S.S FooD-এস এস ফুড

S.S FooD-এস এস ফুড আসসালামু - আলাইকুম।
বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য নির্ভেজাল হালাল পন্য নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য

09/11/2025

আসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই?
💥আপনারা কি জানেন বাংলাদেশ এ সব থেকে বেশি বেজাল হয় খ্যাদ্য দ্রব্য নিয়ে? তার মধ্যে মধু অন্যতম। আমরা S.S FooD-এস এস ফুড আপনাদের কথা চিন্তা আপনাদের হাতে শত ভাগ নির্ভেজাল, ১০০% খাঠি প্রাকৃতিক উপায় সংগ্রহিত সরিষা ফুল এর মধু নিয়ে এসেছি।

সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক Raw মধু তে অ্যাক্টিভ এনজাইম, প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এবং মধু একটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় পদার্থ যাতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকে। আর গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ- কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত।

সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক RAW মধুর ৬ টি বৈশিষ্ট্যঃ

১. টাটকা মধু দেখতে সাধারণত Extra Light Amber রঙের হয়। তবে কিছু দিন পরে জমে যাওয়ার ফলে সাদা রঙের হয়ে যায়।
২. সরিষার জমা মধু কারো কাছে অত্যান্ত পছন্দের আবার কারো কাছে অপছন্দের।
৩. ঘ্রাণ অনেকটা সরিষার ফুলের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
৪. মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে।
মধু পাতলা হলে ফেনা হতে দেখা যায়। আর ঘনত্ব বেশি হলেও সরিষা মধুতে অনেক সময় সামান্য ফেনা হতে পারে।
৫.সরিষা ফুলের মধু ঘন হোক বা পাতলা হক- এটা সারা বছরই জমে থাকে।
৬ ঘন-পাতলা এবং তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করে সম্পূর্ণ মধু বা বেশীরভাগ মধু জমে সাদা হয়ে থাকে। যেটা একেবারে ক্রিম এর মতো দেখা যায় ।

মধু অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন
03/11/2025

মধু অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন

05/02/2024

সরিষা ক্ষেতে।

সজিনা একটি অতি পরিচিত দামি এবং সুস্বাদু সবজি। সজিনার ইংরেজি নাম Drumstick এবং বৈজ্ঞানিক নাম Moringa Oleifera উৎপত্তিস্থল...
22/01/2024

সজিনা একটি অতি পরিচিত দামি এবং সুস্বাদু সবজি। সজিনার ইংরেজি নাম Drumstick এবং বৈজ্ঞানিক নাম Moringa Oleifera উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ হলেও এ গাছ শীত প্রধান দেশ ব্যতীত সারা পৃথিবীতেই জন্মে। বারোমাসি সজিনার জাত প্রায় সারা বছরই বার বার ফলন দেয়। আমাদের দেশে ২-৩ প্রকার সজিনা পাওয়া যায়। বসতবাড়ির জন্য সজিনা একটি আদর্শ সবজি গাছ।

ডায়াবেটিস নিরাময়ে সজিনা পাতার উপকারিতা
সজিনা পাতা
১। ড্রামস্টিক বা মরিঙ্গা ওলিফেরা পাতা রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস-বিরোধী বৈশিষ্ট্য দেখায়। কারণ এতে আছে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করে।

২। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদর্শন করে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৩। এছাড়াও এই পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যাসকরবিক অ্যাসিড থাকে, যা শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়।

৪। এতে উপস্থিত বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ রক্তে-গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, এতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। তাই এটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য খুবই উপকারী। এটি পিত্তথলির কার্যকারিতাও বাড়াতে পারে, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস করে। [1]

৫। ৩০ জন মহিলার মধ্যে একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে তিন মাস ধরে প্রতিদিন ১.৫ চা চামচ (৭ গ্রাম) সজিনা পাতার গুঁড়ো গ্রহণ করলে গড়ে খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা ১৩.৫% কমে যায়।

৬। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছয়জনের মধ্যে আরেকটি ছোট গবেষণায় দেখা গেছে যে খাবারে ৫০ গ্রাম মরিঙ্গা পাতা যোগ করলে রক্তে শর্করার বৃদ্ধি ২১% কমে যায়। [2]

সজিনা কিভাবে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে?
মরিঙ্গা ওলিফেরাতে বেশ কয়েকটি পলিফেনল পাওয়া যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ফ্ল্যাভোনয়েড কোয়ারসেটিন, কেম্পফেরল, ফেনোলিক এসিড, ক্লোরোজেনিক এসিড এবং ক্যাফেওয়েলকুইনিক এসিড। এই যৌগগুলি অ্যান্টিহাইপারগ্লাইসেমিক বৈশিষ্ট্য প্রদান করে বলে মনে করা হয় এবং গ্লুকোজের অন্ত্রের শোষণ হ্রাস করে।

মরিঙ্গা ওলিফেরার জলীয় পাতার নির্যাস α-glucosidase, pancreatic α-amylase এবং অন্ত্রের সুক্রোজের কার্যকলাপকে বাধা দিতে দেখা গেছে, যা অ্যান্টিহাইপারগ্লাইসেমিক বৈশিষ্ট্যগুলিতে অবদান রাখে।

মরিঙ্গা ওলিফেরাতে উপস্থিত ফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ট্যানিনের কারণে এই প্রতিরোধক প্রভাবগুলি সম্ভব। কার্বোহাইড্রেট হজমে বিলম্ব, এই এনজাইমগুলির বাধার কারণে, পোস্ট-প্র্যান্ডিয়াল হাইপারগ্লাইসেমিয়া এবং হিমোগ্লোবিন A1C (HbA1C) হ্রাসের দিকে পরিচালিত করে। [3]

আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, কোনো প্রতিকূল প্রভাব সৃষ্টি না করেই, মরিঙ্গা পাতা গ্লাইসেমিয়া কমাতে দেখা গেছে। গ্লাইসেমিয়া হ্রাস করার জন্য প্রস্তাবিত প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছেঃ

α-amylase এবং α-গ্লুকোসাইডেস কার্যকলাপের বাধা,
পেশী এবং লিভারে গ্লুকোজ গ্রহণ বৃদ্ধি,
অন্ত্র থেকে গ্লুকোজ গ্রহণে বাধা,
লিভারে গ্লুকোনিওজেনেসিস হ্রাস এবং ইনসুলিন সিক্রেটিভিটি বৃদ্ধি।
সজিনা পাতার আরো অনেক উপকারিতা
ডায়াবেটিস নিরাময়ে সজিনা পাতার উপকারিতা
এই পাতার নানা গুণাগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। লেবু থেকে সাত গুন বেশি ভিটামিন-সি রয়েছে এতে। যা আমাদের দেহের ভিটামিন-সির চাহিদা পূরণে সক্ষম।

সজনে পাতায় ডিম থেকে প্রায় দুই গুন বেশি প্রোটিন রয়েছে এবং দুধের চেয়ে চার গুন বেশি ক্যালসিয়াম আছে। যা মানবদেহের জন্য খুব উপকারী। অন্ধত্ব দূর করতেও সজিনা ব্যাপক কার্যকারী, কারণ এতে আছে গাজর থেকেও চার গুন বেশি ভিটামিন-এ। তাই যারা অন্ধত্ব সমস্যায় ভুগে তারা সজনে পাতা খেলে উপকার পাবেন।
সজিনা পাতা এনিমিয়াকে দূর করে। শাকের তুলনায় পঁচিশ গুন বেশি আয়রন রয়েছে এতে। কলা থেকে তিন গুন বেশি পটাশিয়াম রয়েছে। শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সজিনা পাতা দারুণ উপযোগী।
এছাড়া আমাদের শরীরে এন্টি জিংক হিসেবে কাজ করে এ পাতা। পাশাপাশি হার্ট ভালো রাখে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
এটি রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। কোলেস্টেরলের লেভেল কমিয়ে, হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, কোলাইটিস এবং জন্ডিসের সময় ব্যাপক কার্যকরী সজনে পাতা। কাঁচা পাতার রস আরও বেশি উপকারী শরীরের জন্য। এছাড়াও শত বছর ধরে প্রায় তিনশরও বেশি রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এছাড়াও সজিনা বীজের মধ্যে রয়েছে এন্টি ব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস। এটা পানি বিশুদ্ধকরনে অত্যন্ত কার্যকারী। সজিনা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। গর্ভধারণের পরবর্তীতে সব মায়েদের জন্য সজিনা পাতা খুব উপকারী।
ইঁদুরের উপর বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে মরিঙ্গা ওলিফেরার পাতা এবং বীজ আর্সেনিক বিষাক্ততার কিছু প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে।
ডায়েটে সজিনা কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন?
ড্রামস্টিক, বীজ এবং পাতা তিনটি বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। পাতা কাঁচা, গুঁড়ো বা রস আকারে খাওয়া যেতে পারে। পানিতে ড্রামস্টিক পাতা সিদ্ধ করে এর সাথে মধু ও লেবু মিশিয়ে খাওয়া যায়। এছাড়াও ড্রামস্টিক স্যুপ এবং তরকারীগুলিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এক চা চামচ বা ড্রামস্টিকের প্রায় ২ গ্রাম একটি ডোজ নিয়মিত গ্রহণ করা উচিত। ডায়াবেটিক রোগীদের সঠিক ডোজ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সজনে পাতার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ালে এটি ব্যবহার না করাই ভাল।
মরিঙ্গা বা কোনো সম্পূরক গ্রহণ করার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিতে হবে বিশেষ করে যদি কোনো ওষুধ খাওয়া হয়।
কখনো কখনো বুক জ্বালা বা বমি ভাব হতে পারে।
মরিঙ্গা বা কোনো সম্পূরক গ্রহণ করার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিতে হবে বিশেষ করে যদি কোনো ওষুধ খাওয়া হয়।

ডায়াবেটিক রোগীরা সজিনা কিভাবে খাবেন?
সজিনা পাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে সংরক্ষণ করা যায়। পরে চায়ের পাতার মতো ব্যবহার করা যায় অথবা শুকনা পাতা ফুটানো পানিতে দিয়েও চা বানানো যায়।
তাজা সজিনা পাতা পানিতে ফুটিয়ে চায়ের মতো খাওয়া যায়।
সজিনা পাতায় আইসো থায়োসায়ানেট থাকে। ফলে নিয়মিত সজিনা পাতা খাওয়া হলে তা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সজিনা পাতার চা বেশ উপকারী।

শুধু সজিনা খেলেই কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে?
নিয়মিত সজিনা পাতা খাওয়ার মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে তার পাশাপাশি ডায়াবেটিক রোগীকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে। কারণ নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে না চললে শুধু সজিনা খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।

মধু শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি মূলত সুস্বাদু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যনির্যাস। এছাড়াও মধু যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ এতে কো...
21/01/2024

মধু শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি মূলত সুস্বাদু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যনির্যাস। এছাড়াও মধু যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ এতে কোনো সন্দেহ নেই। উপরন্তু বিভিন্ন চিকিৎসার ক্ষেত্রে মধুর বিশেষ বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। মধুর নিরাময়শক্তি বিরাট ও স্বতন্ত্র ধরনের। আর মধুর উপকারিতা ও সুফল সম্পর্কে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে কথা এসেছে।

রাসুলে কারিম মুহাম্মদ (সা.)-এর গোটা জীবন পরিচালিত হয়েছে মূলত নির্ভুল জ্ঞান ওহির মাধ্যমে। তার অসংখ্য হাদিসে যেসব বৈষয়িক বিষয় বর্ণিত হয়েছে, তা সেই সময়ের মানুষের জন্য যতটা না বোধগম্য ছিল, আজ বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে কোরআন ও হাদিসের যথার্থতা ও সত্যতা শুধু স্বীকারই নয়, বরং আজ তা বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও তথ্যের উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শরীরের ব্যাধির চিকিৎসা হলো ওষুধ-পথ্য, যা খাদ্যদ্রব্য থেকে তৈরি করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ওষুধের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কালিজিরা, পেঁয়াজ, রসুন ও মধু।
আল্লাহর হুকুম, রহমত ও কুদরতে মধু প্রতিটি রোগের ওষুধ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন : "...তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। ..." (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৬৮-৬৯)
অন্যদিকে বিভিন্ন হাদিসের বর্ণনার মাধ্যমে জানা যায়, রাসুল (সা.) মধু ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসের এক বর্ণনায় এসেছে, ‘আব্দুলাহ্ ইব্ন মাস'ঊদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন- তোমরা কোরআন ও মধু দিয়ে ব্যাধি নিরাময়ের ব্যবস্থা করবে।’ (ইব্ন মাজাহ, আস-সুনান, খণ্ড : ০২, পৃষ্ঠা : ১১৪২, হাদিস : ৩৪৫২)

রাসুল (সা.)-এর কাছে এক সাহাবি এসে তার ভাইয়ের পেটের অসুখের কথা বললে রাসুল (সা.) তাকে মধু পান করানোর পরামর্শ দেন এবং এতে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। (বুখারি, আস-সহিহ, খ. ৫, পৃ. ২১৫২, হাদিস : ৫৩৬০)
মধুর মধ্যে রয়েছে অনেক রোগের প্রতিষেধক। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন : তাতে মানুষের জন্য রোগের প্রতিকার রয়েছে। (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৬৯)। আর যেকোনো রোগীকে মধু পান করানো হলে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। (আল-বাইহাকি, আস-সুনানুল সুগরা, খ. ৮, পৃ. ৩৪৫, হাদিস : ৩৯৫৮
বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, মধুর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী জীবাণুনাশক ক্ষমতা। এ ক্ষমতার নাম ইনহিবিন। মধুর সঙ্গে কোনো তরল পদার্থ মিশ্রিত হলে তা তরলীভূত হয়ে পড়ে। গ্লুকোজ অক্সিডেজ নামের বিজারকের সঙ্গে মধুর বিক্রিয়া ঘটলে গ্লুকোনা ল্যাকটোন হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডে পরিণত হয়। এই বিক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া মধুতে ডুবিয়ে দিলে মারা যায়। মধু ইস্টের (Yeast) বংশবৃদ্ধি ঘটতে দেয় না। এ কারণে খাঁটি মধু বোতলজাত করে অনেক দিন রাখা যায়। মধু একটি উৎকৃষ্ট প্রিজারভেটিভ বা সংরক্ষক। চিকিৎসাশাস্ত্রের অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদে ঔষধি গুণ বেশিদিন ধরে রাখার জন্য ওষুধের সঙ্গে অ্যালকোহল বা রেক্টিফায়েড স্পিরিট মেশানো হয়। ইউনানিতে এর পরিবর্তে মেশানো হয় মধু। মিয়ানমারের বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা শব দাহ করার আগে মধুতে ডুবিয়ে রেখে সংরক্ষণ করতেন। মিসরে গিজেহ পিরামিডের গহ্বর মধু দ্বারা পূর্ণ করা ছিল। সারা পৃথিবীতে কাশির ওষুধ ও অন্যান্য মিষ্টিদ্রব্য তৈরি করতে প্রতিবছর কমপক্ষে ২০০ টন মধু ব্যবহৃত হয়। খুসখুসে কাশিতে মধুর সঙ্গে লেবুর রস উপশমদায়ক। মাতাল রোগীকে স্থিরাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে মধু কার্যকর ভূমিকা রাখে। (আদ-দিমাশকি, আত-তিব্বুন নববী, খ. ১, পৃ. ২৭)

গ্লুকোজের ঘাটতিতে হৃৎপেশির শক্তি কমে যায়। মধুর ব্যবহার এ ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম। হাঁপানি রোগে মধুর স্থান সবার ওপরে। প্যারিসের ইনস্টিটিউট অব বি কালচারের পরিচালক রিমে কুভেন বলেন : রক্তক্ষরণ, রিকেট, ক্যান্সার এবং শারীরিক দুর্বলতায় মধুর অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। চিনির পরিবর্তে শিশুদের মধু খেতে দেওয়া হয়। চিনি দন্তক্ষয় ঘটায়, কিন্তু মধু তা করে না। মধু ব্যবহারে নবজাতক স্বাস্থ্যবান ও সবল হয়ে ওঠে। (ইবনুল কায়্যিম, তিব্বুন নববী, পৃ. ৫৬)

এক চামচ বাদাম তেলের সঙ্গে দুই চামচ মধু মিশিয়ে কাটা বা পোড়ার ক্ষতে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ইনফেকশন, সাধারণ ঘা, ত্বকের আলসার, পচা-গলা ঘা মধু ব্যবহারে দ্রুত আরোগ্য লাভ হয়। নারীদের গোপন অঙ্গের অসহনীয় চুলকানিতে মধুর ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকর। (মাসিক আশরাফ, এপ্রিল ২০০০. পৃষ্ঠা ২৬,২৭)

মধুর মূল উপাদান হচ্ছে পানি, শর্করা বা চিনি, এসিড, খনিজ, আমিষ ও বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। শর্করাগুলোর মধ্যে থাকে লেকটোলেজ, ডেকস্ট্রোজ, মলটোজ, ডাইস্যাকারাইড এবং কিছু উচ্চমানের চিনি। মধুতে যেসব এসিড পাওয়া যায়, সেগুলোর নাম সাইট্রিক, ম্যালিক, বুটানিক, গ্লুটামিক, স্যাক্সিনিক, ফরমিক, এসিটিক, পাইরোগ্লুটামিক ও অ্যামাইনো এসিড। আর মধুতে মিশ্রিত খনিজ দ্রব্যগুলো হচ্ছে পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্লোরাইড, সালফেট, ফসফেট, কপার, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ প্রভৃতি। থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, ভিটামিন কে ও ফলিক এসিড নামের ভিটামিন মধুতে বিদ্যমান থাকে। (জিয়া আল-মুকাদ্দিসি, কিতাবুল আমরাদি ওয়াল কাফফারাতি ওয়াত তিব্বি ওয়ার রুকিয়্যাত, খ. ৪, পৃ. ১১)

মধু সহজেই পরিপাক হয়। শর্করা থাকায় তা সহজেই শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। মধুর ক্যালরি উৎপাদনক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। প্রতি কেজি মধুতে ৩১৫৪ থেকে ৩৩৫০ ক্যালরি পরিমাণ শক্তি থাকে। মধু শক্তি জোগানোর পাশাপাশি ভিটামিন, খনিজ ও এনজাইম সরবরাহ করে। মধু থেকে প্রসাধনীও তৈরি হয়। ত্বকের স্বাস্থ্যরক্ষায় মধুর ভূমিকা খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। যেসব ভিটামিন মানুষের শরীরে প্রয়োজন, মধুতে সব ভিটামিন রয়েছে। যেমন- ভিটামিন এ, বি, সি ইত্যাদি। (শামসুদ্দীন ইব্ন কায়্যিম, আত-তিব্বুন নববী, খ. ১, পৃ. ৬৬)

মধু নিঃসন্দেহে উত্তম ও উপকারী পানীয়। মধু ও মধুমক্ষিকা আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। আল্লাহর আদেশে বিশেষ কৌশলে মধু উৎপাদনকারী মৌমাছিও তাই আল্লাহর এক প্রিয় সৃষ্টি। আমরা যদি মধুর মূল উপাদানগুলোর প্রতি লক্ষ করি, যার জন্য আল্লাহ এটা খাস করেছেন এবং যার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মধুকে মানুষের শেফা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, তা হলো আমরা দেখতে পাই যে মধুতে রয়েছে সুগার, যার মিষ্টত্ব তৈরি করা সুগারের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। মধুতে প্রায় ১৫ প্রকার সুগার রয়েছে। যেমন- গ্লুুকোজ, স্যাকরোজ, ফ্রুকটোজ, মলটোজ ইত্যাদি। এগুলো প্রতিটিই দ্রুত রক্তের সঙ্গে মিশে যায় এবং সহজেই পরিপাক হয়। অতএব, এককথায় আমরা স্বীকার করতে বাধ্য যে মধুতে মানুষের জন্য রোগের প্রতিকার রয়েছে।

মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম।। সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।

মরিচের উপকারিতা-হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় হাই প্রেশারের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের জন্যও শুকনা মরিচ অনেক উপকারী। -রোগ প্রতিরো...
20/01/2024

মরিচের উপকারিতা
-হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় হাই প্রেশারের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের জন্যও শুকনা মরিচ অনেক উপকারী। -রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। -ওজন কমাতে সাহায্য করে ।

হলুদ আমাদের দৈনন্দিন খাবারের অন্যতম প্রধান উপাদান। হলুদের গুঁড়ো ছাড়া তরকারি রান্না করার কথা ভাবতে পারি না, এবং আমরা বুঝ...
19/01/2024

হলুদ আমাদের দৈনন্দিন খাবারের অন্যতম প্রধান উপাদান। হলুদের গুঁড়ো ছাড়া তরকারি রান্না করার কথা ভাবতে পারি না, এবং আমরা বুঝতে পারি কেন টাটকা এবং ভেজাল মুক্ত খাঁটি হলুদ গুঁড়ো আমাদের জন্য প্রয়োজনীয়!

বাজারে সস্তা এবং বাজে হলুদ গুঁড়োর কোনো অভাব নেই, আমরা সবাই এটি সম্পর্কে জানি। যেহেতু হলুদ গুঁড়ো আমাদের খাবারের জন্য খুবই জরুরি, তাই আমরা আপনাকে বাজারের সেরা,সম্পূর্ণ তাজা এবং পরীক্ষিত মানের হলুদের গুঁড়ো নিয়ে হাজির হয়েছি । হলি ফুডের ভেজাল মুক্ত এবং সম্পূর্ণ তাজা পণ্য অফার করে যা আপনার প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার করা দেখতে পারেন । তাজা হলুদ গুঁড়োর আসল স্বাদ পান এবং হলি ফুডের পণ্যের সাথে খাবারগুলিকে স্বাস্থ্যকর এবং সমৃদ্ধ করুন ।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। খাদ্য ও ওষুধ হিসেবে উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মধু। প্রাচীনকাল ...
19/01/2024

স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। খাদ্য ও ওষুধ হিসেবে উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মধু। প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে মধু সব দেশের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে।

মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকেই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসেবে জমা হয় না।

মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।

ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে।

প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু খেলে যেসব উপকার পাওয়া যায় তা হলো-

হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।

দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।

মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে।

মধুর ক্যালোরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।

যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।

গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে।

আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।

আলসার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী।

দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী।

শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।

ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে।

মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে।

মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।

রক্ত পরিশোধন করে।

শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে।

জিহ্বার জড়তা দূর করে।

মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

বাতের ব্যথা উপশম করে।

মাথা ব্যথা দূর করে ।

শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে।

গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠান্ডাজনিত রোগের বিশেষ উপকার করে।

শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠান্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না।

শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে।

ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়।

মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S.S FooD-এস এস ফুড posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share