Eat For Life

Eat For Life Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Eat For Life, Bashundhara R/A, Dhaka, Dhaka.

কুরআন পড়লে কিছু কিছু শব্দের কন্ট্রাস্ট বারবার চোখে পড়ে-  -বিশ্বাসী ভার্সেস অবিশ্বাসী-মাইন্ডফুল ভার্সেস গাফেল-ধৈর্যশীল ভা...
09/03/2026

কুরআন পড়লে কিছু কিছু শব্দের কন্ট্রাস্ট বারবার চোখে পড়ে-

-বিশ্বাসী ভার্সেস অবিশ্বাসী

-মাইন্ডফুল ভার্সেস গাফেল

-ধৈর্যশীল ভার্সেস অস্থিরমনা

-বিনয়ী ভার্সেস অহংকারী

তবে সব থেকে অদ্ভুত যেই কন্ট্রাস্টটা চোখে পড়ে তা হলো

"শুকুর ভার্সেস কাফের"

অর্থাৎ "গ্রেটফুল ভার্সেস অবিশ্বাসী" এর কন্ট্রাস্টটি

"গ্রেটফুল ভার্সেস আনগ্রেটফুল" না, "গ্রেটফুল ভার্সেস কাফের" এর কন্ট্রাস্ট!

বিষয়টা প্রথমে চোখে পড়ে গ্রেটফুলের ফেমাস আয়াতটিতে

"আর তুমি যদি গ্রেটফুল হও, তাহলে আমি বাড়িয়ে দিবো"

আর যদি তুমি কাফের হও তাহলে আমার শাস্তি সিভিয়ার!"

[কুরআন ১৪:৭]

সো শুকুরের অপোজিট হচ্ছে কুফুর

প্রশ্ন আসে না কেন?

বুঝতে হলে রুটে যেতে হবে!

কুফুর শব্দটা এসেছে ক-ফ-র রুট থেকে

যার অর্থ হচ্ছে "ঢেকে দেওয়া"

ক্লাসিক্যাল এরাবিকে একজন চাষিকে কাফির ডাকা হয়

কারণ সে বীজ বপন করে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়!

অর্থাৎ নিয়ামতগুলো দেখে যখন আমরা একনলেজ করি সেটা হচ্ছে শুকুর

আর যখন তা জেনেও না জানার ভান করে সত্যকে ঢেকে দেই তা হচ্ছে কুফুর!

"গিফট এনজয় করলেন ঠিকই কিন্তু সেটা ঠিক ভাবে এপ্রিশিয়েট করলেন না"- এটা হচ্ছে কুফুর!

খেয়াল করে দেখুন

এই কুফুর কিন্তু আমরা রেগুলারলি করছি-

-সাকসেস পেলাম, কিন্তু তাকে ক্রেডিট না দিয়ে বললাম, এটা আমার হার্ড ওয়ার্ক

-বিপদ থেকে উদ্ধার পেলাম, এগেইন, তাকে ক্রেডিট না দিয়ে বলে দিলাম, এটা তো আমার গুড লাক

-খুব ভালো আছি তা সত্ত্বেও জাস্ট একটা প্রব্লেম আসতেই কমপ্লেইন জুড়ে দিলাম, আমাকে এত আনলাকি বানালে কেন তুমি!

এই না-শুকরিয়া করাটা মনে হয় আমাদের মজ্জাগত একটা বিষয়

তাই তো বোধহয় তিনি ঘোষণা দেন

"তোমরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ গুলো গুনে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অতি মাত্রায় যালিম আর কাফির অর্থাৎ আনগ্রেটফুল "

[কোরান ১৪:৩৪]

তাইতো হাদিস শরীফে এসেছে শুধু মাত্র এই না-শুকরি আর কমপ্লেইন করার কারণে কিছু মুমিন জাহান্নামী হবে!

অর্থাৎ আপনি নামাজী হতে পারেন, রোজাদাড় হতে পারেন, বিশ্বাসি হতে পারেন

কিন্তু আপনার এটিচুডে যদি শুধু কমপ্লেইনিং আর শুকুরহীনতা হয় তাহলে কোন লাভ নাই!

অন্তরভরা কমপ্লেইন নিয়ে সারাদিন আলহামদুলিল্লাহ জপলে কোন লাভ নাই!

কারণ শুকুর জাস্ট জিহ্বা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা না

শুকুর হচ্ছে হৃদয় দিয়ে নিয়ামত গুলো ফিল করা।

শুকুর কোনো টু ডু লিস্ট না যে চেক চেক দিয়ে চলে গেলেন

শুকুর হচ্ছে একটা টু ফিল লিস্ট।

জীবনের প্রতিটা দিকের নিয়ামত গুলোকে একনলেজ করা হচ্ছে শুকুর, যেমন

-আপনার সন্তান আপনার না; এটা আল্লাহর গিফট—বিষয়টা বোঝা হচ্ছে শুকুর

-আপনার চাকরি আপনি পাননি, তিনি ব্যবস্থা করেছেন, এই একনলেজমেন্টটা হচ্ছে শুকুর

-মানুষ আপনাকে ভালোবাসে, রেস্পেক্ট করে, এই অ্যারেঞ্জমেন্টটা আপনার না- তার, বিষয়টা রিয়ালাইজ করা হচ্ছে শুকুর

-আপনার বাবা-মা আপনি চুজ করেননি, আপনাকে তাদের সান্নিধ্য দেয়া হয়েছে, এই ডিপ ফিলোসফিটা বোঝা হচ্ছে শুকুর

-আপনার সুস্থতা আপনার হাতে না, এই বোধটা হচ্ছে শুকুর

-আপনার ঈমান, আপনি নিজে পাননি, তিনি হাতে ধরে আপনাকে পথ দেখিয়েছেন —এই ডিপ আন্ডারস্টেন্ডিংটা হচ্ছে শুকুর

নিজের মধ্যে যদি শুকুরের এই বোধটা জাগাতে পারেন তাহলে কি হবে জানেন?

আপনার আমলগুলো তার ইচ্ছের সাথে এলাইনড হতে থাকবে

-যেই চোখ আপনাকে দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে আপনি খারাপ কিছু দেখবেন না

-যেই মন আপনাকে দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে খারাপ কিছু ভাববেন না

-যেই মাইন্ড আপনাকে দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে খারাপ কিছু চিন্তা করবেন না

-যেই সৌল আপনাকে দেওয়া হয়েছে তা আর পচতে দিবেন না

-কষ্টে ধৈর্য ধরবেন, প্রাচুর্যে বিনয় হবেন আর ক্ষমতায় জাস্ট হবেন!

খেয়াল করে দেখুন

উপর আমলগুলোর মধ্যে কিন্তু একটা কমন থ্রেড আছে

থ্রেডটা হলো চয়েজ!

আমাদের প্রতিটা অ্যাকশনের পিছে একটা চয়েজ আছে

"দেখবো কি দেখবো না", "শুনবো কি শুনবো না", "করবো কি করবো না"

এই চয়েজ, শুকুর আর কুফুরকে তিনি এক সূত্রে বেঁধে বলেন

"আমি তাকে গাইড করেছি, এখন হয় সে শুকুর করবে, নয়তো সে কুফুর করবে।

[কোরান ৭৬:৩]

অর্থাৎ গাইডেন্স আমাদেরকে একটা চয়েজ দেবে

আমরা বুঝতে পারব কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল

এবং বুঝে হয় তা একনলেজ করবো নয়তো সেই ফিলিংসটা দাবিয়ে রাখবো।

হৃদয় হয়ত বলবে এটা উপর থেকেই আসছে

কিন্তু ইগো সেটাকে অন্য একটা লেবেল লাগিয়ে ঢেকে ফেলবে!

এই জন্যই কুফুর এত ডেঞ্জারাস

সে আমাদের হার্টকে ব্লক করে ফেলে।

অথচ এই ডেঞ্জারাস গেইমে আমরা মোটামুটি সবাই আসক্ত

তাই তো তিনি আবারো ঘোষণা দেন

"আমার সার্ভেন্টদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই আছে যারা গ্রেটফুল!"

[কোরান ৩৪:১৩]

খুব কম সংখ্যকই বিশ্বাসী কিন্তু বলেননি, বলেছেন খুব কম সংখ্যকই গ্রেটফুল

কারণ বিশ্বাস হচ্ছে "ইভেন্ট" আর শুকুর হচ্ছে একটা "লাইফস্টাইল"

তাহলে প্রশ্ন আসে না, আমরা বেশির ভাগ মানুষ কেন এত আনগ্রেটফুল?

আমার মনে হয় বেশিরভাগ মানুষ আমরা আনগ্রেটফুল কারণ

আমরা হলাম ইগোইস্টিক!

আমরা কনফিডেন্সের নামে দিনদিন অ্যারোগেন্ট হয়ে উঠছি!

আর অ্যারোগেন্স কি করে জানেন?

অ্যারোগেন্স আমাদের হার্টকে সত্য থেকে ব্লক করে রাখে!

এটা কোনো ফিলোসফি না, ডিরেক্ট রাসূলের কাছ থেকে পাওয়া!

জানা যায় উনার বিখ্যাত হাদিস থেকে-

"কারো অন্তরে যদি বিন্দু পরিমাণ অ্যারোগেন্স বা অহংকার থাকে

তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না"

"কোন ধরণের অ্যারোগেন্স"?

এর উত্তরে তিনি বলেন

সেই ধরণের "অ্যারোগেন্স" যা

"সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে" আর "মানুষকে তুচ্ছ মনে করে"

[সহি মুসলিম ৯১এ]

তাহলে প্রশ্ন আসে না কীভাবে আমরা এই অ্যারোগেন্স থেকে দূরে থাকবো?

উত্তর: হিউমিলিটি দিয়ে বা বিনয় দিয়ে!

কারণ একটা বিনয়ী হার্ট

-সত্যকে রেকগনাইজ করে

-ব্লেসিংকে একনলেজ করে আর

-গাইডেন্সকে একসেপ্ট করে

তাইতো আমাদের দ্বীনের ওয়ান অফ দা ফান্ডামেন্টাল টিচিংসই হলো:

"বিনয়ী হওয়া"

কারণ বিনয়ী হার্ট গাইডেন্সের জন্য রেডি থাকে।

তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে

কিভাবে এই হার্টকে আমরা বিনয়ী করে তুলবো?

উত্তর: "মানুষকে তুচ্ছ না করে"

তবে সেটা তো আর হুট্ হাট করে হয় না

ডেইলি ছোট ছোট প্র্যাকটিসের মাধ্যমে বিল্ড আপ করতে হয়।

কিছু ডেইলি প্র্যাকটিসের এক্সাম্পলের হবে অনেকটা এরকম-

-কাউকে ছোট না করে সম্মান দিয়ে কথা বলুন

-তার পদ অনুযায়ী জাজ না করে এফোর্ট অনুযায়ী রেসপেক্ট করুন

-তার ভুল হলে, সেই ভুলে না হেসে, তাকে শিখতে সাহায্য করুন

-সে কথা বলতে থাকলে, আগে তার কথা শেষ করতে দিন, নিজের পয়েন্ট জাহির না করে তাকে ইন্টারাপ্ট না করে, আগে মন দিয়ে শুনুন

-"আপনি সব জানেন" এটা শো অফ না করে, "আপনি যা জানেন না" সে বিষয়ে কিউরিয়াস হয়ে উঠুন, প্রশ্ন করুন

-"আপনিই ঠিক" এটা প্রমাণ না করে, কোনটা "আসলেই ঠিক" সেই সত্যটা বের করার অভ্যাস গড়ুন

আর যদি তাতেও বেহেভিয়ারে চেঞ্জ আসছে না, তাহলে একবার অন্তত ভাবুন

"আপনি তার থেকে বেটার" এর অর্থ কি জানেন?

এর অর্থ হলো "আপনার উপর অর্পিত নিয়ামত তার থেকে বেশি"

এর অর্থ হলো "আপনার হিসাবও তার থেকে বেশি"

সো রোজ হাশরে আপনাকে যখন নিয়ামতগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে

একটু ভাবে দেখুন তো

ঠিকঠাক ভাবে উত্তর গুলো দিতে পারবেন তো!!

New lot anbo tai ei lot discount a diye dibo, 230 per lrt. Inbox hurry to get ur bottle
22/12/2025

New lot anbo tai ei lot discount a diye dibo, 230 per lrt.
Inbox hurry to get ur bottle

20/12/2025

কোথায় যেনো পড়েছিলাম….. জানাজায় মানুষের উপস্থিতি দেখলে বোঝা যায় মৃত মানুষটা কেমন ছিলো আর মৃত‍্যুর পর কি তার জন্য অপেক্ষা করছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও মানুষ হিসেবে মানুষের একটা পরিচয় আছে। এরকম করে মানুষের ভালোবাসা কয়জনই বা পায়।

এই ভালোবাসা তোরই অর্জন ওসমান। এর চেয়ে বেশি কিছু তোকে দিতে পারলাম না আমরা। তুই আমাদের দিয়েছিস অনেক। ক্ষমা করে দিস ভাই এদেশের মানুষকে। জীবনানন্দের মত অশ্রু ভেজা চোখে বলতে হয়। যদি সুযোগ হয় ফিরে এস বাংলায় শঁঙ্খচিল হয়ে, তুমি ফিরে এসো কলমির গন্ধ ভরা জলে মিশে, তুমি ফিরে এসো রূদ্র রূপে বাংলার রাজপথে। তুমি মিশে থাকো ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই বাংলার প্রতিটি ইঞ্চিতে। আমরা তোমাকে এই মাটির গন্ধে খুঁজে নিবো।
বিনম্র শ্রদ্ধা হে মহাবীর।

আজ আমরা গভীর শোকের সাথে জানাচ্ছি, ওসমান হাদির প্রয়াণ আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর সৎ পথচলা, সদয় আচরণ ও মানবিকতা...
20/12/2025

আজ আমরা গভীর শোকের সাথে জানাচ্ছি, ওসমান হাদির প্রয়াণ আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর সৎ পথচলা, সদয় আচরণ ও মানবিকতা আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী দাগ রেখে যাবে।

ইট ফর লাইফের পক্ষ থেকে আমরা তাঁর প্রতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তিনি তাঁর কাজ, মূল্যবোধ ও স্মৃতির মাধ্যমে আমাদের মধ্যে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

এইবার রস না খেলে আসলেই মিস করবেন। সত্যি বলিতেছি, আসলেই মিস করবেন।  অর্ডার করবেন না জানিয়াও পোস্ট করিলাম, মেসেজ দিয়ে হলেও...
19/12/2025

এইবার রস না খেলে আসলেই মিস করবেন। সত্যি বলিতেছি, আসলেই মিস করবেন।
অর্ডার করবেন না জানিয়াও পোস্ট করিলাম, মেসেজ দিয়ে হলেও নিজের আত্মাকে শান্তি দিয়েন। আর অর্ডার করিলে আমদের আত্মাও শান্তি পাবে এই ভেবে যে কাউকে ভালো জিনিস খাওয়াতে পেরেছি।
দাম লিখিয়া দিলাম
প্রতি লিটার বোতল ২৮০টাকা মাত্র। ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য থাকিবে।
আপনার নাম, ঠিকানা আর ফোন নাম্বার দিয়া চাহিলে মেসেজ করিয়া অর্ডার করিতে পারেন।
চাহিবা মাত্র দিতে বাধ্য থাকিবো।
ইতি আপনাদের অতি বাধ্যগত
Eat For Life

খুব কষ্ট পেয়ে এই কথাটা মনে আসছিলো,  "এটলিষ্ট সাড়ে তিনহাত মাটি তো পাবো"। এই কথাটা কেন যেনো একধরনের শিরক লাগলো,  কারন মাটি...
10/12/2025

খুব কষ্ট পেয়ে এই কথাটা মনে আসছিলো, "এটলিষ্ট সাড়ে তিনহাত মাটি তো পাবো"।
এই কথাটা কেন যেনো একধরনের শিরক লাগলো, কারন মাটির আমি মাটিতে মিশবো, ওটাও আমার জায়গা না। দুনিয়া আমার থাকার বা নিজের বলার জায়গা না। জান্নাতই আমার আসল জায়গা, কিন্তু তা তো অর্জন করতে হবে। কারন বিনা বাক্যে আল্লাহ যা দিয়েছিলেন তা আমরা ধোকায় পড়ে হারিয়েছি। আল্লাহ মাফ করে দিন।

জীবন সুন্দর কখনো না, মৃত্য হতে হবে সুন্দর, কারন আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় দুনিয়ার খলিফা হিসেবে পাঠিয়েছেন, কিছু কালের জন্য আমারদের রিজিক দিয়েছেন।
আমাদের গন্ত্যব্য জান্নাত, যেখানে আল্লাহ সৃষ্টির পর আদম আঃ কে রেখেছিলেন। তার আগে থেকেই আল্লাহ সুবহানাহু তা আলা আদম আঃ কে দুনিয়ার সব কিছু শিখিয়েছেন, ফেরেশতাদের পরিক্ষা করেছেন। ইনসান কে জান্নাতে পাঠিয়েছেন যেখানে সে তার জীবন অতিবাহিত করবে, শুধু একটা নিষেধাজ্ঞা দিলেন। কারন তিনি চান আমরা যেনো শুধু তারই ইবাদত করি। কিন্তু আমরা তার অবাধ্য হলাম। দুনিয়া আল্লাহ তায়ালা আমদের জন্য বানিয়েছেন ঠিক, কিন্তু ভোগ করার জন্য না। তাই কবরও আমাদের না। রুহের আমিকে আল্লাহ কেয়ামতের আগ পর্যন্ত রুহের জগতেই নিয়ে যাবেন দুনিয়ায় আমার পার্ট শেষ হওয়ার পর। আমাদের জন্য অফুরন্ত ভোগের বস্তু শুধু মাত্র জান্নাতে আছে।
সাড়ে তিনহাত মাটি পাবো কথাটাও দুনিয়ার থাকার বাসনা। জানিনা এমন কত শত শিরকি কথা বলি, জানিনা মাফ পাবো কিভাবে।
এখন শুধু এইটুই চাওয়া দুনিয়ার পেছনে ছোটা যেনো আর নাহয় দুনিয়ায় কাজ। আল্লাহ যেনো হন আমার আপনার মূল উদ্দেশ্য।
"রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাতাও, ওয়াক্বিনা আজাবান্নার"।

08/12/2025

🥹🥹🥹

একদা খলিফা আল মামুন এক অপরূপ সুন্দরী দাসী ক্রয় করলেন। মেয়েটি ছিল চাঁদের মতো সুন্দর, তার শরীর ছিল গোলাপের মতো কোমল এবং বু...
06/12/2025

একদা খলিফা আল মামুন এক অপরূপ সুন্দরী দাসী ক্রয় করলেন। মেয়েটি ছিল চাঁদের মতো সুন্দর, তার শরীর ছিল গোলাপের মতো কোমল এবং বুদ্ধিমত্তায় সে ছিল অনন্য।

এক রাতে খলিফা মামুন সেই দাসীর সাথে একান্ত সময় কাটানোর ইচ্ছা পোষণ করলেন। কিন্তু দাসীটি খলিফার ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলল এবং অনিহা প্রকাশ করল। এতে খলিফা ভীষণ রেগে গেলেন। রাগে তার মনে হলো তিনি তলোয়ার দিয়ে মেয়েটির মাথা দুই টুকরো করে ফেলবেন।

খলিফাকে উদ্যত দেখে দাসী বলল:
“জাঁহাপনা! আপনি চাইলে আপনার ধারালো তলোয়ার দিয়ে আমার মাথা কেটে ফেলতে পারেন, কিন্তু দয়া করে আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হবেন না।”

খলিফা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কেন? আমার কোন আচরণ তোমার খারাপ লেগেছে আমার কী দোষ?”

দাসী তখন অত্যন্ত সাহসের সাথে তেতো সত্যটি বলল:
“আপনি আমাকে মারুন বা কাটুন, তাতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু আপনার মুখের দুর্গন্ধে আমি ভীষণ কষ্ট পাচ্ছি। তলোয়ারের আঘাত একবারই জান কবজ করে, কিন্তু মুখের দুর্গন্ধ প্রতি মুহূর্তে জান বের করে নেয়।”

একজন সাধারণ দাসীর মুখে এমন অপমানজনক কথা শুনে খলিফা প্রথমে খুব কষ্ট পেলেন এবং রেগে গেলেন। তিনি সারারাত ঘুমাতে পারলেন না।
কিন্তু খলিফা মামুন ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তিনি রাগ দমন করলেন এবং পরদিন সকালেই রাজ্যের বড় বড় চিকিৎসক ও হেকিমদের ডাকলেন। তিনি তাদের কাছে নিজের সমস্যার কথা খুলে বললেন এবং চিকিৎসা চাইলেন। চিকিৎসকরা তাকে বিভিন্ন ওষুধ দিলেন। চিকিৎসার ফলে তার মুখের দুর্গন্ধ দূর হলো এবং গোলাপের মতো সুবাস ফিরে এল।

সুস্থ হওয়ার পর খলিফা সেই দাসীকে আবার ডাকলেন। তবে এবার শাস্তির জন্য নয়, বরং তাকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু ও সহচর বানিয়ে নিলেন।

খলিফা বললেন:
“এই মেয়েটিই আমার প্রকৃত বন্ধু। কারণ, সে আমার দোষ ধরিয়ে দিয়েছে। অন্যরা আমার ভয়ে এই দোষ গোপন রেখেছিল, কিন্তু সে সত্য বলে আমাকে সংশোধন করেছে।”

গল্পের শেষে শেখ সাদী (রহ.) অত্যন্ত মূল্যবান কিছু উপদেশ দিয়েছেন:

১. যে তোমার দোষ মুখের ওপর বলে দেয় এবং বলে “তোমার পথে কাঁটা আছে”, সেই তোমার আসল শুভাকাঙ্ক্ষী। আর যে তোমার ভুল পথে চলা দেখেও বলে “তুমি ঠিক যাচ্ছ”, সে আসলে তোমার ওপর জুলুম করছে।

২. যদি কেউ তোমার দোষ না ধরে, তবে তুমি নিজের দোষগুলোকেও গুণ মনে করতে থাকবে। অজ্ঞতার কারণে নিজের ভুল বোঝা যায় না।

৩. মধুর মতো মিষ্টি কথা সবসময় উপকারী নয়। কখনো কখনো নিরাময়ের জন্য ‘তেতো ওষুধ’ (কটু সত্য) গেলার প্রয়োজন হয়। সা'দী বলছেন, আমার এই উপদেশগুলো ওষুধের মতো তেতো হতে পারে, কিন্তু আমি এতে জ্ঞানের মধু মিশিয়ে দিয়েছি যাতে তোমরা গ্রহণ করতে পারো।

📖 বোস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.

01/12/2025

দুধ চিতই পিঠার অর্ডার নেয়া হচ্ছে, আগ্রহীগন ইনবক্সে আপনার ডিটেইলস দিয়ে অর্ডার বুক করুন।
5পিস দুধ চিতই পিঠা সাথে থাকছে মালাই অন দা টপ
১বক্স ৫৫০টাকা

28/10/2025

আচার‼️ আচার ‼️আচার ‼️
আসছে জলপাই, আমড়া, আর কদবেলের আচার....
#আচার

ইলিশের যেই দাম হইসে তাতে এর পোষ্ট করতেও লজ্জা লাগে। অনেক পুরনো এক ক্লায়েন্টের জন্য করলাম আজকের "whole baked shorisha ili...
20/09/2025

ইলিশের যেই দাম হইসে তাতে এর পোষ্ট করতেও লজ্জা লাগে।
অনেক পুরনো এক ক্লায়েন্টের জন্য করলাম আজকের "whole baked shorisha ilish"
Alhamdulillah ❤️

 #গ্যাস লাইটিংভয়ানক এক মানসিক চর্টার, আপনি এর শিকার নয়তো?গ্যাস লাইটিং শব্দটা একটা ফিল্মের নাম গ্যাস লাইট থেকে এসেছে । এই...
01/06/2025

#গ্যাস লাইটিং
ভয়ানক এক মানসিক চর্টার, আপনি এর শিকার নয়তো?

গ্যাস লাইটিং শব্দটা একটা ফিল্মের নাম গ্যাস লাইট থেকে এসেছে । এই সিনেমায় একজন স্বামী কিংবা স্ত্রীর সম্পর্কের ব্যাপারে দেখানো হয়েছে । স্বামী তার নিত্য শোবার ঘরের গ্যাসের লাইট কমিয়ে বাড়িয়ে তার স্ত্রীকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করতো যে, ঘরের আলো সব ঠিক আছে । অবশেষে তার স্ত্রী বিনা অসুখে পাগলা গারদে গিয়ে ভর্তি হয় ।

যাই হোক মূল কথায় আসি , গ্যাস লাইটিং সম্পর্কে যে কোন একজন গ্যাস লাইট করে থাকে । সে তার অপর পার্টনারকে ভিকটিম বানিয়ে তাকে বিশ্বাস করানো চেষ্টা করে সে যা চিন্তা করেছে , কিংবা বিশ্বাস করে তার চিন্তা চেতনা পুরোটাই ভুল ।ভিকটিমের প্রতিটা বিহেবিয়ারের সে ভুল ধরে । পরবর্তীতে ভিকটিম ভেবেই নেয় সে ভুল । অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করার নামই গ্যাস লাইটিং । আরেকজনের আত্ন বিশ্বাসকে ভেঙ্গে দিয়ে তাকে তার অস্হিত্ব সম্পর্কে সন্ধিহান করে তোলে। এটা মূলত একজন পার্টনার তার অপর পার্টনারের উপর কতৃর্ত্ব করতেই এই মানসিক গেইম খেলে থাকে।যাতে করে ভিকটিম তার হাতের মুঠোয় থাকে।

গ্যাস লাইটিং এর আরেক অর্থ ভিকটিমের সবচেয়ে বড় দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে তার স্বার্থ হাসিলের জন্য তাকে ব্যবহার করার আরেক নাম ।ভিকটিমকে বাস্তবতা ও দূর্বলতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে সে সুযোগ নিয়ে নিজের মতবাদকে সে প্রতিষ্ঠিত করে ।ভিকটিমকে অপরাধবোধ ভুগাতে এই খেলাটা শুরু করে।

গ্যাস লাইটিং সে করতে পারে যে ব্যাক্তি ভিকটিমের খুব আপন কেউ হয় ।উদারহন স্বরূপ বলা যেতে পারে পার্টনার , বন্ধু , অফিসের কোন ঘনিষ্ঠ কলিগ , বস ,বাবা , মা।ভিকটিম যাকে সবচেয়ে আস্হায় জায়গায় রাখে , একমাত্র সে এটা করে থাকে।

মূলত ভিকটিমের সাথে এটা করার জন্য কখনো সে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে মজা করে কথা বলে। আত্নীয় স্বজনের সামনে ছোট করে কিন্তু সরাসরি অপমান করে না। সামান্য বিষয় নিয়ে কথা বলা বন্ধ করে দেয় ।তাকে মানষিক যন্ত্রনা দিয়ে বিশ্বাস করায় ভিকটিম ভুল ছিলো।যারা এই গ্যাস লাইটিং এর স্বীকার হন তারা প্রথমে বুঝতে পারে না । দীর্ঘদিন নিজের আত্মবিশ্বাস খোয়াতে খোয়াতে এক সময় ভিকটিম নিজেও বিশ্বাস করা শুরু করে গ্যাস লাইটিং যে করছে সে সত্য এবং তার নিজের অনেক ভুল আছে ।

অবশেষে এই গ্যাস লাইটিং এ স্বীকার ব্যাক্তি কেবল মানষিক অসুস্হতাই ভোগে না , তারা নিজের প্রতি আস্হা হারায় আর নিজেকে গুটিয়ে নেয় ।কোন কাজ মনযোগ দিয়ে করতে পারে না।শরীরে ও মনে অসুখ দানা বাঁধে । নিজেকে নিজে প্রশ্নবিদ্ধ করতে থাকে ।
সে বিশ্বাস করে নেয় সে যা করছে সবটাই ভুল ।ভিকটিম এক সময় পরনির্ভরশীল হয়ে পরে।মানষিক অত্যাচারের ভয়ে ভিকটিম অনেক পারিবারিক অত্যাচার চেপে যান । সহ্য করে নেন । লোকদের কাছে সত্যটা লুকানোর চেষ্টা করেন ।
এবং নিজেদের মূল্যহীন ভাবা শুরু করেন ।
অবশেষে নিজে পুরোপুরি একা হয়ে যায় ।

প্রতিকারঃ
চাইলেই অনেক সম্পর্ক থেকে আমরা বের হতে পারিনা।আমরা যা করতে পারি -

১/ নিজেকে একা করা যাবে না।
২/ যে এই গ্যাস লাইটিং করে তাকে ইগ্নোর করা শিখতে হবে ।
৩/বন্ধু বান্ধব আত্নীয় স্বজনদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন ।
৪/ মনের কথা কাউকে খোলে বলুন ।
৫/ ডাইরীতে ঘটনা গুলো লিখে এক্সামিন করেন ।
৬/ সন্তানদের জন্য অনেকেই সম্পর্ক ধরে রাখতে বাধ্য হন । তারা একজন মানষিক ডাঃ সাহায্য নিতে পারেন ।ঘনিষ্ট কারো সাথে সুপরামর্শ নিয়ে চলেন ।

৭/ আপনার ভালো গুন গুলোকে বারে বারে নিজেকে মনে করিয়ে দেন । আপনি নিজেকে বলেন আপনি কখনোই ভুল না।

৮/ সুক্ষ্ন ভাবে এই গ্যাস লাইটিং করা মানুষ গুলোকে এড়িয়ে চলুন ।তাদের মতবাদকে পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই ।

৯/যদি সম্পর্ক ত্যাগ করা সম্ভব না হয় , আপনার দুনিয়া ও আপনার মানসিক শান্তির জন্য যারা প্রযোজ্য তাদেরকে ধরে রাখুন ।

তবে এই গ্যাস লাইটিং যারা করে তারা এক ধরনের হীন মনের মানুষ । জোর জবরদস্তি করে নয় বরং মানষিক ভাবে আরেকজনকে কন্ট্রোল করার জন্য তারা অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে যায় ।এদের কে আমরা ভয়ংকর ক্রিমিনাল বল্লেও ভুল হবে ।

কৃতজ্ঞতা -
(অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রাইসুল ইসলাম পরাগ)

Address

Bashundhara R/A, Dhaka
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eat For Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Eat For Life:

Share