Organic Food Store BD

Organic Food Store BD In a world of worriers, be the warrior.

22/08/2026

বাংলাদেশের সব চাইতে ভালো মানুষটাও যদি প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট এবং স্পীকার হয়। এই দেশ ঠিক হয়ে যাবে, এটা আমি আর বিশ্বাস করি না। আমার বিশ্বাস সেদিনই উঠে গেছে; যেদিন আমি উবার অর্ডার করে অপেক্ষা করছিলাম। ড্রাইভার ট্রিপ এক্সেপ্টও করেছে। এর দশ মিনিট পর ফোন করে বলেছে

- আপনি কি রাস্তার ওই পাড়ে আসতে পারবেন?

আমি বললাম

- আমি তো এড্রেস যেখানে দিয়েছি, সেখানে দাঁড়িয়ে আছি। আপনি এখানেই আসেন।
- আচ্ছা আসছি।

এর মিনিট পাঁচেক পর ওই ড্রাইভার ট্রিপ কেন্সেল করে দিয়েছে। হয়ত অন্য কোন ভালো ট্রিপ পেয়েছে। এদিকে আমি বাসা থেকে বের হয়ে গরমে ঘেমে গেছি। আমাকে আবার একটা গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে।

আমার বিশ্বাস সেদিনও ভেঙে গেছে। যেদিন গুলশানের এলিট কনভেনশন হলে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম। যাবার ইচ্ছা ছিল না। বাসার মানুষ বলেছে

- তুই দেশে আছিস। না গেলে লোকে কী বলবে।

আমি বললাম

- এইসব এলিটদের অনুষ্ঠানে যেতে আমার ভালো লাগে না।
- না লাগুক, সামাজিকতা বলেও তো একটা কথা আছে।

গেলাম। চকচকে হল। কিছু কোট-প্যান্ট পরা মানুষ আড্ডা দিচ্ছে। একজন আরেকজনকে বলছে

- আরেহ আপনাদের গুলশান এক অত ভালো এলাকা না। সাধারণ। আসল পশ এলাকা হচ্ছে আমাদের গুলশান দুই।

অন্য পাশের লোকটা মনে হয় গুলশান এক নাম্বারে থাকে। তিনি বললেন

- কী বলেন। আমাদের গুলশান এক কোথায় কম?

এরপর দুইজনে মিলে আমাকে জিজ্ঞেস করেছে

- আপনি বলেন তো কোনটা বেশি ভালো?

আমি উনাদের মুখের উপর বলে দিয়েছি

- আসলে দুটোই খারাপ এলাকা। এই এলাকার মানুষজনই দেশটাকে যুগের পর যুগ শোষণ করে যাচ্ছে।

অবাক হয়ে দেখলাম- এতক্ষণ যে দুই লোক গুলশান এক না দুই নাম্বার ভালো; এ নিয়ে তর্ক করছিল। দুই জনই সঙ্গে সঙ্গে এক হয়ে বলেছে

- অন্য এলাকার লোকজন কি ভালো নাকি?

আমি খুব অবাক হলাম। এরা মুহূর্তে এক হয়ে গেল। বললাম

- না আসলে আমরা সবাই খারাপ।

যা পড়লেন। এটাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চিন্তা করুন। রাজনীতিবিদরা দিনের বেলা তর্ক -বিতর্ক করেন। দেশের সাধারণ মানুষদের ব্যাবহারও করেন। খেঁটে খাওয়া মানুষগুলোর সন্তানরা এদের ভ্যান গার্ড হয়ে থাকে যুগের পর যুগ। কিন্তু ওই ছেলে-পেলেরা কখনো ভদ্রপাড়া পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না।

এদের নানান দল আছে, মত আছে, পথ আছে। কিন্তু রাতের বেলা ওই চকচকে কনভেশন হলে নিজেদের স্বার্থের প্রশ্নে ঠিকই অন্ধকারে হাত মেলায়। যেটা আমি-আপনি দেখতে পাই না। কারন ওটা ভদ্রপাড়া। সেখানে এলিট-বুর্জোয়া শ্রেণীর বাস।

ওখানে আমার-আপনার কোন এক্সেস নেই। ওটা কেবলই তাঁদের জন্য বরাদ্দ। দিন বদলায়। ক্ষমতার পালা বদলও হয়। কিন্তু ওই এলিট-বুর্জোয়াদের সাম্রাজ্য অক্ষত থেকে যায়।

আবার ওই প্রলেতারিয়েত উবার ড্রাইভার; সেও সামান্য সুযোগ পেয়ে ট্রিপ কেন্সেল করে দিয়েছে। ক্ষমতা পেলে সেও সবাইকে ভুলে যাবে। এটা ওই এক ট্রিপ কেন্সেলই বলে দেয়।

তাই আমি জানি- এই দেশ আর বদলাবার নয়। কারন দেশপ্রেম এই জনপদে কেবলই এলিট-বুর্জোয়া হবার একটা রাস্তা। এই পথে কেউ সুপার সনিক বিমানের গতিতে খুব দ্রুতই গন্তব্যে পৌঁছে যায় (পড়ুন এলিট হয়ে যায়।) কেউ আবার লোকাল ট্রেনের গতিতে চলতে থাকে- যদি এক জীবনে গন্তব্যে পৌঁছান যায়।

গন্তব্য কিন্তু ওই একটাই- এলিট হওয়া। গাড়ি, বাড়ি, ব্যাংক ব্যাল্যান্স বাননো। তাই আমি জানি- দেশের সব চাইতে ভালো মানুষটাও এই দেশের চিকিৎসা করতে পারবে না। কারন দেশটা চিকিৎসার ঊর্ধে উঠে গেছে।
Collected

31/07/2026

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজকে বলেই ফেলছে, "রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে না পারলে জাতিকে বাঁচানো সম্ভব না"!

মির্জা ফখরুল ভাইও স্বীকার করছে , "এই ৪/৫ মাসে কিছুই বদলায়নি ঘুষখোর আগের মতই ঘুষ খাচ্ছে"!

আগের মতো না ফখরুল ভাই , পরিমাণ আরো বাড়ছে।

কথা হইলো ,আসল সমস্যাটা কোথায়?

দেশের দুর্বল আইন ব্যবস্থা। আইন আছে মাগার প্রয়োগ নাই।

এদেশটারে শেষ করছে ফা**ক সিস্টেম!

এদেশটারে নষ্ট করছে আমলাতন্ত্রের জটিলতা আর করাপ্টেড কিছু রাজনী*তিবিদরা।

ঘুষ খাইছে প্রমাণ হইলে আপনারা করেন বদলি!
আপনারা করেন সাময়িক বহিষ্কার!

সেই ঘুষখোর নতুন জায়গায় গিয়া আবারও ঘুষের সাম্রাজ্য গড়ে তুলে! সামরিক বহিষ্কার তো মামুলি ব্যাপার।

এইতো কয়দিন আগে চীনের এক ঘুষখোর নগর কর্মকর্তা 'ইয়াং ইউলিনকে' সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দিছে!

দুনিয়াতে এতো পানিশমেন্ট থাকতে মৃত্যুদণ্ড কেন দিলো?

কারণ তারা চায় ঘুষ বানিজ্যেকে টোটালি গলা টিপে হত্যা করতে।

এই দেশে ঘুষ বন্ধ করতে হইলে চাকরি নট করে দিতে হবে।

সাথে দুর্নীতির বরপুত্র দুই চারটারে মৃত্যুদণ্ড কনফার্ম করতে হবে।

এভাবে কয়েকটারে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দিয়া দেখেন,পরের দিন থেকে সবকয়টা করাপ্টেড ভয়ে আর ঘুষ খাবে না!

সাথে বাজারদরের চিন্তা মাথায় রেখে সুইটেবল একটা স্যালারিও দিতে হবে ,যেন উনারা বাঁচতে পারে।

আর হ্যাঁ আপনি যদি গ্রামে গ্রামে ,ঘরে ঘরে হাসপাতাল বানাইয়া দেন জাতিরে বাঁচানো সম্ভব না!

কারণ বাজারের প্রত্যেকটা জিনিস এক নাম্বার দুই নাম্বার আছে।

এক নাম্বারের দাম বেশি দুই নাম্বারের দাম কম।

এক নাম্বারটা ভালো দুই নাম্বারটা ভেজাল।

যদি জাতিরে বাঁচাতে চান মার্কেট থেকে দুই নাম্বার সব আউট করে দিতে হবে।

যারা দুই নাম্বার বানায় তাদের প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দিতে হবে।

ঐ যে জনসন কোম্পানির মতো ৫.৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করতে হবে।

মাদক বন্ধ করতে হবে! মাদক বড় বড় সমস্যার জন্য দায়ি।

মাদক বন্ধ করা কঠিন কাজ না! সীমান্তে কঠোর হলেই সম্ভব।

দেশে যারা মাদক বিক্রি করে ,উৎপাদন করে তাদের বেলায়ও কঠোর আইন লাগবে।

আপনি দুর্নীতি বলেন, ঘুষ বলেন, ভেজাল বলেন!

সবকিছুর জন্যই কঠোর আইনের প্রয়োগ লাগবে।

বাজার থেকে দুই নাম্বার আউট করলেই হবে না!

এ জাতির জন্য পাবলিক হেল্থ লাগবে।

মানুষের ঘরে ঘরে গিয়া বুঝাইতে হবে এইটা খাওয়া যাবে না! ঐটা খাওয়া যাবে না।

এইটা করা যাবে না ঐটা করা যাবে না!

কাউন্সিল লাগবেই লাগবে! সেটা হোক মিডিয়ার মাধ্যমে।

কারণ এই জাতির মেক্মিমাম মানুষ নির্বোধ!

মূর্খতার কারণে তারা কিছুই জানে না!

আরেকটা জিনিস লাগবে! ইনকাম!

ব্যয় করার মতো ইনকাম!

তাহলে মানুষ দুই নাম্বার জিনিস কিনবে না!

এই যে আইন আছে বিচার নাই! দুদিন আগে এনসিপির ১৮ বছরের এক পুলারে ছাত্রদলের লোকেরা একটা চোখ নাই কইরা দিছে।

এ পর্যন্ত অর্ধ মার্ডার খুনিরে অ্যারেস্ট করে নাই।

আইনের প্রয়োগ থাকলে ক্রিমিনাল এখনও স্বাধীনভাবে ঘুরাফেরা করতো পারতো?

সাইকোপ্যাথদের কাছে প্রশংসা পাইতো?

পাইতো না তো! কেউ ক্রিমিনালের পক্ষে দাড়াইতো না।

যদি আগামী প্রজম্মকে বাঁচাতে চান আইনের শাসন কনফার্ম করেন!

অপরাধের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া চলবে না!!!
Collected

22/07/2026

মৌলভীবাজারে ১২০০ কমলার গাছ কাচা ফল সহ কেটে ফেলেছে বন বিভাগের কর্মকর্তা প্রীতম।

ধরলাম, তারা বন বিভাগের জায়গায় গাছ লাগিয়েছে। অবৈধ্যভাবেই লাগিয়েছে। কিন্তু ১২০০ ফল ধরা কমলার গাছ এভাবে কেটে ক্ষতি না করে ফল পাকা পর্যন্ত কি সময় দেয়া যেত না? ফল পাকার পরে গাছগুলোর কাটলেও তো মানা যেত। এতগুলো বিশাল সাইজের ফলজ গাছ একদম ফল সহ কিভাবে একটা মানুষ কেটে নস্ট করতে পারে?

বন বিভাগের শত শত একর জায়গা বন উজার করে কেটে রোহিংগাদের রাখা হয়েছে। বন বিভাগের জায়গা, পাহাড় দখল করে শত শত মানুষ বসবাস করছে। এতে সমস্যা নেই। কারণ সেখানে সন্ত্রা* এগুলো দখল করে ভাড়া দেয়।

সাধারণ নিরিহ কিছু মানুষ কমলার চাষ করাতেই অপরাধ? আর এভাবে এই গরীব লোকদের এত কষ্টের গাছগুলো কেটে ফেলা কি কোন অপরাধ নয়? শুনেছি ১০ লাখ টাকা চাদা চেয়ে না পেয়ে এই কর্মকর্তা গাছগুলো কেটেছেন।

সেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জরিমান দিতে হবে এই প্রিতম নামের কর্মকর্তাকে। এবং তাকেও শাস্তি পেতে হবে। মৌলভীবাজারের স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ এবং সরকারের কাছে আবেদন এই ঘটনায় অবশ্যই সবাই মিলে তাকে শাস্তির আওতায় আনবেন।

22/07/2026

সিভি অনুযায়ী তার বয়স মাত্র আঠারো। এসএসসি শেষ হওয়া মাত্রই যেহেতু চাকরি খুঁজছেন, তাই অনুমান করা যায় বাড়িতে অভাব। এই রকম সংসারে একটা চাকরি মানে শুধু চাকরি না। মানে মায়ের ওষুধ, ছোট ভাইয়ের ফিজিক্স টিচারের বেতন, বৃষ্টি এলে যে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে তা সারানো।

এ দেশে গরিবের চাকরি হয় কীভাবে? পরীক্ষা দিয়ে, লাইনে দাঁড়িয়ে। আর সবশেষে, কোনো ক্ষমতাবান মানুষের দরজায় গিয়ে সুপারিশ নিয়ে। এলাকার সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষটির নাম এমপি সাহেব।

তো একদিন সিভিটা এমপি সাহেবের কাছে পৌঁছাল। হয়তো মেয়েটি নিজে নিয়ে গিয়েছিল, হয়তো পরিবারের কেউ। ভরসা নিয়ে গিয়েছিল। যেভাবে গরিব মানুষ ক্ষমতাবানদের দ্বারস্থ হয়।

সিভিতে সই পড়ল। জোর সুপারিশ করা হলো।

কিন্তু সুপারিশের দাম হিসেবে মেয়েটিকে কী দিতে হয়েছে? হয়তো কিছুই না। হয়তো সবকিছু। আমরা জানি না।

আর এই "জানি না"-টাই আসল কথা। কারণ যে সম্ভাবনাটা এখন আমাদের সামনে, সেটা কোনো সাধারণ কেলেঙ্কারি না। সম্ভাবনাটা হলো, জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্য তাঁর পদের জোর খাটিয়ে একটা অসহায় মেয়েকে একা রুমে নিয়ে গেছেন। চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে।

সম্ভাবনা মানে প্রমাণ না, জানি। কিন্তু এই প্রশ্নটা সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যথেষ্ট প্রাথমিক প্রমাণ আমাদের সামনে এসেছে। তদন্ত কমিটি হোক, খতিয়ে দেখা হোক। অভিযোগ মিথ্যা হলে মানুষটা কলঙ্কমুক্ত হবেন। আর সত্য হলে, 'মহান সংসদ' নামের মর্যাদাটুকু বাঁচাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

আর সংসদ যদি চুপ করে থাকে? তাহলে সেই নীরবতার মানে একটাই। এই সংসদ হয়েছে গরিবকে শোষণ করার জন্য। অথবা গরিবের মেয়ে এমপির দরজায় গেলে যা ইচ্ছা তা-ই করার জন্য।

---

এখানে আরেকটা কথা বলা প্রয়োজন। এই যে সুপারিশের ব্যবস্থা, ক্ষমতাবানের এক লাইনের সইয়ে চাকরি হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা, এটা কি শুধু এই একটা ঘটনার সমস্যা?

প্রতিটা নির্বাচনে প্রতিটা দল আমাদের কথা দেয়, দুর্নীতিমুক্ত দেশ, জিরো টলারেন্স। অথচ সরকার বদলায়, দল বদলায়, সুপারিশের ব্যবস্থাটা বদলায় না।

এই একটা জায়গায় সব দল একমত। কেন? যার সই ছাড়া চাকরি হয় না, সেই গরিব মানুষটাকে জিম্মি রাখার জন্যই কি? আজকের গল্পটা দেখিয়ে দিল, এই জিম্মিদশার দাম কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে।

03/07/2026

In a world of worriers, be the warrior.

29/05/2026
EID MUBARAK....
20/05/2026

EID MUBARAK....

'শহীদ ওসমান হাদির মতো না আমাকেও গুলি করে'নবীন পাঞ্জাবির স্বত্বাধিকারী এনামুল হাসান নবীন মঙ্গলবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন কর...
25/03/2026

'শহীদ ওসমান হাদির মতো না আমাকেও গুলি করে'
নবীন পাঞ্জাবির স্বত্বাধিকারী এনামুল হাসান নবীন মঙ্গলবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে এমন শঙ্কা প্রকাশ করেন। দাবি করেন, পুলিশ নিয়ে তার শোরুমে মব চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে এক সিন্ডিকেট। আরও বলেন, এই অপকর্ম করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে। রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানান, "সন্তানদের এতিম করতে চাই না, তাই দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি"।

Address

57, West Shewrapara, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Organic Food Store BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Organic Food Store BD:

Shortcuts

Share