07/11/2025
#রোজেলা চা #
আল্লাহ কি অশেষ দান 😊
রোজেলা চা এর এত কেন উপকারিতা আপনি কি জানেন?
রোজেলা ফল এর চাঃ
নাম তার রোজেলা, প্রচলিত ভাবে বাজারে একে চুকাই, মেষ্টা ও বলা হয়ে থাকে। এটি হালকা গোলাপী বর্ণের ফল, দেখতে অনেকটা ফুলের কলির মতো। মূলত বাংলাদেশে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এলাকায় বেশি হয়। বিশেষ কিছু ভেষজ গুনাবলী থাকায় এর ব্যবহার বেশি হয়।
রোজেলা ফলের গুনাগুনঃ
– ঠান্ডা কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে,
– হজমে সাহায্য করে।
– টক স্বাদযুক্ত হওয়ায় এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। এর টক স্বাদের জন্য একে ডাল, তরকারি বা মাছের রান্নায় ব্যবহার করা যায়।
– এর গোলাপী বর্ণটি মূলত অ্যান্থোসায়ানিন জন্য হয়ে থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে, রক্তে চিনির পরিমান নিয়ন্ত্রন করে তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করে।
– পিরিয়ড সময় একজন মেয়ে বা নারীর হরমোনের পরিবর্তনের কারনে হতাশা, হঠাৎ করে মন-মেজাজের রূপ পরিবর্তন এবং রোজেলা চা এই সময়টাই সবচেয়ে বেশি উপকারী।
কিন্তু গর্ভাবস্থায় এই পানীয় পান করা যাবে না।
– অম্ল, বুকে জ্বালা-পোড়া, অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে এই চা পান করা যাবে না।
এই ফল দিয়ে চা কিভাবে তৈরি করা যায়?
রোজেলা চা উপকরনঃ
• রোজেলা – ২ চামচ
• আদা কুচি- ১/২ চা চামচ
• পানি ২ কাপ
• মধু / গুড় ১ চা চামচ বা গুড় ১/২ চা চামচ
প্রণালীঃ
১। প্রথমে রোজেলা ফলগুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে সুতির কাপড়ে বা তোয়ালেতে শুকিয়ে অন্য আরেকটা কাপড়ের উপর রোজেলা বীজ ফেলে শুধু পাপড়ি নিয়ে তা ভালোভাবে শুকাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষন করার জন্য পাতলা নেটের ব্যাগে পাপড়িগুলো ২-৩দিন রোদে রেখে শুকাতে হবে।
একবার ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে শুকনো পাপড়িগুলো ‘রোজেলা চা’ বানানোর জন্য একদম তৈরী। পুরোপুরি শুকানোর পর রোজেলার পাপড়িগুলো কাচের জার –এ সংরক্ষন করলে সঠিক স্বাদ বজায় থাকবে।
২।একটি পাত্রে পানিতে আদা,রোজেলা পাপড়ি ২চামচ দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে।
৩।এরপর পানি রং হালকা গোলাপি থেকে গাঢ় গোলাপি হয়ে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে।
৪।স্বাদ অনুযায়ী মধু/চিনি দিয়ে গরম গরম খেতে পারেন।
💖💖💖অর্ডার করতে ইনবক্স চেক করুন।
অথবা যোগাযোগ করুন 01737-159963 নাম্বারে
#রোজেলা_চা
#সুস্থতা_এককাপে