Barakah Fresh Food

Barakah Fresh Food Barakah Fresh Food মানেই 100% ভেজাল মুক্ত খাঁটি পণ্যের নিশ্চয়তা।

Barakah Fresh Food মানেই 100% ভেজাল মুক্ত খাঁটি পণ্যের নিশ্চয়তা।
আপনারা পাচ্ছেন সম্পূর্ণ কেমিক্যাল মুক্ত অর্গানিক শুঁটকি,
সম্পূর্ণ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরিকৃত খাঁটি মশলা, খাঁটি ঘি, খাঁটি মধু, সিলেটের চা, বাজারের সেরা মানের খেজুর, বাজারের বাছাইকৃত A গ্রেড এর কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা বাদাম ও আখরোট।
✅ক্যাশ অন ডেলিভারিঃ পণ্য হাতে পাবার পর আপনি মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন আপনাকে অগ্রিম কোনও টাকা পেম

েন্ট করতে হবে না।
✅রিটার্ন পলিসিঃ যদি পণ্যটি আমাদের কথা অনুযায়ী না হয়ে থাকে তাহলে ক্যাশব্যাক করে দেওয়া হবে।
📲অর্ডার করতে পেজে ইনবক্স করুন অথবা👇
☎️ফোন করুন: 01886-986828
ভালো খান সুস্থ থাকুন হালাল ফুড সার্ভিসের সাথেই থাকুন
~নিরাপদ খাদ্য, নিরাপদ জীবন~

🟥আমি, আমার মৃত্যু পথযাত্রী মা কে ভাত খাওয়াতে পারিনি দেখে,আমি আজ সাতাশ বছর যাবৎ ভাত খাই না।অথচ এই আমিই আমার ইন্ডাস্ট্রির ...
17/12/2023

🟥আমি, আমার মৃত্যু পথযাত্রী মা কে ভাত খাওয়াতে পারিনি দেখে,আমি আজ সাতাশ বছর যাবৎ ভাত খাই না।অথচ এই আমিই আমার ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সাড়ে পনেরো হাজার শ্রমিকের, প্রতিদিন একবেলা ভাতের যোগান দেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি মো:এনামুল হকের বক্তব্যে সবাই নড়েচড়ে বসল।সাংবাদিকরা সাক্ষাৎকারের শিরোনাম শুনে,সবগুলো ক্যামেরা অন করে দিল। বিনয়ের সাথে বলল,
-'যদি পুরো গল্পটা বলতেন,স্যার?
এনামুল হক একটু সময় নিয়ে কি যেন ভাবলেন!তারপর টিস্যু দিয়ে কপালের ঘাম মুছে নিয়ে বললেন,
-'বাবা মারা যাওয়ার পর,আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভাল ছিল না।ততদিনে বড়আপার বিয়ে হয়ে গেছে।আর আমি মেধা তালিকায় ১ম হয়ে বুয়েটে চান্স পাই।বই কেনার টাকা ছিল না।সারাদিন বন্ধুদের কাছ থেকে এ নোট সে নোট জোগাড় করে ফটোকপি করে পড়তে হতো।টিউশনি করে যে ক'টা টাকা মাস শেষে হাতে পেতাম।তার থেকে কিছু টাকা মা কে পাঠাতে হতো।আর বাকি টাকা দিয়ে, বন্ধুদের কাছ থেকে ধার দেনা করে কোনরকমে টেনেটুনে পুরো মাস চলতাম।বড়আপার ছিল ভরা সংসার।কিন্তু সেই সংসারে তার কোন মতামত দেওয়ার অধিকার ছিল না।সবকিছুই তার শাশুড়ির কথামত চলত।তাই সে চাইলেও আমাদের খুব একটা হেল্প করতে পারত না।
আমার তখন পরিক্ষা চলছিল।
একদিন খবর এল আমার মা খুব অসুস্থ।আমি কোন রকমে পাস মার্ক তুলেই ছুটলাম।উদ্দেশ্য মা কে ঢাকায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করা।যেহেতু হাতে খুব বেশি টাকা ছিল না।এদিকে মায়ের অবস্থাও খুব খারাপ। দিক দিশা না পেয়ে, একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে মা কে ভর্তি করলাম।ডাক্তার টেস্ট দিল।রিপোর্টে জানা গেল,মা ব্রেন স্ট্রোক করেছে।ততক্ষণে মা উল্টো পাল্টা বলতে শুরু করেছে।বার বার ক্যানেলা খুলে ফেলছে।চিৎকার করে কাঁদছে, হাসছে।জোরে জোরে বাবাকে ডাকছে।আমাকে অস্থির হয়ে বলছে,-'তোর বাপ এখনো আসে না কেন রে, এনা?
আমি কি বলব?আমার নিজেকে তখন বেসামাল লাগছিল।সে সময় ফোনের খুব একটা প্রচলণ ছিল না।হাসপাতাল থেকে বাসে করে, বড় আপার বাসায় যেতে লাগে। প্রায় পাঁচচল্লিশ মিনিট। তাড়াহুড়ায় আপাকে জানানো হয়নি।আপাকে একটা ফোন করা দরকার!

টানা তিনদিন হাসপাতাল, ভার্সিটি করে করে পকেটের টাকা শেষ।এক বন্ধুর কাছে ধার চাইলাম।দিল না।এদিকে মা ও একটু একটু করে দূর্বল হয়ে পড়ছিল।বড়আপাকে বললাম। সেও এলো না।আসলে তাকে আসতে দেওয়া হয়নি।সে এসে হাসপাতালে পরে থাকলে,তার সংসারে কাজ করবে কে?
শেষ সময়ে মায়ের স্মৃতি এই আসছে!এই যাচ্ছে।যতক্ষণ আমি মায়ের পাশে বসে থাকতাম।শুধু মা শোয়া অবস্থায় আমার হাত টেনে ধরে বলত,-এনা,ভাত খাব?ও এনা, বাপ আমার! দে না, এক প্লেট ভাত এনে?আমি শুধু নীরবে , চোখের জল ফেলতাম।পকেটে তখন একটা পয়সাও ছিল না।বিশ্বাস করুণ!এক প্লেট ভাতের দাম খুব বরং দশ টাকা ছিল।কী অপদার্থ ছেলে আমি,তাই না?মা কে এক প্লেট ভাত কিনে খাওয়ানোর সামর্থ নেই।তখন ছাত্র ছিলাম।আত্মসম্মান বোধ ছিল প্রবল।কারো কাছে ভাত চাইতেও লজ্জা করছিল।ভাত দেই না দেখে,মা আমাকে রীতিমতো আঁচড়ে,কামড়ে নাজেহাল করে ফেলেছিল।টানা দুই ঘণ্টা মা ভাত খাব,ভাত খাব বলে, ক্লান্ত হয়ে পড়ল।আমি মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম,
-'মা,তুমি লক্ষ্মী মেয়ের মতো চুপচাপ বসে থাকো।আমি আপার বাসা থেকে ভাত নিয়ে আসি,কেমন?
-'ভাত খাব,এনা?
-'আচ্ছা।
আমি উঠে পড়লাম।মা পিছু ডেকে বলল,
-'তুই খুব ভাল,এনা।আল্লাহ তোর ভাল করুক।এবার শিগগিরই যা!আমার জন্য ভাত নিয়ে আয়।
আমি রাস্তায় বেরিয়ে উদ্দেশ্যহীন হাঁটছি।বড় আপার বাসায় যাব!পকেটে টাকা নেই।ভয়ে ভয়ে একটা বাসে চড়ে বসলাম।আমার মা মুখ ফুটে ভাত খেতে চেয়েছে।যে করেই হোক, আমাকে ভাত এনে দিতেই হবে।তারজন্য যদি আমাকে বাস কন্ট্রাকটারের কাছে,ভাড়া না থাকার কারণে, অপমানিত হতে হয়।হবো।আসার সময় নার্সকেও বলে এসেছি।'একটু আমার মা কে দেখবেন প্লিজ?আমি এসে বখশিশ দিব।

মাঝরাস্তায় বাস ড্রাইভার আমাকে নামিয়ে দিল।আমার অপরাধ!আমি ভাড়া দিতে পারিনি।আমি প্রায় ঘন্টাখানিক পায়ে হেঁটে আপার বাসায় পৌঁছেছি।আপা আমাকে দেখে ছুটে এলো।অস্থির হয়ে বলল,
-'মা কেমন আছে,ভাই?
-'বাড়িতে ভাত আছে, আপা?আমি সে'কথায় উত্তর না দিয়ে প্রশ্ন করলাম।
-'আছে।তুই খাবি?আপা ব্যস্ত হয়ে ভাত বাড়তে গেল।
-'আমি খাব না।তুই বরং মায়ের জন্য ভাত বেড়ে দে!আমি পিছু ডেকে বললাম।
আপা আমাকেও জোর করে অনেকগুলো ভাত খাইয়ে দিল।আমি টিফিনবাক্সে ভাত আর কিছু টাকা নিয়ে আপার বাসা থেকে বের হলাম।
হাসাপাতালে গিয়ে, কেবিনে ঢুকে দেখি।আমার মায়ের নিথর দেহ, বড় অবহেলায় পরে আছে।সাদা কাপড়ে মুখ ঢাকা। অথচ তখনো হাতে আমার, মায়ের জন্য আনা, ভাতের বাটি ধরা।নিজেকে তখন আমার পৃথিবীর সবচেয়ে অক্ষম, নিকৃষ্ট লাগছিল।আমিই একমাত্র অপদার্থ ছেলে। যে কি না..মায়ের শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে পারলাম না। এলোমেলো পায়ে হেঁটে গিয়ে মায়ের পাশে বসলাম।মায়ের হাত দুটো আলতো করে ধরে, বিড়বিড় করে বললাম,
-'ও মা..ভাত খাবে না?উঠো..দেখো, তোমার জন্য ভাত এনেছি। উঠো না মা?
আমার আপা মাকে জড়িয়ে ধরে, হাউমাউ করে কাঁদলেও সেদিন আমি একটুও কাঁদতে পারিনি,জানেন?কি নিষ্ঠুর দু'চোখ !এক ফোঁটা জলও এলো না।শুধু বুকের ভেতর কি যেন কামড়ে ধরছিল।মনের ভেতর অস্থির অনুভূতি।আমি না.. নিজেকে কিছুতেই ক্ষমা করতে পারছিলাম না।আফসোস,মা'র অন্তীম সময়ে একমুঠো ভাত মুখে তুলে দিতে পারলাম না।
স্কলারশিপ পেয়ে,আর দেরী করিনি।আমার ভাগের জায়গা, জমি বেচে, এক স্যারের হেল্প নিয়ে বিদেশে পড়তে চলে গেছি।যে দেশে আমার মায়ের মুখে ভাত তুলে দিতে পারিনি।সে দেশে কেন জানি!আর থাকতে ইচ্ছে করেনি।
পড়াশোনা শেষ করে, আমি যে কোম্পানিতে মোটা বেতনে জব করতাম।আমার কাজের প্রতি একাগ্রতা আর সততা দেখে সেই কোম্পানির মালিকের খুব পছন্দ হলো।তার তিন কূলে কেউ ছিল না।এক মেয়ে ছাড়া।এত এত অর্থ সম্পদ কে ভোগ করবে?তাই আমাকে তার মেয়ে জামাই করার প্রস্তাব রাখল।সাথে ৫০%প্রোপার্টি লিখে দেবে।একসময় আমাকে বিয়ে তো করতেই হতো। তাই আর অমত করিনি।

একটা সময় পর মনে হলো,অনেক দিন তো হলো।বিদেশ ভূয়ে পড়ে রইলাম।এবার দেশে যাওয়া দরকার।দেশের মানুষের জন্য কিছু করা দরকার।
দেশে এসে, গাজীপুরের প্রায় পাঁচশো শতাংশ জায়গা,জমি কিনেছি।বিদেশি বায়ারদের সাহায্যে ফ্যাক্টারি নির্মাণ করেছি।সেই ফ্যাক্টারিতে গেঞ্জি, শার্ট,প্যান্ট,থেকে শুরু করে অনেককিছুই তৈরী করা হয়।সেই সব প্রডাক্ট গুলো চড়ামূল্যে অন্যান্য দেশে রপ্তানি হয়। প্রথমে দেড় হাজার শ্রমিক নিয়ে আমাদের জার্নিটা শুরু করেছিলাম।এখন প্রায় সাড়ে পনেরো হাজার শ্রমিক কাজ করে।আমাদের ফ্যাক্টারির একজন এমপ্লয়ির সর্বনিম্ন বেতন সাড়ে আট হাজার টাকা।আর সবোর্চ্চ বেতন প্রায় লাখের উপরে।মূল ডিউটি টাইম,ন'ঘণ্টা।
সাথে দুপুরের লাঞ্চ ফ্রী।ওভারটাইম করলে হালকা নাস্তারও ব্যবস্থা আছে।

মাঝখানে অনেকগুলো বছর কেটে গেছে।
এখন দু'হাত ভরে প্রচুর টাকা কামাই।কাঁচা চুলে পাক ধরেছে।গায়ের চামড়াও কেমন কুঁচকে গেছে।চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা পরতে হয়।আমার ছেলেমেয়েরাও যার যার মতো প্রতিষ্ঠিত।যে আমি ছাত্র জীবনে মা কে একমুঠো ভাত খাওয়াতে পারিনি। সেই আমিই আজ প্রায় পনেরো হাজার মানুষের খাদ্যে, বস্ত্রের দায়িত্ব নিয়েছি।তারা যখন কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে, দুপুরে আয়েশ করে, ভাত খেতে বসে।আমি সি সি টিভি ফুটেজে তা মুগ্ধ চোখে দেখি।এই সাদা ফুলের মতো ভাতের প্রতি আমার প্রচুর দূর্বলতা থাকলেও কেন যে আজও ভাত খেতে পারি না।এখনো ভাতের প্লেট দেখলেই মায়ের মুখখানা চোখের সামনে ভেসে উঠে।
একটানা এতক্ষণ কথা বলে, এনামুল হক হাঁপিয়ে গেছেন।একরাশ মুগ্ধ জনতা পেছনে ফেলে সে আস্তে আস্তে স্টেজ থেকে নেমে গেলেন।এখন ঘড়িতে পাঁচটা বাজে।সন্ধ্যে ছ'টায় একটা পাচ তরা হোটেলে, বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং আছে।এখন না গেলে বড্ড দেরি হয়ে যাবে।চারপাশে পুলিশ, সিকিউরিটি এনামুল হক কে গাইড দিয়ে গাড়িতে তুলে দিলেন।

ব্যর্থতা_কিংবা_সফলতা
লেখা_Bobita_Ray

▪️ লেখকের পেইজ - শেষ গল্পের- ডায়েরি

ইউরোপের একটি দেশের রেস্তোরাঁয় যে দৃশ্য অহরহ দেখা যায়।রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে একজন ভদ্রমহিলা এসে বললেন ৫ টা কফি আর ...
28/07/2023

ইউরোপের একটি দেশের রেস্তোরাঁয় যে দৃশ্য অহরহ দেখা যায়।
রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে একজন ভদ্রমহিলা এসে বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এসে অর্ডার করলেন দু'টো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।
তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এসে অর্ডার করলেন দশটা কফি ছ'টা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।
এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে ?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো।
তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে ? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল জল দেওয়া হলো।
এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে (সাসপেনশন) পেমেন্ট করছেন আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।
অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না-দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয় না-গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়।
প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার, কোন
প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।
কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।
মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছানো দেশটির নাম "নরওয়ে", এবং নরওয়ের দেখাদেখি এই মানবতা (পরম্পরা) ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও! হয়তো বাঙালি অদূর ভবিষ্যতে প্রচার নির্ভর দানের অসুস্থ ধারা থেকে বেরিয়ে নিভৃতে মানব সেবায় ব্রতী হবে।

# সংগৃহীতঃ

অনলাইন শপিংয়ে প্রতারণা এড়াতে করণীয়।
26/07/2023

অনলাইন শপিংয়ে প্রতারণা এড়াতে করণীয়।

22/02/2023
PRAY FOR TÜRKIYE AND SYRIAPhoto courtesy: AFP
06/02/2023

PRAY FOR TÜRKIYE AND SYRIA

Photo courtesy: AFP

প্রাচীন যুগে চীনারা বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে নিরাপদে থাকতে গ্রেটওয়াল নির্মাণ করেছিল। গ্রেটওয়ালের দেয়াল এত উঁচু করা হয়েছিল...
24/01/2023

প্রাচীন যুগে চীনারা বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে নিরাপদে থাকতে
গ্রেটওয়াল নির্মাণ করেছিল।
গ্রেটওয়ালের দেয়াল এত উঁচু করা হয়েছিল যাতে
শত্রুরা দেয়াল টপকিয়ে চীন আক্রমন করতে না পারে।
ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো,
গ্রেটওয়াল নির্মাণের প্রথম একশো বছরের মাথায়
চীনারা তিন বার বহিঃশত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো,
কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেয়াল টপকাতে
বা দেয়াল ভাঙতে হয় নি।
কারণ প্রতিবারই তারা পাহারারত দেয়াল-রক্ষীদের ঘুষ দিয়ে
মূল গেট দিয়েই চীনে ঢুকে পড়ে।
চীনারা মজবুত দেয়াল তৈরি করেছিল বটে,
কিন্তু পাহারাদার দেয়ালরক্ষীদের চরিত্র মজবুত করেনি,
ফলে আক্রমন থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারে নি।
আমাদের অবস্থাও আজ তাই।
আমরা দেয়াল নির্মান করে চলছি,
কিন্তু দেয়াল পাহারাদারকে চরিত্র নির্মান করি নি।
তাইতো, আজ শিক্ষার হার বেড়েছে,
কিন্তু মানবতা, মানবিক মূল্যবোধ, মনুষ্বত্ব বাড়ে নি।
আপনি কোন জাতিসভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতে চাইলে
জাস্ট তিনটি কাজ করুন,
(ক) পরিবার ও পারিবারিক গঠন ধ্বংস করে দিন
(খ) শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দিন
(গ) তরুণ সমাজকে আদর্শচ্যুত করে দিন

ব্যস, আর কিছুই করতে হবে না।
এবার সব আপনার নির্দেশে চলবে।

সংগ্রহীত।

শীতে শিশুর বাড়তি যত্নশীত পড়তে শুরু করেছে। আর শীতে শিশুরা একটু বেশিই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে দুশ্চিন্তা না করে এ সময়টাতে শিশু...
20/01/2023

শীতে শিশুর বাড়তি যত্ন

শীত পড়তে শুরু করেছে। আর শীতে শিশুরা একটু বেশিই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে দুশ্চিন্তা না করে এ সময়টাতে শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা নিলে শীতেও আপনার সোনামণি থাকবে সুস্থ। শীতের সময়টা শিশুর বিশেষ যত্ন সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আতিয়ার রহমান বলেন, শীতে শিশুরা সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বর, নিউমোনিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। শীতে আবহাওয়া শুষ্ক ও ধুলাবালি থাকার কারণেই মূলত শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হয়। তাই এ সময়টা অভিভাবকদের কিছুটা সচেতন থাকতে হবে।

সচেতন হন

শিশুদের ঠাণ্ডা বাতাস এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। যেহেতু শীতে এ রোগগুলো সংক্রামিত হয় তাই যতটা সম্ভব শিশুদের জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় কম নেয়াই ভালো। শিশুদের গামছা, রুমাল, তোয়ালে প্রভৃতি আলাদা হওয়া উচিত এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সময় শিশুদের দূরে রাখা উচিত। শিশুদের স্কুলে অথবা বাইরে নিয়ে গেলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করার অভ্যাস করাতে হবে। শিশুর এ ধরনের সমস্যায় আদা লেবু চা, গরম পানিতে গড়গড়া, মধু, তুলসি পাতার রস প্রভৃতি খাওয়ানো যেতে পারে। তবে সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

গরম পানি

শিশুদের হালকা কুসুম গরম পানি পান ও ব্যবহার করানো উচিত। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর দাঁত ব্রাশ করা, হাত-মুখ ধোয়া, খাওয়াসহ শিশুদের নানা কাজে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করলে এ সময় শিশুরা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকবে। শীতেও শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। তবে গোসলের সময় শরীরের কাছাকাছি তাপমাত্রার হালকা গরম পানি ব্যবহার করা ভালো। তবে নবজাতক কিংবা ঠাণ্ডার সমস্যা আছে এমন শিশুর ক্ষেত্রে গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে পুরো শরীর মুছে দেয়া যেতে পারে। অনেকেই শিশুকে জবজবে করে সরিষার তেল মাখিয়ে গোসল করিয়ে থাকেন। এতে গোসল শেষেও শিশুর চুল ভেজা থাকে এবং ঠাণ্ডা লাগে।

উষ্ণ পোশাক

শিশুদের অবশ্যই উলের পোশাক পরিয়ে রাখা উচিত। তবে চিকিৎসকের মতে শিশুদের সরাসরি উলের পোশাক পরানো ঠিক নয়। এতে উলের ক্ষুদ্র লোমে শিশুদের অ্যালার্জি হতে পারে। সুতি কাপড় পরিয়ে তার ওপর উলের পোশাক পরানো উচিত এবং পোশাকটি যেন নরম কাপড়ের হয়। কারণ খসখসে বা শক্ত কাপড়ে শিশুদের নরম ত্বকে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে হালকা শীতে শিশুদের গরম পোশাকটি খুব বেশি গরম কাপড়ের হওয়া উচিত নয়। কারণ খুব বেশি গরম কাপড় পরালে গরমে ঘেমে শিশুর ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। শিশুদের রাতে ঘুমানোর আগে হালকা ফুল হাতা গেঞ্জি পরিয়ে রাখুন এবং সকালে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ও বিকালের দিকটাতে হালকা শীতের পোশাক পরিয়ে রাখুন।

খাবার

শীতের সময়টা শিশুদের খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ফলে তাদের শরীর খারাপ হয়ে যায়। তাদের ঘনঘন পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। শিশুদের ত্বকের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ডিমের কুসুম, সবজির স্যুপ এবং ফলের রস খাওয়ানো উচিত। বিশেষ করে গাজর, বিট, টমেটো শিশুদের ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শীতের সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াতে পারেন। শিশুরা এ সময় যেন কোনো ধরনের ঠাণ্ডা খাবার না খায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

ত্বকের যত্ন

শিশুদের ত্বক বড়দের থেকে অনেক বেশি সেনসেটিভ। তাই তাদের ত্বক অনেক বেশি রুক্ষ হয়ে যায়। শিশুর মুখে এবং সারা শরীরে বেবি লোশন, বেবি অয়েল, গ্লিসারিন ইত্যাদি ব্যবহার করুন।

সহকারী অধ্যাপক ও শিশু বিশেষজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ।

শিশু-কিশোররা শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে বড় হচ্ছে, যা ধীরে ধীরে তাদের সামাজিক জীবনে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলছে!১) মোবাইল ব্য...
16/01/2023

শিশু-কিশোররা শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে বড় হচ্ছে, যা ধীরে ধীরে তাদের সামাজিক জীবনে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলছে!

১) মোবাইল ব্যবহারের দ্বারা শিশুরা পড়া-লেখা করতে চায় না।
২) এরদ্বারা শিশুরা সামাজিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে।
৩) ফোনের নেশায় লেখা-পড়ায় মনযোগ দিতে পারে না।
৪) অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
৫) স্ক্রীনের আলোর কারণে অল্প বয়সে চোখের জ্যৌতি হারায়।
৬) এর ফলে শিশুরা বদ মেজাজী ও রাগী হয়ে উঠে।
৭) মোবাইলের রেডিয়েশনের কারণে মাথা ব্যথা, ক্যান্সার সহ আরও বিভিন্ন বড় বড় রোগ বাসা বাধতে পারে।

তাই সময় থাকতে আপনার সন্তানকে অতিরিক্ত মোবাইলের প্রতি আসক্তি থেকে দূরে রাখুন।

শিশুর সঠিক মানসিক বিকাশে পরিবারের ভূমিকা১. খোলামেলা আলোচনা :-২. খেলা ও গল্প বলা :-৩. সৃজনশীল কাজ বা খেলনা :-৪. বই পড়া :-...
14/01/2023

শিশুর সঠিক মানসিক বিকাশে পরিবারের ভূমিকা

১. খোলামেলা আলোচনা :-
২. খেলা ও গল্প বলা :-
৩. সৃজনশীল কাজ বা খেলনা :-
৪. বই পড়া :-
৫. মর্যাদা দান :-
৬. অধিক সময় কাটানো :-
৭. ছবি আঁকা সংগীতচর্চা করা ইত্যাদি :-

Address

House-286/288, Road-04, Ave-03, Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barakah Fresh Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Barakah Fresh Food:

Share