J & J Organic Shop জে এন্ড জে অর্গানিক সপ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • J & J Organic Shop জে এন্ড জে অর্গানিক সপ

J & J Organic Shop জে এন্ড জে অর্গানিক সপ সকল প্রকার খাদ্য পণ্য ১০০% বিশুদ্ধ কা?

ডেলিভারিকৃত পণ্য গাওয়া ঘি ৩ কেজিআর পাটালি গুড়.... ☺️
07/12/2024

ডেলিভারিকৃত পণ্য গাওয়া ঘি ৩ কেজি
আর পাটালি গুড়.... ☺️

আজকে ডেলিভারি দিলাম ৫ কেজি ঝোলা গুড় ও ২ কেজি  পাটালি গুড়.... 🧉🌴🌰
05/12/2024

আজকে ডেলিভারি দিলাম ৫ কেজি ঝোলা গুড় ও ২ কেজি পাটালি গুড়.... 🧉🌴🌰

04/12/2024

চিতই পিঠা সাথে ঝোলা গুড়..... 😋🍝

04/12/2024

ক্রেতাদের অনুরোধে ১মবারের মতো খাটি খেজুর গুড় আনা হয়েছে। যারা অর্ডার করেছেন আশা করি তাদেরকে ২/১ দিনের মধ্যে ডেলিভারি দিতে পারবো।🧉🌰🌴🌴

🙏🙏ধন্যবাদ জানাই সেই সকল ক্রেতাদের যারা আমার উপর এতো আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন। আশা করি বিগত দিনের মতো সবাই এই আশা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রাখতে পারবো।🙏🙏

আমার রিপিট কাস্টমার আমার উপর বিশ্বাস করে যখন কিছু আবদার করেন তখন তো তা পূরণ করতেই হয়...☺️
03/12/2024

আমার রিপিট কাস্টমার আমার উপর বিশ্বাস করে যখন কিছু আবদার করেন তখন তো তা পূরণ করতেই হয়...☺️

02/12/2024

ছাদ বাগানের কচুশাক....🥗

তুমি সিঙ্গেল প্যারেন্ট?হ্যাঁ তোমাকে বলছি,তুমি সিঙ্গেল প্যারেন্ট! যখন তুমি সিঙ্গেল প্যারেন্ট, তখন তুমি চিন্তায়-ভাবনায়-গতি...
29/11/2024

তুমি সিঙ্গেল প্যারেন্ট?
হ্যাঁ তোমাকে বলছি,তুমি সিঙ্গেল প্যারেন্ট! যখন তুমি সিঙ্গেল প্যারেন্ট, তখন তুমি চিন্তায়-ভাবনায়-গতিতে-স্থিরতায় সবেতেই সিঙ্গেল। এটা মেনে নিয়ে তোমাকে রাস্তা পরিমাপ করতে হবে তোমার সন্তান নিয়ে। আমাদের সমাজে যখন কোনো পুরুষ স্ত্রী-হারা হোন, তখন তার পাশে হাজারটা সাহায্যের হাত জুটে। বাবা,মা,শ্বশুর,শাশুড়ি,ভাই,বোনসহ অনেক অনেক হাত পাশে থাকে সহযোগিতার জন্য,এমনকি পাশের বাসার খালাম্মা, ভাবিরাও ভীষণভাবে সহযোগিতার চেষ্টায় থাকেন।

"ও একা মানুষ,বাচ্চাটা কীভাবে পালবে! চাকরি করবে নাকি বাচ্চার স্কুল সামলাবে!"

" বেচারা নিজে খাবে নাকি বাচ্চাকে খাওয়াবে!!"

" কী যে কষ্ট হচ্ছে ছেলেটার,থাক্ বাচ্চাটাকে আমরাই রাখি।"

"ছেলে মানুষ, এসব কাজ করেছে নাকি কখনো? কেমন করে করবে? ইস্!"

"আহারে! পুরুষ মানুষ, বউ ছাড়া থাকবে কেমনে!"

যেন পুরুষ মানুষরা এতই অ-বলা,নিজের খেয়াল নিজে রাখতেই পারে না। রান্নাবান্নার বিষয়টা যেন ধর্মগ্রন্থে লিখিত যে পুরুষরা করতে পারেই না,এমন একটা বিষয়!
আর এতই অবুঝ তারা, তাদের দেখাশুনা করতেই বউ দরকার। কেবল সংসার সামলানো ছাড়া বাদবাকি সব আবার তাদের কার্যতালিকায় ঠিকঠাক থাকতে পারে। বড়োই অদ্ভুত!


কিন্তু সেই একই পরিস্থিতিতে একজন নারী এসে দাঁড়ালে তার পাশে সাহায্যের হাত থাকে না। তবে যা থাকে ,তা হলো হাজারটা মুখ এবং তার থেকে নিক্ষেপ হওয়া কথার বান।

" মা হইসে,বাচ্চার দিকে খেয়াল নাই। সারাদিন ধেইধেই করে বেড়ায়।"

"টাকা পয়সা কামালেই হবে, বাচ্চার দিকে নজর দিতে হবে না?"

" চাকরি করতে করতে তো বাচ্চার খাওয়া-দাওয়া, যত্নআত্তি সব শেষ। এগুলারে মা বলে!"

" বাচ্চা নাকি এভাবে বড়ো করে! কাজের লোকের হাতে, আরও কত কী দেখতে হবে!"

"একা মহিলা,বাচ্চা আছে,বাচ্চার দিকেই না নজর দিবে!সারাদিন রং-ঢং করে বেড়ায়,চৌদ্দ বেটার সাথে বন্ধুত্ব।হুহ্!"

বিশ্বাস করো, যারা এসব কথা বলে তাদের কেউ তোমার পাশে এসে দাঁড়াবে না তোমার প্রয়োজনে। বাচ্চাকে একবেলা কেউ রাখবে না,বাচ্চা নিয়ে বিপদে পড়লে কেউ সাহায্য করবে না।তবে হ্যাঁ, কথা শোনাবে বটে! তৈরি থাকো, তোমাকে কথা শুনতেই হবে, দোষ করলেও শুনবে,না করলেও শুনবে।

সিঙ্গেল মায়েদের অনেক দোষ, বিচারক হলো জনগণ। এই জনগণ যে এত কথা বলে,তোমার চাকরি নিয়ে খোঁটা দেয় কথায় কথায়, তাদের কেউ তোমার সংসারে তেল-নুন-চালের খবর রাখবে না। তোমার বাচ্চা কী খাচ্ছে তা জানার প্রয়োজনবোধ করবে না। তোমাকে কেন অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয় সেটা একবারও ভেবে দেখবে না।

তারা কালেভাদ্রে তোমার বাচ্চাকে গিফট দেবে,হ্যাঁ দেবে তো! অসহায়ত্বের উপহার --ইদে তোমার বাচ্চাকে কাপড়চোপড় দেবে, জন্মদিনটা মনে থাকলে উপহার পাঠাবে। ব্যস দায়িত্ব শেষ,এর বদলে গুরু দায়িত্ব তারা নিজেরাই নিয়ে নিবে তোমাকে উপদেশ দেওয়ার।



শুনছ মেয়ে? তোমাকে এসবের মাঝেই টিকে থাকতে হবে,তোমার সন্তান জগতের সব আনন্দ পাবে না, এটা মেনে নিয়েই চলতে হবে।
তুমি আজই তোমার গতিপথ মাপো,কতটুকু তুমি একা করতে পারবে,কতটুকু পারবে না তা জেনে নাও। নিজেকে বারবার জিগ্যেস করো।তোমাকে তোমার সময় যোগ্য উত্তর দেবে,সে হিসেবে তুমি তোমার রাস্তা তৈরি করো,আজই।
অন্য কারো উপর ভরসা করবে না,একদম না। ভরসা করলে উপদেশ শুনতে হবে,তোমার সে উপদেশের প্রয়োজন আছে কি না ভেবে দেখো! থাকলে শুনো,না থাকলে নিজের এবং সন্তানের দায়িত্ব নিজে পালন করো।


মনে রেখো,তোমার গায়ে জ্বর থাকুক আর ক্যান্সার, তোমার সন্তানের ব্যাপারে যারা ভীষণ সচেতন তারা এসে বলবে না যে
"তোমার বাচ্চাগুলোকে স্কুল থেকে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমার।
আর্ট ক্লাসে না হয় আমিই দিয়ে আসব, আবৃত্তি ক্লাসে আমি নামিয়ে দিয়ে আসব। ক্যারাটে ক্লাসটায় আমি বসব,ভেবো না।
তার স্কুলের বেতনটা ব্যাংকের লাইন ধরে আমি দিয়ে দেবো,তুমি টেনশন নিও না।"

"আজকের দিনটা একটু রেস্ট করো,শরীরটা তো ভালো না। বাচ্চাদের আমি দেখছি। তুমি চোখ বন্ধ করে শোও কিছুক্ষণ।"

--- বলবে না কেউ। গ্যারান্টি!



সিঙ্গেল প্যারেন্টিং সহজ বিষয় না,এরচেয়ে বেশি কঠিন সমাজের ছুঁড়ে দেওয়া এসিডের মতো কথা হজম করা।
কিন্তু মেয়ে তুমি পারবে,কারণ তোমাকে পারতে হয়,তোমাকে পারতে হবে।
★★সন্তানের চোখে তুমি সেরা হও,সমাজের চোখে সাধু হতে গেলে মেরুদন্ড জমা দিয়ে আসতে হবে।

সমুদ্র হও মেয়ে তুমি, হাজারো জোয়ার-ভাটা সয়ে টিকে থাকো।

সূর্য হও নারী তুমি, তোমার আলো এতটাই উজ্জ্বল হোক,চারপাশকে কেবল আলোকিত করে তুলো। কিন্তু তোমার দিকে চোখ তুলে তাকাতে যেন কেউ না পারে!



★★ ছবিতে আমি একটা সমুদ্র দেখি, সূর্য দেখি,আলো ঝলমলে দু'টো নক্ষত্র দেখি,জগত দেখি।।

✍️ সাজিয়া আফরিন

আমি তখন বিশ বছরের তরূণী। পরিবার থেকে আমার বিয়ে ঠিক করা হলো চল্লিশ বছরের এক মধ্যবয়স্ক লোকের সাথে। আমার বয়সের দ্বিগুণ ব...
30/10/2024

আমি তখন বিশ বছরের তরূণী। পরিবার থেকে আমার বিয়ে ঠিক করা হলো চল্লিশ বছরের এক মধ্যবয়স্ক লোকের সাথে। আমার বয়সের দ্বিগুণ বয়স তার। আবার তিনি ছিলেন বিপত্নীক। আর আমি সদ্য প্রস্ফুটিত ফুল। কুমারীত্বের গন্ধ সবে তীব্র হতে শুরু করেছে।

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার জন্ম। বাবার সামান্য আয়ে আমাদের সংসার চলতো। আমার মা কখনো অভিযোগ করেন নি। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে স্বামীর সাথে থাকতে পারাটাই তার কাছে ছিলো সুখের সংজ্ঞা। শুনেছি একবার নাকি বাবার বিলেত যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো। মা নাছোড়বান্দা। তিনি দুবেলা পান্তা খাবেন। কিন্তু স্বামীকে দূরে পাঠাবেন না! এতে আয় কম হলে হোক। পেটে কিছু পড়লেই হলো।
আমিও মার মতোই স্বপ্ন দেখতাম। অল্প রোজগারে সাজানো সংসার। অভাব থাকলে থাকবে। তবে ভালোবাসা থাকতে হবে অফুরন্ত।
আমার বেলায় তাদের মত পাল্টে গেলো। বিত্তশালী এক লোকের সাথে তারা আমার বিয়ে দিয়ে দিলো। উনার আগের ঘরের দুটো বাচ্চাও আছে। বাসর রাতে লোকটি শান্ত ভঙ্গিতে আমার পাশে এসে বসে। নাক সিটকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নেই। মনে মনে "বুড়ো" বলে গালিও দেই। বিষয়টা বুঝতে পেরে উনি বলেন,
_ আমি জানি, আমাকে তোমার পচ্ছন্দ নয়। আমার রঞ্জনের জন্য আমি বিয়েটা করি নি। বাচ্চা দুটো খুব মা কাতুরে জানো? কমলার মরে যাওয়ার পর সবসময় ওরা মাকে খুঁজে বেরায়। মায়ের জন্য কাঁদে। আমি তোমার কাছে স্বামীর অধিকার চাইতে আসি নি। তবে অনুরোধ করে বলছি বাচ্চা দুটোকে আগলিয়ে রেখো।
কঠিন স্বরে তাকে বলি,
_ আপনার বাচ্চাদের আমি খেয়াল রাখবো তবে আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই। আর আমি বাচ্চাদের নিয়ে আলাদা ঘরে থাকবো। সেই ঘরে আপনি যেতে পারবেন না।
উনি হেসে বলে,
_ বেশ। তুমি যা চাবে তাই হবে। এখানে তুমি নিরাপদেই থাকবে।
শুধু এটুকুনি বলেই লোকটি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। আমি অবাক হয়ে চেয়ে দেখি তার প্রস্থানের পথ।

বুড়োকে আমার সহ্য হতো না ঠিক, তবে তার বাচ্চা দুটো খুব দ্রুত আমার মনে বিশালাকারে জায়গা করে নেয়। গর্ভে ধারন না করেও যে মা হওয়া যায় তার বাস্তব প্রমাণ ছিলো তারা। কলেজ থেকে যখন বাড়ি ফিরতাম, দীর্ঘ তিন ঘন্টা পর আমায় দেখতে পেয়ে তারা কি যে খুশি হতো! "মা" ডাকের স্বমসুরে তারা আমার তৃষ্ণার্ত প্রাণ ভিজিয়ে দিতো।
একবার প্রচন্ড জ্বরে কাতরাচ্ছিলাম। বুড়ো খুব উসখুস করছিলো। অস্থিরতা নিয়ে আমার ঘরের দরজার সামনে অনবরত পায়চারি করছিলো। তার ভেতরে ঢোকা বারণ। বাচ্চা দুটোর একজনের হাতে ওষুধ আরেকজনের হাতে জল ভর্তি বাটি দিয়ে ফিসফিস করে বলেছিলো,
_ মার জ্বর হয়েছে। মাকে ওষুধ খাওইয়ে জলপট্টি দিয়ে দাও। যাও।
বাধ্য ছেলেমেয়ের মতো তারা আমার মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিয়েছিলো। গুটি গুটি হাতজোড়ায় ভাত মেখে আমায় খাওইয়ে দিয়েছিলো!
আর বুড়ো? দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলো। হয়তো ভাবছিলো, কখন ওপর মহল থেকে অনুমতি প্রদান করা হবে,
" ভেতরে আসতে পারেন!! "
বুড়োর ঘর পেরিয়ে আমাকে রান্নাঘরে যেতে হতো। প্রায় সময়ই দেখতাম তিনি তার প্রথম স্ত্রীর ছবির সামনে পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছেন। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখছেন। প্রথম দিকে বিষয়টা ভালো লাগলেও পরেরদিকে খুব রাগ হতো। কেনো হতো বুঝতে পারতাম না।

পূজা আগের দিন আমি রান্না ঘরে পায়েস রান্না করছিলাম। বাচ্চা দুটো বায়না করেছে তারা গুড়ের পায়েস খাবে। আমিও উৎফুল্ল মনে আমার বাচ্চাদের জন্য রাঁধছি। এমন সময়, মানুষটা রান্নাঘরের সামনে এসে দাঁড়ালো। হাতে বেশ বড়সড় বাদামী রঙের একটা প্যাকেট। উনি সামান্য ঝেড়ে কেশে বললেন,
_ এটা তোমার জন্য।
আমি বললাম,
_ কি আছে এতে?
_ কাজ শেষ করে খুলে দেখো। আশা করি তোমার পচ্ছন্দ হবে। এই টেবিলের ওপর প্যাকেটটা রেখে গেলাম।
উনি চলে গেলেন। আমি রান্না শেষ করে প্যাকেট হাতে নিজের ঘরে চলে এলাম। খুলে দেখি খুব দামী এক খানা শাড়ি। সাথে একখানা চিরকুট ও আছে। তাতে লিখা, " তোমায় নীল আর সাদায় বেশ মানাবে। জানি আমার জোর করার অধিকার নেই। তবুও আগামীকাল শাড়িটা পড়লে খুব খুশি হবো। "
শাড়িটা আমার পচ্ছন্দ হয় নি। কিন্তু চিরকুটের কথাগুলো আমায় বাধ্য করেছিলো পূজো দিন শাড়িটা পড়তে। বুড়ো সেদিন গভীর চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। অনেকবার চোখে চোখ পড়েছে। লজ্জায় সে অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু পুনরায় তাকানোর লোভ উপেক্ষা করতে পারে নি।

প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত লোকটির চিলেকোঠার ঘরের টেবিল ল্যাম্প জ্বলতো। ধূসর রঙের এক ডায়রির ওপর সে মুখ থুবড়ে পরে থাকতো। বিরামহীনভাবে কিছু না কিছু লিখে যেতো। আর লিখা শেষে, চশমা খুলে চোখ জোড়া কচলিয়ে যত্ন করে ডায়রি তুলে রাখতো। যেনো কোনো মূল্যাতীত বার্তা রাখা আছে সেখানে।

বুড়োর চায়ের নেশা ছিলো। একদিন বিকেলে অসাবধানতা বশত চায়ের পাতিল ফসকে গরম জল আমার হাতের কিছু অংশে পড়ে। যন্ত্রণায় কঁকিয়ে উঠি। তিনি আমার চিৎকার শুনতে পান। উন্মাদের মতো ছুটে আসেন।
_ কি হয়েছে?
_ হাতে গরম জল পড়েছে।
_ কই দেখি?
তিনি উদ্বিগ্ন মুখে এগিয়ে আসেন। আমার হাত ধরেন। সেই স্পর্শে কোনো চাহিদা ছিলো না।
কোনো আকাংখা ছিলো না। তবে মিশে ছিলো অনুরাগ। না বলা অনেক অনুরক্তি। সেদিন তিনি আমার হাতে বার্নল লাগিয়ে দিয়েছেন। আমি কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করি নি। মানুষ বেঁচে থাকলে বদলায়। আমিও মানুষ। এ নিয়ম অবজ্ঞা করার সাধ্যি কি আমার আছে?

Blessings are not valued till they are gone. প্রচলিত সত্যি। দাঁত থাকতে মানুষ দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনো কখনো এতটাই দেরী করে ফেলে, ফলাফল হয় শূন্য।
বেশ কয়েকদিন ধরেই বুড়ো তীব্র মাথা ব্যাথার যন্ত্রণায় ভুগছিলো। রাতে ঘুমুতে পারেন না। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে বললাম ডাক্তার দেখাতে। উনি আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
_ তুমি যাবে আমার সাথে?
_ যাবো।
বুড়ো খুশি হয়ে গেলেন। আমি উনার সাথে ডাক্তারের কাছে গেলাম। সিটিস্ক্যান করা হলো। এম আর আই করা হলো। ডাক্তার আমায় আলাদা করে ডেকে বললো,
_ রোগীর ব্রেইন টিউমার হয়েছে। টিউমারের অবস্থা ভালো নয়। চিকিৎসা করিয়ে বিশেষ কোনো লাভ হবে না।
_ চেষ্টা করতে তো কোনো দোষ নেই। আপনি ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে রোগীকে আজই ভর্তি করা হোক।
ডাক্তারের সাথে কথা বলে বাইরে বেড়িয়ে আসি। বুড়ো আমায় দেখে ফ্যাকাসে হাসলো। আমি ধীর পায়ে টলতে টলতে তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার বিবাহিত জীবনে সেদিনই প্রথম তাকে জড়িয়ে ধরি। দুই বাহু প্রসার করে জড়িয়ে ধরি। আমার চোখ দিয়ে অজস্র ধারা সেদিন টপ টপ করে ঝড়ে পড়ছিলো।
ডাক্তারের সকল চেষ্টা আর আমার প্রার্থনা দুটোই বিফলে যায়। শাস্তিস্বরূপ উপরওয়ালা বুড়োকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়।

সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিলো। শঙ্খচিল ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়াচ্ছিলো নীলে। মেঘের ফাঁকে উঁকি দেওয়া রোদের তীব্রতা ছিলো না। বুড়োর চিলেকোঠার ঘরের জানালা খোলা ছিলো। বাতাসের তীব্রতায় খুলে গেছিলো ডায়রির পাতা। সেটি হাতে নিয়ে আমি পড়তে শুরু করি। পড়তে পড়তে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। ডায়রির শেষ পাতায় শুকিয়ে যাওয়া চোখের জলের ওপর লিখা ছিলো,
_" মানুষ প্রেমে পড়ে। বারবার প্রেমে পড়ে। আমায় দেখে তরূণীর নাক সিটকানোর স্বভাব আমায় বাধ্য করে তাকে ভালোবাসতে। রান্নাঘরে কর্মরত তরূণীর কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম, আমায় বাধ্য করে প্রেমে পড়তে। নীল-সাদা শাড়িতে তার স্নিগ্ধ মুখখানি যেনো আমার চোখের জায়ু। হয়তো একদিন ফুরিয়ে যাবে আয়ূ। তার হাত ধরে জোৎস্না দেখার ইচ্ছেটা ইচ্ছেই থেকে যাবে। তার দীঘল কালো চুলের ঘ্রাণ নেওয়া আর হবে না। লুকিয়ে তার রোদে ভিজা সেই মুখ আর দেখা হবে না। আমার বাচ্চাদুটোর সাথে তার খুনসুটি, সেই মূল্যবান মুহূর্ত গুলো আর উপভোগ করা হবে না।
জানি, তার চোখে আমি অপরাধী।
তবু সে ভালো থাকুক! নতুন করে বেঁচে উঠুক তার স্বপ্নেরা। শুধু আফসোস থেকে যাবে, ভালোবাসি - কথাটা হলো না বলা।"

আকাশ কাঁপিয়ে সেদিন আরো একবার কেঁদেছিলাম। চিৎকার করে বলেছিলাম,
আর বুড়ো বলবো না, তোমায়। শুধু একবার ফিরে এসো! একবার সুযোগ দাও ভালোবাসার। সে আর ফিরে আসে নি। মৃত মানুষ কখনো ফিরে আসে না।

#সংগৃহীত

ছাদ বাগান... 🌱🌿🍆🌶️🐛🐌🦋
09/10/2024

ছাদ বাগান... 🌱🌿🍆🌶️🐛🐌🦋

05/10/2024

মনের কথা বলছে....😊☺️😊

সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন?ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যা...
29/08/2024

সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।

শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন?
ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো মধুর স্বরে ডাকছে কেন?
নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে।
ঘোড়া শিয়ালের ডাকে সাড়া দেয় না।

শিয়াল এবার ময়ুরীর কাছে গিয়ে বলে- আপুমনি কেমন আছো। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে।
ময়ুরীও বুঝতে পারে- শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন। নিশ্চয়ই লক্ষণ ভালো না।
সে ও সাড়া দেয় না।

শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে- বাহ! তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে।
এরকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো।
তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা। রাজার বয়স হয়ে গেছে।
তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন।
চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো।

গাধা খুব খুশি হয়। শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে।

সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার কান দুটো হারায়।
কিন্তু কোনো রকমে পালিয়ে বাঁচে।

শিয়াল গাধার কাছে এসে বলে- এতো বোকা হলে রাজা হবে কিভাবে।
রাজা তোমার মাথায় মুকুট পরাবে। কিন্তু দুপাশে দুটো কান থাকলে কি রাজমুকুট ঠিকমতো মাথায় বসবে।
তাইতো তোমার কান দুটো তোলে নেয়া হয়েছে।
কিছু বুঝনা অবুঝ প্রাণী- এটাকে গ্রুমিং বলে।
চলো চলো আমার সাথে চলো। দেরি হলে অন্য কেউ আবার রাজা হয়ে যাবে।

গাধা আবার সিংহের কাছে আসে। এবার সিংহের আরেক থাবায় তার লেজখানা খসে পড়ে।
কিন্তু এবারও পালিয়ে বাঁচে।

শিয়াল যথারীতি গাধার কাছে এসে বলে- আবারও ভুল করলে।
লেজ থাকলে রাজ সিংহাসনে বসবে কিভাবে।
তাই তোমার লেজটা খসানো হয়েছে।
অবুঝ প্রাণী দূরদর্শী চিন্তা করতেই পারোনা।
এটা হলো আলট্রা গ্রুমিং। মানে একেবারে ফাইনাল টাচ।
চলো চলো তাড়াতাড়ি সিংহাসনে চলো।

গাধা আবারও সিংহাসনে আসে।
এবার আর সে বাঁচতে পারে না।
সিংহের থাবায় তার ক্ষত বিক্ষত দেহ খানা মাটিতে পড়ে আছে।
সিংহের দাঁতে মুখে রক্তের দাগ।

শিয়াল সিংহকে বলে - মহারাজ এতো কষ্ট করে আপনি খাবেন।
মাথাটা আমাকে দেন। সুন্দর করে প্লেটে সাজিয়ে দেই।
শিয়াল গাধার ব্রেণটুকু খেয়ে মাথার অবশিষ্ট অংশ সিংহকে দেয়।
সিংহ বলে- ব্রেণ কোথায়।
শিয়াল বলে- মহারাজ যে বারবার ধোকা খেয়েও আপনার কাছে এসেছে- আপনি কি মনে করেন তার ব্রেণ বলে কিছু আছে।

গাছের ডালের উপর থেকে ময়ুর বলে-
তার ব্রেণ ঠিকই আছে। কিন্তু অতি সহজ সরল হওয়ায় প্রতারকদের বুঝতে পারেনি।


প্যাঁচা তার সন্তানকে বলে -এই ঘটনা থেকে তোমরা কি শিখলে।

শিখলামঃ

হঠাৎ করে কেউ যদি বড় আপন হয়ে ওঠে, বুঝতে হবে তার গোপন দূরভিসন্ধি আছে।
এটাও শিখলাম- যার যে কাজ তাকে সেটাই করতে হয়। অন্যের কুমন্ত্রণা শুনতে হয়না।
লোভের ফল কখনো মিষ্টি হয়না।
সাদাসিদা হওয়া ভালো। কিন্তু বোকা হওয়া ভালো না।
সবচেয়ে বড় জিনিসটা শিখলাম তা হলো- প্রতারকদের একবার বিশ্বাস করা যায়। কিন্তু বারবার বিশ্বাস করা যায় না।
অতি বিশ্বাস করে সে ঠকেছে। আর নিজের জীবন দিয়ে তার বিশ্বাসের মর্মন্তুদ পরিসমাপ্তি ঘটেছে।

(সংগৃহীত পোস্ট)

Address

Dhaka

Telephone

+8801972770153

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when J & J Organic Shop জে এন্ড জে অর্গানিক সপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to J & J Organic Shop জে এন্ড জে অর্গানিক সপ:

Share