Halal Khaddo - হালাল খাদ্য

Halal Khaddo - হালাল খাদ্য খাঁটি দুধের আসল বগুড়ার দই, প্রতিদিন খান সুস্থ থাকুন।

✅আলহামদুলিল্লাহ জিআই পণ্যের মর্যাদা পেল  বিখ্যাত বগুড়ার দই 🥰
05/07/2023

✅আলহামদুলিল্লাহ জিআই পণ্যের মর্যাদা পেল বিখ্যাত বগুড়ার দই 🥰




14/06/2023

✅✅✅পাইকারি তে ঢাকা শহরে খাঁটি বগুড়ার দই পেতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন

🟢বগুড়ার দই👉চট্টগ্রামে গিয়ে মেজবানি মাংস খেয়েছেন কিংবা সিলেটে গিয়ে সাতকরার রান্না! বাংলাদেশের একেক অঞ্চলে আছে বিশেষ বিশেষ...
10/06/2023

🟢বগুড়ার দই

👉চট্টগ্রামে গিয়ে মেজবানি মাংস খেয়েছেন কিংবা সিলেটে গিয়ে সাতকরার রান্না! বাংলাদেশের একেক অঞ্চলে আছে বিশেষ বিশেষ খাবার, যে খাবারগুলোর সঙ্গে এক হয়ে গেছে সেই অঞ্চলের নাম।
👉তেমনি দই শব্দের সমার্থক যেন বগুড়া। 'বগুড়ার দই' তৈরি শুরু হয়েছিল ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরপরই। শেরপুর উপজেলার ঘোষদের হাত ধরে এর যাত্রা শুরু হলেও এখন বানাচ্ছেন অসংখ্য কারিগর।
👉গরুর দুধ ২ কেজি, চিনি ২৫০ গ্রাম, সামান্য পরিমাণ পুরোনো দই ও মাটির একটি হাঁড়ি বা সরা।
👉এ সকল উপকরণ দিয়ে তৈরি হয় সবার প্রিয় বগুড়ার দই।




✅"বগুড়ার দই" নামের সাথেই এখনো যার খ্যাতি ❤🟢বগুড়ার দইয়ের ইতিহাস শুরু হয় বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে। স্থানীয়দের মতে সন...
09/06/2023

✅"বগুড়ার দই" নামের সাথেই এখনো যার খ্যাতি ❤

🟢বগুড়ার দইয়ের ইতিহাস শুরু হয় বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে। স্থানীয়দের মতে সনাতন ঘোষ সম্প্রদায় দই তৈরি করে বগুড়াকে দেশের সর্বত্র পরিচিত করে তুলেছিল। পরবর্তীতে ঘোষদের হাত ধরে ধীরে ধীরে এটি চলে গেছে মুসলিম সম্প্রদায়সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের অধীনেে।

🟢জানা যায় বগুড়ার শেরপুরে প্রথম দই তৈরি হয় প্রায় আড়াইশ বছর আগে। তৎকালীন বগুড়ার শেরপুরের ঘোষ পরিবারের ঘেটু ঘোষ প্রথম দই তৈরি আরম্ভ করেন। টক দই তৈরি থেকে বংশ পরম্পরায় তা চিনিপাতা বা মিষ্টি দইয়ে রূপান্তরিত হয়। আর কালের বিবর্তনে স্বাদের বৈচিত্র্যের কারণে দইয়ের বহুমুখী ব্যবহার শুরু হয়।

আমাদের কাছে পাবেন

👉সরা
👉স্পেশাল সরা
👉হাফ সরা
👉বারকি
👉ঘটি
👉কাপ

🟢উৎকৃষ্ট মানের গরু থেকে দুধ সংগ্রহ করে আমাদের বগুড়ার খাঁটি দই বানানো হয়  যা কিনা পুরোপুরি ভেজাল মুক্ত এবং আমাদের বগুড়...
04/06/2023

🟢উৎকৃষ্ট মানের গরু থেকে দুধ সংগ্রহ করে আমাদের বগুড়ার খাঁটি দই বানানো হয় যা কিনা পুরোপুরি ভেজাল মুক্ত এবং আমাদের বগুড়ার দইয়ে আপনি যে মোটা সর এর প্রলেপ পাবেন সেটা আর কোন দই এ পাবেন না, তাই আপনি যদি আপনার কাস্টমারকে হ্যাপি করতে চান তাহলেই এমন অসাধারণ সুস্বাদু দই উপহার দিতে পারেন এবংআপনার বিক্রি তিন চার গুণ বৃদ্ধি করতে পারেন💕💕💕






✅ঢাকা শহরে আমরাই একমাত্র নিয়ে এসেছি আপনাদের ব্যবসা তিন চার গুণ বৃদ্ধির জন্য ভেজালমুক্ত আসল বগুড়ার দই যা আপনার ব্যবসার ...
03/06/2023

✅ঢাকা শহরে আমরাই একমাত্র নিয়ে এসেছি আপনাদের ব্যবসা তিন চার গুণ বৃদ্ধির জন্য ভেজালমুক্ত আসল বগুড়ার দই যা আপনার ব্যবসার পজেটিভ ফিডব্যাক পেতে অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবে আগে খান তারপর কাস্টমারের হাতে তুলে দিন ❤❤❤







❌❌❌“বগুড়ার দই” এর নামে বাজারে নিম্নমানের ভেজালযুক্ত দই পাবেন  কিন্তু আমাদের কাছে পাবেন খাঁটি গরুর দুধের তৈরি অসাধারণ পু...
02/06/2023

❌❌❌“বগুড়ার দই” এর নামে বাজারে নিম্নমানের ভেজালযুক্ত দই পাবেন কিন্তু আমাদের কাছে পাবেন খাঁটি গরুর দুধের তৈরি অসাধারণ পুরু সর যুক্ত বগুড়ার দই






"মোটা সর" যুক্ত নির্ভেজাল বগুড়ার দই পেতে চাইলে এবং চিনতে আমাদের পেইজে ভিজিট করুন  Khaddo - হালাল খাদ্য
31/05/2023

"মোটা সর" যুক্ত নির্ভেজাল বগুড়ার দই পেতে চাইলে এবং চিনতে আমাদের পেইজে ভিজিট করুন

Khaddo - হালাল খাদ্য

জেনে নিন সেরা ১০ জাতের আম চেনার উপায়আমকে ফলের রাজা বলা হয়। মধু মাসের এ সময়টাতে আম খেতে পছন্দ করেন না এমন বাঙালি পাওয়া দু...
28/05/2023

জেনে নিন সেরা ১০ জাতের আম চেনার উপায়

আমকে ফলের রাজা বলা হয়। মধু মাসের এ সময়টাতে আম খেতে পছন্দ করেন না এমন বাঙালি পাওয়া দুস্কর। বাজারে বিভিন্ন ধরনের আম রয়েছে। কিন্তু কোনটা যে কি আম, তা চিনতে ও কিনতে বিড়ম্বনার শেষ নেই।

অধিকাংশ ক্রেতাই আম চিনতে ভুল করেন। আম কেনার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না তিনি কোন আমটি কিনছেন। সেরা ১০ জাতের আম চেনার সহজ উপায় চলুন জেনে নেওয়া যাক-
১. গোপালভোগ:
গোপালভোগের গায়ে সাধারণত হলুদ ছোপ ছোপ দাগ থাকে। এটির নিচের দিকে একটু সরু এবং পাকার পর হলুদ হয়ে যায়।
মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে পাওয়া যায় পাওয়া যায় গোপালভোগ।
২. রূপালী আম বা আম্রপালি:
রূপালী আম বা আম্রপালি নিচের দিকে খানিকটা সুঁচালো এবং উপরে একটু গোলাকৃতির হয়। এই আম মিষ্টি বেশি ও স্বাদে অতুলনীয়।
৩. ল্যাংড়া:
ল্যাংড়া আম দেখতে কিছুটা গোলাকার ও মসৃণ। এর নাক নিচের দিকে থাকে। এর খোসা খুবই পাতলা।
৪. রাণী পছন্দ:
রাণী পছন্দ দেখতে অনেকটা গোপালভোগের মতোই। এর গায়েও হলুদ দাগ আছে কিন্তু আকারে ছোট। ফলে গোপালভোগের সঙ্গে রাণী পছন্দ মেশালে আলাদা করা কষ্টকর।

৫. বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ:
বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ চেনার সহজ উপায় হলো নাক আছে মাঝামাঝি স্থানে। মিষ্টি কম ও পাকলে হলুদ রং হয়। সাধারণত জুন মাসের শুরুর দিকে এই আম পাওয়া যায়।
৬. ক্ষীরসাপাতি আম:
খুবই মিষ্টি ক্ষীরসাপাতি আম অনেকে হিমসাগর বলে বিক্রি করেন। এই আম আকারে একটু বড় হয়। আমে হালকা দাগ থাকে। ক্ষীরসাপাতি আম বাজারে পাওয়া যায় মে মাসের শেষে অথবা জুনের প্রথম দিকে।
৭. আশ্বিনা ও ফজলী:
আশ্বিনা আর ফজলী আম দেখতে একই রকম। তবে আশ্বিনা আম একটু বেশি সবুজ ও ফজলী আম খানিকটা হলুদ হয়। আশ্বিনার পেট মোটা হয় ও ফজলী দেখতে লম্বা ধরনের হয়।
৮. হিমসাগর:
উৎকৃষ্ট স্বাদের সুগন্ধযুক্ত জাতের আমের মধ্যে হিমসাগরের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। হিমসাগর আম জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাকতে শুরু করে এবং পুরো জুন মাস বাজারে পাওয়া যায়। এ আমের ঠোঁট নেই, গড়ন বুকের দিকটা গোলাকার এবং অবতল থেকে সামান্য লম্বাটে আকার নিয়ে শীর্ষদেশ গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পরিপক্ক হিমসাগর আমের রং হালকা সবুজ। পাকার পরেও সবুজ থেকে যায়। ত্বক মসৃণ, খোসা পাতলা।
৯. হাড়িভাঙ্গা:
রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বিখ্যাত ও সুস্বাদু আম হাড়িভাঙ্গা। এ আমের উপরিভাগ তুলনামূলক বেশি মোটা ও চওড়া এবং নিচের অংশ অপেক্ষকৃত চিকন। আকারে বড় হওয়ার কারেণ ৩টি আমে ১কেজি হয়ে যায়। এ আম মাংসালো, শ্বাস গোলাকার ও একটু লম্বা। চামড়া কুঁচকে যায় কিন্তু পঁচে না।
১০. সুবর্ণরেখা:
এ আমটির আকার মাঝারি ও ডিম্বাকৃতির। সাধারণত আগাম জাতের আম এটি। সুবর্ণরেখা আমের বোটার পাশে লাল রং থাকে। সুস্বাদু ও রসালো এ আমটির নাম এদেশে সুবর্ণরেখা বা সুন্দরী হলেও দক্ষিণ ভারতে একে চিন্না আম বলে।

আপনার অর্গানিক আম লাগলে আমাদের ফোন করুন ০১৭৭৬৪০০৭১৭।

✅প্রোবায়োটিক যুক্ত দই এর পুষ্টিগুণ👉এরা পরিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে👉 বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন তৈরি করে👉বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়ন...
27/05/2023

✅প্রোবায়োটিক যুক্ত দই এর পুষ্টিগুণ

👉এরা পরিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে

👉 বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন তৈরি করে

👉বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান নিষ্ক্রিয় করে

👉অন্য ক্ষতিকর জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

👉 ক্ষতিকর জীবাণুর অতিরিক্ত বংশ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

👉 এরা পরিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে

👉 বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন তৈরি করে

👉বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান নিষ্ক্রিয় করে

👉অন্য ক্ষতিকর জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

👉 শরীরের ফ্যাট কমানোর মাধ্যমে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

👉 প্রোবায়োটিক যুক্ত দই অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে; এর ফলে পরিপাক নালীর কাজকর্মই এর পাশাপাশি, সামগ্রিকভাবে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে করে।

কেমিক্যাল মুক্ত আম চেনার উপায় :-পাকা আম দেখে কিনতে হবেবেশি চকচকে দেখায় এমন আম কখনোই কেনা যাবে না।গাছপাকা আমের গায়ে মিষ্ট...
27/05/2023

কেমিক্যাল মুক্ত আম চেনার উপায় :-

পাকা আম দেখে কিনতে হবেবেশি চকচকে দেখায় এমন আম কখনোই কেনা যাবে না।গাছপাকা আমের গায়ে মিষ্টি গন্ধ থাকবেই । এ বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে নাকের কাছে আম নিয়ে পরখ করে নিতে হবে। জানতে হবে কোন আম কখন পরিপক্ব হয়।
কেমিক্যাল মুক্ত আম চেনার উপায় একটি উপায় হচ্ছে গন্ধ শুকে দেখা। আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ঔষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। ফলে বোঝা যায় যে আমটা আসলে গাছপাকা না।
আম কিনতে গেলে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করবেন আমের ওপর মাছি বসে কিনা। আমে রাসায়নিক বা কার্বাইড দেওয়া থাকলে সে আমের উপরে কখনই মাছি বসবে না। » আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ক্যামিক্যাল বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

রাসায়নিকভাবে পাকানো আম চেনার উপায় :-

রাসায়নিকভাবে পাকানো ফলের চেহারা হবে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমের সব দিকটাই সমানভাবে পাকবে; কিন্তু গাছ পাকা ফলের সব দিক কখনই সমানভাবে পাকে না।রাসায়নিক দিয়ে পাকানো ফলে স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো মিষ্টি গন্ধ থাকে না।
প্রাকৃতিকভাবে পাকা ফলের চামড়ার ওপর এক ফোঁটা আয়োডিন দিলে তা গাঢ় নীল অথবা কালো বর্ণের হয়ে যাবে। কিন্তু কেমিক্যাল দ্বারা পাকানো ফলে আয়োডিনের রঙ অপরিবর্তিত থাকে।

আপনার অর্গানিক আম লাগলে আমাদের ফোন করুন ০১৭৭৬৪০০৭১৭।

🟢বগুড়ার দই ও মিষ্টি স্বাদে ও গুনে অতুলনীয় হওয়ায় দেশ ও বিদেশে সকলের কাছে অতি প্রিয় । বগুড়ার দই এর স্বাদ এখন সকলের মুখে মু...
26/05/2023

🟢বগুড়ার দই ও মিষ্টি স্বাদে ও গুনে অতুলনীয় হওয়ায় দেশ ও বিদেশে সকলের কাছে অতি প্রিয় । বগুড়ার দই এর স্বাদ এখন সকলের মুখে মুখে।এখন যেকোন অনুষ্ঠানাদিতে খাওয়ার শেষে বগুড়ার দই না হলে তৃপ্তি হয়না।

🟢কথা শিল্পী সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘রসগোল্লা’ গল্প থেকে জানা যায় আমাদের রসগোল্লা নিয়ে বিদেশের ইমিগ্রেশনে কি লঙ্কা কান্ডই না ঘটে ছিল। রসগোল্লা মুখে দিয়ে ইমিগ্রেশনের বড় বাবু আড়াই মিনিট নাকি মুখ বন্ধ করে রেখেছিল অভিভূত হয়ে। বঙ্গ দেশের

👉রসগোল্লার মত আমাদের বগুড়ার দই নিয়ে আছে অনেক মজার কান্ড।

🟢বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলে উৎপাদিত হলেও কিছু বিশেষত্বের কারণে ‘বগুড়ার দই’-এর খ্যাতি দেশজুড়ে। উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরদের (উৎপাদক) বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা যত্নবান হওয়ায় বগুড়ার দই স্বাদে-গুণে তুলনাহীন। প্রায় দেড়শ’ বছর আগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘোষ পরিবারের হাত ধরে বগুড়ায় দইয়ের উৎপাদন শুরু। পরবর্তী সময়ে বগুড়ার নওয়াব আলতাফ আলী চৌধুরীর (পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলীর বাবা) পৃষ্ঠপোষকতায় শেরপুরের ঘোষ পরিবারের অন্যতম সদস্য গৌর গোপাল বগুড়া শহরে দই উৎপাদন শুরু করেন।

🟢বগুড়ার দই ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়া, রানী এলিজাবেথ থেকে শুরু করে মার্কিন মুল্লুকে পৌছে যাওয়া বগুড়ার জন্য গর্বের বিষয়।

Address

147/5/7, Biddut Golli, South Jatrabari
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Halal Khaddo - হালাল খাদ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share