ব্যবসাকে হালাল ঘোষণা করে আল্লাহপাক ইরশাদ করেন-“আল্লাহপাক ব্যবসাকে বা কেনাবেচাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন”(সূরা বাক্বারা:২৭৫)
ব্যবসাকে হালাল ঘোষণা করে আল্লাহপাক ইরশাদ করেন- “আল্লাহপাক ব্যবসাকে বা কেনাবেচাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন” (সূরা বাক্বারা: আয়াত ২৭৫)। অন্য আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে ঘ্রাস করো না কিন্তু পরস্পর রাজী হয়ে ব্যবসা করা বৈধ’ (সূরা নিসা: আয়াত-২৯)।
যারা আল্লাহর বিধান অনুসারে ব্যবসা করে তারা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত মর্যাদাবান। যারা আল্লাহর অন্যান্য বিধান পালন করতঃ সৎভাবে ব্যবসা করে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেন “সেই সকল লোক যাদেরকে ব্যবসা বাণিজ্য এবং ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ হতে এবং সালাত কায়েম ও যাকাত প্রদান হতে বিরত রাখে না, তারা ভয় করে সেই দিনকে যেই দিন তাদের অন্তর ও দৃষ্টি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে”। (সূরা নূর: আয়াত-৩৭)।
মধু মানুষের জন্য অত্যান্ত উপকারি । যদিও অধিকাংশ মানুষের পক্ষে প্রাকৃতিক মধু সংগ্রহ করা কঠিন। সরাসরি সুন্দরবন ও অন্যান্য স্থানের মৌয়ালদের কাছ থেকে আমরা মধু সংগ্রহ করে থাকি।
মৌমাছি চাষীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান মধু সংগ্রহ করার জন্য। যেমন এখন ধনিয়া ও কালোজিরার ফুল এসেছে। মৌয়ালরা ছুটে যান এমন সব জায়গায় যেখানে এসব বেশি ফলে। সেখানে বক্স বসান। মৌমাছি সেখান থেকে ছুটে যায় ফসলের ক্ষেতগুলোতে। এ ফুল থেকে ও ফুলে ঘুরে বেড়ায় আর মধু সংগ্রহ করে। এভাবে লিচু ফুল, বরই ফুলসহ নানান ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়। আমাদের কাছে পাবেন একেবারে প্রাকৃতিক মধু। কেউ কেউ বলেন আমাদের মধুর দাম একটু বেশি। কথাটি সত্যি। কারণ আমরা ভেজালমুক্ত সরবরাহ করার চেষ্টা করি। আর তাই যারা আমাদের কাছ থেকে একবার মধু কিনেন তারা বারবার কেনেন। প্রাকৃতিক মধুর স্বাদ ও গন্ধই আলাদা।