PQS MART

PQS MART PQS Mart is on a mission to wipe out contaminated items from your shelves.

13/06/2024

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরচ করছেন। যারা ওই অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল। এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি।

মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায়। আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন তবে এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয়।

অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন। এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে। আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জংশনে এসে নামবেন (দমদম জংশন এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না)। এখান থেকে মাত্র ১০ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট:
দমদম > বেলগাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবীন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতীন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবীন্দ্র সরোবর > টালীগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস।

ভাড়া ৫, ১০, ১৫, ২০ রুপি। আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত। চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লেখা আছে। আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন।

এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন।
╚►রাম মন্দিরঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন।
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন।
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো।
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►বড় বাজারঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।

অনেকেই নিউমার্কেট এলাকায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকে । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন। এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এলাকা।

নোটঃ মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না। মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলোতে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না। সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ, অফিস ব্যাগ, শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন। ভালো থাকবেন।

লেখা এবং ছবি সাজেদ রহমান ভাইর ওয়াল থেকে।

29/03/2024

আশা করি শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

এক লেবানিজ লোক জাপানে ঘুরতে গিয়ে সেখানকার এক ফাইভ স্টার হোটেলে উঠেছে। সে যখন সুইমিংপুলে নেমেছে, তখন আর কোনো গেস্ট ছিলো না। একা সুইমিংপুলে সাঁতার দিতে গিয়ে আরব বদমাইশটার মাথায় চ্যাগান দিয়ে উঠলো শয়তানি। ভাবলো, "একটা ফাইভ স্টার হোটেলের সুইমিংপুলে হিসু করে রেখে যাই। আমার মূত্রে বাকি গেস্টরা অবগাহন করবে, অনেক মজা হবে।"

মজা পাওয়ার জন্য ভাইটি মূত্রবিসর্জন করামাত্র দেখলেন, পুলের ওই অংশের পানি গোলাপি হয়ে গেছে এবং এলার্ম বেজে উঠেছে। হোটেল স্টাফরা এসে সাথে সাথে তাকে পুল থেকে তুলে ফেললো। কারণ, এখন পুরা সুইমিংপুলের পানি ফেলে দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর নতুন করে পানি ভরা হবে।

ঘটনা ঘটার দশ মিনিটের মাথায় লোকটাকে রিসেপশনে ডেকে আনা হলো। তার হাতে পাসপোর্ট ধরিয়ে দিয়ে হোটেল থেকে বিদায় করে দেয়া হলো। লোকটা ভাবলো, সে সম্মানিত ট্যুরিস্ট এবং তার প্রচুর পয়সা আছে। অন্য হোটেলে গিয়ে উঠলেই হবে।

এখান থেকেই মূল খেলাটা শুরু। লোকটা প্রথমদিকে আশপাশের ফাইভ স্টার হোটেলগুলায় উঠার চেষ্টা করলো। মজা হলো, যেই হোটেলেই সে উঠার চেষ্টা করে, রিসেপশনিস্ট তার পাসপোর্টের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলে ফেলে, "আচ্ছা, আপনিই সেই লোক যে সুইমিংপুলে.... আহ্, সরি স্যার, আপনাকে গেস্ট হিসেবে আমরা নিতে পারতেসি না। অন্য হোটেল দেখেন।"

লোকটা হোটেল দেখা শুরু করলো। প্রথমে সবগুলো ফাইভ স্টার, এরপরে ফোর স্টার, এরপর থ্রি স্টার.... প্রত্যেকটা হোটেলেই সেইম ঘটনা ঘটতেছে। কেউই তাকে গেস্ট হিসেবে নিচ্ছে না। সারাদিন ঘুরে জাপানের কোনো হোটেলেই থাকার জায়গা না পেয়ে লোকটা শেষমেশ নিজের এমব্যাসিতে আশ্রয় নিলো।

সেখানে তাকে পরামর্শ দেয়া হলো, জাপানের এমন কোনো হোটেলেই তুমি আর কোনোদিন উঠতে পারবা না, যেখানে সুইমিংপুল আছে। তারচেয়ে বড় কথা, তোমার এই অপরাধের ছাপ্পা তোমার পাসপোর্টের সাথে লেগে গেছে। তোমার জাপান ভ্রমণ এখানে সমাপ্ত করাটা হবে বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত।

লোকটার অপমান সেখানেই শেষ হয় নাই। চলে যাওয়ার সময় এয়ারপোর্টে পাসপোর্ট অফিসার তার পাসপোর্টে সিল মারতে মারতে বললো, "আশা করি আপনি আপনার শিক্ষা পেয়েছেন। অন্য দেশে যাওয়ার সময় শিক্ষাটা ভুইলেন না।"

লেবাননে ফিরে এসে লোকটা পুরো ঘটনাটা তার ফেসবুকে লিখেছে। সেই স্ট্যাটাসের লাস্ট লাইন ছিলো, "পুরো জাপান জেনে গেছিলো যে আমি ওদের হোটেলের সুইমিংপুলে হিসু করেছি। এদিকে আমার দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কারা আমাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার চুরি করে নিয়ে গেছে, সেটা আমাদের সরকার এখন পর্যন্ত বের করতে পারে নাই।"

# সোহা

18/03/2024

তাকওয়া কী? রোজা কীভাবে তাকওয়া অর্জনে সহায়তা করে?
—নোমান আলী খান

এরপর আল্লাহ্‌ রোজার উদ্দেশ্যের কথা বলেন, উদ্দেশ্য হল, লাআল্লাকুম তাত্তাকুন। যেন তোমরা সবাই নিজেদেরকে রক্ষা করার চেতনা গড়ে তুলতে পারো। সাবধানতা, যত্ন, ভয়ও বলতে পারেন। কিন্তু, ভয় অর্থটা তাকওয়া শব্দের ভালো অনুবাদ নয়। তাই, আমি তাকওয়ার ধারণা ব্যাখ্যা করতে কিছু সময় ব্যয় করবো।

তাকওয়া এসেছে আরবি শব্দ 'বেকায়া وقاية' থেকে। মূল শব্দ হলো, وقى يقي وقاية আর আরবিতে وقاية অর্থ রক্ষা করা। যেমন, আমরা দুআ করি, ওয়া কিনা আজাবান নার - আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। যখন নিজেকে রক্ষা করার কথা আসে তখন বলেন, ইত্তাকা, ইয়াত্তাকি। কুরআনে এসেছে - فَكَيْفَ تَتَّقُونَ إِن كَفَرْتُمْ يَوْمًا يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا - “অতএব, তোমরা কিরূপে আত্মরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন বালককে করে দিব বৃদ্ধ?” (73:17) এখানে 'তাত্তাকুন' দ্বারা আত্মরক্ষার ধারণা প্রকাশ পাচ্ছে।

যখন কেউ আত্মরক্ষা করে... যেমন, দরজা বন্ধ করে, জানালা বন্ধ করে, সিকিউরিটি এলার্ম সেট করে— যেটাই করুক, তারা এসব করে কারণ এখানে সত্যিকারের বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিরক্ষার সাথে বিপদের এই সম্পর্ক থাকার কারণেই মানুষ তাকওয়ার জন্য 'ভয়' অর্থ ব্যবহার করে। মূলত এর অর্থ হলো, ভয়ের কারণে তুমি যে পদক্ষেপ গ্রহণ করো সেটাই তাকওয়া। ভয় নিজে নয়। এমনও হতে পারে, কেউ একজন ভয় পেলো কিন্তু বাঁচার জন্য কোনো পদক্ষেপ নিলো না। তার তাকওয়া নেই।

অন্যদিকে, যে ব্যক্তি ভয়ের কারণে দরজা বন্ধ করে, খারাপ এলাকা থেকে বের হয়ে যায়, জোরে গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যায়, যেটাই করুক না কেন— এর নাম হলো তাকওয়া। বুঝতে পারছেন? তাহলে, নিজের প্রতিরক্ষার জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয় তার নামই তাকওয়া। যে কোনো ধরণের সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার নামই হলো তাকওয়া।

তাক্বওয়া ইতিবাচক অর্থও প্রকাশ করতে পারে। শুধু বিপদ থেকে প্রতিরক্ষা নয়, যখন তুমি তোমার পিতার রাগ থেকে বাঁচতে পদক্ষেপ গ্রহন করো, মায়ের রাগ থেকে, স্বামী/স্ত্রীর রাগ থেকে। অথবা আজকের আলোচনার ক্ষেত্রে, আল্লাহ যেন অসন্তুষ্ট না হোন সেজন্য পদক্ষেপ নেওয়া। যখন আপনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যেমন, আমি জানি আমি ঘুমিয়ে পড়তে পারি। তাই, ঘুমানোর আগেই আমি আমার বাড়ির কাজ শেষ করবো। আমি আগেভাগে করে ফেলবো। আমার এখন সময় আছে, কিন্তু কেমন যেন অলসতা ফিল করছি। আমি জানি, যদি দেরি করি শেষে আর করা হবে না। এটা আসলে তাক্বওয়া মূলক কাজ। আপনি নিজেকে নিজের দুর্বলতা থেকে রক্ষা করলেন। উপযুক্ত সাবধানতা অবলম্বন করলেন।

এজন্য কুরআনের এক জায়গায় পাবেন, সূরা বাকারায় হজ্বের প্রস্তুতি নেওয়ার কালে ... হজ্বের প্রস্তুতি নেয়ার কালে আপনার হাতে যথেষ্ট টাকা থাকতে হবে, লাগেজ ব্যাগ ইত্যাদি গোছাতে হবে। আর আগের দিনে তো অনেক লম্বা ভ্রমণ করতে হতো। তাই, আপনাকে ব্যাগ গোছানোটা ভালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে। মরুভূমির ভেতর দিয়ে ভ্রমণ করতে হত। তাই, সাপ্লাই না থাকলে তো মারা যেতে হবে। সেজন্য, আল্লাহ্‌ বলেন, وَتَزَوَّدُوا - এবং পাথেয় গ্রহণ কর। فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَىٰ - আর তাক্বওয়াই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। (2:197)

মানে, যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করো। শুধু আল্লাহর ব্যাপারে সাবধানতা নয়, এই বিস্তৃত অর্থবোধক বাক্যাংশে বলা হচ্ছে, দেখো, সবাধান থাকো। অনিরাপদ পথ দিয়ে বা ভয়ংকর এলাকা দিয়ে ভ্রমণ করো না। আগন্তুকদের সাথে কথা বলো না। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো। এগুলোও আসলে তাকওয়ার অর্থের মাঝে অন্তর্ভুক্ত।

এখন, কেন আমি আপনাদের এসব বলছি? আল্লাহ্‌ অসাধারণ একটি কাজ করেছেন। সমগ্র কুরআনে তাকওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রায় ২০০ বারের বেশি। এটি কুরআনের বহুল উল্লেখিত বিষয়বস্তুর একটি, যদি সর্বাধিকবার উল্লেখিত বিষয়বস্তু না হয়ে থাকে।

আর আপনারা ঘুমিয়ে পড়ার আগে অগণিত খুৎবা শুনে থাকবেন তাকওয়া নিয়ে। "প্রিয় ভাই এবং বোনেরা, আজ আমি তাকওয়া নিয়ে কথা বলবো।" আপনি আস্তে করে ঘুমিয়ে পড়েন। এই রকম অভিজ্ঞতা আপনার বহুবার হয়েছে।

সবাই বলে আপনার তাকওয়া থাকতে হবে, আপনার তাকওয়া থাকতে হবে, আপনার তাকওয়া থাকতে হবে। কিন্তু, নামাজের পরে তো আর এটা বিক্রি হচ্ছে না, মসজিদের বাহিরে। আমি জানি না কোথা থেকে এটা অর্জন করবো। এটা একটা ধারণা, আমি কীভাবে এই ধারণা নিজের মাঝে বাস্তবায়ন করবো। আমি শুনেছি এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমার এটা থাকতে হবে। এটা একটা বিমূর্ত বিষয়।

আমাদের ধর্মের সুন্দরতম একটি দিক হলো, এমন বিমূর্ত ধারণাগুলোকে নিয়ে আল্লাহ্‌ তাঁর নিজের বইতে প্র্যাকটিক্যাল কিছু উপায় বলে দিবেন যে, কীভাবে আমরা নিজেদের মাঝে এগুলোর বাস্তব প্রয়োগ ঘটাবো। তাই, এটা শুধু একটা দার্শনিক ধারণা হিসেবে আপনার মাথায় ঘুরতে থাকে না। 'কিছু একটার নাম তাকওয়া। আমার মনে হয় অনেক মানুষের এটা আছে, কিন্তু আমার নেই।' না। আল্লাহ্‌ আসলে আপনাকে ট্রেইনিং অনুশীলন দিবেন। যার বাস্তবায়ন করে আপনি নিজেও তাকওয়া অর্জন করতে পারেন। এইরকম উপায়গুলোর অন্যতম শক্তিশালী একটি হলো, সিয়াম সাধনা। আশা করা যায়, রোজা আপনাকে তাকওয়া দিবে।

যদি রোজা রাখলেই তাকওয়ার গ্যারান্টি পাওয়া যেতো তাহলে আয়াতটি এভাবে আসতো, কুতিবা আলাইকুমুস সিয়াম, কামা কুতিবা আলাল লাজিনা মিন কাব্লিকুম লি তাত্তাকু। লামটি হতো লামে তা'লিল। লি তাত্তাকুর অর্থ হতো, যেন তোমরা তাকওয়া পেতে পারো। আর যখন লাআল্লাকুম বলেন, তখন পাওয়ার একটি আশা আছে, কিন্তু কোনো গ্যারান্টি নেই। কোনো গ্যারান্টি নেই।

তো, আল্লাহ্‌ বলছেন তাকওয়া অর্জন করার এটা হলো উপায়, কিন্তু শুধু যদি তুমি ঠিকভাবে সম্পন্ন করো। এমন নয় যে, যেই রোজা রাখবে সেই তাকওয়া পাবে। চলুন, এই ধারণাটি একটু অনুসন্ধান করে দেখি যে, রোজা কীভাবে একজনকে তাকওয়ার দিকে পরিচালিত করে। আল্লাহ্‌ সম্পর্কে সাবধান থাকা, সংরক্ষণশীল থাকা এবং তাঁর অসন্তোষ থেকে নিরাপদ থাকা। খুব সহজে বলছি। আমি জটিল কোনো আলোচনা তুলে ধরব না।

আজকে পাণ্ডিত্যপূর্ণ হওয়া আমার লক্ষ্য নয়, একজন শিক্ষক হিসেবে আমি আলোচনাটি উপস্থাপন করবো। গবেষকের মত করে নয়। তাই, বিভিন্ন উৎস থেকে বিভিন্ন গবেষকের গবেষণা আমি উপস্থাপন করতে যাবো না। সেই অধ্যয়ন ইতোমধ্যে আমি করেছি। আমার দায়িত্ব হলো সেই কথাগুলো যত সহজে সম্ভব আপনাদের সামনে তুলে ধরা। ইনশাআল্লাহ্‌।

চলুন, এ সম্পর্কে কথা বলি। যখন রোজা রাখছেন, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে গরম কোনো জায়গায় যেমন টেক্সাসে বা আরবের কোথাও, বা পাকিস্তানে, দক্ষিণ আফ্রিকায়... রোজা রাখলে পানির তৃষ্ণা লাগবেই। আপনি খুব ধার্মিক ব্যক্তি হোন বা না হোন, তরুণ হোন বা বৃদ্ধ হোন, এটা কোনো বৈষম্য তৈরি করে না। তৃষ্ণা এসবের কোনো পরোয়া করে না। ক্ষুধা কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ করে না। আপনি ক্ষুধা অনুভব করবেন-ই।

ভেতরের এই অনুভূতিগুলো এবং আপনার শরীর মূলত আপনাকে আল্লাহর অবাধ্য হতে বলছে। তাই নয়কি? প্রতিটি সেকেন্ডের পিপাসা যে অনুভব করছেন, আপনার শরীর মূলত চিৎকার করে বলছে, আমাকে পানি দাও। আপনার পাকস্থলী প্রায় নিজের একটি করুণ গান নিয়ে আপনার কাছে কাকুতি-মিনতি করছে। "আমাকে খাবার দাও। "আমাকে খাবার দাও।"

শরীরের ভেতর একটি যুদ্ধ চলছে যেন। আপনার শরীর আপনাকে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে বলছে। তখন, অন্তরের কিছু একটা আপনার পাকস্থলীকে এবং গলাকে বলছে, "চুপ থাকো; মাগরিবের আগে নয়। মাগরিবের আগে নয়।" সারা দিন ধরে আপনি আপনার নিজের সাথে যুদ্ধ করছেন। নিজের সাথে, গোটা দিন।

নতুন বিবাহ করেছে এমন এক দম্পতি। সে নিজের স্ত্রীর জন্য পাগল। তার দিকে তাকিয়েই...কি করবো এখন। "মাগরিবের আগে নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবো। কারণ, আমি রোজা রেখেছি।"

সবচেয়ে শক্তিশালী কামনা সহবাস, এবং সবচেয়ে মৌলিক প্রয়োজন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা আল্লাহ্‌ সারা দিনের জন্য বন্ধ করে দিলেন। যদি আমি আর আপনি রোজা রেখে থাকি, তাহলে আমরা নিজেদের মৌলিক চাহিদা এবং শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী কামনাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছি সারা দিন ধরে, শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য। শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য।

দশ বার বছরের কোনো বাচ্চা প্রথমবারের মত রোজা রাখছে। সে নরম নরম মজাদার কিছু চকোলেটের দিকে তাকিয়ে আছে, হাত দিয়ে একটুখানি নিলো, কিন্তু মুখে নেওয়ার আগে থেমে গেলো, আল্লাহর কথা মনে করে আবার রেখে দিল। এমনকি তারও তাকওয়া আছে।

প্রতিবার এমনটি করার মাধ্যমে আপনি আল্লাহ্‌ সম্পর্কে সতর্ক থাকার অনুভূতির বিকাশ সাধন করলেন। এই অনুশীলন কেন গুরুত্বপূর্ণ? যদি সারাদিন ধরে আপনার মৌলিক চাহিদা এবং সবচেয়ে শক্তিশালী কামনাকে আটকে দিতে পারেন, যদি এটা করতে সমর্থ হোন, তাহলে রামাদানের বাহিরে আল্লাহ্‌ আপনার কাছে এর থেকে অনেক কম আশা করেন। রামাদানের বাহিরে তিনি আসলে চান, وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ - তিনি তাদের জন্য শুধু নোংরা জিনিসগুলো নিষিদ্ধ করেন। (৭:১৫৭)

এই ট্রেনিং ঠিকমত গ্রহণ করলে আপনি খুব সহজেই আল্লাহর অন্যান্য আদেশ-নিষেধ গুলো পালন করতে পারবেন। তিনি আপনাকে ট্রেনিং দিচ্ছেন। ব্যাপারটা দারুণ সুন্দর।

ব্যাপারটা আমি এভাবে ব্যাখ্যা করি। যে কোনো পরিশ্রমসাধ্য কাজের জন্য... মিলিটারি ট্রেনিং বা পুলিশের ট্রেনিং এ ধরণের ট্রেনিংগুলোতে একজনকে প্রচুর পরিমাণে কঠিন কঠিন অনুশীলন করতে হয়। তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনিং নিতে হয়। পরে একসময়, সেই একই ব্যক্তি সহজ কোনো জিমে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। তাদের দৈনিক ব্যায়ামের রুটিন আছে।

সে তখন বলে, "এটা তো কোনো ব্যাপারই না। আমরা এরচেয়ে দশগুণ বেশি ব্যায়াম করতাম।" তাই, সে যখন বহুগুণে শক্তিশালী কোনো ট্রেনিং শেষ করে আসে, তখন এরচেয়ে ছোটখাটো যেকোনো কিছু তার কাছে এক পিস কেক খাওয়ার মত সহজ। তার কোনো কষ্টই হয় না। সিয়াম সাধনার ব্যাপারটাও এরকম।

ট্রেনিংটা এতোই কঠিন যে এরপর আল্লাহ্‌ আপনাকে যা করতে বলবেন তা তো এক পিস কেক খাওয়ার মতই সহজ। আপনি এরজন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। পুরো মাস জুড়ে আপনি আল্লাহ্‌ সম্পর্কে সতর্ক থাকা শিখবেন এবং পরবর্তীতে নিজেকে ভালোভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হবেন আল্লাহর যে কোনো ধরণের অবাধ্যতা থেকে।

18/03/2024

ঈমান ও কুফরের পার্থক্য জানা একজন মুসলিমের জন্য ফরয। কী কী কারণে একজন মুসলিম মুরতাদ হয়ে যেতে পারে তা যদি তার জানা না থাকে এবং এই না জানার কারণে সে মুরতাদ হয়ে কবরে চলে যায় তবে মুক্তির আশা করা বোকামি। কেননা “জানি না” বলে আল্লাহ্র কাছে পার পাওয়া যাবে না। দুনিয়ার সবকিছু জানতে পারি, সব ব্যবসা চাকরি বুঝি, কিন্তু দ্বীনের বেলায় আসলে নিজেকে মূর্খ দাবি করা আরও বড় মূর্খতা।
মদ পান করলে, যিনা করলে, সুদ-ঘুষ খেলে, মিথ্যা বললে, গীবত করলে, খুন করলে কেউ ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় না। অবশ্যই কাজগুলো হারাম ও কবিরা গুনাহ। কিন্তু ইসলামের কোন বিধানকে তা যত ছোটই হোক না কেন কেউ কটাক্ষ করলে, অস্বীকার করলে, অপছন্দ করলে, বিপক্ষে যুক্তি দাঁড় করালে, আল্লাহ্র দেয়া বিধানকে বাতিল করে দিয়ে কুফফারদের তৈরি কোন বিধানকে পছন্দ করলে, কুফফারদের পক্ষ হয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে সে মুরতাদ হয়ে যাবে।
আজকের মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর শাসক ও শাসকের আইনের আনুগত্যশীল সকল বাহিনীর কর্মকান্ডের দিকে তাকালে তা সহজেই বোঝা যায়। কেননা তাগুতের যারা রক্ষাকবচ তারাও কোন অংশে কম দায়ী নয়। কেননা তারা আল্লাহ্র দেয়া বিধান আল কুরআনকে সংবিধান মানার পরিবর্তে নিজেদের তৈরি সংবিধানকে সর্বোচ্চ সংবিধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, আল্লাহ্র দেয়া বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেরা আইন তৈরি করেছে, যারা আল্লাহ্র জমিনে আল্লাহ্র আইন কায়েম করতে চায় তাদেরকে কট্টরপন্থী, মৌলবাদী, জঙ্গি আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। যা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে দিতে যথেষ্ট।
এজন্যই উলামায়ে হক্ব বলেন, বিসিএস দিয়ে সরকারি প্রশাসনে চাকরি করা নাজায়েজ, কেননা এখানে তাকে আল্লাহ্র বিধানের পরিবর্তে মানুষের তৈরি বিধান তৈরিতে সাহায্য ও বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে হয়।
কেউ হারামকে হালাল মনে করলে বা হালালকে হারাম করে দিলে সেও মুরতাদ হয়ে যাবে। যেমন, এখন মদের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, সুদকে হালাল করা হয়েছে, পতিতালয়কে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, গণতন্ত্রকে জীবন বিধান হিসেবে মেনে নেয়া হয়েছে, মহান আল্লাহ্র দেয়া শারিয়াহ আইনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে, প্রকাশ্যে দাড়ি, টুপি, পর্দা, হজ, ইসলামি বইয়ের বিরোধীতা করা হচ্ছে। এগুলো সবই মুরতাদ হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
“যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।” [সূরা মায়িদাঃ৪৪]
“আর যারা কাফের,তাদের জন্যে আছে দুর্গতি এবং তিনি তাদের কর্ম বিনষ্ট করে দিবেন। এটা এজন্য যে, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তারা তা পছন্দ করে না। অতএব, আল্লাহ তাদের কর্ম ব্যর্থ করে দিবেন।” [সূরা মুহাম্মাদঃ৮-৯]
“ফেরেশতা যখন তাদের মুখমন্ডল ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে, তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে? এটা এজন্য যে,তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করে,যা আল্লাহর অসন্তোষ সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অপছন্দ করে। ফলে তিনি তাদের কর্মসমূহ ব্যর্থ করে দেন।” [সূরা মুহাম্মাদঃ ২৭-২৮]
ইসলাম শুধুমাত্র সালাত, সাওম, হজ, যাকাতের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রীয়নীতি, বিচার ব্যবস্থা প্রতিটির বিধান মহান আল্লাহ্ ও রসুলুল্লাহ( ﷺ ) দিয়ে দিয়েছেন। এর কোন একটিকে কেউ পরিবর্তন করলে এবং ওই পরিবর্তনের উপর সন্তুষ্ট থাকলে সে মুরতাদ হয়ে যাবে। যদিও তার নাম মুসলিমদের মতো হোক না কেন, যদিও সে ৫ ওয়াক্ত সালাত মাসজিদের সামনের কাতারে আদায় করুক না কেন, হজ, যাকাত আদায় করুক না কেন। সে তার নিজের অজান্তেই ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
এইসব মুরতাদরা কাফিরের চেয়েও বেশী জঘন্য। কেননা আসল কাফিরকে তাদের নাম পরিচয় দিয়ে চেনা যায়, কিন্তু এইসব মুরতাদরা ইসলামি নামের আড়ালে তাদের কুফুরি কার্যকলাপ চালিয়ে যায় আল্লাহ্র দ্বীনকে দুনিয়া থেকে মিটিয়ে দেয়ার জন্য।
“তারাও ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ্ও পরিকল্পনা করেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।” (সূরা আল ইমরানঃ৫৪)

26/02/2024

মূসা আলাইহিসসালাম ছিলেন কালিমুল্লাহ। তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন।

একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে এসে অনুরোধ করলো, যাতে তিনি আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে ফরিয়াদ করেন। ওই মহিলা নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি চাচ্ছিলেন মূসা আলাইহিসসালাম যাতে আল্লাহকে অনুরোধ করেন আর আল্লাহ তাকে সন্তান দান করেন।

মহিলাটি বিবাহের পর অনেকদিন হয়ে গিয়েছিল, মনেপ্রাণে তিনি মা হতে চাচ্ছিলেন। মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর কাছে চাইলেন। আল্লাহ জবাব দিলেন- সেই মহিলা বন্ধ্যা, সে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। মূসা আলাইহিসসালাম মহিলাকে এ কথা জানালে সে চলে গেলো।

আমি বা আপনি যদি আল্লাহর কাছ থেকে এব্যাপারে জানতে পারতাম, আমরা হয়তো থেমেই যেতাম। আমরা অনেকে তো কিছুদিন দু'আ করেই হতাশ হয়ে যাই আর নালিশ জানাই। অনুযোগ করে বলে ফেলি- আল্লাহ কখনোই আমার দু'আ শুনেন না। কিন্তু ওই মহিলা ক্রমাগত আল্লাহর কাছে দু'আ করে যাচ্ছিলো। সে অকাতরে, বিনীত ও বিনম্রভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে থাকলো। কখনো দু'আ করা বাদ দিলোনা।

এরপর একদিন তিনি দ্বিতীয়বার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে গিয়ে বললেন, "আপনার প্রভুকে বলুন, হে মূসা!"

মূসা আলাইহিসসালাম জানালেন- আল্লাহ একই জবাব দিয়েছেন, আপনি বন্ধ্যা।

এভাবে তিনি তিনবার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে অনুরোধ জানিয়ে প্রত্যাখ্যান হলেন। প্রতিবারই একই উত্তর পেলেন- তিনি বন্ধ্যা, সন্তান জন্মদানে অক্ষম।

তিনি চতুর্থবার মূসা আলাইহিসসালাম এর সাথে দেখা করলেন। কিন্তু, এবার তার কোলে একটি ফুটফুটে শিশু ছিলো। তার হাত ধরে নারছিলো আরেকটি শিশু। তিনি বললেন, "দেখুন মূসা! আল্লাহ আমাকে দুটো সন্তান দান করেছেন।"

মূসা আলাইহিসসালাম বিব্রতবোধ করলেন। আল্লাহকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহ! আপনি তিনবার আমাকে জানালেন যে, সে বন্ধ্যা, তার সন্তান হবেনা। কিন্তু তারপর আপনি তাকে সন্তান দান করলেন!"

আল্লাহ জবাব দিলেন, "প্রত্যেকবার যখন আমি লিখে রাখি যে সে বন্ধ্যা, তখনই সে দু'আ করছিলো আর বলছিলো: 'হে দয়াময়! হে দয়াময়!"

আল্লাহ বলেন- হে মূসা, তখন আমার দয়া তার জন্য নির্ধারিত তাক্বদীরকে পরিবর্তন করে দিয়েছে।

(শিক্ষা: ক্রমাগত দুয়া তাকদীরকে উত্তম কিছু দ্বারা পরিবির্তন করে দিতে পারে।)
- শাইখ মূসা জিবরীল
বই: বিপদ যখন নিয়ামত

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PQS MART posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PQS MART:

Share

Halal.Fresh.Natural

Organic Bangladesh is on a mission to wipe out contaminated items from your shelves. We want to replace your kitchen cabinets with nutritious ingredients, now occupied by high-preservative ones. Our goal is to ensure healthy living for all - and also facilitate the best price for the farmers who are usually deprived of their right. With this goal, we have collaborated with producers, packagers and promoters to bring to you the best quality ingredients- all naturally grown, honestly packed.

We live in an era where “pure and contamination free” food has become a myth. Organic Bangladesh have made it its mission to change the myth into reality. A big range of handpicked food items, including varieties of rice, spices from all corners of the country, homemade spreads and our own brewed oils are coming to change your lifestyle towards healthy living.

অর্গানিক বাংলাদেশ আপাতত নিরাপদ খাদ্যের বিপণন করছে, যা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত। শুধু বিপণন নয়, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন অর্গানিক বাংলাদেশ চূড়ান্ত লক্ষ্য। নিরাপদ খাবারের খামার গড়ে তুলতে চায়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আমাদের সন্তানকে ভেজাল এবং বিষাক্ত খাবারের চক্র থেকে বের করে আনতে চাই। এর পাশাপাশি আমরা প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা রেখেছি সবসময়।"অর্গানিক বাংলাদেশ" মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে। খাবার বিষমুক্ত করতে হলে কৃষকের জমি বিষমুক্ত করতে হবে। কৃষকের জমি বিষমুক্ত করা গেলে বাঁচবে প্রাণ, প্রকৃতি এবং পরিবেশ।

ছোট আকারে কাজ শুরু হয়েছে। আমরা সরাসরি মাঠে থাকার পরিকল্পনা করেছি, কিন্তু আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, নিরাপদ খাবার উৎপাদনের চেয়ে বিপণন কঠিন কারন এত অনিয়মের ভীড়ে সঠিক বিপণন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে নি। তাই বিপণন কার্যকম জরুরী। বড় বড় সভা, সেমিনারে বক্তৃতা করে কতটুকু পরিবেশ রক্ষা করা যায় জানি না। তবে মাঠে নেমে কৃষকের দশ কেজি বিষমুক্ত উৎপাদন বেচে দিতে পারলে কৃষক মাঠ বিষমুক্ত করায় আগ্রহী হয়। আর এই চেষ্টার নাম "অর্গানিক বাংলাদেশ"। সাথে থাকুন