22/05/2026
সাদা লজ্জাবতী
হারানো শক্তি ফেরানোসহ আরো কিছু উপকারিতা-সাদা লজ্জাবতী
সাদা লজ্জাবতী ডাল,মূল, শিকড় পাতা
পাবেন ভেষজ বাড়ি।
অতি পরিচিত একটি গাছ লজ্জাবতী আবার কেউ বলেন লাজুক লতা। এটি একটি বর্ষজীবি গুল্ম আগাছা বা ঔষধী গাছ। অনেকটা তেতুল পাতার মত। হাতের বা কোন কিছুর স্পর্শে লজ্জ্বাবতীর পাতা বুঁজে যায়। পাতা সরু ও লম্বাটে, সংখ্যায় ২ থেকে ২০ জোড়া। এর ফুলগুলি সাদা, বেগুনী ও গোলাপী রঙের। এর পাতায় এ্যাকোলয়ড়ে ও এড্রেনালিন এর সব উপকরণ আছে। এছাড়াও টিউগুরিনস এবং মুলে ট্যানিন থাকে। যা পুরুষাঙ্গের শিথীলতা দূর করা সহ আরো নানাবিধ রোগ সারাতে ব্যবহৃত হয়। লজ্জাবতী লতার সমগ্র উদ্ভিদ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
আয়ুর্বেদ মতে লজ্জাবতীর অনেক উপকারের কথা বলা আছে, যার মধ্যে কফ দূর করা, নাক ও কান থেকে রক্ত পড়া, ডায়রিয়া, প্রদাহ, জ্বালাপোড়া, আলসার, কুষ্ঠ এবং যৌ+ ন রোগ থেকে মুক্তি দেওয়া ইত্যাদি আছে।
লজ্জাবতী পাতা গ্র্যান্ডুলার ফোলা, ভগন্দর, গলা ব্যথা, ক্ষত, আলসার, অর্শ বা পাইলস এবং রক্তপাত বন্ধের জন্য উপকারী।
এর মূল শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পাথর রোগে উপকারী। এছাড়া এটি বিষ, মূত্রবর্ধক বা অত্যধিক প্রস্রাবের প্রভাব কমায়।
লজ্জাবতী গাছের কার্যকারিতা-
দাঁতের মাড়ির ক্ষত- দাঁতের মাড়ির ক্ষত সারাতে গাছ সহ ১৫ থেকে ২০ সে.মি. লম্বা মূল পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে ৭ দিন দিনে ৩ বার কুলকুচা করলে ভালো হয়।
পুরু+ ষা+ ঙ্গের শৈথি+ ল্যতা: সাদা লজ্জাবতীর বীজ দিয়ে তৈরি তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করলে তা পুরু+ ষাঙ্গ দৃঢ় হয়।স্বাভাবিক উত্তেজনা ফিরে আসে।
ক্ষত সারাতে- যে কোন কারনে যো+ নিপথে ক্ষত হলে, প্রথমিক স্তরে মাঝে মাঝে অথবা প্রায় রোজই অল্প স্রা+ ব চলতে থাকে, একটা আশটে গন্ধ, কখনো বা একটু লালচে স্রা+ ব হয়, এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক সাবধান করে থাকেন, এটি পরিণামে ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে দুধ জলে সিদ্ধ করা লজ্জাবতীর নির্জাস দিনে ২ বার খেলে এ রোগ উপশম হয়। একই সাথে লজ্জাবতীর নির্জাস দিয়ে ডুশ দিলে বা যো+ নিপথ ধুলে তাড়াতাড়ি ক্ষত সেরে যায়।
আঁধার যো+ নি ক্ষতে- এ বিচিত্র রোগটি কৃষ্ণপক্ষে বেড়ে যায় আর শুক্লপক্ষে শুকাতে থাকে। এ ক্ষতটি হয় সাধারণত হাটুর নিচে আর না হয় কুঁচকির দু’ধারে। এক্ষেত্রে গাছও পাতা ( মূল বাদে) ১০ গ্রাম শুধু পানি দিয়ে নির্জাস করে খেতে হয় এবং ঐ নির্জাস দিয়ে মুছতে হয়।
রম+ নে অতৃপ্তি- কয়েকটি সন্তান হওয়ার পর যো+ নিদ্বার অনেকটা শিথিল হয়ে যায়, এক্ষেত্রে লজ্জাবতীর নির্জাস দিয়ে ডুশ নেওয়ায়, আর গাছের পাতা সিদ্ধ নির্জাস দিয়ে তৈরি তেলে ন্যাকড়া ভিজিয়ে যোনিদ্বারে দিয়ে রাখলে ভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়া অন্ডকোষের পানি জমা সারাতে পাতার পেস্ট ব্যবহার করা হয়।
আমাশয়ে- অনেকের আছে পুরানো আমাশয়। মল ত্যাগের বেগ হলে আর অপেক্ষা করতে পারে না। আবার অনেকের শক্ত মলের গায়ে সাদা সাদা আম জড়ানো থাকে। এক্ষেত্রে ১০ গ্রাম লজ্জাবতীর ডাঁটা ও পাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এ নির্জাস খেলে তারা অবশ্যই উপকার পাবেন।
ঘামের দুর্গন্ধ দুর করতে- অনেকের ঘামে দুর্গন্ধ হয় এবং জামায় বা গেঞ্জিতে হলদে দাগ লাগে, এক্ষেত্রে লজ্জাবতী গাছের ডাঁটা ও পাতার নির্জাস তৈরি করে বগল ও শরীর মুছতে হবে বা লাগাতে হবে। তাহলে এ দুর্গন্ধ দুর হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্যে- এক্ষেত্রে মূল ৭/৮ গ্রাম থেঁতো করে সিদ্ধ করতে হবে এবং ছেঁকে ঐ পানিটা খেতে হবে। তাহলে উপকার হবে। সাদা ফুলের লজ্জ্বাবতীর পাতা ও মুল পিষে রস বের করে নিয়মিত খেলে পাইলস্ ও ফিস্টুলায় আরাম পাওয়া যায়।
লজ্জাবতী উদ্ভিদ আরো বহুবিধ আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাদা লজ্জাবতী কিভাবে রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়-
গ্রন্থিতে প্রদাহ- লজ্জাবতী সেবন করলে গ্রন্থির প্রদাহ কমে যায় এবং যক্ষ্মা রোগের তীব্রতা হ্রাস পায়। লজ্জাবতী পাতার ১০-২০ মিলি রস নিয়মিত খেলে গলগন্ডে উপকার পাওয়া যায়।
কাশির জন্য- ঋতু পরিবর্তনের কারণে কাশি হলে লজ্জাবতী উদ্ভিদ দিয়ে চিকিৎসা করতে পারেন। লজ্জাবতীর মূল পিশে খেলে কাশি উপশম হয়।
রক্ত আমাশয়ে- অনেক সময় অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, প্যাকেটজাত খাবার বা বাইরের খাবার খাওয়ার কারণে বা কোনো সংক্রমণের কারণে ডায়রিয়া হলে রক্তক্ষরণ শুরু হলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে লজ্জাবতী উদ্ভিদ দিয়ে চিকিৎসা করতে পারেন।
ব্যবহার: ৩ গ্রাম লজ্জাবতীর মূলের গুঁড়া দইয়ের সাথে খাওয়ালে রক্ত ডায়রিয়ায় খুব উপকার পাওয়া যায়। এক গ্লাস পানিতে ১০ গ্রাম লজ্জাবতীর মূলের ক্বাথ তৈরি করে, সেই ক্বাথ সকাল-সন্ধ্যা খেলে রক্ত ডায়রিয়া ও ডায়াবেটিস থেকে উপকার পাওয়া যায়।
পেট ফাঁপা বা বদহজমে- বদহজম দূর করতে লজ্জাবতী খুবই উপকারী। বদহজম বা পেট ফাঁপা তখনই হয় যখন খাদ্যাভ্যাস বা খাওয়া-দাওয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। লজ্জাবতী পাতার রস ৫-১০ মিলি খেলে জ্বর, জন্ডিস এবং সব ধরনের পিত্তজনিত রোগে উপকার পাওয়া যায়।
পা+ ইল্স থেকে মুক্তি- বেশি মশলাদার খাবার খেলে পা+ ইল্স হওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। পাইলসের সমস্যার কারণে প্রায়ই মলত্যাগের সময় রক্তপাত হয়, এই সমস্যাকে ব্লাডি পা+ ইল্স বলে। এই সমস্যায় লজ্জাবতীর ব্যবহারে উপকার হবে। লজ্জাবতী উদ্ভিদের রস ব্লাডি পা+ ইল্সের রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ করে এবং উপসর্গ কমায়।
ব্যবহার- এক চামচ লজ্জাবতী পাতার গুঁড়া দুধের সঙ্গে সকালে বা দিনে তিনবার খেলে পাইলসের উপকার পাওয়া যায়।
মূত্রনালীর সমস্যায়- অতিরিক্ত পরিমাণে প্রস্রাবের সমস্যায় লজ্জাবতী খুবই উপকারী। লজ্জাবতীর পাতা পিষে খেলে মূত্রনালীর সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।
স্ত+ নের শিথিলতায় লজ্জাবতী গাছের উপকারিতা- প্রায়শই বার্ধক্যের সাথে সাথে স্তন শিথিল হওয়ার সমস্যা হয়। লজ্জাবতী ও অশ্বগন্ধার মূল পিষে পেস্ট লাগালে স্তনের শিথিলতা কমে যায়।
হাইড্রোসিল থেকে মুক্তি পেতে- পুরুষের অন্ডকোষে পানি ভর্তি হওয়ার কারণে এই রোগ হয় । এতে সাদা লজ্জাবতী ব্যবহার করলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। লজ্জাবতীর পাতা পিষে অণ্ডকোষের ফোলাতে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
সাইনাস এর ব্যাথায়- সাইনাসের ব্যথা বা অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিতে লজ্জাবতী খুবই উপকারী।
আলসার রোগে- লজ্জাবতীর মূল বা বীজের গুঁড়ো খেলে আলসারে উপকার পাওয়া যায়।
দেশি- বিদেশি দুষ্প্রাপ্য পণ্যের সমাহার-ভেষজ বাড়ি।
**প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হাকিম নিয়মিত পাইল্স, মলদ্বারে ক্ষত, এনাল ফিসার, রেক্টাল পোলাপ্স, মলদ্বারের যাবতীয় রোগ, গ্যাংগ্রীন, এলোপেসিয়া এরিয়েটা (মাথায় ও দাড়ির জায়গায় জায়গায় টাক খাওয়া) ও চর্ম, যৌন, ব্রেস্টও ভেজিনা ছোট/ বড় করাসহ বিভিন্ন রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
ভেষজ বাড়ি একটি দোকান। এখানে অফলাইনে ও অনলাইনে পণ্য সরবরাহ করা হয়। ভেষজ সামগ্রী নিজ হাতে স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে তৈরি করা হয়। প্রতারণা করার সুযোগ নাই। দয়া করে পেইজে rating/review দেখুন প্লিজ।
ভেষজ বাড়ি
বনাজী ভেষজালয়
পেজ: facebook.com/vesojbari/
শো রুম: বনাজী ভেষজালয়।
বাড়ী #৮-১০, রোড #৩, ব্লক #জি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা
০১৬২০১২০৮১৭ওয়াট্সএপ