**MUST READ**
যেকোন ফুড বা নিউট্রিয়েন্ট যেমন বেশী পরিমান খারাপ, তেমন কম পরিমানও। তাই নির্দিষ্ট পরিমান নেওয়া উচিৎ যা আমাদের শরীরের জন্যে উপকারী।
যাদের শরীরের রক্তে গ্লুকোজ মাত্রা বেশি থাকে মানে Blood Sugar এর মাত্রা বেশি থাকে , তাদের কার্বোহাইড্রেট কম খেতে পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু কার্বোহাইড্রট খেতে হবে। প্রতেক দিনের ক্যালরির প্রায় ৪৫ থেকে ৬৫ ভাগ আসা উচিত কার্বোহাইড্রেট থেকে । কার্বোহাইড্রেট থেকে
আমরা এনার্জি বা ক্যালোরি পাই যা আমাদের কোষের শক্তি, দৈহিক কর্মক্ষমতা,তাপ উত্পাদন এ সাহায্য করে। প্রতি ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট আমাদের ৪.১ ক্যালোরি দেয় । যখন আমরা কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খাই ,আমাদের শরীর কার্বোহাইড্রেট থেকে চিনি ও শ্বেতসার ভেঙ্গে শর্করা বা Glucose তৈরী করে যেটা রক্তের সাথে মিশে যায়। তাহলে কোন কার্বোহাইড্রট খাবো?
বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে, যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স (Glycemic Index) বেশি থাকে, সেইসব কার্বোহাইড্রেট রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় মানে শরীরের Blood Sugar এর মাত্রা বেড়ে যায়। আর যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স কম বা মাঝারি থাকে তারা রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে না।
তাই আমদের যারা ডায়বেটিক পেশেন্ট তারা খাবার তালিকায় লো বা মিডিয়াম গ্লায়সেমিক ইনডেক্স রাখতে পারেন। তাদের অনেক ই মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে চান। সেক্ষেত্রে সাধারণত যে রিফাইন সুগার বা আর্টিফিশিয়াল সুগার ব্যাবহার করা হয় তাতে GI যেমন বেশী, তার থেকে যে কেমিক্যাল ইউজ করা হয় তাও আমাদের শরীরের জন্যে ক্ষতিকর। আর্টিফিশায়ল সুইটেনার গুলো অনেক সাইড ইফেক্ট পাওয়া যাচ্ছে।
আমরা ন্যাচারাল সুগার এই ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারি। যেমন খেজুর, কিছমিছ। যেখানে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স পরিমান এ কম থাকে। যা রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে যায়। ব্লাড গ্লুকোজ লেভেল ঠিক রাখে।
অন্যদিকে এইখানে থাকে বিভিন্ন নিউট্রিয়েন্ট এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট। যা দেহের রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়। তাছাড়া আছে ফাইবার। যা খাবার কে সহজপাচ্য করে।
তাই ন্যাচারাল খান ফিট থাকুন। সাথে একটু কায়িক পরিশ্রম করুন। ইনশাআল্লাহ অনেক ভাল থাকবেন।
You can also read:
1.