Iqra's World

Iqra's World Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iqra's World, Health Food Shop, Matuail, Kodomtoli, Dhaka.
(1)

27/06/2025

পরিবারের বিশ্রী পলিটিক্সের স্বীকার হচ্ছেন?
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেসি মাইন্ড গেইম খেলা করেন বাবা মায়েরা।অথচ এই সমাজ সর্বদা সন্তান কে অপরাধী বানায়। বাবা মায়ের বয়স হয়েছে মানে উনারা যেটা বলবেন বা করবেন সেটাই ১০০% সত্য।তারাও ভুল করেন বা করতে পারেন এটা মানতে চাইনা।সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট , ভার্বাল এ‍্যাবইউজমেন্ট বাজে ব‍্যবহার , ইমোশনালি হ‍্যারেজ হচ্ছেন , মাইন্ড গেইম এসব কিছুর মধ‍্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিবাদ করলেই আপনি খারাপ।
বাবা মা খুব ভাল করে জানেন কোন সন্তানের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া যায় আর কাকে তোষামোদ করে চলতে হয়।মানুষ ৬০ বছর বয়সে বুঝতে পারে জীবনে সত্যিকারে সম্পর্ক কোনটা ছিল।সৌভাগ্যক্রমে অনেকেই যৌবন পেরুতেই সেই সম্পর্ক বুঝতে পারে।হাজারো সন্তান জীবনের সবটুকু সঞ্চয় বাবা মায়ের হাতে দিয়ে সার্টিফিকেট পায় কিছুই করোনা আবার অনেক সন্তান কিছু না করেও সেরা সন্তানের সার্টিফিকেট অর্জন করে।অনেক সময় এক সন্তান কে সামনে রেখে মানুষের কাছে গল্প বলবে আমার অমোক সন্তান এটা করে ওটা করে। এই সেই বহু সুনাম।আর যে সামনে দাঁড়িয়ে থাকে তাকেও একটু ছোট করতে দ্বিধা করেনা। মানে তাকে অন্যের থেকে একটু হলেও ছোট করে রাখতে হবে।আর সেই মানুষটা নিরবে এগুলো সয্য করতে করতে একদিন দূরত্বের সীমান্ত পেরুতে থাকে।
যাদের সাথে এইগুলো হয় শুধু তারাই এটার ভুক্তভোগী।প্রতিবাদ করলেই তুমি খারাপ।
আল্লাহাতালার পরেই পৃথিবীতে মা বাবার সার্পোট নিয়ে সন্তান পথচলে।বাবা মা যখন শত্রু হয় তখন পথচলা সহজ হলেও হৃদয় টা ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। আর ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় নিয়ে পুরোপুরি শ্রদ্ধা আসেনা।দুনিয়ার সবার কাছে নির্বিশেষে যে ভালো সে পজেটিভ পারসন নয় , সে হিপোক্রেট।
আমার জীবন থেকে শিখেছি পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পর্ক স্বামী স্ত্রী। বাকি সব মিথ্যা।যে একজন সঠিক মানুষ পাইনা তার কপাল পোড়া।যে সঠিক জীবন সঙ্গী পেয়েছে তার বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবীতে আর কারোর প্রোয়জন হয়না🥰
✍️ মওদুদা জিন্নাত নিতু
২২-০৬-২০২৫

বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ,  কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ, ভালো কোথাও বছরে একবার ঘুরতে যাওয়া,মাসে অথবা সপ্তাহে রেস্টুরেন্ট...
14/03/2025

বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ, কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ, ভালো কোথাও বছরে একবার ঘুরতে যাওয়া,মাসে অথবা সপ্তাহে রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া
অনেক সময় টাকা পয়সা অপচয় মনে হতে পারে,জীবনে বেঁচে থাকলে রিজিকের ব্যাবস্থা হবেই..

কিন্তু একটা সময় আসে বৃদ্ধ বয়সে আপনার টাকাই থাকবে হয়তো কিন্তু আপনি চাইলেই কিছু খেতে পারবেন না,শারিরীক অসুস্থতায়, ঘুরতে মন চাইলেও তখন পারবেন না,দামী জামা কাপড় চাইলেও পড়তে মন চাইবে না৷ ।

সন্তানের লেখা পড়া অথবা বিভিন্ন রেসপন্সিবিলিটি আসবে, তার মধ্যেও সময় বের করা যায়... সব, সম্পদ, টাকা সন্তানের জন্য সঞ্চয় করবেন কিন্তু অল্প কিছু নিজেদের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিৎ...

দিন শেষে আপনার বাচ্চার ও আলাদা লাইফ হবে,সে তার লাইফ এনজয় করবে,তখন খারাপ লাগবে.....
তখন মেয়ে মেয়ের জামাই, ছেলে ছেলের বউ ঘুরতে গেলে, রেস্টুরেন্টে গেলে, আফসোস হবে না, তাদের এনজয়মেন্ট তখন ভালো লাগবে... তারাও সম্মান করবে..!

টেনশন , টাকা পয়সার টানাটানি , ব্যাবসায় প্রবলেম , হাজার হাজার মানসিক কস্ট।কিন্তু এইগুলো যেনো সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে।

জীবনের এই ছোট ছোট এনজয়মেন্ট এর জন্য আপনার মন মানসিকতা উদার হবে, সবাই কে নিয়ে ভালো থাকতে পারবেন,
একটা সময় লাইফ পার্টনার থাকবে না পাশে কিন্তু আপনাদের অসংখ্য স্মৃতি বাঁচতে শিখাবে বাকি জীবন...❤️

জনসাধারণের সামনে কিভাবে কথা বলবেন! •১. বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি : প্রথমেই শ্রোতাদের প্রতি আস্থা তৈরি করা জরুরি। আপনার বক্তব্য...
23/02/2025

জনসাধারণের সামনে কিভাবে কথা বলবেন!

১. বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি :
প্রথমেই শ্রোতাদের প্রতি আস্থা তৈরি করা জরুরি। আপনার বক্তব্যে আত্মবিশ্বাসী থাকুন এবং সঠিক তথ্য প্রদান করুন।

২. চোখের যোগাযোগ :
শ্রোতাদের সঙ্গে চোখের যোগাযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে।

৩. স্পষ্ট ও সুষম ভাষা :
স্পষ্ট ও সোজা ভাষায় কথা বলুন। কঠিন শব্দ ব্যবহার পরিহার করুন, যাতে সবাই বুঝতে পারে।

৪. শরীরী ভাষা ব্যবহার করুন :
আপনার হাত, মুখাবয়ব ও শরীরের অঙ্গভঙ্গি কথা বলার মধ্যে শক্তি যোগ করে এবং আপনার বক্তব্যকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে।

৫. পেশাগত প্রস্তুতি :
বক্তৃতা দেওয়ার আগে প্রস্তুতি নিন। নোট তৈরি করুন, আপনার বক্তব্যের মূল পয়েন্ট গুলি খেয়াল রাখুন এবং অনুশীলন করুন।

৬. শ্রোতার প্রতি মনোযোগ দিন :
তাদের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন। যদি তারা আগ্রহী না থাকে, তবে বক্তৃতা পরিবর্তন বা মানানসই করে নিন।

৭. সময় মানুন :
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বক্তৃতা শেষ করতে চেষ্টা করুন, কারণ অতিরিক্ত সময় শ্রোতাদের বিরক্ত করতে পারে।

৮. হাস্যরসের ব্যবহার :
যদি উপযুক্ত হয়, তবে কিছু হাস্যরস যুক্ত করতে পারেন। এটি শ্রোতাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে এবং আলোচনার পরিবেশ সহজ করতে সাহায্য করবে।

এই কৌশলগুলো আপনাকে আরও কার্যকরী এবং আত্মবিশ্বাসী বক্তা হতে সাহায্য করবে।

কিস্তিতে যেভাবে বিমান টিকিট করবেনআপনার যদি ক্রেডিট কার্ড থাকে, তাহলে খুব সহজেই শেয়ারট্রিপ থেকে কিস্তিতে বিমান টিকিট কিন...
21/02/2025

কিস্তিতে যেভাবে বিমান টিকিট করবেন

আপনার যদি ক্রেডিট কার্ড থাকে, তাহলে খুব সহজেই শেয়ারট্রিপ থেকে কিস্তিতে বিমান টিকিট কিনতে পারবেন। ৩-৬ মাস পর্যন্ত কোনো সুদ ছাড়াই যেকোনো রুটের টিকিট মাত্র ২-৩ মিনিটে ইস্যু করা সম্ভব।

কিভাবে করবেন?
১. শেয়ারট্রিপের অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে যান।
2. আপনার পছন্দের টিকিট সার্চ করুন।
3. পেমেন্ট অপশনে যান এবং আপনার ব্যাংকের EMI অপশন নির্বাচন করুন।
4. কত মাসের জন্য EMI নিতে চান তা সিলেক্ট করুন।
5. ক্রেডিট কার্ড নম্বর দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
6. আপনার টিকিট ২-৩ মিনিটের মধ্যেই ইস্যু হয়ে যাবে।

৩-৬ মাস পর্যন্ত ফ্রি ইন্টারেস্ট পাবেন, তবে এর বেশি সময়ের EMI নিলে নির্ধারিত হারে সুদ প্রযোজ্য হবে।

সতর্কতা
•শেয়ারট্রিপ বা অন্য কোনো OTA থেকে টিকিট কেনার আগে তাদের শর্তাবলী ভালোভাবে পড়ে নিন।
•EMI সুবিধা আপনার ব্যাংকের নীতিমালার উপর নির্ভরশীল হতে পারে, তাই আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

বি.দ্র. : এটি কোনো পেইড প্রমোশন নয়। অনেকেই এই সহজ পদ্ধতিটি জানেন না, তাই সকলের উপকারের জন্য শেয়ার করলাম।

17/02/2025

ভিসা অফিসার আপনার ইন্টারভিউতে কী খুঁজছেন? জেনে রাখুন

যদি আপনি ভিসা ইন্টারভিউর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তবে আপনাকে অবশ্যই ভালোভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ, ভিসা অফিসার আপনার দেওয়া তথ্য ও কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবেন। নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেওয়া হলো, যা ভিসা অফিসার আপনার ইন্টারভিউতে মূল্যায়ন করবেন:

✅ ১. স্পষ্ট ভ্রমণের উদ্দেশ্য

আপনার ভ্রমণের কারণ স্পষ্ট ও সত্য হওয়া জরুরি। এটি আপনার ভিসার ধরন (শিক্ষা, কাজ, পর্যটন) অনুযায়ী হতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি চিঠি, কর্মীদের জন্য চাকরির অফার লেটার, এবং পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ পরিকল্পনা থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।

✅ ২. নিজ দেশে ফিরে আসার নিশ্চয়তা

ভিসা অফিসার দেখতে চান যে, আপনি নির্দিষ্ট সময় পর নিজ দেশে ফিরে আসবেন। পারিবারিক বন্ধন, চাকরি, সম্পত্তি মালিকানা বা ব্যবসার মতো বিষয়গুলো আপনার স্বদেশের প্রতি সংযোগ প্রমাণ করতে সাহায্য করবে। প্রমাণ হিসেবে পরিবার বা সম্পত্তির ছবি ও কাগজপত্র জমা দেওয়া যেতে পারে।

✅ ৩. আর্থিক সামর্থ্য

কোন দেশই চায় না যে, একজন বিদেশি নাগরিক তাদের আর্থিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল হবে। তাই আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে, আপনি ভ্রমণের পুরো ব্যয় বহন করতে সক্ষম। এটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট, স্পনসরশিপ চিঠি বা শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের মাধ্যমে দেখানো যায়।

✅ ৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যোগ্যতা

আপনার সমস্ত নথি সম্পূর্ণ এবং নির্ভুল হতে হবে। যেমন– বৈধ পাসপোর্ট, পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম, ছবি, বীমার প্রমাণ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ বা চাকরির চুক্তিপত্র। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে ভিসা প্রত্যাখ্যান হতে পারে।

✅ ৫. সততা ও ধারাবাহিকতা

আপনার দেওয়া তথ্য আপনার আবেদনপত্রের তথ্যের সঙ্গে মিলতে হবে। ভুল বা অসত্য তথ্য দেওয়া হলে ভিসা বাতিল হতে পারে। তাই নিজের আবেদন সংক্রান্ত তথ্য মুখস্থ রাখুন এবং পরিষ্কারভাবে উত্তর দিন।

✅ ৬. আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগ দক্ষতা

যেকোনো ইন্টারভিউতে আত্মবিশ্বাস ও স্পষ্ট উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারভিউর সময় খুব বেশি নার্ভাস হলে ভিসা অফিসার আপনার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ করতে পারেন। তাই ধীরস্থির থেকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দিন।

✅ ৭. ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের ঝুঁকি

আপনার ওপর কোনো সন্দেহ সৃষ্টি হলে যে, আপনি ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করতে পারেন (যেমন পর্যটক ভিসায় গিয়ে কাজ করা বা অতিরিক্ত সময় থাকা), তাহলে আপনার ভিসা বাতিল হতে পারে। তাই স্পষ্টভাবে বোঝাতে হবে যে, আপনি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময় শেষে দেশে ফিরবেন।

ভিসা ইন্টারভিউ সফল করার মূল চাবিকাঠি হলো সঠিক তথ্য প্রদান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখা এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা। ইন্টারভিউতে আপনার উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরুন, তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে।

16/02/2025

আপনি কষ্ট পাচ্ছেন? আপনার কষ্টের মূল কারন আপনার নিজের মনের প‍্যাটার্ন। যখন আপনি কিছু চাইছেন কিন্তু তা ঘটছে না, তখন আপনি কষ্ট অনুভব করছেন। আবার যখন যা চাইছেন ,তা ঘটছে তখন আপনি সুখ অনুভব করছেন। এই কষ্ট বা সুখ কোনটাই বাহিরের কোন ঘটনা নয়, এটা আপনার নিজের মানষিক প্রতিক্রিয়া। তাই বিশেষ করে কষ্ট বন্ধ করার প্রথম পদক্ষেপ হলো, কষ্টের বিষয় সম্পর্কে জানা ও বোঝা। কষ্ট এবং সুখ আসলে আমাদের মন থেকে উদ্ভূত হয় এবং যতক্ষণ না আমরা আমাদের নিজেদের অভ‍্যন্তরীণ অভিজ্ঞতার উপর নজর রাখবো, ততক্ষণ আমারা সঠিকভাবে জীবনকে বুঝতে পারবো না। প্রশ্ন জাগে, মনে “কষ্ট বা সুখ” পাওয়া “মনটা” আসলে কি?

আমরা অনেকেই না বুঝে “মন এবং মস্তিষ্ক”কে গুলিয়ে ফেলি, এইদুটো আসলে ভিন্ন বিষয়। মানুষের পক্ষে তো নয়ই এমনকি বিজ্ঞানের পক্ষেও মানুষের মনের রহস‍্য বোঝা কঠিন। এই আধুনিক যুগেও মানুষের মনকে বোঝার কার্যকর কোন মাধ‍্যম বা স্কেল নেই। তবে চিকিৎসা শাস্ত্রে শারিরীক বেদনার স্কেল তৈরী হয়েছে, যার নানা পদ্ধতি আছে। সাধারণত মস্তিষ্ক বলতে স্নুায়ুকোষ, স্নায়ুসন্ধি ও জৈবরাসায়নিকের একটি নেটওয়ার্ককে বুঝায়। অন‍্যদিকে মনের কাজ হলো কষ্ট আনন্দ, রাগ ভালবাসার মত ব‍্যক্তিগত অভিজ্ঞতাগুলোর সম্মিলন। জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, মস্তিষ্ক হয়তো মনের জন‍্য অনুভূতি তৈরি করে দেয়, এরপর সেই অনুভূতি অসংখ্য স্নায়ুকোষের মধ‍্যে জৈবরাসায়নিক বিক্রিয়া হয়ে কষ্ট ও ভালবাসার মত অভিজ্ঞতা তৈরী করে। বিজ্ঞানের কাছে আজও কোন স্পষ্ট ব‍্যাখ‍্যা নেই যে, ‘মস্তিষ্ক থেকে মন কিভাবে তৈরি করে’। আমরা বুঝতে পারি না কীভাবে কোটি কোটি স্নায়ুকোষ যখন নির্দিষ্ট এক আকারে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায় এবং আমি কষ্ট অনুভব করি কিংবা স্নুায়ুকোষ যখন অন‍্য আকারে সংকেত পাঠায় তখন ভালবাসা অনুভব করি। আমাদের কাছে এর কোন ব‍্যাখ‍্যা নেই। আর হৃদপিণ্ড হৃদয়ও নয়, মনও নয়। ওটা রক্ত প্রবাহের একটি যন্ত্র।

সম্পর্কের টানাপোড়েনে কতজনের মনের কষ্ট পাওয়া পোষ্ট দেখি। তাদের জন‍্য বলি, কষ্ট পাওয়ার কারন আপনি নিজেই। আপনার ইগো, অজুহাত, অবহেলা, অসম্মান, দুরত্ব, নিরাবতা, ইর্ষা ঝেড়ে ফেলে আপনার পছন্দের বা ভাললাগার মানুষের সংগে আন্তরিকতা ও মমতা দিয়ে কথা বলুন, দেখবেন আপনার মনটা কষ্ট থেকে ভালবাসার তৃপ্তি ও সুখে পরিপূর্ণ হয়ে আনন্দ ভরে উঠেছে। আমি পাশ্চাত‍্যে বেশির ভাগ লোকের মধ‍্যে ভাল ও আন্তরিক ব‍্যবাহার করে তাদের নিজেদের খুশি বা সুখী হতে দেখি। বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও আমি বেশ উপভোগ করি। আপনারাও অন‍্যের সাথে ভাল ব‍্যাবহার করে সুখী হতে পারেন, ট্রাই করুন আজ থেকেই….। অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম, যদি কারো কাজে লাগে…ধন‍্যবাদ। — by Sheikh Saifuzzaman, Austria 🇦🇹.

14/02/2025

বলেন তো উক্তিটি কে করেছিলো?

"আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের শিক্ষিত জাতি দেবো।"

12/02/2025

Philippines 🇵🇭 Visa requirements:

1. Passport with minimum six (06) months validity.
02. Accomplished and signed VISA APPLICATION FORM
03. Photo copy of passport identity page.
04. Travel itinerary
05. Flight booking
06. Proof of financial capability: e.g., assets/ownership, proof of tax payments certificate of employment, valid business license, bank statements or letter/proof of financial support by sponsor (should include passport copy and address of sponsor in the Philippines)
07. Two (2) recent 2 x 2” ID pictures
08. A police clearance may be required later by the Philippine Embassy.
09. Request letter regarding the purpose of the visit.
10. Proof of lodging
11. Invitation and valid ID from the inviting party in the Philippines (if applicable)
Business registration of the applicant and/or sponsor (if applicable)

For Job Holder:
1. Passport with minimum six (06) months validity.
02. VISA APPLICATION FORM with electronic or manual signed
03. Photo copy of passport identity page.
04. Travel itinerary
05. Flight booking
06. Office Id & Visiting Card.
07. NOC
08. 6-month Bank Statement
09. Proof of financial capability (Bank Solvency)
10. Salary Certificate.
11. Tax Return or Payment slip
12. Hotel Booking
13. Two (2) recent 2 x 2” ID pictures
14. Request letter regarding the purpose of the visit.
15. Vaccine Certificate.

Additional Requirements (17 years old and below)
01. Birth certificate
02. Marriage certificate of parents
03. Copy of parents’ passports

** Visa processing time is 12-15 days need.

জীবনে এগিয়ে থাকার ৪১টি নিয়ম১. গোপনীয়তাই তোমার শক্তি। যা অন্যরা জানে না, তা নষ্ট করতে পারবে না। নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন...
09/02/2025

জীবনে এগিয়ে থাকার ৪১টি নিয়ম

১. গোপনীয়তাই তোমার শক্তি। যা অন্যরা জানে না, তা নষ্ট করতে পারবে না। নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখো—সবাই তোমার মঙ্গল চায় না।

২. একাকীত্ব পথচলারই অংশ। একে ভয় না পেয়ে উপভোগ করো, এতে আত্মউন্নতির সুযোগ বেশি।

৩. সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। জীবনে উত্থান-পতন আসবেই, তাই সবসময় বাস্তববাদী ও বিনয়ী থাকো।

৪. প্রত্যেকেই ভেতরে ভেতরে কোনো না কোনো লড়াই করছে। যতটা সম্ভব সদয় হও, এতে তোমার কিছু কমবে না।

৫. জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় শুধু সৌন্দর্য নয়, তার মূল্যবোধও দেখো। কারণ, সে-ই হবে তোমার প্রতিচ্ছবি।

৬. তোমার মানসিক শান্তি সবার আগে। এটা ঠিক রাখার জন্য মাঝে মাঝে একটু স্বার্থপর হও প্রয়োজন।

৭. সময়ের অভাব নেই, দরকার শুধু কম বিভ্রান্তি। ফোকাস করো, সফলতা ধরা দেবেই।

৮. সবার জন্য সময় বরাদ্দ করো না। শুধু তাদের জন্য রাখো, যারা সত্যিকার অর্থেই তোমাকে মূল্য দেয়।

৯. যে মানুষগুলো তোমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও কৃতজ্ঞ, তাদের সঙ্গেই থাকো। সম্মানের জন্য কারও কাছে অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

১০. নিজেকে ভালোবাসা আত্মকেন্দ্রিকতা নয়, বরং নিজের প্রতি দায়িত্ববোধ।

১১. যারা তোমার জীবনের বোঝা হালকা করে, তাদের আঁকড়ে ধরো। এমন মানুষ খুবই বিরল।

১২. সঠিক মানুষ তোমাকে এগিয়ে নেবে, আর ভুল মানুষ টেনে নামাবে। তাই বন্ধু-বান্ধব বেছে নিও বুঝে।

১৩. মানসিক শান্তি দুনিয়ার সবচেয়ে দামি সম্পদ। তাই যেকোনো মূল্যে এটি রক্ষা করো।

১৪. ভালোবাসার পেছনে ছুটবে না, বরং নিজের জীবনকে উপভোগ করো। সঠিক মানুষ আপনিই আসবে।

১৫. তেমন কাউকে খুঁজে নিও, যে তোমার সঙ্গে এগিয়ে যেতে চায়। একে অপরকে ভালো কিছুতে অনুপ্রাণিত করবে।

১৬. পশ্চাতাপ নয়, জীবন থেকে শিক্ষা নাও। ভুল থেকে শিখে সামনে এগিয়ে যাও।

১৭. তোমার সঙ্গী এমন হওয়া উচিত, যে তোমাকে নিয়ে গর্বিত থাকে।

১৮. জীবনে কঠিন সময় আসবেই, কিন্তু কখনো হাল ছেড়ো না।

১৯. ক্লান্ত লাগলে বিশ্রাম নাও, কিন্তু স্বপ্নের পথ থেকে সরে যেও না।

২০. কখনো কখনো কিছু সময়ের জন্য নিজেকে আড়ালে রাখতে হয়, আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার জন্য।

২১. অন্যদের সফলতা থেকে শেখো, কিন্তু তাদের ভুল থেকেও শিক্ষা নিতে ভুলো না।

২২. কাউকে কিছু আশা করা বন্ধ করো, তাহলেই মানসিক শান্তি পাবে।

২৩. সবকিছু একদিন ঠিক হয়ে যাবে। ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখো।

২৪. অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাও—সফলতা একদিন ধরা দেবে।

২৫. পারস্পরিক প্রচেষ্টার চেয়ে আকর্ষণীয় কিছু নেই।

২৬. যেখানে তোমার মূল্য নেই, সেখানে বেশি ভাবার দরকার নেই।

২৭. যদি কেউ তোমাকে সাহায্য না করে, নিজেই নিজের পথ তৈরি করো।

২৮. নিজের উন্নতিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করো।

২৯. সত্যিকারের আলোচনায় ভুল বোঝাবুঝি থাকার কথা নয়।

৩০. "আগামীকাল করব" মানেই দেরি করা। আজই শুরু করো।

৩১. আগের মতো থাকার প্রয়োজন নেই, বরং প্রতিদিন আরও ভালো হও।

৩২. অনেক সময় ধৈর্য ধরাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

৩৩. সবাই তোমার জীবনকে বুঝবে না, সেটাই স্বাভাবিক।

৩৪. নিজেকে সারিয়ে তুলো, যাতে অতীত তোমার ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।

৩৫. বন্ধু সংখ্যা কম হলেও চলবে, তবে তারা যেন সত্যিকার অর্থেই শুভাকাঙ্ক্ষী হয়।

৩৬. যারা সাময়িকভাবে আসে, তাদের স্থায়ীভাবে বিদায় জানাও।

৩৭. মানুষ আসবে-যাবে, কিন্তু তুমি যেন নিজে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারো।

৩৮. নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইলে মাঝে মাঝে হারিয়ে যাও।

৩৯. যদি কেউ তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে হয়তো তারা তোমার পরিবর্তন মেনে নিতে পারবে না।

৪০. নিজের উন্নতিতে মনোযোগ দাও, অন্যদের প্রমাণ করার কিছু নেই।

৪১. কখনোই সেই জায়গায় ফিরে যেও না, যা একসময় তোমাকে ভেঙে দিয়েছিল।

সামনে এগিয়ে যাও, তোমার সেরা দিনগুলো এখনও আসেনি!

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখানোই উত্তম।জীবনে যদি কখনও খুব খারাপ সময় আসে, ত...
07/02/2025

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখানোই উত্তম।

জীবনে যদি কখনও খুব খারাপ সময় আসে, তাহলে নিজের দুঃখ কষ্টগুলো নিজের মাঝে এমন ভাবে আড়াল করে রেখো যেনো তোমার গা ঘেঁষে বসে থাকা মানুষটিও টের না পায় গোপনে তুমি ভেঙে গেছো খুব।

পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে মনের বন। আকস্মিক ঝড়ে, ঝরে গেছে জীবন বৃক্ষের সব কয়টি সবুজ পাতা। শক্ত হও। নিজেকে নিজেকে বুঝাও যে এত সামান্য বাতাসে ঝরে যেতে নেই, ভেঙে যেতে নেই অমন হাল্কা আঘাতে।

কান্না পেলে একা একা গোপনে কাঁদো, তবুও নিজের দুঃখের ক্ষতগুলো কাউকে দেখাতে যাবে না। মনে রেখো, যে নিজের জন্য আলো হতে পারে না, পৃথিবীর সমস্ত আলো মিলেও তাকে পথ দেখাতে পারে না।

জানোই তো মানুষ বড় নিষ্ঠুর ও নির্দ্বয়। ভেঙে যাওয়া মৌচাক দেখলে ঢিল মেরে আরও বেশী ভেঙে দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়।

লেখা: সংগৃহীত

৯০/১০ তত্ত্ব (the 90/10 principle):পরিস্থিতিটি ভাবুন—আপনি ব্রেকফাস্ট করছেন পরিবারের সাথে। দুর্ঘটনাবশতঃ, আপনার কন্যা চায়ে...
30/01/2025

৯০/১০ তত্ত্ব (the 90/10 principle):

পরিস্থিতিটি ভাবুন—
আপনি ব্রেকফাস্ট করছেন পরিবারের সাথে। দুর্ঘটনাবশতঃ, আপনার কন্যা চায়ের কাপ উল্টে ফেলে দিলো আপনার অফিসিয়াল শার্টে। চিৎকার করে উঠলেন ক্রোধে আপনি, রেগেমেগে কঠিন গলায় বকাবকি করলেন কন্যাকে ওই বোকামির জন্য। কন্যা কান্নায় ভেঙে পড়লো অশ্রুসজল।

কন্যাকে ভর্ৎসনার পর, এবার আপনি ফিরলেন স্ত্রীর দিকে এবং তাকেও দু'কথা শুনিয়ে দিলেন কঠোর ভাষায়, কাপটি টেবিলের কিনারায় রাখার কারণে। ছোটখাটো একটি তর্ক হয়ে গেলো উভয়ের মধ্যে। নাশতা না-করেই ধুপধাপ উঠে গেলেন আপনি, ঘরে গিয়ে আবার কাপড় পাল্টালেন। বেরিয়ে এসে দেখলেন, কন্যা হেঁচকি তুলে কাঁদছে আর নাশতা খাচ্ছে মায়ের বকুনির তোড়ে; তার স্কুলের সময় হয়ে গেছে। স্কুল-বাস মিস করলো সে। এদিকে স্ত্রীরও কাজে বেরুনোর সময় হয়ে এসেছে। ওদেরকে ডিঙিয়ে আপনি ছুটে বেরিয়ে গাড়ি স্টার্ট দিলেন, কন্যা ছুটে এসে গাড়িতে বসলো; তাকে নিয়ে স্কুলের দিকে ছুটলেন আপনি। আপনার দেরি হয়ে যাচ্ছে, বিধায় ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি ছোটাচ্ছেন আপনি, যে-রাস্তায় আইনত ৬০-এর উপরে ওঠা নিষিদ্ধ। ১৫ মিনিট দেরিতে, ২ হাজার টাকা ট্রাফিক-ফাইন দিয়েটিয়ে, কন্যাকে নিয়ে স্কুলে পৌঁছতে পারলেন। আপনার কন্যা "গুডবাই" না-বলেই প্রাণপণে ছুটে চললো তার ক্লাসরুমের দিকে।

অফিসে পৌঁছলেন ৩০ মিনিট দেরিতে। ঢুকেই বুঝতে পারলেন, ব্রিফকেস আনেননি। সকালটা শুরু হলো ভয়ঙ্করভাবেই, এবং এভাবেই চলতে লাগলো পরবর্তী প্রতিটি মুহূর্ত, এমনকি আরও বাজেভাবেই সামনে আসতে শুরু করলো পরের ঘটনাগুলো। একসময় বাড়ি ফিরলেন; বুঝতে পারলেন কন্যা ও স্ত্রীর সাথে আপনার দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে উভয়দিক থেকেই। কেন? সকালে আপনার ওই প্রতিক্রিয়াশীল ব্যবহারটির কারণেই।

আজ আপনার দিনটি বাজেভাবে কাটার মূল দায়টি কার?
০১. ওই চায়ের?
০২. আপনার কন্যার?
০৩. ট্রাফিক-পুলিশটির?
০৪. আপনার?

উত্তরটি হলোঃ ০৪।

চায়ের ঘটনাটিতে নিজের উপরে আপনার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আপনার ওই ৫ সেকেন্ডের প্রতিক্রিয়াই পরবর্তী পুরো দিনটিকে প্রসব করেছে। অথচ যা হওয়া উচিৎ ছিল বা হতে পারতোঃ

চা ছলকে পড়লো আপনার উপরে। আপনার কন্যা কাঁদো-কাঁদো অবস্থা। আপনি তাকে নম্র-স্বরে বললেন— "ইটস্‌ ওকেই ব্যাটা, পরেরবার আরেকটু সতর্ক থাকবে। থ্যাঙ্কিউ।" তারপর আপনি তোয়ালে খুঁজে নিলেন, মুছে নিলেন, ঘরে ঢুকে গেলেন দ্রুত, ব্রিফকেসটি নিলেন। বেরিয়ে এসে জানলা দিয়ে দেখে নিলেন— কন্যা ঠিকমতো স্কুল-বাসে উঠলো কিনা। কন্যা বাসের জানলা দিয়ে হাত নাড়ছে আপনার প্রতি। আপনি ও স্ত্রী হাত নেড়ে বিদায়-শুভেচ্ছা জানালেন কন্যাকে। স্ত্রীকে চুমু দিলেন; একসাথে বেরিয়ে গেলেন কাজে, স্ত্রী ও আপনি। যথারীতি ৫ মিনিট আগে অফিসে প্রবেশ করলেন, সহকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় সারলেন, আপনার বস আপনাকে আসন্ন পুরো দিনটির জন্য শুভকামনা জানালেন।

পার্থক্যটি লক্ষ্য করুন। দু'টি আলাদা দৃশ্যপট। উভয় দৃশ্যই শুরু হয়েছে একইভাবে, কিন্তু শেষ হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে। কেন? একমাত্র কারণ— আপনার প্রতিক্রিয়ার ধরন। প্রাত্যহিক জীবনের ১০% ঘটনার উপরে আপনার নিয়ন্ত্রণ থাকা অসম্ভব, বাকি ৯০% ঘটনা ঘটে আপনার প্রতিক্রিয়ার ফলস্বরূপ। এটিই ৯০/১০ তত্ত্ব। দ্য নাইন্টি/টেন প্রিন্সিপল।

এই ৯০/১০ তত্ত্বকে নিজের অনুকূলে রাখার গোপন কৌশল জেনে নিনঃ

আপনি যদি কেউ নিগেটিভ কিছুর কবলে পড়ে যান, স্পঞ্জ হবেন না, কাচ হবেন। সমস্যাটিকে জলের মতো গড়িয়ে পড়ে যেতে দিন আপনার বাইরে থেকেই, কাচের মতো; স্পঞ্জের মতো শুষে নেবেন না নিজের ভিতরে। নিগেটিভ কিছুকে আপনার উপরে প্রভাব ফেলতে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। রিয়্যাক্ট করুন ব্রেইন দিয়ে, শিক্ষার বহিঃপ্রকাশ দিয়ে; কোনো উস্কানিতে খেলতে নেমে যাওয়ার মতো বাজে খেলোয়াড় আপনি নন। ইগনোর। ফলে, আপনার উপরে এর কোনোই প্রভাব থাকবে না পরবর্তী সময়ে। একটিমাত্র ভুল রিয়্যাকশানের কারণে আপনি হারিয়ে ফেলতে পারেন স্বজন, হয়ে যেতে পারেন বরখাস্ত, রয়ে যেতে পারেন বিপর্যস্ত, ইত্যাদি... ইত্যাদি।...

কেউ আপনাকে অপদস্ত করতে চাইলে, কীভাবে রিয়্যাক্ট করেন আপনি? মেজাজ হারিয়ে ফেলেন? সামনে যা-কিছু আছে, তাতে থাবড়া মারেন রেগেমেগে? গালাগালি করেন? অভিশাপ দেন? ব্লাডপ্রেশার বেড়ে যায় সাঁইসাঁই? তাদের উপর শোধ নিতে, একটা শিক্ষা দিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন? এসব করতে গিয়ে আপনার আসন্ন জীবনটি তছনছ হয়ে গেলে, কিংবা এর প্রভাবে অফিসে দশ মিনিট পরে পৌঁছলে ওদের কিছুই যায়-আসে? ময়লার গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিজের যত্নের গাড়িটি কেন নোংরা করবেন?

৯০/১০ তত্ত্বটি মাথায় রাখবেন। যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তাকে খোঁচাতে যাবেন না। এতে কাপুরুষতা নেই, বুদ্ধিবৃত্তি আছে। পাত্তা দিবেন না। হাওয়া। যাঃ, ধুর! আপনাকে যদি জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আপনার চাকরি আর নেই, নির্ঘুম রাত কাটাবেন? হতাশায় জেরবার হয়ে যাবেন? দুঃসময় আসেই সুসময় সামনে আছে বলে। খুঁজে নিতে হবে। আপনার মেধা, শ্রম, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আরেকটি কাজের খোঁজে বেরিয়ে পড়ুন। গাড়ি দেরিতে আসায়, ড্রাইভারকে বকেঝকে নিজের সময়টিকে কেন নষ্ট করে দেবেন? দেরিটায় তার নিয়ন্ত্রণ ছিল কিনা আপনি জানেন? অপেক্ষার সময়টায় কিছু পড়ুন, অন্য যাত্রীদের সাথে আলা-বিনিময় করুন। এতো ক্রোধ কেন থাকবে ব্রেইন-ওয়ালা মানুষের? বাজে রিয়্যাকশান জীবনকেই বাজে করে দেয়।

৯০/১০ প্রিন্সিপলটি জানা হয়ে গেলো আপনার। প্রয়োগ করুন এর বাস্তবতা; দেখবেন— এর ফলাফল কী সুন্দর!

©

সময় ব্যবস্থাপনার নীতিমালা:১. দিনের পরিকল্পনা করুন:দিন শুরুর আগে ঠিক করুন কী কী করতে হবে। পরিষ্কার পরিকল্পনা আপনাকে অপ্রয়...
30/01/2025

সময় ব্যবস্থাপনার নীতিমালা:

১. দিনের পরিকল্পনা করুন:
দিন শুরুর আগে ঠিক করুন কী কী করতে হবে। পরিষ্কার পরিকল্পনা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত রাখবে।

২. দৈনিক লক্ষ্য লিখুন:
দিনে যা অর্জন করতে চান, তা লিখে রাখুন। এটি আপনার পথনির্দেশনা স্পষ্ট করবে।

৩. লক্ষ্য লিখিত আকারে রাখুন:
লিখিত লক্ষ্য আপনাকে ফোকাস করতে এবং মনে রাখতে সাহায্য করে।

৪. ৮০/২০ নিয়ম অনুসরণ করুন:
সেসব কাজে মনোযোগ দিন যা বেশি ফলদায়ক। আপনার ২০% প্রচেষ্টা ৮০% ফল দেয়।

৫. মাল্টি-টাস্কিং এড়িয়ে চলুন:
একই সময়ে একাধিক কাজ করলে কর্মক্ষমতা কমে যায়।

৬. এক সময়ে এক কাজ করুন:
একটি কাজ শেষ না করে অন্য কাজে হাত দেবেন না।

৭. বাধাগুলো দূর করুন:
কাজের সময় সমস্ত বাধা (যেমন ফোন, শব্দ) সরিয়ে দিন।

৮. ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নিন:
কাজের মধ্যে ক্লান্তি এলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন। এটি শক্তি পুনরুদ্ধারে সাহায্য করবে।

৯. "না" বলা শিখুন:
প্রতিটি অনুরোধে সম্মতি দেওয়া সময়ের অপচয় হতে পারে। শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দিন।

১০. অপ্রয়োজনীয় কাজ অন্যদের দিন:
ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ অন্য কাউকে দিয়ে দিন, যাতে আপনি বড় কাজে মনোযোগ দিতে পারেন।

১১. পারফেক্ট সময়ের অপেক্ষা করবেন না:
কাজ শুরু করতে দেরি করবেন না; আদর্শ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে উদ্যোগী হোন।

১২. ৫ মিনিটে করা যায় এমন কাজ দ্রুত করুন:
ছোট কাজগুলিকে স্থগিত করবেন না; দ্রুত শেষ করুন।

১৩. অপছন্দের কাজ আগে করুন:
সবচেয়ে কঠিন বা অপছন্দের কাজ দিনের শুরুতে করুন, যাতে তা মানসিক চাপ সৃষ্টি না করে।

১৪. সময়সীমা নির্ধারণ করুন:
প্রতিটি কাজের জন্য ডেডলাইন সেট করুন। তা না হলে কাজ সম্পন্ন হবে না।

১৫. অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে মনোযোগ দেবেন না:
শুধু সেই কাজগুলিতে মন দিন যা আপনার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।

১৬. পারফেকশনিজম এড়িয়ে চলুন:
সবকিছু নিখুঁত করার চেষ্টা করবেন না, যতক্ষণ না তা জরুরি।

১৭. মোবাইল ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করুন:
ইমেইল বা মেসেজ চেক করার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন।

১৮. অপ্রয়োজনীয় মিটিং এড়িয়ে চলুন:
শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ মিটিং-এ যোগ দিন।

১৯. নেতিবাচক মানুষদের এড়িয়ে চলুন:
যারা আপনার উদ্যম বা শক্তি কমিয়ে দেয়, তাদের থেকে দূরে থাকুন।

২০. পছন্দসই কাজ করুন:
আপনার শখ ও আগ্রহের সাথে মিল রেখে কাজ করুন। এটি কর্মক্ষমতা বাড়াবে।

সময় একটি অমূল্য সম্পদ যা একবার নষ্ট হলে ফিরে আসে না।

Address

Matuail, Kodomtoli
Dhaka
1362

Telephone

+8801670050801

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqra's World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Iqra's World:

Share