Konooz - কুনুয

Konooz - কুনুয আপনার সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য ভেজালমুক্ত খাবার খাওয়া অপরিহার্য।আমরা শুধু এইটা নিশ্চিত করছি।

25/08/2023

জান্নাত একটি সাম্প্রদায়িক স্থান।
যেখানে শুধু মুমিনরা থাকবে।❤️
জাহান্নাম একটি ধর্মনিরপেক্ষ স্থান, যেখানে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে থাকবে।
আপনার লক্ষ্য উদ্দেশ্য কোনটি?

16/08/2023

গুনাহে জারিয়া

জাভেদ চৌধুরী

[জাভেদ চৌধুরী। পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও উপস্থাপক। এক্সপ্রেস নিউজে (৯ জুলাই ২০২৩) গুনাহে জারিয়া শিরোনামে তাঁর লেখাটি ছিল অত্যন্ত মর্মস্পর্শী। লেখক কোনো আলেম নন। তাই লেখাটির প্রতিটি অংশ ফিকহী বিচারে দেখার সুযোগ নেই। তবে এই লেখা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আছে অনেক কিছু। আলকাউসারের পাঠকদের জন্য এর বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করা হল।

অনুবাদ করেছেন : ওয়ালিউল্লাহ আব্দুল জলীল]



আহমাদ ইমাদুদ্দীন রাযী ছিলেন মিশরের প্রসিদ্ধ অর্থোপেডিক সার্জন। তিনি আইনুশ শামস বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডেপুটি ডিন এবং মিশরের স্বাস্থ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি সব দিক দিয়েই প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

ডা. রাযী ৫ জুন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। তাঁকে পূর্ব কায়রোর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালটি ছিল তাঁর বন্ধুর। তিনিও দেশের বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট। ডা. রাযীর শারীরিক অবস্থা খুব একটা গুরুতর ছিল না। তিনি এর আগেও এই হাসপাতালে এবং একই ডাক্তারের কাছে অপারেশন করিয়েছিলেন। তাই সমস্ত কেস নিয়ন্ত্রণে ছিল।

ডা. রাযীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার ‘কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশন’ শুরু হয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে হার্ট চেম্বারে একটি সূক্ষ্ম ইলাস্টিক টিউব (ক্যাথেটার) প্রবেশ করানো হয়। এটি রোগীর রোগ নির্ণয় করে। ক্যাথেটারাইজেশন কর্মী খুব দক্ষ ছিলেন না। তিনি সামান্য ভুল করে বসলেন। এই সামান্য ভুলের কারণে মিশরের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও অর্থোপেডিক সার্জন অপারেশন টেবিলেই মারা যান। এটি বড় ধরনের সংবাদ ছিল। মিশরীয় মিডিয়া ঘটনাটিকে লুফে নিয়েছিল।

সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিও ক্যাথেটারাইজেশনকে দায়ী করে। এটি আপাতদৃষ্টিতে একটি সাধারণ খবর। সারা বিশ্বে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকে। চিকিৎসাকর্মী ও চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে প্রতিদিন শত শত রোগী মারা যায়। কিন্তু এ খবর সাধারণ হয়েও অসাধারণ হল কেন?

কারণ মিশরে কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশনের জন্য ২০১৬ সালের আগে সার্জনের চেয়ে বেশি অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেশনের প্রয়োজন ছিল। ডা. রাযী তার মেয়াদকালে অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেশন কমিয়ে শত শত যুবককে প্র্যাক্টিসের অনুমতি দিয়েছিলেন।

তাঁর চিন্তা ছিল, সার্জারি সার্জন করেন। তাই সার্জন কোয়ালিফাইড ও অভিজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন। সাপোর্টিং স্টাফরা অপারেশনের সময় কেবল ছুরি ও কাঁচি ধরে রাখে। এতে খুব বেশি সার্টিফিকেশন ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। তাই ডা. রাযীর অনুকম্পায় সার্জারির সাপোর্ট-স্টাফ বৃদ্ধি পায়। এভাবে ডাক্তার ও সার্জনদের ব্যক্তিগত অনুশীলন বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডা. রাযী নিজেই অনভিজ্ঞ স্টাফের অনভিজ্ঞতার শিকারে পরিণত হন।

আমাদের বন্ধু রেজা বশির তারার এই পরিস্থিতিকে ‘গুনাহে জারিয়া’ বলে থাকেন। তিনি জাপানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত। আমি গত মাসে জাপানে গিয়েছিলাম। রেজা বশির তারার আমাকে টোকিওর সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিং রুপিং হিলসের ৫৪ তম তলায় নৈশভোজের দাওয়াত দিয়েছিলেন। নৈশভোজটি ছিল আড়ম্বরপূর্ণ; কিন্তু আমি তারার সাহেবের সঙ্গই বেশি উপভোগ করেছি।

গুনাহে জারিয়ার টার্ম ওই সাক্ষাতেরই নির্যাস ছিল। তারার সাহেবের বক্তব্য ছিল, আমরা জীবনে যেসব সৎকর্ম করি, তাকে সদকায়ে জারিয়া বলা হয়। বিশেষ বিশেষ নেককাজ সদকায়ে জারিয়া হলে আমাদের কিছু কিছু গুনাহ ও ভুলগুলোও ‘গুনাহে জারিয়া’। এগুলোর কুপ্রভাবও অনবরত চলতে থাকে এবং মানুষকে বছরের পর বছর বরং শত শত বছর এর পরিণতি ভোগ করতে হয়। আমাদের মৃত্যুর পরেও আমাদের খাতায় লিপিবদ্ধ হতে থাকে।

এ পয়েন্টটি আমার কাছে নতুন ছিল। আমি পয়েন্টটি নোট করে নিই। আমি আজকাল আবার কুরআনের অনুবাদ পড়ছি। আমার এক বন্ধু কয়েক বছর আগে ভারত থেকে একজন মাওলানা সাহেবের অনুবাদ আনিয়ে দিয়েছিলেন।

বিশ্বাস করুন, কুরআনের অনুবাদ আমার সমস্ত উপলব্ধি পরিবর্তন করে দিয়েছে। ইসলাম শুধু অতটুকুর নাম নয়, যা সচরাচর আমরা করে বা বুঝে থাকি। আল্লাহর বাণী সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এই ভিন্ন বাণীতে তিনি বারবার বলছেন, আপনি এই পৃথিবীতে যা করছেন তার জন্য আপনাকে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় ক্ষেত্রেই জবাবদিহি করতে হবে। ডা. আহমাদ ইমাদুদ্দীন রাযীর সঙ্গে এটাই ঘটেছে। তিনি তাঁর ভুল সিদ্ধান্তের গ্রাসে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, মৃত্যুতে কি তিনি রক্ষা পেয়ে যাবেন?

না, তার (ইচ্ছাকৃত) ভুল সিদ্ধান্তের দায় তাকে বহন করতে হবে। যতদিন মিশরের লোকেরা তার কারণে নিয়োগ হওয়া অযোগ্য লোকদের ভুল ‘কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশনে’র শিকার হতে থাকবে, ডা. রাযীর বোঝাও বাড়তে থাকবে। তাই আমাদেরও বেঁচে থাকা উচিত। এই ধরনের গুনাহ আমাদের দুনিয়ার জীবনে এবং আখেরাতে উভয় জগতেই দংশন করতে থাকবে।

অনেক দিন আগে একজন দায়রা জজের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। তাঁর একটি হাত ছিল কাটা। আমি তাঁকে দুর্ঘটনার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তার চোখ অশ্রুসজল হয়ে ওঠে। তিনি বলছিলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে নিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম। সেখানে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছেলে আমার মেয়ের ব্যাগ টান দেয়। আমার মেয়ে ব্যাগটি শক্ত করে ধরে। ফলে সেও বাইকের সাথে হেচড়াতে লাগল। আমি সাহায্যের জন্য ছুটে গেলে ডাকাতেরা আতঙ্কিত হয়ে গুলি চালায়। একটি গুলি আমার হাতে এবং অন্যটি মেয়ের মাথায় লাগে। মেয়ে সেখানেই মারা যায়। আমার হাতের ক্ষত বেশ খারাপ হয়ে ওঠে। ডাক্তার দুই মাস পরে হাত কেটে ফেলতে বাধ্য হন।’

এরপর তিনি ফুপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। আমি তাঁকে সান্ত্বনা দিলে তিনি চোখ মুছতে মুছতে বললেন, ‘আমি আমার মেয়ে বা আমার হাতের জন্য কাঁদছি না। আমি অপরাধীদের কারণে কাঁদছি। আমি চাকরিকালে মাত্র কয়েক হাজার টাকার লোভে অনেক চোর-ডাকাত আসামীকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। প্রতিদিন আমার মনে হয়, আমাকে যে গুলি করেছে সে আমারই ছেড়ে দেওয়া কোনো অপরাধী হবে। এই অনুভূতি আমাকে আর বাঁচতে দিচ্ছে না।’

করাচিতে এক ট্রাফিক পুলিশ অফিসারের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছিল। তাঁর গল্পটিও খুব বেদনাদায়ক। তাঁর পরিবার ভ্রমণে বের হয়েছিল। রাস্তার অপর পাশ থেকে একটি গাড়ি এসে তাদের গাড়িকে ধাক্কা দেয়। গাড়িটি ছোট ছিল। একেবারে খাদে গিয়ে পড়ে। অফিসারের পুরো পরিবার দুর্ঘটনায় মারা যায়।

তিনি তার ঘটনা শোনান। বলেন, আমি টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং ভালোভাবে জানে না— এমন ব্যক্তির জন্যও ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করতাম। যারা রাস্তায় ট্রাফিক আইন অমান্য করেছে তাদের কাছ থেকে এক-দুই হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দিতাম।

আমার মনে হয়, যে আমার পরিবারকে হত্যা করেছে, সে অবশ্যই আমার থেকে পাওয়া লাইসেন্সধারী অথবা আমিই কোনো ছোট/বড় ভুলের পর তাকে ছেড়ে দিয়ে থাকব। পরে সে আমার পুরো পরিবারকে হত্যা করেছে।

একইভাবে আমি শিক্ষা বোর্ডের একজন সাবেক চেয়ারম্যানকে পেয়েছি, যার পরিবার একটি নির্মাণাধীন সেতুর পিলার চাপায় নিহত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য ছিল, আমি শত শত অযোগ্য যুবককে মেডিকেল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দিয়েছিলাম। হয়তো সেতুটি তাদের কারো হাতে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি আমার নিজের পরিবারের ওপর পড়েছিল।

একজন দুধওয়ালাকে পেয়েছিলাম। তাঁর তিনটি সন্তান ছিল। তিনজনই শারীরিকভাবে দুর্বল ছিল। তিনি আমাকে বলেছিলেন, আমার বাচ্চাদের শৈশবে দুধে অ্যালার্জি ছিল। তারা দুধ পান করতে পারত না। যার কারণে তাদের শারীরিক বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে।

আমি বললাম, আজকাল এই রোগটি নিরাময়যোগ্য। আপনি একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতেন!

তিনি মুচকি হেসে উত্তর দিলেন, জাভেদ সাহেব! দুনিয়ায় এই রোগের চিকিৎসা থাকবে; কিন্তু আমার বাচ্চারা এই চিকিৎসায় সেরে উঠতে পারবে না।

এই বিশ্বাসের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি একটি ভয়ানক গল্প বলেন, আমার পঞ্চাশটি মহিষ ছিল। আমি এগুলোর দুধ বিক্রি করতাম। আমি লোভে পড়ে বেশি দুধের জন্য মহিষকে ইনজেকশন দিতে শুরু করি। দুধে ডিটারজেন্ট পাউডার, ইউরিয়া সার ও পানি মিশিয়ে পরিমাণ বাড়াতে শুরু করি। আমি এটি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করি। কিন্তু মহান আল্লাহ আমার বাচ্চাদের জন্য দুধে অ্যালার্জি তৈরি করেছিলেন। আমি তাদের নিয়ে ঘুরতে থাকি। কোনো ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে আমার চোখের সামনে ওই হাজারো শিশুর চেহারা ভেসে ওঠে, যাদেরকে আমি ইউরিয়া, ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো দুধ পান করিয়েছি। তাদের কী পরিণতি হয়েছে? তারা কি বেঁচে আছে? বেঁচে থাকলে তাদের পাকস্থলির কী অবস্থা? তাই আমি এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, আমার সন্তানদের রোগ অনিরামেয়। চিকিৎসা হয়ে থাকে রোগের, গুনাহের নয়; আর আমি একজন গুনাহগার।

কিছুদিন আগে আমি এক বন্ধুর অফিসে গিয়েছিলাম। সেদিন তাঁর ডিপার্টমেন্টে নিয়োগ চলছিল। বন্ধু আমাকে বলে, এটা স্বজনপ্রীতির দুনিয়া। আমার কাছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্যও মন্ত্রীদের কাছ থেকে সুপারিশ আসছে।

তারপর চিরকুটের পুরো স্তুপ আমার সামনে রাখল। আমি আমার বন্ধুকে গুনাহে জারিয়ার তত্ত্ব শুনিয়ে বললাম, ‘তুমি তোমার কোনো সুপারিশকৃত ও অযোগ্য চাপরাশির হাতে মরতে চাইলে সমস্ত চাকরি এই চিরকুটগুলোতে ভাগ করে দাও। আর নিজের এবং নিজ পরিবারের সুরক্ষা চাইলে কেবল যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নাও। যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন কর। তুমিও সদকায়ে জারিয়ার অংশ হয়ে যাবে। তাদের এবং তাদের পরিবারের লোকদের দুআ দশকের পর দশক তোমার পরিবারকে রক্ষা করবে।

আমার বন্ধুর চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠল। সে সব চিরকুট ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিল। পিএকে ডেকে বলল, ‘আমরা প্রার্থীদের তালিকা ঝুলাব না। তুমি তাদের সবাইকে অফিসে সরাসরি ডাকো। তাদের সরাসরি নিয়োগ দেব।

পিএ ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘স্যার এনএবি’ (বাংলাদেশের দুদকের মতো সংস্থা)।

আমার বন্ধু উত্তর দিল, ‘আমি এই সেবামূলক কাজের জন্য জেলে যেতেও প্রস্তুত!’
[ মাসিক আলকাউসার || মুহাররম ১৪৪৫ || আগস্ট ২০২৩ ]

10/07/2023

নবি(সঃ)বলেছেন,তোমরা তোমাদের মধ্যকার দুর্বল লোকদের ওয়াসিলায় রিযিক এবং সাহায্য প্রাপ্ত হয়ে থাকো।আবুদাউদ২৫৯৪(সহি)

09/07/2023

প্রত্যেক অহংকারী সীমালঙ্ঘনকারী ও উদ্ধত লোক জাহান্নামী
(বুখারি : ইফা-৫৬৪৫)

👉আমাদের ঘি শতভাগ খাটি গাওয়া ঘি👉গ্রামের ঘাস খাওয়া গরুর দুধ থেকে তৈরি👉আসল ঘি এর স্বাদ নিতে চাইলে আমাদের থেকে একবার নিয়ে দ...
08/04/2023

👉আমাদের ঘি শতভাগ খাটি গাওয়া ঘি
👉গ্রামের ঘাস খাওয়া গরুর দুধ থেকে তৈরি
👉আসল ঘি এর স্বাদ নিতে চাইলে আমাদের থেকে একবার নিয়ে দেখুন

গরুর ঘি কোলেস্টেরলের সমস্যার চিকিৎসায় খুবই উপকারী। গরুর ঘি আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখলে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে চলুন জেনে নেওয়া যাক:

১. গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা দূর করে।

২. চোখের জ্যাতি বাড়ায়।

৩. বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ফর্মুলেশনে ব্যবহৃত হয় ঘি।

৪. মানসিক চাপ,উদ্বেগ কমিয়ে ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৫. ঘি হলো প্রদাহ বিরোধী।

৬. ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে ঘি।

৭. গর্ভকালীন ঘি খাওয়া অনেক উপকারী। তবে চিকিৎসকের সাথে অবশ্যই পরামর্শ করে নিতে হবে।

৮. ঘি খেলে মিনারেল ও ফ্যাটি এসিড ভালোভাবে শোষিত হয়।

৯. ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে ঘি। এছাড়া মুখের ঘাসহ যেকোন সমস্যা দূরে রাখে।

ঘি পুষ্টিকর ও নিরাময়কারী। কেউ কেউ ওজন কমানোর জন্য ঘি খেয়ে থাকে আবার কেউ ওজন বাড়াতে। হার্টের যেকোন সমস্যায় ঘি অত্যন্ত উপকারী। এজন্য শরীরের সুস্থতার কথা বিবেচনা করে ঘি খাওয়া শুরু করুন।

শুধু পিঠে-পুলি, পায়েস বা মিষ্টিজাতীয় খাবার তৈরির জন্য নয়, আখের গুড়ের রয়েছে হাজারো উপকারিতা। এটি রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা ব...
08/04/2023

শুধু পিঠে-পুলি, পায়েস বা মিষ্টিজাতীয় খাবার তৈরির জন্য নয়, আখের গুড়ের রয়েছে হাজারো উপকারিতা। এটি রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীর সুস্থ রাখে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত-১২ মাস দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে এ গুড়।
এখানেই শেষ নয়, এর রয়েছে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নিই আখের গুড়ের বহুবিধ উপকারিতা সম্পর্কে-
১. এ গুড় শরীরে তাপ উৎপাদন করে এবং দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
২. এতে রয়েছে উচ্চমানের ক্যালোরিফিক যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শক্তি যোগায়।
৩. ক্ষতিকর অনুজীব বৃদ্ধি হ্রাস করতে সাহায্য করে এটি।
৪. আখের গুড়ে থাকে নানা খনিজ উপাদান। যেমন- লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম ও পটাশিয়াম। এ উপাদানগুলো রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ দূরে রাখে।
৫. গলার সমস্যা যেমন- কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুস দূর করতে সাহায্য করে এটি।
৬. শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- কাশি বা বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এ গুড়।
৭. নিয়মিত খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়।
৮. আখের গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
৯. এটি পাকস্থলী, অন্ত্র, ফুসফুস ও খাদ্যনালী সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
১০. শীতের শুষ্ক, ঠাণ্ডা আবহে জীবাণুর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে এ গুড় অত্যন্ত কার্যকরী।
১১. এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম, সোডিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
১২. খাওয়ার পর এক চামচ এ গুড় খান, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে মুক্তি মিলবেই।
১৩. ঠাণ্ডা লাগা কিংবা সর্দিতে কুসুম গরম পানিতে এটি মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ভালো হয়।
১৪. আখের গুড়ে রয়েছে এলার্জি বিরোধী উপাদান যা দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। হাঁপানি থাকলে সেরে যায়।
১৫. গরমকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এ গুড়ের শরবতের বিকল্প নেই।
১৬. এটি খেলে এনার্জি পাবেন চটজলদি।
১৭. লিভার থেকে দূষিত পদার্থ বের করে সূস্হ রাখতে সাহায্য করে ন্যাচারাল এ ফুড।
উল্লেখ্য, উপর্যুক্ত উপকারগুলো পেতে হলে অবশ্যই আখের খাঁটি গুড় খেতে হবে। কারণ, বাজার ভেজাল গুড়ে সয়লাব। তাই দেখেশুনে তা কিনুন।

09/01/2023

👉শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। আর পায়েসে যদি খেজুরের গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই বদলে যায়। শীতকালে গুড়ের স্বাদ বাঙালির কাছে মধুর সমান। আমাদের দেশে খেজুরের রস থেকে গুড় তৈরি হয়। বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি। গবেষকরা বলছেন গুড়ের উপকারিতা অনেক।

👉খেজুরের গুড়ের যত উপকারিতা👈

👉আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খান তাহলে হজম তাড়াতাড়ি হবে। গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

👉শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় ফলে নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে।

👉প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা ‌পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে। এছাড়া গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে।

👉আমাদের শরীরে কার্বোহাইডেড জাতীয় খাবার অথাৎ চিনি এনার্জি প্রদান করে। কিন্তু এই এনার্জি অনেক সময় আমাদের শরীরে রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে কিডনি, চোখ ও রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। গুড় খেলে এই সমস্যাটি কম হতে পারে। কারণ গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা। ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়।

👉গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।

#খেজুরের গুড় #01948888087

05/12/2022

‘হে মুমিনগণ! তোমরা অধিক ধারণা থেকে বেঁচে থাক, কারণ কোন কোন ধারণা পাপ এবং তোমরা একে অপরের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান কর না এবং একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা কর না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত ভক্ষণ করতে ভালবাসে? বস্তুতঃ তোমরা একে ঘৃণাই কর। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তওবা কবুলকারী, কৃপাণিধান।’ (সূরা হুজুরাতঃ ৪৩/১২)

খেজুর গুড়ের উপকারিতা জেনে নিনশীতের মৌসুম মানেই খেজুর গুড়। এই গুড় নিজস্ব গন্ধ ও স্বাদের জন্য সবার পছন্দের। শীতের পিঠা-পায়...
04/12/2022

খেজুর গুড়ের উপকারিতা জেনে নিন

শীতের মৌসুম মানেই খেজুর গুড়। এই গুড় নিজস্ব গন্ধ ও স্বাদের জন্য সবার পছন্দের। শীতের পিঠা-পায়েসের বেশিরভাগ তৈরিতেই ব্যবহার হয় খেজুর গুড়। খেতে সুস্বাদু বলেই এটি বেশি খাওয়া হয়। এদিকে এই গুড়ের উপকারিতার কথা আমাদের বেশিরভাগেরই অজানা। আপনি জানতেন যে সুস্বাদু খেজুর গুড় আমাদের শরীরের জন্যও নানাভাবে উপকার করে? জেনে নিন এর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-

আয়রনের ঘাটতি মেটায়

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে নানা ধরনের অসুখে আক্রান্তও হতে দেখা যায়। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, খেজুরের গুড়ে রয়েছে প্রচুর আয়রন। তাই খেজুরের গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয়। ফলে দূরে থাকে রক্তশূন্যতাসহ আয়রনের ঘাটতিজনিত যাবতীয় অসুখ।

নারীদের জন্য উপকারী

নারী এবং পুরুষের শরীরের গঠন এক নয়। নারীদের জন্য এমনকিছু পুষ্টির দরকার পড়ে, যা সব ধরনের খাবারে থাকে না। এক্ষেত্রে একটি উপকারী খাবার হতে পারে খেজুর গুড়। এতে থাকা নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান নারীদের বিভিন্ন অসুখ থেকে দূরে রাখে।

হজমের সমস্যা দূর করে

যারা হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রতিদিন অল্প করে খেজুরের গুড় খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। যারা নিয়মিত খেজুরের গুড় খান, তারা এর সুফল পাচ্ছেন। এই গুড় আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশা, বদহজমের মতো অসুখ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে।

লিভার ভালো রাখে

যেসব খাবার লিভার ভালো রাখতে কাজ করে তার মধ্যে অন্যতম হলো খেজুর গুড়। এই গুড়ে থাকে প্রচুর সোডিয়াম ও পটাসিয়াম। এই দুই উপকারী উপাদান আমাদের পেশিকে শক্তিশালী করতে কাজ করে। নিয়মিত খেজুরের গুড় খেলে তা মেদ ঝরাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজ করে। সেইসঙ্গে নিয়ন্ত্রণে রাখে উচ্চ রক্তচাপও।

ত্বক ভালো রাখে

শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন? অবাক করা বিষয় হলেও সত্যি যে, খেজুর গুড় আপনার ত্বক ভালো রাখতে কাজ করে। আপনি যদি মসৃণ ত্বক চান তবে নিয়মিত খেজুর গুড় খাবেন। এতে চেহারায় সহজে বয়সের ছাপ পড়বে না। ব্রণ ও ফুসকুড়ি দূর করতেও এই গুড় কার্যকরী। ত্বক সুন্দর থাকুক তা কে না চায়! তাহলে এবার প্রতিদিনের খাবারে যোগ করুন খেজুর গুড়।

👉 আপনি বাজারের ভেজাল মিশ্রিত খেজুর গুড়ের ভিড়ে অর্গানিক ভেজাল মুক্ত খেজুর গুড় পাচ্ছেন না? আপনাদের জন্য আমরা গ্রামে নিজ...
29/11/2022

👉 আপনি বাজারের ভেজাল মিশ্রিত খেজুর গুড়ের ভিড়ে অর্গানিক ভেজাল মুক্ত খেজুর গুড় পাচ্ছেন না? আপনাদের জন্য আমরা গ্রামে নিজস্ব খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে ভেজালমুক্ত খেজুর-গুড়-তৈরি করছি।

👉 শীতকালে গুড়ের স্বাদ বাঙালির কাছে মধুর সমান। শীতের পিঠা পুলি তৈরিতে খেজুরের গুড়ের জুড়ি নেই। আমাদের কাছে পাবেন নির্ভেজাল ১০০ ভাগ খাটি খেজুরের গুড় যা আমারা রাজশাহী থেকে তৈরি করে নিয়ে আসি।
👉 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি ও সারা বাংলাদেশে কুরিয়ার করা হয়।
অর্ডার করতে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন 01948888087

Address

149/4, Ahmedbagh
Dhaka
1214

Telephone

+8801732066448

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Konooz - কুনুয posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Konooz - কুনুয:

Share