25/07/2025
ধীরে ধীরে টাইমলাইন থেকে ‘মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি’র গল্পগুলো নিঃশব্দে হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা আবার যেন আগের মতোই স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফিরে যাচ্ছি। শুনছি, স্কুলও নাকি সীমিত পরিসরে ২৭ তারিখ থেকে খুলছে।
এটাই তো চিরচেনা বাস্তবতা। শুধু, একটা ক্লাসের এক সেকশনের প্রাণোচ্ছল ছোট্ট শিশুগুলোর আর কখনো ঘরে ফেরা হবে না।
সকালের সেই মমতামাখা ডাক — "উঠে পড়ো, দেরি হয়ে যাবে!"
টিফিন বক্সে প্রিয় খাবার গুছিয়ে দেওয়ার তাড়া — এসব আর থাকবে না।
তাদের মা-বাবার চোখের কোণ শুকাবে না কোনোদিন। নিঃশব্দ কান্না ভেতরটা কুঁড়ে খাবে প্রতিটি মুহূর্তে।
আর যে সাতটা শিশু সেদিন ভাগ্যক্রমে ক্লাসে ছিল না?
তারা যখন স্কুলে ফিরবে, ফাঁকা বেঞ্চগুলোর দিকে তাকিয়ে হয়তো মুহূর্তে বোঝে উঠতে পারবে না—কোথায় গেলো তাদের বন্ধু?
এক সময় তারা হয়তো নতুন বন্ধু বানাবে, আবার খেলায় মেতে উঠবে।
আর আমরা?
আমরাও কি সব ভুলে যাবো?
এই ভয়াবহ ঘটনা কীভাবে ঘটলো — প্রশ্ন করবো না?
জানার চেষ্টা করবো না কার গাফিলতিতে এতগুলো প্রাণ নিভে গেলো?
হয়তো ভবিষ্যতে নতুন কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আবার দু-চার দিন হাহাকার হবে, পোস্ট হবে, কভার ফটো কালো হবে — তারপর চুপ।
আমরা ভুলে যেতে পটু।
কিন্তু প্রশ্নটি রয়ে যায় — এই দায় কার?
#মাইলস্টোন_উত্তরা #