গোয়ালা-Gowala

গোয়ালা-Gowala শতভাগ খাঁটি দুধ এবং দুগ্ধ জাত পণ্যে। শতভাগ খাঁটি দুধ এবং দুগ্ধ জাত পণ্যের নিশ্চয়তা নিয়ে গোয়ালা আছে আপনার পাশে।

🌴গল্প কথা -- ০৭ নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেল, হবু শাশুড়ির নাম পিয়ারা। পিয়ারা শব্দটা ঠিক পেঁয়ারা ফল থেকে এসেছে নাকি পেয়ারা...
15/05/2023

🌴গল্প কথা -- ০৭
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেল, হবু শাশুড়ির নাম পিয়ারা। পিয়ারা শব্দটা ঠিক পেঁয়ারা ফল থেকে এসেছে নাকি পেয়ারা উর্দু শব্দ মানে অনেক পছন্দের , হিন্দিতে প্রেম অর্থে পিয়ারা থেকে এসেছে- আমি ব্যপক সন্দিহান। যদি প্রথমটা হয়, তবে গণকের ভাষ্য অনুযায়ী আমি চরম জামাই আদর পাব। যদি দ্বিতীয়টা হয়, তবে শাশুড়ি প্রেমের অভাব হয়বো না। দুইদিক থেকেই পজিটিভ! যাই হোক, শাশুড়ি মানুষ সম্মানিত হওয়ায় আমি তাহারে লইয়া কোন রকুম ফান করুম না। শুধু ছোটখাট একটা গল্প কমু।

গতকাল রাতে খবর পাইছিলাম, ভোরবেলা দাওয়াত। ব্যপক আগ্রহ নিয়া হবু শশুর বাড়ি গেলাম। নাস্তা খাইতে দেয়া হইলো। নাস্তায় সাত- আট রকমের আইটেম দেখে আমি নিজেই ভড়কে গেলাম। ডিমের হালুয়া দেয়া হইলো-
মুখে দিলাম। শাশুড়ি আম্মা জিগাইলেন,
-কেমন হয়েছে!
জিহ্বাতে স্বাদ লাগার আগেই কইলাম
-জি, খুব ভাল! আপনি বানিয়েছেন?"
-হ্যা। তুমি আসবা শুনে বানালাম। মিষ্টি কি বেশি হয়ে গেছে?
ততক্ষনে চিনির বদলে লবনের স্বাদ আমার মুখে লাগতে শুরু করেছে! এতটাই লবন, বমি হওয়ার জোগাড়!
-জি না। ঠিক আছে!
সাথে সাথেই হেচকি উঠা শুরু। দ্রুত পানি এগিয়ে দিলেন তিনি। দুই ঢোক মেরে শান্ত হওয়ার চেষ্টা করলাম। পারলাম না। টয়লেটে গেলাম। দরজা লাগাইয়া বাড়ি থেকে খেয়ে আসা খাবারটাও উগলাইয়া দিলাম! আমার অস্বাভাবিক আচরন দেখে শাশুড়ি আম্মার সন্দেহ হলো কিনা জানি না।
আমি হবু জামাই আদর খেয়ে দ্রুত বিদায় নিলাম।
কিছক্ষন পরে শাশুড়ির ফোন,
-সরি। বাবা, আমি চিনির বদলে লবন দিয়ে ফেলেছিলাম।
-না আন্টি, ঠিক আছে।
-না, বাবা। তোমাকে ঠিকমত খাওয়াতেও পারলাম না। তুমি আরেকদিন এসো।
-জি আন্টি। টেনশন নিয়েন না। আমি কিছুই মনে করিনি।
-আচ্ছা বাবা। তাহলে রাখি আজ। পরে কথা হবে।
-ওকে আন্টি।

কইছিলাম, শাশুড়ি আম্মারে লইয়া ফান করুম না। আমি কিন্তু সত্যিই ফান করি নাই।

--সংগৃহীত

ছবি : চায়না লিচু ♥️♥️
আমাদের দিনাজপুরের লিচুর অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে ♥️♥️

আমরা বাঙ্গালীরা স্বভাবতই খাদ্য প্রেমিক, সেখানে লিচু বা আমের মত ফল হলে তো কথাই নেই।  কিছুদিন পরই বাজারে বিভিন্ন ধরনের লিচ...
11/05/2023

আমরা বাঙ্গালীরা স্বভাবতই খাদ্য প্রেমিক, সেখানে লিচু বা আমের মত ফল হলে তো কথাই নেই। কিছুদিন পরই বাজারে বিভিন্ন ধরনের লিচু চলে আসবে, আপনারা যেন বাজারের ভাল লিচুগুলো সংগ্রহ করতে পারেন তাই আপনাদের কথা মাথায় রেখে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

বাজারের অনেক কেমিক্যাল যুক্ত লিচু এবং ভেজালের ভিড়ে আপনাকেই খুজে নিতে হবে ভাল মানের লিচু।

আর গোয়ালা-Gowala আপনাদের এই দায়িত্ব মাথায় নিয়ে আপনাদের কাছে পৌঁছে দিবে সবথেকে ভাল এবং কেমিক্যাল মুক্ত লিচু।

খুব শীঘ্রই আমাদের কাছে থেকে লিচু এবং মৌসুমী ফল কালেক্ট করতে পারবেন।

⇒ যোগাযোগঃ ০১৬২৮-৪৯১৯১৯।

🪴গল্প কথা -৬☺️স্বামী এর সাথে তুমুল ঝগড়া হওয়ার পর  স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেলো.....দুই দিন পর  স্বামী এর রাগ কমলে নিজেই...
09/05/2023

🪴গল্প কথা -৬☺️

স্বামী এর সাথে তুমুল ঝগড়া হওয়ার পর স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেলো.....

দুই দিন পর স্বামী এর রাগ কমলে নিজেই স্ত্রীর কাছে ফোন দিয়ে বললো....

স্বামী : ভুল আমারই ছিলো। এমন আর কখনও হবে না। কথা দিচ্ছি। তুমি চলে আসো....

স্ত্রী : তোমার কাছাকাছি কোনো গ্লাস আছে...??

স্বামী : হ্যাঁ আছে...

স্ত্রী: গ্লাস টা হাতে নাও...

স্বামী: নিলাম...

স্ত্রী : এবার ওটাকে জোরে আছার মারো...

স্বামী: হুম মেরেছি...

স্ত্রী: এবার ভাঙ্গা টুকরো গুলো জোড়া লাগাতে পারবে...?

স্বামী : না পারবো না...কারণ গ্লাসটা তো ভাঙ্গেই নি.... ওটা ইস্টিলের গ্লাস ছিলো....

স্ত্রী : বাদঁর কোথাকার আর মানুষ হলে নাহ । অফিস থেকে ফেরার পথে নিয়ে যেও....

ছবি : খাঁটি গাওয়া ঘী।

🪴- গল্প কথা-৫🪴স্ত্রীঃ আমি কি মোটা হয়ে গেছি?স্বামীঃ মোটেও না।স্ত্রীঃ তাহলে আমাকে কোলে করে ফ্রিজের কাছে নিয়ে চলো, কেক খাবো...
04/05/2023

🪴- গল্প কথা-৫🪴

স্ত্রীঃ আমি কি মোটা হয়ে গেছি?
স্বামীঃ মোটেও না।
স্ত্রীঃ তাহলে আমাকে কোলে করে ফ্রিজের কাছে নিয়ে চলো, কেক খাবো।😌
স্বামীঃ (বেহুশ) আচ্ছা আমি ফ্রিজটা এখানে নিয়ে আসি!😶

*** ছবি: আমরা যেভাবে তরমুজ খাই😶😶😶

🌱-গল্প কথা--৪-🌱কাল এশিয়া প্যাসিফিক ভার্সিটির সামনে এক নারী আমার পথ আগলে দাঁড়ায়। দুপুর তখন  দুটা বাজে। বেশি চমকাই নি। তবে...
03/05/2023

🌱-গল্প কথা--৪-🌱
কাল এশিয়া প্যাসিফিক ভার্সিটির সামনে এক নারী আমার পথ আগলে দাঁড়ায়। দুপুর তখন দুটা বাজে।
বেশি চমকাই নি। তবে অবাক হয়েছি।

পরনে আকাশী নীল শাড়ি, সাদা ব্লাউজ। চুল বেণী করা।
যেন কলেজ পড়ুয়া এক মেয়ে। মাত্র কলেজে ঢুকবে সে। কপালে ছোট্ট কালো টিপ বড্ড যত্নে লাগানো।

আকাশী রঙ আমার পছন্দের। কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইলাম। পরিচ্ছন্ন, কুচি দেয়া শাড়ি।

বললাম, পথ আগলে দাঁড়ালেন যে?
আমি কি আপনাকে চিনি?

সবচেয়ে বিব্রতকর এই প্রশ্নটা করেই ফেললাম।

যেখানে পরিচিতরাই পরিচিতদের চিনতে পারে না সেখা অপরিচিত কাউকে এই প্রশ্ন করার কোনো মানে হয় না।

আমাকে অফিস যেতে হবে। সময় কম। চাইছিলামও না কারো সাথে কথা বলতে।

সুন্দরী নারীটা তার ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে চশমা বের করে চোখে জুড়লেন। বললেন, খুব চিনি।কতদিন পর দেখলাম তোমায়।

তুমি কী গান গাইতে পারো?

এ কেমন প্রশ্ন? বড্ড খাপছাড়া। বললাম, আমিতো গান গাইনি কোনো কালে। আর কেনই বা গানের কথা আসছে? কে আপনি?
পথ আটকালেন যে!

বললেন, কই তোমাকে তো ধরে রাখিনি। আগে বলো, কেমন আছ? কি খেয়েছ সকালে?

আমার খটকা লাগলো। এই নারী কি এই ভার্সিটির স্টুডেন্ট? কোনো কারণে কি প্রাংক করছে?

আমি ভার্সিটির ভেতরে যেতে চাইলাম। বললেন, পালাচ্ছ কেন?

আহা কী বিপদ!

ঠিক তখনই এক বয়স্ক নারী রিকশা থেকে নামলেন। দৌড়ে এসে তাকে খপ করে ধরলেন।
বললেন, তুমি ফের কাউকে না বলে বের হয়েছ? চলো বাসায় চলো।

কাকে যেন তিনি ফোন করে বললেন, মেয়েটারে কী দেখে রাখতে পারো না তোমরা।

বললাম, কে আন্টি ইনি? কী হয়েছে তার?

বললেন, আমার মেয়ে। মেঝো মেয়ে। মেন্টালি সিক। কিছু মনে করো না।

মা মেয়ে দুজন রিকশায় উঠলো।

মেয়েটা তার আকাশী রঙের শাড়ির আঁচলে চোখ মুছলো পেছনে তাকিয়ে। কাকে যেন চিৎকার করে বলল, তুমি কেমন আছো? গান গাইতে পারো?

কোটি জনতার এই শহরটাও কেমন যেন খা খা করে উঠলো।

মেয়েটা কাকে খুঁজছে? হয়তো প্রিয়জনকে। এই শহরটা তার কাছে বুঝি বড্ড ফাঁকা লাগছে।

দু:খে জড়ানো জীবন বুঝি মেয়েটার। তার ওপর শরীরে জড়িয়েছে আকাশ নীল শাড়ি।

যেন হাজার বছরের বেদনার নীলের সাথে তার বসবাস। বের হতে চাইছে সে, কিন্তু পারছে না।

লেখক:আলি ইমরান

ছবি: ফুকেট ভ্রমনে তোলা ছবিতে নীল সমুদ্র , নীল আকাশ।

ছবিতে গোয়ালা-Gowala ঘানিভাংগা সরিষা তেল।💓

-- গল্প কথা-- ৩এক রাজা একদিন দেখতে চাইলেনতার রাজ্যবাসীদের ঘরে কার হুকুম চলে?স্বামীর... নাকিস্ত্রীর।তিনি রাজ্যে ঘোষণা করল...
02/05/2023

-- গল্প কথা-- ৩
এক রাজা একদিন দেখতে চাইলেন
তার রাজ্যবাসীদের ঘরে কার হুকুম চলে?
স্বামীর... নাকি
স্ত্রীর।
তিনি রাজ্যে ঘোষণা করলেন...
যার ঘরে বউ এর কথা মানা হয় সে রাজপ্রাসাদে এসে একটা করে আপেল নিয়ে যাবে।
আর যার ঘরে স্বামীর কথা চলে সে পাবে একটা ঘোড়া।
পরের দিন সমস্ত রাজ্য বাসী হাজির,
সবাই একটা করে আপেল নিয়ে ঘরে চলে যেতে লাগলো...
রাজা ভাবলেন সন্ধ্যে হয়ে গেল এখনো কি এমন একজন কেও পাওয়া যাবে না যার ঘরে স্বামীর কথা চলে!
এমন সময় একজন এলো লম্বা চওড়া স্বাস্থ্য, ইয়া বড় গোঁফ। সে এসে বললো,
"আমার ঘরে আমারই কথা চলে।"
রাজা বেজায় খুশি হলেন তিনি বললেন,
"যাও, আমার ঘোড়াশাল থেকে সব থেকে ভালো ওই কালো ঘোড়াটা তোমায় দিলাম।"
লোকটা ঘোড়া নিয়ে চলে গেলো।
রাজা খুশি মনে বললেন
"যাক অন্ততপক্ষে একজন তো পাওয়া গেলো"।
কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখা গেল সেই লোকটা ঘোড়া নিয়ে ফিরে এলো এবং বললো,
"রাজা মশাই আমাকে ঘোড়াটা পাল্টে দিন,
আমার বউ বললো যে কালো রং অশুভ,
সাদা শান্তির প্রতীক, তাই সাদা ঘোড়া দিন।"
রাজা রেগে গেলেন...
"তুই ঘোড়া রেখে একটা আপেল নিয়ে এখুনি আমার সামনে থেকে বিদায় হও।"
রাতের বেলা মন্ত্রী এলো, বললো"রাজা মশাই, সবাই তো আপেলই নিলো! আপেলের বদলে আপনি যদি অন্তত পাঁচ কেজি করে চাল দিতেন তো আপনার প্রজাদের কিছু সাশ্রয় হত।"
রাজা বললেন, "আমি ও সেটাই ভেবেছিলাম কিন্তু বড় রানী বললো আপেলই ভালো হবে।"
মন্ত্রী শুধালো, "রাজা মশাই আপনাকেও কি একটা আপেল কেটে দেবো?"
রাজা লজ্জিত হয়ে বললেন,
"সে কথা থাক, আগে বলো তুমি রাজসভায় এই মতামত না দিয়ে এখন কেন দিতে এসেছো এই রাতের বেলায়??"
মন্ত্রীর লাজুক উত্তর,
"আগামীকাল সকালেই বলতাম কিন্তু আমার বউ বললো এখনই যাও আর রাজামশাইকে বুদ্ধিটা এখনই দিয়ে এসো যাতে করে পরের বারে চাল দেওয়ার ঘোষণা দেন উনি।"
রাজা স্বস্তির হাসি হেসে বললেন,
"আপেলটা তুমি নিয়ে যাবে?
নাকি ঘরে পাঠিয়ে দেবো?"
-
-
গোয়ালা-Gowala আতাফল ❤️

-- গল্প কথা--২পাক ফৌজ বাড়ি বাড়ি ঢুকে সার্চ করছিল। মুজিবের ছবি আছে কিনা খুঁজছিল।দেয়ালে একটা ছবি দেখিয়ে জিগ্যেস করলঃ ই...
01/05/2023

-- গল্প কথা--২

পাক ফৌজ বাড়ি বাড়ি ঢুকে সার্চ করছিল। মুজিবের ছবি আছে কিনা খুঁজছিল।

দেয়ালে একটা ছবি দেখিয়ে জিগ্যেস করলঃ ইয়ে কৌন্ হ্যায়? (সর্বনাশ! রবীন্দ্রনাথের ছবি!)

গৃহস্বামী তাড়াতাড়ি ঢোঁক গিলে বললেনঃ মেরা দাদা হ্যায়।

কাছে গিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে যে (সর্বনাশ করেছে!)। ঘাড় অবধি চুল। একমুখ দাড়ি। গৃহস্বামী মনে মনে তখন আল্লার নাম করছে।

উও বহুৎ আচ্ছা আদমি হ্যায়, বহুৎ শরীয়তী আদমি হ্যায়। (যাক বাবা! ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল।)

পাশে আরেকটা। পাক ফৌজ কাছে সরে গেল। (সর্বনাশ! নজরুলের ছবি!)

কাছে গিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে। দাড়ি নেই। গোঁফ পর্যন্ত কামানো।

ইয়ে কৌন হ্যায় ?

গৃহস্বামীর গলায় ততক্ষণে জোর এসেছে। হেসে বললেনঃ মেরা নানা হ্যায়।

বহুৎ খারাব আদমি, বহুৎ বেশরীয়তী আদমি।

গৃহস্বামীর মুখ ভয়ে সাদা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পাক ফৌজ কিছু না বলে বেরিয়ে পাশের বাড়িতে ঢুকল।

পর পর তিনটি বাড়িতে একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি এবং পুনরাভিনয় হল।

শুধু চতুর্থ বাড়িতে গিয়ে তাদের বলতে শোনা গিয়েছিল, সব শালা বাঙালী লোককো এক হি দাদা, এক হি নানা হ্যায়?

😆😆😆😆

- 'ক্ষমা নেই' (সুভাষ মুখোপাধ্যায়)

*** ছবিতে দেশি মুরগিকা আন্ডা হ্যায় , যো বিশেষ ভাবে প্যাকিং করতা হ্যায় , আর সারাদেশে ডেলিভারি দেতা হ্যায়😄

-- গল্প কথা--১-একটুখানি প্রশংসা-এক দম্পতি। সারাক্ষণই ঝগড়া করেন। দাম্পত্য জীবন দোজখের চেয়েও জঘন্য। একদিন তারা মন:স্থির কর...
30/04/2023

-- গল্প কথা--১

-একটুখানি প্রশংসা-
এক দম্পতি। সারাক্ষণই ঝগড়া করেন। দাম্পত্য জীবন দোজখের চেয়েও জঘন্য।
একদিন তারা মন:স্থির করলেন, যাবেন সাইক্লোজিষ্টের কাছে।
সাইক্লোজিষ্ট জিজ্ঞেস করলেন, বলুন আপনাদের প্রবলেমটি কি?
স্বামী স্ত্রী একই সঙ্গে একে অন্যের দোষারোপ করা শুরু করলেন। দুজনের ঝগড়া যখন উত্তুঙ্গে , সাইক্লোজিষ্ট বললেন:
-থামুন, থামুন এবার আপনারা চুপ করুন।
প্রত্যেককে এক ফালি কাগজ আর কলম দিলেন তিনি।
স্ত্রীকে বললেন, আপনার স্বামীর যদি কোন গুণ থাকে এখানে লিখবেন। স্বামীকেও বললেন একই কথা।
এবার স্বামী-স্ত্রী চুপচাপ বসে আছেন। কেউ কিছু লিখছেন না।
সাইক্লোজিষ্ট দুজনের দিকে তাকিয়ে রইলেন অসীম ধৈর্য ধরে।
হঠাৎ স্বামী লিখা শুরু করলেন। তাকে দেখে স্ত্রীও হাতে কলম তুলে নিলেন। দু’মিনিট পর স্বামী কয়েকলাইন লিখে সাইক্লোজিষ্টের হাতে দিলেন।
সাইক্লোজিষ্ট সেটা ফিরিয়ে দিয়ে বললেন :
-আপনি নিজে এটা আপনার বউয়ের হাতে দিন।
বউ লিখাটি পড়া শুরু করলেন।
দু’চোখ দিয়ে কান্না বেরুচ্ছে। এটা কি সত্য যা স্বামী তার সম্বন্ধে লিখেছেন?
এবার বউয়ের লিখা পড়ে স্বামী রুমাল দিয়ে চোখ মুছলেন।
দুজনে একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরলেন। আস্তে আস্তে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন।
তারা আর কোনদিনও সাইক্লোজিষ্টদের কাছে ফেরেননি।
পাঠক, অন্যের প্রশংসা করবেন। ছোট্ট একটু প্রশংসা যেন হৃদয়ের ক্ষতে মলমের প্রলেপ।
কাউকে যদি প্রশংসা করেন, দেখবেন সে আপনাকে হাজার গুনে ফেরত দিয়েছে।

গোয়ালা-Gowala
Drink fresh milk satay healthy

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গোয়ালা-Gowala posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share