20/01/2024
পুরুষদের সাথে কথা বলার সময় নারীদেরকে অবশ্যই কোমলতা বর্জন করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘‘সুতরাং (পর-পুরুষের সাথে) কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বলো না, কারণ এতে যার অন্তরে ব্যাধি আছে, সে প্ৰলুব্ধ হয়। (বরং) তোমরা ন্যায়সংগত (স্বাভাবিকভাবে) কথা বলো।’’ [সুরা আহযাব, আয়াত: ৩২]
আয়াতটি যদিও উম্মাহাতুল মুমিনিনকে সম্বোধন করে অবতীর্ণ হয়েছে, তবে সকল ঈমানদার নারীই এই বিধানের আওতায়। মুফাসসির আলিমগণ এমনটিই বলেছেন।
সুতরাং ন্যাকামো বা ঢঙ করে অথবা আকর্ষণীয় ভঙিতে কথা না বলে অত্যন্ত সাধারণভাবে কথা বলতে হবে। অনেক আলিম অধিক সতর্কতা হিসেবে পর-পুরুষের সাথে ‘কর্কশ’ কণ্ঠে কথা বলতে বলেন। তবে, এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো দলিল পাওয়া যায় না।
অনেক বোনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ হলো, তাঁরা পর-পুরুষের সাথে খুব কোমলতা দেখিয়ে কথা বলেন, কিন্তু স্বামীর সাথে রুক্ষভাবে কথা বলেন। অবশ্য অনেক পুরুষও বাইরের লোকদের সাথে বিড়ালের আচরণ করেন, কিন্তু ঘরে এসে বাঘ-সিংহ হয়ে যান। অথচ স্বামী-স্ত্রী পরস্পর নিজেদের থেকে সর্বোচ্চ ভালোবাসা ও কোমলতার দাবি রাখে। আল্লাহ সবার মানসিকতা সুন্দর করুন। আমিন।