Food Evermore

Food Evermore Fashion has to reflect who you are.

Mixed Dry Fruits মানেই স্বাদ,পুষ্টি ও শক্তির একমহা ভান্ডার। করোনা মহামারির এই সময়ে শরীরকে সুস্থ ও ফিট রাখা জরুরি। তাইতো ...
09/09/2021

Mixed Dry Fruits মানেই স্বাদ,পুষ্টি ও শক্তির এক
মহা ভান্ডার। করোনা মহামারির এই সময়ে শরীরকে সুস্থ ও ফিট রাখা জরুরি। তাইতো আমরা নিয়ে এসেছি ১৯ টি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি একটি সুপার ফুড "মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস" যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
আমাদের Mixed Dry Fruits এর উপাদান সমূহ......
১. তুর্কির ত্বীন ফল
২. কাঠ বাদাম
৩. কাজুবাদাম
৪. ড্রাই কিউই
৫. ড্রাই পেঁপে
৬. ড্রাই জাম্বুরা
৭. এপ্রিকট
৮. চিয়া সীড
৯. আখরোট
১০.থাই চীনা বাদাম
১১. খেজুর
১২. চীনাবাদাম ইন্ডিয়ান
১৩. কুমড়ো বীজ
১৪. ড্রাই আলুবোখারা
১৫. ট্রুটি ফ্রুটি
১৬. ইরানি কিসমিস
১৭. তাল মিছরি
১৮. সাদা তিল
১৯. খাঁটি মধু(কেউ মধু এড করতে না চাইলে এই আইটেমটা বাদ দেওয়া যাবে)।
আমরা সারা দেশে হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
৫০০ গ্রাম ৬০০ টাকা
২৫০ গ্রাম ৩০০ টাকা
১০০ গ্রাম ১৫০ টাকা
অর্ডার করতে ঝটপট ইনবক্স করে ফেলুন। 😊😊

সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়। অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 😊
30/08/2021

সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়। অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 😊

ত্বীন ফল এর উল্লেখ আছে পবিত্র কুরআনের সুরা ত্বীনে। এই বরকতময় ফলের নামেই নামকরণ করা হয় এই সুরার।কেন খাবেন পবিত্র কুরআনে ব...
30/08/2021

ত্বীন ফল এর উল্লেখ আছে পবিত্র কুরআনের সুরা ত্বীনে। এই বরকতময় ফলের নামেই নামকরণ করা হয় এই সুরার।

কেন খাবেন পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ত্বীন ফল???

★ত্বীন ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
★রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে।
★চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। শিশুদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ত্বীন ফল একান্ত অপরিহার্য।
★শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়।
★হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
★ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
★শরীরে ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে।
★গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে।
★ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
★দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
★প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
★ত্বীন ফল শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
★ত্বীন ফল শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে।

প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাই ত্বীন ফলে রয়েছে -
কার্বোহাইড্রেট ৬৩.৮৭ গ্রাম
সুগার ৪৭.৯২ গ্রাম
আঁশ ৯.৮ গ্রাম
ফ্যাট ০.৯৩ গ্রাম
প্রোটিন ৩.৩০ গ্রাম
থায়ামিন ০.০৮৫ মি.গ্রা.
রিবোফ্লাভিন ০.০৮২ মি.গ্রা.
নিয়াসিন ০.৬১৯ মি.গ্রা.
প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড ০.৪৩৪ মি.গ্রা.
ভিটামিন বি-৬ ০.১০৬ মি.গ্রা.
ফোলেট ৯ আইইইউ
ভিটামিন সি ১.২ মি.গ্রা.
ক্যালসিয়াম ১৬২ মি.গ্রা.
আয়রন ২.০৩ মি.গ্রা.
ম্যাগনেসিয়াম ৬৮ মি.গ্রা.
ফসফরাস ৬৭ মি.গ্রা.
পটাশিয়াম ৬৮০ মি.গ্রা.
জিঙ্ক ০.৫৫ মি.গ্রা.
এনার্জি ২৪৯ কিলোক্যালরি
যা মানব শরীরের জন্য আদর্শ খাবার হিসেবে অতি অপরিহার্য।

আমাদের কাছে পাবেন তুর্কির বিখ্যাত ত্বীন ফল।
প্রতি কেজি ১১০০ টাকা
হাফ কেজি ৫৫০ টাকা
২৫০ গ্রাম ৩০০ টাকা।
সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়।অর্ডার করতে ইনবক্স করুন😊

ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার সঠিক পরিমাণ জেনে নিন--বাদাম, কিশমিশম,ড্রাই ফ্রুটস ইত্যাদি খাওয়ার পরামর্শ দেন প্রায় সকল পুষ্টিবিদ। পর...
28/08/2021

ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার সঠিক পরিমাণ জেনে নিন--

বাদাম, কিশমিশম,ড্রাই ফ্রুটস ইত্যাদি খাওয়ার পরামর্শ দেন প্রায় সকল পুষ্টিবিদ। পরিমাণের ক্ষেত্রে তারা বলেন প্রতিদিন একমুঠ।
‘ড্রাই ফ্রুটস’ তাজা ফল থেকে তৈরি করা হয় ঠিক। তবে সেগুলোকে ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ে পরিণত করায় ফলের পানির পরিমাণ কমে যায় অনেকটাই। যে কারণে ক্যালরির ঘনত্ব বেড়ে যায়।
কাঠবাদাম আর কাজুবাদামের প্রতি আউন্সে ক্যালরি থাকতে পারে ১৬০ পর্যন্ত।
অপরদিকে ‘স্ন্যাকস’ হিসেবে ‘ড্রাই ফ্রুটস’ সহজলভ্য, খেতে ঝামেলা নেই এবং সুস্বাদু।
খেয়াল রাখতে হবে, ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফল থাকতে হবে, একই ফল থাকলে হবে না।
‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের ক্যালরি আর চিনির ঘনত্ব যেহেতু বেশি, তাই তা পরিমাণে অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়বে, পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেবে, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেবে।
'ড্রাই ফিগ’য়ের ক্যালরির মাত্রা এতই বেশি যে তা দিনে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনটি খাওয়াই আদর্শ। এর বেশি খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আবার বাদাম খাওয়ার ক্ষেত্রেও সাবধানতা প্রয়োজন।
যেমন কাঠবাদামে থাকা ‘মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট’ অল্প পরিমাণে খেলেই উপকারে আসবে।সেই পরিমাণটুকু হল দিনে চার থেকে সাতটি।
একটি প্রতিবেদনে ভারতের ‘অ্যাপোলো টেলিহেলথ’য়ের পুষ্টিবিদ ডা. দিপিকা রানি বলেন, ‘ড্রাই ফুটস’য়ের মধ্যে খেজুর বিশেষ স্থানের অধিকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাশিয়ামসহ আরও অনেক পুষ্টি ও খনিজ উপাদান থাকে।
সামনে শীত আসছে, এসময় খেজুর শরীরে উষ্ণতা যোগাবে, বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তবে এখানেও পরিমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনে মাঝারি আকারের একটি বা দুইটি খেজুরের মধ্য সীমাবদ্ধ থাকলেই তা থেকে সর্বোচ্চ উপকার মিলবে।
সংখ্যায় বেশি খেতে পারবেন কিশমিশ, দিনে ১০ থেকে ১২টি। কিশমিশ ‘ক্রেভিংস’ কমায়, ‘কিছু একটা খাই’ এমন পরিস্থিতি সামলাতে তাই এটি অনন্য।
সর্বোচ্চ উপকার পেতে ড্রাই ফ্রুটসের কিছু উপাদান পানিতে ভিজিয়ে রেখে খাওয়া উচিত। কাঠবাদাম এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা খেলে সর্বোচ্চ উপকার পাবেন। অপরদিকে পেস্তাবাদাম দুপুরের স্ন্যাকস হিসেবে সরাসরি খাওয়ার জন্য আদর্শ।
ডা. দিপিকা আরও বলেন, “যেকোনো ‘ড্রাই ফ্রুটস’ একবারে একমুঠ পরিমাণ খেয়ে না ফেলে দিনের বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া বেশি উপকারী।

কাচের মুখবন্ধ বয়ামে মধু রাখুন। ঢাকনা শক্ত করে আটকে রাখলেই মধু ভালো থাকবে অনেক দিন পর্যন্ত। মেটাল অথবা প্লাস্টিকের পাত্রে...
27/08/2021

কাচের মুখবন্ধ বয়ামে মধু রাখুন। ঢাকনা শক্ত করে আটকে রাখলেই মধু ভালো থাকবে অনেক দিন পর্যন্ত। মেটাল অথবা প্লাস্টিকের পাত্রে মধু রাখবেন না। মধুর বয়াম শীতল স্থানে রাখুন। এমন কোথাও রাখবেন না যেখানে সরাসরি রোদ এসে পড়ে। চুলার আশেপাশে কিংবা গরম কোথাও একেবারেই রাখা যাবে না মধুর বয়াম। রুম টেম্পারেচারই মধু সংরক্ষণের জন্য আদর্শ। মধু ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই একদমই।বরং অনেক দিন পর্যন্ত ফ্রিজে থাকলে নষ্ট হয়ে যায় মধুর গুণ।

27/08/2021

প্রত্যেক মহিলা বা মায়ের জীবনে গর্ভাবস্থা একটা অদ্ভুত অনূভুতির সৃষ্টি করে। এইসময় প্রত্যেক মহিলাই অত্যন্ত ধীর, স্থির ও সচেতনশীল হয়ে যায়। আর, গর্ভাবস্থায় অন্যান্য সবদিকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি নিজের খাদ্যের দিকে সবথেকে বেশি সচেতন হওয়া উচিত। এইসময় উচিত স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা। সন্তানকে সঠিকভাবে প্রতিপালন ও পুষ্টি প্রদান করতে প্রত্যেক গর্ভবতী মায়েরই উচিত সুষম খাদ্য গ্রহণ কর।

মা এবং সন্তান উভয়ের স্বাস্থ্যের উপকারিতার জন্য গর্ভবতী মায়েদের খাদ্য-তালিকায় ড্রাই ফ্রুটস এবং বাদাম থাকা উচিত।

গর্ভাবস্থায় ড্রাই ফ্রুটস এবং বাদাম খাওয়ার উপকারিতা :

১. গর্ভাবস্থায় নারীদের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য হল অন্যতম সমস্যা। ড্রাই ফ্রুটস কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

২. একটা স্বাস্থ্যকর গর্ভাবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হল আয়রন এবং ড্রাই ফ্রুট যেমন শুকনো ডুমুর এবং খেজুর যা আয়রনের নিত্য প্রয়োজনীয়তার পূরণে সাহায্য করতে পারে।

৩. ড্রাই ফ্রুটের মধ্যে উপস্থিত পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেশী নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়।

৪. ড্রাই ফ্রুটস প্রচুর পরিমাণে 'ভিটামিন A' সরবরাহ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, দৃষ্টি এবং ভ্রূণের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে।

৫. ড্রাই ফ্রুটস ক্যালসিয়াম প্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস, যা গর্ভাবস্থায় অতি প্রয়োজনীয়। গর্ভবস্থায় দাঁত এবং হাড়গুলি সুস্থ রাখতে মায়ের শরীরে আরও ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয়। এটি শিশুর পক্ষেও অত্যন্ত কার্যকরী।

৬. আলুবোখারা এবং খেজুর জরায়ুর পেশী শক্তিশালী করার জন্য পরিচিত যা মসৃণভাবে প্রসব ঘটাতে সাহায্য করে।এছাড়াও এগুলি প্রসব-পরবর্তীকালীন রক্তপাতের সম্ভাবনা হ্রাস করে।

৭. গর্ভাবস্থায় ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার ফলে হাঁপানির ঝুঁকি হ্রাস পায়।

৮. এটির মধ্যে ভিটামিন C ও পাওয়া যায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৯. ড্রাই ফ্রুটের প্রাকৃতিক মিষ্টতা সহজেই হজম হয়ে যেতে পারে এবং এটি আপনার দেহে ভাল পরিমাণে শক্তির সরবরাহ করবে।

তাছাড়া এর আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে।

ড্রাই ফ্রুটস কেন খাবেন?স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ অনেকেই প্রতিনিয়ত ড্রাই ফ্রুটস খাচ্ছেন। ড্রাই ফ্রুটসে রয়েছে অনেক উপকারিতা।...
27/08/2021

ড্রাই ফ্রুটস কেন খাবেন?

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ অনেকেই প্রতিনিয়ত ড্রাই ফ্রুটস খাচ্ছেন। ড্রাই ফ্রুটসে রয়েছে অনেক উপকারিতা। প্রতিদিন ড্রাই ফ্রুটস খেলে কার্ডিওমেটাবলিক হেলথ ভালো থাকে, পাশাপাশি পেটও ভালো থাকে। তা ছাড়াও, ড্রাই ফ্রুটসে আখরোট, বাদাম, কিসমিস বা খেজুরের মতো উপাদান থাকে যা শরীরে অন্যান্য উপকারও করে।

একাধিক রোগ থেকে মুক্তি দেয় ড্রাই ফ্রুটফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টসে ভরপুর থাকে ড্রাই ফ্রুটস। যা প্রতিদিনের ডায়েটে থাকলে ডায়াবেটিস ও ওবেসিটির মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে।তাছাড়াও এটি কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

ড্রাই ফ্রুটসে থাকে খেজুর, যা দিনে অল্পকিছু খেলেই সারাদিন অ্যাকটিভ থাকা যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে এনার্জি থাকে। এতে প্রাকৃতিকভাবে চিনি থাকে, তাই এগুলো খেলে চিনি খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না আলাদা করে। আর শরীরকে এনার্জিও দেয়।

ড্রাইফ্রুটসে আয়রন থাকে যা অ্যানিমিয়া দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া প্রেগনেন্সির সময় ড্রাই ফ্রুটসের ভূমিকা অপরিসীম।

মধুর গুরুত্ব ও উপকারীতা সকলেই কম বেশি জানেন। আল কোরআন এ স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা মধু সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাই হাজার হাজার...
27/08/2021

মধুর গুরুত্ব ও উপকারীতা সকলেই কম বেশি জানেন। আল কোরআন এ স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা মধু সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাই হাজার হাজার টাকা খরচ করে জাঙ্ক ফুড কিংবা ভেজাল মিশ্রিত ক্ষতিকর খাবার না খেয়ে খাঁটি মধু নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করুন।
বিভিন্ন ফুলের খাঁটি মধু লাগলে যোগাযোগ করুন আমাদের পেইজে।😊😊

🍯মধু কেন খাবেন?🥃🌳প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত অত্যন্ত উপকারী খাদ্য মধু। প্রাচীনকাল থেকে এটি রোগ নিরাময়ে এবং প্রতিষেধক হিসেবে ব্...
26/08/2021

🍯মধু কেন খাবেন?🥃

🌳প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত অত্যন্ত উপকারী খাদ্য মধু। প্রাচীনকাল থেকে এটি রোগ নিরাময়ে এবং প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে মহা ঔষধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কোরআন হাদিসেও বলা হয়েছে মধুর কথা।

🍯মধু হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
🥃মধু রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
🍯মধু দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।
🥃মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
🍯মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।
🍯মধু গ্লাইকোজেনের লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকারি।
🥃আলসার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য মধু উপকারী।
🍯শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী।
🥃ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে।
🍯মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ক্ষুধা এবং হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।
🍯মধু রক্ত পরিশোধন করে এবং শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে।
🥃মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং বাতের ব্যথা উপশম করে।
🍯গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে মধু বিশেষ উপকারী।
🥃মধু শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

🤯মধু খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি কি জানেন আপনি?💁‍♂️

🙈সঠিক পদ্ধতিতে মধু খেলে আপনি যেমন ভীষণ উপকার পাবেন তেমনি ভুল পদ্ধতিতে এটি সেবন করলে দেখা দিতে পারে নানান জটিলতা।🥸🥸

🔥গরম পানি বা গরম দুধে সাথে মধু মিশিয়ে খাওয়া ঠিক না।
🔥মধু কখনো গরম অথবা রান্না করে খাবেন না।
🔥দুধের সাথে মধু খেতে চাইলে আগে দুধ ঠান্ডা করে নিন।
🔥মধু খাওয়ার সবথেকে ভালো সময় সকালে খালি পেটে মধু খাওয়া।
🔥নতুন সংগ্রহ করা মধু থেকেও পুরাতন মধু বেশি কার্যকরী।
🔥লেবুর রসের সঙ্গে কাঁচা মধু মিশ্রিত করে খেলে অ্যাসিডিটি কমে।
🔥হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিবার ভারি খাবার খাওয়ার আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন।
🔥রক্তনালীর সমস্যা দূর করতে মধুর সঙ্গে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে ভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়াও মধু ও দারুচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
🔥লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
🔥যৌন দুর্বলতা কাটাতে প্রতিদিন ছোলার সঙ্গে মধু সেবনে ভালো ফল পাওয়া যায়।
🔥দুই চা চামচের সমপরিমাণ মধু ও বাসকপাতার রস মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশি সেরে যায়।
🔥তুলসী পাতার এক চা চামচ রস ও সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই কাশি দূর হয়।
🔥কচি বেল ও আমগাছের কচি চামড়া বাটার সঙ্গে গুড় ও মধু মিশিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়ে যায়।
🔥মধুর সঙ্গে গুড়ের রস মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়।
🔥এক চা চামচ আদার রস এবং এক চা চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে ও সন্ধেবেলা খেলে সর্দি সেরে যায় ও খিদে বৃদ্ধিপায়।

💡বর্তমান অবস্থায় খাঁটি মধু যেন সোনার হরিণ। ইনশা'আল্লাহ আমরা আপনাদেরকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আমরা শত ভাগ খাঁটি মধু আপনাদেরকে দিব।

♣️আমাদের কাছে পাবেন
☑️খলিশা ফুলের মধু (সুন্দরবন)
☑️গড়ানের মধু (সুন্দরবন )
☑️গ্রাম্য চাকের মধু
☑️লিচু ফুলের মধু
☑️সরিষা ফুলের মধু
☑️মিশ্র ফুলের মধু

Address

Dhaka
DHAKA1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Food Evermore posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share