Utsaho DiaCare

Utsaho DiaCare Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Utsaho DiaCare, Dhaka.

পরিস্থিতি খুব কঠিন। এই পরিস্থিতিতে অকারণে panic না করে কয়েকটি কথা মনে রাখুন।1. Covid রোগীর গায়ে হাত দিলেই Covid ছড়ায় ...
26/07/2021

পরিস্থিতি খুব কঠিন। এই পরিস্থিতিতে অকারণে panic না করে কয়েকটি কথা মনে রাখুন।

1. Covid রোগীর গায়ে হাত দিলেই Covid ছড়ায় না...
এটি এক প্রকার Droplet infection. একমাত্র তার হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময়েই লালার সূক্ষ্ম কণিকার মাধ্যমে ভাইরাস তার শরীর থেকে বেরোতে পারে। এবং তাও আপনার গায়ে লাগলে, পিঠে লাগলে, এমনকি তা খাবারের সঙ্গে আপনার পেটে গেলেও আপনি আক্রান্ত হবেন না। ভাইরাস একমাত্র আপনার শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে গেলেই সংক্রমণ সম্ভব।
তাই কোনো Covid রোগী মাথা ঘুরে পরে গেলে তাকে তুলতে গেলে আপনারও Covid হয়ে যাবে না। বিপদে পাশে থাকুন। তবেই আপনারও বিপদে মানুষকে পাশে পাবেন। শুধু মনে রাখবেন নাকে বা মুখে হাত দেবেন না। ভয় করলে Covid রোগীর সংস্পর্শে আসার পর হাত Alcohol Sanitizer দিয়ে Sanitise করে ফেলুন বা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। খুব ভয় করলে পরনের পোশাক কেচে ফেলুন এবং স্নান করে নিন।

2. Covid হলেই মানুষ মরে না, এটি কোনো মারন ব্যাধি নয়। এর Death Rate দুই শতাংশেরও কম। কিন্তু Covid রোগী isolation-এ থেকে প্রচণ্ড ভাবে মানসিক ভাবেও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তার immunity বা অনাক্রমনতা কমে যায়। তাই রোগীকে সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার দিন এবং পরিচিতদের Covid হলে call করে, Video call করে, একসঙ্গে online games খেলে, movie suggest করে তাকে মাতিয়ে রাখুন।

3. বাড়িতে Covid Patient না থাকলে বাড়ির মধ্যে Mask পরে থাকবেন না। ঘর থেকে না বেরোলে মনের বিকার ঘটা এবং immunity কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তাই বিকেলবেলা রাস্তায় না, বাগান থাকলে সেখানে বা না থাকলে ছাদে একটু হেঁটে ও শরীর চর্চা করে আসুন। এতে ঘরে বসে বসে ওবেসিটির সম্ভাবনাও কমবে। (মনে রাখবেন শুধুমাত্র immunity boosting খাবার খেয়ে আদৌ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে না, প্রকৃতির সংস্পর্শে না এলে কখনোই বাড়বে না।) শরীরচর্চা করা বা নির্জন ছাদে হাঁটার সময় মাস্ক পড়বেন না। সাবধানতা অবলম্বনের এক দারুণ অস্ত্র Mask. কিন্তু এর Overuse করবেন না তথা বিনা কারণে (যেমন গাড়ি চালানোর সময় Helmet এর ভিতরে) পড়বেন না। এতে এমনিতেই আপনার শরীরে Oxygen এর ঘাটতি দেখা দেবে।

4. Oximeter থাকলে বিনা কারণে ঘন ঘন Saturation check করবেন না। এতে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বেন। একমাত্র জ্বর কিংবা অসুস্থ হলে check করবেন। 95 অবধি saturation খুব স্বাভাবিক। তাছাড়াও এই পরিস্থিতিতে Mask ব্যবহারের ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম দেখানোও একদমই অস্বাভাবিক না। Panic করবেন না।

5. রোগ না হয়ে থাকলে আগে থেকে ভয় পেয়ে ওষুধ কিনে বা অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে মজুত করে রাখবেন না। এও এক প্রকার কালোবাজারি। এতে যাদের প্রয়োজন তারা পাচ্ছেন না। দাম বেড়ে যাচ্ছে। after all সমগ্র মানবজাতির ক্ষতি করবেন না একা হাতে।

6. কোভিড সংক্রান্ত কোনো রকম সমস্যা হলেই নিকটবর্তী হাসপাতালে যান। সেখানে তৎক্ষণাৎ বেড না পেলেও আপনাকে Oxygen দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং Rapid Test করানো হবে।

7. কাপড়ের মাস্ক পরা, না পরা সমান। N95 এবং Sanitizer এখন essential commodities. তাই এদের দাম এখন বেঁধে দেওয়া। N95 এবং Sanitizer ব্যবহার করুন। Office-এ বা বাইরে থাকলে কিছুক্ষণ অন্তর হাত Sanitise করুন। একটু হাত ঘষে ফেলার মতো একটি ক্ষুদ্র অভ্যেস যদি আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে তাহলে তা করবেন না কেনো?
এ বিষয়ে Face Shield - ও একটি দারুণ সুরক্ষা প্রদানকরী বস্তু। ব্যবহার করতে পারেন।

8. Covid Virus এর কিন্তু ডানা নেই, উড়ে উড়ে ছড়ায় না এই রোগ। তাই প্রতিবেশীর বাড়িতে Covid হলে একদমই panic করবেন না। বরং তাকে সাহায্য করুন। ওষুধ, খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস ঘরের দরজায় পৌঁছে দিন। এতে আপনার Covid হবে না। ভয় করলে Mask, Face Shield, হাতে rubber gloves use করতে পারেন।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কিন্তু তাই বলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর থেকে সরে আসবেন না। মনে রাখবেন তাদের বিপদের আপনি দাঁড়ালে একদিন আপনার বিপদেও তারা দাঁড়াবে।
আর এটুকুতেই ভয় পাওয়ার আগে মনে রাখবেন ডাক্তার এবং নার্সরা হাজার হাজার কোভিড রোগীকে নিয়ে কাজ করছেন। তারা কিন্তু সবাই সংক্রমিত হয়ে যাচ্ছেন না। তাই আপনার প্রতিবেশী, বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কেউ আক্রান্ত হলে যতোটুকু সম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

আবারও বলছি, সময়টা খুব কঠিন। মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। এখন আপনি হেলাফেলা করলে আপনার জীবন বা আপনার পরিবারের মানুষদের জীবনও কিন্তু হেলাফেলা হয়ে যেতে পারে।

তাই নিজের যত্ন নিন।
মানুষের পাশে থাকুন।
সাবধানে থাকুন, যথা সম্ভব লকডাউন মেনে ঘরেই থাকুন।

আপনার নিত্য-প্রয়োজনীয় যেকোনো পণ্য সামগ্রী, মুদি পণ্য কিংবা শাকসবজি যা কিছু প্রয়োজন, অনলাইনে পাইকারি দামে পেতে এই পেইজে অর্ডার করুন। আমরা আপনার ঘরে পৌঁছে দিব।

Utsaho P & D Store,
১০/১ দয়াগঞ্জ বাজার,
মোবাইল: 016 1183 1471

17/07/2020

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

অনিবার্য কারণবশত: এলোপ্যাথিক ওষুধ সার্ভিস বন্ধ করা হয়েছে।
এখন থেকে হোমিওপ্যাথি টেলিমেডিসিন সার্ভিস এবং হোমিওপ্যাথি ওষুধ কুরিয়ারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে।

21/09/2019
31/08/2018

ক্যানসারের প্রকোপ গ্রামের চেয়ে শহরে বেশি। নগরায়ণের সঙ্গে সঙ্গে এই রোগের প্রকোপও বাড়ছে। সেই তুলনায় রোগপ্রতি...

করলা (করল্লা, উচ্ছা, উচ্ছে) এক প্রকার ফল জাতীয় সবজি।এলার্জি প্রতিরোধে এর রস দারুণ উপকারি।ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উ...
26/08/2018

করলা (করল্লা, উচ্ছা, উচ্ছে) এক প্রকার ফল জাতীয় সবজি।

এলার্জি প্রতিরোধে এর রস দারুণ উপকারি।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উত্তম। প্রতিদিন নিয়মিতভাবে করলার রস খেলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। করলায় যথেষ্ট পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন ছাড়াও এতে রয়েছে বহু গুণ। এবার জেনে নিন, করলার আরো পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা-

ব্রকলি থেকেও দ্বিগুণ পরিমানে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে এতে। দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে বিটা ক্যারোটিন উপকারী। করলায় প্রচুর পরিমানে আয়রণ রয়েছে। আয়রণ হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। পালংশাকের দ্বিগুণ ক্যালসিয়াম ও কলার দ্বিগুণ পরিমান পটাশিয়াম করলায় রয়েছে। দাঁত ও হাড় ভাল রাখার জন্য ক্যালসিয়াম জরুরি।
ব্লাড প্রেশার মেনটেন করার জন্য ও হার্ট ভাল রাখার জন্য পটাশিয়াম প্রয়োজন।

করলায় যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে। ভিটামিন সি ত্বক ও চুলের জন্য একান্ত জরুরি।
ভিটামিন সি আমাদের দেহে প্রোটিন ও আয়রন যোগায় এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তোলে। ফাইবার সমৃদ্ধ করলা কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমায়। করলায় রয়েছে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স, ম্যাগনেসিয়াম, ফলিক এসিড, জিঙ্ক, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম।

ডায়বেটিসের পেশেন্টের ডায়েটে করলা রাখুন। করলায় রয়েছে পলিপেপটাইড পি, যা ব্লাড ও ইউরিন সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করলার রস ও করলা সিদ্ধ খেতে পারেন। নানা রকমের ব্লাড ডিজঅর্ডার যেমন স্ক্যাবিজ, রিং ওয়র্ম এর সমস্যায় করলা উপকারি।
করলা ব্লাড পিউরিফিকেশনে সাহায্য করে। স্কিন ডিজিজ ও ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে।

করলা পাতার রসের উপকারিতা অনেক।
করলা পাতার রস খুবই উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে, নানা ধরনের ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। এনার্জি ও স্টেমিনা বাড়িয়ে তুলতেও করলা পাতার রস সাহায্য করে। অতিরিক্ত এলকোহল খাওয়ার অভ্যাস থেকে লিভার ড্যামেজড হলে , সে সমস্যায় করলা পাতার রস দারুন কাজে দেয়।

ব্লাড ডিজঅর্ডার সমস্যায় লেবুর রস ও করলা পাতার রস মিশিয়ে খেতে পারেন। করলা পাতার রসে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, ফেরেনজাইটিসের মতো সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে সোরিয়াসিসের সমস্যা, ফাংগাল ইনফেকশন প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

(Courtesy : বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার)

"আর নয় থ্যালাসেমিয়া"থ্যালাসেমিয়া - নির্মম রক্তচোষা প্রকাশ্য ঘাতক রোগসহজ সচেতনতা ও প্রতিরোধই প্রতিকার।থ্যালাসেমিয়া একটি জ...
26/08/2018

"আর নয় থ্যালাসেমিয়া"

থ্যালাসেমিয়া -

নির্মম রক্তচোষা প্রকাশ্য ঘাতক রোগ
সহজ সচেতনতা ও প্রতিরোধই প্রতিকার।

থ্যালাসেমিয়া একটি জন্মগত রক্তরোগ। থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্তরা সারাজীবন রক্তস্বল্পতায় বা Anaemia য় ভোগে এবং অতি স্বল্পায়ু হয় । এই রোগে আক্রান্ত রোগী যতদিন বাঁচবে, ততোদিন পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় অন্তর-অন্তর রক্ত-গ্রহণ করে বাঁচতে হয়। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তরা কদিন পরপর রক্তশূন্য হয়ে পড়ে -যেন কোন অশুভ শক্তি তার দেহ থেকে অবিরাম রক্তচুষে নিচ্ছে - তাই এরোগের আরেক দেশীয় নাম রক্তচোষা রোগ । অসচেতনতার কারণে থ্যালাসেমিয়া এখন আমাদের দেশে ব্যাপক আঁকার ধারন করছে । সামান্য সচেতনতাই এই রোগ সম্পূর্নই প্রতিরোধ সম্ভব।

এই রোগ কোন সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ নয় । এই রোগের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী হলো বাবা এবং মা। মা-বাবা দুজনে থ্যালাসিমিয়া রোগী , একজন রোগী অন্যজন বাহক বা বাবা মা দুজনই বাহক হলে তখন তাদের সন্তানও এই রক্তচোষা থ্যালাসিমিয়া হতে পারে।তবে মা বা বাবার মধ্যে একজন যদি থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয় তাহলে সন্তানের এই রক্তচোষা থ্যালাসেমিয়া হবে না।

তাই বিয়ের আগে স্বামী এবং স্ত্রী ২ জনেরই রক্তের Hemoglobin Electrophoresis নামের একটি পরীক্ষা করে নেয়া উচিত। এরফলে আপনি জানতে পারবেন- আপনি বা আপনার সঙ্গীর থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক কিংবা রোগী কিনা।

যারা থ্যালাসিমিয়ার বাহক, তারা কখনো বুঝতেই পারেনা যে তারা তাদের অজান্তেই ঘাতক ব্যাধী থ্যালাসেমিয়া বাহক হয়ে আছেন-তার উত্তরসূরীদের তার অজ্ঞতায় কারনে এই রোগের আক্রান্ত হতে পারেন । বাহকেরা জানেন না কারণ- এর বাহকের কোন উপসর্গ নেই। জানার একমাত্র উপায় রক্তের Hemoglobin Electrophoresis পরীক্ষাটি করানো।

এরফলে আপনাদের অনাগত সন্তান থ্যালাসেমিয়া নামক রক্তচোষা রোগ থেকে রক্ষা পাবে।

নিচে থ্যালাসেমিয়ার বাহক, রোগী এবং সুস্থ মানুষ বিয়ে করলে কি হবে, তা বর্ণনা করা হলোঃ-

* ২ জন থ্যালাসেমিয়ার বাহক যদি বিয়ে করে তাহলে তাদের অনাগত সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার সম্ভাবনা ২৫%, বাহক হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% এবং সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ হওয়ার সম্ভাবনা ২৫%

* ২ জন থ্যালাসেমিয়া রোগী বিয়ে করলে তাদের অনাগত সন্তান অবশ্যই অবশ্যই রোগী হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে তাদের সুস্থ্য বাচ্চা জন্ম নিবেনা কক্ষনো।

* ১ জন থ্যালাসেমিয়ার বাহক এবং একজন সম্পূর্ণ সুস্থ্য মানুষ (যে বাহক নয়) যদি বিয়ে করে তাহলে তাদের অনাগত সন্তান ৫০% সম্ভাবনা থাকে বাহক হওয়ার এবং ৫০% সম্ভাবনা থাকে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার। তবে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়ার রোগী হবে না ।

* ১ জন বাহক এবং একজন থ্যালাসেমিয়া রোগী হলে তাদের অনাগত সন্তানের রোগী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৫০% এবং বাহক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৫০%

* ১ জন সুস্থ মানুষ এবং একজন থ্যালাসেমিয়া রোগী বিয়ে করলে তাদের অনাগত সন্তানদের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই। শুধু বাহক হওয়া সম্ভাবনা ১০০%

* ২ জন সুস্থ মানুষ (অর্থাৎ যারা বাহক নয়) তারা যদি বিয়ে করে তাহলে তাদের অনাগত সন্তানদের মধ্যে বাহক এবং রোগী হওয়ার সম্ভাবনা নাই। অর্থাৎ সম্পূর্ণ সুস্থ হবে।

থ্যালাসেমিয়া একটি জীবন সংহারী রক্তরোগ । যদিও আধুনিক চিকিত্সা বিজ্ঞান “বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন” এর মাধ্যমে রোগী সুস্থ হওয়ার সাফল্য এনেছে তবে এটি অনেক ব্যয়বহুল চিকিৎসা। তাই, আমাদের উচিত সচেতন হওয়া এবং অন্যদেরকে সচেতন করা। একমাত্র সচেতনাই থ্যালাসেমিয়া রোগকে প্রতিরোধ করা যাবে।

আপনি বাহক ক্ষতি নেই তবে আপনার অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিন। আর অজ্ঞতা নয়, আসুন আমরা সচেতন হই। সুস্থ্য থ্যালাসেমিয়া মুক্ত আগামী প্রজন্ম গড়ি।

কেনো নিয়মিত কলা খাবেন?কলা বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় একটি ফল। মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি বেশ সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি খাবার। কলা...
26/08/2018

কেনো নিয়মিত কলা খাবেন?

কলা বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় একটি ফল। মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি বেশ সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি খাবার। কলা শরীরে শক্তি যোগায় এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণ কলায় আছে ১১৬ ক্যালোরি, ক্যালসিয়াম ৮৫মি.গ্রা., আয়রন ০.৬মি.গ্রা. , অল্প ভিটামিন সি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ৮মি.গ্রা., ফসফরাস ৫০মি.গ্রা.,পানি ৭০.১%, প্রোটিন ১.২%, ফ্যাট/চর্বি ০.৩%, খনিজ লবণ ০.৮%, আঁশ ০.৪%,শর্করা ৭.২%।

"স্বাস্থ্য উপকারিতা"

# কলায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরী আছে। তাই মাত্র একটি কলা খেলেই অনেক সময় পর্যন্ত সেটা শরীরে শক্তি যোগায়।

# অতিরিক্ত জ্বর কিংবা হঠাৎ ওজন কমে গেলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়। এসময়ে কলা খেলে শরীরে শক্তির সঞ্চার হবে এবং তাড়াতাড়ি দূর্বলতা কেটে যাবে।

# কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। তাই হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য কলা একটি উপকারী ফল।

# কলা অ্যান্টাসিডের মত কাজ করে। অর্থাৎ কলা হজমে সহায়তা করে এবং পেট ফাঁপা সমস্যা সমাধান করে। এছাড়াও কলা পাকস্থলীতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে।

# কলায় প্রচুর আয়রন আছে যা রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সাহায্য করে। ফলে যারা রক্ত শূন্যতায় ভুগছেন তাদের জন্য কলা খুবই উপকারী একটি ফল।

# যারা নিয়মিত বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা প্রতিদিন একটি করে কলা খান ভরা পেটে। কলা বুক জ্বালা পোড়া কমায় এবং পাকস্থলীতে ক্ষতিকর এসিড হতে দেয় না।

# প্রায় দুই মিনিট ধরে কলার খোসা দাঁতের উপর ঘষলে এটি দাঁতের উপরে থাকা ময়লা ও দাগ দূর করে দাঁতকে সাদা করে তুলবে। মিনারেলে ভরপুর কলার খোসা দাঁতকে সাদা ঝকঝকে করে তুলতে পারে।

# ডায়রিয়া হলে শরীরে পানি শূন্যতা হয়ে যায় এবং শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম বের হয়ে যায়। এসময়ে কলা খেলে শরীরের পটাশিয়ামের অভাব দূর হবে এবং হার্টের স্বাভাবিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

# কলায় ফ্যাটি এসিডের চেইন আছে যা ত্বকের কোষের জন্য ভালো এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই ফ্যাটি এসিড চেইন পুষ্টি গ্রহণ করতেও সাহায্য করে।

# কলা মন ভালো করে দেয়। কলায় ট্রাইপটোফ্যান আছে যা সেরোটনিনে রূপান্তরিত হয়ে মন ভালো করে দিতে সাহায্য করে।

# কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভালো। স্ট্রোক প্রতিরোধের জন্যেও কলা উপকারী।

# ধূমপান ছাড়তে হলে বেশি করে কলা খান। কারণ কলায় উপস্থিত ভিটামিন বি৬, বি১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব দূর করতে সাহায্য করে।

25/08/2018
25/08/2018

সরকার অনুমোদিত সকল ঔষধ ঢাকা থেকে সারাদেশে পাইকারী সরবরাহ করা হয়। পিনপোস্টে থাকা লিস্ট থেকে বা ইনবক্সে অর্ডার করতে পারেন।আমরা তা ট্রান্সপোর্টে কন্ডিশনে পাঠিয়ে দিব (ট্রান্সপোর্ট ও লেবার কস্ট প্রযোজ্য)।

শিটে উল্লেখিত কোম্পানী ছাড়াও অন্যান্য অনুমোদিত ঔষূধের প্রয়োজন হলে ডানে আপনার ফার্মেসীর নাম দিয়ে এড করুন।

24/08/2018

ঘরে নিরাপদে নানা ধরণের ঔষধ সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম

ঔষধ যেখানে সংরক্ষণ করা হয় তার প্রভাব পড়ে ঔষধের কার্যকারিতার উপর। ঔষধ এমন স্থানে রাখতে হয় যাতে ঔষধে সরাসরি সূর্যের আলো না পড়ে। ঔষধ সব সময় ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখতে হয়। আসুন বিভিন্ন ধরণের ঔষধ সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম জেনে নিই।

সিরাপ
সিরাপ অবশ্যই সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন। বেশিরভাগ সিরাপের মুখ খোলার পর এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা উচিৎ। সিরাপ সেবনের পর পরই এর মুখটি ভালো করে লাগিয়ে রাখতে হবে। না হলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ধুলো-ময়লার মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। বাতাসের সংস্পর্শে ও সিরাপ জাতীয় ঔষধের ঔষধি গুনাগুণ পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।

ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল
ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল এয়ারটাইট বক্সে করে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন। ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল সব সময় তাদের নিজস্ব প্যাকেটে করেই রাখা উচিৎ। কারণ এই প্যাকেটগুলো আর্দ্রতার বিরুদ্ধে সেরা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ময়লা ও ভেজা হাতে কখনো ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ব্যবহার করা ঠিক নয়।

ড্রপ
অন্য ঔষধের মত ড্রপ ও সূর্যের আলো থেকে দূরে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখতে হবে। আই ড্রপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা প্রয়োজন। চোখ, কান বা নাকের ড্রপ ব্যবহারের সময় ড্রপারের মুখটি যাতে চোখে, নাকে বা কানে লেগে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। একটু দূরত্ব বজায় রেখে ড্রপ প্রয়োগ করুন। যদি এটি ত্বকের সাথে লেগেই যায় এবং এটি পরিষ্কার না করেই যদি মুখ বন্ধ করে রেখে দেন তাহলে পুরো ঔষধটাই সংক্রমিত হয়ে যাবে।

টিকা এবং ইনজেকশন
সব টিকা এবং ইনজেকশন রেফ্রিজারেটরে নয়তোবা প্যাকেটে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করা উচিৎ। টিকা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ফ্রিজের তাপমাত্রা ২-৮ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেট রাখা উচিৎ। এগুলো কখনোই ফ্রিজার বা সবজি রাখার স্থানে রাখা যাবে না। ফ্রিজারের তাপমাত্রা অনুকূল তাপমাত্রার চেয়ে কম থাকে বলে টিকা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সবজি রাখার সেকশনে তাপমাত্রা বেশি থাকে বলেও ঔষধের ক্ষতি হতে পারে। ফ্রিজটি পরিষ্কার আছে কিনা দেখে নিন। বাসি খাবার থাকলে ফেলে দিন। খাবার ধরার পরেই টিকা ধরা থেকে বিরত থাকুন। হাত ভালো করে ধুয়ে ও মুছে তারপর ঔষধ ধরুন।

ইনসুলিন
অনেক মানুষই ইনসুলিন সংরক্ষণ করেন ঘরের তাপমাত্রায়। কিন্তু মনে রাখবেন অন্য ইনজেকশনের মতোই ইনসুলিন ও রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা উচিৎ।

ঔষুধ গুছিয়ে রাখার জন্য কিনে নিতে পারেন মেডিসিন বক্স, চারশো থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের ঔষুধের বক্স কিনতে পাওয়া যায়। যেকোনো ফার্মেসি বা প্লাস্টিকের পণ্যের দোকানেই পেয়ে যাবেন। আর অনলাইন থেকে কিনতে আমাদেরও নক করতে পারেন।

ফার্মেসী দিতে চান যারা , তারা পড়ুন ।প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানজনক ব্যবসার মধ্যে ফার্মেসি ব্যবসা অন্যতম। এখানে কম পুঁজি বিনিয়োগ ...
24/08/2018

ফার্মেসী দিতে চান যারা , তারা পড়ুন ।

প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানজনক ব্যবসার মধ্যে ফার্মেসি ব্যবসা অন্যতম। এখানে কম পুঁজি বিনিয়োগ করে সহজেই লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু ইচ্ছা করলেই যে কেউ ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করতে পারবে না। একটা দোকানে কিছু ওষুধ নিয়ে বসে পড়া বেশ সহজ, কিন্তু প্রক্রিয়াটা অবৈধ। এ জন্য আপনাকে অবশ্যই ব্যবসার অন্যান্য আনুসাঙ্গিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে আরো অতিরিক্ত করতে হবে ফার্মাসিস্টের ট্রেনিং এবং ড্রাগ লাইসেন্স। ওষুধ তিনিই বিক্রি করতে পারবে যার ফার্মাসিস্ট ট্রেনিং আছে এবং যিনি ড্রাগ লাইসেন্স পেয়েছেন।

ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ওষুধের ব্যবসা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনগতভাবে এটি একটি দন্ডনীয় অপরাধ। আর ওষুধ ব্যবসার জন্যে অতি প্রয়োজনীয় এই ড্রাগ লাইসেন্সটি ইস্যু করে বাংলাদেশ সরকারের 'ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর'।

ড্রাগ লাইসেন্সটি অর্জন করতে হলে 'বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল' থেকে আপনাকে তিন মাসের একটি ফার্মাসিষ্ট ট্রেনিং কোর্স ( সি ক্যাটাগরীর ফার্মাসিস্ট হিসেবে রেজিঃ পাওয়ার জন্য ) সম্পন্ন করতে হবে। ফার্মেসি কোর্স করতে চাইলে আপনাকে বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে , যখন ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় তখন ভর্তি হতে হবে । ৩০০০ – ৩৫০০ টাকা খরচ হবে কোর্স করার জন্য । ক্লাশ হয় প্রতি শুক্রবার । আর পরীক্ষায় ১০০% পাশ করার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করে ফ্রি হ্যান্ড নোট নিতে পারবেন।

ড্রাগ লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করতে যা প্রয়োজনঃ
১) ট্রেড লাইসেন্স
২) টি.আই.এন সনদপত্রের ফটোকপি
৩) পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৪) ব্যাংক একাউন্ট এবং ব্যাংক সচ্ছলতার সনদপত্র
৫) দোকান ভাড়ার রসিদ/চুক্তিপত্র
(নিজস্ব দোকানের ক্ষেত্রে দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি)
৬) ফার্মাসিস্ট ট্রেনিয়ের সনদপত্রের ফটোকপি
৭) নাগরিকত্বের সনদপত্র/ভোটার আই.ডি কার্ডের ফটোকপি
৮) ফার্মাসিস্টের অঙ্গীকারপত্র [ফরম নম্বর-৭] (যথাযথ ভাবে পূরণকৃত)
যোগাযোগের ঠিকানাঃ
http://www.dgda.gov.bd

আপনি ড্রাগ লাইসেন্স পেয়ে ফার্মেসি দিয়ে বসার পর শুধু প্রেসক্রিপশন দেখে ঔষধ বিক্রি করতে পারবেন । আর কিছু না । আপনি যদি খুচরা বিক্রয়ের জন্য ফার্মেসি খুলতে চান তাইলে সবচেয়ে লাভজনক হল যেকোন মেডিক্যালের আশেপাশে দোকান নিয়ে বসা। কারন আপনি প্রেসক্রিপশন যত বেশি পাবেন বিক্রি তত বেশি হবে । এক্ষেত্রে আপনি কাউকে চিকিৎসা দিতে পারবেন না । আপনার কাজ শুধু ওষুধ বিক্রি ।

শুধুমাত্র মেডিসিনের জন্য আপনার বেশি টাকা লাগবেনা । ৫০ হাজার টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনার পর দেখবেন কোম্পানির লোকেদের কাছ থেকে বাকিতে ওষুধ পা্ওয়ার সুযোগ বসে আছে, তাদের ওষুধ বিক্রি করে তাদের টাকা দিবেন। শুধু তাদের ক্লোজিং এর ডেট মনে রেখে তাদের সাথে ভালো লেনদেন করলে আপনার সমস্যা হবে না ।

তবে ঔষধের ফার্মেসিতে কাস্টোমার তার চাহিদামত ঔষধ না পেলে আপনার ব্যবসা লাটে উঠতে পারে। ধরেন কেউ চাইল নাপা। আপনি বললেন নাপা নেই। তবে এইস আছে স্কয়ারের। এইস নিয়ে যেতে পারেন। এইসব করে কাস্টোমার ধরে রাখা যাবে না। এখানে দেখতে হবে কোন ডাক্তার কোন ওষুধ লিখে থাকে ( কোম্পানির MPO/MR দের মাধ্যমে যানা যাবে ) সেই সকল ওষুধ কম হলেও রাখতে হবে । পুজি কম থাকলে দরকার হলে সপ্তাহে সপ্তাহে ওষুধ কিনবেন ।

কিন্তু গ্রাম এলাকায় বা যে খানে কোনো ভালো মেডিকেল নাই সেখানে এভাবে আপনি টিকতে পারবেন না । কারন প্রেসক্রিপশন পাবেন না বা কম পাবেন । এখানে আপনাকে টিকে থাকতে হলে অন্য কৌশল করতে হবে । যেহেতু এখানে কোয়ালিফাইড ডাক্তার (MBBS) নাই বা কম তাই এসব এলাকায় আপনাকে উপরের সকল কিছুর পরেও আপনাকে ডাক্তার হতে হবে , গ্রাম্য ডাক্তার/ পল্লী চিকিৎসক । ছয় মাসের LMAF/LMAFP এসব কোর্স না করে এক বছরের প্যারামেডিকস (কারিগরী বোর্ডের বা কোনো বৈধ অর্গানাইজেশনের ) না হয় দুই বছরের কমিউনিটি প্যারামেডিকস ( নার্সিং কাউন্সিলের ) কোর্স করবেন ( কোর্সের বিষয় হেল্প লাগলে বইলেন) ।

এর ফলে একজন রুরাল মেডিকেল প্রাক্টিশনার্স হিসেবে আপনি এলাকার মানুষদের প্যারামেডিকস সেবা দিতে পারবেন ও কমন কিছু রোগের চিকিৎসা দিতে পারবেন । সাথে জটিল রোগীদের অভিজ্ঞ ডাক্তারদের কাছে রেফার করতে পারবেন । এর ফলে স্থানীয় নরমাল রোগের চিকিৎসা দিতে ও নিজের দোকানের ঔষধ বিক্রি করতে পারবেন ।

পল্লী চিকিতসকদের/ প্যারামেডিকসদের জন্য - দক্ষতা বাড়ানোর জন্য , শিশু হসপিটাল MCH ( মাদার এন্ড চাইল্ড হেলথ ) কোর্স , সাভারের CRP ফিজিওথেরাপির বেসিক ট্রেনিং , জেলা সিভিল সার্জন অফিস / হাসপাতাল থেকে রিফ্রেসার কোর্স ইত্যাদি করতে পারবেন এর মেয়াদ ১৫ দিন থেকে ১ মাস । এ ছাড়া , ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে টেলিমেডিসিন ক্লিনিক করার অনুমতি ও সহায়তা পেতে পারেন প্যারামেডিকসরা ( খরচ ১ থেকে দের লক্ষ টাকা ) , SMC এর ট্রেনিং পেয়ে ব্লু স্টার ক্লিনিক করতে পারবেন ( কোনো খরচ নাই ) ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা দিয়ে বারতি আয় করতে পারবেন । তবে এগুলো প্যারামেডিকস কোর্স করার পর ।

একটু প্রসার হলে ও লাভ হওয়া শুরু করলে দুই একজন লোক রেখে কোনো ঔষধ কোম্পানির থেকে ডিলার নিয়ে এলাকায় পাইকারি ঔষধ ও সেল করতে পারবেন ।

এসব বিষয় যেকোনো পরামর্শের জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

খালি পেটে ডাবের পানি পান করার উপকারিতাসারা বছর ধরে যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রোগ শরীরের ধারে কাছে...
24/08/2018

খালি পেটে ডাবের পানি পান করার উপকারিতা

সারা বছর ধরে যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রোগ শরীরের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, ডাবের পানিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, হাড়কে শক্ত-পোক্ত করে তোলার পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডাবে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও এক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

শরীরকে বিষমুক্ত করে : দেহের প্রতিটি কোণায় উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ডাবের পানি পান করলে নানাবিধ রোগ যেমন শরীরের ধারে কাঁছে ঘেঁষতে পারে না, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরিক ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই রোজের ডায়েটে ডাবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

কিডনির ক্ষমতা বাড়ে : প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।

পানির ঘাটতি মেটে : ডাবের পানি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র জলের ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরের ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

শরীর এবং ত্বকের বয়স কমে : ডাবের পানিতে রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন হ্রাসে পায় : ডাবের পানিতে বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালো ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। দেহে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

মাথা যন্ত্রণার প্রকোপ কমে : ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে শীঘ্র এক গ্লাস ডাবের পানি পান করবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। প্রাকৃতিক উপাদানটিতে ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সূত্র: কালেরকন্ঠ অনলাইন

Address

Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Utsaho DiaCare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Utsaho DiaCare:

Share