Ummah store BD

Ummah store BD সুন্নাত মতে পণ্য পছন্দ না হলে ফেরত দিতে পারবেন।

"মানবতার কল্যাণে শুদ্ধতা" এই মুলমন্ত্রকে ধারণ প্রাকৃতিক খাদ্য পণ্য সরবারহকারী প্রতিষ্ঠান। সুন্নাহ মতে বিক্রিত পণ্য ফেরত নেয়া হয়। প্রান্তিক পর্যায় থেকে সংগ্রহ করে আপনাদের দোর-গোড়ায় নির্ভেজাল নিরাপদ পণ্য পৌঁছে দিতে আমরা বদ্দপরিকর।

23/04/2026
ফিনানশিয়ালি স্ট্রাগল করছেন এমন বোনদের কাছ থেকে  কিছু  কাজ নিতে চাচ্ছি যেন তারা সম্মান আর সম্মানি দুটোই পান।আশা করি পাশে ...
18/04/2026

ফিনানশিয়ালি স্ট্রাগল করছেন এমন বোনদের কাছ থেকে কিছু কাজ নিতে চাচ্ছি যেন তারা সম্মান আর সম্মানি দুটোই পান।আশা করি পাশে থাকবেন।

বারোমাসি পরিপক্ব  কাটিমন আম। হোম ডেলিভারিতে ১০ (নূন্যতম অর্ডার) কেজি ৩৫০০ টাকা।
02/04/2026

বারোমাসি পরিপক্ব কাটিমন আম। হোম ডেলিভারিতে ১০ (নূন্যতম অর্ডার) কেজি ৩৫০০ টাকা।

06/03/2026

# # 🤲 মহান রবের দরবারে এক ক্লান্ত বান্দার ৩০টি নিবেদন
**হে আল্লাহ! এই শরীর ও মন আজ খুব বেশি ক্লান্ত। ঈমান আজ নিঃস্ব প্রায়। ভুলে গেছি সকল দুআ—তবুও আমার না বলা এবং ভুলে যাওয়া সকল আরজি আপনার রহমতের উসিলায় কবুল করে নিন।**
# # # ১. আত্মা ও ঈমানের তৃষ্ণা
হে আল্লাহ! আমার এই অস্থির ও তৃষ্ণার্ত আত্মাকে বারবার আপনার পবিত্র ঘর বায়তুল্লাহর চত্বরে পৌঁছে দিন; তাওয়াফের ভিড়ে আমার চোখের অশ্রুকে কবুল করুন এবং মদিনার সবুজ গম্বুজের ছায়ায় আপনার প্রিয় বান্দাদের কাতারে স্থান দিন।
# # # ২. নবীপ্রেম ও ঈমানি মৃত্যু
হে পরম দয়াময়! প্রিয় নবী ﷺ-এর ভালোবাসা আমার হৃদয়ে এমনভাবে স্থাপন করুন, যেন তাঁর স্মরণেই চোখ ভিজে যায়; স্বপ্নে তাঁর সাক্ষাৎ দিন এবং ঈমানের পূর্ণতায় মদিনার পবিত্র মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস নেওয়ার তৌফিক দিন।
# # # ৩. সর্বাত্মক কল্যাণ ও মুক্তি
হে আরশের অধিপতি! আপনার হাবিব ﷺ যে কল্যাণ চেয়েছেন, তার পূর্ণ অংশ আমাকে দান করুন; আর তিনি যে অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চেয়েছেন, তা থেকে আমাকেও চিরনিরাপদ রাখুন।
# # # ৪. ইবাদতে নূর ও নিস্তব্ধ কান্না
হে নূরের উৎস! আমার জীবনকে তাহাজ্জুদের নিস্তব্ধ কান্না, সদকার গোপন হাসি, তিলাওয়াতের সুর ও রোজার তাকওয়ায় আলোকিত করে দিন। আমার তওবা কবুল করে আমাকে আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন।
# # # ৫. হৃদয়ের প্রশান্তি ও নামাজ
হে মালিকুল মুলক! আমার নামাজকে কেবল দায়িত্ব নয়—আমার হৃদয়ের প্রশান্তি বানান; খুশু-খুজু, নিখুঁত ওজু ও একাগ্রতার সৌন্দর্যে তা পূর্ণ করে দিন।
# # # ৬. অন্তরের অন্ধকার ও কলুষতা মুক্তি
হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরের গোপন অন্ধকার দূর করুন; রাগকে সংযমে, হিংসাকে মমতায়, রিয়া’কে ইখলাসে এবং অহংকারকে বিনয়ে রূপান্তরিত করুন। আমার অন্তরকে সম্পূর্ণ পরিশুদ্ধ করে দিন।
# # # ৭. তাওবাতুন নাসুহা
ইয়া গফুরুর রাহিম! আমাকে এমন তাওবাতুন নাসুহা দিন, যার পর গুনাহের পথ আমার কাছে বিষের মতো অপছন্দনীয় হয়ে যায়। আমার ফেলে আসা জীবনের সব ছোট-বড় এবং লুকানো পাপ মাফ করে দিন।
# # # ৮. অদৃশ্য অনিষ্ট থেকে হেফাজত
হে সর্বশক্তিমান রক্ষাকর্তা! হিংসুকের বদনজর, অশুভ শক্তি, জাদুটোনা, শয়তানের কুমন্ত্রণা ও অদৃশ্য সকল অনিষ্ট থেকে আমাদের আপনার কুদরতি হেফাজতে ঢেকে রাখুন।
# # # ৯. আত্মিক ও শারীরিক সুস্থতা
হে শাফি! আমাকে ও আমার পরিবারকে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক সুস্থতা দিন। শরীরের সব পুরাতন অসুখ দূর করে দিন এবং আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাসে বরকত দিন।
# # # ১০. অবারিত রিজিক ও প্রাচুর্য
হে রাজ্জাক! আমার রিজিককে হালাল, পবিত্র ও প্রশস্ত করুন। হারাম ও সন্দেহজনক উপার্জন থেকে আমাকে দূরে রাখুন এবং আমার সময়ে ও সম্পদে অসীম বরকত দান করুন।
# # # ১১. কেবল আপনার মুখাপেক্ষিতা
হে অভাবমুক্ত সত্তা! আমাকে আপনার দাসত্বের মর্যাদায় রাখুন; কারো কাছে অপমানিত হয়ে হাত পাতার আগেই আপনার দরবারে সিজদাবনত রাখুন। আমাকে ঋণ ও অভাবের লাঞ্ছনা থেকে মুক্ত করুন।
# # # ১২. মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ জীবন
হে মুক্তিদাতা! আমাকে সম্মান ও আত্মমর্যাদার জীবন দান করুন। মাথা গোঁজার ঠাঁই, শান্তিময় ঘর ও নিরাপদ জীবিকার ব্যবস্থা করুন—যাতে সেগুলো আমার জন্য কৃতজ্ঞতার মাধ্যম হয়।
# # # ১৩. পিতামাতার ওপর রহমতের চাদর
ইয়া রব্ব! আমার পিতা-মাতার ওপর রহমতের চাদর বিছিয়ে দিন; তাঁদের সুস্থ ও শান্ত রাখুন। আর যদি তাঁরা ইন্তেকাল করে থাকেন, তবে তাঁদের কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।
# # # ১৪. পারিবারিক জান্নাতি প্রশান্তি
হে সালাম (শান্তির উৎস)! আমার পরিবারের অন্তরে ভালোবাসা, ক্ষমা ও দ্বীনের প্রতি অটলতা দিন। পারিবারিক সব ঝামেলা দূর করে আমাদের ঘরকে জান্নাতের মতো শান্তিময় ও পবিত্রতার দুর্গ বানান।
# # # ১৫. দাম্পত্য সুখ ও নেক সন্তান
হে সাকিনাহ দানকারী! স্বামী-স্ত্রীর মাঝে জান্নাতি মহব্বত বাড়িয়ে দিন। আমাদের সন্তানদের চোখের শীতলতা, সফল ও দ্বীনদার বানান; তাঁদের চরিত্রে তাকওয়ার সৌন্দর্য দিন।
# # # ১৬. অবিবাহিতদের জন্য নেক সঙ্গী
হে সহজকারী! উম্মাহর অবিবাহিতদের জন্য নেক, দ্বীনদার ও বিশ্বস্ত জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করুন; তাঁদের নিকাহকে বরকতময় করুন এবং চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা করুন।
# # # ১৭. ঈমানি দৃঢ়তা ও ফেতনা থেকে রক্ষা
হে সাবিতকারী! ফেতনার এই যুগে আমার ঈমানকে পাহাড়ের মতো দৃঢ় রাখুন; আমাকে মিথ্যা ও গীবত থেকে বাঁচিয়ে সত্যের পথে অটল রাখুন।
# # # ১৮. শত্রু ও ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত
হে আদলকারী! শত্রুর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করুন; আকস্মিক বিপদ, রোগ, অপমান ও ইজ্জতের ক্ষতি থেকে আমাদের নিরাপদ রাখুন। জীবনের কঠিন পথগুলো আমাদের জন্য সহজ করে দিন।
# # # ১৯. উম্মাহর ঐক্য ও বিজয়
হে রহমতের সাগর! সারা বিশ্বের নির্যাতিত ও মজলুমদের ওপর আপনার সাহায্য ও বিজয় নাজিল করুন। মুসলিম দেশগুলোতে শান্তি দিন এবং কুরআন ও সুন্নাহর শাসন কায়েম করুন।
# # # ২০. কৃতজ্ঞতা ও ক্ষমার হৃদয়
হে শাকুর! যারা আমার উপকার করেছেন তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন; আর যাদের আমি কষ্ট দিয়েছি, তাঁদের হৃদয় নরম করে আমাকে ক্ষমা করিয়ে নিন। আমাকে সবসময় শুকরগুজার বানান।
# # # ২১. গোপন কষ্ট ও চোখের জলের কদর
হে অন্তরের খবর রাখা সত্তা! আমার গোপন কষ্টগুলো দূর করুন; আমার অন্তরের নিভৃত কান্না আপনি শুনুন। আমার স্বপ্নগুলো পূরণ করুন যদি তাতে আমার জন্য ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ থাকে।
# # # ২২. অলসতা মুক্তি ও সঠিক সিদ্ধান্ত
হে মহাজ্ঞানী! আমার থেকে অলসতা দূর করে কর্মঠ বানান। আমাকে সবসময় সঠিক সিদ্ধান্তের তাওফিক দিন এবং আমার ভবিষ্যৎকে আপনার কুদরতে নিরাপদ করে দিন।
# # # ২৩. ইসলামের জন্য কবুলিয়াত
হে আল্লাহ! কুরআনের সাথে আমাদের সম্পর্ক মজবুত করুন। আমাদের দিয়ে ইসলামের সেবা নিন এবং আমাদের সকল দাওয়াতি কাজ কবুল করে নিন।
# # # ২৪. আপনার ওপর পূর্ণ ভরসা
হে মুতাওয়াক্কিলদের আশ্রয়দাতা! আমাকে আপনার ওপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল) করার শক্তি দিন। ভয় ও দুশ্চিন্তা দূর করে আমার হৃদয়ে স্থায়ী প্রশান্তি দান করুন।
# # # ২৫. সুন্দর সমাপ্তি ও কালিমা নসিব
হে হায়াত ও মউতের মালিক! আমার জীবনের শেষটা সুন্দর ও ঈমানি করুন। মৃত্যুর সময় আমার ঠোঁটে ও হৃদয়ে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কালিমার স্বীকৃতি জারি রাখুন।
# # # ২৬. কবরের আজাব থেকে মুক্তি
হে হাফিজ! কবরের কঠিন আজাব ও অন্ধকার থেকে আমাকে রক্ষা করুন। আমার কবরকে জান্নাতের জানালা দিয়ে আলোকিত ও প্রশস্ত করে দিন।
# # # ২৭. হাশরের মাঠের নিরাপত্তা
হে দয়ালু প্রভু! কিয়ামতের কঠিন দিনে আমার হিসাব সহজ করে দিন। আমলনামা আমার ডান হাতে দিন এবং সিরাত পার হওয়া আমার জন্য চোখের পলকের মতো সহজ করে দিন।
# # # ২৮. আরশের নিচে ছায়া
হে আরশের মালিক! যখন আপনার ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না, তখন আমাদের সবাইকে আপনার আরশের নিচে স্থান দিন। জাহান্নামের আগুন থেকে আমাদের চিরতরে বাঁচান।
# # # ২৯. জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম
হে শ্রেষ্ঠ দাতা! জান্নাতুল ফেরদাউসে আপনার দিদার ও সন্তুষ্টির সর্বোচ্চ নেয়ামত দান করুন। আমাদের পুরো পরিবারকে জান্নাতে আবার একত্র হওয়ার তৌফিক দিন।
# # # ৩০. না বলা সব দুআর কবুলিয়াত
হে মুজীবুদ দাওয়াত! আমার প্রতিটি দুআ কবুল করুন। আজ আপনার দুয়ারে আসার কামনায় যা চাইতে ভুলে গেছি, যা আমার অজানা—আপনার অবারিত ভাণ্ডার থেকে তাও আমাকে দান করুন।
---
**আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।**

Send a message to learn more

রোজায় আমলের বিস্তারিত তালিকা দিচ্ছি সবাই কস্ট করে পড়ার অনুরোধ থাকবে।🌱 রোজার আমল রুটিন নিয়ে সবার আগে আমার এটাই বলার আছে য...
17/02/2026

রোজায় আমলের বিস্তারিত তালিকা দিচ্ছি
সবাই কস্ট করে পড়ার অনুরোধ থাকবে।

🌱 রোজার আমল রুটিন নিয়ে সবার আগে আমার এটাই বলার আছে যে, যাদের ই সুযোগ আছে চেষ্টা কইরেন ফেসবুক আনস্টল করে, ইউটিউব ডিজেবল করে এসবে ঢুকা হতেই বিরত থাকতে। বিশেষ করে ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম এসব এপ্স অবশ্য ই ডিজেবল রাখুন। উপকারী লিখা ঈমান আমল বৃদ্ধি বা আগ্রহ পাওয়ার মত লিখা পড়তে চাইলে টেলিগ্রামে পড়তে পারেন।
আর শুধু যে সোশ্যাল এপ্সে ঢুকা লাগবে কোন কাজে বা দায়িত্বের জন্য সেটা রাখতে পারেন। রমজানে করনীয় বর্জনীয় বা রোজা যাকাত বিষয়ক মাসআলা ইত্যাদি জানতে হলে টেলিগ্রামে সার্চ দিয়ে জয়েন হতে পারেন 'রমজানে যা কিছু জানার' এই নামের চ্যানেলে। মোবাইলে রাখতে পারেন Muslim bangla এবং Markazul Quran এপ্স।

▪️রোজায় কি কি করবেন এ ব্যাপারে বিস্তারিত বুঝিয়ে লিখতে গিয়ে অনেক বড় হয়ে গেছে এজন্য দু:খিত। কি কি আমল দুয়া করলে সবচেয়ে বেশি ফায়দা সাওয়াব হতে পারে তা সময় নিয়ে বারবার দুয়া করে ভেবেচিন্তে ই লিখেছি আল্লাহর অনুগ্রহে। আর পুরো না পড়লে দুয়া ও জিকিরের ব্যাপারে লাস্টে লিখেছি পড়ে নিতে পারেন। এই লিস্ট সবার জন্যেই কিন্তু সবাই সবকিছু পারবেন না তাই নিজ অবস্থা সময় সুযোগ অনুযায়ী যা যা পারবেন মনে হবে তা ডায়রীতে লিখে নিতে পারেন কস্ট করে।

🌱 প্রতিদিন সকালে এই নিয়ত করার চেষ্টা করবেন যে, হে আল্লাহ আজকে যত ভালো কাজ করব যত ভালো আমল ইবাদত করব সবটা আপনার সন্তুষ্টির জন্য করতে চাই। আপনি তাওফীক্ক দান করুন। কবুল করে নিন।

প্রতিটা বৈধ কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়বেন এবং নিজ নিজ দায়িত্বে থাকা প্রতিটা কাজেই ভালো নিয়ত করে সাওয়াবের আশায় করার চেষ্টা করবেন। সাহরী ইফতারী প্রস্তুত করা বা বাজার করে আনা এসব ক্ষেত্রেই ঘরের রোজাদারদের খাওয়ানোর মাধ্যমে সাওয়াব আশা করবেন।

🌱 গুনাহ থেকে বেচেঁ থাকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফরজ আদায় সবচেয়ে বড় আমল। যারা অন্য টাইমে দেখেন তারাও অন্তত রোজা রেখে বা রোজার মাসে ইচ্ছাকৃত নাটক সিনেমা গান ইত্যাদি দেখা বা শুনবেন না প্লিজ।
রোজা রেখে গীবত ঝগড়াঝাটি করা যাবেনা মনে রাখবেন। রোজার মাসে নিজের আচার ব্যবহার উত্তম করা এবং বাজে কথা বেহুদা কথা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা অনেক জরুরী।
গুনাহ থেকে বাঁচা ও ফরজ নামাজ যত্নসহকারে মন দিয়ে আদায়ের চেষ্টা সবচেয়ে বেশি করুন
আর কিছু করতে পারেন বা না পারেন।
কোনভাবেই ইচ্ছাকৃত নামাজ ছুটে যেন না যায় সেই চেষ্টা জরুরী।
রোজা রেখে দিনে মার্কেটে যাওয়ার মত ভুল করবেন না আর রোজায় মার্কেটিং বা অনলাইন শপিং এর পিছে বেশি টাইম দিবেন না।
(এইটুকু চেষ্টা একদম সব রোজাদার মুসলিমের করা উচিত)

🌱৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ যত্নসহকারে ধীরেসুস্থে আওয়াল ওয়াক্তে বা অন্তত মাকরুহ ওয়াক্তের আগেই আদায় করা।
দিনে রাতের ১২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও যথাসাধ্য আদায় করা।
নামাজে মন বসুক না বসুক মোটেও তাড়াহুড়ো করে পড়বেন না। প্রতিটা সূরা তাসবিহ শুদ্ধভাবে খেয়াল করে উচ্চারণের চেষ্টা করতে হবে।
নামাজে কি কি পড়ছেন সেটাই শুধু খেয়াল করবেন এবং শুদ্ধ উচ্চারণে নিজের কানে শুনার মত (সামান্য বা ফিসফিসের মত) আওয়াজে সূরা পড়বেন।

🌱জেগে থাকলে ফজরের ওয়াক্ত শেষ হবার পর নিষিদ্ধ টাইম পার হলে দুই রাকাত ইশরাকের নামাজ পড়বেন। যদি ঘুমিয়ে যান তাইলে সকালে যোহরের আগের নিষিদ্ধ টাইমের আগেই উঠলে দুই বা চার রাকাত চাশতের নামাজ পড়বেন।

🌱প্রতিদিন ১/২ বা ৩ পারা কুরআন পড়া। সময় সুযোগ অনুযায়ী পড়ার টার্গেট লিখে রাখবেন।
কেও যদি এক পারা না ই পারেন তাইলে যতটুকু পারেন পড়বেন। যত ব্যস্ততা ই থাক অন্তত আধা পারা পড়ার চেষ্টা করবেন ই।সবাই পারবেন না
তা ঠিক কিন্তু চেষ্টা খুব করা উচিত।
কুরআন এর প্রতি আগ্রহ ভালোবাসা বাড়াতে টেলিগ্রাম থাকলে সার্চ দিয়ে কুরআন হৃদয়ের জান্নাত এই চ্যানেলের লিখা নিয়মিত পইড়েন।

🌱 সূরা সাজদা বা সূরা ওয়াকিয়া/রহমান এমন কোন সূরা পারলে রোজায় মুখস্থ করা। বা ছোট কোন কোন সূরা মুখস্থ করার নিয়ত রাখতে পারেন। এবং মুখস্থ সূরাগুলা নামাজে পড়ার চেষ্টা করা। কুরআনের শেষের ছোট ১০ সূরার বাইরে অন্য সূরা মুখস্থ পড়াটা নামাজে মনোযোগ আনতে সহায়ক হবেই ইনশাআল্লাহ।

🌱এই রোজায় বিশেষভাবে একটা সূরার অর্থ ব্যাখ্যা পড়তে বলব সবাইকে।
সেটা হলো- সূরা হুজুরাত।
আগে পড়লেও আবার অর্থ ব্যাখ্যা পড়ে এই সূরায় যা যা বলা হয়েছে আমাদের এসব আমল করার পাকাপোক্ত চেষ্টা ও দুয়া করার অনুরোধ থাকবে।

▪️বি:দ্র: ফরজের পর নফল আমল হিসেবে যে যতটুকু পারেন খালি কুরআন পড়বেন
এটা বিশেষভাবে অনুরোধ।
সালাফরা রমজানে সাধারণত কুরআন
তিলাওয়াত ই সবচেয়ে বেশি করতেন।
পুরো কুরআনের অর্থ ব্যাখ্যা পড়ার জন্য বাকী সারাবছর আছে তাই অর্থ ব্যাখ্যা পড়ার টার্গেট সবাই না রেখে রোজার মাস বিশেষভাবে তিলাওয়াত এর জন্য রাখেন।
হ্যা সারা বছর যার কুরআন নিয়ে বসা ই হয়না তিনি অর্থ ব্যাখ্যা সহ পইড়েন।

কুরআন যারা মোটামুটি শুদ্ধ করেই পড়তে পারেন তারা অন্তত এক বা দুই খতম দেয়ার টার্গেট রাখবেন অর্থাৎ পাক্কা নিয়ত করে দিন রাত সুযোগ পেলেই কুরআন পড়ার চেষ্টা কইরেন।
অনেকে কয়েক খতম দেন সংসার বাচ্চা কিংবা বাহিরের ব্যস্ততা সামলেও সেখানে আমরা অন্তত এক খতম দিতে পারবোনা কেন?
পড়া শুদ্ধ এবং মোটামুটি চালু হলে এক খতম দেয়া কঠিন না। পড়া যদি চালু না হয় সেটা চালু করতে হবে বেশি পড়ার দ্বারাই।
সারা বছর এভাবে প্রতিদিন এত কুরআন পড়া হবেওনা চাইলেও যেটা রোজায় হয় চেষ্টা করলে। কুরআন বেশি বেশি তিলাওয়াত করে রোজায় খতম অর্থাৎ শেষ করতে পারার ব্যাপার ই আলাদা। অসংখ্য অসংখ্য সাওয়াব ছাড়াও এটা অনেক বেশি প্রশান্তিদায়ক ও মন দিলে উত্তম প্রভাব টের পাওয়া যায়।
আরেকটা ফায়দা বলি?
কুরআন খতমের পর দুয়া কবুল হয়। খতম দেয়া হলে তারপর মন খুলে যত ইচ্ছে দুয়া করবেন। শুধু নিজের জন্য না পরিবার আপনজনদের জন্যেও মন খুলে দুয়া কইরেন।

কুরআন পড়ার সময় মন দিয়ে খেয়াল করে টান গুন্নাহ যথাসাধ্য ঠিক রেখেই পড়বেন। কয় খতম দিলেন এটা কাওকে শুনাতে জানাতে পড়বেন না বা ফেসবুকে বলবেন ও না প্লিজ। আমলের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল এবং রিয়ার ব্যাপারে সতর্কতা অবশ্য ই জরুরী।

▪️যখন কাজে কর্মে থাকা হয় তখন মুখস্থ যে
সূরা পারেন তা পড়তে পারেন।
রান্না করতে করতেই তিনবার সুরা ইখলাস পড়া যায়। সূরা ফাতেহা সহ অন্যান্য ছোট সূরা পড়া যায়। তাছাড়া সাংসারিক ব্যস্ততার মাঝে ও কুরআন পড়তে যথাসাধ্য অজুর সাথে বেশি থাকার চেষ্টা করলে ভালো। বাথরুমে গেলেই পারলে অজু করে বের হওয়া, সময়ের অভাবে দ্রুত অজু করতে চাইলে শুধু অজুর চার ফরজ আদায় করলেও অজু হয়ে যাবে। তারপর বাচ্চাদের দেখাশোনা বা ঘরের কাজ এর ফাঁকে একটু সুযোগ পেলেই কুরআন খুলে একটু পড়ে নেয়া। প্রতি নামাজের পর পারলে কয়েক পৃষ্ঠা পড়া। বাইরে যদি যান গাড়ীতে বসেই কোন সূরা মুখস্থ বা তিলাওয়াত করতে পারেন মোবাইলে দেখে। এছাড়া বাইরে গেলে টানা ইস্তেগফার পড়তে থাকবেন সময় নস্ট না করে।

আর বোনেরা অনুগ্রহ করে পিরিয়ড/নেফাসের টাইমে কুরআন পড়বেন না। অধিকাংশ আলেম সাহাবী তাবেয়ী তথা সালাফদের মতে দলীল প্রমানের ভিত্তিতেই পড়া যাবেনা এটা অধিক গ্রহণযোগ্য মত। রোজায় নামাজ রোজা হতে ছুটির দিন গুলায় ঈদের জন্য কোন কাজ কর্ম বাকি থাকলে করে ফেলবেন। আর তখন দুয়া ও বেশি বেশি জিকির করা দরুদ পড়ার টার্গেট রাখুন।
তখনকার আমলের তালিকা আলাদাভাবে লিখবেন।

▪️পিরিয়ড/নেফাস অবস্থায় বিশেষ করে দিনের কোন টাইম ফিক্সড করে কিছু জিকিরের চেষ্টা করবেন প্রয়োজনে এলার্ম দিয়ে রাখবেন রিমাইন্ডার হিসেবে।
আর যেহেতু নামাজ কুরআন পড়া যাচ্ছেনা এই সময়টাতে সুযোগ পেলেই যা দুয়া করার আছে বেশি বেশি দুয়া করতে পারেন। দুয়াও ইবাদত। 🍀

#এবার বাকী আমলের তালিকা বলছি যে যার সুবিধা অনুযায়ী যেসব পারবেন আমলের চেকলিস্ট বা তালিকায় লিখে নিয়েন -

🌱 বেশী বেশী দান সদকা করা যতটা সম্ভব। রমজানে হাত খুলে উদার দিলে দান সদকা করবেন। দানে কোন লস নেই বরং দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জগতেই ফায়দা পাবেন।
আর যাকাত আসবে কিনা অবশ্য ই জেনে নিয়ে যাকাত আদায় করবেন সেটা রোজায় হোক বা পরেই হোক। যাকাত যাই আসুক দিতে কৃপণতা বা গড়িমসি করবেন না প্লিজ কখনোই। সোনাদানা কিছু বিক্রি করে হলেও দিবেন। একবারে না ই পারলে বছরজুড়েই দিবেন তবু দিবেন। আল্লাহর দেয়া ধন সম্পদ আল্লাহর জন্যেই দিলে কখনোই ক্ষতি বা লস তো হতেই পারেনা বরং সম্পদে বরকত আসবে ইনশাআল্লাহ।

🌱 প্রতিরাতে ২০ রাকাত তারাবী পড়া।

[তারাবী ২০ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা পুরোই আদায়ের চেষ্টা দরকার। এক্ষেত্রে ক্লান্তি বা কস্ট লাগলে বসে হলেও পড়ে শেষ করতে পারেন এতে সাওয়াব কমে গেলেও সুন্নত তো আদায় হয়ে যাবে।
রোজার মাস একটাই মাস যাতে তারাবী পড়ার বিধান আছে তাই কস্ট করেই আমল করতে হবে। কারো জিম্মায় পূর্বের ছুটে যাওয়া ফরজ নামাজ থাকলে তা ও পড়তে পারেন যথাসাধ্য।]

🌱 প্রতিবার অজুর সময় মিসওয়াক করা এবং ঘুম হতে উঠেও করা।

[মিসওয়াক একটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত
এবং আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মত আমল।
এর ফায়দা ফজিলত অনেক।
টাইম কম থাকলে সুন্নত পালনের নিয়তে মাত্র কয়েক সেকেন্ড হলেও করবেন।
মিসওয়াক এর মাথা ধুয়ে প্রথমেই একটু চিবিয়ে নরম করে নিয়ে ইউজ করতে হয় সাধারণত।
আর মিসওয়াক ভিজিয়ে রাখবেন না।
করা হলে ঘরে এনে রাখবেন যাতে শুকিয়ে যায়। আর মিসওয়াকের নিয়ম ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারেন আগেই]
এছাড়া অন্য কোন সুন্নত ও নিয়মিতভাবে পালনের চেষ্টা করবেন চাই তা এক দুইটাই হোক না কেন।

🌱 প্রতি ফরজ নামাজের পর পড়া-

▪️একবার আয়াতুল কুরসী।

▪️১০ বার سُبْحَانَ اللهِ
১০ বার اَلْحَمْدُ لِـلّٰـه
১০ বার اَللهُ أَكْبَرُ

🌱 সকাল সন্ধ্যায় ৩ বার সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়া।
(সকাল সন্ধ্যার অন্যান্য মাসনুন আমল হেফাজতের দুয়া যা আগে পড়তেন সেসব তো পড়বেন ই। সবকিছু লিখছিনা আমি)

🌱 সকালে ফজরের পর বা তখন ভুলে গেলে দিনেই ৩ বার পড়বেন-

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
উচ্চারণ : ছুবহানাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খলকিহি; ওয়া রিদ্ব- নাফসিহি; ওয়া যিনাতা আরশিহি; ওয়া মিদা-দা কালিমাতিহ

[সারা সকাল যিকিরের সাওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ ৩ বার পড়াতেই ভাবা যায়?
মুখস্থ না থাকলে করে নিবেন প্লিজ।
এত সহজে এত বেশি সাওয়াবের আমল মুখস্থ করার চেষ্টা সবার থাকা উচিত না?

🌱 সকালে ১০০ বার পড়া-

لا إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ'দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইং ক্বদীইর

[এটা পড়তে কিছু টাইম লাগলেও হাদীস অনুযায়ী অনেক বেশি সাওয়াবের আমল তাই গুরুত্ব দিয়ে লিখেছি। রোজায় অন্তত কস্ট করে গুণে গুণে ১০০ বার পড়ার অনুরোধ। একান্ত ই ১০০ বার না পারলে ফজরের সালাম ফিরানোর পরেই ১০ বার পড়ে নিবেন]

🌱 সকালে এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়া-

سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِـلّٰـهِ وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ
(ছুবহানাল্লহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল-হু ওয়াল্ল-হু আকবার)

[যদি এটা গুণে গুণে পড়ার সময় সুযোগ হবেনা মনে হয় তাইলে পরেরটা করবেন।
পরের আমলে সময় কম লাগে]

🌱 সকাল এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়া-
سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ
(ছুবহানাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহী)

[এটা সারাবছর ই মনে করে আমল করবেন অবশ্য ই। হাতেগুণে পড়লে অতি সহজ কিন্তু অনেক বেশি সাওয়াবের আমল ]

🌱 রাতে সুরা মুলক পড়া।
(কারো সুযোগ থাকলে সূরা সাজদাও পড়তে পারেন সাথে)
▪️ঘুমের আগে তাসবীহে ফাতেমি পড়া অর্থাৎ ৩৩ বার سُبْحَانَ اللهِ
৩৩ বার اَلْحَمْدُ لِـلّٰـه
৩৪ বার اَللهُ أَكْبَرُ
(নামাজের পর ১০ বার করে আর ঘুমের আগে এভাবে পড়াটা অনেক ফায়দা ও সাওয়াবের আমল তাই সব সময় ই গুরুত্ব দিবেন প্লিজ)

🌱 শেষরাতে পারলে তাহাজ্জুদ ২ রাকাত হলেও পড়া ও সাহরীর মাঝে মাঝে ই বা পরে ইস্তেগফার করা।

▪️এছাড়াও সারাদিন অন্তত ১০০ বা ৭০ বার "আস্তাগফিরুল্লহ" বা "আল্লহুম্মাগ ফিরলিই" পড়বেন।
কাজের মাঝে পারলে দরুদ পড়তে থাকবেন।
ছোট দরুদ হিসেবে পড়তে পারেন
'اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّد'
(আল্লহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ)

[ এখানের সব ই সহিহ বা গ্রহণ যোগ্য হাদীসে বর্নিত জিকির এবং হাদীসে যেসব সংখ্যায় জিকির ও ইস্তেগফার বর্নিত সেগুলো ই উল্লেখ করেছি।
যে সব দুয়া জিকিরের উচ্চারণ লিখা
এগুলো আরবিতে শুদ্ধ উচ্চারণ জেনেই পড়তে হবে। বাংলায় উচ্চারণ পুরো সঠিক হয়না।
কোন কোন যিকির এর আরবি ও উচ্চারণ কপি করে তারপর দিয়েছি যেহেতু নিজে লিখা কঠিন
এর বাইরে বাকী সব নিজেই লিখেছি]

🌱 সবশেষে দুয়ার ব্যাপারে একটু বলি-
দুয়ার প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা মূলক বাক্য
বলে তারপর দরুদ পড়া
তারপর দুয়া করবেন নিজের জন্য।
তারপর অন্যদের যাদের জন্য চান।
এক্ষেত্রে দুয়ার শুরু ও শেষে দরুদ পড়বেন।
দুয়া কবুল হতে দুয়া ইউনুস পড়ে পড়ে
দুয়া করতে পারেন।
এবং মুনাজাত ধরা ছাড়াও শুয়ে বসে বা
কাজের মাঝে ই যখনি দুয়া করেন না কেন!
দুয়া কবুল হবেই এই প্রবল আশা ভরসা
নিয়েই দুয়া করবেন।

দুয়ায় আল্লাহর কাছে সুস্থতা, নিরাপত্তা, শান্তি, ক্ষমা এবং পূর্ন হেদায়াত বেশি বেশি চাইবেন। নিজের ও অন্যদের হেদায়াত প্রাপ্তি তাতে আজীবন অটল থাকা এবং ঈমানের সাথে ইজ্জতের সাথে উত্তম সহজ শহীদি মৃত্যু চাইবেন।
বারবার আল্লাহর কাছে খুব করে মাফ চাইবেন। আকুলতা নিয়ে ভালো হবার জন্য সাহায্য তাওফিক চাইবেন।
এবং বিশেষভাবে আল্লাহ ও তাঁর কালাম কুরআনের প্রতি আল্লাহ যেন অনেক মুহাব্বত বাড়িয়ে দেন ও মজবুত সম্পর্ক জুড়ে দেন
এই দুয়া কইরেন।
এমনিতে দুয়ায় যাদের তেমন কান্না আসেনা তারা মন খারাপ হলে বা দুনিয়াবি কস্টে কান্না আসলে সেই সময় আল্লাহর কাছে ভালো ভালো দুয়া করা শুরু করবেন।

দেখেন! দুনিয়া আখেরাত এর তুলনায় কেমন? বিশাল সমুদ্রের মাঝে এক ফোটা পানির মত তুচ্ছ ও সামান্য। এখানের কস্ট বিপদগুলাও অল্প সময়ের। আসল জীবন তো পরকালের জীবন। রোজার মাসে নিজের পরকালে কাজে আসার মত দুয়াই আকুল হয়ে বেশি বেশি করার খুব খুব অনুরোধ থাকবে। 🍀

বিশ্বাস করেন আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্ক আল্লাহর যথাসাধ্য আনুগত্য,
গুনাহ গাফলতির জন্য কান্নাকাটি করে মাফ চাওয়া তাওবা করা, উত্তম আখলাক ও অর্থ বুঝেজেনে বেশি বেশি তিলাওয়াত ও আমলের দ্বারা কুরআনের সাথে জুড়ে থাকার নেয়ামত যদি অর্জিত হয় তাইলে যত অপ্রাপ্তি ই থাকুক দুনিয়ার বহু কস্ট অশান্তি দিল থেকে আল্লাহ উঠায় নিবেন বা শান্তি সুকুন ঢেলে দিবেন।
দুনিয়ার রাজত্ব ও যা চাই পাওয়ার স্বাধীনতা সামর্থ্য ও কাওকে শান্তি সুকুনের জিন্দেগী দিতে পারেনা যদি আল্লাহ না চান!
শান্তি সুকুন দেয়ার মালিক তো আল্লাহ।
সফলতা তো আল্লাহর আনুগত্যেই।
এই জীবন ও মৃত্যু তো আল্লাহর জন্যেই।
যে যত গুনাহগার ই হন এই রোজায় আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন প্লিজ।

আল্লাহ সহজ করুক!
আমরা যেন আমাদের জীবনের সত্যিকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্যে অটল থাকার চেষ্টা মৃত্যু পর্যন্ত করে যাই। 🍀

والله اعلم بالصواب

© Jumana puspo
[একজন মুসলিম নারী]

▪️কপি/শেয়ার করতে পারেন সাওয়াবের আশায়।

মধু ও খেজুর।।
16/02/2026

মধু ও খেজুর।।

গিফট হিসেবে চমৎকার।।
13/02/2026

গিফট হিসেবে চমৎকার।।

09/02/2026

ইন শা আল্লাহ, শীঘ্রই আপনাদের জন্য ফ্রেশ ডাব নিয়ে আসবো।।।

দোয়ায় শামিল রাখবেন।

Address

Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801730351406

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ummah store BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ummah store BD:

Share