Alada Bazar

Alada Bazar বিশুদ্ধ ও টাটকা পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌ?

ঘি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টিকর   হওয়ায় নিয়মিত খুব অল্প পরিমাণই সুস্থ থাকার জন্য যথেষ্ট । প্রতিদিন ১ চামচ ঘি হা...
18/02/2022

ঘি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টিকর হওয়ায় নিয়মিত খুব অল্প পরিমাণই সুস্থ থাকার জন্য যথেষ্ট । প্রতিদিন ১ চামচ ঘি হার্ট ও নার্ভের জন্য ভালো, ত্বক সুন্দর করে, স্বাস্থ্যকর উপাদেয় একটা খাবার।
কিন্তু আমরা একদিনে ঘিয়ে বানানো বিরিয়ানি, রোস্ট, রেজালা, খাস্তা পরোটা, জর্দা, হালুয়া ইত্যাদি ইত্যাদি ১০-১৫ টা হেভি প্রিপারেশন বানাই এবং পেট পুরে খাই। এতে হিতে বিপরীত ঘটে।
একদিনে বেশি না খেয়ে প্রতিদিন এক চামচ খাঁটি ঘি গরম ভাতে ছড়িয়ে বা ঘিয়ে ডিম ভেজে বা রুটি -পরাটায় মিশিয়ে খান। সুস্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এর কোন বিকল্প নেই।

আলাদা বাজার থেকে অনায়াসে খাঁটি ঘি সংগ্রহ করতে আপনার নাম ঠিকানা ও ফোন নাম্বার আমাদের মেসেজ করুন।
প্রতি কেজি ঘি ১৩০০ টাকা ( ১ কেজিতে ৫০৳ ডিসকাউন্ট আছে)
হোম ডেলিভারি চার্জ ৫০ টাকা (ঢাকা শহরে)
আমাদের ফোন নাম্বার: 01727585958
ওয়েব: www.aladabazar.com

15/02/2022
ইসলামের দৃষ্টিতে রাসূল (সা.)-এর যুগ থেকেই মুসলমানগণ কালোজিরার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করে আসছেন। এ ব্যাপারে একটি হাদিস ত...
05/02/2022

ইসলামের দৃষ্টিতে রাসূল (সা.)-এর যুগ থেকেই মুসলমানগণ কালোজিরার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করে আসছেন। এ ব্যাপারে একটি হাদিস তাদেরকে উৎসাহিত করেছে। হাদিসে এসেছে রাসূল (সা.) বলেছেন, তোমরা কালোজিরার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করো। কেননা তাতে মৃত্যু ব্যতীত সব রোগের নিরাময় রয়েছে। সহি বুখারি। কালোজিরার ভেষজ ব্যবহার : * নিদ্রাহীনতায় : মধু মেশানো এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চামচ কালোজিরা মিশিয়ে ঘুমের পূর্বে সেবন করতে হবে। এতে করে অনিদ্রা দূর হয়ে প্রচুর ঘুম হবে। * মাথা ব্যথায় : পরিমাণ মতো কালোজিরার চূর্ণ এবং তার অর্ধেক পরিমাণ গরম লবঙ্গ এবং অর্ধেক পরিমাণ মৌরিফল এক সাথে মিশিয়ে মাথা ব্যথার সময় ননিযুক্ত দুধের সাথে সেবন করতে হবে। আর কালোজিরার তৈল দ্বারা যন্ত্রণার স্থানে ডলে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। * যৌবন ধরে রাখতে ও লাবণ্যের জন্য : কোমল কালোজিরা পাতলা সিরকা এবং এক চামচ পরিমাণ গমের গুঁড়া মেশাতে হবে। এই মিশ্রণ সন্ধ্যা বেলায় মুখম-লে মালিশ করবে এবং সকালে গরম পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন একাধিকবার তা করবে। আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে যদি উষ্ণ পানীয় সহযোগে কালোজিরার তেল সেবন করা যায়। মধু : কুরআনের আলোকে-‘আর মৌমাছির পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানি নির্গত হয়, যা মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।’ সূরা নাহল : ৬৯। হাদিসের আলোকে-হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, কুরআন হলো যেকোনো আত্মিক রোগের জন্য আর মধু হলো দৈহিক রোগের জন্য। ইবনে মাজাহ। মধুর ব্যবহার : মিষ্টিস্বাদের জন্য বিভিন্ন খাবারের সাথে মধুর ব্যবহার রয়েছে। মধুর গুরুত্ব ও উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। সকালের নাশতা ও হালকা খাবারে মধু নেয়া যায়। মধুতে ক্যালরি থাকায় মধু খাওয়ার পর শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এ প্রোটিন দেহের গঠন বৃদ্ধি সাধ্ম ও ক্ষয় পূরণে যথেষ্ট কার্যকর। মধুর ম্যাগনেশিয়া ও ফসফরাস শরীরের হাড় গঠনে সহায়ক। মধুর ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম হৃৎপি-কে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বিভিন্ন এসিড পাকস্থলির বিভিন্ন জৈবিকক্রিয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ করে। মধুতে শক্তিশালী জীবাণুনাশক ক্ষমতা রয়েছে, যার নাম ইনহিবিন। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুর বহুল ব্যবহার হয়। যেকোনও ওষুধকে বেশি প্রভাবশালী ও কার্যকরী করার জন্য মধুর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন রোগে মধু ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন- *যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে মধু : দৈহিক ও যৌনশক্তি বৃদ্ধির জন্য মধু গরম দুধের সাথে পান করলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়। প্রতিদিন কালোজিরা মধু দিয়ে চিবিয়ে খেলে বা দৈনিক দুই চামচ আদার রস মধু দিয়ে খেলে প্রচুর পরিমাণে যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। * পোড়া : শরীরে কোথাও পুড়ে গেলে সামান্য মধু, মেহেদী পাতার সঙ্গে বেটে লাগালে এতে পোড়াজনিত জ্বালা ও কষ্ট লাগব হয়। * কোষ্ঠ কাঠিন্য : এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবু ও এক চামচ আদার রস এবং দু’চামচ মধু মিশিয়ে খেলে অজীর্ণ রোগ দূর হয় ও কোষ্ঠ কাঠিন্য প্রশমিত হয়। * রক্তচাপ : দু’চামচ মধুতে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ও রাতে সেবন করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক হয়ে যায়। * কাশি : আদা, পান, তুলসীর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে দিনে দু’তিন বার খেলে কাশি কমে যায়। *দাঁতের ব্যথা : হঠাৎ যদি দাঁতে ব্যথা অনুভূত হয় তাহলে মধুতে তুলা ভিজিয়ে ব্যথার স্থানে রাখলে ব্যথা কমে যাবে। রূপচর্চায় মধু ব্যবহার : দীর্ঘকালের মুখের দাগ তুলতে ও লাবণ্য মসৃণতায় মধু মেখে উপকার পাওয়া যায়। পরিশ্রম ও গরমে ক্লান্ত অবসন্ন হয়ে পড়লে ঠা-া পানির সাথে লেবুর রস মিশ্রিত মধুর শরবত পান করলে দেহে উদ্যম ও সজীবতা ফিরে আসে। বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতে মধুর রয়েছে ব্যাপক ব্যবহার। মোট কথা কালোজিরা ও মধুর উপকারিতার শেষ বা সীমা নেই। কালোজিরা ও মধু আল্লাহ প্রদত্ত এক বিশেষ নিয়ামত।

সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ করতে চাইলে আমাদের মেসেজ করুন
অথবা ফোন করুন 01727585958 এই নাম্বারে।

প্রতি কেজি মধু মাত্র ৪৫০ টাকায় পাবেন।

ডেলিভারি চার্জ:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোর ও সিলেট (শহরে) হোম ডেলিভারি চার্জ ৫০ টাকা।
অন্যান্য জেলা ও উপজেলায় নিকটস্থ কুরিয়ারে পাঠানো হয়, এক্ষেত্রে ৭০ টাকা।

https://aladabazar.com/product/sorisha-fuler-modhu/

#মধু
#খাটি_মধু
#আলাদা_বাজার

সেরা মান ও বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তায় আলাদা বাজার।মূল্য তালিকা:সরিষার তেল ২২০৳ /লিটারসরিষা ফুলের মধু ৪৫০৳ /কেজিঘি- ৩২৫৳ /২৫০ গ...
04/02/2022

সেরা মান ও বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তায় আলাদা বাজার।
মূল্য তালিকা:
সরিষার তেল ২২০৳ /লিটার
সরিষা ফুলের মধু ৪৫০৳ /কেজি
ঘি- ৩২৫৳ /২৫০ গ্রাম
ঘি- ৬৫০৳ /৫০০ গ্রাম
ঘি- ১২৫০৳ /কেজি
ক্যাশ অন ডেলিভারির সুবিধা রয়েছে।
অর্ডার করতে আপনার নাম, বিস্তারিত ঠিকানা ও ফোন নাম্বার আমাদের মেসেজ করুন।
☎ 01727 58 59 58
🌐 www.aladabazar.com

 #মধু ও এ বিষয়ে কিছু কথা: আমরা সবাই এটাই জানি যে বিভিন্ন ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে মৌচাকে মজুদ করে রাখে। আসলে তা নয...
03/02/2022

#মধু ও এ বিষয়ে কিছু কথা:

আমরা সবাই এটাই জানি যে বিভিন্ন ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে মৌচাকে মজুদ করে রাখে। আসলে তা নয়, বিজ্ঞান কিছুদিন আগে প্রমাণ করেছে মৌমাছির শরীর থেকে মধু বের হয়। অথচ পবিত্র কোরআন প্রায় সাড়ে ১৪ শ’ বছর আগেই বলে দিয়েছে মধু মৌমাছির শরীর থেকে বের হয়।
পবিত্র কোরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে,
وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ
অর্থ: ‘আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেন: পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরি কর। (সূরা: নাহল, আয়াত: ৬৮)।
ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلاً يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاء لِلنَّاسِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
অর্থ: এরপর সব প্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। ’ (সূরা: নাহল, আয়াত: ৬৯)।
মৌমাছি আমাদের জন্য উৎকৃষ্ট মধু আহরণ করে। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মধু খেতে খুব ভালোবাসতেন। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস: ১২১)।
১৯৭৩ সালে, ‘কার্ল ভন ফ্রিচ’(karl von frisch) মৌমাছির আচরণ ও যোগযোগের উপর গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন।[ অথচ আল্লাহ কোরআনের জানিয়ে দিয়েছেন ১৪৫০আগেই]

মৌমাছির সবচেয়ে আকর্ষনীয় গুন হলো মৌমাছির নাচ, যাকে বলা হয় Waggle Dance. তবে এই নাচ শুধুই নাচ নয়। এই নাচের মাধ্যমে মৌমাছিরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে থাকে। মৌমাছির রয়েছে এক অসাধারণ বিজ্ঞান ও দূরত্ব মাপার কৌশল। খাবার খোজার জন্য প্রথমে অল্প কিছু মৌমাছি চারিদিকে উড়ে যায়। কিছু সংখ্যক মৌমাছি যখন কোন ফুলে পরাগরেণুর সন্ধান জানতে পায়, তখন সে অন্য সবাইকে জানানোর জন্য চাকে ফিরে যায়, ফিরে গিয়ে একটা অদ্ভুত নাচ নাচে যার মাধ্যমে অন্য মৌমাছি মধু সংগ্রহের নির্দেশনা ও অবস্থান পায়। এই নাচের মাধ্যমে শুধু সন্ধানই দেয় না, এর পাশাপাশি অবস্থান ও দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। মৌমাছি এক আশ্চর্য গনিতবিদের ন্যায় সূর্যের অবস্থানের সাথে ফুলটি কত ডিগ্রি কোণ এ কত দূরত্ব এ অবস্থান করছে তা নির্দেশ করে। এই ক্ষেত্রে মেীমাছি সূর্যকে কম্পাস হিসেবে ব্যবহার করে। আবার যখন মেঘলা থাকে এবং সূর্য মেঘের আড়ালে হারিয়ে যায়, তখন এরা এদের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর ব্যবহার করে পোলারাইজড আলো ব্যবহার করে সূর্যের সঠিক অবস্থান বের করে ফেলে। কার্ল ফন ফ্রিশ নামে এক অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী গত শতকের চল্লিশের দশকে এটা আবিষ্কার করেন এবং এই কাজের জন্য ১৯৭৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে মৌামাছির প্রতিটি কোটর দেখতে ষড়ভুজাকার কেন? মৌমাছির লক্ষ হলো সর্বাধিক মধু সংগ্রহ করা। মধু রাখার জন্য মোম দিয়ে ঘর বানাতে হবে। তাই তাদের এমন্ একটি উপায় বেছে নিতে হবে যেন এই ঘর তৈরিতে কোন স্থানের অপচয় না হয় এবং ঘরের আয়তন সর্বাধিক হয়। ঘর তৈরিতে প্রথমে মাথায় আসে গোলাকৃতির কিন্তু গোলাকৃতির ঘর বানালে কয়েকটি ঘরের মাঝে স্থানের অপচয় বেশি হয়। আবার ত্রিভুজাকার বা বর্গাকার ঘর তৈরি করলে স্থানের অপচয় না হলেও দেয়াল তৈরিতে মোম বেশি লাগে। মোম বেশি তৈরি করতে গেলে মধুর উৎপাদন কম হয়। সবদিক চিন্তা করে দেখা যায় ষড়ভুজাকৃতির ঘরে অল্প দেয়ালে সর্বোচ্চ স্থানের ব্যবস্থা হয়ে যায়। আল্লাহর শুকরিয়া, কত জ্ঞান দিয়ে তাদের দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছে আমাদের খাবার তৈরি করতে। মেীমাছির বেগ ঘন্টায় ১৫ মাইল এবং এরা ৬ মাইল পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। এদের ডানা ঝাপটানোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ২২০ বার। এজন্য এদের গুনগুনানি অনেক দূর থেকে শোনা যায়। মৌমাছিই একমাত্র পোকা যা সরাসরি মানুষের খাদ্য তৈরি করে। একেকটা মৌচাকে প্রায় ২০ হাজার থেকে ৮০ হাজার মৌমাছি থাকে। মৌচাকে মোট ৩ ধরণের মৌমাছি থাকে। কর্মী মৌমাছি, পুরুষ মৌমাছি এবং রাণী মৌমাছি। শুধু কর্মী মৌমাছিই চাক বানানো ও মধু সংগ্রহের কাজ করে। শুধুমাত্র কর্মী মৌমাছির ই হুল থাকে। এরাই চাকের বাইরে ঘুরে বেড়ায়। মৌমাছির হুল তার জীবনের একবারই ব্যবহার করতে পারে। হুল ফুটানোর পর সেই মৌমাছির মৃত্যু ঘটে। তবে এরা মৃত্যুর জন্য মোটেও ভয় পায় না। এদের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখলে তাদের জীবন দিয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। একজন মানুষকে মারতে হলে প্রায় ১১০০ হুলের বিষ প্রয়োজন। আনুমানিক ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য ১১০০ মৌমাছি প্রায় ৯০ হাজার মাইল পথ ঘুরতে হয়। যা কিনা চাদের কক্ষপথের প্রায় তিনগুণ। ফুলের হিসাব করলে দেখা যায় ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ ফুলের পরাগরেণু স্পর্শ করতে হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে ভালো মৌসুমে প্রায় ৫৫ কেজি মধু জমা হয়। এসব তথ্য থেকে আমরা বুঝতে পারি কমী মৌমাছি কি পরিমাণ পরিশ্রমী। অপরদিকে রাণী মৌমাছি শুধু খায় আর ডিম পারে। রাণী প্রতিদিন ১৫০০ থেকে ২৫০০ ডিম দেয়। পুরূষ মৌমাছির স্বভার বেশ অদ্ভুত। এর জীবনেও কোন কাজ করে না এমনকি কর্মী মৌমাছিকে এদের খাবার পর্যন্ত মুখে তুলে দিতে হয়। এদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হলো রাণী মৌমাছির সাথে মিলিত হওয়া। মিলন মৌসুমে প্রতিদিন দুপুরবেলা চাকের সর্বাধিক সক্ষম পুরুষ মৌমাছিগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ভিড় জমায় যাকে বলা হয় পুরুষ ধর্মসভা। ঠিক একই সময়ে চাক থেকে রাণী মৌমাছি ঘুরতে বের হয়, যাকে বলা হয় “দি মিটিং ফ্লাইট” । রাণী মৌমাছি হঠাৎ করে ঢুকে পড়ে পুরুষ ধর্মসভা এলাকায়। সে এসেই এক বিশেষ ধরণের গন্ধ ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে শত শত পুরুষ মৌমাছি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এর পরপরই রাণী মৌমাছি উড়ন্ত অবস্থায় পছন্দমত পুরুষের সাথে মিলন করে। রাণী মৌমাছি একেবারে পর্যায়ক্রমে ১৮-২০টা পুরুষ মৌমাছির সাথে মিলিত হতে পারে। অদ্ভুত ব্যাপার হল, যৌন মিলনের সময় পুরুষ মৌমাছির এন্ডোফেরাস বা যৌনাঙ্গ ভেঙ্গে যায় এবং তখনই মারা যায় পুরুষ মৌমাছি। এজন্যই এই মিলনকে বলা হয় “দি ড্রামাটিক সেক্সুয়াল সুইসাইড”। অনাকাঙ্খিতভাবে যদি কোন রাণী মৌমাছি মারা যায় তবে সে খবর ১৫ মিনিটের মধ্যে সকল কর্মী মৌমাছি জানতে পারে এবং সম্মিলিতভাবে নতুন রাণী মৌমাছি তৈরিকরার উদ্যোগ নেয়। আরো কিছু অদ্ভুত বিষয় রয়েছে, যা জানলে আপনারা অবশ্যই অবাক হবেন। ৫০০ গ্রাম মধু তৈরিতে ২০ লক্ষ ফুল লাগে। শ্রমিক বা কর্মী মৌমাছি সারা জীবনে আধা চা চামচ মধু তৈরি করতে পারে। আরো একটা মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীতে মধু একমাত্র খাদ্য যা কখনোই পচে না।
অদ্ভুত এই তথ্য প্রয়োজন্ মনে করলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দিতে পারেন।
খাটি মধু সংগ্রহ করতে চাইলে নিচের লিঙ্ক থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন ও সংগ্রহ করতে পারবেন।

প্রতি কেজি ৫০০৳, তবে এখন ৫০৳ ডিসকাউন্ট দেয়া হচ্ছে।
ডেলিভারি চার্জ: ৫০ টাকা
01727585958
https://aladabazar.com/product/sorisha-fuler-modhu/


#আলাদাবাজার

24/07/2020

খাঁটি ঘি ছাড়া যাদের চলেই না তাদের জন্য #আলাদা_বাজারের খাঁটি ঘি
১৪০০৳ কেজি
ঢাকায় #হোম_ডেলিভারি

শতভাগ খাঁটি পণ্য। সেরা মানের শুদ্ধ পণ্য, শুধুমাত্র  #আলাদা_বাজারে
23/07/2020

শতভাগ খাঁটি পণ্য।
সেরা মানের শুদ্ধ পণ্য,
শুধুমাত্র #আলাদা_বাজারে

অ্যাটেনশন প্লিজখাদ্যে ভেজাল-জনিত সমস্যা পুরো বিশ্বেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলমূল থেকে নিয়ে শিশুখাদ্য পর্যন্ত ভেজালের ক...
22/07/2020

অ্যাটেনশন প্লিজ

খাদ্যে ভেজাল-জনিত সমস্যা পুরো বিশ্বেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলমূল থেকে নিয়ে শিশুখাদ্য পর্যন্ত ভেজালের কালো থাবা থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। অনেক নামিদামি ব্র্যান্ডগুলো পর্যন্ত জালিয়াতি করে যাচ্ছে ভোক্তাদের সাথে। আর ভেজাল-মিশ্রিত খাবারগুলো আমাদেরকে আক্রান্ত করছে নানান দিক থেকে। কেউই এত্থেকে রেহাই পাচ্ছে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য-সংস্থার তথ্য মতে, প্রতিবছর প্রায় ৬০ কোটি মানুষ দূষিত খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়। এ কারণে প্রতিবছর মারা যায় চার লাখ ৪২ হাজার মানুষ। এ ছাড়া, ৫ বছরের চেয়ে কম বয়সী শিশুদের ৪৩ শতাংশই খাবার-জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর প্রাণ হারায় ১ লাখ ২৫ হাজার শিশু।

অনিরাপদ খাদ্য শুধু স্বাস্থ্যের ঝুঁকিরই কারণ না, বরং দেহে রোগের বাসা বাঁধারও অন্যতম কারণ। ডায়রিয়া থেকে শুরু করে ক্যান্সার—এমন দুই শতাধিক রোগের জন্য দায়ী অনিরাপদ খাদ্য। আসলে বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য জরুরি হলেও তার চেয়ে বেশি জরুরি নিরাপদ খাদ্য। টেকসই জীবন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই।

কিন্তু নির্ভেজাল নিরাপদ পণ্য পাওয়া যাবে কোথায়?
কে দেবে শতভাগ নিশ্চয়তা?
অনলাইনে ভালো পণ্য পাব তো?
হ্যাঁ, পাবেন। অবশ্যই পাবেন। আপনাদের এই আশা পূরণেই জন্যেই আমাদের এই পথচলা। নির্ভেজাল ও শতভাগ খাঁটি পণ্যগুলো আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই আপনাদের কাছে। আপনাদের বিশ্বস্ত সঙ্গী হতে চাই আমরা। সে লক্ষ্যেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পণ্যগুলো ভোক্তারা সাদরে গ্রহণ করছেন। মানের সাথে আমরা কোনো ছাড় দিই না বলে, অনেক ভোক্তাই আমাদের পণ্যগুলোর প্রশংসা করেছেন।

সাধ থাকলেও সাধ্যের অভাবে সব পণ্য আমরা বাজারে আনতে পারিনি। আপাতত কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য আমরা এনেছি আপনাদের জন্য। শতভাগ নির্ভেজাল ও খাঁটি পণ্যগুলো সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।




22/07/2020
মৌবক্স থেকে সংগ্রহ করা মধু১০০% প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল।সরিষা ফুলের মধু পাওয়া যাচ্ছে।খাঁটি মধু পরীক্ষার করার নিয়ম: https://...
21/07/2020

মৌবক্স থেকে সংগ্রহ করা মধু
১০০% প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল।
সরিষা ফুলের মধু পাওয়া যাচ্ছে।

খাঁটি মধু পরীক্ষার করার নিয়ম: https://tinyurl.com/yynf365r
খাটি মধুর গুণাগুন: https://tinyurl.com/y5jzrkg7

হোম ডেলিভারী পেতে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন ০১৩০৩৪৭৩৯৫৯ এই নাম্বারে

ঘি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টিকর   হওয়ায় নিয়মিত খুব অল্প পরিমাণই সুস্থ থাকার জন্য যথেষ্ট । প্রতিদিন ১ চামচ ঘি হা...
20/07/2020

ঘি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টিকর হওয়ায় নিয়মিত খুব অল্প পরিমাণই সুস্থ থাকার জন্য যথেষ্ট । প্রতিদিন ১ চামচ ঘি হার্ট ও নার্ভের জন্য ভালো, ত্বক সুন্দর করে, স্বাস্থ্যকর উপাদেয় একটা খাবার।

কিন্তু আমরা একদিনে ঘিয়ে বানানো বিরিয়ানি, রোস্ট, রেজালা, খাস্তা পরোটা, জর্দা, হালুয়া ইত্যাদি ইত্যাদি ১০-১৫ টা হেভি প্রিপারেশন বানাই এবং পেট পুরে খাই। এতে হিতে বিপরীত ঘটে।

একদিনে বেশি না খেয়ে প্রতিদিন এক চামচ খাঁটি ঘি গরম ভাতে ছড়িয়ে বা ঘিয়ে ডিম ভেজে বা রুটি -পরাটায় মিশিয়ে খান। সুস্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এর কোন বিকল্প নেই।

আলাদা বাজার থেকে অনায়াসে খাঁটি ঘি সংগ্রহ করতে আপনার নাম ঠিকানা ও ফোন নাম্বার আমাদের মেসেজ করুন।

প্রতি কেজি ঘি ১৪০০ টাকা
হোম ডেলিভারি চার্জ ৫০ টাকা (ঢাকা শহরে)
সর্বোচ্চ ৩ দিনে ডেলিভারী।
আমাদের ফোন নাম্বার: 01303473959
ওয়েব: www.aladabazar.com

15/07/2020

যব, যার ইংরেজী নাম Barley ও বৈজ্ঞানিক নাম Hordeum vulgare । যব পোয়াসিয়া (Poaceae) পরিবারের এবং মনোকট শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত এবং শষ্য বা বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এই শ্রেনীর উদ্ভিদ গুলো একবীজপত্রী হয়। এটি গম জাতীয় একধরনের শস্য দানা যা স্বল্পজীবি ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ থেকে সংগ্রহ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দেশগুলিতে সীমিত পরিমানে এর চাষাবাদ হয়। যবের ছাতু খুবই উপাদেয় খাদ্য। তবে যবের ছাতুর প্রচলন বাংলাদেশে নেই। গম আর যব উভয় একই পরিবার ভুক্ত। তবে স্বাদের দিক থেকে যব কিছুটা নোনতা, তিতা এবং উষ্ণ প্রকৃতির। গমের স্বাদ মিষ্টি এবং ঠান্ডা ধরনের। যবে রয়েছে মালটোজ, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, লেসিথিন, এমাইলেস এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি।
যবের ছাতুর উপকারিতা:
যবের ছাতু খাওয়ার ফলে ছাতুর উপকারি উপাদানগুলি রক্তে মিশে যায়। ফলে সঙ্গে সঙ্গে শরীরে এনার্জির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরের ভিতরে ভিটামিন এবং খনিজের ঘাটতি পূরণ হওয়ার কারণে সার্বিকভাবে শরীর এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ার কারণে ছাতুতে উপস্থিত শর্করা খুব ধীরে ধীরে রক্তে মিশে । ফলে এই ধরনের খাবার খেলে হঠাৎ করে শরীরে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। সেই কারণেই তো ডায়াবেটিক রোগীরও ইচ্ছা হলে ছাতু খেতে পারেন। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ছাতুর সরবত খেলে রক্তচাপ অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
শরীরের যথাযত বৃদ্ধির জন্য যে যে উপাদানগুলির প্রয়োজন পরে তা সবই উপস্থিত রয়েছে ছাতুতে। তাই বাজারে চলতি হেলথ ড্রিঙ্কের পরিবর্তে নিয়মিত যদি শিশুদের ছাতু খাওয়ানো হয়, তাহলে শিশুদের সঠিক বৃদ্ধি হবে।
আঁশযুক্ত খাবার স্থুলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। যবের ছাতুতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার থাকে। যবের ছাতু খেলে শরীরের কোষে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। এতে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়ায় উচ্চ পর্যায়ের প্রোটিন কমে যাবে, যা শরীরে চর্বি কমাতে সাহায্য করবে।
পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে ছাতুর শরবতের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। ছাতুতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ এবং ভিটামিন থাকে, যা শরীরের সচলতা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

খাওয়ার নিয়ম:
পানি/দুধের মধ্যে যবের ছাতু ‍মিশিয়ে গুলিয়ে খাওয়া যায়।
ডায়াবেটিস না থাকলে চিনি বা মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।


👉প্রতি কেজি ছাতু ৩২০৳
👉ঢাকা শহরে ডেলিভারি চার্জ ৫০ টাকা। নূন্যতম আধা কেজি
নিতে পারবেন।
👉অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার আমাদের
মেসেজ করুন।
👉অথবা www.aladabazar.com এ অর্ডার করুন।
👉আমাদের ফোন নাম্বার ০১৩০৩৪৭৩৯৫৯
👉৪০০ টাকার উপরে কেনাকাটায় ফ্রি ডেলিভারি।

05/11/2019
গুড়ের সন্দেশ বা হাফসিমিষ্টান্ন জগতে সন্দেশ লোভনীয় এক খাবারের নাম। সন্দেশ দুধের ছানা দিয়ে তৈরি একধরণের উপাদেয় মিষ্টান্ন...
03/11/2019

গুড়ের সন্দেশ বা হাফসি
মিষ্টান্ন জগতে সন্দেশ লোভনীয় এক খাবারের নাম। সন্দেশ দুধের ছানা দিয়ে তৈরি একধরণের উপাদেয় মিষ্টান্ন। ছানার সাথে গুড় মিশিয়ে ছাঁচে ফেলে সন্দেশ প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। খাদ্য উপাদানের দিক থেকে এটি একটি পুষ্টিকর খাবার।
আমরা খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি করছি মজাদার এ সন্দেশ। ১০০ ভাগ মানসম্মত সন্দেশ আমরা ঢাকা শহরে সরবরাহ করে আসছি। শহরের ব্যস্ত জীবনের মধ্যে সুযোগ হয়ে ওঠে না লোভনীয় সব খাবার ক্রয় করার। আমরা নগর জীবনকে সহজ করার জন্যে হোম ডেলিভারিতে পণ্য সরবরাহ করি। সাথে থাকছে ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ।
👉 প্রতি কেজি গুড়ের সন্দেশ ৬০০৳
👉 ঢাকা শহরে ডেলিভারি চার্জ ৫০ টাকা। নূন্যতম আধা কেজি
নিতে পারবেন।
👉 অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার আমাদের
মেসেজ করুন।
👉 অথবা www.aladabazar.com এ অর্ডার করুন।
👉 আমাদের ফোন নাম্বার ০১৩০৩৪৭৩৯৫৯
👉 ৪০০ টাকার উপরে কেনাকাটায় ফ্রি ডেলিভারি।

কালিজিরাকালিজিরার ইংরেজি নাম Fennel flower, Nutmeg flower, Roman Coriander, Blackseed | বাংলাতে কালোজিরা, কালো কেওড়া, রো...
01/11/2019

কালিজিরা

কালিজিরার ইংরেজি নাম Fennel flower, Nutmeg flower, Roman Coriander, Blackseed | বাংলাতে কালোজিরা, কালো কেওড়া, রোমান ধনে, নিজেলা, কালঞ্জি এসব নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে । যে নামেই ডাকা হোক না কেন এ কালো বীজের গুণাগুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম অসাধারণ কালজয়ী। কালিজিরার আদি নিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়া। কেউ কেউ বলেন ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে এর উৎপত্তি স্থান। ওষুধ শিল্প, কনফেকশনারি শিল্প ও রন্ধনশালায় নিত্যদিনের ব্যঞ্জরিত খাবার তৈরিতে কালিজিরার জুড়ি নেই। বিভিন্ন খাবারের পাশাপাশি পানীয় দ্রব্যকে রুচিকর ও সুগন্ধি করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশে মসলা ফসলের মধ্যে কালিজিরার ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কম। মসলা হিসেবে ব্যাপক ব্যবহার আছে বিশ্বব্যাপী। পাঁচ ফোড়নের একটি অন্যতম উপাদান। কালিজিরা আয়ুর্বেদীয়, ইউনানি, কবিরাজি ও লোকজ চিকিৎসায় বহু রকমের ব্যবহার আছে। প্রসাধনীতেও ব্যবহার হয়। কালিজিরার যে অংশটি ব্যবহার করা হয় তাহলো শুকনো বীজ ও বীজ থেকে পাওয়া তেল। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা কালিজিরাকে একটি অব্যর্থ রোগ নিরাময়ের উপকরণ হিসেবে বিশ্বাস করে। হাদিসে আছে কালিজিরা মৃত্যু ব্যতীত অন্য সব রোগ নিরাময় করে। এজন্য কালিজিরাকে সব রোগের ওষুধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। নিয়মিত ও পরিমিত কালিজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি সমৃদ্ধি সাধন করে। আশ্চর্য বীজ কালিজিরার উপকারিতা বহুমুখী।

কালিজিরার উদ্ভিদতত্ত:

কালিজিরা মাঝারি জাতীয় নরম মৌসুমি গাছ, একবার ফুল ও ফল হওয়ার পর মরে যায়। পাতা সরু ও চিকন, সবুজের মধ্যে ছাই-ছাই রঙ মেশানো। পত্রদ্বার দুই দিকে যুগ্ম বা জোড়া পাতা ধরে সোজা হয়ে জন্মায়। পাতাগুলো ছোটো ফলকের মতো বিভাজিত অবস্থায় দেখা যায়। স্ত্রী, পুরুষ দুই ধরনের ফুল হয়, নীলচে সাদা কিংবা জাত বিশেষে হলুদাভ পীত বর্ণেরও হয়। পাঁপড়ি পাঁচটি, ফল গোলাকার, কিনারায় আঁকর্শির মতো বাড়তি অংশ থাকে। পুংকেশরের সংখ্যা অনেক। গর্ভকেশর বেশ লম্বা হয়। বীজ কালো রঙের তিনকোণা আকৃতির। বীজগুলো বীজকোষ খাঁজ আকারে ফলের সাথে লম্বালম্বিভাবে থাকে। বীজে তেল থাকে। গাছ লম্বায় জাতভেদে ৩০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। প্রতি গাছে ৫ থেকে ৭টি প্রাথমিক শাখা এবং ২০ থেকে ২৫টি ফল থাকে। প্রতিটি ফলের ভেতর ৭৫ থেকে ৮০টি বীজ থাকে যার গড় ওজন ০.২০ থেকে ০.২৭ গ্রাম। বারি কালিজিরা-১ এর প্রতিটি গাছে ৫ থেকে ৭ গ্রাম বীজ হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম বীজের ওজন ৩.০ থেকে ৩.২৫ গ্রাম। বীজ পরিপক্ব হতে ১৩০ থেকে ১৪৫ দিন সময় লাগে। দেশি জাতের কালিজিরা পরিপক্ব হতে আরেকটু কম সময় লাগে। বাংলা কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে এর ফুল ফোটে এবং শীতকালে ফল ধরে, শীতের শেষে ফল পাকে।

কালিজিরার পুষ্টিগুণ

কালিজিরাতে প্রায় শতাধিক পুষ্টি ও উপকারী উপাদান আছে। কালিজিরা খাদ্যাভাসের ফলে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কালিজিরা ফুলের মধু উৎকৃষ্ট মধু হিসেবে বিশ্বব্যাপী বিবেচিত, কালোজিরার তেল আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। বর্তমানে কালিজিরা ক্যাপসুলও বাজারে পাওয়া যায়। এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক ক্যারোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক। এর প্রধান উপাদানের মধ্যে আমিষ ২১, শতাংশ, শর্করা ৩৮ শতাংশ, স্নেহ বা ভেষজ তেল ও চর্বি ৩৫ শতাংশ। এছাড়াও ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ আছে। প্রতি গ্রাম কালিজিরা পুষ্টি উপাদান হলো-প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম; ভিটামিন বি১ ১৫ মাইক্রোগ্রাম; নিয়াসিন ৫৭ মাইক্রোগ্রাম; ক্যালসিয়াম ১.৮৫ মাইক্রোগ্রাম; আয়রন ১০৫ মাইক্রোগ্রাম; ফসফরাস ৫.২৬ মিলিগ্রাম; কপার ১৮ মাইক্রোগ্রাম; জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম; ফোলাসিন ৬১০ আইউ। কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আরও আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান যা হাজারও উপকার করে।

কালিজিরার ঔষধি গুণ:

শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন এবং ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে
১. নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
৩. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।
৪. প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে ? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেওয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।
৫. প্রচন্ড মাথা ব্যথা ? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়।
৬. কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়।
৭. কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।
৮. স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরে খুব কার্যকর।
৯. পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়।
১০. শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

কালিজিরার সর্তকতা

কালিজিরা নিয়মিত ও পরিমিত খেতে হয়। অতিরিক্ত খুব বেশি খেলে বা ব্যবহার করলে হিতের বিপরীত হয়। কালোজিরার তেল গর্ভাবস্থায় গ্রহণ করা যাবে না। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত কালিজিরা খেলে গর্ভপাতের সম্ভাবনা থাকে। কালিজিরা গ্রহণ করার সবটাই করতে হবে পরিমিত পর্যায়ে। অনেকেই কালিজিরা হজম করতে পারেন না। তবে আস্তে আস্তে অভ্যাস করলে ভালো। যারা সহজে কালিজিরা হজম করতে পারেন না তারা খাবেন না, যারা পারেন তারাই নিয়মিত পরিমিত খাবেন। গর্ভাবস্থায় ও দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালিজিরার তেল সেবন করানো উচিত নয়। নকল বা কৃত্রিম কালিজিরার তেল কখনও খাওয়া ঠিক না। জেনে শুনে বুঝে নিশ্চিত হয়ে কালিজিরা বা কালিজিরার তেল সরাসরি বা প্রক্রিয়াজাত করে খেতে হবে। পুরনো কালিজিরা তেল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।

Address

Banglabazar
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 00:00 - 23:59
Tuesday 00:00 - 23:59
Wednesday 00:00 - 23:59
Thursday 00:00 - 23:59
Friday 00:00 - 23:59
Saturday 00:00 - 23:59
Sunday 00:00 - 23:59

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alada Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Alada Bazar:

Share

Category

আলাদা বাজার

শতভাগ বিশুদ্ধ পণ্য রাজধানীবাসীদের পৌছানোর উদ্যেশ্যেই আলাদা বাজারের পথ চলা। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে পারাই আলাদা বাজারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।