28/08/2021
ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার সঠিক পরিমাণ জেনে নিন--
বাদাম, কিশমিশম,ড্রাই ফ্রুটস ইত্যাদি খাওয়ার পরামর্শ দেন প্রায় সকল পুষ্টিবিদ। পরিমাণের ক্ষেত্রে তারা বলেন প্রতিদিন একমুঠ।
‘ড্রাই ফ্রুটস’ তাজা ফল থেকে তৈরি করা হয় ঠিক। তবে সেগুলোকে ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ে পরিণত করায় ফলের পানির পরিমাণ কমে যায় অনেকটাই। যে কারণে ক্যালরির ঘনত্ব বেড়ে যায়।
কাঠবাদাম আর কাজুবাদামের প্রতি আউন্সে ক্যালরি থাকতে পারে ১৬০ পর্যন্ত।
অপরদিকে ‘স্ন্যাকস’ হিসেবে ‘ড্রাই ফ্রুটস’ সহজলভ্য, খেতে ঝামেলা নেই এবং সুস্বাদু।
খেয়াল রাখতে হবে, ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফল থাকতে হবে, একই ফল থাকলে হবে না।
‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের ক্যালরি আর চিনির ঘনত্ব যেহেতু বেশি, তাই তা পরিমাণে অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়বে, পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেবে, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেবে।
'ড্রাই ফিগ’য়ের ক্যালরির মাত্রা এতই বেশি যে তা দিনে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনটি খাওয়াই আদর্শ। এর বেশি খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আবার বাদাম খাওয়ার ক্ষেত্রেও সাবধানতা প্রয়োজন।
যেমন কাঠবাদামে থাকা ‘মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট’ অল্প পরিমাণে খেলেই উপকারে আসবে।সেই পরিমাণটুকু হল দিনে চার থেকে সাতটি।
একটি প্রতিবেদনে ভারতের ‘অ্যাপোলো টেলিহেলথ’য়ের পুষ্টিবিদ ডা. দিপিকা রানি বলেন, ‘ড্রাই ফুটস’য়ের মধ্যে খেজুর বিশেষ স্থানের অধিকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাশিয়ামসহ আরও অনেক পুষ্টি ও খনিজ উপাদান থাকে।
সামনে শীত আসছে, এসময় খেজুর শরীরে উষ্ণতা যোগাবে, বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তবে এখানেও পরিমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনে মাঝারি আকারের একটি বা দুইটি খেজুরের মধ্য সীমাবদ্ধ থাকলেই তা থেকে সর্বোচ্চ উপকার মিলবে।
সংখ্যায় বেশি খেতে পারবেন কিশমিশ, দিনে ১০ থেকে ১২টি। কিশমিশ ‘ক্রেভিংস’ কমায়, ‘কিছু একটা খাই’ এমন পরিস্থিতি সামলাতে তাই এটি অনন্য।
সর্বোচ্চ উপকার পেতে ড্রাই ফ্রুটসের কিছু উপাদান পানিতে ভিজিয়ে রেখে খাওয়া উচিত। কাঠবাদাম এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা খেলে সর্বোচ্চ উপকার পাবেন। অপরদিকে পেস্তাবাদাম দুপুরের স্ন্যাকস হিসেবে সরাসরি খাওয়ার জন্য আদর্শ।
ডা. দিপিকা আরও বলেন, “যেকোনো ‘ড্রাই ফ্রুটস’ একবারে একমুঠ পরিমাণ খেয়ে না ফেলে দিনের বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া বেশি উপকারী।