে সত্যিকারের নিয়ত করেছে, আল্লাহ তার জন্য এমন দরজা খুলে দিয়েছেন যা সে কল্পনাও করেনি।

আর কত মানুষ পরিস্থিতির কারণে হজ্জ বা উমরাহ পিছিয়েছে… পরে বুঝেছে, জীবন কখনওই নিশ্চিত নয়।

টাকা আবার উপার্জন করা যায়… কিন্তু কাবার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ, কাবার পর্দার নিচে কান্না করার সুযোগ, পবিত্র ভূমিতে দোয়া করার সুযোগ… সহজে আবার নাও আসতে পারে 🕋

তাই বলবেন না: “যখন অবস্থার উন্নতি হবে তখন উমরাহ করবো বা হজ্জ করবো ” বরং বলবেন: “হে আল্লাহ আমি কাবা ঘর তাওয়াফ করতে চাই , আমি নবীর রওজা মোবারক জিয়ারত করতে চাই , তুমি আমার মনের আশা পুরন করে দাও,,, তুমি আমার রাস্তা করে দাও,,,,

আল্লাহর উপর ইয়াকিন করে মনে বিশ্বাস নিয়ে নিয়ত করে ফেলেন, দেখবেন আল্লাহ সবকিছু সহজ করে দেবেন ইনশাআল্লাহ।”

#ইসলামিক

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোক...
24/04/2026

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোকটির ছোট ছেলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলল, 'বাবা, আপনি যে এত কুরআন পড়েন, কিছুই তো মনে রাখতে পারেন না। এতে কী লাভ হচ্ছে?'
— তোমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দিবো। তার আগে এক কাজ করো, তুমি এই বেতের ঝুড়িটা সমুদ্র তীরে নিয়ে যাও এবং পানি ভরে নিয়ে আসো।
— এটা তো বেতের তৈরি, পানি কীভাবে ধরবে?
— আহা, চেষ্টা করে দেখো না!
সাধারণত কয়লা আনা-নেওয়ার কাজে তারা এই ঝুড়ি ব্যবহার করে। তবুও বাবার কথায় ছেলেটি ঝুড়ি নিয়ে তীরে গেল এবং পানি ভরল। কিন্তু বাড়ি ফিরে আসতে আসতে সব পানি পথেই শেষ। পড়তে পড়তে একদম খালি হয়ে গেছে।
'দেখলেন? কোনো লাভ হলো? পানি একটুও বাঁচেনি।' ছেলে আফসোস নিয়ে বলল।
লোকটি আশ্বাস দিলো, 'চেষ্টা চালিয়ে যাও সোনা। আরও কয়েকবার চেষ্টা করো।'
এভাবে দুইবার, তিনবার, চারবার, সবশেষে পাঁচবার পর্যন্ত চেষ্টা করল ছেলেটি। কিন্তু এক মুঠো পানিও আনতে পারল না। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে বাবাকে বলল, 'এই ঝুড়ি দিয়ে আমার পক্ষে পানি আনা অসম্ভব।'
এবার লোকটি শান্ত গলায় বলল, 'আচ্ছা, তবে তুমি কি ঝুড়িটার ভিতরের দিকে খেয়াল করেছ? ভিতরের অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখেছ?'
— হ্যাঁ, এটা পানি ধরে রাখতে না পারলেও বার বার পানি ভরার কারণে কয়লার ময়লাগুলো সাফ হয়ে গেছে। ভিতরটা বেশ পরিষ্কার দেখাচ্ছে এখন।
— ঠিক ধরেছ। এবার বলি, কুরআনও ঠিক এই কাজটাই করে তোমার অন্তরের ভিতরে। দুনিয়ার পেছনে ছুটতে ছুটতে তোমার অন্তর যখন কলুষিত হয়ে পড়ে, তখন কুরআন সমুদ্রের পানির মতোই তোমাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দেয়। অন্তরে মুখস্থ রাখতে না পারলেও সে তোমাকে পবিত্র করে দেয়।

বাবারে, একটা কথা মনে রেখো, কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ আয়াত 'পড়ো', 'মুখস্থ করো' না। কাজেই মুখস্থ করতে না পারার কারণে শয়তান যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে, কুরআন পড়া থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে।
ড. আলী মুহাম্মাদ আস-সাল্লাবী (হাফি.)-এর পেইজ থেকে অনূদিত।
অনুবাদ: ওয়াফিলাইফ
(C)

24/04/2026

শীতকালে ফ্লোরে পা দিতাম না, স্যান্ডেল পরে হাটতাম 🙃,,,,, আর এখন ফ্লোরে শুয়ে থাকি 🫠🫠🫠 ......

মোরল অফ দা স্টোরি - অহংকার পতনের মুল 🤨

🥵🥵🥵

23/04/2026

ভেঙ্গে পড়বেন না..... মনে রাখবেন

👉 যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে
প্রতারণা করবে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউসুফ (আঃ) আপন ভাইদের দ্বারা
প্রতারিত হয়েছিলেন।
👉 যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত
ইব্রাহীম (আঃ) নিজ পিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত
হয়েছিলেন।
👉 যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে
আসার আর কোন উপয়ান্তর খুঁজে না পান, আশার
শেষ আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউনুস (আঃ ) মাছের পেটের অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন।
👉 যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গে পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না। মনে রাখবেন, হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ আরোপ করা হয়েছিল।
👉 যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায়
কাঁতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে
রাখবেন, হযরত আইয়ুব (আঃ) আপনার চেয়েও
হাজারগুন বেশী অসুস্থ ছিলেন।
👉 যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন,
ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন , হযরত আদম (আঃ) , যাকে প্রথমে একাকী সঙ্গীবিহীন
সৃষ্টি করা হয়েছিল।
👉 যখন কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটি
অবস্থার পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন
কোন প্রশ্ন না করে মনে করুন হযরত নুহ (আঃ) এর কথা। যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরি করেছিলেন।
👉 যখন আপনি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন , আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর কথা। যিনি তাঁর আপনজনের হাসি- তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।
আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রেরিত সকল পয়গম্বরগণকেই
পরীক্ষায় ফেলেছিলেন এবং তাঁদেরকে উদ্ধার
করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উন্মতেরা ধৈর্য্য ধারন করতে পারে, কষ্টসহিষ্ণু হতে পারে।

‘নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্য ধারনকারীদের সাথেই আছেন’। [সুরা আনফালঃ ৪৬]

(কালেক্টেড)

(ভুল ত্রুটি মার্জনীয়)

"আল্লাহর এক বান্দা" অনেক অনেক কাল আগের কথা। এক নির্জন প্রান্তরে একটি ছোট্ট ঘরে থাকতেন এক সাধারণ বান্দা। তাঁর নাম কেউ জান...
18/04/2026

"আল্লাহর এক বান্দা" অনেক অনেক কাল আগের কথা। এক নির্জন প্রান্তরে একটি ছোট্ট ঘরে থাকতেন এক সাধারণ বান্দা। তাঁর নাম কেউ জানত না, সমাজে তিনি ছিলেন অতি সাধারণ। কিন্তু আল্লাহর কাছে তিনি ছিলেন অসাধারণ।

দিন-রাত তাঁর একমাত্র কাজ ছিল আল্লাহর ইবাদত। বিশেষ করে নামাজ। ফরজ নামাজের পাশাপাশি তিনি অসংখ্য নফল নামাজ পড়তেন। রাতের অন্ধকারে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ত, তখন তিনি উঠে তাহাজ্জুদ পড়তেন। সকালে ফজরের পর থেকে দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা—প্রতি ওয়াক্তের নামাজের পরেও তিনি বসে থাকতেন আল্লাহর সামনে।

তাঁর সবচেয়ে প্রিয় অবস্থা ছিল সিজদা। সিজদায় গেলে তিনি যেন দুনিয়া ভুলে যেতেন। কপাল মাটিতে লুটিয়ে দিয়ে বলতেন, “ইয়া আল্লাহ! আমি তোমারই, তোমারই জন্য। তুমি ছাড়া আমার কেউ নেই।” চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরত, বুক ভেসে যেত কান্নায়। সিজদা থেকে উঠতে তাঁর ইচ্ছাই করত না। যেন সেই মুহূর্তে তিনি আল্লাহর সবচেয়ে কাছে।

একদিন, গভীর রাতে। চারদিক নিস্তব্ধ। শুধু বাতাসের ফিসফিসানি। বান্দা তখনও সিজদায়। কপাল মাটিতে, হাত দুটো ছড়িয়ে, পা দুটো সোজা। তাঁর সমস্ত সত্তা আল্লাহর দিকে নিবেদিত। হঠাৎ আল্লাহ তা’আলা তাঁকে সরাসরি ডেকে বললেন:

“বান্দা!”

বান্দা চমকে উঠলেন না। বরং তাঁর হৃদয় আনন্দে ভরে উঠল। তিনি ভাবলেন, “আমার রব আমাকে ডাকছেন! কী সৌভাগ্য!”

আল্লাহ বললেন:

“তুই যত ইচ্ছে নামাজ পড়, তুই যতই সিজদা কর… তোর ঠিকানা জাহান্নাম!”

কথাটি শুনে বান্দা এক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে, গভীর আনন্দের সাথে বলতে লাগলেন:

“আলহামদুলিল্লাহ… আলহামদুলিল্লাহ… আলহামদুলিল্লাহ…”

তাঁর চোখ থেকে আরও বেশি করে পানি ঝরতে লাগল। কিন্তু এটা ছিল খুশির পানি। তিনি সিজদায় আরও গভীরভাবে মাথা ঠেকিয়ে বলতে থাকলেন, “হে আমার রব! তুমি আমাকে ডেকেছ, তুমি আমার সাথে কথা বলেছ—এটাই তো আমার জন্য যথেষ্ট। জাহান্নামে যেতে হয় তো যাব। কিন্তু তোমার এই ডাক, তোমার এই কথা—এটা তো আমার বুকে চিরকাল থাকবে।”

আল্লাহ তা’আলা তখন আবার বললেন:

“এই বান্দা জাহান্নামের কথা শুনে কাঁদছে না, বরং আলহামদুলিল্লাহ বলছে! সে আমার প্রতি এতটাই নির্ভরশীল যে, আমার ইচ্ছার সামনে তার কোনো আপত্তি নেই। সে শুধু আমার সন্তুষ্টি চায়।”

তারপর আল্লাহ বললেন:

“হে বান্দা! তোমার জন্য জাহান্নাম নয়। তোমার ঠিকানা জান্নাতুল ফিরদাউস। কারণ তুমি আমাকে এমনভাবে ভালোবেসেছ যে, আমার যেকোনো সিদ্ধান্তই তোমার কাছে কবুল। তোমার নামাজ, তোমার সিজদা, তোমার কান্না—সবকিছু কবুল করা হলো।”

বান্দা তখনও সিজদায়। তাঁর শরীর কাঁপছিল আনন্দে। তিনি আর কিছু বললেন না। শুধু আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে থাকলেন।

শিক্ষা
এই কাহিনীর মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। নামাজ ও সিজদা শুধু শারীরিক কাজ নয়, এটা হৃদয়ের। যে বান্দা আল্লাহকে এতটাই ভালোবাসে যে, জাহান্নামের কথা শুনেও “আলহামদুলিল্লাহ” বলে, আল্লাহ তাঁকে কখনো অপমানিত করেন না। বরং তাঁর ভালোবাসা দেখে আল্লাহ নিজেই খুশি হন।

আমরা যেন এই বান্দার মতো নামাজ পড়ি—শুধু রিয়া বা অভ্যাসের জন্য নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। সিজদায় গিয়ে যেন আমরাও বলতে পারি: “ইয়া আল্লাহ! তুমি যা চাও, তাই আমার জন্য ভালো।”

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এমন ইখলাস ও আত্মসমর্পণ দান করুন। আমীন।

(কালেক্টেড)

16/04/2026
🤔 পারলে কমেন্টে জানায়েন প্লিজ
16/04/2026

🤔
পারলে কমেন্টে জানায়েন প্লিজ

ননদের জন্য ভাবির অর্ডার 🥰🥰🥰স্কুল ছুটির সময় ভাবি এসে পিঠা নিয়ে যাবে ননদের বাসায়... সকাল সকাল ছেলের টিফিন রেডি করতে করতে আ...
16/04/2026

ননদের জন্য ভাবির অর্ডার 🥰🥰🥰
স্কুল ছুটির সময় ভাবি এসে পিঠা নিয়ে যাবে ননদের বাসায়...

সকাল সকাল ছেলের টিফিন রেডি করতে করতে আমিও তাই পিঠার প্রিপারেশন করে ফেললাম।কিছুক্ষন আগে চুলা থেকে নামিয়ে তাকে সাজিয়ে গুজিয়ে ছবি তুলে নিলাম 😍😍 বিবিখানা পিঠা এখন ডেলিভারির জন্য রেডি,আলহামদুলিল্লাহ !!!

জাজাকাল্লাহু খাইরান ভাবি ❤️❤️❤️ সবসময় পাশে থাকার জন্য ❤️❤️❤️

15/04/2026

Direct from dinning table,,,,,,,,

(যেহেতু খাটি বাংগালী আয়োজন তাই ইংরেজিতে ক্যাপশন দিলাম 😜, কারন বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হলেও দিন রাত আমরা ইংরেজি শিক্ষার জন্য যুদ্ধ করি😩 )

আলহামদুলিল্লাহ!! গত পরশু ডেলিভারি ছিল গুলশানে,আমাদের রিপিট ক্লায়েন্ট ইলোরা আপুর বাসায় 🚲🚲ফুলঝুরি পিঠা ২০পিসবিবিখানা পিঠা ...
15/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ!!

গত পরশু ডেলিভারি ছিল গুলশানে,আমাদের রিপিট ক্লায়েন্ট ইলোরা আপুর বাসায় 🚲🚲

ফুলঝুরি পিঠা ২০পিস
বিবিখানা পিঠা ২টা

জাজাকাল্লাহু খাইরান আপু ❤️❤️

14/04/2026

বিসমিল্লাহ বলে নতুন বছর শুরু করো গাইচ 😜

(ভিডু - কালেক্টেড)

Address

Dhaka
1219

Telephone

+8801789896675

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dine With Nur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dine With Nur:

Share