Adiba Ahmed

Adiba Ahmed plz support

গল্প:- দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসাস্বামী : আয়েশা এই আয়েশা…কি হলো জলদি এসো।আয়েশা : আরে বাবা আসছি।স্বামী : আমার ঘুম পাচ্ছে এ...
01/04/2023

গল্প:- দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসা
স্বামী : আয়েশা এই আয়েশা…কি হলো জলদি এসো।
আয়েশা : আরে বাবা আসছি।
স্বামী : আমার ঘুম পাচ্ছে এসো…
আয়েশা : কেন আমি প্রতিদিন তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেই তোমার ঘুমাতে হবে ?? যখন থাকবো না তখন ঘুমাবা কি করে?? বলো…
স্বামী : তুমি কখনো এই কথা বললে আমি কিন্তু সুইসাইড করব।
আয়েশা : ওরে আমার পাগল স্বামী রে। তোমাকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না…এইবার ঘুমাও।
একদিন পর…..
আয়েশা : ওই শনছো, কোথায় তুমি?? কি হলো…
স্বামী : এইতো মহারাণী, আসছি।
আয়েশা : হা এইবার তুমি তোমার কাজ করো, জনাব…
স্বামী : কেন?? প্রতিদিন ই কি আমার তোমাকে চুলে তেল দিয়ে দিতে হবে?? না দিলে হয় না??
আয়েশা : না হয় না। কারণ, তুমি আমার চুলে তেল দিলে, তুমি যখন অফিসে থাক তখন আমি আমার চুলে হাত বুলালে তোমাকে মিস করি না।
কিছুক্ষণ পর…
স্বামী : আয়েশা জলদি এসো, অফিসের সময় হয়ে যাচ্ছে।
আয়েশা : হা এসেছি, এবার বলো ।
স্বামী : আমাকে একটু মিষ্টি মুখ করাও। নাহলে অফিসে যাব না।
আয়েশা: ঘরে মিষ্টি নেই। আজ কিনে নিয়ে এসো কাল দিব।
স্বামী : ( স্ত্রীর হাত টা টেনে ধরে…) আরে মহারানী। আমি তো ওই মিষ্টির কথা বলছি। যেটা তোমার ঠোঁটে আছে।
আয়েশা: উপপপপ,,, কি করছো। কেউ দেখে ফেলবে তো।
স্বামী : দেখলে দেখুক। আমার বউকে আমি যা খুশি তাই করব, তাতে কার বাপের কি হ্যা…
আয়েশা : তুমি আসলেই একটা পাগল…!!
একদিন আয়েশা হঠাৎ ভুল করে একটা ফাইলের কাগজগুলোতে চা ফেলে দিল। এতে করে তার স্বামী আয়েশা কে জোরে দুটো থাপ্পড় দিল তাতে আয়েশা রাগ করে তার স্বামী কে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেল।
:
:
এরপর আয়েশা তার স্বামী কে ছাড়া থাকতে পারছে না। এদিকে তার স্বামী ও তাকে ছাড়া থাকতে পারছে না…
:
:
এই অবস্থা দেখে আয়েশার বাবা তার বিয়ান কে ফোন করে বিষয় টা বললো,, আয়েশার শাশুড়ি আয়েশার স্বামী কে বললো ” যদি বউমা কে কালকের মধ্যে বাসায় না নিয়ে আসিস তাহলে আমাদের সাথে কোন যোগাযোগ রাখিস না।
:
:
এদিকে আয়েশার স্বামী তার মায়ের কথা মতো আয়েশাকে আনতে গেল…
আয়েশা : কান্না কান্না কন্ঠে…কি ব্যাপার তোমার এই অবস্থা কেন। চোখের নিচে কালো দাগ কেন??
স্বামী : তুমি মাথায় হাত বুলিয়ে না দিলে কি আমার ঘুম আসবে?? বলো…আমি কখনো ভাবি নি তুমি আমাকে সত্যি সত্যি ছেড়ে চলে যাবে।
আয়েশা : ওগো, আমি তোমার পায়ে ধরি আমাকে ক্ষমা করে দাও। তোমাকে এইভাবে কষ্ট দেয়াটা আমার উচিত হয়নি।
স্বামী : আমাকেও ক্ষমা

বসে আছি পথ চেয়েঅপেক্ষার দিন শেষ হবে কবে ?তবু্ চেয়ে থাকি -হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ..নিয়ে!ভেবে,ভেবে হই ব্যকুল,!ফুটবে কবে.….আ...
05/03/2023

বসে আছি পথ চেয়ে
অপেক্ষার দিন শেষ হবে কবে ?
তবু্ চেয়ে থাকি -
হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ..নিয়ে!
ভেবে,ভেবে হই ব্যকুল,!
ফুটবে কবে.….আশার মুকুল....?

হয়তঃ ঝরে যাবে, হয়তঃ ফুটবে না...
তবু্, বসে আছি পথ চেয়ে-
মনে,মনে
বসন্তের দিন গোণা....
দখিনা গুনগুন,
নেচে ওঠেছে বাগান
প্রজাপতি, ফাগুন!
এই বুঝি এলে তুমি,আমার আঙিনায়।!

এলো চুল ব্যাকুল, কপালের টিপ ঠিক করেছি কতবার!
হাতে রেশমি চুড়ির রঙিন বাহার!

শাড়িটা পরেছি যত্ন করে,বহু চেষ্টার পর...
তুমি আসবে তো?
কবিতা পড়ে শোনাবো বলে,
এত সাজসজ্জা, এত আয়োজন,
প্রকৃতিজু্ড়ে বসন্তোৎসব!

বইটা সাথে নিয়ে এসেছি,
অনেক দিনের আশা,
বহু কবিতা তোমাকে নিয়ে,
মনে, মনে গেঁথেছি ছন্দের বাসা,!

আজ পড়ে শোনাবো বলে,
আমি বলবো-
তুমি শুনবে,
শুনে অবাক হয়ে বলবে-
সত্যিই কি কেউ এতটা ভালোবাসতে পারে!?
লাইন গুলো সাজিয়েছিলাম,কখনো
আবছা নীল আলো,আঁধারের দ্বৈত খেলাতে,
কখনো
উপচে পড়া জোছনার সান্নিধ্যে.. .

কখনো বসন্তের উদাস দুপুরের হালকা হাওয়ার বীনে
বাসন্তী সুর বেজে উঠেছিল বলে......

তুমি আসবে কি?

❥༊──‟নারী!༅পর্দাতে'ই!༅বেশি!༅সুন্দর”!༅──༊❥❥❝᷀ົ𝐇𝐢𝐣𝐚𝐛 𝐈𝐬 𝐭𝐡𝐞 𝐁𝐞𝐚𝐮𝐭𝐲 𝐨𝐟 𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲              ❝᷀ົ𝐌𝐮𝐬𝐥𝐢𝐦 𝐖𝐨𝐦𝐚𝐧"-🖤🌻..-🦋          ...
25/12/2022

❥༊──‟নারী!༅পর্দাতে'ই!༅বেশি!༅সুন্দর”!༅──༊❥

❥❝᷀ົ𝐇𝐢𝐣𝐚𝐛 𝐈𝐬 𝐭𝐡𝐞 𝐁𝐞𝐚𝐮𝐭𝐲 𝐨𝐟 𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲
❝᷀ົ𝐌𝐮𝐬𝐥𝐢𝐦 𝐖𝐨𝐦𝐚𝐧"-🖤🌻..-🦋

❥❝᷀ົ🦋ノ-!!‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎

প্রায় রাতে জিএফ আমাকে ফোন করেওয়েটিংয়ে পেত।🙄 আমি কথা ঘুরিয়ে বলতাম'বেবি আমার ফ্রেন্ড কল করেছিল। 🤔জিএফআমার কথা বিশ্বাস করে...
25/12/2022

প্রায় রাতে জিএফ আমাকে ফোন করে
ওয়েটিংয়ে পেত।🙄 আমি কথা ঘুরিয়ে বলতাম
'বেবি আমার ফ্রেন্ড কল করেছিল। 🤔জিএফ
আমার কথা বিশ্বাস করে বলত -আচ্ছা 'ঠিক
আছে।😍
আমি শান্তিতে নিশ্বাস ফেলে জিএফ এর
সাথে ৫মিনিট কথা বলার পর ' বলতাম
আমার শরীর খারাপ লাগছে - ঘুমিয়ে যাই?
জিএফ আমার কথা শুনে বলত আচ্ছা ঘুমিয়ে পড় বাবু
তুমি।আমার ঘুম লাগছেনা।
আমি এই ভাবে দিন দিন তাকে এভয়েড
করতে লাগলাম। আমার এখন আর ওকে ভাল
লাগে না তা নয়। আমি এই সম্পর্কে বিরক্ত হয়ে
গেছি। প্রতিদিন ফোনে কথা বলা ' দেখা
করা আমার আর ভালো লাগে না। জিএফ
এইসব হয়তো বুঝতে পেরেছে তাই আর দেখা
করার কথা বলে না।
আমি প্রায় রাতে ওয়েটিংয়ে থাকতাম আর
সে আমায় বার বার কল করত!! সে দিন
রাতে ৩টার সময় ফোনে কথা বলছি' তখন
হঠাৎ ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখি ৫৩টা
ফোন কল এসেছে ওয়েটিংয়ে। আমি ফোন
ব্যাক করে শুনতে পারলাম জিএফ কান্না
করছে! কান্না করে করে আমায় বলল '
আজকে ও কি ফ্রেন্ড কল করেছিল?? আমি
তার কথা শুনে চুপ করে থাকলাম কিছু
বললাম না।
- - দু দিন পর এক বিকালে তার সাথে দেখা
হল সেই পার্কে। যেখানে আমি তাকে
প্রথম ভালবাসার কথা বলেছিলাম। আজ
সে নীল শাড়ি পরে এসেছে। আমায় দেখে
জিএফ অনেক খুশি। আমি ওর মুখ দেখে বুঝতে
পারলাম - সে খুশিতে ফোন ওয়েটিং এর
কথা সব ভুলে গেছে! সে আমার পাশে বসে
আছে।
gf: তুমি খেয়ে এসেছ?
আমি : হুম।
Gf : বাড়ির সবাই ভাল আছে?
আমি gf র দিকে তাকিয়ে বললাম ' হুম
ভাল আছে। আমি এখানে তার সাথে প্রেম
করতে আসিনি!! আমি এসেছি এই সম্পর্ককে
এখানেই শেষ করতে। আমার ভালো লাগছে
না আর এইসব। সে ব্যাগ থেকে টিফিন বক্স
বার করে বলল ' তোমার জন্য নিজে বানিয়ে
এনেছি। তোমার প্রিয় খাবার পাটিশাপটা
পিঠে।
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম ' আমি
কিছু বলতে চাই তোমায়। সে তখন টিফিন
বক্স খুলে হাতে চামচ নিয়ে বলল - খেয়ে
বলো। আমি তার মুখে ভালবাসা আর
মিষ্টি হাসি দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আমি
আমার মন কঠিন করে বলে দিলাম সব' ব্রেক-
আপ এর কথা।
আমার কথা শুনে ওর হাত থেকে চামচ
মাটিতে পড়ে গেল - তাকিয়ে থাকল অসহায়
হয়ে।।
তারপর বলল ' ৫বছরের সম্পর্ক আমাদের আর
তুমি বলছ এখন ব্রেকাপ !! কোথায় হারিয়ে
গেল তোমার সেই সব প্রমিস? আমার হাতে
হাত রেখে করা ওয়াদা।
আমি তার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে
আছি কিছু বলছি না। সে আবার বলল ' মনে
আছে বলেছিলে আমার হাত ধরে 'এই
জায়গায় দাঁড়িয়ে- এই আমি কোন দিন
তোমাকে ছেড়ে যাব না! আমি
ভালবাসি তোমায়! কোথায় গেল সেই সব
কথা! কোথায় হারিয়ে গেল বলো?? আমি
তার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলাম।
তারপর বললাম ' আমি ভালবাসতাম তোমায়
কিন্তু এখন আর বাসি না। আমায় ক্ষমা করে
দাও। মনে কর এইসব শুধু টাইমপাস ছিল আর
কিছু না। দয়া করে আমায় ভুলে যাও। বাবা
মা যেখানে বিয়ে দিবে সেখানে বিয়ে
কর ' দেখবা অনেক সুখে থাকবা।
- - সে আমার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে
'মাটির দিকে তাকিয়ে আছে। ওর চোখ
থেকে টপটপ করে জল মাটিতে পড়ছে । আমি
তার কান্না দেখে বললাম ' কান্না করে
কি হবে? ভালবাসা তো আর জোর করে
হয়না।
আর তা ছাড়া আমার চাকরি নেই - বিয়ে
করে তোমায় খাওয়াব কি? সে কান্না
মাখা চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে
বলল ' জল খেয়ে থাকতে পারব কিন্তু আমায়
ভুলে যেও না। আমি বললাম' জল খেয়ে কি
জীবন চলে?
এই সব সিনেমায় হয়' বাস্তবতা অনেক
কঠিন!!
সে দিন সে আমার চোখে চোখ রাখতে
পারছিল না। শুধু কান্না করছিল। আমি ওর
কান্না সেদিন দেখতে পাইনি। আমি
অমানুষ হয়ে গেছিলাম। আমাদের ব্রেক-আপ
হয়ে গেল। আমি তার নাম্বার 'ফোন থেকে
মুছে দিলাম। সে মাঝেমধ্যে আমায় কল
করত কিন্তু আমি রিসিভ করতাম না। আমার
এইসব বিরক্ত লাগতো। বিরক্ত লাগার কারণ
তখন আমার আরো একটা বড় লোকের মেয়ের
সাথে প্রেম হয়ে গেছে। মেয়েটা আমায়
বিয়ে করতে চায়। ওর নাম হল নাইবা বলি। তার
সাথে প্রথম দেখা হয় আমার একটা শপিং
মলে। তখনও জিএফ সাথে আমার সম্পর্ক ছিল
কিন্তু আমি সেই সময় জিএফ র কথা চিন্তা
করিনি। সেই বড়লোক মেয়েটি যেদিন প্রথম আমায় বিয়ের
কথা বলল ' তখন আমি কোন কিছু চিন্তা না
করেই হ্যা বলে দিলাম। আমার মনে হয়নি
জিএফ এর কথা। মনে হয়নি একটা বিশ্বাস
আমার পথ চেয়ে আছে। আর সেই বিশ্বাস এর
নাম জিএফ।
- - প্রায় প্রতি রাতে জিএফ আমায় কল করত
আর কান্নাকাটি করতো। আমি বিরক্ত
হতাম।
চুপ করে কান্না করা শুনতাম তারপর বলতাম
' তোমার কান্না করা শেষ' এখন ফোন
রাখি? আমি ঘুমাব।
এই বলে ফোন কেটে দিতাম কিন্তু জিএফ
আমায় আবার ফোন করত তখন আমি বিরক্ত
হয়ে ফোন অফ করে দিতাম। সে দিন রাতে
ঘুমিয়ে আছি তখন জিএফ ফোন করছে। আমি
ওর কল দেখে বিরক্ত হয়ে বার বার ফোন
কাটছি কিন্তু মেয়েটা ভীষণ ছেছড়া!! কল
করছে তো করছেই। শেষমেশ রাগ করে কল
রিসিভ করে বললাম' সমস্যা কি তোমার??
সে আমার কথা শুনে চুপ করে রইল তারপর
বলল Happy Birthday To You.
আমি তার কথা শুনে হা করে আছি।আজকে
আমার জন্মদিন? আমি ভুলেই গিয়েছিলাম।
আর নিউ জিএফ আমায় একবারও ফোন করে কিছু বলল না
অথচ অল্ড ঠিক সেটা মনে রেখেছিল।
আমি সে দিন রাতে তার সাথে একটু ভাল
করে কথা বললাম। আমি তার কন্ঠ শুনে
বুঝতে পারলাম ওর শরীর ভাল না। সে
ফোন রাখার আগে বলল ' চিন্তা কর না
আমি আর ফোন করব না। ভালো থেকো
নিজের খেয়াল রেখো । এই বলে ফোন
রেখে দিল মেয়েটি।
- - আর বরলোক মেয়েটি অবশ্য পরের দিন আমার জন্ম দিনের
উইস করল আর বলল' বাবু আমি ঘুমিয়ে
গেছিলাম রাতে। প্লিজ রাগ করো না।
আমি আর তার উপর রাগ করে থাকতে
পারলাম না। নিউকে পেয়ে আমি ওল্ডের
কথা ভুলে গেলাম। এখন আর ওল্ড আমায় কল
করে না। আমি এখন নিউকে নিয়ে বেস্ত। নিউ
প্রতিদিন আমার সাথে দেখা করতো কফি
শপে। এই ভাবে দিন চলতে থাকে। আমাদের
ভালবাসা বাড়তে থাকে। রাতে খাওয়া
দাওয়া করে ঘুমিয়ে আছি তখন একটা
নাম্বার থেকে ফোন আসে। আমি ফোন
রিসিভ করে জানাতে পারলাম" এই নাম্বার
ওল্ড জিএফ এর ফ্রেন্ড আকাশের।
আকাশ আমায় বলল ' দাদা আপনি কেন
এমনটা করলেন ওর সাথে? সে না খেয়ে
থাকে -কারো সাথে কথা বলে না।
বাড়িতে একা বসে কান্না করে। দাদা ওর
অবস্থা খুব খারাপ।
এই ভাবে চলতে থাকলে সে বাঁচবে না!!
আমি আকাশের কথা শুনে রাগে ফুলে গিয়ে
বললাম ' তোর যখন এতো চিন্তা তাকে
নিয়ে তা হলে তুই ওর সাথে প্রেম করিস না
কেন সালা??
- - আকাশের সাথে কথা বলার সময় - নিউ জিএফ
৩/৪ বার ফোন ওয়েটিংয়ে পেয়েছে আমার।
আমি কল ব্যাক করে দেখি মেয়েটা মন
খারাপ করে বসে আছে। আমায় বলল ' তুমি
কার সাথে প্রেম করছিলে গো? আমি
বললাম কেউ না ভাই ফোন করেছিল।
কিন্তু সে আমার কথা শুনল না। মন মরা
হয়ে কথা বলল।
আমি বুঝতে পারলাম ' মেয়েটা আমায়
অনেক ভালবাসে। আমি পরের দিন তার
সাথে দেখা করলাম। আমার সামনে মন
খারাপ করে বসে আছে। আমি চকলেট দিয়ে
বললাম ' আমি সত্যি কাল রাতে কোন
মেয়ের সাথে কথা বলিনি । অনেক
বোঝানোর পর সে আমার দিকে তাকিয়ে
বলল ' আচ্ছা বিশ্বাস
করলাম তোমায়। আমি তার কথা শুনে
শান্তিতে নিশ্বাস ফেললাম। সে আমার
হাতে হাত রেখে বলল' আমি তোমায় ছাড়া
বাঁচবোনা । আমি শুধু তোমাকে
ভালবাসি - বিশ্বাস করি। আমার বিশ্বাস
নষ্ট করে দিও না।। আমি তার কথা শুনে চুপ
করে থাকলাম। চিন্তা করতে থাকলাম
মেয়েটা আমায় কত ভালবাসে। তারপর
বললাম 'না আমি তোমাকে ছেড়ে
কোথাও যাব না ।
- - আমি কথা বলা শেষ করার সাথে সাথে
একটা ছেলে এসে আমাদের পাশে দাঁড়াল।
মেয়েটি ছেলেটাকে দেখে চমকে গেল।
ছেলেটা বলল ' তুমি এখানে কি করছ ??
তুমি না বললে ' তোমার শরীর খারাপ বের
হতে পারবা না! আমি এইসব শুনে হা।
জানাতে পারলাম এই ছেলেটা তার BF..
নিউ জিএফ ছেলেটিকে বলল ' জান আমার কাজিন
এর সাথে দেখা করতে এসেছি। আমি তার
কথা শুনে হা করে বসে আছি!!
- - রাতে দাঁড়িয়ে আছি ছাদের। আজ অল্ডের
কথা অনেক মনে হচ্ছে। আমি খারাপ একটা
মেয়ের জন্য জিএফ এর মতন ভাল মেয়েকে ছেড়ে
দিলাম! আমি কেন বুঝতে পারলাম না - যে
মেয়ে প্রথম দেখাতে Love You বলতে পারে
" সে মেয়ে কেমন হতে পারে!! আমি সে
দিন তার কান্না দেখিনি। আমি মানুষ
না। নিজের অজান্তে আমার চোখ থেকে
জল পড়ল মাটিতে। রাতে অনেক গুলো ঘুমের
ঔষদ খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। আর কিছু বলতে
পারি না।
চোখ খুলে দেখি হাসপাতালে আমি। পাশে
মা আর বন্ধুরা। মা কান্না করছে। বাবা
বাইরে ডাক্তারের সাথে কথা বলছে। আমি
হাসপাতাল থেকে ২দিন পর ছাড়া পেলাম।
বাড়ি এসে শুয়ে আছি বিছানায়। তার
কথা অনেক মনে হচ্ছে। আমি মাকে বললাম
' মা আমার ফোনটা দিয়ে যাও। মা ফোন
দিয়ে চলে গেল। আমি ফোন হাতে নিয়ে
ফেসবুক ওপেন করলাম। দেখি অনেক গুলো
মেসেজ জমে আছে।
তারপর যা দেখলাম তা দেখে আমি নিজের
চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। দেখি
জিএফ এর বন্ধুদের স্ট্যাটাস - - - মেয়েটি এই পৃথিবীর
মায়া ছেড়ে চলে গেছে!! রোড এক্সিডেন্টে
মারা গেছে ২দিন আগে!! আমার মাথা
কাজ করা বন্ধ করে দিল। আমি ফোন রেখে
ছুটে গেলাম তার কাছে।
- - আমি বসে আছি তার কবরের সামনে।
চোখ থেকে জল টপটপ করে পরছে মাটিতে।
আমি তাকিয়ে আছি মাটির নিচে ঘুমন্ত
তার দিকে। আমার মনে হল সে দিন এর
কথা।
সেই দিন মেয়েটি আমায় বলেছিল' আমি
জল খেয়ে থাকতে পারব তোমার সংসারে
কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব
না।
আমি আজ কথা চিন্তা করে করে কান্না
করছি। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি।
আকাশের দিকে তাকিয়ে বললাম' হে আল্লাহ
- আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আর ভুল
করবনা। আমার কাছে তাকে
ফিরিয়ে দাও। আকাশে মেঘ জমে আছে।
আমি কান্না করছি তখন মেঘে বিশাল
জোরে গর্জন করে উঠল। আমি চমকে গিয়ে
উঠে বসলাম বিছানায়। দেয়াল ঘড়ির দিকে
তাকিয়ে দেখি রাত ২টা!! আমি কি এইসব
স্বপ্নে দেখেছি এতো সময়?? আমি ভয়ে
ঘেমে গেছি!! তা হলে কি নিউ জিএফ নামের কেউ
নেই?
আর ওল্ড জিএফের সাথে আমার ব্রেক-আপ হয়নি?
আমি ফোনে ডায়াল লিস্ট দেখলাম। নিউ
নামের কারো নাম্বার নেই ' সব নাম্বার
ওলড জিএফের।
এর মানে এতো সময় সব কিছু আমি স্বপ্নে
দেখছিলাম!! আমি পাগলের মতন বাইরে
গেলাম। গিয়ে দেখি বাইরে সত্যি বৃষ্টি
হচ্ছে আর মেঘ ডাকছে । আমি বাইক নিয়ে
জিএফের বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালাম।বৃষ্টি
তে আমি ভিজে গেছি।
আমি তাকে ফোন করে বারান্দায় আসার
কথা বললাম। সে বারান্দায় এসে ' এতো
রাতে আমাকে দেখে অবাক হয়ে গেল। বলল
'পাগল হয়ে গেছো তুমি?? আমি বললাম ' হ্যা
তোমার প্রেমে আমি পাগল হয়ে
গেছি। তোমাকে দেখতে ইচ্ছা করছিল তাই
চলে এসেছি।। আমি নিচে থেকে উপরে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা তার সাথে
ফোনে কথা বলেছি।সে হাসি দিয়ে বলল "পাগল একটা। এই বলে
ভেতরে গিয়ে একটা ছাতা এনে উপর থেকে
আমার দিকে ছুড়ে দিল।
- - আমি ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছি।
আশেপাশে কেউ নেই। বৃষ্টি হচ্ছে
ঝমঝমিয়ে। সে আমার দিকে তাকিয়ে
আছে বারান্দা থেকে আর আমি তাকিয়ে
আছি তার দিকে। মন ভরে দেখছি দুজন
দুজনাকে।💞💝💞

এত দুর যখন কষ্ট করে পড়ে ফেলেছেন তাই ছোট একটা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন গল্পটা কেমন লাগলো আপনার।😊
যারা সবসময় গল্প পড়েন বা গল্প পড়তে চান তারাই শুধু friend request দিয়ে সাথেই থাকুন আরও ভাল গল্প পাবেন

সমাপ্ত।
😶

যদি হাত ধরি!খুব করে জোর করি,যদি আঙুল আর না ছাড়ি,যদি মুখোমুখি দাঁড়াইচোখ হতে চোখ না সরাইঅপলক তাকিয়ে থাকি,তবুও কি তুমি অমন ...
18/12/2022

যদি হাত ধরি!
খুব করে জোর করি,
যদি আঙুল আর না ছাড়ি,
যদি মুখোমুখি দাঁড়াই
চোখ হতে চোখ না সরাই
অপলক তাকিয়ে থাকি,
তবুও কি তুমি অমন রাগ করে থাকবে!
পারবে রেগে থাকতে!

যদি বলি ভালবাসি!
যদি নাকে নাক ঠেকাই!
নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাস ছোয়াই।
যদি আরও কাছে আসি!
শক্ত করে তোমায় জড়িয়ে ধরে থাকি!
পারবে আমাকে ছেড়ে অমন দূরে থাকতে!

যেই মেয়ে টা অবকাশেআমার কথা ভেবে মুচকি হাসেসেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।যেই মেয়েটা  আমার কথায়  গাঢ় করে চোখে কাজল আঁকেসেই মেয়...
18/12/2022

যেই মেয়ে টা অবকাশে
আমার কথা ভেবে মুচকি হাসে
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

যেই মেয়েটা আমার কথায়
গাঢ় করে চোখে কাজল আঁকে
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

যেই মেয়েটা আমার উপরে
অভিমান জমিয়ে রেখে
এক প্রহর থাকতে পারে না
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

আমার একটু অবহেলায়
যেই মেয়েটা কান্না শুরু করে দেয়
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

যেই মেয়েটা তার ছোট ছোট
আবদার গুলো আমার কাছে জমা রাখে
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

যেই মেয়েটা আমার সাথে
সারাজীবন থাকবে বলে
একটার পর একটা
বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেয়
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

যেই মেয়েটা আমার দীর্ঘশ্বাসের
শব্দ শুনেই বুজে যায়
আমার মনটা ভালো নেই
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

যেই মেয়েটা আমার সাথে
ফুটপাত থেকে চা খেয়েই
অমৃতের তৃপ্তি পায়
সেই মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে।

মাঝে মধ্যে  বুক ফাটিয়ে  বলতে  ইচ্ছে করে, খুব  ভালোবাসি  তোমায়। আমার ভালোবাসি বলার শব্দে বজ্রপাতের মতো  যেনো  প্রকম্পিত  ...
18/12/2022

মাঝে মধ্যে বুক ফাটিয়ে বলতে ইচ্ছে করে, খুব ভালোবাসি তোমায়। আমার ভালোবাসি বলার শব্দে বজ্রপাতের মতো যেনো প্রকম্পিত হয় তোমার হৃদপিণ্ড। তুমি যেন সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকের মত আমার জন্য চিৎকার দিয়ে কাঁদতে থাক।

তোমাকে দেখতে ইচ্ছে হয় সকাল,সন্ধ্যা, রাতে।যেনো তুমি আমার চোখে খানিকক্ষণ পর পর দৃষ্টি বিরতি দিয়ে ভেসে ওঠো। আমি থমকে যাই! তোমাকে দেখার জন্য ভালোবাসার তীব্র জ্বরে পু'ড়'তে থাকি।

তোমাকে শুনতে ইচ্ছে করে, বসন্তের কোকিলের মতো। তুমি যেন আমার হৃদপিণ্ড মাতিয়ে রাখ গুণগুণ শব্দে। আমি অনুভব করি, তোমার হাসির শব্দ আমার হৃদয়ে সুড়সুড়ি দেয়। আমার মনটা তখন চিলের মতো আকাশ জুড়ে উড়তে থাকে। ভালোবাসার খুশিতে সে উড়ে যায় দিক বেদিক।

তোমাকে আমার স্পর্শ করতে ইচ্ছে করে। ছোট্ট শিশুর মতো তোমার মমতা মাখা শরীর আমাকে আবেগে রোমিও করে তুলে। ইচ্ছে হয়, তোমাকে ছুয়ে দেখি তুমি কো'ন গ্রহের মানুষ? কে'ন এতো মায়া তোমার শ'রী'র জুড়ে?

আমি তোমাকে কাছে পাওয়ার জন্য ভালোবাসা, আবেগ,অনুভূতি,মায়া খরচ করতে করতে শ্রীলংকার মতো দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছি। আমার হৃদপিণ্ডে যত আবেগ মমতা ভালোবাসা আছে সব তোমাকে দিয়ে দিলাম। তোমাকে দিয়ে দিলাম আমার জীবনে সুখদুঃখের চাবিকাঠি। তবুও তুমি আমাকে তোমার পবিত্র ভালোবাসাটুকু দিয়ো।

লেখা- আদিবা
ছবি- সংগৃহিত

লেভেল লেভেল মারাও। পারলে প্রমান করে দেখাওকার সাপোর্টার বেশি ❤️💪✌️
14/12/2022

লেভেল লেভেল মারাও। পারলে প্রমান করে দেখাও
কার সাপোর্টার বেশি ❤️💪✌️

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adiba Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category